অচেনাকেউ wrote:

মা-বাবার উচ্চতা থেকে সন্তানের উচ্চতার ধারণা লাভের একটা সহজ উপায় আছে। প্রথমে দুজনের উচ্চতা যোগ করে দুই দিয়ে ভাগ করি। এখন এর সঙ্গে তিন ইঞ্চি যোগ করলে ছেলের আনুমানিক উচ্চতা, আর তিন ইঞ্চি বিয়োগ করলে মেয়ের আনুমানিক উচ্চতা পাওয়া যাবে।


দারুন অংক তো !
দেখিঃ আমার উচ্চতা ৫'-৮" + আমার স্ত্রী ৫"-৩"= ১০'-১১"
তার মানে আমার ছেলে সম্ভাব্য উচ্চতা ৫ফুট সাড়ে ৮ ইঞ্চি
আর মেয়ে ৫ ফুট আড়াই ইঞ্চি !!

হায় হায় আমি যে আমার বাচ্চাদের আরেকটু লম্বা দেখতে চাই !!!
এখন কি হবে ?

ছোটবেলা থেকে বাস্কেট বল খেলান। এমন লম্বা হবে যে ঘরের দরজা লম্বা করা লাগবে। । ।  :jaw-dropping:

সাকির আহমেদ রনি wrote:

এরমধ্যে হেপাটাইটিস-বি বেশি সিরিয়াস এবং আক্রান্ত হওয়ার উপকরণগুলো হাতের কাছেই অবস্থিত বিধায় এর ব্যাপারে বেশি সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা অর্থাত vaccine অবশ্যই নিতে হবে। উপসর্গগুলো একনজরে দেখে নিন--
                   সাধারণ উপসর্গ
১) জ্বর, খুব অসস্থি ভাব, মাসল ও জয়েন্ট এ ব্যথা
২) বমি বমি ভাব কিংবা বমি হওয়া, পাতলা পায়খানা, মাথা ব্যথা হতে পারে
                     গুরুত্তপূর্ণ উপসর্গ
৩) প্রচন্ড ক্ষুধা মন্দা,সিগারেটের প্রতি অনাসক্তি (যারা স্মকার), প্রসাবের রঙ কালচে হওয়া, শরীর ও চোখ হলুদ
    হয়ে যাওয়া, পেটে ব্যথা অনুভব
এতসব লক্ষণ থাকার পরেও আপনি যখন অন্তত ছয় মাস কোনো ব্যবস্থাই নিবেন না, তাহলে ধরে নেন আপনি এখন একজন ক্রনিক হেপাটাইটিস এর রোগী
এবং হেপাটাইটিস বি এর ক্ষেত্রে লিভার শিরোসিস ও লিভার ক্যান্সার হওয়ার সম্ববনা বেশি
   সুতরাং আজ থেকেই সতর্ক হোন :wave:  :wave:

ধন্যবাদ সার্ভিস প্যাক হিসেবে কিছু তথ্য সংযোজন করার জন্য।  :thumbsup:

আসলে বুঝতেই পারছি না, কোনও সমস্যা আছে!

http://www.chobimohol.com/image-8E08_4BFA3439.gif

মা ও বাবার দেহের উচ্চতার সঙ্গে সন্তানের উচ্চতার একটা সম্পর্ক আছে। বলা যায়, সন্তানের উচ্চতা তার মা-বাবার উচ্চতার কাছাকাছি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বাচ্চাদের উচ্চতা নিয়ে বিভিন্ন সময় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ ব্যাপারে একটা আনুমানিক হিসাব করা সম্ভব হয়েছে। দেখা গেছে, অসুখ-বিসুখ বা হরমোন সমস্যার কারণে উচ্চতা-সম্পর্কিত জিনগত বৈশিষ্ট্যের হেরফের হয় না। যেহেতু একজন পূর্ণবয়স্ক নারীর উচ্চতার প্রায় ৬০ শতাংশ অর্জিত হয় তিন বছর বয়সে এবং পুরুষের ক্ষেত্রে তিন বছর বয়সে অর্জিত হয় প্রায় ৫৫ শতাংশ উচ্চতা; তাই বলা যায়, কোনো শিশুর উচ্চতা দুই বছর বয়সে যত, বড় হলে তার উচ্চতা দাঁড়াবে মোটামুটি তার দ্বিগুণ। মা-বাবার উচ্চতা থেকে সন্তানের উচ্চতার ধারণা লাভের একটা সহজ উপায় আছে। প্রথমে দুজনের উচ্চতা যোগ করে দুই দিয়ে ভাগ করি। এখন এর সঙ্গে তিন ইঞ্চি যোগ করলে ছেলের আনুমানিক উচ্চতা, আর তিন ইঞ্চি বিয়োগ করলে মেয়ের আনুমানিক উচ্চতা পাওয়া যাবে। দেখা গেছে, এই হিসাব ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে সঠিক, অবশ্য দুই ইঞ্চি বেশি বা কম হতে পারে। ধরা যাক, বাবার উচ্চতা পাঁচ ফুট সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি আর মায়ের উচ্চতা পাঁচ ফুট সাড়ে চার ইঞ্চি। তাহলে ছেলের উচ্চতা ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে অন্তত পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি থেকে পাঁচ ফুট ১০ ইঞ্চির মধ্যে হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। আর মেয়ের সম্ভাব্য উচ্চতা ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে হতে পারে পাঁচ ফুট থেকে পাঁচ ফুট চার ইঞ্চির মধ্যে। এখানে মনে রাখা দরকার যে এটা মোটামুটি হিসাব। পাঁচ শতাংশ ক্ষেত্রে হয়তো দেখা যাবে, মেয়ের উচ্চতা মা-বাবাকেও ছাড়িয়ে গেছে। তবে সে রকম খুব কম ক্ষেত্রেই ঘটার সম্ভাবনা থাকবে। বাচ্চাদের এক্স-রে করলে দুই হাড়ের মাঝখানে যে ফাঁক থাকে সেটা থেকে উচ্চতা অনুমান করা কঠিন, তবে এ থেকে বোঝা যাবে যে বাচ্চার উচ্চতা বৃদ্ধির পথে কোনো সমস্যা আছে কি না। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই ফাঁক কমতে থাকে এবং পূর্ণ বয়স হলে হাড়গুলো জোড়া লেগে উচ্চতা আর বাড়ে না।

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-971D_4BFA3377.jpg

লিভারের প্রদাহকে হেপাটাইসিস বলা হয়। স্থান-কাল পাত্রভেদে বিভিন্ন হেপাটাইটিস হতে পারে। যেমন—ভাইরাস, মদ্যপান বিপাকে অসংগতি ইত্যাদি। বাংলাদেশে সাধারণত ‘এ, বি, সি ও ই’ ভাইরাস দ্বারা লিভারের হেপাটাইটিস হয়ে থাকে। জন্ডিস দেখা দিলে এ রোগটি ধরা যায়, যদিও নিশ্চিত হওয়ার জন্য রোগীর রক্তে ভাইরাসের নির্দিষ্ট এন্টিজেন বা এন্টিবডি উপস্থিত থাকা প্রয়োজন। হেপাটাইটিস জন্ডিস হিসেবে বা জন্ডিস ছাড়াও ধরা পড়তে পারে।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সারা বিশ্বে ২০০ কোটি মানুষ হেপাটাইটিস-বি দ্বারা আক্রান্ত, যার মধ্যে ৩৫ কোটি লোক হেপাটাইটিস-বি সংক্রান্ত, দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছে এবং প্রতিবছর এ সম্পর্কিত জটিলতায় ছয় লাখ লোক মারা যাচ্ছে। এই ভাইরাস এইডস ভাইরাসের সংক্রমণের ক্ষমতা ৫০ থেকে ১০০ গুণ বেশি। বাংলাদেশে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কত, এর জাতীয়ভিত্তিক পরিসংখ্যান না থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে অনেক গবেষক এ সংক্রান্ত জরিপ চালিয়েছেন। গবেষক কর্তৃক নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, বাংলাদেশের শিরায় নেশাগ্রস্তদের মধ্যে আট শতাংশ, পতিতাদের মধ্যে নয় দশমিক সাত শতাংশ, পেশাদার রক্তদাতাদের মধ্যে ২০ শতাংশ ও অপেশাদার রক্তদাতাদের মধ্যে পাঁচ দশমিক ছয় শতাংশ এ ভাইরাস বহন করছে।
হেপাটাইটিস-বি দ্বারা আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীর দেহে ভাইরাসটি বাহক হিসেবে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। কোনো ধরনের উপসর্গ দেখা দেয় না বলে এ সংক্রান্ত জটিলতা দেখা না দিলে রোগীরা সাধারণত চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হন না। এ সংক্রান্ত রোগের ব্যাপকতা নির্ভর করে জীবাণুটি কখন শরীরে প্রবেশ করেছিল এবং ব্যক্তিটির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটুকু। দেখা যাক, বাল্যকালে যেসব ব্যক্তি এ জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়, তাদের ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ লোকের পরবর্তীকালে এ ভাইরাসটি শরীরে দীর্ঘস্থায়ীভাবে বাসা বাঁধে। এ ধরনের রোগীর ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশের ক্ষেত্রে এক থেকে চার বছরের দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস-বি রোগে আক্রান্ত হয় এবং এদের ২৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাক্কালে লিভার সিরোসিস বা ক্যানসারে মারা যায়। যেসব লোক প্রাপ্ত বয়সে হেপাটাইটিস-বি দ্বারা সংক্রমিত হয়, তাদের ৯০ শতাংশ লিভারের জন্ডিস হওয়ার পর ভালো হয়ে যায়। বাংলাদেশের অল্প বয়সেই হেপাটাইটিস-বি দ্বারা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি এবং অল্প বয়সে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত বেশির ভাগ ব্যক্তিরই জন্ডিসের মতো উপসর্গ থাকে না। ফলে হেপাটাইটিস-বি ও এর দীর্ঘ মেয়াদি জটিলতা নিয়ে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে দিন দিন।

কীভাবে এ জীবাণু ছড়ায়
রক্ত ও রক্তজাত পদার্থ হেপাটাইটিস-বি এর বাহক। কোনো ব্যক্তির যদি হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস থাকে, তবে এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত রোগীর সঙ্গে যৌন সঙ্গম করলে, আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করলে, সংক্রমিত রোগীর ব্যবহার করা টুথব্রাশ, ব্লেজার বা ব্লেড ব্যবহার করলে, সংক্রমিত রোগীর কাছ থেকে সুস্থ ব্যক্তির দেহে এ জীবাণু ছড়াতে পারে। ঐতিহ্যগতভাবে সেলুনে ব্যবহূত ক্ষুর বিভিন্ন জনের ব্যবহারকালে হেপাটাইটিস-বি সংক্রমিত হতে পারে। গর্ভবতী মায়ের শরীরে হেপাটাইটিস-বি থাকলে প্রসবকালে নবজাতকের হেপাটাইটিস-বি হওয়ার আশঙ্কা বেশি। তবে সংক্রমিত রোগীর সঙ্গে করমর্দন করলে, হাঁচি দিলে, রোগীর পাশাপাশি বসলে এ ভাইরাস ছড়ায় না।

উপসর্গ

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস রোগীর দেহে বাহক হিসেবে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। কোনো ধরনের উপসর্গ দেখা দেয় না বলে এ সংক্রান্ত জটিলতা দেখা না দিলে রোগীরা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন না। কিছু কিছু রোগী সর্দি, জ্বর, দুর্বলতা, খাবারে অরুচি, পেটে ব্যথা, পাতলা পায়খানা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসতে পারেন।

চিকিৎসা

ক্ষণস্থায়ীভাবে আক্রান্ত (Acute) রোগীর নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা দিতে হয় না। এ রোগীকে অন্যদের মতো স্বাভাবিক খাবার দিতে হয়। আমাদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা আছে, স্বল্প মেয়াদি জন্ডিস হলে রোগীকে আখের রস, গ্লুকোজ বেশি খাওয়াতে হবে। এ ধারণা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কারণ এতে রোগীর পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব ও বমি বেড়ে যায়।
দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস-বি প্রদাহের জন্য কয়েকটি খাওয়ার ওষুধ ও ইনজেকশন আছে। তবে এ ওষুধগুলো কোন রোগীকে কত দিন দেওয়া যাবে, তা অবশ্যই পরিপাকতন্ত্র ও লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত হওয়া উচিত। কারণ এ ওষুধ সব রোগীর বেলায় সমানভাবে প্রযোজ্য নয় এবং ওষুধগুলোর কার্যকারিতা, ওষুধ-সংক্রান্ত জটিলতা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। দীর্ঘস্থায়ীভাবে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে খাওয়ার ওষুধ বা ইনজেকশন দিয়ে চিকিৎসা করা যেতে পারে পরিপাকতন্ত্র বা লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী।

হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ওষুধ গ্রহণের সঙ্গে নিম্নবর্ণিত উপদেশগুলো পালন করা অত্যন্ত জরুরি
১. খাবার ও পানীয় দ্রব্য গ্রহণে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। খাবার ও পানীয়ের মাধ্যমে অন্য হেপাটাইটিস যেমন- হেপাটাইটিস-‘এ’ এবং হেপাটাইটিস-‘ই’ শরীরে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। হেপাটাইটিস-বি’তে আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে সাধারণত এ সংক্রান্ত জটিলতা বেশি হয়।
২. পরিবারের অন্যান্য ঘনিষ্ঠজন যাদের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা বেশি যেমন-স্বামী-স্ত্রী, ভাইবোন, মা-বাবার এইচবিএসএজ পরীক্ষা করে রিপোর্ট নেগেটিভ হলে টিকা নেওয়া উচিত এবং পজেটিভ হলে যথাযথ চিকিৎসার জন্য শিগগিরই পরিপাকতন্ত্র ও লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৩. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।
৪. অবশ্যই মদ্যপান ত্যাগ করা উচিত।
৫. পরিপাকতন্ত্র ও লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বা ইনজেকশন ব্যবহার বন্ধ করা উচিত নয়।

প্রতিরোধ
আশার কথা, এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে ১৯৮২ সালে টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে। জন্মের পর পরই অন্যান্য টিকার সঙ্গে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের টিকা দিতে হবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশেও সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) সঙ্গে হেপাটাইটিস-বি টিকা চালু হয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে হেপাটাইটিস-বি রোগীর সংখ্যা বেশি, তাই এইচবিএসএজ, নেগেটিভ সবারই হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের টিকা নেওয়া উচিত। এ রোগের সংক্রমণ রোধকল্পে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও এগিয়ে আসা উচিত।

ডা. এ বি এম ছফিউল্লাহ
সহকারী অধ্যাপক, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ,
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলবিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা | তারিখ: ১৯-০৫-২০১০

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-D73E_4BFA3025.jpg

বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়ল এভারেস্টের চূড়ায়। বাংলাদেশের যুবক মুসা ইব্রাহীম পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টের শিখরে পা রাখলেন গতকাল রোববার ২৩ মে নেপাল সময় সকাল সাড়ে আটটার দিকে। ৩০ বছর বয়সী মুসা ইব্রাহীমই একমাত্র বাংলাদেশি, যিনি এভারেস্ট জয় করলেন। মুসা ইব্রাহীম গত ২০ এপ্রিল এভারেস্টের তিব্বতের অংশ দিয়ে অভিযান শুরু করেন। তিনি ‘হিমালয়ান গাইডস নেপাল’-এর সহযোগিতায় এই অভিযানে অংশ নেন। হিমালয়ান গাইডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঈশ্বরী পাড়ওয়াল প্রথম আলোকে টেলিফোনে নিশ্চিত করেছেন, ২৬ জনের একটি দল গতকাল এভারেস্টচূড়ায় উঠতে সক্ষম হয়েছে। তাঁদের একজন বাংলাদেশের নর্থ আলপাইন ক্লাবের মুসা ইব্রাহীম। ১৪ জন নেপালি শেরপা ছাড়াও এভারেস্ট বিজয়ীদের ওই দলে ছয়জন যুক্তরাজ্য, তিনজন মন্টেনিগ্রো ও একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। মুসার সহযোগী ছিলেন দুজন নেপালি শেরপা। ঈশ্বরী পাড়ওয়ালকে উদ্ধৃত করে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশের উপ-মিশনপ্রধান নাসরিন জাহান টেলিফোনে ও মেইল বার্তায় প্রথম আলোকে মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয়ের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মুসা প্রথমে ওয়্যারলেস রেডিও থেকে এভারেস্ট বেসক্যাম্পে খবরটি পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। নাসরিন জাহান এই সাফল্যের খবরটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছেন বলে জানান। ঈশ্বরী পাড়ওয়াল প্রথম আলোকে জানান, মুসা আজ (সোমবার) সন্ধ্যার দিকে অগ্রবর্তী বেসক্যাম্পে ফিরে আসবেন। আগামীকাল তিনি মূল বেসক্যাম্পে ফিরবেন। তারপর তিব্বতিয়ান মাউন্টিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বিজয়ীদের সনদ দেওয়া হবে। এই সনদ পাওয়ার পরই মুসা ইব্রাহীম এভারেস্ট বিজয়ের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাবেন। তার আগে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যাবে না। মুসা ইব্রাহীমের অভিযান-সহযোগী মুক্তিনাথ ট্রাভেলসের কমল আরিয়াল কাঠমান্ডু থেকে সকালে মুসার স্ত্রী উম্মে সরাবন তহুরাকে ই-মেইলে সুখবরটা জানান। এরপরই মুসার এভারেস্ট বিজয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক, বিভিন্ন ব্লগসহ গণমাধ্যমে খবরটি প্রচারিত হয়। এরপর রাতে বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেল, বিবিসি ও এবিসি রেডিওতেও বাংলাদেশের এভারেস্ট জয়ের খবরটি প্রচার করা হয়। কমল আরিয়াল প্রথম আলোকে ই-মেইলে জানান, এভারেস্টে ওঠার পর মুসা ইব্রাহীম প্রথমে বেসক্যাম্পে বার্তা পাঠান। বেসক্যাম্প হিমালয়ান গাইডকে ওই বার্তা পৌঁছে দেয়। হিমালয়ান গাইড প্রথমেই সে বার্তা আরোহীর নিকটজনকে জানান।
প্রসঙ্গত, সব পর্বতারোহীর ক্ষেত্রেই এই প্রক্রিয়ায় প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যায়। মুসা ইব্রাহীমের ক্ষেত্রেও এই প্রচলিত প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন ছিল। এভারেস্ট বিজয়ের ক্ষেত্রে বেসক্যাম্পই প্রাথমিক তথ্যের একমাত্র সূত্র। এরপর আরোহী নেমে এলে তথ্য-প্রমাণসহ তাঁর এভারেস্ট বিজয় নিশ্চিত করা হয়। বেসক্যাম্পে না পৌঁছানোয় গত রাত পর্যন্ত মুসা ইব্রাহীমের সঙ্গে কথা বলা বা তাঁর সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি। প্রথম আলোর রস+আলোর নিয়মিত লেখক অনিক খান কাঠমান্ডুতে অবস্থান করছেন। তিনিও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে মুসার এভারেস্ট বিজয়ের তথ্য জানিয়েছেন। মুসা ইব্রাহীমের জন্ম ১৯৭৯ সালে লালমনিরহাটের মোগলহাটে। বাবা আনসার আলী, মা বিলকিস বেগম। তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে মাস্টার্স করেন। তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও মাস্টার্স করেন।
মুসা দীর্ঘদিন প্রথম আলোয় সাংবাদিকতা করেন। বর্তমানে তিনি ডেইলি স্টার-এ সহসম্পাদক হিসেবে কর্মরত। ২০০২ সালে অন্নপূর্ণা ট্রেইলে অভিযানের মধ্য দিয়ে মুসা স্বপ্নপূরণের পথে অগ্রসর হন। সেবার উঠেছিলেন ১২ হাজার ৪৬৪ ফুট। এরপর তিনি একটার পর একটা পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ ও অভিযানে অংশ নিতে থাকেন। তিনি হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট থেকে দুই দফায় গত ছয় বছরে দুটো পেশাদারি পর্বতারোহণের প্রশিক্ষণ নেন। গত বছর জুনে তিনি ও তাঁর সহযোগী তৌহিদ হোসেন অন্নপূর্ণা-৪-এর শিখর জয় করেন প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে। মুসা ইব্রাহীমের স্ত্রী উম্মে সরাবন তহুরা দীর্ঘদিন প্রথম আলোয় সাংবাদিকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহে জেলা আদালতের সহকারী জজ। তাঁদের একমাত্র সন্তান ওয়াসি ইব্রাহীমের বয়স দেড় বছর।
মুসা নর্থ আলপাইন ক্লাব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর এই এভারেস্ট অভিযানে আরও অনেকের সঙ্গে বিশেষভাবে সহযোগিতা করেছে প্রথম আলো।

সূত্র : এখানে

১১৩২

(১৬ replies, posted in নোটিশ বোর্ড)

প্রচেষ্টা wrote:
sawontheboss4 wrote:

আমার রাঙ্ক কী হবে?

অন্যান্ন ফোরামের ন্যায় আপনারও পোষ্ট করে রেন্ক অর্জন করতে হবে,এটাই হবে গণতন্ত্র।

গণতন্ত্রে বিশ্বাসী দেখে খুশি ই হলাম।  :applause:

গত এপ্রিল মাসের স্ট্যাটিস্টিক্স আপলোড করে দিলাম পিডিএফ আকারে॥ আশাব্যঞ্জক

ডাউনলোড করুন : এখান থেকে

১১৩৪

(১৬ replies, posted in নোটিশ বোর্ড)

আমার রাঙ্ক কী হবে?

shemul49rmc wrote:

Amar to chiken pox hoyche, p6 nite chaichilam. Ekhon vabchi p7 nibo. Bangladesh er aamla der mathai kobe j brain gojabe ! Er jonno shasti hoa dorkar.

কবে হইল ? এখন কোথায় ? আমলাদের কথা বলে লাভ নাই, দেশের ভাল কেও চাই না।  :innocent:

করে দেওয়া হল।  happy

আমিও কিনবো, আরও দুই টা  :highfive:

১১৩৮

(২ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

আবার পড়ে আবার মজা পেলাম।  :crackup:

সাইফ তোমাকে এডমিন করা হল, তুমি নতুন রাঙ্ক দিয়ে আপডেট কর।  :cloud9:

আমি কিন্তু মিথ্যা বলি না,  :hyper:

অনেক ধন্যবাদ, আপনাকে, পুরোটা পড়তে পারিনি। পড়ে আমার মতামত দিব। তবে এ রকম লেখা আর চাই।

আরএমসি তে যারা পড়ে তাদের ব্যাচ নম্বর এ তাদের রাঙ্ক। কিন্তু যারা বাইরের তাদের জন্য :

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100522-wrgu-18kb.jpg

র্যাঙ্ক পরিবর্তন করার জন্য মতামত ওপেন।

http://s1.postimage.org/UvlzJ.jpg

যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা এবার রাসায়নিক পদার্থের তৈরি জীবন্ত কোষ গঠন করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। দু’একজন এ সেল আবিষ্কারের সমালোচনা করেছেন। তবে অন্যরা এ আবিষ্কারকে মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। গবেষকরা বলছেন, তারা ব্যাকটেরিয়ার বংশানুক্রমিক সফটওয়্যার তৈরি করেছেন এবং পরে একটি সেলে এটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ প্রক্রিয়া এবং নির্দিষ্ট সময় পর দেখা গেছে, গবেষণাগারে তৈরি সেলটি এর পূর্বপুরুষের ডিএনএ বৈশিষ্ট্য বহন এবং একই ধরনের আচরণ করে। গতকাল বিবিসি এ খবর দেয়।গবেষকরা বলছেন, ব্যাকটেরিয়ার এ কৃত্রিম সেলটি ওষুধ তৈরি ও জ্বালানি উত্পাদনে ব্যবহার করা যাবে। ব্যবহার করা যাবে গ্রিন হাউস গ্যাস শুষে নিতেও। বিজ্ঞানীরা বলছেন, রাসায়নিক কৃত্রিম ডিএনএ পূর্ণাঙ্গ সেলে রূপান্তরের ঘটনা এটাই প্রথম। মেরিল্যান্ড ও ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান দ্য জে ক্রেইগ ভেনচার ইনস্টিটিউটের গবেষকরা রাসায়নিক কৃত্রিম সেল আবিষ্কারের সাফল্য অর্জন করেন। এ গবেষক দলের নেতৃত্বে ছিলেন ড. ক্রেইগ ভেনচার। তারা এর আগে ব্যাকটেরিয়ার কৃত্রিম রাসায়নিক জেনম আবিষ্কার করেন। পরে এ জেনম অন্যটিতে প্রতিস্থাপন করা হয়। তারা এখন সিনথেটিক সেল আবিষ্কার করতে দুটি পদ্ধতি একত্রে ব্যবহার করছেন। যদিও এর জেনমটিও সিনথেটিক বা রাসায়নিক। ড. ভেনচার এখন নতুন একটি সফটওয়্যার আবিষ্কার করছেন। জেনমে ব্যবহার করা হয়েছে জেনেটিক কোড ও পদ্ধতি। ব্যবহার করা হয়েছে রাসায়নিক যন্ত্রও। ড. ভেনচার বিবিসিকে বলেন, তারা রাসায়নিক ক্রোমোজম সংগ্রহ এবং এটি গ্রহণ করে এমন সেলে প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এ সফটওয়্যারটিই সেল আবিষ্কার করবে।ড. ভেনচার বলেন, একটি রাসায়নিক কৃত্রিম ডিএনএ’র কোনো পূর্ণাঙ্গ সেল নিয়ন্ত্রণের ঘটনা এটাই প্রথম। ড. ভেনচার ও তার সহকর্মীদের ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার বেশ উপকারে আসবে। ভেনচার বলেন, এর ফলে শিল্পবিপ্লব শুরু হতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এ সেল পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক কার্বন-ডাই অক্সাইড শুষে নিলে এবং তৈলাক্ত বর্জ্য অপসারণে ব্যবহার করা হলে আমরা বেশ উপকৃত হব। ড. ভেনচার ও তার সহকর্মীরা এরই মধ্যে ফার্মাসিউটিক্যাল ও জ্বালানি কোম্পানির সঙ্গে আলাপ শুরু করেছেন। ব্যাকটেরিয়ার ক্রোমোজম উন্নত করার ব্যাপারে কথা বলছেন। এই ব্যাকটেরিয়াই উপকারী জ্বালানি ও নতুন টিকা তৈরি করতে ব্যবহার করা হবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জেনেওয়ারের গবেষক ড. হেলেন ওলায়েস ড. ভেনচারের এই আবিষ্কারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, রাসায়নিক কৃত্রিম এ ব্যাকটেরিয়া পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক হবে। এটা পরিবেশে যা উপকার করবে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করবে। তিনি বলেন, এগুলো পরিবেশ পরিষ্কার করতে ছেড়ে দেয়া হবে। কিন্তু এগুলোই উল্টো পরিবেশ দূষণ করবে। তিনি বলেন, আমরা জানি না, এগুলো ঠিক কীভাবে পরিবেশে বিচরণ করবে। কি হবে এদের আচরণ। তিনি বলেন, ড. ভেনচার সৃষ্টিকর্তা নন, মানুষ। তিনি টাকা উপার্জনের জন্য এ আবিষ্কার করেছেন।

সূত্রঃ আমার দেশ

হাই হাই!  :hyper:  কূল ম্যান তো আর কেও না, আমাদের সৌরভ ভাই, ফেসবুক এ ইমেইল আইডি দিয়ে সার্চ দিতেই :

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100521-haun-4kb.jpg

:cloud9:    :cloud9:    :cloud9:    লাকি ম্যান!  :thumbsup:

প্রচেষ্টা ভাই, আপনার পরিচয় পেয়ে ভাল লাগল। আপনি ব্যবসায়ী হবার পরেও যে নেট এ ফোরামিঙ্গ করার সময় পাচ্ছেন, দেখে আমি অবাক হচ্ছি, আশা করি নিয়মিত হবেন, আর যে কোনও সমস্যা তে আমরা আপনার পাশে আছি, টা যত ক্ষুদ্র বা বৃহত্ হক না কেন॥  :cloud9:

কয় দিনের মধ্যে শেষ করে ফেলা!  :cloud9:  আমি তো পোস্ট পেড এ মজা তে আছি, 33 টাকা দিয়ে 1 দিন চালায়, যখন ইচ্ছা তখন বন্ধ করে ফেলি॥   :jump:

আমাদের একটি অতি প্রয়োজনীয় biochemistry এর বই হচ্ছে Harper's illustrated Biochemistry। Mediafire এ আপলোড করে দিলাম॥
http://www.chobimohol.com/image-6758_4BF6493D.jpg
ডাউনলোড লিংক: এখানে  26 তম এডিশন

হৈমন্তীর চৌদ্দ গোষ্ঠীর কেও এটি দেখলে.... রিগান বই আপনার খবর আছে॥ চালিয়ে যাও গুরু...  :cloud9:

লেক্চার মিস হই, biological ক্লক আগে থেকেই 9 টাই সেট করা॥  :jaw-dropping:

জটিল টুট দিলা, কাজে তো লাগবেই। +++++  :cloud9: