আজ তো সালাম স্যার জটিল ক্লাস নিলো॥  :thumbsup:  সবাই যে ক্যান পারে না?

http://www.chobimohol.com/image-53BD_4BEAAC94.jpg

ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল ১৮২০ সালের ১২ মে ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে এক অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার ছোটবেলা কেটেছে ইংল্যান্ডের ডার্বিশায়ার অঞ্চলের তাদের পুরনো বাড়িতে। ছোটবেলা থেকেই কেউ অসুস্থ হলে ফ্লোরেন্স সেখানে ছুটে যেতেন সেবা করার জন্য। ১৭ বছর বয়সে তিনি ডার্বিশায়ার থেকে লন্ডনে আসেন। সে সময় লন্ডনের হাসপাতালগুলোর অবস্থা ছিল খুবই করুণ। এর অন্যতম কারণ সে সময়ে কেউ সেবিকার কাজে এগিয়ে আসতেন না। এ পেশাকে সবাই খুব ছোট করে দেখতেন। ফ্লোরেন্স অভিজাত পরিবারের সন্তান হয়েও এ পেশা গ্রহণ করবেন তা কিছুতেই তার বাবা মেনে নিতে পারেননি। আর এজন্য এ পেশা থেকে নিজের মেয়েকে সরিয়ে নিতে ফ্লোরেন্সের বাবা তাকে দেশভ্রমণে পাঠিয়ে দিলেন। ফ্লোরেন্স প্রথমে রোমে গেলেন।তিনি সেখানে তিন মাস একটি স্কুলে সেবিকার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলেন। এরপর তিনি বিভিন্ন দেশ ঘুরে হাসপাতালের সেবামূলক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে থাকলেন। সে সময়ে লন্ডনের হার্লে স্ট্রিটে ডাক্তাররা মেয়েদের জন্য একটি হাসপাতাল তৈরি করেছিলেন। ফ্লোরেন্স এ হাসপাতালের সুপারিন্টেন্ডেন্ট পদে যোগ দিলেন। তার অক্লান্ত চেষ্টায় কয়েক মাসের মধ্যেই হাসপাতালের চিত্র পাল্টে গেল। কমতে থাকল রোগী মৃত্যুর হারও। ফ্লোরেন্সের এ প্রবর্তিত চিকিৎসা পদ্ধতির সুনাম সারা বিশেব ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় হাসপাতালে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হল। ১৮৪৫ সালে তুরস্কের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধ শুরু হলে ফ্লোরেন্স তুরস্কের হাসপাতালে সুপারিন্টেন্ডেন্ট পদে নিযুক্ত হলেন। এ হাসপাতালে তিনি ৩০ জনের একটি সেবিকার দল গঠন করেন। তার মধ্যে ১০ জন ছিলেন রোমান ক্যাথলিক, ৮ জন চার্চের সভ্য এবং ২০ জন বিভিন্ন হাসপাতালের সেবিকা। দেশে যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখা দিল। সব হাসপাতালের চত্বরে ভিড় করল আহত সৈনিকরা। চতুর্দিক থেকে শোনা গেল আহত মানুষের আর্তনাদ। ফ্লোরেন্স তার সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লেন আহত মানুষের সেবায়। ফ্লোরেন্স আহত সৈনিকদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন জানালেন বিশ্ববাসীর কাছে। তার আবেদনে ব্যাপক সাড়া দিল সমগ্র ইংল্যান্ডের মানুষ। ফ্লোরেন্সের আত্মত্যাগ ও কর্মনিষ্ঠা মানুষকে উজ্জীবিত করল। ফ্লোরেন্স ছিলেন সেবার এক মূর্তপ্রতীক। তিনি তার জীবনের সবটুকু সময় ব্যয় করেছেন মানুষের সেবায়। প্রবল তুষারপাত ও বৃষ্টির মধ্যেও তিনি বিভিন্ন হাসপাতলে হাসপাতালে ঘুরে বেড়াতেন। ১৮৫৬ সালে দু’বছর আহত সৈনিকদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে ফ্লোরেন্স তার জন্মস্থান নাইটিংগেলে ফিরে আসেন। সমগ্র ইংল্যান্ডের মানুষ তাকে সন্মান জানানোর জন্য ৫০ হাজার পাউন্ড অর্থ তুলে ফ্লোরেন্সের হাতে তুলে দিলেন। তিনি এ অর্থ দিয়ে ১৮৫৯ সালে সেন্ট টমাস হাসপাতালে তৈরি করলেন প্রথম নার্সিং স্কুল ‘নাইটিংগেল হোম’ যা আধুনিক নার্সিং শিক্ষার প্রথম পাঠগৃহ। ১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট এই মানব দরদী মহীয়সী মৃত্যুবরণ করেন।

সূত্র : এখানে

উপল BD wrote:

আজ আমি যে ফর্মে আছি, আপনাকেও নিশ্চয়ই ক্যাচ ধরে ফেলতাম।

দারুন লাগল!  :applause:

দারুন দিয়েছেন! সাব্বির রে লাস্টে কাজের ছেলে!!  :crackup:    :crackup:    :crackup:   তবে আমাদের ফোরামেও কিন্তু একজন সাব্বির ভাই আছেন! সত্যি যদি তারা সাব্বির ভাই রে ফোন লাগাইত !  :crackup:    :crackup:

১১৮০

(৪ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

নায়িকা তো ট্যারা!

http://www.chobimohol.com/image-098B_4BEA6EA7.jpg

http://www.chobimohol.com/image-FD43_4BEA6EA7.jpg

http://www.chobimohol.com/image-A691_4BEA6EA7.jpg

১১৮২

(৭ replies, posted in তথ্য বটিকা)

http://www.chobimohol.com/image-CF05_4BE91514.jpg

কাকে ভালো ঘুম বলে?
ভালোভাবে ঘুমানো ভালো ওষুধের থেকে ভালো। ঘুমের কোয়ালিটি কয় ঘণ্টা ঘুমানো হলো তার থেকে গুরুত্বপূর্ণ। ভালো ঘুম মানে সকালে চোখ খোলার পাঁচ মিনিটের মধ্যে নিজেকে সজীব লাগবে।
প্রতিদিন সাত-আট ঘণ্টা ঘুমানো খুব ভালো। আপনি খুব ব্যস্ত হলেও প্রতিদিন ছয় ঘণ্টা ঘুমানো উচিত, যাতে আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি না হয়।

গভীর ঘুমের কিছু পদ্ধতি

বেশি খাওয়া নয়
গভীর ঘুমের সব থেকে বড় বাধা হলো বেশি খাওয়া। আপনার পেট যদি ব্যস্ত থাকে হজম করতে যখন আপনি ঘুমাচ্ছেন, তখন গভীর ঘুম আসবে না এবং অল্পতেই জেগে উঠবেন। ঘুমের তিন ঘণ্টা আগে ক্যাফিন যেমন—কফি, কালো চা বা কোক পান করা ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। খিদের জন্য যদি ঘুমাতে না পারেন তাহলে গরম দুধ বা লেবু চা খান। মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন।

তাড়াতাড়ি ঘুমান
যদি আপনার অভ্যাস থাকে দেরিতে শুয়ে দেরি করে ওঠা, তাহলে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস করুন। যদি টেলিভিশন দেখা আর ইন্টারনেটে সার্চ করার জন্য আপনি দেরি করে ঘুমান তাহলে পরের দিন দেরি করে উঠবেন আর আপনার শ্রান্তি স্থায়ী হবে। রাত ৮টার আগে খেয়ে ১১টার মধ্যে ঘুমানোর চেষ্টা করেন।

বেশি ঘুমাবেন না
ছুটির দিনে বেশি ঘুমিয়ে সারা সপ্তাহের ক্লান্তি দূর করার চেষ্টা করলেও গভীর ঘুমে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। শারীরিক নিয়ম ভাঙলে রাতে ভালো ঘুম হয় না আর পরের দিন ক্লান্তি থাকে। প্রতিদিনের মতো একই সময় উঠে ব্যায়াম করুন বা হাঁটুন। ঘাটতি ঘুমের জন্য ২০-৩০ মিনিট পর শুয়ে নিতে পারেন।

ঘুম না এলে খুব বেশি চেষ্টা করবেন না
বেশি চেষ্টা করলে বিপরীত ফল হয়। যত বেশি আপনি ঘুমানোর চেষ্টা করবেন তত বেশি মাথা পরিষ্কার হবে। তখন উঠে স্ট্রেচ করুন বা বই পড়ুন বা গান শুনুন। কিন্তু মনোযোগ দিয়ে কিছু করতে গেলে ঘুম নষ্ট হবে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে থাকলেও ঘুমাতে অসুবিধা হয়, তাই ঘড়ি সরিয়ে রাখুন।

শোবার ঘরের সজ্জা পাল্টান
ভালোভাবে ঘুমাতে না পারলে বালিশ বা কম্বল পাল্টান। বালিশ বেশি মোটা হলে তা আপনার রক্ত সঞ্চালনে বাধা দেয়। হাল্কা আর নরম কম্বল ব্যবহার করুন। প্রায়ই সেগুলো রোদে দিন। রাতের পোশাক যেন হালকা হয়। এজন্য সুতির কাপড় ব্যবহার করা শ্রেয়। ঘুমানোর আগে সুগন্ধি বা ল্যাম্প জ্বালানোও ভালো।

ঘুমানোর জন্য ভালো
১. ল্যাভেন্ডার দেয়া বালিশ।
২. সাউন্ড স্লিপ সক্স (ভালো ঘুমানোর মোজা) ব্যবহার, যাতে রক্ত সঞ্চালন আর মেটাবলিজম ঠিক থাকে।
৩. বালিশের ভেতর ল্যাভেন্ডার, রোজমেরি, পেপারমিন্ট, ক্যামোমাইল বা বাকহুইট জাতীয় শুকনো হার্ব ঢুকিয়ে দিতে পারেন।
৪. গরম দুধ খান।
৫. ক্যাফেন ছাড়া হারবাল চা খান।
অথবা বিশেষজ্ঞের মতামত নেন।

ভালো ঘুমের আরও কিছু উপায়
বান্সিনিয়োক (কোমর থেকে পা পর্যন্ত গরম পানিতে ডুবিয়ে রাখা) : রাতের খাবারের পর দেড় ঘণ্টার জন্য বান্সিনিয়োক করুন। এর ফলে আপনার শরীরের তাপমাত্রা ০.৫ থেকে ১ ডিগ্রি বেড়ে গিয়ে ঘুম আসতে সাহায্য করবে।
আঙুল চাপ থেরাপি : ঘুমানোর আগে আঙুল চাপ থেরাপি করুন বা দুই হাতের তালু একসঙ্গে ঘষুন। মধ্যমার মাথাগুলোতে চাপ, মাথায় আঙুল টেপা আর পায়ের তালুর এক-তৃতীয়াংশে আঙুলের চাপ ঘুম আসতে সাহায্য করে।
শরীর স্ট্রেচ করুন : ঘুমানোর চেষ্টা করলে ঘুমে ব্যাঘাত হয়। ঘুম না এলে স্ট্রেচ করেন। বেশি ব্যায়াম খারাপ ফল হতে পারে আর ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে ব্যায়াম করুন।
হাত-পা গরম করুন : গরম হাত-পা তাড়াতাড়ি ঘুমাতে সাহায্য করে। ঠাণ্ডা তাপমাত্রা তাড়াতাড়ি ঘুমাতে সাহায্য করে। ঘরের তাপমাত্রা কমিয়ে একটি পাতলা কম্বল নিন।

ঘুমানোর তিন ঘণ্টার মধ্যে উঠবেন না
ঘুমানোর তিন ঘণ্টা পর মানুষ গভীরভাবে ঘুমাতে পারে। তখন যেন কেউ বিরক্ত না করে। ফোন বন্ধ করে দিন আর পরিবারের কেউ যেন কামরায় না আসে। কামরার তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি আর কম্বলের ভেতরে ৩৩ ডিগ্রি থাকা উচিত।

ভালো ঘুমের অভ্যাস
নিয়মিত জীবনযাপন : একই সময় ওঠুন আর পুরো সপ্তাহ ঘুমানোর একই সময় রাখুন।
কোনো ব্যায়াম নয় : ঘুমানোর আগে গোসল করে স্ট্রেচ করুন, কিন্তু বেশি ব্যায়াম ঘুমে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। ২০-৩০ মিনিটের জন্য ৩৭-৩৮ ডিগ্রি গরম পানিতে গোসল করুন।
বেশি খাবেন না: ঘুমানোর আগে বেশি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ যাতে ঘুমের ব্যাঘাত হয়। খিদের জন্য ঘুমাতে না পারলে শর্করা আর মিষ্টিজাতীয় খাবার একটু খেতে পারেন।
নিয়মিত ব্যায়াম : হাঁটা, জগিং, সাঁতার বা সাইকেল চালানো সপ্তাহে ৩ দিন ২০-৩০ মিনিটের জন্য শরীরকে রিল্যাক্স করে আর গভীরভাবে ঘুমাতে সাহায্য করে।
সুতির পায়জামা পরুন : ঘুমানোর জন্য হাল্কা পোশাক ভালো। সুতির পায়জামা যা ঘাম শুষে নিতে পারে আর বাতাস যেতে পারে এমন দেখে বেছে নিন। আঁটো কিছু পরবেন না।
আপনার উপযুক্ত বালিশ বেছে নিন : বালিশ না ব্যবহার করলে তা আপনার ঘুমে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে কারণ রক্ত আপনার মাথায় উঠে আসবে। বালিশ উঁচু হলে কাঁধে আর গলায় রক্তের চাপ বাড়বে। ঠিক মাপ হচ্ছে আপনার কব্জির মাপ বা বালিশে চাপ দিলে ৬-৭ সেন্টিমিটার।

মেডিটেশন বা প্রার্থনা করুন : যখন ঘুম আসে না তখন প্রার্থনা করুন বা বিড়বিড় করুন। আপনি তখন ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়বেন।
মাঝখানে বাদ দেয়া কোনো বই পড়ুন : এই সুযোগে, আগে বাদ দেয়া কোনো বই পড়ুন। এটা একটা ভালো সুযোগ আগে বাদ দেয়া বা কঠিন মনে হওয়া বই পড়ে ফেলার।
এরপরও সমস্যা থাকলে চিকিত্সকের শরনাপন্ন হোন কিংবা হাসপাতালে যান।

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-829F_4BE914E0.jpg

টিবি বা যক্ষ্মা রোগ এখনও বেশকিছু দেশে মৃত্যুর একটা বড় কারণ। এমন ধরনের যক্ষ্মা রোগও আছে যেগুলো ওষুধপত্রের ক্রিয়া প্রতিরোধ করতে সক্ষম। ফলে এ রোগ বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে পড়েছে।
এই হুমকির মাঝেই বিজ্ঞানীরা জানালেন, তারা একটি ওষুধ বের করেছেন যা কিনা টিবি সংক্রামক পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই তা নিরাময় করতে সক্ষম হবে।
এই ওষুধ যদি পুরোপুরি কার্যকর প্রমাণিত হয় তাহলে ৫০ বছরের মধ্যে তা হবে যক্ষ্মা রোগ মোকাবিলায় অত্যন্ত বড় রকমের এক সাফল্য।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাকটেরিয়া বিশেষজ্ঞ নিক ওয়েস্ট জানিয়েছেন, সিডনি শহরের সেন্টেনারি ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীদের বের করা এই ওষুধ সারা বিশ্বে লাখ লাখ মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারবে বলে তারা মনে করেন। তিনি বলেন, একটি প্রোটিন নিয়ে আমরা পরীক্ষা করেছি যা যক্ষ্মা রোগের জীবাণুর বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য। আর এই প্রোটিনকে বাধা দেয়ার উপযুক্ত একটি ওষুধ বের করার ক্ষেত্রে আমরা কিছুটা সফল হয়েছি। এই ওষুধের কার্যকরিতার পূর্ণ ছবিখানা আগামী মাসগুলোতে খুঁজে বের করাটাই এখন আমাদের লক্ষ্য।
বিজ্ঞানী নিক ওয়েস্ট আরো বলেন, ইতিহাসে এই প্রথম সংক্রামক নয় বা সুপ্ত টিবি রোগের চিকিত্সা করা সম্ভব হবে। প্রতি বছর যক্ষ্মা রোগের সংক্রমণে বিশ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এই মৃত্যু সম্ভবত ঠেকাতে পারবে নতুন ওষুধ। অস্ট্রেলিয়ার এই বিজ্ঞানী জানান, যক্ষ্মা রোগ রুখতে আমরা যে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করে থাকি তা সুপ্ত টিবির বিরুদ্ধে কার্যকর নয়। যখন রোগটা সচল হয়ে পড়ে তখনই শুধু তা প্রয়োগ করা যেতে পারে। সমস্যাটা হলো সুপ্ত টিবিধারী প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজন এই রোগে আক্রান্ত হবে এবং তার সংক্রমণ ঘটবে।

সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত সেন্টেনারি ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, পরীক্ষা কাজ পুরোপুরি সফল হলে এই ওষুধই হবে ১৯৬২ সালের পর টিবির প্রথম নতুন চিকিত্সা। পরিসংখ্যান বলে যে, বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা অর্থাত্ দুশো কোটি মানুষের দেহে টিবি রোগ সংক্রমিত। বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এ রোগ ছড়িয়ে পড়ছে খুবই দ্রুত। ওষুধ প্রতিরোধক যক্ষ্মার কেস প্রায় অর্ধেক ঘটছে ভারত আর চীনে, জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও।
ভারতে জনস্বাস্থ্যের জন্য যক্ষ্মা অত্যন্ত বড় রকমের এক সমস্যা। সারা দুনিয়ায় যক্ষ্মা কেসের এক-পঞ্চমাংশই ঘটছে ভারতে। প্রতি বছর ২০ লাখ মানুষের দেহে বাসা বাঁধছে টিবি রোগ। তিন লাখ ত্রিশ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে প্রতি বছর টিবি রোগে। ফলে যক্ষ্মা রোগ মোকাবিলায় চালু রয়েছে নানা কৌশল। দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে ভারত প্রয়োগ করে চলেছে ডাইরেক্টলি অবসার্ভড ট্রিটমেন্ট বা ডটস। এতে কিছু সুফলও ফলেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশক্রমে ভারতে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সংশোধন ঘটিয়ে ডটস চিকিত্সার প্রসার ঘটানো হয়েছে।

বাংলাদেশে যক্ষ্মা রোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনক। দেশের নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝেই এ রোগের প্রকোপ বেশি।
অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা নতুন যে ওষুধ বের করার কথা জানিয়েছেন, তার পূর্ণ কার্যকারিতা প্রমাণিত হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মতো দেশগুলোও লাভবান হবে সন্দেহ নেই।

সূত্র : এখানে

১১৮৪

(৩ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

বান্ধবীর জন্মদিনে ১০০০০! বিবাহ বার্ষিকী তে কত হবে?  :jaw-dropping:

আরে জটিল কলেকশন!  :applause:  আরও পাব আশা করি॥  :cloud9:

:crackup:    :crackup:    :crackup:   কিন্তু তালা সহ নিয়ে গেলে কী করব?  :jaw-dropping:

ওষুধ কোম্পানির সাথে মেল এ যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু অর বিজ্ঞাপন দিতে চাইলেও তো আমাকে নীচে দিতে হবে, সুতরাং টেস্টিং পার্পাস এ চালায় তে হবে!

ছবি তো অনেক বড়। কিন্তু Thumbnail দেখাচ্ছে। এখন থেকে ছবি মহল ছবি আপলোড কর। ওখানে পিক রেসিজে কর 500 * 350 দিয়ে ছবি ফোরামের উপযুক্ত হবে। এ ছাড়া এই পোস্ট টা দেখ। ছবি resize সহজ হয়ে যাবে।

জটিল পোস্ট। আমাদের আরএমসি ফোরামের র্যাঙ্ক 173703 বাংলাদেশে 234 দারুন ব্যাপার ? মাত্র একমাসে! আরএমসি এগিয়ে চল।  :applause:

পেজ নীচে দিলেও দ্রুত লোড হত, পারছি না দেখে বন্ধ রেখেছি  :/

রুম মেট এর ছবি লাগিয়ে দাও ।

এত তথ্য কে দিল তোমারে ? আমাদের তো এইটা এখনো শিখাই নাই !  :innocent:  তথ্য সূত্র কই?  :rotfl:

http://www.chobimohol.com/image-158A_4BE6BFD7.jpg

আমরা সবাই মোটামুটি মোবাইল এ ফেসবুক ব্যবহার এ পটু। কিন্তু মোবাইল এ ফেসবুক এ চ্যাট করতে গেলে E - buddy সফ্টওয়্যার টি প্রয়োজন। এই সফ্টওয়্যার দিয়ে খুব সহজেই আপনি ফেসবুক বন্ধুদের সাথে চ্যাট করতে পারবেন॥

ডাউনলোড করুন:   এখানে

কম্যুনিটি মেডিসিন এর পার্সেন্টেজ মাইনাস এ যাওয়ার মত অবস্থা! এই সাবজেক্ট লেক্চার ছাড়াই খুব ভালো পরীক্ষা দেওয়া যাই, তারপরেও এত বোরিঙ্গ ক্লাস!  :rotfl:

ইশ্বর নাকি ঈশ্বর ?  :applause:  কবিতা টা পড়ে ভাল লেগেছে। আসলেই নতুন পৃথিবী গড়ার সময় এসেছে।

ফোরামে মামুন কে স্বাগতম, আশা করি ফোরাম টি নিয়মিত ঘুরে দেখবে , আর কিছু জানানোর থাকলে তো পোস্ট করবেই। স্কুল আর কলেজ টা জানতে পার্লে ভালো লাগতো।  :cloud9:

দারুন intro দিলা। পড়ে বেশ মজা পেলাম, তাই ভাই তুমি কোন স্কুল আর কলেজ থেকে পড়েছ ? আর তোমার কাছে এখন কত জোড়া স্যান্ডেল আছে ?  :crackup:

১১৯৮

(১৩ replies, posted in আত্মপরিচয়)

বুঝলাম একজন কে আরেকজন বানানোর জোর চেষ্টা চলছে, কাহিনী কী?  :chat:

ভাই বহুত চেষ্টা করলাম এইচটিএমএল কোড ফুটার এ দিতে পারছি না, হেল্প লাগবে!  :rotfl:

ভাই নীচে তো দেবার চেষ্টা করছি॥ টেম্প্লেট এর main.tpl e কোড পেস্ট করলে তো হচ্ছে না, আমার ও বেশ সময় নিচ্ছে।  :rotfl:  index.php তে দিয়ে দেখছি।