প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ
http://www.chobimohol.com/image-A2DF_4C039D07.gif

প্রোস্টেট ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাব ও বিস্তারের ওপর পরিচালিত এক গবেষণালব্ধ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে গবেষকরা বলেন, কেউ যদি নিয়মিতভাবে সপ্তাহে অন্তত এক বেলা কপি জাতীয় সবজি (ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রোকলি) খায় তবে তার প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বহুলাংশে হন্সাস পাবে। বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে কালচার (চাষ) করা প্রোস্টেট ক্যান্সার কোষের ওপর এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত বিভিন্ন প্রাণিদেহে কপি জাতীয় সবজির নির্যাস প্রয়োগ করার মাধ্যমে প্রমাণ করেন, কপি জাতীয় সবজিতে বিদ্যমান আইসোথায়োসায়ানেট নামক জৈব রাসায়নিক উপাদানটি প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। সাম্প্রতিককালে গবেষকরা দীর্ঘ এক বছর মানবদেহেও কপি জাতীয় সবজির প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধী কার্যকারিতার ওপর গবেষণাকর্ম পরিচালনা করেন।
এ গবেষণার প্রথম ধাপে কিছুসংখ্যক লোককে (পুরুষ) দু’টি দলে ভাগ করেন। একদলকে কপিজাতীয় খাবার খেতে দেন এবং অপর দলকে মটরসমৃদ্ধ খাবার খেতে দেন। গবেষণাটি এক বছর সময় নিয়ে পরিচালিত হয়। এ গবেষণার শুরুতে, গবেষণা চলাকালীন এবং গবেষণার শেষে সবার প্রোস্টেটের বায়োপসি করা হয় এবং তাদের প্রোস্টেটে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী জিনের কার্যকারিতা দেখা হয়। গবেষকরা এ গবেষণায় দেখতে পান, যারা নিয়মিত কপি জাতীয় খাবার গ্রহণ করেছিলেন তাদের প্রোস্টেট ক্যান্সার ও প্রদাহ সৃষ্টিকারী জিনের কার্যকারিতার তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছিল, যা প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। এ গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গবেষকরা বলেন, যারা নিয়মিত কপি জাতীয় সবজি খাবে তাদের প্রোস্টেট ক্যান্সারসহ অন্যান্য জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হন্সাস পাবে।
''Proceedings of the National Academy of Sciences'' অনুসারে জীবনধারার উন্নয়ন অর্থাৎ সুস্খ জীবনযাপন প্রণালী জিনের ভাব পরিবর্তনের মাধ্যমে পুরুষের প্রোস্টেট ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
একটি গবেষণার জন্য প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত কিন্তু কম ঝুঁকিপূর্ণ এ রকম ৪০ জন পুরুষ নির্বাচন করা হয় এবং তাদের ওপর নজর রাখা হয় যেন অপারেশন বা রেডিয়েশন থেরাপি না দেয়া হয়। তিন মাস ধরে তাদেরকে শস্য, উদ্ভিজ্জ ও কম চর্বিযুক্ত খাবার (১০ শতাংশের চেয়ে কম চর্বিযুক্ত ক্যালরি) দেয়া হয়, সপ্তাহে ছয় দিন ব্যায়াম করানো হয় এবং প্রতিদিন মানসিক চাপমুক্ত রাখা হয়। খাদ্য হিসেবে প্রতিদিন টোফু (সয়াবিনের তৈরি), সয়া প্রোটিন, ৩০০০ মিলিগ্রাম মাছের তেল, ২০০ মাইক্রোগ্রাম সেলেনিয়াম, ২০০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি এবং ১০০ আইইউ ভিটামিন ই দেয়া হয়।
প্রোস্টেটের অবস্খা প্রাথমিক অবস্খায় যে রকম ছিল জীবনধারা পরিবর্তনের তিন মাস পর তুলনা করে দেখা যায়, ৪৮টি জিন রোগ প্রতিরোধে ও অবস্খা উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং ৪৫৩টি জিন ক্যান্সার ও অন্যান্য রোগের সাথে জড়িত। এ ছাড়া বিএমআই (Body mass index), ব্লাডপ্রেসার, লিপিড, কোমড়ের প্রস্খ এবং মানসিক অবস্খারও উন্নতি হয়।

ডা. আলমগীর মতি
লেখক : ব্যবস্খাপনা পরিচালক, মডার্ন হারবাল গ্রুপ
ফোন : ০১৯১১৩৮৬৬১৭

সূত্র : এখানে

মেদ কমানোর চিকিৎসা
http://www.chobimohol.com/image-5834_4C039C68.jpg
ডা. দিদারুল আহসান
বাড়তি মেদ বা মোটা হওয়ার সমস্যায় আমরা অনেকেই ভুগে থাকি। সেই মেদ আর মোটা যদি অসময়ে কোনো তরুণ-তরুণীকে আক্রান্ত করে তাহলে কিন্তু তার এবং তার পিতামাতার চিন্তার অন্ত থাকে না। সেই সাথে যদি আবার সংযুক্ত হয় ত্বকের কালোময়তার সমস্যা তাহলে তো আহার-নিদ্রা পর্যন্ত বìধ হয়ে যায়। কিছু কিছু রোগ আছে যাতে মোটা আর কালোর সম্পৃক্ততা আছে যেমন  Acanthosis Nigricans Associated with obesity অর্থাৎ মোটা হওয়ার পাশাপাশি ত্বকে ভাঁজ যেমন ঘাড়ের পার্শ্ব, বগল ও কুঁচকি ইত্যাদি স্খান কালো হয়ে যায়। অসংখ্য কারণেই এমন হতে পারে। তবে আজ আমরা মূলত মেদ আর মোটা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনার চেষ্টা করব। মোটা বলতে আমরা বুঝি দেহে প্রয়োজনের অতিরিক্ত মেদ জমা। এ ক্ষেত্রে খাদ্যের চর্বিই মেদ জমার মূল কারণ। আবার মূল খাদ্য শর্করা, আমিষ ও চর্বির মধ্য থেকে এই চর্বিই আমাদের দেহে প্রথম জমে এবং সর্বশেষে ভাঙে। কাজেই খাদ্যের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক হওয়া খুবই প্রয়োজন।
আমাদের খাদ্যে এমন হওয়া উচিত যেন তার থেকে আসা মোট ক্যালরির এক-তৃতীয়াংশের বেশি যেন কোনো অবস্খাতেই চর্বি থেকে না আসে। কাজেই চর্বি গ্রহণের ব্যাপারে আমাদের বিশেষ করে যারা মোটার সমস্যায় ভোগেন তাদের সতর্ক হতে হবে। আবার অনেকেই ভাবেন, মোটা হওয়ার আসলেই কি কোনো চিকিৎসা আছে? উত্তর একটিই হ্যাঁ, আছে। বাজারে এখন একটি নতুন ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে যা Orlistat উপাদানে তৈরি যা চর্বি পরিপাক ও শোষণে বাধা দেয় এবং যা শুধু পরিপাকতন্ত্রেই সক্রিয়; যা মাংস নয় বরং চর্বি কমিয়েই আপনার শরীরের ওজন কমাতে সক্ষম। এটি রক্তে উচ্চ মাত্রার চর্বিও ওই রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে, যা আপনার মস্তিষ্কে কোনো প্রভাব ফেলে না। যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা নেই বললেই চলে এবং যা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের জন্যও নিরাপদ। ওষুধটি খাওয়ার ফলে চর্বি জাতীয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পদার্থে পরিণত হতে না পারায় তা রক্তে শোষিত হতে পারে না। ফলে তা ক্ষুদ্রান্তেই থেকে যায় এবং যা পরে মলের সাথে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। যাদের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কিংবা যারা অস্বাভাবিক রকম মোটা, যাদের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি তারা এই ওষুধটি ব্যবহার করতে পারেন। তবে এ ধরনের ওষুধ আপনি নিজে নিজে ব্যবহার করবেন না কারণ অতিদ্রুত ওজন হন্সাস বা বৃদ্ধি কোনোটি আপনার স্বাস্খ্যের জন্য কাম্য নয়। আপনি অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এ ধরনের ওষুধ ব্যবহার করবেন। তবে মনে রাখবেন এর পাশাপাশি দৈহিক শ্রম ও ব্যায়াম আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে আরো সাহায্য করবে।
আপনি প্রতিদিন খাবারের সাথে যে চর্বি খাচ্ছেন এই ওষুধ তার এক-তৃতীয়াংশকে হজমে বাধা দেয়। এ ছাড়া রক্তের মোট কোলেস্টেরল ও এলডিএল কমায়। কোলেস্টেরল ছাড়াও রক্তের ট্রাইগ্লোসারাইড, ডায়াবেটিসও এই ওষুধের সাহায্যে কমে থাকে। এই ওষুধ ব্যবহার করতে হলে আপনি আপনার চিকিৎসককে নিয়ে একত্রে সিদ্ধান্ত নেবেন যে, আপনার ওজন কতটুকু কমাতে হবে। মনে রাখবেন শতকরা ৫ থেকে ১০ ভাগ ওজন কমলেই অনেক রোগের ঝুঁকি কমে যায়। এই ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও যে নেই তা কিন্তু নয়। ওষুধ খেলে পায়ুপথে অতিরিক্ত বায়ু নির্গমন হতে পারে। চর্বি মল ও তন্ত্রে পরিচালন বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। স্বাভাবিকভাবে আপনার মনে হয়তো প্রশ্ন আসবে, এই ওষুধ কত দ্রুত ওজন কমাতে সক্ষম। এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, যেখানে এক হাজার লোকের ওপর পরীক্ষা চালানো হয়েছিল তাতে ছয় থেকে আট মাস ওষুধ ব্যবহারে গড়ে ১০ ভাগ ওজন কমেছে। ওষুধ কোম্পানি বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একে খুবই কার্যকর ও নিরাপদ বলে জানিয়েছে। তারা প্রাথমিকভাবে সাত হাজারেরও বেশি লোকের ওপর এই ওষুধের প্রতিক্রিয়া ও কার্যকারিতা পরীক্ষার শেষে একে নিরাপদ, কার্যকর ও এক কথায় চমৎকার বলে জানিয়েছেন।

লেখক : চর্ম, যৌন ও অ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ, আল-রাজি হাসপাতাল, ১২ ফার্মগেট, ঢাকা। মোবাইল : ০১৮১৯২১৮৩৭৮

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-E67B_4C039810.jpg

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেসবুকের ওপর নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
গতকাল ফেসবুক কর্তৃপক্ষের অফিসে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় বিটিআরসি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি। আজ তারা যোগাযোগ করবেন। ফেসবুকের অপব্যবহার বন্ধে তাদের সহযোগিতা চাইবে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে যে ধরনের নির্দেশনা দেবে বিটিআরসি তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সে ব্যবস্থা নেবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই ফেসবুকের ইতিবাচক ব্যবহারের পাশাপাশি নেতিবাচক ব্যবহার হচ্ছে। এতে অনেকের সামাজিক মর্যাদাহানিও ঘটছে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো ঘটনাও ঘটাচ্ছে। এসব ঘটনা হরহামেশা ঘটলেও ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ওপর নজরদারিরও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। নেই মনিটরিং করার কোন ব্যবস্থা। বাংলাদেশে সাইবার ক্রাইম নিয়ে কাজ করছে র‌্যাব। তারা মাঝে মাঝে তাদের সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিহ্নিত করছে ওই সব অপরাধীকে। কিন্তু তাদের  পক্ষেও সব ধরনের সাইবার ক্রাইমের সঙ্গে জড়িতদের নজরদারি করা সম্ভব নয়। ফেসবুকের অপব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করে সরকার ফেসবুকের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব সুনীল কান্তি বোস বলেছেন, আপনারা দেখেছেন কিভাবে ফেসবুকের অপব্যবহার হচ্ছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নামে অপরাধীরা নানা তথ্য ছড়াচ্ছে। তাদের ইমেজ নষ্ট করছে। তিনি বলেন, এটি এমন একটি সাইট এটাকে বন্ধ করা যাবে না। আপাতত তদন্তের স্বার্থে বন্ধ রাখা হয়েছে। একাধিক চক্র ও গ্রুপ রয়েছে যারা এ সাইটটি ব্যবহার করে নানা অপকর্ম ঘটিয়েছে। তাদের ধরার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে তাদের সন্ধান পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করবে। তিনি বলেন, আপাতত তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে ফেসবুক সাইটের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে। অন্যান্য দেশেও এর অপব্যবহার হচ্ছে। তারা এটাকে কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করে তা দেখতে হবে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা ব্যবস্থা নেবো। প্রয়োজনে সম্মিলিত ব্যবস্থাও নেয়া যেতে পারে। এজন্য কোন নিয়মনীতি করতে হলে তা করতে হবে। এছাড়া বিটিআরসিকে বলা হয়েছে, যতদ্রুত সম্ভব ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে। ফেসবুকের অপব্যবহার বন্ধের জন্য একটা পথ বের করতে হবে। তিনি বলেন, ফেসবুকের অপব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নতুন কোন আইন বা নীতিমালা করার প্রয়োজন হবে না। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনেই এ ব্যাপারে বলা আছে। সেখানে শাস্তির বিধানও বলা আছে। আমরা চাইছি ওই আইনের যথাযথ প্রয়োগ। যারা অপরাধ করেছে তাদের আইনের অধীনে শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলে এ ধরনের অপরাধ কমবে। এদিকে র‌্যাবের মহাপরিচালক হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেন, ফেসবুক ব্যবহার করে দেশের বিশিষ্টজনদের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রচার প্রচারণা চালানো হয়েছে। তাদের সুনাম নষ্ট করা হয়েছে। দিন যত যাচ্ছে এর প্রসার ঘটছে। সাইবার ক্রাইম বাড়ছে। এটা উদ্বেগজনক। এ কারণে র‌্যাব অনেক দিন ধরেই এ ব্যাপারে কাজ করে আসছিল। এর আগেও র‌্যাবের ওয়েবসাইট হ্যাকিং করার কারণে মিরপুর থেকে একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। তিনি বলেন, সেটা ছিল হ্যাকিং। ফেসবুকে নানা আপত্তিকর তথ্য ছবি প্রকাশ ও সংযুক্ত করা আরেক ধরনের অপরাধ। আমরা ওই ধরনের ব্যক্তিদের ধরার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মাহবুব আলম রডিন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও ক’জনকে ধরার জন্য র‌্যাব চেষ্টা করে যাচ্ছে। ফেসবুকের অপব্যবহার সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। বিটিআরসি’র একজন পরিচালক বলেন, ফেসবুকের অপব্যবহার বাড়ছিল। এ চিন্তা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত তা বন্ধ থাকবে। আমরা ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শিগগিরই বিষয়টি জানিয়ে অপব্যবহার বন্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি। তাদের সঙ্গে আলোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
যেভাবে বন্ধ করা হয় ফেসবুক সাইট: নেতিবাচক ব্যবহারের কারণে ও সরকারের ইমেজ নষ্ট হওয়ায় সরকার থেকে উদ্যোগ নেয়া হয় তা বন্ধ করে দেয়ার। বিটিআরসি এসব নিয়ন্ত্রণ করে। বিটিআরসিকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশ দেয়া হয় এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়ার। বিটিআরসি গত ২৬ শে মে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) ও ম্যাংগো টেলিকমকে চিঠি দেয়। সেখানে নির্দেশ দেয়া হয়, তাদের (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) আইআইজি থেকে ফেসবুকের বিশেষ কিছু লিঙ্ক বন্ধ করার। কিন্তু তারা ২৯শে মে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত তা বন্ধ করতে পারেনি। তারা তা বন্ধ না করার কারণে ২৯শে মে বিটিআরসি থেকে আবার বিটিসিএল ও ম্যাংগো টেলিকমকে চিঠি দেয় ফেসবুক সাইট পুরোপুরি বন্ধ করার। দুপুরে চিঠি পাওয়ার পর সন্ধ্যায় বিটিসিএল ও ম্যাংগো টেলিকম তাদের আইআইজি (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) থেকে ফেসবুকের সব লিঙ্ক বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে ফেসবুকের সব লিঙ্ক বন্ধ রয়েছে।

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-9A05_4C039759.jpg
মডেলিংয়ের সঙ্গে জড়িত তারা অনেকদিন ধরেই। সেইসঙ্গে অভিনয়েও। কিন্তু নাটকে একসঙ্গে অভিনয় করলেও এই প্রথম একসঙ্গে মডেলিং করতে যাচ্ছেন ইমন এবং নওশীন। কোমল পানীয় ইউরোকোলার নুতন একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করতে আগামীকাল মঙ্গলবার কলকাতার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন তারা। সেখানেই বিজ্ঞাপনটির শুটিং হবে। বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করবেন মুম্বাইয়ের বিজ্ঞাপন নির্মাতা সিদ্ধার্থ। বিজ্ঞাপনে কাজ করা সম্পর্কে নওশীন বলেন, এর আগে আমি ইমনের নাটকে কাজ করেছি। খুব কোঅপারেটিভ একজন মানুষ ইমন। ইমন বলেন, আশা করি বিজ্ঞাপনটি দর্শকের ভালো লাগবে কারণ বিজ্ঞাপনটির থিম খুব চমৎকার। গত ১৫ দিন ইমন ও নওশীন আমেরিকায় ছিলেন ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডে অংশগ্রহণ করার কারণে।
গত ২৯ মে ভোরে তারা দেশে ফিরেছেন। নওশীন জানান আগামী ৭ জুন দেশে ফেরার পর তিনি ২৫ জুন আবারো আমেরিকা যাবেন।

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-6584_4C0392E3.jpg
দীর্ঘ বিরতির পর আবারও একসঙ্গে পর্দায় হাজির হচ্ছেন কারিন এবং শহীদ। সাবেক এই প্রেমিক-প্রেমিকাকে মিলেঙ্গে মিলেঙ্গে শিরোনামের ছবিতে দেখতে পাবেন দর্শকরা। বনি কাপুর প্রযোজিত এ ছবিটি মুক্তি পাবে ৯ জুলাই। শহীদ এবং কারিনা যখন চুটিয়ে প্রেম করতেন তখন ছবিটির কাজ শুরু হয়। কিন্তু দুজনার সম্পর্কে ফাটল ধরার পরই ছবিটির কাজ নিয়ে প্রযোজককে ভোগাতে শুরু করেন। বনি কয়েক দফা কারিনার কাছে সিডিউল চাওয়ার পরও তিনি তাকে ঠিকমত সময় দেননি। এ কারণেই ছবিটির কাজ শেষ করতে এত সময় লেগেছে। এরপর ছবিটির প্রচারণার জন্য সময় চাইলেও অভিনেত্রী প্রযোজককে নানা অজুহাত দেখিয়ে পাশ কেটে গিয়েছেন। কারিনার সব রকম অসহযোগিতার পরও ছবিটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে। অনেকদিন পর এই জুটিকে দর্শকরা কীভাবে নেবেন—এটিই এখন দেখার বিষয়।

সূত্র : এখানে

আড্ডার আসর থেকে কপি পেস্ট মেরে দিলাম।  (y)

ঘুরুংটি টি টা কাজ করে না।  :অবাক:
স্মাইলি গুলো ডিসপ্লে তেও একটু ছোট লাগছে, আরেকটু স্টাইল এডিট করা লাগবে, তবে জটিল কাজ দেখাচ্ছ সাইফ, সাবাস!  :কোলাকুলি:

দারুন লাগল, অমিত ছুটি তে এইচটিএমএল আর পিএইচপি এর উপর ছোটখাটো একটা কোর্স করতে চাচ্ছিলাম, পলাশ ভাই এর কাছ থেকেই কোর্স টা করব নাকি? একেবারে আনাড়ি তো তাই, খুব বেশি পারা লোকের কাছে গেলে তো গুলিয়ে খাইয়ে দেবে।

ভাল বলেছেন, আশা করি নিয়মিত পাব আপনাকে।  :তালি:

দাতের ব্যথা, কানের ব্যথা আর মাথা ব্যথা খুবই ভয়ংকর, কিছুতেই কন্ট্রোল করা যাই না।  ~X

সিনেমার সম্পর্ক এখন বাস্তবে
http://www.chobimohol.com/image-6531_4C02A510.jpg
স্লামডগ মিলিয়নিয়ার জুটি ফ্রেইদা পিন্টো আর দেব প্যাটেলকে নিয়ে সেই শুরু থেকেই জল্পনা কল্পনার অন্ত নেই। তবে দু’জনের হদয়ঘটিত সম্পর্কের কোনও নিশ্চিত তথ্য আজ পর্যন্ত কেউ উদ্ধার করতে না পারায় বিষয়টি এতদিন থেকে গেছে রহস্যজালের অন্তরালে। তবে ইদানীং এ গুঞ্জনের স্রোতকে আরও পানি পাইয়ে দিতে শোনা যাচ্ছে চটকদার বেশ কিছু খবর। দু’জন নাকি বেশ উপভোগ করছেন একে অন্যের সঙ্গ। ঘুরে বেড়াচ্ছেন দু’জন মিলে খুব। গুজবে এও শোনা যায় দু’জন মিলে নাকি লস এঞ্জেলস এর প্রতিষ্ঠিত ‘লেডি জেন বেকারি’তে ঢুঁ মেরেছেন কেকের অর্ডার দিতে। যেন তেন কেক নয়, ওয়েডিং কেক। যে কেকটি নিয়েই তারা দু’জনে পারি জমাবেন ভারতের পথে। পাশাপাশি এটাও জেনে রাখা ভালো এই লেডি জেন বেকারিতেই প্রথম দু’জন একান্তে সময় কাটিয়েছিলেন। অনেকের ধারণা সেই সোনালি অতীতকে সাক্ষ্য রেখেই এ দুই লাভবার্ড গড়ে তোলার স্বপ্নে বিভোর তাদের ভালবাসার নীড়। ধারণা করা হচ্ছে, লস এঞ্জেলস থেকে দেশের মাটিতে পা দিয়েই তারা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। খুল্লামখুল্লা জানাজানিটাও তখনকার জন্য শিকেয় তুলে রাখতে চাইছেন এ তারকা জুটি। দেখা যাক গুজবটা বাস্তবের হালে কতটুকু পানি পায়।

সূত্র :  এখানে

লেক্চার টি বন্ধ গেট এ খন্দকার, কলেজ এর সামনে আদিত্য, ওরিয়েন্ট এবং রোজ ফটোস্টাট এর দোকানে পাওয়া যাচ্ছে। খন্দকার এর দোকানের প্রিন্ট টা একটু নিম্ন মানের।  আদিত্য তে ফটোকপি ৪২ টাকা। ওরিয়েন্টে Spiral binding সহ ৫৫ টাকা। কেও নিতে চাইলে সরাসরি যোগাযোগ ০১৭১০৫৭১৫৭১ অথবা ০১৬৭২২৯০২২৩

রয়টার্স:
http://www.chobimohol.com/image-8EE7_4C025820.jpg
নারীদের ধূমপানে উত্সাহী করে এমন বিজ্ঞাপনের বিরুদ্ধে নামছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। শুক্রবার ডব্লিউএইচও জানায়, বর্তমানে তামাক শিল্পের ক্রমবর্ধমান বাজারের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হয়ে উঠছে নারীরা। ফ্যাশন, খেলাধুলা ও বিনোদন জগতের বিভিন্ন আক্রমণাত্মক প্রচারণার ফাঁদে পা দিচ্ছে তারা। সংস্থাটির তামাকমুক্ত আন্দোলনের পরিচালক ডগলাস বেচার বলেন, শিল্পটির বিপণন কৌশল তাদের কাঙ্ক্ষিত ফল পাচ্ছে। প্রতিদিনই নতুন করে অনেক মেয়ে ধূমপান করা শুরু করেছে। এটা বড় ধরনের বিপদ সঙ্কেত। সোমবার ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস’ উপলক্ষে নবীনদের ধূমপান সম্পর্কিত একটি পরিসংখ্যান প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। এ প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ১৫১টি দেশে উঠতি বয়সী মেয়েরা ছেলেদের সমান ধূমপান করে। ল্যাটিন আমেরিকা বিশেষ করে চিলি, কম্বোডিয়া ও মেক্সিকো এবং পূর্ব ইউরোপে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা বেশি ধূমপান করে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের ১০০ কোটি ধূমপায়ীর মধ্যে ৮০ শতাংশই পুরুষ। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৪০ শতাংশ পুরুষই ধূমপায়ী, তবে নারীদের মধ্যে এই হার ৯ শতাংশ। ভারত ও চীনের মতো উঠে আসা নতুন বাজারগুলোতে ৬০ শতাংশ পুরুষ ধূমপান করে। তবে এসব দেশে নারী ধূমপায়ীর সংখ্যা ৩ থেকে ৫ শতাংশ, যা একটি ক্রমবর্ধমান বাজার হিসেবে ধরে নেয়া হচ্ছে। বেচার বলেন, এখন বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে নারীদের লক্ষ্য করে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও সম্মোহক বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়। বিজ্ঞাপনগুলোতে ধূমপানকে সৌন্দর্য ও আত্মনির্ভরশীলতার প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়ে থাকে। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, প্রতি বছর বিশ্বে ৫০ লাখ মানুষ তামাকজনিত হৃদরোগ, মস্তিষ্ক প্রদাহ ও ক্যান্সারে মারা যায়। এর মধ্যে দেড় লাখ নারী। এছাড়াও আরও ৪ লাখ ৩০ হাজার মানুষ পরোক্ষভাবে ধূমপানজনিত রোগে মারা যায়, যাদের প্রতি তিনজনে দু’জন নারী। ২০০৩ সালে ১৬০টি দেশে অনুমোদিত ডব্লিউএইচও চুক্তিতে তামাক ও তামাকজাত কোনো পণ্যের প্রচারণা, বিজ্ঞাপন ও বিপণন নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়। এ পর্যন্ত মাত্র ২৬টি দেশ এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বলে সংস্থাটি জানায়। সংস্থাটি আরও জানায়, ২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপনে ১ হাজার ৩শ’ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করা হয়। জাপানে সাম্প্রতিক সময়ে পুরুষ ধূমপায়ীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে এলেও নারীদের জন্য গোলাপি মোড়কে সিগারেট বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে নারী ধূমপায়ীর সংখ্যা বাড়ছে।
মিসরে গোলাপি মোড়কে সিগারেটগুলো বিভিন্ন সুগন্ধির মোড়কের সঙ্গে মিল রেখে তৈরি করা হচ্ছে। সংস্থাটির জেন্ডার, উইমেন অ্যান্ড হেলথ ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা আদেপেজু ওলুকোয়া বলেন, স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কোন বিষয়টি নারীদের আকর্ষণ করে, তা খুঁজে বের করেছে এই শিল্পটি। তবে সিগারেট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফিলিপ মোরিস ইন্টারন্যাশনাল বলছে, তারা কম বয়সীদের আকর্ষণ করে এমন কোনো বিজ্ঞাপন প্রচার করে না। মার্লবোরো ব্র্যান্ডের সিগারেট প্রস্তুতকারী এই প্রতিষ্ঠানটি তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার বিরোধিতা করেছে।
সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-9B71_4C025785.jpg
বিচিত্র পৃথিবী। বিচিত্র পৃথিবীর মানুষ, প্রাণীকুল। বিচিত্র এদের আচরণ। প্রাণীকুলের অনেক রহস্য এখনও অজানা। এই রহস্য উদঘাটনে বিজ্ঞানীদের ঘুম হারাম। তারা নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন এসব রহস্য উদঘাটনে। সফল হয়েছেন। হচ্ছেন। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার এক বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেছেন কচ্ছপের বিশেষ ধ্বনি। এই ধ্বনি ব্যবহার করেই পানিতে সমগোত্রীয় প্রাণীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এটি। অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ভিয়েনায় পিএইচডি করছেন প্রাণীবিদ এগন হেইস। তিনি বলেন, এক ধরনের কচ্ছপ পানিতে মাসের পর মাস অবস্থান এবং শ্বাস নিতে অসাধারণ এক অঙ্গ ব্যবহার করে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, খাদ্য গ্রহণ অপেক্ষা অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ, এবং আরও কিছু সমস্যা সমাধানে কচ্ছপ এই বিশেষ ধ্বনি ব্যবহার করে। আর এভাবেই মাসের পর মাস পানিতে অবস্থান করে এটি।
এগন হেইস বলেন, এ বিষয়টি আবিষ্কার করার পর আমি সত্যিই বিস্মিত। আমি এটা সত্যিই আশা করিনি। মিঠা পানির কচ্ছপের (দক্ষিণ কানাডা ও পূর্বাঞ্চলীয় যুক্তরাষ্ট্রের নদী ও খালে বাস করে এমন কচ্ছপ) খাদ্যাভ্যাস গবেষণা করার সময় হেইস ও তার সহকর্মীরা বিষয়টি নিশ্চত হন। তারা বলেন, প্রাপ্তবয়স্ক কচ্ছপ জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটায় পানিতে। তবে জুবেনিলিস প্রজাতির কচ্ছপ মাঝেমধ্যে খাবারের জন্য স্থলে আসে।
খাবারের দৃশ্য চিত্রায়ন করার সময় এ প্রজাতির কচ্ছপের মধ্যে তারা ভিন্ন কিছু লক্ষ্য করেন। তারা দেখতে পান, খাবার পেলেই এরা খেতে পারে না। পানিতে এ খাবারের পিঠে গর্ত বা আঘাত করে খাওয়ার উপযোগী করা হয় এবং এর পরই কেবল তারা এটা খেতে পারে। ভূখণ্ডের বাইরে এরা খাবার ধরতে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে।
গভীর পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সাধারণ কচ্ছপের দুর্বল ছোট ধ্বনি আছে। এটি এক ধরনের বিশেষ কোষের মধ্যে থেকে তৈরি হয়। আর এ কোষকে বলা হয় প্যাপিলাই। পরীক্ষায় প্রমাণ পাওয়া গেছে, এই কোষগুলো কচ্ছপের কণ্ঠনালির চারদিকে থাকে। শ্বাস নেয়ার জন্য, বিশেষ করে পানিতে বিচরণ করার সময় চারপাশে থাকা অক্সিজেন নিতে এই কোষগুলো ব্যবহার করে এরা। হেইস বলেন, আমরা জানতাম, এ কাজের জন্য একটা বিশেষ অঙ্গ ব্যবহার করে এরা। কিন্তু দৈবক্রমে আমরা এটা অবিষ্কার করতে সক্ষম হই। গবেষকরা বলছেন, কিছু প্রজাতির কচ্ছপ পানিতে একেবারেই শ্বাস নিতে পারে না। এ প্রজাতির কচ্ছপ হচ্ছে মেরিন। প্রায় প্রতি ঘণ্টায়ই এরা শ্বাস নিতে পানিতে ভেসে ওঠে। মিঠা পানির অনেক প্রজাতির কচ্ছপও পানিতে শ্বাস নিতে পারে না। তবে অন্যরা এ কাজটি করে থাকে চামড়ার মাধ্যমে।
অস্ট্রেলিয়ার সাইড লেকেও কচ্ছপ ক্লওক্যাল ব্যবহার করে পানিতে শ্বাস নেয়। তবে মাস্ক প্রজাতির কচ্ছপের চামড়া মোটা। ফলে ক্লওক্যাল ব্যবহার করে এরা পানিতে শ্বাস নিতে পারে না।
হেইস বলেন, এ প্রজাতির কচ্ছপ ভূপৃষ্ঠে না এসে কীভাবে মাসের পর মাস পানিতে থাকে তা রহস্যজনক। কেননা তারা চামড়ার সাহায্যেও শ্বাস নিতে পারে না।
সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-0A1C_4C025743.jpg
মোবাইল ফোন মুলত একটি রেডিও। প্রথমদিকে মোবাইল সাধারণ ফোনের মতো কাজ করলেও বর্তমানে এর ব্যবহার অনেক বিস্তৃত হচ্ছে। বর্তমানে একটি শহর বা জায়গাকে মোবাইল কোম্পানি অনেক সেলে ভাগ করে নেয়। সাধারণত প্রতিটি সেল ১০ বর্গমাইলের সমান ও ষষ্ঠভুজ হয়ে থাকে আর প্রতিটি সেলে একটি বেস স্টেশন থাকে। প্রতিটি সেলে ৮০০টি ফিকোয়েন্সিতে কথা বলা যায়। প্রতিটি শহরে একটি সেন্ট্রাল অফিস থাকে, যা বেস স্টেশন বা টাওয়ারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। এই সেন্ট্রাল অফিসগুলোকে Mobile Telephone Switching Office (MTSO) বলে। মোবাইল ফোন ও বেস স্টেশন খড় িঢ়ড়বিত্ ঃত্ধহংসরংংরড়হং ব্যবহার করে। ফলে মোবাইল ফোন অল্পক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি দিয়ে চলতে পারে বলেই আজকের মোবাইল ফোনের আকার অনেক ছোট হয়েছে।
আমরা যখন মোবাইল অন করি, তখন এটি কন্ট্রোল চ্যানেলের মাধ্যমে ঝওউ (ঝুংঃবস ওহফবহঃরভরপধঃরড়হ ঈড়ফব) গ্রহণ করে এবং তা মোবাইল ফোনের ভেতরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। এছাড়া এটি গঞঝঙ-এর সঙ্গেও যোগাযোগ রাখে। সেন্ট্রাল অফিস মোবাইল ফোনের অবস্থান একটি ডাটাবেসে রাখে। অর্থাত্ আপনি শহরের ভেতরে কখন কোন সেলে থাকছেন তা সেন্ট্রাল অফিসের ডাটাবেসে থাকে। যখনই কেউ আপনাকে ফোন করে, তখন এই সেণ্ট্রাল অফিস তার ডাটাবেস থেকে বের করে আপনি কোন টাওয়ারের কাছাকাছি আছেন এবং সেই টাওয়ার থেকে আপনার মোবাইলের ফ্রিকোয়েন্সিতে যোগাযোগ করে দুজনের সঙ্গে যোগাযোগ করে দেয়।
ফলে আপনি কথা বলতে পারেন।
আরও কিছু সুবিধা
মোবাইল ফোনের আরেকটি বড় সুবিধা হলো, আপনি গাড়িতে কিংবা অন্য কিছুতে চলমান থাকলেও কথা বলতে পারবেন। আপনি যখন কথা বলতে বলতে একটি সেল থেকে অন্য একটি সেলের দিকে এগোতে থাকেন, তখন বর্তমানে ব্যবহার করা টাওয়ারটি থেকে দূরত্ব বেড়ে যাওয়ার কারণে অন্য টাওয়ারটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে, এর ফলে আপনি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গেলেও নির্বিঘ্নে আপনার কথোপথন চালিয়ে যেতে পারেন। সেলফোন দেখতে ছোট হলেও এটি মুহূর্তের মধ্যে এতকিছু করে ফেলতে পারে, কেননা এর ভেতরে উঝচ (Digital Signal Processor) এর কারণেই আজকের মোবাইল এত স্মার্ট হয়েছে!
ডুপেক্স চ্যানেল ব্যবহার হয়
মোবাইল ফোনে ডুপেক্স চ্যানেল ব্যবহার করা হয়। পুলিশ সার্জেন্টরা যে ওয়াকিটকি ব্যবহার করে তাতে সিঙ্গেল চ্যানেল থাকে বলে একসঙ্গে শুধু কথা বলা কিংবা শোনা সম্ভব। এতে এক সঙ্গে দুজনেই কথা বলা ও শোনা সম্ভব নয়। যেমন—ওয়াকিটকিতে সার্জেন্টরা কথা বলা শেষ করে ওভার শব্দটি বলে। তা শুনে অপরপক্ষ তখন কথা বলে। কিন্তু মোবাইল ফোনে ডুপ্লেক্স চ্যানেল ব্যবহার হওয়ার কারণে, এতে এক সঙ্গে কথা বলতে ও শুনতে পারা যায়।

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-4E96_4C025671.jpg
জোহানেসবার্গের ওআর টাম্বো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আকাশটাও পুরোদস্তুর যেন ‘আর্জেন্টাইন’ হয়ে ওঠে! পুরো আকাশের আসমানি রংটা আর্জেন্টিনার জার্সির রংয়ের সঙ্গে মানিয়ে গেল। বিমানবন্দরে সামান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাইরে অপেক্ষমাণ বাসে চড়ে বসে আর্জেন্টিনা দল। বাসে ওঠার আগে বাইরে দাঁড়ানো সাংবাদিকদের উদ্দেশে হাত নাড়েন ম্যারাডোনা। উড়ন্ত চুম্বন ছুড়ে দিয়ে আর্জেন্টাইন কোচ বলেন, ‘হ্যালো দক্ষিণ আফ্রিকা, আমি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ভালোবাসি!’ অপেক্ষমাণ সাংবাদিকরা অবশ্য তড়িঘড়ি করে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন করেন ম্যারাডোনাকে। কিন্তু সেই প্রশ্নের কোনো জবাব না দিয়ে ম্যারাডোনা ও তার পুরো দল বাসে উঠে প্রিটোরিয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়।
দক্ষিণ আফ্রিকায় পা রাখা আর্জেন্টিনার এই দলের মধ্যে স্ট্রাইকার লিওনেল মেসির ছবিটা একটু আলাদা ফ্রেমে বন্দি করতে বেশি ব্যস্ত ছিলেন ফটোসাংবাদিকরা।
—প্লিজ মেসি, একটু হাসি, একটু হাত তুলে এদিকে তাকাও’—ফটোসাংবাদিকদের এই অনুরোধ যেন মেসির কানেই গেল না। সাদা রংয়ের বেসবলের টুপি পরা মেসি খানিকক্ষণ অবাক চোখে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মোহিত ছিলেন। এই প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকায় এসেছেন মেসি। সম্ভবত তাই সবকিছু খানিকটা তার কাছে অপরিচিত ঠেকছিল!
জোহানেসবার্গের রাস্তার দু’ধারে আর্জেন্টিনা ও দক্ষিণ আফ্রিকার পতাকা নাড়িয়ে ম্যারাডোনার দলকে স্বাগত জানান সমর্থকরা। বাসের ভেতর থেকে পর্দা সরিয়ে ম্যারাডোনা তাদের অভিবাদনের জবাবে হাত নাড়েন। সামনে-পেছনে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনার টিম বাস জোহানেসবার্গের হোটেলে এসে পৌঁছায়। এই টিম হোটেলে থাকার জন্য আরামদায়ক কেমন ব্যবস্থা চাই—তার একটা তালিকা ম্যারাডোনা আগেই আয়োজকদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। সেই চাহিদাপত্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে—ম্যারাডোনার নতুন ধরনের দামি কমোডের দাবি। আয়োজকরা সেই দাবি মেনে নিয়ে আর্জেন্টাইন কোচের জন্য ৪৫০ ডলার মূল্যের নতুন ধরনের কমোড তার হোটেল কক্ষে স্থাপন করেছেন।
এর আগে শুক্রবার দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলকে বুয়েন্স আয়ার্সে হাজারো সমর্থক শুভেচ্ছা জানান। জাতীয় দলের বাসের চারদিকে আকাশি রংয়ের ছোট ছোট কাপড়ের টুকরো উড়িয়ে দলকে শুভকামনা জানান ভক্ত-সমর্থকরা। কোচ ম্যারাডোনার ওপর আর্জেন্টিনার ফুটবলপ্রেমীদের আস্থা যে ফিরে এসেছে সেটাও স্লোগানে স্লোগানে জানিয়ে দেন ভক্তরা।
সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনাকে প্রায় একক কৃতিত্বে বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিলেন ডিয়াগো ম্যারাডোনা। এর আগে ১৯৭৮ সালেও বিশ্বকাপ জিতেছিল আর্জেন্টিনা। কোচ ম্যারাডোনার হাত ধরে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনায় ফিরে আসছে—এই বিশ্বাস এখন দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলপাগল দেশটির আনাচ-কানাচজুড়ে।
আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জন্য শুভেচ্ছা জানাতে বুয়েন্স আয়ার্সের প্রায় ২০ কিলোমিটার দূর থেকে ছুটে আসা ঘৌড় প্রশিক্ষক মার্টিন বার্টেইনা বললেন, ‘আমরা সবাই এখন ডিয়াগোর সঙ্গে আছি। যদিও কয়েকমাস আগে আমরা তার বিরুদ্ধে ছিলাম। তবে অবাক হওয়ার কিছু নেই—আর্জেন্টাইনরা এমনই! আজ হয়তো তোমাকে ভালোবাসছি। কিন্তু পরদিন হয়তো বাসব না। তবে যতো যাই হোক—ম্যারাডোনা আসলে আমাদের জন্য বিশেষ কিছু।’
এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বেশি আলোচনায় হচ্ছে মুলত দুজনকে ঘিরে। প্রথমজন কোচ ম্যারাডোনা। দ্বিতীয়জন: স্ট্রাইকার লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনা স্বপ্ন দেখছে এই দুজনের রসায়ন তাদের বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেবে। স্ট্রাইকার হিসেবে মেসির যোগ্যতা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু কোচ হিসেবে ম্যারাডোনাকে যে এখনো অনেকে পাসমার্ক দিতে রাজি নন। কারণ আর কিছু নয়—বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ফলাফল। বাছাই পর্বে টানা হারে আর্জেন্টিনা প্রায় খাদের কিনারায় চলে এসেছিল। সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে কিনা—সেই সন্দেহ দেখা দিয়েছিল। কিন্তু বাছাই পর্বের শেষ রাউন্ডে উরুগুয়ের সঙ্গে ১-১ গোলের ড্র এবং পেরুর বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ে শেষরক্ষা হয় আর্জেন্টিনার। প্লেঅফ খেলার জটিলতা থেকে রেহাই পায় তারা। সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়।
আর্জেন্টিনাকে ঘিরে আরেকটি সমস্যা দেখতে পাচ্ছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। ক্লাব দলের হয়ে দুর্দান্ত খেলা লিওনেল মেসি এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়ে তেমন প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারেননি। জাতীয় দলে তার বোঝাপড়াটা ঠিক হয়ে উঠেনি এখনো। ম্যারাডোনা এখন তার কাছ থেকে আসল খেলাটা আদায় করতে পারবেন কিনা—এই প্রশ্নের উপরই নির্ভরই করছে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্বপ্ন।

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-CF56_4C0255C6.jpg
প্রচণ্ড গরমে ঠাণ্ডা কোমল পানীয় স্বাস্খ্যের জন্য ক্ষতিকর। গবেষণায় দেখা গেছে, কোমল পানীয়তে কোনো পুষ্টি উপাদান তো নেই-ই বরং দেহের জন্য ক্ষতিকর কিছু রাসায়নিক উপাদান রয়েছে। আমেরিকা, মালয়েশিয়া, জাম্বিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বেশ কিছু দেশের গবেষণার রিপোর্টে বলা হয়েছে, নিয়মিত কোমল পানীয় খাওয়ায় দাঁত, হাড়, পেশি ও লিভারে জটিল রোগ হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় শিশু-কিশোরদের।
কোমল পানীয়ের অন্যতম উপাদান হচ্ছে ক্যাফেইন। ক্যাফেইন একটি আসক্তির মাদক, যা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করে। এটা দেহকে কৃত্রিমভাবে উত্তেজিত করে। হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি করে, সাময়িক বুদ্ধিবৃত্তি বাড়ায় এবং অবসন্ন ভাব বা শ্রান্তি দূর করে। অত্যধিক ক্যাফেইন গ্রহণের ফলে বর্ধিত হারে মূত্রাশয় ও পাকস্খলীর ক্যান্সার এবং উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়। এটি শিশুদের মধ্যে জন্মবৈকল্য সৃষ্টি করে। ডায়াবেটিসের কারণ এবং পাকস্খলীর দেয়ালের ক্ষতি করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, শারীরিক কঠোর পরিশ্রমের পর কোমল পানীয় পান করলে ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামের অভাব ঘটতে পারে। গবেষকরা বলেন, বেশির ভাগ কোমল পানীয় ফসফরাস, ক্যালসিয়াম এবং হাড়ের ক্ষতিকে দ্রুত করে দেয়।
কৃত্রিম মিষ্টিকারক হিসেবে কোমল পানীয়তে এসপারটেম, এসিসালফেম ও স্যাকারিন ব্যবহার করা হয়। এগুলো স্মৃতি নষ্ট, মৃগীর খিঁচুনি, বমিভাব, ডায়রিয়া, অস্পষ্ট দৃষ্টি, মস্তিষ্কের ক্যান্সার, মূত্রাশয়ের ক্যান্সার সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এসব গ্রহণে লিভার সিরোসিসের মতো জটিল রোগ হতে পারে।
কোমল পানীয়কে সজীবতা ও অম্লস্বাদ আনয়নের জন্য সাইট্রিক অ্যাসিড, ফসফরিক অ্যাসিড এবং কদাচিৎ মেলিক অ্যাসিড ও টারটারিক অ্যাসিড ব্যবহার করা হয়। ব্রিটিশ দন্ত সংস্খার মতে, অতি মিষ্ট পানীয় অথবা অম্লস্বাদযুক্ত পানীয় পান করার পর দাঁত পরিষ্কার করলেও দাঁতের ক্ষতি হয়। ব্রিটেনে এক জরিপে দেখা গেছে, যারা নিয়মিত কোমল পানীয় পান করে তাদের মধ্যে শতকরা ২০ ভাগ দাঁতের রোগে ভোগে। একটি দাঁত কোমল পানীয়তে দু’দিন রাখলে দাঁতটি নরম হয়ে যায়। ফসফরিক অ্যাসিডের ফসফরাস মানুষের পাকস্খলীর হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের সাথে বিক্রিয়া করে বদহজম, গ্যাস এবং পাকস্খলী স্ফীতির সৃষ্টি করে।
অধিক চাপে কার্বন ডাই-অক্সাইড কোমল পানীয়তে বুদ বুদ সৃষ্টি করে। কার্বন ডাই-অক্সাইড একটি বিষাক্ত দূষিত পদার্থ। বাতাসে এর পরিমাণ বাড়লে বাতাস দূষিত হয়। অথচ এই দূষিত কার্বন ডাই-অক্সাইড আমরা কোমল পানীয়ের সাথে খাচ্ছি। ফলে ফুসফুসের জটিল রোগ হওয়ার আশঙ্কা আছে। কোমল পানীয়ের মূল উপাদান ৯৯ শতাংশ ডিস্টিলড ওয়াটার। সমীক্ষায় দেখা গেছে, যে যত বেশি ডিস্টিলড ওয়াটার পান করবে তার মধ্যে তত খনিজ পদার্থের স্বল্পতা ও অ্যাসিড অবস্খার সৃষ্টি হবে।
কোমল পানীয় সংরক্ষণ মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য কার্বনিক অ্যাসিড, বেনজয়িক অ্যাসিড বা সোডিয়াম বেনজয়েট দেয়া হয়। এগুলো হাঁপানি, ফুসকুড়ি এবং অতি সক্রিয়তার কারণ ঘটায়। বস্তু রিবঞ্জনে কিংবা পরিষ্কার করতে যে সালফার ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করা হয়, তা রক্তিম আভা, মূর্চ্ছাভাব, ত্বক স্ফীতি, মাংসপেশি ফোলা, দুর্বলতা, বুকের টান টানভাবের কারণ ঘটায়। হাঁপানিগ্রস্ত রোগীর হাঁপানি বেড়ে যায়।
রঙিন কোমল পানীয় বেশি ক্ষতিকর। কারণ ব্যবহৃত কৃত্রিম রঙ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। পেপসির টারট্রাজিনের রঙ কমলা-হলুদ। এই রঙ অ্যালার্জিক বিক্রিয়া সৃষ্টি করে বিধায় নরওয়ে ও সুইডেনে এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এটি ক্যান্সার সৃষ্টিকারক এজেন্ট। মিরিন্ডা অরেঞ্জে সানসেট ইয়েলো এবং টারট্রাজিন দেয়া হয়। এটিও ক্যান্সার সৃষ্টিকারক। এটিও ওই দেশ ও ফিনল্যান্ডে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অন্য রঙও মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।
কোমল পানীয়কে ঠাণ্ডা রাখার জন্য ইথাইলিন গ্লাইকোল দেয়া হয়। এই রাসায়নিক পদার্থ আর্সেনিকের মতোই ধীরঘাতক। এক ঘন্টার মধ্যে কেউ চার লিটার কোমল পানীয় খেয়ে মৃত্যুবরণ করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে ১২-১৫ বছর বয়সের স্কুলগামী ৫৯১ জন ছেলে এবং ৭৪৪ জন মেয়ের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে, নিয়মিত অতিরিক্ত কার্বনেটেড কোমল পানীয় পান করায় তাদের হাড়ে খনিজ পদার্থের পরিমাণ কমে গেছে। এতে দাঁত ও হাড়ের বিভিন্ন রোগ হয়।

ডা. ফারজানা চৌধুরী
সূত্র : এখানে

দাঁত তুলতে এসে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন হালিমা বেগম (৪৫)। তার ছেলের অভিযোগ, চিকিৎসকের অবহেলায় তার মা প্রাণ হারিয়েছেন। কারণ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগী হওয়া সত্ত্বেও চিকিৎসক দাঁত তোলার আগে এ রোগগুলোর অবস্খা না জেনেই দাঁত তুলেছেন । গতকাল শনিবার এ ঘটনা ঘটেছে বঙ্গবìধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দন্ত বিভাগে।
৪৬/৫/বি ঢালকানগর লেন, ফরিদাবাদ শ্যামপুরের বাসিন্দা মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি হাজী আফজাল হোসেনের স্ত্রী হালিমা বেগমকে গতকাল সকাল ১০টায় দন্ত চিকিৎসক ডা. ইসহাকের কাছে হালিমা বেগমকে নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তার তাকে লোকাল এনেসথেশিয়া দিয়ে দাঁত তোলেন। এরপর পরই যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন হালিমা বেগম। এ সময় কাজলকে দ্রুত দু’টি ইনজেকশন নিয়ে আসতে বলেন চিকিৎসক। ইনজেকশন নিয়ে এসে দেখেন মা মৃতপ্রায় হয়ে পড়ে আছেন। এ সময় হালিমা বেগমকে দ্রুত ডি ব্লকের নিচতলায় হৃদরোগ বিভাগে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। কাজল অভিযোগ করেন এ সময় তার মাকে দ্রুত নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি ট্রলিও খুঁজে পাওয়া যায়নি। কেউ রোগীকে সেখানে নিয়ে যেতে কোনো সহায়তা করেননি। বহু কষ্টে তিনি কোলে করে যখন হৃদরোগ বিভাগে নিয়ে যান তখন মাকে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, পথেই তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে।
দাঁত তুলতে এসে চিকিৎসকের অবহেলায় হালিমা বেগমের মৃত্যু হয়েছে এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে আত্মীয়স্বজন ছুটে আসেন। তারা ডাক্তার ইসহাকের শাস্তি দাবি করেন। এ সময় দন্ত বিভাগের গেটে তালা মেরে সবাই পালিয়ে যান বলে জানা গেছে। নিহতের স্বজনরা হইচই শুরু করলে পুলিশ ও র‌্যাব ছুটে এসে পরিস্খিতি শান্ত করেন।

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-5832_4C02542D.jpg
বিপ্লবী আর্নেস্তো চে গুয়েভারাকে নিয়ে গান গাইলেন শিল্পী কানিজ সুবর্ণা। কিউবান লোকজ সুরে কিউবান সঙ্গীতগুরু কার্লোস পুয়েবলার বিখ্যাত সুর এটি। গানটির সঙ্গীত করেছেন ফুয়াদ নাসের বাবু। কথা লিখেছেন পারভেজ চৌধুরী। এই বিপ্লবী নেতাকে নিয়ে গান গাওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে কানিজ সুবর্ণা বলেন, ‘অনেক ভালো লাগছে গানটি করতে পেরে। আমি অনেক গান গেয়েছি এই জীবনে। চে গুয়েভারার মতো একজন আন্তর্জাতিক নেতাকে নিয়ে গান গেয়ে অন্য রকম প্রশান্তি অনুভব করছি।’ গানের মিউজিক নিয়ে বলেন, ‘বিদেশী সুরের এই গানটি ফুয়াদ নাসের বাবু চমৎকার করে তৈরি করেছেন। আশা করছি সঙ্গীতপ্রেমীদের কাছে ব্যাপারটি আকর্ষণীয় হবে।’
নিজের অন্যান্য গান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পারিবারিক এবং সাংসারিক ব্যস্ততার কারণে অনেক দিন ধরেই গান গাওয়ার বিষয়টিতে সময় দিতে সমস্যা হয়েছে। তবে এখন থেকে গানের প্রতি বিশেষ সময় দেবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
গানটি আগামী ১৪ জুন চে গুয়েভারার জন্মদিন উপলক্ষে দেশ টিভি’র বিশেষ অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হবে।

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-921A_4C025357.jpg
থাকছেন না ক্যামেরন ডিয়াজ চার্লিস অ্যাঞ্জেলস ছবিটির পরবর্তী সিক্যুয়েলে অভিনয় করছেন না এর অন্যতম অ্যাঞ্জেল, জনপ্রিয় হলিউডি তারকা ক্যামেরন ডিয়াজ। জানা গেছে, এই মুহূর্তে নিজের চরিত্রের বাইরে এসে ছবির চরিত্রের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেয়া তার জন্য বেশ কঠিন বলেই মনে করছেন তিনি। ৩৭ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী এর আগে ২০০০ সালে দুই হলিউড সুন্দরী ডিন্সউ ব্যারি মোর ও লুসি লিউয়ের সাথে চার্লিস অ্যাঞ্জেলস ছবিতে নাটালিয়া কুক চরিত্রে অভিনয় করেন। ডিয়াজের অনবদ্য অভিনয় গুণে প্রাইভেট গোয়েন্দার এই চরিত্রটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে ২০০৩ সালে এই সুন্দরীত্রয় আবারো একসাথে অভিনয় করেন চার্লিস অ্যাঞ্জেলস-এর সিক্যুয়েল ‘চার্লিস অ্যাঞ্জেলস : ফুল থ্রটল’ এ।
সম্প্রতি জানা গেছে, ‘চার্লিস অ্যাঞ্জেলস’র তৃতীয় সিক্যুয়েলটি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়ারই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ডিয়াজ। এ প্রসঙ্গে উইকলি ম্যাগাজিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘সবাই আমাকে প্রশ্ন করে আমি কেন ১০ বছর ধরে করে আসা চরিত্রটি ছেড়ে দিলাম। আমি তাদের শুধু একটা কথাই বলব, ১০ বছর আগের প্যান্ট এখন পরতে কিছুটা কষ্ট হওয়াই তো স্বাভাবিক, তাই নয় কি!

সূত্র : এখানে

আজ রাজশাহী মেডিকেল এর ওয়ার্ড এ গিয়েছিলাম চোখ দেখাতে, ওয়ার্ড এর স্যার বললেন, মেশিন তো শুধু আউটডোর এ আছে, ওখানে যাও, গেলাম। ওখানে যেতে আবার স্লিপ করা লাগে। তাও করলাম। এক স্যার শুধু আরেক স্যার এর কাছে রেফার করে, পরে জানা গেল চোখের পাওয়ার টেস্ট করার যন্ত্রের নাম Refractometer। যেটা সরকার অনেক আগেই মেডিকেল এ এসেছে, কিন্তু চালু হই নি।
http://www.chobimohol.com/image-956B_4C025113.jpg
এরকম কত লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার মেশিন চালানোর অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তাও কতৃপক্ষের কোনও টনক নড়ছে না। আমার চোখের পাওয়ার কত টা এখনো জানা গেল না।  আমাকে বলা হল Lions ক্লাব এ যেতে বা প্রাইভেট প্র্যাক্টিস করা কোনও ডক্টর এর কাছে যেতে। বিচিত্র জাতি আমরা।

পলাশ মাহমুদ wrote:

ফিরিয়া তাকাইলো সে, ডাগড় কালো চুখ দু’টো তুলিয়া বলিলো-
আমিতো রয়েছি তোমার জন্যই দাড়ায়ে,
পথের পাড়ে, নদীর তীরে-
এই শশ্য-শ্যামলা মানুষের ভীরে।
তুমি কি সকলই ভুলে গেছ?

ইস এরকম কেও কী বলবে কখনো?

জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ, খুম্বু আইস ফল এর ছবি চাই।

আক্কেল দাত উঠাত ভালো, শুধু খেয়াল রাখতে হবে যেন বাক ত্যরা না ওঠে, ব্যাথা হলে Indoment (25 mg) এর সাথে একটা করে রেনিটিডীন খাও। আরাম পাবা। সাথে ভিটামিন সি যুক্ত ফল তো আছেই।

বিডি নিউজ এর খবর:

ঢাকা, মে ২৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেইসবুক শনিবার বন্ধ (ব্লক) করেছে বাংলাদেশ সরকার।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (বিটিআরসি) প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা বিপ্লব চাকমা রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "একটি চিঠির প্রেক্ষিতে ফেইসবুক বন্ধ করা হয়েছে।"

ওয়েবসাইটটি সাময়িরকভাবে বন্ধ (ব্লক) করা হয়েছে বলে রাত পৌনে ৯টার দিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান বিটিআরসি'র নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।

চেকফেইসবুক.কম (পযবপশভধপবনড়ড়শ.পড়স) সাইটের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ফেইসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা আট লাখ ৭৬ হাজার ২০।

ফেইসবুক আবার কখন উন্মুক্ত করা হবে সে বিষয়ে আগামীকাল (রোববার) অফিসে যাওয়ার পর তথ্য দিতে পারবেন বলে জানান বিপ্লব।

চিঠিটি কোন্ কর্র্তৃপক্ষের তরফ থেকে এসেছে সে বিষয়ে কিছু জানাতে অপরাগতা প্রকাশ করেন তিনি।

ফেইসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার ব্যাঙ্গাত্মক ছবি প্রকাশের অভিযোগে শনিবার ভোরে একজনকে গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা পর ওয়েবসাইটটি বন্ধ (ব্লক) করা হয়।

সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে ফেইসবুক খুলতে না পেরে বিভিন্ন স্থান থেকে টেলিফোন করে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চান এর ব্যবহারকারীরা।

২০০৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ফেইসবুক। এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্ক যুকেরবার্গ এবং তার সহপাঠী এদুয়ার্দো সাভেরিন, দুস্তিন মোস্কোভিৎয ও ক্রিস হিউজ এর প্রতিষ্ঠাতা। শুরুতে এতে শুধু হার্ভাডের শিক্ষার্থীরাই যুক্ত হতে পারতেন।

চেকফেইসবুক.কম (পযবপশভধপবনড়ড়শ.পড়স) সাইটের তথ্য অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের ১২ কোটি ৫৫ লাখ ৬০ হাজার চারশ ২০ জন সাইটটি ব্যবহার করেন। ব্যবহারকারীর হিসেবে এটি সর্বোচ্চ।

পাকিস্তান সিরিয়া, চীন, ভিয়েতনাম ও ইরানেও ওয়েবসাইটটি সাময়িক বন্ধের (ব্লক) শিকার হয়।

প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রীর ব্যাঙ্গাত্মক ছবি প্রকাশের অভিযোগে রাজধানীতে মাহবুব আলম রডিন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

ওই যুবকের বিরুদ্ধে একাধিক আইডি ব্যবহার করে নানা ধরনের সাইবার অপরাধ করার অভিযোগ করে র‌্যাব।

শুক্রবার কয়েকটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল ফেইসবুক বন্ধের দাবি জানায়। দুপুরে মুক্তাঙ্গনে এক সমাবেশে এ দাবি জানানো দলগুলো হলো� ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও খেলাফত আন্দোলন।

এ দাবিতে দলগুলো ২৮ জুন হরতাল করারও ঘোষণা দেয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ফেইসবুক বন্ধ করা বিষয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "এমন হতেই পারে। যারা এটি ব্যবহার করেন তাদের আচরণ দায়িত্বশীল না হওয়ায় এরকম সমস্যা হয়েছে।"

এধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে যারা কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তির ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বা মর্যাদা ক্ষুণ� করে তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার তাগিদ দেন তিনি।

ফেইসবুকের একজন ব্যবহারকারী বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক এম লুৎফুল কবীর।

ওয়েবসাইটটি বন্ধ করার প্রতিক্রিয়ায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, "ফেইসবুকের কারণে কোনো গোষ্ঠী বা কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হলে বা সামাজিক সমস্যা হলে তা সরাসরি ফেইসবুক কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত যেন কর্তৃপক্ষ তাদের উল্লেখিত কনটেন্ট (বিষয়) সাইট থেকে সরিয়ে ফেলে।"

তিনি বলেন, "এরকম বন্ধ (ব্লক) করার বিষয়টি সাময়িকভাবে হতে পারে। তবে কোনোভাবেই তা স্থায়ী হওয়া শোভন নয়।"

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএইচএ/এলএইচ/এমএইচসি/পিডি/২২৫৪ ঘ.