শুভ জন্মদিন উপল!  (y)

জার্মানি বড় আসরে সবসময় ভাল খেলে, বালাক থাকা বা না থাকার সাথে এর সম্পর্ক নেই।

আরে সালেহ ভাই আসলেই বস পাবলিক, আমার পুরা হোস্টিং এর কাজ তিনি ই করে দিয়েছেন। আর অবসর ডট কম খুবই ভালো সেবা দিচ্ছে ।  :ইয়াহু:

রিগ্যান wrote:

শিক্ষাবিস্তার এবং দুঃখী মানুষের সেবার উদ্দেশ্যে প্রথমবারের মত রুয়েটে একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের জন্ম হতে যাচ্ছে । আমদের প্রাথমিক লক্ষ্যসমূহ-
১। নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে অবস্থিত প্রাথমিক,মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য উৎসাহমূলক ক্লাসের ব্যাবস্থা করা।
২। অমনযোগী এবং বখাটে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কাউন্সিলিং-এর ব্যবস্থা করা।
৩। ছিন্নমূল শিশুদের পড়াশুনার সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা এবং পড়াশুনায় উৎসাহিত করা।
আমি সন্মানিত ব্লগারদের কাছ থেকে দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ আশা করছি এবং
আপনাদের মধ্যে যাঁরা রাজশাহীতে থাকেন এবং আমাদের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক তাঁদেরকে নিম্নোক্ত ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা গেল।

[email protected]

প্রথমে সবার উদ্দেশ্যই ভালো থাকে, পরে খারাপ তাতে infiltrate করে। তবে আমার অন্তরের অন্তর স্থল থেকে শুভ কামনা।

http://www.chobimohol.com/image-BD0D_4C077591.jpg


পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারে এশিয়ার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। আর শীর্ষ দশের মধ্যে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, চীন এবং ভারত। গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইডিসি এ তথ্য জানিয়েছে। আইডিসির গবেষণায় দেখা গেছে, এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ৯০ কোটি সফটওয়্যার ব্যবহার করা হলেও এর ৫৯ শতাংশই লাইসেন্সবিহীন।
একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে বিজনেস সফটওয়্যার অ্যালায়েন্স বা বিএসএ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে। সংগঠনটির গবেষণায় দেখা গেছে, সফটওয়্যার পাইরেসির কারণে গত বছর সারা বিশ্বে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে পাঁচ হাজার ১৪০ কোটি ডলার। আর শুধু এশিয়ার দেশগুলোতে পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারের কারণে ক্ষতি হয়েছে এক হাজার ৬৫০ কোটি ডলার। এ অঞ্চলের দেশগুলোর বাজারে কোনো সফটওয়্যার এলেই তার পাইরেটেড সফটওয়্যার ছড়িয়ে পড়ে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে। আর এ পাইরেসি ঠেকানো না গেলে ছোট বা মাঝারি উদ্যোক্তারা এ ব্যবসায়ে টিকতে পারবেন না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: এএফপি, কালের কণ্ঠ

আমাদের ৪৯ তম বর্ষের ইমরান তার মমতাময়ী মা কে হারাল, আমরা তার ব্যথাই ব্যথিত। আল্লাহ তার মা কে জান্নাত্বাসী করুন। আমিন।

http://www.chobimohol.com/image-6C02_4C077086.jpg   

ইদানিং হোষ্টেলে পানি আনতে যেয়ে বোতল টিউব ওয়েল এর কাছে রেখে গেলে সে বোতল গুলো আর খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ নিয়ে যারা বোতল হারাচ্ছেন তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে, এবং তারা নতুন কেনা বোতল গুলো না পেয়ে বোতল চোরের প্রতি বেশ ক্ষিপ্ত। ৪৯ টিএম ব্যাচ এর আল মারুফ এর কাছ থেকে জানা যাই, সে নাকি ইতিমধ্যে তার ৩ টি নতুন বোতল হারিয়েছে, মেডিকেল স্টুডেন্ট দের কাছ থেকে এরকম আচরণ কারোর ই কাম্য নয়। নীচের ছবি টি দেখুন।

http://www.chobimohol.com/image-3907_4C076F3A.jpg


বিষয় টি বেশ রহস্য জনক, এ নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা দরকার।

প্রচেষ্টা wrote:

আল্লাহ সুবহানুতা’আলা আমাদের সবাইকে কোরআন অর্থসহ বুঝে পাঠ করার তৌফিক দান করুন আর সে মতে জীবন গড়ার তোফিক দান করুন। আমিন

আমিন! আমিন

"এডমিনের কাজ এডমিন করেছে,
প্রোফাইল এ ছবি লাগিয়েছে তাই,
তাই বলে ফোরামে পরিচয় গোপন রাখা কী
জিয়া ভাই এর শোভা পায়"     big grin

কাজ করছে ধন্যবাদ  :ইয়াহু:

যাযাবর wrote:
sawontheboss4 wrote:

link তো কাজ করছে না!

শাওন এখন দেখুন। লিংক কাজ করছে।

এখন ও কাজ করছে না।  shame on you

http://www.chobimohol.com/image-B826_4C068B77.jpg


সঙ্গীত তারকাদের অন্ত:সত্বা হওয়ার একের পর এক খবর পাওয়া যাচ্ছে সর্বশেষ তাতে যোগ দিলেন ক্যানাডার সঙ্গীত তারকা সেলিন ডিওন।যদিও সেলিন ডিওন এবং তার স্বামী রেনে অ্যাঙ্গেলির নয় বছরের এক ছেলে রয়েছে। তাতে কী? মা হওয়ার বাসনা যায়নি ৪২ বছর বয়স্ক এই সঙ্গীত তারকার।গত বছর একবার কৃত্রিমভাবে গর্ভধারণের চেষ্টা করেছিলেন ডিওন? কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে সে সময় তা ব্যর্থ হয়। এরপরও হাল ছাড়েননি ডিওন। অবশেষে, কৃত্রিমভাবে গর্ভধারণও করেন তিনি। তাঁর স্বামী এবং ম্যানেজার অ্যাঙ্গেলি এই খুশির খবর জানিয়ে বলেছেন, আমরা খুবই আনন্দিত। সেলিন আশা করছেন ভালোভাবেই সবকিছু হবে।সে আশা করছিলেন একটি শিশুর, কিন্তু আমরা জানতে পেরেছি সেলিন যমজ বাচ্চার মা হতে চলেছেন।তবে অনাগত সন্তান দুজন ছেলে নাকি মেয়ে- তা আর কয়েকদিন পরেই জানা যাবে বলে জানিয়েছেন অ্যাঙ্গেলি। জানা গেছে, সেলিন ডিওন এই মুহুর্তে ১৪ সপ্তাহের অন্ত:সত্বা। পাঁচ বার গ্র্যামি বিজয়ী তারকা সেলিন ডিওনের মা হওআর এই অদম্য বাসনা পশ্চিমা সমাজ সম্পর্কে বর্তমান ধারণা হয়তো কিছুটা হলেও পাল্টে দেবে।

সূত্র: এখানে

চেষ্টা করছি, ইনশাল্লাহ সাজিয়ে ফেলবো।

১০৬৪

(২ replies, posted in তথ্য বটিকা)

মাথায় কত প্রশ্ন আসেঅ্যানিমিয়া কী? বাংলায় রোগটির নাম রক্তশূন্যতা। যদিও এ রোগে শরীর থেকে রক্ত নিঃশেষ হয়ে যায় না। অ্যানিমিয়ায় রক্তের লোহিত কণিকার সংখ্যা বা গুণগত মান কমে যায়। লোহিত কণিকায় থাকে হিমোগ্লোবিন, যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন পুরো শরীরের কোষে কোষে পেঁৗছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে। তাই সহজ করে বললে, রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা কমে গেলে, হিমোগ্লোবিনের লেভেল স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলে তাকে অ্যানিমিয়া বলে।
অ্যানিমিয়া হলে কী হয়? আক্রান্ত ব্যক্তির হার্টকে বেশি করে কাজ করতে হয়। কারণ বেঁচে থাকতে হলে শরীরকে অক্সিজেন পেতে হবে। যেহেতু হিমোগ্লোবিন কমে যায়, তাই হার্ট বারবার রক্ত পাম্প করে অক্সিজেনের ঘাটতি পুষিয়ে নিতে চেষ্টা করে। কিন্তু সব সময় তা সম্ভব হয় না। যেমন_পরিশ্রমের সময়। তখন এত বেশি অক্সিজেন প্রয়োজন হয় যে অ্যানিমিয়া আক্রান্ত ব্যক্তির হার্টের পক্ষে তত বেশি রক্ত পাম্প করা সম্ভব হয় না। সে কারণে অল্প পরিশ্রমেই অ্যানিমিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁপিয়ে ওঠে।
কয়েকটি কারণে অ্যানিমিয়া হতে পারে। হিমোগ্লোবিনের বেশির ভাগ অংশই আয়রন। তাই আয়রনযুক্ত খাবার কম খেলে, আয়রন শরীরে কম শোষিত হলে, বংশগত কিছু রোগ (থ্যালাসেমিয়া বা সিকল সেল ) থাকলে, আর্থ্রাইটিস-যক্ষ্মা থাকলে, হরমোনজনিত সমস্যা (হাইপোথাইরয়ডিজম) থাকলে, আঘাত বা অসুখজনিত রক্তক্ষরণ হলে, বোনম্যারো বা অস্থিমজ্জার অসুখ থাকলে, রক্তে ইনফেকশন হলে এবং প্রেগন্যান্ট হলে সাধারণত অ্যানিমিয়া হয়।
ডাক্তার ছাড়াও লক্ষণ দেখে রোগটি অনেক ক্ষেত্রেই নির্ণয় করা যায়। যেমন : ত্বক ফ্যাকাসে হওয়া, দুর্বল লাগা, সহজেই হাঁপিয়ে ওঠা, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হয়ে আসা, ঘনঘন মাথাব্যথা হওয়া, হার্টে পালপিটিশন বা বুক ধড়ফড় করা, খেতে অরুচি হওয়া ইত্যাদি।

ডা. কাজী আব্দুল্লাহ আরমান
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-9799_4C0679B9.jpg

বিশ্বকাপের বল ভয়ংকর, বীভৎস! এ বল বিচ ফুটবলের জন্য বেশি উপযোগী। বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসরে এ বল ব্যবহার লজ্জাজনক। বিশ্বকাপের আগেই বল নিয়ে এসব সমালোচনার প্রতিক্রিয়ায় গত সোমবার বিস্ময় প্রকাশ করেছে বলটির সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। প্রথমবারের মতো নিখুঁত গোলাকার বল দিয়ে খেলা হবে বিশ্বকাপে। আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা স্থানীয় ভাষায় এর নাম দিয়েছে 'জাবুলানি'। বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফাকে এ বল জোগান দিয়েছে অ্যাডিডাস। কিন্তু বিশ্বকাপের একেবারে দ্বারপ্রান্তে এসে বল নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। এ বল বিশ্বকাপ আসরের জন্য অযোগ্য বলে অভিযোগ করছেন গোলরক্ষক থেকে শুরু করে স্ট্রাইকার, ডিফেন্ডার, মিডফিল্ডার সবাই।
সমালোচকেরাও আবার ছোটখাটো কোনো দলের নয়। ব্রাজিলের গোলরক্ষক জুলিয়াস সিজার, স্ট্রাইকার লুইস ফ্যাবিয়ানো, ইতালির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি বুফন, স্ট্রাইকার জিয়ামপাওলো পািজনি, স্পেনের গোলরক্ষক ইকার ক্যাসিয়াস, স্পেনের তারকা মিডফিল্ডার জাভি- সবার অভিযোগ বলের মান নিয়ে। তারকারা কেন হঠাৎ এতটা সমালোচনা করছেন, বুঝে উঠতে পারছে না বলটির সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। অ্যাডিডাসের দাবি, এ বল যথেষ্ট পুরোনো। কয়েক মাস ধরে এ বল দিয়ে খেলছেন ফুটবলারেরা।
গত বছরের ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন লিগে এ বল ব্যবহৃত হয়েছে। বল নিয়ে সবার প্রতিক্রিয়াও ইতিবাচক ছিল। তার পরও বিশ্বকাপের ঠিক আগ মুহূর্তে বল নিয়ে বিতর্ক ওঠায় অ্যাডিডাসের মুখপাত্র বিস্মিয় প্রকাশ করে ফক্স স্পোর্টসকে বলেন, 'বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সবগুলো দেশকে কয়েক মাস আগে আমরা এ বল সরবরাহ করেছি। এত দিন বলের সঙ্গে সবার অভ্যস্ত হয়ে ওঠার কথা। কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হলো, কেউ ভালো কিছু বলছেন না। কেবল সমালোচনা শুনতে হচ্ছে আমাদের। এ ঘটনায় আমরা পুরোপুরি বিস্মিত।

সূত্র: এখানে

আমাদের মেডিকেল এ অন্তত খেলাধুলা নিয়ে মারামারির ঘটনা আজ পর্যন্ত ঘটেনি। আমরা আসলেই ভালো একটি মেডিকেল কলেজ এ পড়ছি।

[box]মো. নজরুল ইসলাম : ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের  বাঘমারাস্থ হোস্টেলে ৪২ এবং ৪৫তম ব্যাচের ছাত্রদের মধ্যে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার রাতে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে মেডিকেলের ৭ জন ছাত্র আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত ৩য় বর্ষের ছাত্র মানুনকে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব  মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হাসপপাতালে ভর্তি অন্য আহত ছাত্ররা হচ্ছেন- সবুজ ৩য় বর্ষ, জিয়াউর রহমান ৩য় বর্ষ, সজিব ৩য় বর্ষ এবং ৫ম বর্ষের আরাফাত, ইশতিয়াজুর রহমান ও মোফাজ্জল হোসেন। এ নিয়ে মেডিকেল কলেজ ও হোস্টেলে উভয় গ্র“পের মাঝে তীব্র উত্তেজনা  বিরাজ করছে। কলেজ এবং হোস্টেলে পুুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর  ডাঃ এম. আমিনুল হক জানান, আজ সকালে কলেজের একডেমিক কাউন্সিলের এক জরুরী সভায় হোস্টেলে সংঘর্ষের ঘটনায় প্রফেসর ডাঃ আকরাম হোসেনকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।  আগামী তিনদিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি রিপোর্ট পেশ করবে বলেও তিনি জানান। সে রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।[/box]

সূত্র : এখানে

খুব  ই সুন্দর কবিতা! শেয়ার করার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।  :কোলাকুলি:  একটি রেপু।

http://www.chobimohol.com/image-F3CA_4C056D1C.jpg


ঢাকা, জুন ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) - সকাল থেকে শুরু এক ঘটনার নাটকীয় পরিণতিতে মঙ্গলবার রাতে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার প্রকাশনা (ডিকারেশন) বাতিল করেছে সরকার।
পত্রিকাটির একজন সাংবাদিক জানান, রাত সাড়ে ১১ টার দিকে তেজগাঁওয়ের লাভরোডে অবস্থিত তাদের মুদ্রণ কার্যালয়টি পুলিশ বন্ধ করে দিয়েছে।
এর আগে রাত ১০টায় এ সংক্রান্ত আদেশে জেলা প্রশাসক স্বার করেন বলে তার কার্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান।
জেলা প্রশাসক মহিবুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "হাশমত আলীর অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদপে নেওয়া হয়েছে।"
রাতেই কারওয়ান বাজারে পত্রিকার কার্যালয় ও তেজগাঁও এলাকার ছাপাখানায় পুলিশ যায়।
গত মাসে বেসরকারি টেলিভিশন কেন্দ্র চ্যানেল ওয়ান বন্ধ করে দেওয়া হয়।
আমার দেশ পত্রিকার উপ-সম্পাদক ও প্রধান প্রতিবেদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ রাত পৌনে ১২টায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "পত্রিকার বুধবারের সংখ্যা এক ঘণ্টা আগেই ছাপা শুরু হয়েছিল। পুলিশ ছাপা হওয়া পত্রিকার কপি সরবরাহ করতে দেয়নি। তারা বলেছে মুদ্রণ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।"
পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কারওয়ান বাজারে তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন, প্রকাশনা বন্ধের আদেশের কাগজপত্র না দেখিয়েই পুলিশ মুদ্রণ কার্যালয় বন্ধ করে দিয়েছে।
২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরে জোট সরকারের আমলে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়।
এর আগে একদল পুলিশ রাত সাড়ে ১১টার দিকে পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করতে তার কার্যালয়ে ঢোকে।
এরও আগে তার বিরুদ্ধে পত্রিকাটির প্রকাশক হাশমত আলী হাসু একটি 'প্রতারণা' মামলা করেন।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছেন ওসি ওমর ফারুক।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মামলায় প্রতারণার মাধ্যমে আর্থিক তি সাধনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে সকালে হাসুকে তার শাহজাহানপুরের বাড়ি থেকে সরকারি সংস্থার সদস্যরা তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তার পরিবারের লোকজন।
বিকালে হাসুকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এর আগেই মাহমুদুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তার বিরুদ্ধে মামলার আশঙ্কা করছেন তিনি।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এলএইচ/এসএম/এমএসবি/জিএনএ/২৩৪০ ঘ.
সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-265A_4C0515B8.jpg
মুভি রিভিউ : দি স্পাই নেক্সট ডোর (২০১০)
IMDB রেটিং: ৫.২
ব্যক্তিগত রেটিং: ৮
গতকাল দেখলাম জ্যাকী চ্যান অভিনীত এ বছরের মুভি দি স্পাই নেক্সট ডোর। জ্যাকী চ্যান মানেই অসম্ভব সব মারামারির দৃশ্য আর দম ফাটানো হাসি।

কাহিনী সংক্ষেপ: ছবিতে "বব হোর" চরিত্রে অভিনীত চ্যান এবং তার প্রতিবেশী এক মা এবং তার ৩ সন্তান কে নিয়ে মূল ঘটনার সূত্রপাত। হাবাগোবা দেখতে জ্যাকী চ্যান যে একজন স্পাই তা স্বামীহারা মা(Amber Valletta) তা জানেনা, তবে মন থেকে সে বব কে পছন্দ করে এবং বিয়ে করতে চায়। কিন্তু অন্যদিকে পিচ্চি ৩ টার কোনভাবেই বব কে পছন্দ নয়। রাশিয়ান এক চোরাচালানকারীর দল কে ধরে শেষ মিশন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চায় বব। এদিকে বাবার অসুখে পিচ্চি ৩ টা কে ববের কাছে রেখে, সে বাবার সঙ্গে দেখা করতে যাই। মজার শুরুটা এখানেই। ৩ পিচ্চি কে সামাল দিতে হিমসিম খেতে হয় বব কে। তারপরও চলতে থাকে বাচ্চাদের মন যোগানোর চেষ্টা। রাশিয়ান স্মাগলার কে ধরেও, পালিয়ে যায় পথ মধ্যে। সে বব কে খুজে বের করার সিদ্ধান্ত নেয় বব কে, এবং তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। অন্যদিকে তাদের মা ও এর মধ্যে জেনে ফেলে বব একজন স্পাই, এবং তার সন্তানেরা রয়েছে জীবনের ঝুকির মধ্যে! শুরু হয় ক্লাইম্যাক্স! প্রেমের সম্পর্ক মুহূর্তে চুরমার।  বব কী পারবে শত্রুদের থেকে বাচ্চাদের বাচাতে, প্রেমিকার মন জিততে? জানতে হলে দেখুন।

একটু বাচ্চা টাইপ এর অ্যাক্শন আর হাসির এই ছবিটির পরিচালক : ব্রায়ান লেভাণ্ট
গল্পকার: Jonathan Bernstein & James Greer and Gregory Poirier

ডাউনলোড লিংক: এখানে

পাসওয়ার্ড :  dnh

—এক গ্লাস উষ্ণ গরম পানির মধ্যে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো আর অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে নিয়মিত খান। এতে অ্যাসিডিটি দূর হয়ে যাবে।
—প্রতিদিন সালাদের মধ্যে মুলা খান। মুলার ওপর বিট নুন বা গোলমরিচ গুঁড়ো ছড়িয়ে খান।
—জায়ফলের সঙ্গে সৌঠচূর্ণ মিশিয়ে খান। এতে অ্যাসিডিটি দূর হয়ে যাবে।
—আদা অথবা পটোল গরম পানির মধ্যে ফুটিয়ে সেই পানি পান করুন।
—পিপলের চূর্ণ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খান। অ্যাসিডিটি একেবারেই দূর হয়ে যাবে।
—যখনই দুধ পান করবেন সব সময় ঠাণ্ডা দুধ পান করুন।
—মৌরী, আমলকী এবং গোলাপফুল সমপরিমাণে মিশিয়ে চূর্ণ তৈরি করুন। সকাল-বিকাল অর্ধেক চামচ খান। এতে অ্যাসিডিটি কমে যাবে।

সূত্র : এখানে

http://rookery9.aviary.com.s3.amazonaws.com/4116500/4116822_5b1a_625x625.jpg

বর্তমানে পৃথিবীতে প্রতি ১২ জনে ১ জন হেপাটাইটিস ‘বি’ বা ‘সি’ ভাইরাসে আক্রান্ত। বাংলাদেশও এ হিসাবের বাইরে নয়। আমাদের পরিচালিত গবেষণায় দেখতে পেয়েছি, এদেশে এক কোটিরও বেশি লোক এ দুটি ভাইরাসে আক্রান্ত। এসব ব্যক্তি সময়ের ব্যবধানে লিভারের নানা ধরনের জটিলতায় ভুগে থাকেন। পাশাপাশি মানুষের জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের ফলে ফ্যাটি লিভারের মতো রোগও পাশ্চাত্যের মতোই এখন আমাদের ঘরে ঘরে। লিভারের বিভিন্ন রোগ নিরূপণের জন্য আমাদের দেশেই নানা আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে লিভার রোগের চিকিত্সার জন্য লিভার বায়োপসির প্রয়োজন পড়ে। পরীক্ষাটি খুব বেশি জটিল না হলেও, বায়োপসি করার জন্য রোগীকে হাসপাতালে একদিন ভর্তি থাকতে হয়।
উন্নত বিশ্বের অগ্রগতির ধারায় বর্তমানে বাংলাদেশেও লিভার ও অন্যান্য রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য লেটেস্ট সব টেকনোলজি ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ধারারই সর্বশেষ সংযোজন ‘ফাইব্রোস্ক্যান’। বিশ্ববাজারে এ প্রযুক্তির আবির্ভাব মাত্র কয়েক বছর আগে, আর এখন এটি রয়েছে আমাদের হাতের মুঠোয়—আমাদের রোগীদের সাধ্যের মধ্যেই।
লিভার সিরোসিসের কথা আমরা সবাই কমবেশি জানি। আমাদের জানা আছে, এর নানা কমপ্লিকেশনের কথাও। উন্নত প্রযুক্তির আবির্ভাব, লিভার চিকিত্সার প্রসার এবং পাশাপাশি হেপাটাইটিস ‘বি’, ‘সি’ ও ফ্যাটি লিভারের মতো রোগগুলো বিস্তার লাভ করায় বাংলাদেশে লিভার সিরোসিস রোগ এখন ধরা পড়ছে আগের তুলনায় অনেক বেশি। লিভারে সিরোসিস হতে, কারণ বুঝে সাধারণত বেশ কিছুদিন সময় লাগে। এতদিন পর্যন্ত একমাত্র বায়োপসি করলেই লিভার সিরোসিস হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যেত। বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায়ের লিভার সিরোসিসের ক্ষেত্রে একথাটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য।
‘ফাইব্রোস্ক্যান’র কল্যাণে উন্নত বিশ্বের মতো এদেশেও আমরা এখন বায়োপসি না করেই বায়োপসির চেয়ে কম খরচে এবং রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি না করে, মাত্র কয়েক মিনিটে লিভারে সিরোসিস আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে পারি। লিভারে হেপাটাইটিস ‘বি’, ‘সি’, ফ্যাটি লিভার বা অন্য যে কোনো কারণে ক্রনিক হেপাটাইটিস হলে লিভার টিস্যু ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে যায়। একে আমরা বলি ফাইব্রোসিস। এই ‘ফাইব্রোসিস’ ধীরে ধীরে একসময় ‘সিরোসিসে’ রূপ নিতে পারে। ফ্রান্সের ঊপযড়ংবহ কোম্পানির উদ্ভাবিত ‘ফাইব্রোস্ক্যান’ যন্ত্রটির সাহায্যে লিভারে ফাইব্রোসিসের বিভিন্ন ধাপ নিরূপণ করা যায়। ফলে আমরা খুব সহজেই বলে দিতে পারি কারও সিরোসিস আছে কিনা কিংবা সিরোসিস না হয়ে থাকলে তা হওয়ার আশঙ্কা ঠিক কতখানি। লিভারের অবস্থা জানার জন্য যে কোনো সুস্থ ব্যক্তিও রুটিন পরীক্ষা হিসেবে ফাইব্রোস্ক্যান করাতে পারেন।
‘ফাইব্রোস্ক্যান’র কয়েকটি বিশেষত্ব হলো—এটি সহজে ও তাড়াতাড়ি করা যায়, কোনো আগাম প্রিপারেশনের দরকার হয় না, হাসপাতালে ভর্তিও থাকতে হয় না, ৫ থেকে ৮ মিনিটেই পরীক্ষাটি করা যায়। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, প্রয়োজনে বার বার করা যায়। লিভারের ফলোআপের জন্যও এটা খুব কার্যকর। বিশেষ করে যারা বায়োপসি করাতে ভয় পান তাদের জন্য উপযোগী এবং লিভারের রুটিন পরীক্ষা হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
উন্নত বিশ্বের পাশাপাশি ‘ফাইব্রোস্ক্যান’র মতো আধুনিক পরীক্ষার সুযোগ আজ আমাদের দেশেও আছে। আজকের মানুষ অনেক বেশি স্বাস্থ্যসচেতন—আর স্বাস্থ্য সচেতন সবার জন্যই ফাইব্রোস্ক্যান, যা লিভার বিষয়ে আমাদের সর্বশেষ জ্ঞান।

ডা. মামুন-আল-মাহতাব (স্বপ্নীল)
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, লিভার বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

সূত্র : এখানে

ডাঃ ফারুক কে ধন্যবাদ, আমাদের ফোরামে এসে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য। আসলেই আর কবে যে ফিষ্ট হবে, আল্লাহ মালুম!   nerd 
আপনি http://www.rmcforum.com/viewforum.php?id=2 আপনার পরিচয় পর্ব টা সেরে আসতে পারেন।

5130 মাত্র 6950  :অবাক: এত কমে গেছে?

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের ওই ডোস সাহাবীর মত জীবন গড়ার তৌফিক দিক। আমিন। আর আপনার পোস্ট প্রোটিন চাই, অন্তত কিছুটা পাপ থেকে তো বাচবো।  (y)

worried    worried   একদিন রাষ্ট্রপতি আসবে এ জন্য দিনের পর দিন কষ্ট করে বড় হওয়া গাছ এক ঘন্টায় শেষ। ক্যাপ্টেন রে পাইলে,  feeling beat up   feeling beat up   ক্যাপ্টেন এর শাস্তি হইল, যতগুলো কাটছে তার ডবল লাগিয়ে প্রতিদিন পানি দিবে সন্ধাবেলা যতদিন না গাছগুলো আগের মত বড় হয়। পাইছে কী?  chatterbox