আসলে মোবাইল থেকে নেট ইউজ করলে অপেরার আইপি ইউজ হয়, ফলে ফেসবুক কেও চালাচ্ছে কিনা টা বোঝা যায় না।

গতকাল 29-5-2010 তারিখে সরকার ফেসবুক বন্ধ করে দিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়ার আপত্তিজনক ছবি ফেসবুক এ আপলোড করার পর বিটিআরসি এই ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

ব্যাপারটি খুবই হাস্যকর, অনেকটা মাথা ব্যথা হলে মাথা কেটে ফেলার মত।  :jaw-dropping:

আমরা অবশ্য ফ্রী VPN সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে বেশ আরমার করেই ফেসবুক চালাচ্ছি।  :jaw-dropping:

বিডি নিউজ এর খবর:

ঢাকা, মে ২৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেইসবুক শনিবার বন্ধ (ব্লক) করেছে বাংলাদেশ সরকার।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (বিটিআরসি) প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা বিপ্লব চাকমা রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "একটি চিঠির প্রেক্ষিতে ফেইসবুক বন্ধ করা হয়েছে।"

ওয়েবসাইটটি সাময়িরকভাবে বন্ধ (ব্লক) করা হয়েছে বলে রাত পৌনে ৯টার দিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান বিটিআরসি'র নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।

চেকফেইসবুক.কম (পযবপশভধপবনড়ড়শ.পড়স) সাইটের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ফেইসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা আট লাখ ৭৬ হাজার ২০।

ফেইসবুক আবার কখন উন্মুক্ত করা হবে সে বিষয়ে আগামীকাল (রোববার) অফিসে যাওয়ার পর তথ্য দিতে পারবেন বলে জানান বিপ্লব।

চিঠিটি কোন্ কর্র্তৃপক্ষের তরফ থেকে এসেছে সে বিষয়ে কিছু জানাতে অপরাগতা প্রকাশ করেন তিনি।

ফেইসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার ব্যাঙ্গাত্মক ছবি প্রকাশের অভিযোগে শনিবার ভোরে একজনকে গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা পর ওয়েবসাইটটি বন্ধ (ব্লক) করা হয়।

সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে ফেইসবুক খুলতে না পেরে বিভিন্ন স্থান থেকে টেলিফোন করে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চান এর ব্যবহারকারীরা।

২০০৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ফেইসবুক। এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্ক যুকেরবার্গ এবং তার সহপাঠী এদুয়ার্দো সাভেরিন, দুস্তিন মোস্কোভিৎয ও ক্রিস হিউজ এর প্রতিষ্ঠাতা। শুরুতে এতে শুধু হার্ভাডের শিক্ষার্থীরাই যুক্ত হতে পারতেন।

চেকফেইসবুক.কম (পযবপশভধপবনড়ড়শ.পড়স) সাইটের তথ্য অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের ১২ কোটি ৫৫ লাখ ৬০ হাজার চারশ ২০ জন সাইটটি ব্যবহার করেন। ব্যবহারকারীর হিসেবে এটি সর্বোচ্চ।

পাকিস্তান সিরিয়া, চীন, ভিয়েতনাম ও ইরানেও ওয়েবসাইটটি সাময়িক বন্ধের (ব্লক) শিকার হয়।

প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রীর ব্যাঙ্গাত্মক ছবি প্রকাশের অভিযোগে রাজধানীতে মাহবুব আলম রডিন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

ওই যুবকের বিরুদ্ধে একাধিক আইডি ব্যবহার করে নানা ধরনের সাইবার অপরাধ করার অভিযোগ করে র‌্যাব।

শুক্রবার কয়েকটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল ফেইসবুক বন্ধের দাবি জানায়। দুপুরে মুক্তাঙ্গনে এক সমাবেশে এ দাবি জানানো দলগুলো হলো� ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও খেলাফত আন্দোলন।

এ দাবিতে দলগুলো ২৮ জুন হরতাল করারও ঘোষণা দেয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ফেইসবুক বন্ধ করা বিষয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "এমন হতেই পারে। যারা এটি ব্যবহার করেন তাদের আচরণ দায়িত্বশীল না হওয়ায় এরকম সমস্যা হয়েছে।"

এধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে যারা কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তির ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বা মর্যাদা ক্ষুণ� করে তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার তাগিদ দেন তিনি।

ফেইসবুকের একজন ব্যবহারকারী বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক এম লুৎফুল কবীর।

ওয়েবসাইটটি বন্ধ করার প্রতিক্রিয়ায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, "ফেইসবুকের কারণে কোনো গোষ্ঠী বা কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হলে বা সামাজিক সমস্যা হলে তা সরাসরি ফেইসবুক কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত যেন কর্তৃপক্ষ তাদের উল্লেখিত কনটেন্ট (বিষয়) সাইট থেকে সরিয়ে ফেলে।"

তিনি বলেন, "এরকম বন্ধ (ব্লক) করার বিষয়টি সাময়িকভাবে হতে পারে। তবে কোনোভাবেই তা স্থায়ী হওয়া শোভন নয়।"

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএইচএ/এলএইচ/এমএইচসি/পিডি/২২৫৪ ঘ.

রিগ্যান wrote:

কালো জিরা সেবন শুরু করলাম।

সাথে একটু মধু ও খবেন।

ভাই বাংলার মাটি কলুষিত নয়, মানুষের মন কলুষিত।  sad

:cloud9:   :cloud9:  কবিতার থিম টা যেভাবে দাড় করান হয়েছে, চমত্কার।  :applause:

প্রচেষ্টা wrote:

শেয়ার করায় ধন্যবাদ

আপনার ব্লগ টি ঘুরে আসলাম, বেশ পছন্দ হল, আপনার কালেক্শন ও বেশ ভালো। পবিত্র কোরআন শরীফ এর নতুন ওয়েবসাইট টি তে গেলাম। ফ্লাস বেসড সাইট, লোড হতে একটু সময় নিলো, allover জটিল পুরো আসল কোরআন শরীফ পড়ার টেস্ট পাওয়া যাবে।

সমস্ত লেক্চার কালেক্শন করে নোট বানালাম। পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করুন, কোনও মতামত থাকলে দিন।  :thumbsup:
http://www.chobimohol.com/image-6ACC_4BFECA0D.jpg
লেক্চার : এখানে
লেক্চার সূচিপত্র : এখানে

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100527-dd72-65kb.jpg

দারুন কাজে দিচ্ছে, ফায়ারওয়াল ফ্রী আর সাথে অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে ব্যবহার করছি AVG ফ্রী, দুই ফ্রী তে বাজিমাত। অনেক স্পীড বেড়ে গেছে নেট এর। অপ্রয়োজনীয় নেট কানেক্ট ইচ্ছা মত অফ করা জায়, টেম্পোরারি অথবা পার্মানেণ্ট ভাবে।  :cloud9:

আমি ওয়াটার হর্স ছবিটি দেখেছি, খুব ই ভাল লেগেছে। kites কবে দেখতে পারব কোনও ঠিক নাই, সামনে পরীক্ষা, পরীক্ষার পর আশা করি দেখা হবে । মুভি গুলোর রিভিউ দেবার জন্য ধন্যবাদ।

shemul49rmc wrote:

এভাবে BANGLA  dekhte gele anek besi charge kate. Font size ta boro kore kichu kichu set e hote pare. Jemon amar n6303 te age fönt choto kora chilo bole BANGLA er jaigai charkona ghor dekha jetö, pore font large korar por easily dekha jai. Toi post ta chomotkar

যাদের সেটে ডিফল্ট ভাবে বাংলা দেখা যাই (যেমন তোমার) তাদের সেট এ এত ঝামেলা করার কোনও প্রয়োজন নেই। এম্নিতেই দেখা যাবে।

তুমি যদি ফটো ওন করে রাখতে তাহলেই দেখতে পেতে অনেক আগেই ad করে দিয়েছি।  :cloud9:

যারা প্রোফাইল এ ছবি ad করতে চান কিন্তু সময় এর অভাব বা সাইজ করতে না পারাই আপলোড করতে পারছেন না তারা এই টপিক এ আপনার ছবির লিংক অথবা ফেসবুক id (ইমেইল অ্যাড্রেস) দিয়ে দিন। ছবি resize করে আপলোড করে দেব।  :thumbsup:

http://www.chobimohol.com/image-0642_4BFE2FBA.jpg
২৮ মে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস। মা ও শিশুমৃত্যু রোধ এবং তাদের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতার বিষয়ে সবাইকে সচেতন করার পাশাপাশি এসব সমস্যা প্রতিরোধ করার প্রত্যয়ে ১৯৮৭ সাল থেকে শুরু হয়েছিল ‘নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস’ পালন, যার মূল উদ্দেশ্য নিরাপদ মাতৃত্বকে নারীর অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে মা ও নবজাতকের মৃত্যুহার কমিয়ে আনা। নিরাপদ মাতৃত্বকে নিশ্চিত করতে ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন শুরু হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো একজন মাকে নিরাপদে তার সন্তান পৃথিবীতে ভুমিষ্ঠ করানোর ব্যবস্থা নিশ্চত করা। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্যি যে এটা এখোনো স্লোগানই রয়ে গেছে এদেশের জন্য।

পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শব্দ ‘মা’। একজন নারীর পূর্ণতা আসে মাতৃত্বে। বংশানুক্রম ধারা টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব প্রকৃতিগতভাবেই বর্তেছে নারীর ওপর মাতৃত্বের মধ্য দিয়ে। এই মাতৃত্ব কতটুকু নিরাপদ? তা যদি শতভাগ নিরাপদ হতো মা ও শিশুর জন্য, তাহলে হয়তো নিরাপদ মাতৃত্ব দিবসের সূচনা হতো না, আলোচনা হতো না, কর্মসূচির প্রয়োজন হতো না সচেতনতা বাড়ানোর জন্য।

এ ২৫ বছরে দেশে অনেক পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু আমাদের মাতৃত্ব কি একটুও নিরাপদ হয়েছে? পরিসংখ্যান বলছে না। এক হিসেব অনুযায়ী বাংলাদেশে এখনো প্রতি বছর ১২ হাজার নারীর মৃত্যু হয় প্রসবকালীন জটিলতার কারনে। এখনো এদেশে ৮৫% এরও বেশী প্রসব হয় অদক্ষ দাইয়ের হাতে যাতে মায়ের মৃত্যঝুকি বেড়ে যায় বহুগুন। বিশেষ করে গ্রামে এ ঝুকি বহুগুন। শহরে কিছু নামী হাতপাতালে হয়তো নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চত করা হয়েছে কিন্তু সেজন্য অর্থও গুনতে হয় প্রচুর।নারীর অধিকারের বিষয়টি আরও ব্যাপক। অন্যান্য সামাজিক, পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় অধিকারের পাশাপাশি তাঁর অধিকার রয়েছে নিজের জীবনকে নিয়ন্ত্রণের।
যেমন-একজন নারী কত দিন কোন ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করবেন বা আদৌ ব্যবহার করবেন কি না এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাঁর। নারী আদৌ সন্তান নেবেন কি না বা কবে নেবেন, কজন নেবেন সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও তিনি সংরক্ষণ করেন।

কিন্তু বাংলাদেশের অধিকাংশ নারীই এখনো উপরিউক্ত কোনো অধিকারই ভোগ করতে পারেন না। তাঁরা স্বামী বা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শাশুড়ির ইচ্ছা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হন। তাই এখনো আমাদের মেয়েরা অপরিকল্পিত গর্ভধারণ করে অনিরাপদ গর্ভপাতের শিকার হচ্ছে। অপরিণত বয়সে বিয়ে, সন্তান ধারণ এবং বাড়িতে দাইয়ের হাতে ডেলিভারি করতে গিয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছে অথবা জীবনব্যাপী সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে। হারাচ্ছে সন্তানটিকেও।

একটি পরিসংখ্যানমতে, প্রতিবছর সারা বিশ্বে ২১ কোটি নারী গর্ভবতী হয় এবং দুই কোটিরও বেশি নারী গর্ভজনিত স্বাস্থ্য-সমস্যায় ভোগে। এদের মধ্যে আবার আশি লাখের জীবনাশঙ্কা দেখা দেয়। অত্যন্ত গরিব জনগোষ্ঠীর মধ্যে জটিলতায় ভোগার আশঙ্কা অপেক্ষাকৃত ধনীদের তুলনায় প্রায় ৩০০ গুণ বেশি।
দেখা গেছে যে রাজনৈতিক অস্থিরতায় ভোগা গরিব দেশের মাতৃমৃত্যুর হার বছরের পর বছর প্রায় একই রকম থেকে যায়। ১৯৯০ সালের মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যের অবস্থাকে মূল ভিত্তি ধরে নিয়ে পরবর্তী বছরগুলোতে পর্যায়ক্রমিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যেমন- গর্ভকালীন সেবার ক্ষেত্রে বর্তমান পরিস্থিতি হলো, শুধু একবার সেবা নিয়েছে এমন গর্ভবতীর সংখ্যা শতকরা ৬০ ভাগ হলেও চারবার সেবা নিয়েছে এমন গর্ভবতীর সংখ্যা মাত্র ২১ ভাগ।

প্রথম আলোর ব্লগের লেখক মাহমুদ লিখেছেন : এখানে

খুব ছোটরেলার কথা। আমি বেড়াতে গেলাম আমার নানাবাড়ি বরিশালের বলহার। ঠিক সে সময়ই আমার ছোটখালার বাচ্চা হলো গ্রামের এক দাইয়ের হাতে। বাচ্চাটা হবার পরই খালাম্মার সমস্যা শুরু হয়। তিনি চিতকার করে কান্না করতে থকেন। সেই গ্রাম্য দাই কি একটা টোটকা দাওয়াই দিয়ে বিদায় হলেন। কোন ডাক্তারের ব্যাবস্থা করা হয়নি, হয়তো ডাক্তার তখন ছিলোও না কাছাকাছি। খালাম্মা কান্না করলেন পুরোটা দিন। আমার খালার কপাল ভালো তাই মৃত্যর হাত খেকে ফিরে আসতে পেরেছেন। এটা আজ থেকে প্রায় ২৫ বছরে আগের ঘটনা।

১৯৯০ সালে এর হার ছিল শতকরা ৫ এবং ২০১৫ সালের লক্ষ্যমাত্রা শতকরা ৬০ ভাগ। প্রসব-পরবর্তী সেবার হার এখনো শতকরা ২২ ভাগ। বেশির ভাগ মাতৃমৃত্যুই ঘটে প্রসব-পরবর্তী সময়ে। বর্তমানে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারী আছে শতকরা ৫৭ ভাগ, যা উন্নীত করতে হবে শতকরা ৭১ ভাগে। জন্মহার ২·৭ থেকে কমিয়ে ২-এ আনতে হবে। মাতৃমৃত্যু প্রতি এক লাখে ১৯৯০ সালে ছিল ৫৭৪ জন, ২০০৬ সালের পরিসংখ্যানমতে ৩২০ জন, আর ২০১৫ সালে লক্ষ্যমাত্রা ১৪৩ জন, অর্থাৎ তিন-চতুর্থাংশ কমাতে হবে। (সূত্রঃ 16: BBS (SURS) 17 : BBS (MIIS)।

আমরা সব সময়ই বলি ‘করতে হবে’ কিন্তু করে দেখাতে পারি না। নিরাপদ মাতৃত্ব দিবসে আমাদের চাওয়া প্রত্যেক নারীর জন্য নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত হোক এবং এটি হয়ে উঠুক আনন্দময় এক অভিজ্ঞতা। আর এভাবেই সংরক্ষিত হোক নারীর অধিকার। আসুন, এটা আমরা বাস্তবায়ন করে দেখাই।

লেখাটির সূত্র  এখানএখান থেকে নেয়া

মোট কথা মাতৃত্ব হোক নিরাপদ, মাতৃত্ব হোক আন্দময়।

http://www.chobimohol.com/image-15C2_4BFE1A5F.jpg
নিউ ইয়র্ক, মে ২১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/রয়টার্স)- যোগব্যায়াম ক্যান্সার আক্রান্তদের অনিদ্রা কাটাতে এবং কর্মশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে।
নিউ ইয়র্কের রচেস্টার মেডিকাল সেন্টার বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত এক গবেষণায় এই তথ্য জানা গেছে।
ক্যান্সারে আক্রান্ত ৪'শ জন রোগীকে দুটি দলে ভাগ করে এ গবেষণা চালানো হয়।
রোগীদের বেশিরভাগই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং তারা কেমোথেরাপি নিচ্ছেন।
একটি দলের রোগীদের সপ্তাহে দুই দিন করে টানা একমাস শরীর ও মনের হালকা যোগব্যায়াম করানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অঙ্গসংস্থিতি, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং আনন্দদায়ক নানা ধরনের ব্যায়াম।
আর অন্য দলটি সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করছে কিনা এ বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হয়।
গবেষণা শেষে দেখা গেছে , যেসব রোগী যোগব্যায়াম করেছিল তারা ঘুমের ওষুধ ছেড়ে দিয়েছে এবং এখন তাদের ভাল ঘুম হয়।
যোগব্যায়াম করার কারণে তাদের ঘুমের গুণগত মান শতকরা ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যেসব রোগী যোগব্যায়াম করেনি তাদের ঘুমের উন্নতির চেয়ে এই হার প্রায় দ্বিগুণ।
এছাড়া যোগব্যায়াম করার ফলে প্রায় অর্ধেক অবসাদ দূর হয়ে যায়। এমনকি যোগব্যায়ামের ফলে জীবনের গুণগত মানও কিছুটা বেড়ে যায়।
গবেষণাটির পরিচালক কারেন মুসটিয়ান জানান, ক্যান্সার আক্রান্তদের জন্য এটি একটি ভাল খবর।
তিনি আরো জানান, আসলে ক্যান্সার আক্রান্তদের ক্লান্তি দূর করার জন্য আমাদের কাছে কোনো ভাল ওষুধ নেই ।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/বিবি/সিআর/১৪২০ঘ.

সূত্র : এখানে

সাধারণ্যে; সাধ্যের নাগালে চীনা হ্যান্ডসেট
http://www.chobimohol.com/image-F0C8_4BFE147C.jpg
একটা সময় ছিলো এদেশে মোবাইল ফোনের জন্য নগদে অনেক উচ্চমূল্যই গুণতে হতো। কিন্তু বাজারে এখন বাহারি রঙের ও ডিজাইনের অনেক মোবাইল হ্যান্ডসেটই মিলবে। এর মধ্যে কোনোটি নামকরা ব্র্যান্ডের আবার কোনোটা স্রেফ প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের সেটেরই ‘লুক অ্যালাইক’ বা সহজ বাংলায় নকল। বাজারে থাকা এসব হ্যান্ডসেটগুলোর দামের দিক থেকেও অনেক পার্থক্য চোখে পড়বে। একটা সময় ছিলো- মোবাইল ফোন কেবলই ধনী লোকজনের বিলাসের সামগ্রী হিসেবেই প্রচলিত ছিলো। কিন্তু বর্তমানে মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নিম্নবিত্তের হাতেও চলে এসেছে মোবাইল ফোন। কম দামের মোবাইল ফোন সেটগুলোর প্রভাব এ ক্ষেত্রে অস্বীকার করার উপায় নেই। বাজারে থাকা এমন সাশ্রয়ী মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলো যেমন প্রয়োজন মেটাতে ব্যবহার হচ্ছে তেমনি বিনোদনের খোরাক হিসেবেও এ সেটগুলো যথেষ্টই জনপ্রিয়।

বাজারে থাকা এসব সাশ্রয়ী মোবাইল মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলেছে অনেক ক্ষেত্রেই। সম্প্রতি, দেশে মোবাইল ফোনের ব্যবহারও বেড়েছে বলে মোবাইল অপারেটরদের বরাতে জানা গেছে।

দেশে দ্রুত বাড়ছে মোবাইল ফোনের ব্যবহার। ২০০০ সালেও যেখানে মোবাইলের ব্যবহারকারী ছিল লাখের ঘরে, এখন কেবল গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যাই দাঁড়িয়েছে তিন কোটিতে। অন্যান্য অপারেটরদের গ্রাহকও বেড়েছে যথেষ্টই। বাংলাদেশে বর্তমানে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা পাঁচ কোটি আশি লাখ। ফলে, বর্তমানে বিশ্বে মোবাইল ফোন ব্যবহার বৃদ্ধির দিক থেকে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। আর একই সঙ্গে বাড়ছে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাও।

১৯৯৩ সালে সিটিসেল এর হাত ধরে বাংলাদেশে যে মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু তা এখন কেবল কথা বলাতেই সীমাবদ্ধ নেই। দিন দিন মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাও বাড়ছে। তথ্য-উপাত্ত বলছে, বাংলাদেশে বর্তমানে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দশ লাখের বেশি। আর এক্ষেত্রে এগিয়ে তরুণ প্রজন্মই। এর পাশাপাশি যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে মোবাইল ফোন আমাদের সামনে অনেক বিকল্প সুযোগও তৈরি করেছে। সম্প্রতি মোবাইল ফোনেই ট্রেনের টিকিট কেনা, স্বাস্থ্য সেবা, টাকা পাঠানোর সুবিধাসহ অনেক সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ব্যবহার বৃদ্ধির যে ধারা দেখা যাচ্ছে, তাতে ২০১৪ সাল নাগাদ মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়াবে সাত কোটি ২০ লাখ। একই হারে বাড়বে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী।

বাজারে খুচরা হ্যান্ডসেট বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সাশ্রয়ী মূল্যের হ্যান্ডসেটে ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়েছে। মোবাইল ফোন কেনার সময় কম দামে বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে এমন হ্যান্ডসেটের খোঁজ করেন ক্রেতারা।
পাশাপাশি, মোবাইল ফোন অপারেটদের বিভিন্ন আকর্ষণীয় অফারও হ্যান্ডসেট ক্রেতাদের আকর্ষণ করছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন।

ব্যবসায়িক দিক থেকে এখন অপারেটরাও হ্যান্ডসেট বিক্রির সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। যেমন সিটিসেল হাউয়েই হ্যান্ডসেটের সঙ্গে তাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অপারেটর হ্যান্ডসেটের সঙ্গে তাদের প্যাকেজ অফার দিয়েছে।

বাজারে থাকা সাশ্রয়ী হ্যান্ডসেটগুলো অনেক সুবিধাযুক্ত হলেও সেগুলো কেনার সময় সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছেন টেকনিশিয়ানরা। কারণ এসব হ্যান্ডসেট অনেক সময় ভালো সার্ভিস দিতে পারে না এমনই অভিযোগ ক্রেতাদের।

সাশ্রয়ী মোবাইল হ্যান্ডসেটের মধ্যে নকিয়া, স্যামসাং, এলজি-এর মতো ব্র্যান্ড যেমন বেছে নেয়া যাবে, তেমনি চীনের তৈরি বিভিন্ন হ্যান্ডসেটও কেনা যাবে। সাশ্রয়ী মোবাইলের মধ্যে সবচে এগিয়ে চীনের তৈরি মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলো। দেশে ইতোমধ্যে এসব হ্যান্ডসেট ‘চায়না মোবাইল’ নামেই পরিচিতি পেয়েছে। দামের দিক থেকে এসব হ্যান্ডসেট অনেক সাশ্রয়ী আবার অনেক আধুনিক সুবিধাও আছে।

চায়না মোবাইল :
http://www.chobimohol.com/image-80C6_4BFE147C.jpg
বাজারে চায়না মোবাইলের মধ্যে সবচে বেশি পরিচিত এবং সাশ্রয়ী মোবাইল হ্যান্ডসেটের মধ্যে আছে সিম্ফনি, স্মার্ট, জোডিয়া, টেকনো, ম্যাক্সিমাস।

সিম্ফনি হ্যান্ডসেটের মধ্যে সিম্ফনি টি৬০আই অনেক সাশ্রয়ী এবং প্রয়োজনীয় অনেক বৈশিষ্ট্যই আছে। এতে আছে ৩২০ ী ২৪০ পিক্সেল ডিসপ্লে, ডুয়াল সিম, ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, এফএম রেডিও, ব্লুটুথ, এজ, জিপিএস। এ মোবাইলের দাম পড়বে ৫ হাজার ৭০০ টাকা।

এছাড়াও সিম্ফনির আরো যেসব সাশ্রয়ী হ্যান্ডসেট আছে তার মধ্যে এক্স৯০, এক্স৯৫, এবং এক্স ১০০। এসব হ্যান্ডসেটের দাম ২ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে।

টেকনো টি৩৭০ আরেকটি সাশ্রয়ী মোবাইল। ডুয়াল সিম, ১.৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, এমপ্রিথ্রি প্লেয়ার, এফএমরেডিও, ব্লুটুথ, টর্চ, মেমোরি কার্ড সাপোর্টসহ এ হ্যান্ডসেটের দাম ২হাজার ৭০০ টাকা।

আইমোবাইল২২২ নামের এ হ্যান্ডসেটে আছে ২.২ ইঞ্চি ডিসপ্লে, ১ গিগাবাইট মেমোরি কার্ড সাপোর্ট, জিপিআরএস, ভিজিএ ক্যামেরা, এফএম রেডিও, এমপিথ্রি প্লেয়ার। দাম ৪ হাজার ২০০ টাকা।

জোডিয়া জেড৯ নামের মোবাইল হ্যান্ডসেটে আছে ডুয়াল সিম, ভিডিও ক্যামেরা ২ ইঞ্চি ডিসপ্লে , জিপিএস এবং মেমোরিকার্ড সুবিধা সহ এ হ্যান্ডসেটের দাম ৩ হাজার ৬০০ টাকা।

জোডিয়ার মতোই চায়না হ্যান্ডসেটের সাশ্রয়ী দুটি ব্র্যান্ড হলো স্প্রিন্ট, স্মার্ট। স্মার্টের এস৮৮আই হ্যান্ডসেটটি পাওয়া যাবে ৩ হাজার ৮০০ টাকায়। এ হ্যান্ডসেটে থাকছে ডুয়াল সিম, এফএম রেডিও, জিপিএস সুবিধা। এতে ২ গিগাবাইট পর্যন্ত কার্ডও সাপোর্টও করে।

ব্র্যান্ডেড মোবাইল :
http://www.chobimohol.com/image-034A_4BFE147C.jpg
ব্র্যান্ডের হ্যান্ডসেটগুলোর মধ্যে সাশ্রয়ী মুল্যে পাওয়া যাবে নকিয়া, স্যামসাং, সনি এরিকসন, মটরোলা, এলজিসহ বেশ কয়েকটি কোম্পানির তৈরি হ্যান্ডসেট।

নকিয়া ১২০২ একটি সাশ্রয়ী হ্যান্ডসেট। চায়না মোবাইলের মতো অনেক বেশি সুবিধা না থাকলেও এ হ্যান্ডসেটটি বেশ কাজের। এর দাম ১ হাজার ৮৭০ টাকা। নকিয়ার আরেকটি সাশ্রয়ী মডেলের নাম নকিয়া ২৩২৩। রঙিন মনিটর, এফএম রেডিও সুবিধাযুক্ত এ হ্যান্ডসেটের দাম ৩ হাজার ৪৫০ টাকা।

সনি এরিকসন জে১৩২ সাশ্রয়ী একটি হ্যান্ডসেট । এর দাম ২হাজার ৯৯০ টাকা।

স্যামসাং ই১১১০ মডেলের হ্যান্ডসেটের দাম মাত্রই ১ হাজার ৭৫০ টাকা। এছাড়াও স্যামসাংয়ের আরো কম দামের একটি মোবাইল বাজারে পাওয়া যাবে, স্যামসাং বি ১৩০। এ সেটে লাউড স্পিকার, এফএম রেডিও শোনার সুবিধাও পাওয়া যাবে। এর দাম ১ হাজার ৬৫০ টাকা ।

কালার মনিটর, লাউড স্পিকার সুবিধাযুক্ত এলজির সাশ্রয়ী হ্যান্ডসেটের নাম এলজি জিএস১০৮। এর দাম ১৭৫০ টাকা।

মোবাইলের বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে থাকা সাশ্রয়ী হ্যান্ডসেটগুলোর অনেক সুবিধা থাকায় ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় যোগ এ হয়েছে এসব হ্যান্ডসেটগুলো।

সাশ্রয়ী এ হ্যান্ডসেটগুলো দেশের প্রায় প্রতিটি মার্কেট ও খুচরা বাজারে পাওয়া যাবে।

তবে সাশ্রয়ী মোবাইল কেনার আগে হ্যান্ডসেটের সবদিক বিবেচনা করে কেনাই ভালো বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। কারণ সস্তার তিন অবস্থা বলে একটি কথা প্রচলিত রয়েছে, এ কথাটির প্রতি সম্মান রেখে যাচাই-বাছাই করে সেট কেনাই ভালো।

বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/মিন্টু/এইচবি/এইচআর/মে ২৬/১০

সূত্র : এখানে

১১১৬

(৪ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

নতুন ব্যাটসম্যান
নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিজে এলেন। নিজের গার্ডগুলো পরীক্ষা করে দেখলেন। একটু নড়েচড়ে শরীরটাকে চাঙা করে নিলেন। চারদিকে ফিল্ডারদের অবস্থানটাও একনজর ঘুরে দেখলেন। এরপর শূন্যে কয়েকবার ব্যাট হাঁকিয়ে আম্পায়ারকে জানালেন, সে তৈরি। আম্পায়ার বোলারকে বল করতে অনুমতি দিলেন। বোলার বলও করলেন এবং সোজা মিডল স্ট্যাম্প উড়ে গেল। তখন পেছন থেকে উইকেট কিপার বললেন, ‘কী লজ্জা! এত ভাব দেখানোর পর মাত্র এক বলেই স্ট্যাম্প উড়ে গেল।’ ব্যাটসম্যান তখন বললেন, ‘লজ্জা তোমাদেরই পাওয়া উচিত। একজন নতুন অতিথির সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতে হয় সেটা তোমাদের বোলার এখনো শেখেনি।’

যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে
শিক্ষকঃ আমি টেবিলটা ছুয়েছি, টেবিলটা মাটি ছুঁয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি ।
এভাবে একটা যুক্তি দেখাও তো
ছাত্রঃ যেমন ধরুন স্যার, আপনি মুরগি খেয়েছেন, মুরগি কেঁচো খেয়েছে, সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন ।

গৃহশিক্ষকঃ আচ্ছা রেজা, একটা বড় শব্দ বল তো ?
রেজাঃ রাবার,স্যার!
গৃহশিক্ষকঃ এটা তো ছোট শব্দ!
রেজাঃ টানলেই বড় হবে স্যার।

দুই বাস যাত্রীর মধ্যে ঝগড়া হচ্ছে
১ম যাত্রীঃ বেশী প্যাচাল পাড়বে না!
২য় যাত্রীঃ বাড়াবাড়ি করলে কলাম এক লাথিতে করাচি পাঠায়া দিমু!!
৩য় যাত্রীঃ ভাই, দয়া করে আমাকে একটু আস্তে লাথি দেন, আমি গাবতলী যাব ।

একদিন পাগলা গারদের এক ডাক্তার তিন পাগলের উন্নতি দেখার জন্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন। পরীক্ষায় পাস করতে পারলে মুক্তি, আর না করলে আরো দুই বছরের জন্য আটকানো হবে। ডাক্তার তিনজনকে সাথে নিয়ে একটা পানিশূন্য সুইমিং পুলের সামনে গিয়ে ঝাঁপ দিতে বললেন। প্রথম পাগল সাথে সাথেই ঝাঁপ দিয়ে পা ভেঙ্গে ফেলল। দ্বিতীয় পাগলটিও ডাক্তারের কথা মতো ঝাঁপ দিয়ে হাত ভেঙ্গে ফেলল। কিন্তু তৃতীয় পাগলটি কোনোমতেই ঝাঁপ দিতে রাজি হলো না। ডাক্তার আনন্দে চিৎকার করে উঠে বললেন, আরে, তুমি তো পুরোপুরি সুস্থ। তোমাকে মুক্ত করে দেব আজই। আচ্ছা বলো তো তুমি কেন ঝাঁপ দিলে না?
জবাবে সে বললো, আমি তো সাঁতার জানি না।

সারাদিন ক্লাস করে ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে রুম এ আসি। এসে কোনরকম ব্যাগ টা রেখেই গোসলে যেতে হয়। কিন্তু আজ রুম এ ঢুকতেই দেখি বিদেশী একটা প্যাকেট রুম এর দরজার ফাক দিয়ে কে যেন ঢুকিয়ে দিয়ে গেছে। কারণ রুম এ তো সকালে কেও ছিল না।
http://www.chobimohol.com/image-0E8F_4BFD1F47.jpg

বুঝতেই পড়ছেন কী পরিমাণ খুশি হলাম। কারণ আমার হাতে চলে এসেছে Ubuntu এর ডেস্কটপ এডিশন এর সিডি।
সিডি এর আউটলুক টা খুব এ joss লাগছে। তাই সিডি টা বের করে স্ক্যানার দিয়ে স্ক্যান করে শেয়ার করলাম।
http://www.chobimohol.com/image-3796_4BFD2000.jpg

এখন শুধু চালানোর অপেক্ষা। কার লাগলে আওয়াজ দিবেন।   :cloud9:

আমাদের সাইট এও কী ফেসবুক দিয়ে লগইন করার ব্যবস্থা করা যাই না? এক্সটেন্শন এ কিন্তু ওপেন আইডি সুবিধা আছে যদিও আমি ইন্সটল করি নি।

১১১৯

(৫ replies, posted in বিভিন্ন রোগ ও উপসর্গ)

সাইফ এত টেন্সন নিও না, ও মোবাইল থেকে লিখেছে, অর ওখানে ILIT না কাজ করার ই কথা!  :jaw-dropping:

১১২০

(৫ replies, posted in বিভিন্ন রোগ ও উপসর্গ)

চিন্তা করো না বন্ধু, তুমি আমাদের মাঝে খুব শীঘ্রই চলে আসবে আশা করছি।

১১২১

(১৬ replies, posted in নোটিশ বোর্ড)

এত ভাব হলে তো চলবে না  :cool: , একলা একলা ফোরাম চালাতে হবে   :number1:

১১২২

(১৬ replies, posted in নোটিশ বোর্ড)

শুধু এডমিন দিলে মনে হয় ভাল হবে  :angel:

অনেক ধন্যবাদ নিমো ভাই কে, আরেকটু বিস্তারিত পরিচয় দিলে সুবিধা হত সবার, স্বাগতম আপনাকে  :thumbsup:

এইটা আসলে ফুল স্ক্রীন ad। যদি সবাই বলেন, ফুল স্ক্রীন ad ক্যান্সেল করে দেব।  :thumbsup:

ফোরামের নতুন নিয়ন্ত্রক সাইফ দি বস 7 এর কল্যাণে আমরা আজ (২৫ - ২ - ২০১০ ইং) আমাদের ফোরামে যুক্ত করতে পেরেছি মাইক্রোসফ্ট এর ILIT টূল টি। এখন কোনও ঝামেলা ছাড়াই আপনি বাংলা লিখতে পারবেন। আর যারা আগে থেকেই বাংলা লেখার জন্য অভ্র বা ILIT টূল (ডেস্কটপ ভার্সন) ব্যবহার করছেন, তারা ও কোনও সমস্যা ছাড়াই তা ব্যবহার করতে পারবেন।

এখন আশা যাক এটি কিভাবে বাবহার করবেন । কিছু লেখার সময় আপনি বক্স এর কোনই ছোট্ট করে "অ" লেখাটি দেখতে পাবেন
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100525-3jka-0kb.jpg
তার মনে ILIT টূল টি চালু রয়েছে। 

তাতে ক্লিক করলে
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100525-of6q-0kb.jpg
দেখতে পাবেন, অর্থাত্ তা বন্ধ হয়ে গেল।

কোনো ইংগ্লিশ লেখা : আপনি যদি লেখেন "apni jodi lekhen" তবে এটা নিজে থেকেই "আপনি যদি লেখেন" করে নেবে।
http://www.chobimohol.com/image-AF03_4BFB8AB6.jpg

তবে লেখার সাথে সাথে টা বাংলাতে কনভার্ট হবে না, আপনি লিখে স্পেস চাপ দেবার পর বাংলা হবে   
http://www.chobimohol.com/image-4B23_4BFB8AB6.jpg

তারপর যদি কোনও ভুল করেন, লেখার উপর ক্লিক করুন : যেমন মনে করুন "ব্যবহার" লিখতে বারবার "বাবহার" হয়ে যাচ্ছে। "বাবহার" লেখার উপর ক্লিক করলে বাবহার অন্য শব্দ দেবার অপ্শন পাবেন, কিন্তু তাতেও যদি আপনার শব্দটি না থাকে তবে এডিট অপ্শন এ যানhttp://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100525-sxju-4kb.jpg
। এরকম দেখতে পাবেন
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100525-cfax-12kb.jpg

এখন মাউস দিয়ে খুব সহজেই আপনার কাঙ্খিত শব্দটি লিখতে পারবেন। 

আসুন আরেকবার ধন্যবাদ দেই, সাইফ দি বস কে