Topic: জুনের মধ্যে ভিওআইপি উন্মুক্ত করে দেবে সরকার

জুন মাসের মধ্যে ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল (ভিওআইপি) উন্মুক্ত করে দেবে সরকার। এ জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে বলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে আরো শক্তিশালী করতে এবং ব্রডকাস্টিং খরচ কমাতে আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে মহাশূন্যে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য সঙ্ঘ দিবস-২০১০ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, আইনি প্রক্রিয়ার কারণে ভিওআইপি উন্মুক্ত করার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে। জুন মাসের মধ্যে নতুন আইন করে ভিওআইপি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ফোন কল আদান-প্রদান উন্মুক্ত করা হবে।
এতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব সুনীল কান্তি বোস বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের কর কাঠামো সংস্কার করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে চায় সরকার। এ ক্ষেত্রে সিম ট্যাক্সসহ অন্যান্য কর হ্রাসের পরিকল্পনা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) জিয়া আহমেদ, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম খবিরুজ্জামান, টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ সাবমেরিন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু জানান, বর্তমানে একটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের খরচ ৩০০ থেকে ৪০০ বিলিয়ন ডলার। আমারা এত খরচ বহন করতে পারব না। এ জন্য পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের আওতায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কাজ করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। বিদেশী কিছু কোম্পানি আমাদের টাকা দিতে চেয়েছে। ইতোমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কোম্পানি আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছে। এ ব্যাপারে বিটিআরসি আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) সাথে যোগাযোগ করছে।তিনি জানান, নিজস্ব স্যাটেলাইট ব্যবস্থা থাকলে ব্রডকাস্টিং খরচ চার গুণ কমবে। এ ছাড়া মিয়ানমারের সাথে এসএমই থ্রি সাবমেরিন সংযোগ এবং চেন্নাই থেকে টেরিস্ট্রিয়াল লিঙ্ক নেয়ার চেষ্টা চলছে।সুনীল কান্তি বোস বলেন, কমিশন হিসেবে বিটিআরসি’র ক্ষমতা খর্ব করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। লাইসেন্স প্রদান বা জরিমানার সব সিদ্ধান্ত বিটিআরসি নেবে। শুধু মন্ত্রণালয় থেকে বিটিআরসি’র অনুমোদন নিতে হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে বিটিআরসি যে প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তা সঠিক নয় বলেই, ট্যারিফ স্ট্রাকচার, লাইসেন্সে গাইড লাইন প্রণয়ন, জরিমানাসহ অন্যান্য বিষয়ে সরকারের অনুমোদন লাগবে।

সূত্র : খবর