আর লাইক করবে, ধৈর্য ধরতে হবে

Warid এর নেট এর কোনও ভাল অফার আছে?

http://www.chobimohol.com/image-0935_4C53CAC5.jpg

প্রতি বছর ৫ লাখ লোক কিডনি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে

সরকারিভাবে কিডনি ইনস্টিটিউটের বাইরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হতদরিদ্র এক তরুণের প্রথম কিডনি সংযোজন করা হয়। তার সহোদর ভাই বিবিএ’র ছাত্র কিডনি দান করেছে। দুই ভাই সুস্থ রয়েছে। গত সোমবার উক্ত হাসপাতালে কোরআনে হাফেজ জুবায়ের হোসেনের (২৩) দেহে ছোট ভাই সোহেল আবেদীনের কিডনি সংযোজন করা হয়। এদেশে কিডনি চিকিৎসা ব্যবস্থা চরম অবহেলিত। এই ধরনের অত্যাবশ্যকীয় চিকিৎসা উন্নয়ন নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদফতর কোন ধরনের উদ্যোগ নেয়নি। কর্মকর্তা দলীয় বিবেচনায় শীর্ষ পদে যোগদান করে শুধু আখের গোছানো নিয়ে ব্যস্ত। মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরে কর্মকর্তাদের সদিচ্ছা না থাকায় এবং তারা শুধু কোটি কোটি টাকা আয় করা নিয়ে বেশিরভাগ সময় ব্যস্ত থাকায় স্বাধীনতার ৩৯ বছর পরও কিডনি চিকিৎসার মত একটি অতীব জরুরি চিকিৎসা অবহেলিত থাকবে এটা উদ্বেগের বিষয় বলে ১০ জন সিনিয়র অধ্যাপক ও হাসপাতাল পরিচালকগণ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। কিডনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, প্রতিবছর ৫ লাখ লোক কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়। ২৫ লাখ লোকের জন্য একজন কিডনি বিশেষজ্ঞ এবং ৪০ লাখ লোকের জন্য একজন ট্রান্সপ্ল্যানটেশন সার্জন রয়েছে বলে কিডনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান। যে দল ক্ষমতায় আসে চিকিৎসকদের জাতীয় সংগঠন বিএমএ ঐ দলের সমর্থিত নেতা-কর্মীদের নেতৃত্বে থাকে। দলীয় আরেক চিকিৎসক সংগঠন একইভাবে নেতৃত্ব দেয়। ডাক্তারদের এই সকল সংগঠনের নেতারা নিয়োগ বদলি বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য, কেনাকাটা ও নিজেদের আখের গোছানো নিয়ে ব্যস্ত। নেতারা স্বাস্থ্য সার্ভিসের উন্নয়ন নিয়ে তেমন কোন ভূমিকা রাখেননি। যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও জ্যেষ্ঠতার মূল্যায়ন না করে দলীয় বিবেচনাকে গুরুত্ব দেয়ায় কিডনি চিকিৎসা ব্যবস্থার মত অন্যান্য চিকিৎসার করুণ অবস্থা। এজন্য এই নেতাদের ভূমিকাই দায়ী বেশি বলে বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দাবি করেছেন।

মুন্সিগঞ্জ জেলার দরিদ্র পরিবারের সদস্য জুবায়ের ৮ মাস আগে নেফ্রাইটিসে আক্রান্ত হয়, তার দুইটি কিডনিই বিকল হয়ে যায়। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কিডনি বিভাগে ভর্তি করা হয়। ছয় মাস যাবৎ প্রতি সপ্তাহে তিনবার হেমোডায়ালাইসিস করে বিশেষজ্ঞরা তাকে বাঁচিয়ে রাখেন। ছয় মাসে হেমোডায়ালাইসিস করতে সরকারি নির্ধারিত ফী ১৮ হাজার টাকা। দরিদ্র জুবায়েরের পক্ষে এই টাকা দেয়া সম্ভব না হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিনামূল্যে ডায়ালাইসিস করেন। কিডনি সংযোজন না করলে এই তরুণ জুবায়েরকে ডায়ালাইসিস করে কত দিন বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব? এই নিয়ে চিকিৎসকরা চিন্তিত। জুবায়েরকে স্বাভাবিক জীবনে বেঁচে থাকতে হলে কিডনি সংযোজন করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। কিডনি দাতা হিসেবে তার ছোট ভাই সোহেলকে ঠিক করা হয়। ভাইকে বাঁচিয়ে রাখতে অতি আগ্রহী ছোট ভাই চিকিৎসকদের নিকট তার একটি কিডনি দিতে প্রস্তুত। কিডনি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. নিজামউদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে জুবায়েরের দেহে কিডনি সংযোজনের প্রস্তুতি নেয়া হয়।

একই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল আলমের নেতৃত্বে একটি টীম এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজিস্ট ডা. সাজিদ হাসানের নেতৃত্বে অপর একটি টীম। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল অপারেশন থিয়েটারে গত সোমবার সাড়ে ৩ ঘণ্টা ব্যয় করে উক্ত তিনটি টীম জুবায়েরের দেহে সফল কিডনি সংযোজন করেন। বর্তমানে জুবায়ের ও তার ভাই সোহেল সুস্থ বলে কিডনি বিভাগের প্রধান জানিয়েছেন। এই প্রথম ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একজন কিডনি রোগীর দেহে সফল কিডনি সংযোজনে তিনি আনন্দিত বলে জানান।

হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শহিদুল হক মল্লিক বলেন, এই হাসপাতালে নিয়মিত কিডনি সংযোজনের উদ্যোগ নেয়া হবে। সারাদেশের কিডনি রোগীদের একটি বিশাল অংশ এই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসে। আগতদের মধ্যে ৯০ ভাগ হতদরিদ্র বলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান। প্রতিদিন আগত অর্ধশতাধিক কিডনি রোগীকে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। প্রতিদিন কিডনি রোগীদের চাপ বাড়ছে বলে চিকিৎসকরা জানান।

কিডনি ইনস্টিটিউটের বাইরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা রয়েছে। ২০টি হেমোডায়ালাইসিস মেশিনের মধ্যে ৫টি বিকল। ১৫টি দিয়ে রোগীদের ডায়ালাইসিস করা হচ্ছে। চিকিৎসার চাপের কারণে ৫টি মেশিন বিকল হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান। এই হাসপাতালের বাইরে পুরাতন বাকি ৭টি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মধ্যে সলিমুল্লাহ, চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হেমোডায়ালাইসিসসহ কিডনি রোগের চিকিৎসার কিছুটা ব্যবস্থা রয়েছে। বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কিডনি রোগীদের হেমোডায়ালাইসিস বন্ধ রয়েছে। পুরাতন ৮টি মেডিক্যাল কলেজের মধ্যে ৭টিতে এবং নতুন ১০ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মধ্যে মাত্র খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কিডনি রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে। নতুন ৯টিতে এই চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। মোট সরকারি ১৮টি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মধ্যে ৮টিতে কিডনি রোগের চিকিৎসা চলছে। তবে চাহিদার তুলনায় এই ব্যবস্থা অতীব নগণ্য বলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান।

শেরে বাংলা নগর কিডনি ইনস্টিটিউটে গত দেড় বছর যাবৎ কিডনি সংযোজন চলছে। এই ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফিরোজ খান বলেন, গত দেড় বছরে ২০টি কিডনি সংযোজন করা হয়। এই ২০ জন রোগী সুস্থ রয়েছে। এই ইনস্টিটিউটে হেমোডায়ালাইসিসসহ কিডনি রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে বলে পরিচালক জানান। সরকারি হাসপাতালের বাইরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কিডনি সংযোজন নিয়মিত হচ্ছে। এই মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আগে সাবেক আইপিজিএমআরএ (সাবেক পিজি হাসপাতাল) ১৯৮২ সালে প্রথম কিডনি সংযোজন করা হয়। এরপর থেকে এই হাসপাতালে কিডনি সংযোজন নিয়মিত হয়ে আসছে। চলতি বছর ২৫টি কিডনি সংযোজন এই মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়েছে। বারডেমে কিডনি সংযোজন হচ্ছে। কিডনি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও খ্যাতিমান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক হারুন অর রশীদ বলেন, এই ফাউন্ডেশনে স্বল্পমূল্যে কিডনি সংযোজন এবং ডায়ালাইসিস করা হচ্ছে। ২০০৬ সাল থেকে কিডনি ফাউন্ডেশনে কিডনি সংযোজন শুরু হয়েছে। প্রতি বছর ৪০টি রোগীর দেহে কিডনি সংযোজন করা হয়। দেশে প্রায় ২ কোটি লোক কিডনি রোগে আক্রান্ত। ভেজাল ও বিষাক্ত খাদ্যসামগ্রী, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনি রোগীর সংখ্যা ব্যাপকহারে বেড়ে চলছে। চাহিদার তুলনায় চিকিৎসা ব্যবস্থা সীমিত বলে উক্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জানান।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেন বলেন, দ্রুত খুলনা স্পেশালাইজড হাসপাতালে কিডনি সংযোজনের ব্যবস্থা শুরু করা হবে। কিডনি ট্রান্সপ্ল্যানটেশন সার্জনদের সংখ্যা সীমিত। জনবলের অভাবে চিকিৎসার সমস্যা হচ্ছে। জনবল তৈরিসহ কিডনি চিকিৎসা ব্যবস্থা দ্রুত সম্প্রসারণ করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে মহাপরিচালক জানান।

০০ আবুল খায়ের
সুত্র : ইত্তেফাক

৯২৯

(০ replies, posted in ভিন্ন জগত)

http://www.chobimohol.com/image-C040_4C53C9F6.jpg

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের কন্যা চেলসি ক্লিনটনের আজ (শনিবার) বিয়ে। বাড়িময় রমরমা অবস্থা। ডেকোরেটরের লোকজন ইতিমধ্যেই হাডসন নদীর পাড়ে বিশাল এক তাঁবু তৈরি করেছেন। প্রায় ৫শ অতিথি যোগ দেবেন বিয়ের অনুষ্ঠানে। আমেরিকান মিডিয়ার মতে বিয়ের অনুষ্ঠানটি হবে গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে জাঁকজমক অনুষ্ঠান। জানা গেছে, বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে। তাই এখনো জানা যাচ্ছে না কারা এই বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন বা বরযাত্রীর সংখ্যাই কত। এমনকি প্রেসিডেন্ট ওবামা ঐ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে আসবেন কিনা তাও নিশ্চিত নয়। খাবারের মেনু সম্পর্কেও নিশ্চিত করে কিছুই জানা যাচ্ছে না। নিউইয়র্কের একটি ছোট শহরের বিলাসবহুল অ্যাস্টর কোর্টস-এ বিয়ের আয়োজনে কনের পোশাকের ডিজাইনারের নামটিও রাখা হয়েছে গোপন।
-ডয়চে ভেলে

http://www.chobimohol.com/image-9B0A_4C53C982.jpg

বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। স্ট্রোক কিন্তু বেশ হচ্ছে, দেশে বিদেশে। তবে দেখা যাচ্ছে উচ্চ রক্তচাপ ও ধূমপানসহ স্ট্রোকের দশটি সরল ঝুঁকি আছে যা মোট ঝুঁকির ৯০%। আবার এসব ঝুঁকি বেশ এড়ানোও সম্ভব, সচেষ্ট হলে। গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে সম্প্রতি। বিশ্ব বিখ্যাত মেডিকেল জার্নাল ল্যানসেটে। গবেষণায় দেখা গেছে সব ধরনের ঝুঁকির মধ্যে প্রধানতম হলো উচ্চ রক্তচাপ। গবেষকরা বলছেন, আমাদের ফলাফল থেকে এমন সিদ্ধান্ত পৌছানো যায় যে, বিশ্বজুড়ে স্ট্রোকের ৯০% ঝুঁকি হলো ১০টি সরল ঝুঁকি উপাদান। রক্তচাপ কমানো, ধূমপান বন্ধ করা, শরীরর্চ্চা শুরু করা, স্বাস্থ্যকর হƒদপিন্ড বজায় রাখার জন্য কার্যক্রম নির্দিষ্ট লক্ষ্যে করা হলে স্ট্রোকের বিশ্বব্যাপী বোঝা অনেক অনেক কমবে। স্ট্রোক হল দু’ধরনের, মগজের রক্তের প্রবাহ বেশি হলে ‘ইসকিমিক স্ট্রোক’ এবং মগজের ভেতরে রুগ্ন ধমনী দীর্ন হয়ে মগজে রক্ত চুয়ে পড়লে ঘটে ‘ব্লিডিং স্ট্রোক’ বা হেমোরেজিক স্ট্রোক।

৩০০ জন লোক যাদের স্ট্রোক হয়েছে এদের ঝুঁকিগুলো ৩০০০ লোক যাদের স্ট্রোক হয়নি তাদের ঝুঁকিগুলোর সঙ্গে লক্ষ্য করা হয়ে ছিলো। ২২টি দেশের লোক এতে অংশ গ্রহণ করেছিলেন।

৯০% স্ট্রোক ঝুঁকি হলো দশটি:

০০ উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি
০০ ধূমপান
০০ তলপেটে মেদ
০০ ডায়াবেটিস
০০ শরীরচর্চা না করা
০০ কুপথ্য
০০ মদ্যপান
০০ রক্তে এপোবি ও এপো ১ এর অনুপাত
০০ হৃদরোগ
০০ মানসিক চাপ/বিষন্নতা

উপরের সবগুলো ঝুঁকির সঙ্গে সহযুক্ত হলো ইসকিমিক স্ট্রোক, এসব ঝুঁকি থাকলে এ ধরনের স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে আবার কেবল উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান ও তলপেটে মেদ ও কুপথ্য রক্তক্ষরণ জনিত স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বাড়ায়। এসব ঝুঁকি উপাদানের ৯টির সঙ্গে হার্ট এটাকও জড়িত।

টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সানিব্রুক শুলিক হার্ট সেন্টারের জ্যাক ভি পিএইডি পাশ্ব সম্পাদকীয়তে লিখেছেন এই গরুত্বপূর্ণ ফলাফলগুলো। সারা বিশ্বের স্ট্রোক প্রতিরোধ কৌশল সহায়তা করবে এবং স্ট্রোকের বিশ্বব্যাপী ভার লঘু করতে সহায়ক হবে।

অধ্যাপক ডা: শুভাগত চৌধুরী
পরিচালক, ল্যাবরেটরী সার্ভিসেস
বারডেম, ঢাকা

সূত্র : ইত্তেফাক

আমাদের দেশে এখন যারা উইনডোজ চালায় খোজ নিলে দেখা যাই তাদের মধ্যে 99.99 % ই পাইরেটেড। পাইরেটেড উইনডোজ বলতে টাকা দিয়ে না কেনা উইনডোজ কে বোঝাচ্ছি।

উইনডোজ ইন্সটল করার পর উইনডোজ কে অ্যাক্টিভেট করার সফট ডাউনলোড করুন

এখান থেকে

CW টি জিপ ফাইল থেকে আনজিপ করে অ্যাপ্লাই দিন।
এ কাজ টি উইনডোজ ইন্সটল করার সাথে সাথে করা উচিত। কেননা কোনো অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল করা থাকলে কাজ টি করে সম্ভব হবে না।
CW ঠিক মত অ্যাক্টিভেট করতে পারলে My Computer এর properties এ দেখতে পাবেন এরকম।
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100818-opal-34kb.jpg
CW দিয়ে অ্যাক্টিভেট করলে উইনডোজ আপডেট এর (KB971033) টি থেকে টিক উঠান থাকে। কিন্তু কেও যদি পণ্ডিতি করে আপডেট করে ফেলে তাহলেই পাইরেটেড উইনডোজ টি ধরা খেয়ে যাবে।   
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100730-9kr7-9kb.jpg
আপডেট টি সম্পর্কে বিস্তারিত:
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100730-heqh-22kb.jpg
কিন্তু তারপরেও উইনডোজ টি ঠিক করা সম্ভব।
কন্ট্রোল প্যানেল থেকে add/ remove প্রোগ্রামস এ ক্লিক করুন।
তারপর view installed updates এ ক্লিক করুন।
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100730-uvfr-293kb.jpg

এখান থেকে খুজে (KB971033) আপডেট টি আনইনষ্টল করুন। ব্যাস কেল্লা ফতে!
আর ভুলেও এই আপডেট টি ইন্সটল করবেন না।

এজন্য উইনডোজ আপডেট এ যেয়ে  important থেকে (KB971033) এর পাশ থেকে টিক উঠিয়ে দিন। এরপর তাতে রাইট মাউস ক্লিক করে hide update সিলেক্ট করুন।
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100730-jnku-33kb.jpg

আমি তো এখনো আসতেই পারলাম না। এর মধ্যে আমার আবার আসছে জ্বর।

http://www.chobimohol.com/image-FF44_4C528EB9.jpg


সম্প্রতি জানা গেছে, ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী মেয়েদের এক-তৃতীয়াংশই ঘুম থেকে উঠেই সব্বার আগেই গিয়ে ফেসবুকে বসে। এমনকি তারা টয়লেটে গিয়েও সময় নষ্ট করে না। এ বছরের মে-জুন মাসে অক্সিজেন মিডিয়া আর লাইটস্পিড রিসার্চ একটি জরিপে এ তথ্য পেয়েছে। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইনের।
জরিপের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, মেয়েদের ২১ শতাংশই ফেসবুক ব্যবহার করে রাতে। ওই ২১ শতাংশের মধ্যে ৪২ শতাংশই মনে করে ফেসবুকে তাদের মাতাল অবস্থার ছবি দেয়া ‘কোনো ব্যাপারই না’। আর ৭৯ শতাংশ মেয়ে তাদের চুমু খাওয়ার ছবি ফেসবুকে পোস্ট করতে যথেষ্টই আগ্রহী। অন্যদিকে, ৬৫ শতাংশ ছেলে ফেসবুকের পরিচয় থেকেই সরাসরি ডেটিংয়ে যেতে আগ্রহী, যেখানে মেয়েদের ক্ষেত্রে পরিমাণটি একটু কম, ৫০ শতাংশ। আবার, মাত্র ৯ শতাংশ মেয়ে ফেসবুক ব্যবহার করে তাদের প্রেমের সম্পর্ক ভেঙেছে, যেখানে ছেলেদের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ২৪ শতাংশ।
সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, তবে জরিপে প্রাইভেসি সেটিং নিয়ে পাওয়া গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের প্রায় ২৫ শতাংশই বলেছে তারা ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করবে না। কিন্তু প্রায় ১৬ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছে দুর্বল প্রাইভেসির কারণে ইতিমধ্যেই তারা ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে। তারা তাদের তথ্যগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলো না।


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/নাবীল/মিন্টু/এইচবি/জুলাই ১১/১০

http://www.chobimohol.com/image-B195_4C528D3C.jpg


সম্প্রতি গবেষকরা ভ্যাকসিন দেয়ার নতুন একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। জানা গেছে, গবেষকরা আশা করছেন, এই পদ্ধতিতে একদিন হয়তো ডাকযোগেই পাঠানো যাবে ভ্যাকসিন। আর সেই ভ্যাকসিন দেয়ার পদ্ধতিতে ব্যান্ডএইডের মতো কোনো মাধ্যম বা প্যাচ-এর মধ্যেই হয়তো মাইক্রোনিডল রাখা হবে। আর এগুলো এতোটাই ছোটো হবে যে, তার ব্যথাটি নাকি অনুভূতই হবে না। খবর ইয়াহু অনলাইনের।

সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, ব্যান্ড-এইডের মতো কোনো মাধ্যমেই দেয়া থাকবে এই মাইক্রোনিডলটি, যা খুব সামান্যই চামড়া ভেদ করবে এবং সঙ্গে সঙ্গেই ছেড়ে দেবে দরকারি ওষুধ বা টিকা। বলা হচ্ছে, এই ক্ষুদ্র নিডলগুলো চামড়ায় কোনো ব্যাথাই সৃষ্টি করবে না।

এ বিষয়ক গবেষণা পরিচালনা করেছেন জর্জিয়া ইনস্টিচিউট অফ টেকনোলজির গবেষক মার্ক প্রাউসনিট্জ আর এ গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে ‘নেচার মেডিসিন’ সাময়িকীতে।

মার্ক প্রাউসনিট্জ-এর বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এই জিনিসটি সূক্ষ্ম শিরিষ কাগজের মতো, ভ্যাকসিন ছাড়া মাইক্রোনিডলের পরীক্ষায় ১০ জনে কেবল ১ জনই তাদের অসুবিধার কথা জানিয়েছেন। তাছাড়া বাকি সবাই জানিয়েছেন, কোনোরকম ব্যাথা দেয় না এই মাইক্রোনিডল।

গবেষকরা  জানিয়েছেন, এই মাইক্রোনিডল দৈর্ঘ্যে এক ইঞ্চির স্রেফ তিনশ’ ভাগের এক ভাগ।

বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/মিন্টু/এইচবি/এইচআর/জুলাই ১৯/১০

নিউ ইয়র্ক, জুলাই ২৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/রয়টার্স)- মধ্যবয়সী ও বৃদ্ধরা যারা নিয়মিত মাছ খান তাদের হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন একটি গবেষণায় একথা বলা হয়েছে।

http://www.chobimohol.com/image-756F_4C528A14.jpg


মাছ যারা কম খান তাদের তুলনায় যারা প্রতিদিন মাছ খান তারাই এ উপকার পাবেন বলে গবেষণায় জানানো হয়েছে।
তবে খাদ্যতালিকায় মাছ থাকার কারণেই এ উপকার পাওয়া যায় কিনা তা এ গবেষণা থেকে নিশ্চিত করে জানা যায়নি।
কিন্তু গবেষকরা বলছেন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড স্যামন, ম্যাকেরেল এবং আলবাকোর টুনা মাছে প্রচুর পরিমাণ থাকে যা হার্টের জন্য উপকারী হতে পারে।
ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, ওমেগা-৩ রক্তের ট্রিগলিকেরিডস নামক চর্বি কমাতে সহায়ক।
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হেলথ- এর গবেষকরা আরো বলেছেন, মাছের তেল রক্ত চাপ কমায় এবং হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যু ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হতে পারে।
প্রাপ্তবয়স্ক ৩ হাজার ৫শ কোরীয়র ওপর নতুন এ গবেষণা পরিচালনায় দেখা গেছে, যারা মাছ কম খেয়েছে তাদের তুলনায় যারা প্রতিদিন মাছ খেয়েছে তাদের ক্ষেত্রে তিন বছরে 'মেটাবোলিক সিনড্রম' (ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং স্ট্রোকাক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ) দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা ৫৭ শতাংশ কম প্রমাণিত হয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/বিসিএস/এলকিউ/১৬২২ ঘ.

http://www.chobimohol.com/image-782C_4C528978.jpg

নিউইয়র্ক, জুলাই ২১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/রয়টার্স)- কম পরিমাণে মাংস খেলে ছিপছিপে থাকা যায় বলে এক গবেষণায় বলা হয়েছে।
ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের গবেষকরা জানান, কম মাংস গ্রহণকারী ও বেশি মাংস গ্রহণকারীরা একই পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করলেও তুলনামূলকভাবে বেশি মাংস গ্রহণকারীদের ওজন পাঁচ বছরে অনেক বেড়ে যায়।
এতে আরো বলা হয়েছে, ওজন বাড়ার সঙ্গে মুরগীর মাংস, প্রক্রিয়াজাতকৃত মাংস ও লাল মাংসের সম্পর্ক বেশি।
আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এ গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, আমাদের গবেষণা ফলাফল থেকে জানা গেছে, মাংস খাওয়ার পরিমাণ কমালে তা ওজন ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ঘটাতে পারে।
ড. অ্যান-ক্লেয়ার ভার্গনাদের নেতৃত্বে একদল গবেষক ইউরোপের ১০টি দেশের এক লাখেরও বেশি পুরুষ ও ২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি নারীর ওপর এ গবেষণা করেন।
পাঁচ বছর ধরে চালানো গবেষণায় দেখা যায়, যে ব্যক্তি যত বেশি মাংস খেয়েছে তার ওজন তত বেড়েছে।
একজন ব্যক্তি দৈনিক ২৫০ গ্রাম (প্রায় এক পাউন্ডের অর্ধেক) অতিরিক্ত মাংস খেলে পাঁচ বছরে তার ওজন ৪.৪ পাউন্ডের বেশি বাড়বে।
একইভাবে কোনো ব্যক্তি দৈনিক ২৫০ গ্রাম কম মাংস খেলে পাঁচ বছরে সে প্রায় ৪ পাউন্ড ওজন কমাতে পারবে।
ডেনিশ, জার্মান, স্পেনিশ এবং সুইডিশরা বেশি মাংস খায় বলে গবেষণায় বলা হয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এফএফ/সিআর/১২৪৮ঘ.

৯৩৭

(০ replies, posted in বিনোদন পাতা)

http://www.chobimohol.com/image-E76B_4C50FFDE.jpg


ছয় বছর আগে তিন্নি যখন ছোট পর্দায় অভিনয় শুরু করলেন, তখন অনেক চলচ্চিত্র নির্মাতা চাইছিলেন, তিন্নি চলচ্চিত্রে অভিনয় করুক। তিন্নি অভিনয় করতে রাজি হননি। কেন?
মিডিয়া সম্পর্কে তিন্নির কোনো ধারণাই ছিল না। চলচ্চিত্র অনেক বড় মাধ্যম। নিজের যোগ্যতার পরীক্ষা দেওয়ারও একটা সুযোগ তো চাই তাঁর। এ কারণেই নিজেকে তৈরি করতে ছোট পর্দায় অভিনয় আর বিজ্ঞাপনচিত্র নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছিলেন। যখন নিজেকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত মনে করলেন, তখনই চলচ্চিত্রে অভিনয় করার সম্মতি দিলেন।
‘চলচ্চিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছাটা ছিল। প্রথম দিকে যখন অফার পেয়েছিলাম, তখন আমার আব্বু এফডিসিতে একজন কর্মকর্তা হিসেবেই চাকরি করছিলেন। আমি চাইছিলাম, নিজেকে তৈরি করে যেতে। আমার মনে হয়, সেই সময়টা এখন এসেছে। তাই হাতে ছবি নিয়েছি।’ বলছিলেন তিন্নি।
চলচ্চিত্রে যাত্রার গল্পটাও জেনে নেওয়া যায় এই ফাঁকে।
এক রেস্টুরেন্টে তিন্নি গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়েছিলেন চলচ্চিত্রের খল অভিনেতা মিশা সওদাগর ও সোহানুর রহমান সোহান। পরিচয় হলো। তারপর সোহান তিন্নিকে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দিলেন। সেটা প্রায় দুই বছর আগের কথা। তার পর থেকেই তিন্নি অভিনয়ের জন্য নিজেকে চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত করেছেন।
ইফতেখার ফাহমির টু বি কন্টিনিউড ও সোহানুর রহমান সোহানের সে আমার মন কেড়েছে ছবি দুটি দিয়ে চলচ্চিত্রে যাত্রা করেছেন তিন্নি। এর আগে অবশ্য মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর মেড ইন বাংলাদেশ ছবিতে দুটি দৃশ্যে অভিনয় করেছিলেন। ‘চলচ্চিত্র কী, তখনো সেটা বুঝতাম না। এবার বুঝতেছি। ভাবতাম, শুধু রূপসজ্জা নিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে নাচানাচি আর হাসি-কান্না করা। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে দেখলাম, অনেক পরিশ্রম, অনেক ধৈর্য এবং অপার আগ্রহ থাকতে হয়। শেখার ও জানার চেষ্টা থাকতে হয়। পরিচালকের নির্দেশনা বুঝতে হয়। এখানে কোনো দিনক্ষণ নির্দিষ্ট নেই। কাজ যতক্ষণ শেষ না হবে, ততক্ষণ কাজ করতে হয়। আসলে বড় পর্দার কাজ যেমন বড়, তেমনি আনন্দটাও অনেক বেশি। বললেন তিনি।
সে আমার মন কেড়েছে ছবির কাজ শুরু হয় সাভারের গলফ ক্লাবে গানের শুটিংয়ের মাধ্যমে। তিন্নি চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন জেনে অনেক নির্মাতাই সেখানে গেলেন। নৃত্য পরিচালক মাসুম বাবুল দুটি দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করেই বললেন, আমি যেমনটা চেয়েছি, ও ঠিক সেভাবেই কাজটা করছে। পরিচালক সোহান বললেন, ‘তিন্নি যদি মনোযোগ দিয়ে কাজটা করে, তবে চলচ্চিত্রের পর্দা হবে ওর স্থায়ী ঠিকানা।’
তিন্নি কী বলেন?
‘প্রথমত আমি স্রোতে নিজেকে ছেড়ে দেব না। চলচ্চিত্রে অভিনয় করব, তবে অবশ্যই এর মধ্যে পছন্দের কিছু ব্যাপার কাজ করবে। যেমন এর মধ্যে একটি ছবিতে কাজ করার প্রস্তাব পেলাম। সব মিলিয়ে মনে হলো, না করাটাই শ্রেয়। কিন্তু আমি জানি যে ছবিটিতে কাজ করলে হাতে টাকা পেতাম। তার পরও কথা হচ্ছে পছন্দের একটা ব্যাপার। আমি জানি, সোহানুর রহমান সোহানের ছবি মানেই একটি ভালো প্রেমের ছবি। দর্শকের ন্যূনতম প্রত্যাশা তিনি তাঁর ছবির মাধ্যমে পূরণ করতে পারবেন। আর ফাহমি আমার অনেক দিনের জানাশোনা। আমি জানি যে ওর কাজের মধ্যে একটা মুনশিয়ানা আছে। সেই বিশ্বাস থেকেই আমি কাজটা করছি। এমনি করে যে ছবিগুলো ভবিষ্যতে আমার কাছে আসবে, সেগুলোর ব্যাপারে অবশ্যই একটু চিন্তাভাবনা করে এগুতে চাই।’
বাংলা চলচ্চিত্রশিল্পে একটা কথা চালু আছে। বিয়ে হলেই নাকি দর্শকদের কাছে নায়িকার কদর কমে যায়। সেখানে তিন্নি কি সফল হবেন?
তিন্নি মনে করেন, এটাও তাঁর জন্য একটা চ্যালেঞ্জ। ‘এই চ্যালেঞ্জে আমি জয়ী হতে চাই। এ জন্য যা যা করতে হয়, সেই কাজটাই করছি। আমি আমার অভিনয় পারদর্শিতা দিয়ে সে বিষয়টি যদি কাটিয়ে উঠতে পারি, সেখানে হবে আমার সার্থকতা। আরেকটি কথা আমি এখানে বলে রাখতে চাই যে আমার ক্যারিয়ারের ইতি টানলে আমি এখান থেকেই টানতে চাই। তার আগে কিছু ভালো কাজ করতে চাই, যে কাজগুলো স্মৃতি হয়ে থাকবে বছরে পর বছর।’
কবে দেখা যাবে তিন্নি অভিনীত চলচ্চিত্র?
এ বছরের শেষ দিকেই সে আমার মন কেড়েছে চলচ্চিত্রটি আলোর মুখ দেখবে। অপরটি সম্ভবত নতুন বছরের শুরুতেই কোনো এক উৎসবমুখর দিনে। তত দিন অপেক্ষার পালা।

সুত্র : প্রথম আলো

[box]বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে এবং ইউএনডিপির অর্থায়নে তৈরি হচ্ছে 'জাতীয় ই-তথ্যকোষ'। অনেকটা উইকিপিডিয়ার আদলে তৈরি স্বল্প পরিসরের এ তথ্যকোষে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইন ও মানবাধিকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অকৃষি উদ্যোগ, পর্যটন ও কর্মসংস্থান সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সনি্নবেশ করা হচ্ছে। গতকাল কালের কণ্ঠকে এ তথ্য জানান একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম খান।
তিনি জানান, ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র (ইউআইএসসি) থেকে জীবন ও জীবিকাসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে এই সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইন ও সালিশকেন্দ্র, অপরাজেয় বাংলাদেশ, ব্র্যাক, ডি-নেট, বিএনডবি্লউএলএ, আইসিডিডিআরবি, সেভ দ্য চিলড্রেন (সুইডেন-ডেনমার্ক), মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, অংকুর আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট, ইংলিশ ইন অ্যাকশনসহ ২৪টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য এই তথ্যভাণ্ডারে সনি্নবেশ করতে ই-তথ্যকোষের সদস্য হয়েছে। জাতীয় তথ্যকোষের সঙ্গে তাদের তৈরি তথ্য কিভাবে লিংক করে দেওয়া যায় সে বিষয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের দুজন করে প্রতিনিধি ইতিমধ্যে প্রশিক্ষণও নিয়েছেন। নজরুল ইসলাম খান বলেন, ই-তথ্যকোষ এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। এ বছরের মধ্যেই এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করার সম্ভাবনা রয়েছে। www.infokosh.bangladesh.gov.bd ঠিকানায় এই তথ্যকোষ পাওয়া যাবে।[/box]
সুত্র : কালের কণ্ঠ

ওয়েবসাইট তে গেলাম, বেশ ভারী সাইট মনে হল, লোড হতে সময় নিলো। যাক এগিয়ে যাক বাংলাদেশ।

http://www.chobimohol.com/image-6BE5_4C4D190C.jpg


আজ পড়লাম হুমায়ুন আহমেদ এর বহুব্রীহি। জটিল লাগল, হুমাতুন আহমেদ এর বই যে সে সময় কেন এত দিন কে দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল তার একটা কারণ খুজে পেলাম, বই টা পড়তে পড়তে অন্য এক জগতে নিজেকে আবিষ্কার করলাম, রাগী বাবা, অলস মামা, দুই মেয়ে, গাধা ডাক্তার আনিস প্রতি চরিত্র কে এত সুন্দর করে উপস্থাপন এর জন্যই বই টি বেশ ভাল মানের।

হুমায়ুন আহমেদ এর বেশির ভাগ গল্পয়েই শেষ টা কখনো সুন্দর ভাবে শেষ হই না, হইত ছোট গল্পের সার্থকতা রাখতেই একটা অজানা চাওয়া থেকে যায়। এ গল্পের সমাপ্তিটা বেশ সম্পূর্ণ। পাঠকের মনে শান্তি আসে পড়ে।

মাঝে মাঝে পড়তে পড়তে হাসতে হাসতে পেটে খিল লেগে যাবার মতন অবস্থা।  নীচে একটু দিলাম :
[spoiler]http://my.jetscreenshot.com/3379/m_20100726-0qqp-83kb.jpg[/spoiler]

বইটির ডাউনলোড লিংক: এখানে

ডাউনলোড করে পড়তে কোন পিডিএফ রিডার এর প্রয়োজন হবে। পিডিএফ রিডার না থাকলে ডাউনলোড করুন
এখানে

উপরে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন "ফেসবুক এ আমরা' নামে নতুন এটি পেজ যুক্ত করা হয়েছে, আপনি ইচ্ছা করলে এখন থেকে ফেসবুক এ আরএমসি ফোরামের ফ্যান হতে পারবেন। তাছাড়া আর কে কে ইতিমধ্যে ফ্যান হয়েছে তাও দেখতে পারবেন। আমাদের এখন পর্যন্ত ফ্যান সংখ্যা 24।

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100727-08fn-125kb.jpg

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110320-avxm-9kb.jpg


প্রতিদিন একটি করে ফ্রী এসএমএস করে পাঠানোর জন্য টক এসএমএস নামে একটি ওয়েবসাইট এর সন্ধান পেলাম। এরকম ওয়েবসাইট পাওয়া এখন বেশ কঠিন হয়ে গেছে। এখানে যান, রেজিস্টার করে এসএমএস পাঠান:

লিংক

জিপি, আর বাংলালিংক এ আমি নিজেই ট্রাই করেছি, কাজ হই, তবে প্রতিদিন একটা পাওয়া যাবে, এটাই দুক্ষ। Warid এ কাজ হচ্ছে না!  ;(

1) Email address টি দিন
2) নাম দিন
3) promotional কোড KH3AW রাখলে দুটো এসএমএস ফ্রী পাঠাতে পাবেন।
4)  I have read and accepted.... টিক দিয়ে রেজিস্টার দিন।
5) আপনার মোবাইল এ একটি কোডে পাঠাবে সেটি দিয়ে অ্যাক্টিভেট করুন।
6) আপনার একটি ছবি আপলোড করুন
7) ফেসবুক এ কানেক্ট করুন।
8) মেসেজ পাঠান প্রতিদিন, যা যাবে আপনার নম্বর থেকে, অথচ নেট থেকে বিনামূল্যে।

কাল ডাটাবেস রেস্টোর করার কারণে কিছু পোস্ট মুছে গেছে, কষ্টে আছি

http://www.chobimohol.com/image-2DC3_4C4E4D19.jpg


আজ পবিত্র শবেবরাত। মহিমান্বিত ভাগ্যরজনী। আল্লাহর রোষ থেকে গুনাহগার বান্দার নিষ্কৃতি লাভের পরম সৌভাগ্যের রাত। এই রাতের গুরুত্ব সমপর্কে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, পরবর্তী বছরের হায়াত-মউত, রিজিক-দৌলত, আমল ইত্যাদি এ রাতেই নির্ধারিত হয়। বিশেষ বরকত হাসিলের উদ্দেশ্যে বিশ্বের মুসলমান সমপ্রদায় তাৎপর্যপূর্ণ এ রাত জেগে ইবাদত-বন্দেগি, জিকির-আসকার, মিলাদ-মাহফিল, নফল নামাজ আদায় ও কোরআন তেলাওয়াতে মশগুল থাকবেন।
শবেবরাত উপলক্ষে কাল বুধবার সরকারি ছুটি থাকবে। তবে দিবসটি উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সংবাদপত্র অফিসগুলো বন্ধ থাকায় আগামীকাল কোনো সংবাদপত্র প্রকাশিত হবে না।
পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে বাণী দিয়েছেন। তাঁরা দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে শবেবরাত উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন। এ ছাড়া ***** চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, *****ে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমদ পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। মহিমান্বিত এই রাতের ফজিলত সমপর্কে বলা হয়েছে, বরকতময় এই রাতে মুমিনদের প্রতি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ বর্ষিত হয়। আল্লাহর দরবারে উপস্থাপন করা হয় মানুষের আমলনামা। নির্ধারিত হয় তাবৎ মানুষের আগামী এক বছরের রিজিক। এ রাতেই তালিকাভুক্ত করা হয় পরবর্তী বছরের মৃত্যুবরণকারী ও জন্মগ্রহণকারীর নাম। কোরআনে বলা হয়েছে, এ রাতে ২০ ধরনের বিশেষ গুনাহগার ছাড়া বাকি সবাইকে ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়।শবেবরাত উপলক্ষে আজ রাতে রাজধানীসহ সারা দেশের প্রতিটি মসজিদে বিশেষ ওয়াজ মাহফিল ও জিকির-আসকার অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আলোচনা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম মসজিদে রাতে ওয়াজ মাহফিল, কোরআন তেলাওয়াত, হামদ, নাত, জিকির, মিলাদ, কিয়াম ও দোয়ার আয়োজন করেছে। এশার নামাজ শেষে বিশিষ্ট ওলামায়েকেরামরা রাতভর বয়ান করবেন। ধর্মপ্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহাজাহান রাত ৯টা ২০ মিনিটে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন। বুধবার ভোর ৪টা ৫৫ মিনিটে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। গুলশানে মসজিদে গাউছুল আজম কমপ্লেক্সে আজ বাদ মাগরিব থেকে রাতব্যাপী ওয়াজ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। আরামবাগের বাবে রহমতেও রাতব্যাপী ওয়াজ মহাফিলের পর বাদ ফজর বিশেষ মোনাজাত করবেন দেওয়ানবাগী।

সংগৃহীত: কালের কণ্ঠ
পেজ লিংক: http://www.rmcforum.com/viewtopic.php?id=453

http://www.chobimohol.com/image-6349_4C4686D3.jpg

১৯৮২ বিশ্বকাপ থেকে অফিশিয়ালি চালু হয় ফিফা গোল্ডেন বলের পুরস্কার। টুর্নামেন্ট সেরা ফুটবলারই পান পুরস্কারটা। এবার সেটা পেয়েছেন ডিয়েগো ফোরলান। বয়সটা ৩১ বছর বলে পরের বিশ্বকাপে খেলা অনিশ্চিত উরুগুয়ে অধিনায়কের। গোল্ডেন বল পাওয়া অনেক ফুটবলারই কিন্তু খেলতে পারেননি পরের বিশ্বকাপ। আবার অনেকে পরের আসরেও ছিলেন দারুণ উজ্জ্বল। গোল্ডেন বল জেতার পর তাঁদের ক্যারিয়ারের গতিপ্রকৃতিটা কেমন হয়, সেসব নিয়েই এ আয়োজন। লিখেছেন রাহেনুর ইসলাম

http://www.chobimohol.com/image-1E48_4C468976.jpg


পাওলো রসি (১৯৮২)
ম্যাচ পাতানো কেলেঙ্কারিতে নিষিদ্ধ ছিলেন দুই বছর। বিশ্বকাপের ঠিক আগ মুহূর্তে ফেরেন ইতালি দলে। এত দিন মাঠের বাইরে থাকা একজনকে নেওয়ায় সমালোচনাও কম হয়নি তখনকার কোচের। অথচ সেই রসি-জাদুতেই সেবার বিশ্বকাপ জিতেছিল ইতালি। সক্রেটিস, জিকো, ফ্যালকাওদের ব্রাজিলের বিপক্ষে দ্বিতীয় রাউন্ডে হ্যাটট্রিকের পর সেমিফাইনালে পোল্যান্ডের সঙ্গে করেন ২ গোল। এরপর ফাইনালেও ১ গোল করায় জেতেন প্রথমবার চালু হওয়া দুটি পুরস্কার_গোল্ডেন বল ও অ্যাডিডাস গোল্ডেন বুট।
বিশ্বকাপে নতুন করে চেনানো রসি সফল ছিলেন টুর্নামেন্ট শেষেও। জুভেন্টাসের হয়ে জেতেন ইতালিয়ান লিগ, কাপ, উয়েফা কাপ উইনার্স কাপ (১৯৮৪), উয়েফা সুপার কাপ (১৯৮৪) ও ইউরোপিয়ান কাপ (১৯৮৫)। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে বয়স ছিল ৩১ বছর। ফর্মটাও ভালো যাচ্ছিল না। তাই বিশ্বকাপের দলে থাকলেও সুযোগ হয়নি কোনো ম্যাচে খেলার। ইতালি সেবার বিদায় নেয় দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে। বিশ্বকাপের পরই জাতীয় দল থেকে অবসর নেন ৪৮ ম্যাচে ২০ গোল করা এ স্ট্রাইকার।

http://www.chobimohol.com/image-D8E1_4C4687F3.jpg


ডিয়েগো ম্যারাডোনা (১৯৮৬)
'৮৬ বিশ্বকাপটা ছিল ম্যারাডোনাময়। এ ফুটবল জাদুকরের কাঁধে ভর করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপার স্বাদ পায় আর্জেন্টিনা। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল জেতেন তিনিই।
চোট ও বয়সের কারণে (তখন ৩০) পরের বিশ্বকাপে অবশ্য '৮৬-র সেই ফর্মে দেখা যায়নি ম্যারাডোনাকে। তার পরও আর্জেন্টিনার ফাইনাল পর্যন্ত পেঁৗছানোর পেছনে বড় অবদান ছিল তাঁরই। ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচটিতে ম্যারাডোনার পাস থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট পাইয়ে দেন ক্যানিজিয়া। কোয়ার্টার ফাইনালের পর সেমিফাইনালেও আর্জেন্টিনা জিতে টাইব্রেকারে। শেষ আটে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করলেও সেমিফাইনালে ইতালির সঙ্গে ঠিকই লক্ষ্যভেদ করেছিলেন ম্যারাডোনা। ফাইনালে রেফারির বিতর্কিত পেনাল্টির সিদ্ধান্তে জার্মানির সঙ্গে হেরে যায় আর্জেন্টিনা।
১৯৯৪ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে দুই ম্যাচ খেলেছিলেন ম্যারাডোনা। গ্রিসের সঙ্গে গোলও করেছিলেন প্রথম ম্যাচটিতে। তবে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ডোপ টেস্টে পজিটিভ প্রমাণিত হওয়ায় খেলতে পারেননি আর। তাই ফুটবলের শতাব্দী-সেরা খেলোয়াড়ের (ফিফার ইন্টারনেট ভোট) বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার শেষ হয় কলঙ্ক মাথায় নিয়ে।

http://www.chobimohol.com/image-4D3F_4C468838.jpg


সালভাতোরে সিলাচি (১৯৯০)
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে মাত্র ১৬টি ম্যাচই খেলেছেন সিলাচি, যার ছয়টি আবার ১৯৯০ বিশ্বকাপে। তাতেই পেয়েছেন টুর্নামেন্ট-সেরা খেলোয়াড় আর সেরা স্কোরের সম্মান। অথচ '৯০-এ অভিষেকটা হয়েছিল বদলি খেলোয়াড় হিসেবে। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে বদলি নেমে ৭৮ মিনিটে করা তাঁর গোলেই ১-০ ব্যবধানের জয় পায় ইতালি। চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে অবশ্য সেরা একাদশে সুযোগ পেয়ে গোল করেন নবম মিনিটে। এরপর একটি করে গোল করেন দ্বিতীয় রাউন্ডে উরুগুয়ে, কোয়ার্টার ফাইনালে আয়ারল্যান্ড, সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা আর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।
১৯৯১-এ নরওয়ের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের শেষ গোলটা করে অবসর নেন টোটো ডাকনামের ইতালির এ স্ট্রাইকার। ১৯৯৪-এ প্রথম ইতালিয়ান ফুটবলার হিসেবে নাম লেখান জাপানের জে লিগে।

http://www.chobimohol.com/image-0424_4C4689DE.jpg


রোমারিও (১৯৯৪)
২৪ বছর পর '৯৪-এ ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জেতার নায়ক ছিলেন রোমারিও। ৫ গোল করে সেবার গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন ক্যারিয়ারে এক হাজারের বেশি গোল করা এ কিংবদন্তি। অথচ বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের আগে সেরা একাদশে খেলার নিশ্চয়তা চাওয়ায় তাঁকে বাদ দিয়েছিলেন তখনকার কোচ পাহেইরা। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে প্রথমবারের মতো বলিভিয়ার সঙ্গে হারায় দাবি ওঠে তাঁকে দলে নেওয়ার। বাধ্য হয়ে পাহেইরা রোমারিওকে ডাকেন উরুগুয়ের বিপক্ষে। ম্যাচটিতে ২ গোল করে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছিলেন মেজাজি এ স্ট্রাইকার।
'৯৪-এর পর রোনালদোর সঙ্গে তাঁর জুটির নাম দেওয়া হয়েছিল 'রো রো'। ১৯৯৭ ফিফা কনফেডারেশনস কাপের ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেন 'রো রো' জুটির দুজনই। অস্ট্রেলিয়াও উড়ে যায় ৬-০ গোলে। তবে চোটের কারণে ১৯৯৮ বিশ্বকাপ খেলতে পারেননি রোমারিও। ২০০২ বিশ্বকাপে তাঁর বয়স ছিল ৩৬। তখনো অসাধারণ খেলছিলেন ফ্লুমিনেন্সের হয়ে। কিন্তু 'ইনডিসিপ্লিন' বলে তাঁকে আর দলে নেননি কোচ লুই ফেলিপ স্কলারি। এমনকি স্কলারি রাখেননি প্রেসিডেন্টের অনুরোধও।

http://www.chobimohol.com/image-7A25_4C468A28.jpg


রোনালদো (১৯৯৮)
১৯৯৬ ও ১৯৯৭-এ টানা দুইবারের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার রোনালদো গোল্ডেন বল জেতেন ১৯৯৮ বিশ্বকাপেও। অবশ্য ৪ গোল করলেও সেবার সমর্থকদের মন ভরাতে পারেননি এ ব্রাজিলিয়ান। সেই অতৃপ্তি মিটে যায় ২০০২ বিশ্বকাপে। ৮ গোল করে ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জেতানোর পাশাপাশি নিজেও জেতেন গোল্ডেন বুটের পুরস্কার। ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপে ৩ গোল করে পরিণত হন বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৫ গোল করা ফুটবলারে। আর রেকর্ড গড়েন জার্মান কিংবদন্তি ক্লিনসমানের মতো আলাদা তিনটি বিশ্বকাপে অন্তত ৩ গোল করার। তবে ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার পর নতুন কোচ দুঙ্গা আর দলে নেননি তাঁকে।

http://www.chobimohol.com/image-A11B_4C468A96.jpg


অলিভার কান (২০০২)
প্রথম গোলরক্ষক হিসেবে ২০০২-এ গোল্ডেন বল জিতেছিলেন জার্মান কিংবদন্তি অলিভার কান। সেবার ফাইনালের আগে মাত্র একবারই বল জালে জড়িয়েছিল কানকে ফাঁকি দিয়ে। বিশ্বকাপের পর ২০০৪ ইউরোতে ব্যর্থ ছিলেন কান। জার্মানি গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ায় স্বেচ্ছায় অধিনায়কত্ব ছাড়েন তিনি। ২০০৬ বিশ্বকাপে কোচ ক্লিনসমান এক নম্বর গোলরক্ষক হিসেবে কানের বদলে খেলান জেন্স লেম্যানকে। তবে সিদ্ধান্তটা মেনে নিয়েছিলেন কান। আর কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লেম্যান দুটি পেনাল্টি শট সেভ করায় প্রশংসা করেন তাঁর। পর্তুগালের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটিতে মাইকেল বালাকের অনুপস্থিতিতে অধিনায়ক হিসেবে খেলেছিলেন কান। ম্যাচ শেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়ে নেন তিনি।

http://www.chobimohol.com/image-103F_4C468AD3.jpg


জিনেদিন জিদান (২০০৬)
২০০৪ ইউরো শেষে অবসর নিয়ে ফেলেছিলেন জিনেদিন জিদান। তবে বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব থেকে ফ্রান্সের বিদায়ের শঙ্কা জাগায় কোচ রেমন্ড ডমেনেখের অনুরোধে আবারও ফেরেন জাতীয় দলে। ফ্রান্স বাছাই পর্বের বাধা টপকানোর পাশাপাশি বিশ্বকাপ ফাইনালেও পেঁৗছায় জিদানের কাঁধে চড়ে। ফাইনালের আগেই অবশ্য অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিলেন এ ফরাসি কিংবদন্তি। বিদায়টা মধুর হতে পারত ফ্রান্স তাঁর গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর লিডটা ধরে রাখতে পারলে। কিন্তু বোন নিয়ে কটূক্তি করায় জিদান মাতেরাজ্জিকে 'ঢুঁস' দিয়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে টাইব্রেকারে ইতালির কাছে হেরে যায় ফ্রান্স। জিদানের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ হয় টুর্নামেন্ট-সেরা গোল্ডেন বুটের পুরস্কার জিতে।

গোল্ডেন বল জয়ীরা
ফুটবলার দেশ বিশ্বকাপ
পাওলো রসি ইতালি ১৯৮২
ডিয়েগো ম্যারাডোনা আর্জেন্টিনা ১৯৮৬
সালভাতোরে সিলাচি ইতালি ১৯৯০
রোমারিও ব্রাজিল ১৯৯৪
রোনালদো ব্রাজিল ১৯৯৮
অলিভার কান জার্মানি ২০০২
জিনেদিন জিদান ফ্রান্স ২০০৬
ডিয়েগো ফোরলান উরুগুয়ে ২০১০

সূত্র : এখানে

[box]মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন বাছবিচারহীন সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদানকে নিরুৎসাহিত করতেন। তিনি এ প্রসঙ্গে একটি গল্প শোনাতেন। গল্পটি এ রকম—একদিন এক নৈশভোজে অতিসাধারণ এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হলো আমার, যিনি তিন তিনটে সম্মানসূচক ডিগ্রির অধিকারী। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে আমার এক বন্ধু জানাল, তাঁকে তৃতীয় ডিগ্রিটি দেওয়া হয়েছিল কারণ তাঁর দুটো ডিগ্রি আছে। দ্বিতীয়টি দেওয়া হয়েছিল, কারণ ইতিমধ্যেই তাঁর একটা ডিগ্রি আছে। আর প্রথমটা দেওয়া হয়েছিল তাঁর একটাও ডিগ্রি ছিল না বলে।[/box]

সূত্র : এখানে

৯৪৬

(৩ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

শরীর ভালো লাগছিল না বলে এক ভদ্রলোক গেলেন ডাক্তারের কাছে।
ডাক্তার: আপনার জন্য দুঃসংবাদ আছে। আপনি খুব শিগগির মারা যাবেন।
রোগী: খুব শিগগির? আমি আর কত দিন বাঁচব, ডাক্তার?
ডাক্তার: ১০...
রোগী: ১০ কী? বছর, মাস, সপ্তাহ, দিন...?
ডাক্তার: ১০...৯...৮...৭...৬...

রোগী: ডাক্তার সাহেব, আমার মনে হয় চশমা লাগবে।
ক্যাশিয়ার: অবশ্যই আপনার চশমা লাগবে; কারণ আপনি এখন ব্যাংকে।

এক ডাক্তারের বাড়িতে পানির পাইপ নষ্ট হয়ে গেল। ডাক্তার একজন মিস্ত্রি আনলেন সারাই করতে। মিস্ত্রি কতক্ষণ খুটখাট করল। ডাক্তার দেখলেন পানির পাইপ ঠিক হয়ে গেছে। খুশি হয়ে তিনি মিস্ত্রিকে বললেন, ‘তোমাকে কত দিতে হবে?’ মিস্ত্রি জবাব দেয়, ‘৫০০ টাকা।’ ডাক্তার তো ভীষণ অবাক, ‘বলে কী! আরে এইটুকু সময়ের জন্য আমিও তো এত টাকা পাই না।’
‘যখন ডাক্তারি করতাম, তখন আমিও পেতাম না।’ মিস্ত্রির সাফসুতরো জবাব।

দারুণ সৌন্দর্যসচেতন এক মেয়ে এল জিম ইনস্ট্রাক্টরের কাছে। বলল, ‘আমার ওজন ৪৪ কেজি। কী করে ৪ কেজি কমাই, বলুন তো?’
জিম ইনস্ট্রাক্টর: মাস তিনেক ব্যায়াম করুন, তাহলেই হবে।
মেয়ে: আরেকটু কম সময়ে হয় না?
জিম ইনস্ট্রাক্টর: যায়, মাথাটা কেটে ফেলুন, কালকেই ৪ কেজি কমে যাবে।

:কোলাকুলি: রোগী: ডাক্তার, আমি সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকি, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, যখন-তখন রেগে যাই...
ডাক্তার: সমস্যাটা কী?
রোগী: গাধার বাচ্চা! কানে শুনিস না? এইমাত্রই তো বললাম তোকে!

নতুন ক্যামেরা কিনলাম, পাঠিয়ে দেব। ইনশাল্লাহ

[box]http://www.chobimohol.com/image-BB4F_4C4549A5.jpg[/box]

সংস্কৃতির সঙ্গে নিজের সখ্যতার গল্পটা সেই ছোট বেলাতেই রচনা করেছেন লাক্স তারকা মুনমুন। এখন তার ক্যারিয়ার অভিনয়মুখী হলেও মুনমুন উপস্থাপনাতেই বেশি প্রাণবন্ত দর্শকদের কাছে। শুধু নিছক ভালোলাগা থেকেই নয়, মুনমুন অভিনয় ও উপস্থাপনা করেন শিল্পের প্রতি গভীর টান অনুভব করেই। জনপ্রিয় এই টিভি মুখ এবার আমাদের দশে-দশ বিভাগে তার নানা ভাবনার কথা জানিয়েছেন। এমন একটি ঘটনা যা জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল- লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০০৬-এ অংশ নেয়া-

প্রিয় দু’টি মুহূর্ত
০০ আমি যখন ক্লাস টুতে প্রথমবারের মতো প্রথম হই
০০ আমার দুই বোনের দু’টি ছেলে আছে। আমি যখন ওদের সঙ্গে সময় কাটাই

যে তিনটি অভ্যাস পাল্টাতে চান
০০ আমি প্রচুর ঘুমাই। আর এটা কন্ট্রোলে রাখতে চাই
০০ রেগুলার এক্সারসাইজ করা হয় না আমার। এটা নিয়মিত করতে চাই
০০ আমি বেশি মিষ্টি খাই। এবার পরিমাণটা কমাতে চাই

প্রিয় চারটি খাবার
০০ বেগুনভাজি (অবশ্যই আমার বড় বোনের হাতের রান্না)
০০ সর্ষে ইলিশ
০০ ফ্রাইড রাইস
০০ মিষ্টি (আমার মেজো বোন ভালো মিষ্টি বানাতে জানে। ওর হাতে তৈরি মিষ্টি আমার খুব পছন্দের)

বেড়ানোর প্রিয় পাঁচটি জায়গা
০০ কক্সবাজার
০০ জাফলং
০০ মাধবকুণ্ড
০০ সুন্দরবন (যাওয়া হয়নি)
০০ রাঙামাটি

ছয়জন প্রিয় লেখকের নাম
০০ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
০০ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
০০ হুমায়ূন আহমেদ (এক সময় আমি তার প্রচুর লেখা পড়তাম)
০০ ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল
০০ জেইন অস্টিন
০০ ইমদাদুল হক মিলন

প্রিয় সাতটি নাটক
০০ কেউ কথা রাখেনি (এটা আমার অভিনীত শিশু বয়সের নাটক)
০০ বাতাসের খাঁচা
০০ দৈনিক তোলপাড়
০০ বন্ধুত্ব, ভালোবাসা ইত্যাদি
০০ ফ্রেন্ডশিপ (অনএয়ার হয়নি)
০০ ধূপছায়া
০০ লুকিংগ্লাস (অনএয়ার হয়নি)

৮টি প্রয়োজনীয় জিনিস, যা সবসময় আপনার সঙ্গে থাকে
০০ ঘড়ি
০০ মোবাইল
০০ ফেস ওয়াশ
০০ কমপ্যাক্ট
০০ সানস্ক্রিন লোশন
০০ সানগ্লাস
০০ শিডিউল ডায়েরি
০০ কাজল

প্রিয় ন’টি চলচ্চিত্র
০০ দারুচিনি দ্বীপ
০০ শঙ্খনীল কারাগার
০০ মাটির ময়না
০০ জাগো
০০ মনপুরা
০০ তারে জামিন পার
০০ ভাগবান
০০ দিল ওয়ালি দুলহানে লে জায়েঙ্গে
০০ ফরেস্ট গাম্প

দশটি প্রিয় শব্দ, যা কথায় কাজে বেশি ব্যবহƒত হয়
০০ থ্যাঙ্ক ইউ
০০ সরি
০০ দেখা হবে
০০ ইনশাআল্লাহ
০০ ভালো আছি
০০ কাজ কেমন চলছে
০০ হ্যালো
০০ ওয়ান্ডারফুল
০০ সুধী দর্শক
০০ আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

[box]
দুই বাচ্চাসহ এক মায়ের আত্মহত্যার করুণ কাহিনী পরে আমরা কেউ বিষ্ময়ে বিমূঢ়, হতবাক হয়েছি, কেউ কেঁদেছি, কেউ মনোবিশ্লেষণে মেতেছি, কেউবা আলোচনা করেছি এ আত্মহত্যা নাকি হত্যা। কিন্তু নির্বিকার থাকা সম্ভব হয়নি কারো পক্ষেই। প্রতিদিনই নানা তর্ক-বিতর্ক হয়েছে, হচ্ছে এখনো। এখন একটি বিষয়ে মানুষ দু’ভাগ হয়ে তর্ক করছেন। একদল বলছেন, আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয়েছে। কাজেই আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। অন্যপক্ষ বলছেন, আত্মহত্যাকারীর জন্য কোন সহানুভূতি নয়। এর পাশাপাশি আরেকটি নির্মম ঘটনা হলো এক মা তার দুই সন্তানকে হত্যা করে আত্মহত্যায় ব্যর্থ হয় এবং এক মায়ের কারণে তার সন্তান হত্যার শিকার হয়। এছাড়া নিকট অতীতে বেশ অনেকগুলো কিশোরীর আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে। এরকম ঘটনা আরো হয়তো ঘটছে সমাজের আনাচে-কানাচে যার সব আমরা জানতেও পারছি না। অনেকেই বলেন, নারী শিক্ষিত হলে, অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হলে এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে। এই মা’টিরও যদি তেমন শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতো, তিনি যদি নিজে সাবলম্বী হতেন তাহলে তাকে হয়তো এই পথ বেছে নিতে হতো না। কিন্তু সত্যিই কি তাই? আমি এই মায়ের কথা জানি না কিন্তু অনেক মেয়ের কথা জানি যারা শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ইচ্ছা থাকার পরও পারিবারিক বাধার কারণেই চাকরি করতে পারছে না। আমাদের দেশে যে সমস্ত পরিবার অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল তারা মেয়েদের সংসার ও সন্তান পালনের অজুহাতে চাকরি করতে দেয় না। কিন্তু চাকরি তো ছেলের হাতের মোয়া না যে যখন তার প্রয়োজন হবে তখনি একটি চাকরি জুটিয়ে সে ছেলেপেলের দায়িত্বপালন করে ফেলবে। সব দায় যেন মেয়েদেরই। স্বামী থাকলে ঘরে বসে সন্তান লালনপালন করো, না থাকলে চাকরিবাকরি করে লালনপালন করো অথচ হাস্যকরভাবে এও সত্য যে কোন সমস্যা দেখা দিলে বাবা কোনরকম দায়দায়িত্ব পালন না করেও বয়সভেদে আইনের কাছ থেকে বেশ অভিভাবকত্ব পেয়ে যান।

আমাদের দেশে প্রায় দুই দশক ধরে নারী নেতৃত্ব চলছে। রাজনীতি, প্রশাসনসহ সবখানেই আগের তুলনায় নারীর অংশগ্রহণ সন্তোষজনক না হলেও বেড়েছে। কিন্তু নারী নিরাপদ হয়েছে কি? তার প্রতি সহিংসতা অত্যাচার কমেছে কি? বরং তথাকথিত আধুনিক পরিবারে মেয়েদের অসহায়তা অবর্ণনীয়। ঘরের বাইরে প্রগতিশীলতার ভান আর ঘরের ভেতর স্ত্রীর সাথে প্রভুসুলভ আচরণকে অপরাধ হিসেবে গণ্যই করা হয় না। আমরা যেন আবার অন্ধকার যুগে ফিরে যাচ্ছি। যেখানে মেয়ে সন্তান অভিশাপ, নারী যেখানে শুধুই সন্তানের জš§দান ও লালন-পালনের জন্য। অপরদিকে অর্থ উপার্জনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীকে পণ্য করে তোলা হয়েছে অথবা করার চেষ্টা করা হয়েছে। নারী হয়েছে দ্বৈত শোষণের শিকার। বাইরে কাজ করার কারণে সংসারের কাজ থেকে সে রেহাই পায়নি। কষ্টার্জিত অর্থ নিজের ইচ্ছে বা প্রয়োজনমতো খরচ করার স্বাধীনতা পায়নি বরং উপার্জনটি স্বামীর বা তার পরিবারের হাতে তুলে দিয়েই সে চাকরি করার অনুমোদন পায়। আবার নিজ যোগ্যতাবলে চাকরি করতে যেয়েও তাদেরকে প্রতিনিয়ত বৈষম্যমূলক আচরণ, যৌন হয়রানি, সহিংসতা ইত্যাদি নানা রকম প্রতিকূলতার মধ্যে টিকে থাকার সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হয় বা আপোষের কথা ভাবতে হয়। এ যেন ডাঙায় বাঘ তো জলে কুমির। বিচার চাইতে যাওয়াও তার জন্য বিরম্বনা কারণ রাষ্টের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নারীর প্রতি চরমভাবে অসংবেদনশীল। এইসব ঘটনা থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে আমাদের দেশের নারীরা ভালো নেই, ভালো থাকার কোনো কারণও নেই অবশ্য। হয়তো পরীক্ষা করলে দেখা যাবে নব্বই শতাংশ নারীই মানসিকভাবে অসুস্থ। এর কারণও বহুবিধ। সত্যিকারভাবে, নারীর আসলে সুস্থ থাকার কোন সুযোগই নেই। আমাদের সমাজ এবং রাষ্ট্রযন্ত্র নারীর প্রতি চরমভাবে অসংবেদনশীল। তীব্র পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে একটি মেয়ে শিশু অবস্থা থেকেই নানারকম বিধিনিষেধ, অবদমন, ভয়ভীতি, যৌন হয়রানি, যৌন নিপীড়ন, সহিংসতা ইত্যাদির মধ্যে বাস করে এবং পরিবারের মধ্যেও সে হয় বৈষম্যের শিকার। এমনকি পরিবারেও সে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, বিনোদন সবকিছুতেই বৈষ্যম্যমূলক আচরণ পায়।

বৈষম্যমূলক খাদ্যাভাসের কারণে সে পুষ্টিহীনতায় ভোগে আজীবন। কাজেই সেই দুর্বল অসুস্থ মেয়েটি সুস্থ মানুষ হিসেবে তার দায়দায়িত্ব পালন করতে পারবে তা আশা করা বাতুলতা। কিশোরী থেকে শুরু করে দুই সন্তানের মা পর্যন্ত নারীদের এই আত্মহত্যার মিছিলে সামিল হবার জন্য দিন গুনছে আরো অনেক নারী। তাদেরকে এই অবস্থা থেকে মুক্তি দেয়ার প্রথম ও প্রধান উপায় নারীর প্রতি সমাজের, রাষ্ট্রের বন্ধুসুলভ আচরণ। আইন প্রণয়ন ও এর যথাযথ প্রয়োগ। রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে পুরুষতান্ত্রিকতা যার ফলে প্রগতিশীল একটি নারীনীতি এখন পর্যন্ত পাশ করা সম্ভব হয়নি, সিডও সনদের অনেকগুলো ধারায় বাংলাদেশ এখনও সমর্থন দেয়নি। বছরের পর বছর নারীর প্রতি যে অসম্মান, অসহযোগিতা, বৈষম্য করা হয়েছে যুগের ব্যবধানে তা বুমেরাং হয়ে এখন নির্মম প্রত্যাঘাত হানছে সমাজের শরীরে। কিন্তু এই নৃশংসতা, নির্মমতা কারো কাম্য নয় তাই অচিরেই একটি সমতাপূর্ণ সমাজকাঠামো নির্মাণের কথা ভাবতে হবে যেখানে নারী বা পুরুষ নয় মানুষের কথা বলা হবে।[/box]
শাহনাজ নাসরীন
[লেখক: কবি ও গবেষক]

সূত্র: এখানে

http://www.chobimohol.com/image-B54A_4C4408A2.jpg

উইন্ডোজে চলতি প্রোগ্রামের সংখ্যা বেশি হলে র‌্যামের ব্যবহার বেড়ে যায়। ফলে র‌্যাম ফ্রি-এর পরিমাণ কমে গেলে কম্পিউটারের গতি কমে আসে। র‌্যাম ফ্রির পরিমাণ কমে গেলে র‌্যামরাশ সফটওয়্যারের মাধ্যমে র‌্যাম ফ্রির পরিমাণ বাড়িয়ে নেওয়া যায়। এই সফটওয়্যারটি র‌্যামকে ডিফ্রাগমেন্ট করে। ফলে কিছুটা ফ্রি করা হয় এবং কম্পিউটারের গতি বাড়ে। এ ছাড়া র‌্যাম যদি কখনো আট শতাংশের কম ফ্রি হয়ে যায়, তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে র‌্যামের ব্যবহার অপটিমাইজ হবে এবং র‌্যামের ফ্রি জায়গা বাড়বে। এ ছাড়া ইচ্ছামতো সময়ে অপটিমাইজ করা যায়। এই সফটওয়্যারটি নামান:

http://sawontheboss4.tk/wp-content/uploads/ramrush.exe

থেকে নামানো যাবে।