link তো কাজ করছে না!
You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by sawontheboss4
link তো কাজ করছে না!

সাত দিনের জন্য গোটা বিশ্ব থেকে টেলিযোগাযোগে বিচ্ছিন্ন হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ সাত দিন (২৩ থেকে ৩০ মে) শ্রীলংকার কাছে গভীর সমুদ্রে সাবমেরিন কেবলের মেরামত কাজ চলবে। সে সময় এখানকার সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে। ফলে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সব ধরনের টেলিযোগাযোগ এক রকম বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। তবে এ সময়ে পূর্বদিকের দেশগুলোর মাধ্যমে যোগাযোগ ঠিক থাকবে।
অবশ্য কয়েক দিন আগেই সাবমেরিন কেবল কোম্পানি সি-মি-উই-৪ বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশকে জানিয়েছিল। অন্যদিকে বৈধ উপায়ে ভি-স্যাটের (ভেরি স্মল অ্যাপারচার টার্মিনাল) লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে আজ। ফলে বিকল্প উপায়ে টেলিযোগাযোগ কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার উপায়ও থাকছে না।
এদিকে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভি-স্যাট না থাকা এবং সাবমেরিন কেবলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় দেশের ইন্টারনেট থেকে সব ধরনের টেলিযোগাযোগে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। বিদেশ থেকে এখন প্রতিদিন সাড়ে চার কোটি থেকে ৫ কোটি মিনিটের টেলিফোন কল আসে। কয়েক কোটি মিনিটের কল বিদেশে যায়। এ আদান-প্রদানের মাধ্যমও এখন সাবমেরিন কেবল। এক্ষেত্রে বড় ধরনের সংকট দেখা দেবে। আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগের প্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইথের জোগানদাতা সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডও (বিটিসিএল) এখন পর্যন্ত বিকল্প ব্যবস্থায়
ব্যান্ডউইথ সরবরাহের বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি। তাদের যোগাযোগের মাধ্যম পশ্চিমমুখী থেকে ঘুরিয়ে পূর্বমুখী করার কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত নিতে পারেনি। বর্তমানে বিটিসিএলের ২২ এসটিএম ওয়ানের মধ্যে ১৪টি রয়েছে পশ্চিম দিকে। পূর্বদিকে রয়েছে মাত্র ৮টি এসটিএম ওয়ান। এ আটটি এসটিএম ওয়ান দিয়ে যাবতীয় টেলিযোগাযোগ কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না বলেও বলছেন বিশেষজ্ঞরা। যোগাযোগের পথ না ঘুরিয়েও এত বিশাল ফিগারের ব্যান্ডউইথ বিকল্প কোন উপায়ে পাওয়া যাবে সে বিষয়ে তাদের যোগাযোগ এখনও শুরুই হয়নি।
এছাড়া ভারতের কোন কোম্পানির কাছ থেকে আপৎকালীন ব্যান্ডউইথ নিতে গেলে তারা অনেক বেশি দাম হাঁকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিটিসিএলের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ বিভাগের কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, প্রকিউরমেন্ট পলিসিতে কড়াকড়ি থাকায় চাইলেই যে কোনো সময় যে কোনো কিছু কেনার সুযোগ তাদের নেই। অন্যদিকে পূর্বদিকে যেতে চাইলে প্রতিটি এসটিএম ওয়ানের জন্য ২৩ হাজার টাকা করে খরচ বাড়বে।
বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) বলছে, খুব বেশি উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। একদিকের সংযোগ বন্ধ থাকলে কিছু সমস্যা হবে ঠিক। কিন্তু এখনও হাতে যেহেতু কয়েক দিন সময় আছে সে কারণে বিকল্প আয়োজন করা যাবে। তারা বলছেন, আপৎকালীন সিঙ্গাপুরের কোম্পানিগুলোর মাধ্যমেও কাজ করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আলোচনার মাধ্যমে আমাদের সব পশ্চিম দিকের যোগাযোগও তাদের মাধম্যেই করা যেতে পারে। এতে হয়তো কিছু বাড়তি খরচ হবে। কিন্তু বিএসসিসিএলের কথায় ভরসা করতে পারছেন না দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে বিটিসিএলের কাছ থেকেই যেহেতু দেশের অধিকাংশ গ্রাহক ব্যান্ডউইথ নিয়েছেন সে কারণে তারা উদ্বিগ্ন।
জানা যায়, তিন-চার দিন আগে সি-মি-উই-৪-এর কলম্বো শাখায় রিপিটার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় মেরামতের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। কিন্তু মেরামত করতে গেলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ করতে হবে। একই সময়ে ভারতের চেন্নাই এবং মুম্বাইয়েও মেরামত কাজ করা হবে। ভারতের সাবমেরিন কেবলের ৬টি বিকল্প সংযোগ থাকায় তাদের সমস্যা হবে না। শ্রীলংকারও কয়েকটি বিকল্প সংযোগ রয়েছে। তারপরও আমাদের কথা চিন্তা করেই তারা তাৎক্ষণিকভাবে মেরামত কাজ শুরু করেনি। বরং আমাদের বিকল্প নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা চালু করার সুযোগ দিতে সময় দিয়েছে তারা।
এ বিষয়ে সাবমেরিন কেবল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, কালবিলম্ব না করে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া গেলে হয়তো ক্ষতি তেমন একটা হবে না। সব আন্তর্জাতিক গেটওয়ে, ইন্টারনেট গেটওয়ে বা অন্যান্য টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানকে বিকল্প আয়োজনের কথা ই-মেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। অথচ গতকাল সন্ধ্যায় বিটিসিএলের এমডি এসএম খাবীরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত তাদের কিছুই জানানো হয়নি। তবে এমন কিছু হলে নিশ্চয়ই বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে তিনি জানান, হয়তো কিছু ঝামেলা হবে, কিন্তু চালিয়ে নেওয়া যাবে।
আজ ভি-স্যাট ব্যবহারের শেষ দিন। নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময় ভি-স্যাটের মাধ্যমেই দেশে ইন্টারনেটের যাত্রা শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে অবৈধ কল টার্মিনেশনের সঙ্গে ভি-স্যাটের সম্পর্ক থাকতে পারে আশঙ্কা করে এই লাইসেন্স আর নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আজ দেশে বৈধভাবে ভি-স্যাট ব্যবহারের শেষ দিন। এত দিন পর্যন্ত সাবমেরিন কেবলে কোনো সমস্যা হলে ব্যাকআপ হিসেবে ভি-স্যাট ব্যবহার করা হতো। এক্ষেত্রে ভি-স্যাট ব্যবহার বন্ধ হওয়ার পর সাবমেরিন কেবলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়াকে কেয়ামতের সঙ্গে তুলনা করেছেন আইএসপি ব্যবসায়ীরা। তারা দাবি করেন, আরও কিছুদিনের জন্য যেন ভি-স্যাটের লাইসেন্সের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। না হলে এ পরিস্থিতি উত্তরণ করা কোনো অবস্থায় সম্ভব হবে না।
সূত্র : এখানে
আমি লেখা জমা দিতে ইচ্ছুক, কিন্তু লেখা ছাপা হলে কপি পাবো কিভাবে?
জাকির কে ফোরামে স্বাগতম। আরেকটু বিস্তারিত পরিচয় পেলে ভাল হত।
রাতে তো আমি ল্যাপটপ ই চালাই না :jaw-dropping:
সময় সূচি গুলো গ্রুপ ওয়াইজ বলে বুঝতে কষ্ট হচ্ছে, ভাল পেলে আরেকটা আপলোড চাই। :cloud9:
অনেকের বহু আকাঙ্খিত একটি বই হল Tabers Cyclopedic medical ডিক্শনারি। আপনাদের জন্য বই টি mediafire এ আপলোড করে দিলাম।
ডাউনলোড লিংক : এখানে
Pass: rmcforum
হটমেইলকে ব্যবহারকারীদের কাছে আরো জনপ্রিয় করতে বিভিন্ন সুবিধা সংযুক্ত করার মাধ্যমে নতুনরূপে সাজাচ্ছে মাইক্রোসফট। জুলাই অথবা আগস্ট থেকে হটমেইল ব্যবহারকারীরা নতুন এ সুবিধাগুলো ব্যবহার করতে পারবেন। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, নতুন সুবিধা চালুর পর হটমেইলের ইনবক্সে মেইলগুলো ব্যবহারকারীদের চাহিদার ভিত্তিতে বিভিন্ন ডিরেক্টরিতে জমা হবে। ইনবক্সে আসা ছবিগুলো ডাউনলোড ছাড়াও প্রিভিউ দেখার ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া থাকবে ভিডিও এবং অন্যান্য ফাইলের প্রিভিউ দেখাসহ ডাউনলোড সুবিধা। পাশাপাশি ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য ফাইল অ্যাটাচমেন্টের পদ্ধতিও আরো সহজ করা হয়েছে।
মাইক্রোসফটের নির্বাহী ক্রিস জোনস বলেন, 'আমাদের ওয়েবমেইলে ব্যবহারকারীদের যথেষ্ট সাড়া না পাওয়ার পেছনের কারণগুলো আমরা খুঁজে বের করেছি। নতুন ধরনের সুবিধা যোগ করার মাধ্যমে এ সেবাকে আমরা সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবমেইল সেবা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।'
মাইক্রোসফটের হটমেইলের তুলনায় ব্যবহারকারীদের কাছে জিমেইলের জনপ্রিয়তা বেশি_বাজার বিশ্লেষকদের এমন তথ্যের ভিত্তিতে নতুন সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
মাইক্রোসফটের ওয়েবমেইল সেবা হিসেবে ১৯৯৬ সালে যাত্রা শুরু হয় হটমেইলের। বর্তমানে হটমেইলের ৩৬ কোটি ব্যবহারকারী রয়েছে বলে জানিয়েছে, বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কমস্কোর।
আল-আমিন কবির, সূত্র : এপি
আপনারা হইত অনেকেই রবিন্স এর পাথলজী বই টির ই বুক ভার্সন টি খুজছেন, তাদের জন্য রবিন্স এর বই টি আপলোড করে দিলাম ।
ডাউনলোড করুন : এখানে
আমার কাছে আছে, হল প্রিন্ট, দেখা জায়, :cloud9: DVD প্রিন্ট এর জন্য আমিও অপেক্ষাতে আছি॥
ভাই মন খারাপ করার কিছু নাই, সেদিন বাসে যাচ্ছিলাম, বাসের দেয়ালে কোনও এক উচ্চ মেধার লোক লিখে রেখেছেন।
ট্রেন, বাস আর মেয়েদের পিছনে কোনদিন দৌড়াবি না, এগুলো একটার পর একটা আসে।
স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর কৌশল
গজিনী ছবিতে আমির খানের শর্ট টাইম মেমোরি লস এর কথা হইত আপনাদের মনে আছে। কিন্তু স্মৃতিশক্তি কিন্তু আপনি ইচ্ছা করলে বাড়াতেও পারেন।
স্মৃতিশক্তি বাড়াবার ইচ্ছে কমবেশি আমাদের সবার মধ্যেই আছে। আমরা চাই সব কিছু যেন আমাদের মনে থাকে। বাস্তবে সেটা সম্ভব নয়। কিন্তু মনে রাখার পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব। এ জন্য আপনাকে কিছু নিয়ম-কানুন মানতে হবে। যেমনঃ ১. লক্ষ্য করুন এবং নোট নিন, ২. তথ্য সুশৃঙ্খলিত করুন, ৩. ডায়েরি ব্যবহার করুন, ৪. শরীর ফিট রাখুন, ৫. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান, ৬. মগজ ব্যায়াম করুন, ৭. স্মৃতি সহায়ক, ৮. অন্যান্য সহায়ক, ৯. মনে রাখবেন কেউই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।
১. লক্ষ্য করুন ও নোট নিনঃ কোন কিছুকে গুরুত্ব দিয়ে না শুনলে বা না দেখলে তা আপনার মনে থাকবে না। সুতরাং নিজেকে বিষয়টি সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন রেখে গুরুত্ব সহকারে মনোযোগ দিন। যেমন- এইমাত্র যার সঙ্গে আপনার পরিচয় হলো তার নামটি যদি আপনি মনে রাখতে চান তাহলে তা কয়েকবার নিজে নিজে আওড়ান এবং মনের ঠিক কোথায় নামটি রাখছেন খেয়াল করুন। টুকে নেয়াটা খুব ভাল অভ্যাস। প্রয়োজনীয় জিনিস টুকে নিলে তা মনে থাকে ভাল।
২. সুশৃঙ্খল হোনঃ স্বভাবের দিক দিয়ে গোছানো হলে অনেক কিছুই সহজে মনে থাকে। নির্দিষ্ট জিনিস সব সময় নির্দিষ্ট জায়গায় রাখলে প্রয়োজনের সময় হাতড়ে বেড়াতে হয় না।
৩. ডায়েরি ব্যবহার করুনঃ ডায়েরিতে তারিখ অনুযায়ী করণীয়গুলো লিখে রাখলে কোন কাজ বাদ পড়ার সম্ভাবনা কম। তবে এ জন্য মনে পড়ামাত্র কাজটির কথা ডায়েরির নির্দিষ্ট পাতায় লিখতে হবে আর প্রতিদিন ডায়েরি দেখতে হবে। সবচেয়ে ভাল হয় যদি প্রতিরাতে আগামীকালের কাজগুলো দেখে নেন।
৪. শরীর ফিট রাখুনঃ শরীর সুস্থ থাকলে মনও সুস্থ থাকে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করুন, পরিমিত আহার করুন, সিগারেট ছেড়ে দিন। কানে শুনতে, চোখে দেখতে অসুবিধা থাকলে ডাক্তার দেখিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন, এতে অন্যে কি বলছে কি করছে তা আপনি আর মিস করবেন না। ঘুমের বড়ি না খাওয়াই ভাল। আপনি আরও একটু এ্যালার্ট থাকবেন তাহলে।
৫. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানঃ নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর ব্যাপারটা আমাদের অভ্যাসের বাইরে। ফলে রোগ গভীর না হওয়া পর্যন্ত আমরা তার উপস্থিতি টের পাই না। প্রত্যেকের উচিত প্রতিবছর ডাক্তারকে দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো। এতে উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, চোখের বা কানের সমস্যা সহজেই ধরা পড়বে। আপনার বিষণ্নতা থাকলে তাও ধরা পড়বে। বিষণ্নতাবিরোধী ওষুধ সেবন করলে বিষণ্নতা যত কমবে আপনার স্মৃতিশক্তি তত বাড়বে।
৬.মগজকে ব্যবহার করুনঃ শারীরিক কাজ না করলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। কেউ যদি কয়েক সপ্তাহ বিছানায় শুধু শুয়েই থাকে তার পা সরু হয়ে যাবে, মাংসপেশীতে টান পড়বে, হাঁটতে অসুবিধা হবে। তেমনি কার্যক্ষমতা কমে যায়। সুশিক্ষিত বুদ্ধিমান ব্যক্তি যাঁরা নিয়মিত বুদ্ধির চর্চা করেন বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের স্মৃতি হ্রাস তুলনামূলকভাবে কম হয়। তাই ভাল স্মৃতিশক্তি পেতে চাইলে নিয়মিত পড়ুন, শিখুন ও সমস্যা সমাধানে অংশগ্রহণ করুন। অলসভাবে বসে থাকলে স্মৃতিশক্তি ভোঁতা হয়ে যায়।
৭. স্মৃতি সহায়কঃ মনে রাখার কিছু চমৎকার কৌশল আছে, যেমন- ‘আসহবেনীকলা’-রংধনুর সাত রঙের নাম মনে রাখতে সাহায্য করে। ইংরেজিতে লেফটেন্যান্ট বানানটা মনে রাখা আপনার জন্য খুব কষ্টকর হলে মনে রাখুন- ‘মিথ্যা তুমি দশ পিঁপড়া’- শব্দগুলোর ইংরেজি লিখে নিন, বানান পেয়ে গেলেন। মনে রাখার জন্য কল্পনা শক্তির ব্যবহার খুব জরুরি। যে কল্পনাশক্তিকে যত চমৎকারভাবে ব্যবহার করতে পারবে তার মনে থাকবে তত বেশি। বিশেষত ভারতীয় বিজ্ঞাপনগুলো লক্ষ্য করলে দেখবেন পণ্যের বিজ্ঞাপনে কি অদ্ভুত সব কল্পনা ব্যবহার করা হচ্ছে। এসবই মনে রাখার পক্ষে অত্যন্ত উপকারী।
৮. অন্যান্য সহায়কঃ দিন তারিখ মনে রাখার জন্য আমরা ক্যালেন্ডার-ঘড়ি ব্যবহার করছি। ঘুম থেকে ওঠার জন্য এলার্ম ঘড়ি ব্যবহার করছি। আজকাল মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে রিমাইন্ডার নামে একটা ব্যবস্থা আছে- যা আপনাকে কাজের কথাটা মনে করিয়ে দেবে। যে জিনিসটা নিয়ে বাইরে যেতে হবে তা দরজার মুখে রাখুন, ওষুধটা বেসিনের ওপরে তাকে রাখুন- প্রয়োজনের জিনিসগুলো আগেই গুছিয়ে রাখুন, কোন জিনিস ফেলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
৯. কেউই খুঁতবিহীন নয়ঃ অধিকাংশ মানুষ যারা নিজেদের স্মরণশক্তি নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত নন তারাও যে সব কিছুই মনে রাখতে পারেন, তা নয়। যুবকদের মধ্যে যারা ভুলে যায় তারা হয়ত অজুহাত দেখায়- ‘প্রেমে পড়েছি, মন অন্য দিকে নেই’, ‘পড়াশোনা নিয়ে খুব ব্যস্ত’ ইত্যাদি ইত্যাদি। বয়স্করা ভাবেন ‘আমার কি স্মৃতিভ্রংশ দেখা দিল?’ আসলে এরা সবাই স্বাভাবিক। মানুষ একটু আধটু ভুলবেই। যতক্ষণ পর্যন্ত এটা সাধারণ কাজকর্মে ব্যাঘাত না ঘটাচ্ছে, ততক্ষণ দুশ্চিন্তার কিছু নেই।
সত্যি যদি মনে ভুলে যাওয়া ব্যাপারটা আপনাকে বেশ ভোগায় তা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সে ক্ষেত্রে যত দ্রুত চিকিৎসা শুরু করবেন ততই ভাল।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, ২৬ অক্টোবর ২০০৯।
ইশতিয়াক সজীব
‘বিশ্বকাপ না জিতলে লিজেন্ড হওয়া যায় না’, বিনয়ী মেসির সরল স্বীকারোক্তি। কিংবদন্তি হওয়ার শর্তপূরণের সুযোগ তো তার সামনে রয়েছেই। ধরা যাক, দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ থেকে শূন্য হাতে ফিরল মেসির আর্জেন্টিনা। তাতে কি আর্জেন্টাইন জাদুকরের সব অর্জন বৃথা হয়ে যাবে? বিশ্বকাপ না জিতলেও মেসিকে আমজনতার কাতারে ঠেলে দেয়ার দুঃসাহস কেউ দেখাবে না। মাত্র ২২ বছর বয়সেই সর্বকালের সেরাদের কাতারে পৌঁছে গেছেন মেসি। বয়সের বিচারে পূর্বসূরি ম্যারাডোনাকেও ছাপিয়ে গেছেন বার্সার প্রাণভোমরা। স্প্যানিশ লীগে শ্রেষ্ঠত্বের মকুট ধরে রেখে আরেকটি মেসিময় মৌসুম শেষ করল বার্সেলোনা। কাতালানদের রঙিন ক্যানভাসে পাবলো পিকাসোর দক্ষতায় তুলির শেষ আঁচড়টাও টেনে দিয়েছেন মেসিই।
রোববার মৌসুমের শেষ ম্যাচে মেসির জোড়া গোলের সুবাদে ভালাদোলিদকে ৪-০ ব্যবধানে বিধ্বস্ত করে লা-লীগায় গত ছয় বছরে নিজেদের চতুর্থ শিরোপা ঘরে তুলল বার্সেলোনা। আর শেষ রাউন্ড পর্যন্ত চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের গা-ঘেঁষে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের ভাগ্যে জুটল শুধুই হতাশা। বার্সা হোঁচট না খাওয়ায়, জিতলেও কোন লাভ হতো না রিয়ালের। কিন্তু সান্ত্বনার উপলক্ষটাও পেল না তারা। বরং রিয়ালকে ১-১ গোলে রুখে দিয়ে নিশ্চিত অবনমন এড়িয়েছে মালাগা। ২৫০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে গ্যালাটিকোস যুগে ফিরে যাওয়া রিয়াল শিরোপাশূন্য আরেকটি ব্যর্থ মৌসুম শেষ করল। টুর্নামেন্ট ইতিহাসে নিজেদের রেকর্ড পয়েন্ট (৯৬) নিয়েও দ্বিতীয় হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল তাদের। শেষ ম্যাচে রোনাল্ডো, কাকা, হিগুয়াইনসহ নক্ষত্রপুঞ্জের সব তারাই ছিল নিষ্প্রভ। দুদার লক্ষ্যভেদে শুরুতেই পিছিয়ে পড়া রিয়ালকে বিরতির পর সমতায় ফেরান ভ্যান ডার ভার্ট।
একই সময়ে শুরু হওয়া ম্যাচে বার্সা তখন ২-০ গোলে এগিয়ে। ন্যুক্যাম্পে শুরুতে নার্ভাস ছিল চ্যাম্পিয়নরাও। কিন্তু গোলকিপার ভিক্তর ভালদেস বিশ্বস্ত হাতে আগলে রাখেন পোস্ট। ২৭ মিনিটে প্রিটোর আÍঘাতী গোলে এগিয়ে যওয়ার পর মেসিরাও ফেরেন বিধ্বংসীরূপে। এরপর কাতালান ঝড়ে উড়ে যায় ভালাদোলিদ। ৩১ মিনিটে মেসির বুদ্ধিদীপ্ত পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেড্রো। আর বিরতির পর টুরের দুটি ক্রস থেকে জোড়া গোল (৬১ ও ৭৫ মিনিট) করে রেকর্ডবুকে নাম লেখান মেসি।
১৯৯৭ সালে বার্সার জার্সি গায়ে লা-লীগায় এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৩৪ গোলের রেকর্ড গড়েছিলেন ব্রাজিলের রোনালদো। রোববার সেই রেকর্ডে ভাগ বসালেন মেসি। অধরা গোল্ডেন বুটটাও জেতা হয়ে গেল তার। উৎসবের প্রস্তুতি নিয়েই এদিন দলবেঁধে ন্যুক্যাম্পে হাজির হয়েছিলেন বার্সা ভক্তরা। ম্যাচ শেষে আতশবাজির ঝলকানি আর ভক্তদের উল্লাস ধ্বনিতে ন্যুক্যাম্প থেকে উৎসবের রেণু ছড়িয়ে পড়ে গোটা স্পেনে। বার্সেলোনার রাজপথে রাতভর চলেছে ভক্তদের উল্লাস। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে আহত ৮৭ আর আটক হয়েছে শতাধিক সমর্থক। মাদ্রিদের চিত্রটা ছিল ঠিক উল্টো। শোকের চাদরে ঢাকা স্পেনের রাজধানী পরিণত হয়েছিল ভুতুড়ে নগরীতে। মাদ্রিদ মাস্টার্সে ফেদেরারের বিপক্ষে লোকাল হিরো নাদালের জয়ও মাদ্রিদবাসীর দুঃখ ঘোচাতে পারেনি।
সূত্র : এখানে
আশঙ্কাটা করেছিলেন পোর্টসমাউথের বিপক্ষে গত শনিবার এফএ কাপের ফাইনালে প্রতিপক্ষের মিডফিল্ডার কেভিন প্রিন্স বোয়েটংয়ের ট্যাকলে ডান পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা পেয়ে খোঁড়াতে খোঁড়াতে মাঠ ছাড়ার সময়ই। এক্সরেতে হাড়ে কোনো চিড় ধরা পড়েনি। কিন্তু এমআরআই স্ক্যানেই সব পরিষ্কার হয়ে গেছে। গোড়ালির একটি পেশি ছিঁড়ে যাওয়াতে দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ ফুটবলে খেলা হচ্ছে না জার্মান অধিনায়ক মাইকেল বালাকের। কাল এই ভয়ঙ্কর দুঃসংবাদটা ডাক্তারদের কাছ থেকে জানার পর সাংবাদিকদের নিজেই বলে দিয়েছেন বালাক। প্লাস্টার করা ডান গোড়ালি আর দু’হাতে ক্রাচ নিয়ে কথা বলতে থাকা বিষণ্ন জার্মান অধিনায়কের মুখের ছবিটা তখন পরিষ্কার পড়া যাচ্ছিল। বোঝাই যাচ্ছিল, হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল তার। কারণ, আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে এখন শুধুই দর্শক বালাক।
বার্লিনে এমআরআই স্ক্যানের রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তার হান্স উইলহেম মুলার উলফহার্টই দুঃসংবাদটা দেন বালাককে। যেটি শুনতে চাইছিলেন না তিনি। জানিয়ে দেন যে, ইনজুরিতে পড়েছেন বালাক। তাতে অন্তত দুই মাস তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হবে। প্রথম অবস্থায় প্লাস্টার তো থাকবেই। সেটি থেকে মুক্তি মেলার পর বিশেষ ধরনের জুতোও পরতে হবে জার্মান অধিনায়ককে। তার মেয়াদ হতে পারে দু’সপ্তাহ। যার ট্যাকলে বালাকের বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেল সেই বোয়েটংয়ের ইতিহাসটা জানলে ব্যাপারটা কাকতালীয় বলেই মনে হতে পারে। বোয়েটং বিশ্বকাপে ঘানার হয়ে খেলবেন। আর বিশ্বকাপে ‘ডি’ গ্রুপে একই সঙ্গে রয়েছে জার্মানি, ঘানা, সার্বিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া। বোয়েটংয়ের জন্ম জার্মানিতেই। এমনকি জার্মান যুব দলের হয়েও খেলেছেন ২৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পিতৃভূমির হয়েই বিশ্বকাপে খেলা মনস্থির করেছেন। তাই এখন ঘানার নাগরিক তিনি। বালাকের পরিণতি নিয়ে বোয়েটংয়ের কোনো প্রতিক্রিয়া অবশ্য এখনও পাওয়া যায়নি।
৩৩ বছরের বালাক এখনও জার্মানির সবচেয়ে প্রভাবশালী খেলোয়াড়। ২০০০ সাল থেকে তিনি জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য। খেলেছেন দুটি বিশ্বকাপ। জার্মানির হয়ে ম্যাচ খেলার সেঞ্চুরির দোড়গোড়ায় তিনি। কারণ, এর মধ্যেই ৯৮ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে তার। তাতে গোল করেছেন ৪২টি। ম্যাচের সেঞ্চুরি হয়তো বালাক করবেন কিন্তু তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে দাঁড়ি পড়ে গেল। দুটি বিশ্বকাপ খেলেই ছুটি হয়ে গেল তার।
আরেকটি বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার সম্ভাবনা তার যে নেই, সেটা নিজেও জানেন বালাক। মাত্রই ইংলিশ ক্লাব চেলসির হয়ে এ মৌসুমে ডাবল জিতেছিলেন এই মেধাবী মিডফিল্ডার। স্বপ্ন দেখছিলেন বিশ্বকাপে দলকে দ্বিতীয়বারের মতো নেতৃত্ব দেয়ার। সবই মরীচিকার মতো মিলিয়ে গেল। একই সঙ্গে এখন কোচ জোয়াকিম লোকেও নতুন করে ছক সাজাতে হবে বিশ্বকাপের জন্য। কারণ বিশ্বকাপে বালাকই ছিলেন তার মাঝমাঠের নিউক্লিয়াস। ২৭ জনের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছিলেন লো। তার থেকে খসে গেলেন বালাক। এখন বাকি ২৬ জন থেকেই চূড়ান্ত ২৩ জনের দল নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা যাবেন তিনি।সূত্র : এখানে
বালাক জার্মানির একজন ইনফর্ম প্লেয়ার ছিল। কিন্তু হঠাত্ ইনজুরি তে পড়ায় এটি বালাকের জন্য যতটা না কষ্টকর, তার থেকে জার্মানির জন্য ঢের বেশি কষ্টকর॥

গুঞ্জনকে সত্যি প্রমাণ করতে বিয়ে করতে যাচ্ছেন দেশের শীর্ষ তরুণ সঙ্গীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ এবং শীর্ষ মডেল মোনালিসা। দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রেমের গুঞ্জন চললেও অতি সম্প্রতি তারা বিষয়টি সম্পর্কে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। হাবিবের বাবা ফেরদৌস ওয়াহিদ জানিয়েছেন, শিগগিরই এ দু’জন তারকা বিয়ে করে সংসারি হতে চলেছেন। ফেরদৌস ওয়াহিদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘হাবিব এবং মোনালিসার মধ্যকার সম্পর্ক এবার পরিণতি পেতে যাচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা দুই পরিবার কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছি। শিগগিরই এ বিয়ের ব্যাপারে চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়ে দেব।’
উল্লেখ্য, এর আগে অসংখ্যবার মোনালিসার সাথে সম্পর্কের কথা জানতে চাইলে হাবিব বরাবরই সেটা অস্বীকার করে আসছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি হাবিবের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ফটো অ্যালবামে এই দুই তারকার বেশ ঘনিষ্ঠ ছবি পাওয়া গেছে। ছবিটি শুধু ঘনিষ্ঠই নয়, একেবারে ঘরোয়া পরিবেশে তোলা। এ সম্পর্কে জানার জন্য হাবিবকে ফোন করা হলে তাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি। হাবিবের মুখপাত্র বলে পরিচিত তার বাবা ফেরদৌস ওয়াহিদ এ সম্পর্কে বলেন, ‘ছবির ব্যাপারটি আমি জানি না। এখন তো নানা রকম ভুয়া ছবি ব্যবহার করে অনেককে ব্লাকমেইল করা হচ্ছে, ব্যাপারটি তেমনও হতে পারে।’ তবে বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে ছবিটি ভুয়া নয়।’ অন্য দিকে লাস্যময়ী মোনালিসার সাথে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি রহস্যময়তা ছড়িয়ে জানান, ‘আসলে প্রেম-বিয়ে যাকেই করি, শেষ পর্যন্ত তো আপনাদের সেটা অজানা থাকে না। আর আমি বিয়ে করলে অবশ্যই আপনাদের জানিয়েই করব। সুতরাং এখনি অস্খির না হয়ে নিশ্চিত থাকুন, আমার বিয়ের খবরটি আপনারা জানতে পারবেন।’ হাবিবের এমন বিয়ের খবরে গত দু’দিন মিডিয়া অঙ্গনে আলোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। অনেকেই বলাবলি করছেন, বিয়েই যদি করবেন তাহলে তারা প্রেমের খবরটি এত দিন অস্বীকার করে আসছিলেন কেন। অনেকে বলেন, হাবিব এবং মোনালিসা দু’জনই আধুনিক যুগের মানুষ। তারা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে জানেন। কিন্তু এই প্রেম-বিয়ের ব্যাপারে স্বীকারোক্তি দেয়ার মতো উদারতা তাদের মধ্যে তৈরি হয়নি। এটা অত্যন্ত দু:খজনক। এই মতের বিপরীত মতও রয়েছে। তাদের মতে, শো-বিজ মিডিয়াতে এক-আধটু লুকোচুরি না থাকলে চলে না। এ জন্যই হাবিব মোনালিসার এত দিনের লুকোচুরি। তবে সবাই এই জুটির সাফল্যময় ও সুখী জীবন কামনা করেছেন।
সূত্র: এখানে
জুন মাসের মধ্যে ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল (ভিওআইপি) উন্মুক্ত করে দেবে সরকার। এ জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে বলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে আরো শক্তিশালী করতে এবং ব্রডকাস্টিং খরচ কমাতে আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে মহাশূন্যে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য সঙ্ঘ দিবস-২০১০ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, আইনি প্রক্রিয়ার কারণে ভিওআইপি উন্মুক্ত করার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে। জুন মাসের মধ্যে নতুন আইন করে ভিওআইপি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ফোন কল আদান-প্রদান উন্মুক্ত করা হবে।
এতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব সুনীল কান্তি বোস বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের কর কাঠামো সংস্কার করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে চায় সরকার। এ ক্ষেত্রে সিম ট্যাক্সসহ অন্যান্য কর হ্রাসের পরিকল্পনা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) জিয়া আহমেদ, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম খবিরুজ্জামান, টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ সাবমেরিন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু জানান, বর্তমানে একটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের খরচ ৩০০ থেকে ৪০০ বিলিয়ন ডলার। আমারা এত খরচ বহন করতে পারব না। এ জন্য পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের আওতায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কাজ করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। বিদেশী কিছু কোম্পানি আমাদের টাকা দিতে চেয়েছে। ইতোমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কোম্পানি আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছে। এ ব্যাপারে বিটিআরসি আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) সাথে যোগাযোগ করছে।তিনি জানান, নিজস্ব স্যাটেলাইট ব্যবস্থা থাকলে ব্রডকাস্টিং খরচ চার গুণ কমবে। এ ছাড়া মিয়ানমারের সাথে এসএমই থ্রি সাবমেরিন সংযোগ এবং চেন্নাই থেকে টেরিস্ট্রিয়াল লিঙ্ক নেয়ার চেষ্টা চলছে।সুনীল কান্তি বোস বলেন, কমিশন হিসেবে বিটিআরসি’র ক্ষমতা খর্ব করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। লাইসেন্স প্রদান বা জরিমানার সব সিদ্ধান্ত বিটিআরসি নেবে। শুধু মন্ত্রণালয় থেকে বিটিআরসি’র অনুমোদন নিতে হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে বিটিআরসি যে প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তা সঠিক নয় বলেই, ট্যারিফ স্ট্রাকচার, লাইসেন্সে গাইড লাইন প্রণয়ন, জরিমানাসহ অন্যান্য বিষয়ে সরকারের অনুমোদন লাগবে।
সূত্র : খবর
মুনমুন কে গরিলার চরিত্র টি দেয়া হোক, তাতেই ওকে বেশি মানাবে। :jaw-dropping:
বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইংল্যান্ডের স্বপ্ন পূরণ
ক্রিকেটের জনক ইংল্যান্ড। এ নিয়ে মতানৈক্য থাকলেও ক্রিকেটের আসল চর্চাটা সেই শুরু থেকে ইংল্যান্ডেই হয়ে আসছে। কিন্তু বিশ্ব ক্রিকেটে কোনো দিনই চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি এই ইংল্যান্ড। ইংরেজদের আজন্ম সেই স্বপ্ন অবশেষে বাস্তবায়িত হলো। হোক না টি-২০ ক্রিকেট। এতে এখন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন তারা। বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত গত রাতের ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ করল তারা। গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া সেভাবেই লড়তেই পারল না। ফলে অনেকটা সহজেই ৭ উইকেটে অসিদের হারিয়ে জয়ের স্বাদ নিল ইংল্যান্ড। টসে জিতে অস্ট্রেয়িলাকে প্রথমে ব্যাট করতে দিয়েছিল ইংল্যান্ড। সাইডবোটম প্রথম ওভারেই ওয়াটসনকে প্যাভিলিয়নে ফিরিয়ে যে সূচনা করেন সেটা পরের দুই ওভারেও অব্যাহত ছিল। দ্বিতীয় ওভারে ওয়ারনারকে রানআউট করে তৃতীয় ওভারে সাইডবোটম আবারো আঘাত হানেন অসি ইনিংসে। এবার আউট করেন তিনি হাডিনকে। অস্ট্রেলিয়ার রান দাঁড়ায় ৮, তিন উইকেটে। এ থেকে উত্তরণের আপ্রাণ চেষ্টা চালায় অস্ট্রেলিয়া। মাইকেল ক্লার্ক, ডেভিড হাসি, ওয়াইট, মাইক হাসি মিলে দলকে সম্মানজনক স্থানে নিয়ে যেতে সক্ষম হন। ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ করে তারা ২০ ওভারে। ডেভিড হাসি সর্বোচ্চ ৫৯, ওয়াইট ৩০ ও মাইকেল ক্লার্ক করেন ২৭ রান। এর পর ১৪৮ রানের সহজ মাত্রাকে সামনে রেখে খেলতে নেমে ইংল্যান্ড ৭ রানে ল্যাম্বকে হারিয়ে একটু চাপে পড়ে। কিন্তু অপর ওপেনার কিজওয়েটার ও পিটারসন সে কথা মনে রাখেননি। ৬৮ বলে ১১১ রানের দুর্দান্ত এক পার্টনারশিপ খেলেন তারা। 
এতেই অসিদের সব প্রতিরোধ ভেদ করে জয়ের লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি চলে যায় ইংল্যান্ড। পিটারসন ৩১ বলে ৪৭ রান করে আউট হওয়ার পর দলীয় ১২১ রানে আউট হয়ে যান কিজওয়েটারও। ৪৯ বলে ৬৩ করেছিলেন তিনি। এর পর কলিংউড ও মরগান মিলে অসি বোলারদের দেখেশুনে খেলে ১৮ বল হাতে রেখেই দলকে নিয়ে যান জয়ের ল্যান্ডমার্কে। কলিংউড উইনিং শটটি নিয়ে যে আনন্দে মেতে ওঠেন, তাতে যোগ দেন বার্বাডোজে উপস্থিত হাজারো ইংল্যান্ডের সাপোর্টার। কেঁপে ওঠে যেন গোটা ইংল্যান্ডও। সেটা বিশ্ব ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো কোনো আনন্দের।
গ্লোবাল ওয়ার্মিং আসলেই আমাদের জন্য অত্যন্ত ভীতিকর একটি বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। :/
এত বিরাট খবর! Guinness book এ পরিচিত কেও থাকলে আলোচনা করতাম, আছে নাকি কারও পরিচিত?
ধন্যবাদ, সাদ ভাই কে ফোরামে যোগ দেবার জন্য, আশা করি আমাদের সাথে নিয়মিত হবেন, এবং বিভিন্ন তথ্য দিয়ে আমাদের জ্ঞান কে সমৃদ্ধ করবেন। :applause:
আমি ততোধিক নম্র সুরে বলিলাম, 'স্যার, পথ ভুল হয়ে অন্য সেকশনে কিছু সময় নষ্ট হয়েছে।
শুধু এতো টুকুর জন্য, এই বিশাল ঘটনা! :jaw-dropping: :jaw-dropping: পড়ে মজা পেলাম, তবে প্রমথ চৌধুরী আজ বেচে থাকলে আপনার প্রান্জলতা নিয়ে আরেকটি বই লিখতেন॥ আরও এরকম লেখা চাই॥ :cloud9:
আমার টা ধরতে পেরেছে, ইয়াহু॥ :applause: একটা রেপু ॥
অনেক ধন্যবাদ সংশোধনের জন্য। :applause:
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by sawontheboss4
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.১৩ seconds (৬৭.৫৯% PHP - ৩২.৪১% DB) with ৬ queries