http://www.chobimohol.com/image-282F_4C36F38D.jpg


প্লট
প্রথম গেমের কাহিনীতে প্রধান চরিত্র ডেসমন্ড মাইলস অ্যাবস্টারগো ইন্ডাস্ট্রির ল্যাবে বন্দী ছিল। অ্যানিমাস নামের মেশিনে তার স্মৃতি থেকে তার গুপ্ত আততায়ী পূর্বপুরুষদের কাজের ধারা জানার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। তার জেনেটিক মেমরি থেকে আগের গেমে তুলে ধরা হয়েছে জেরুজালেমের এক আততায়ী ও ডেসমন্ডের পূর্বপুরুষ আলতেয়ার ইবনে লাহাবের অভিযান। লুসি স্টিলম্যান নামের এক কর্মীর সহায়তায় ডেসমন্ড সেই ল্যাব থেকে পালাতে সক্ষম হবে, কিন্তু ঘটনাক্রমে সে সন্ধান পাবে অ্যানিমাসের চেয়ে আরো উন্নত এক মেশিনের। সে মেশিনের মাধ্যমে তার জেনেটিক মেমরির সাহায্যে তার আরেক পূর্বপুরুষের কথা মনে করতে পারবে। নতুন এ গেমে ডেসমন্ড পঞ্চদশ শতাব্দীর রেনেসাঁ যুগের ইতালির উচ্চবংশীয় ইজিও ওদিতোরে দ্য ফিরেঞ্জে নামের এক আততায়ীকে তার মেমরির সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ করবে। এক বিশ্বাসঘাতক শত্রুর চক্রান্তে বাবা ও ভাইকে হারানোর পর ইজিও প্রতিশোধের নেশায় বেছে নেয় এ পথ। তাকে নিয়ে গেমারকে বিচরণ করতে হবে ইতালির বিভিন্ন স্থান ও নানান মিশন সম্পন্ন করতে হবে।

গেমপ্লে
গেমটির খেলার ধরন হচ্ছে ওপেন ওয়ার্ল্ড ও ননলিনিয়ারভিত্তিক। এতে বাধাধরা কোনো নিয়ম ও নির্দিষ্ট সময় নেই মিশন শেষ করার। তাই প্লেয়ারকে নিয়ে স্বাধীনভাবে বিচরণ করা যাবে ইতালির ভেনিস, ফ্লোরেন্স, টুসকানসহ বেশ কিছু স্থানে। গেমে বেশি আহত হলে ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা সেবা নিতে হবে এবং ওষুধ কিনে খেতে হবে। ইজিওকে নিয়ে পানিতে সাঁতরানো, নৌকা চালানো, ঘোড়ার গাড়ি চালানো এবং কিশোর লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির বানানো ফ্লাইং মেশিনের সাহায্যে আকাশে ওড়াও যাবে। ইজিওর দুই হাতে লুকানো ব্লেড, বিষাক্ত ছুরি ও ছোট আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি সাধারণ তলোয়ার, কাটল্যাস (ছোট আকারের তলোয়ার), গদা, বর্শা, ড্যাগার (ধারালো ছোরা) ইত্যাদি কিনে তা ব্যবহার করা যাবে। পরিচয় গোপন করতে পোশাকের রঙের পরিবর্তন করা যাবে। মারামারির বেলায় আনা হয়েছে অভাবনীয় কিছু কৌশল। প্রাণবন্ত ও চোখ ধাঁধানো কিছু দৃশ্যের পটভূমি ও পরিবেশের সাথে মানানসই গানের সুর গেমারকে মোহিত করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।

নতুন ফিচারসমূহ

পুরনো গেমের চেয়ে এতে আনা হয়েছে বেশ নতুনত্ব। ইজিওকে দেয়া হয়েছে আরো বেশি অস্ত্র ও বর্ম। গেমের খোলা পরিবেশে মুক্তভাবে বিচরণ ও লোকজনের সাথে তার ইন্টার-অ্যাকশনের ওপরে বেশ জোর দেয়া হয়েছে এবং তা আগের চেয়ে অনেক উন্নত। অর্থের বিনিময়ে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, অস্ত্র ও বর্ম কেনার ব্যবস্থা নতুন সংযোজিত হয়েছে।

দুর্বলতা
কিছু কিছু স্থানে ক্যামেরা মুভমেন্টে সমস্যা ও কিছু ক্ষেত্রে প্লেয়ারকে কন্ট্রোল করার সামান্য সমস্যা ছাড়া গেমটিতে তেমন কোনো ত্রুটি নেই।

সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট
গেমটি খেলার জন্য লাগবে ইন্টেলের কোর টু ডুয়ো ১.৮ গিগাহার্টজ মানের প্রসেসর, এক্সপিতে খেলার জন্য ১.৫ গিগাবাইট র্যাুম ও ভিসতা/সেভেনের জন্য ২ গিগাবাইট RAM, ৮ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক স্পেস এবং পিক্সেল শ্রেডার ৩.০ সমর্থিত ২৫৬ মেমরির গ্রাফিক্স কার্ড। অনলাইন গেমিংয়ের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১২৮ কিলোবিট/সেকেন্ড (১৬ কিলোবাইট/সেকেন্ড) গতির নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট কানেকশন লাগবে।

সূত্র: এখানে

কমপিউটারের গতি বাড়ানোর জন্য বেশি RAM প্রয়োজন। কিন্তু যাদের অল্প RAM অথবা বেশ পুরোনো কমপিউটার রয়েছে, তাদের বেশি RAM সাথে সাথে সিস্টেমকে যথাযথভাবে পরিচর্যার সাথে সাথে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামসমূহ অপসারণ করা দরকার। সাধারণত নিচের পদ্ধতিতে আপনার কমপিউটারটির গতি বাড়াতে পারবেন :

* স্টার্ট->রান-এ গিয়ে tree লিখে এন্টার দিন।

* এবার Prefetch লিখে এন্টার দিন। একটি নতুন উইন্ডোতে যে ফাইলগুলো আসবে, তার সব ডিলিট করুন।

* স্টাট->রান-এ গিয়ে temp লিখে এন্টার দিন এবং টেম্পোরি ফাইলগুলো ডিলিট করুন।

* স্টার্ট->রান-এ গিয়ে %temp% লিখে এন্টার দিন। যে টেম্পোরারি ফাইলগুলো আসবে, সেগুলো ডিলিট করুন। যে টেম্পোরারি ফাইলটি ডিলিট হচ্ছে না, সেটি বাদ দিয়ে অন্যগুলো ডিলিট করুন।

* স্টার্ট->সার্চ-এ গিয়ে bak লিখে এন্টার দিন। এবার ব্যাকআপ ফাইলগুলো ডিলিট করুন।

* স্টার্ট->সার্চ-এ গিয়ে recent লিখে এন্টার দিন। রিসেন্ট ফাইলগুলো ডিলিট করুন।

হার্ডডিস্কের ওপর ডান ক্লিক করে প্রোপার্টিজে ক্লিক করুন এবং ডিস্ক ক্লিনআপ অপশনটি ব্যবহার করুন। এভাবে প্রতিটি হার্ডড্রাইভে তা করুন।

মাই কমপিউটার টুলস অপশন ফোল্ডার অপশন ভিউট্যাব শো হিডেন ফাইলস অ্যান্ড ফোল্ডারস ‘সি ড্রাইভ’ ডকুমেন্ট অ্যান্ড সেটিংস যে নামে কমপিউটারটি আছে সেই ফোল্ডার, লোকাল সেটিংস, টেম্প এবং টেম্পোরারি ইন্টারনেট ফাইলস। এবার এই দুটি ফোল্ডার থেকে ইন্টারনেটের টেম্প ফাইলগুলো ডিলিট করুন।

এছাড়া CCleaner ফ্রি সফটওয়্যারটি এখান থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন।
উল্লিখিত কৌশলগুলো কাজের ধরন অনুযায়ী সপ্তাহ দুয়েক পর পর নিয়মিত করুন।

আজ শুক্রবার ২৬ রজব পবিত্র লাইলাতুল মিরাজ। সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা সা: তাঁর জীবদ্দশায় হিজরি মাসের এ দিনগত রাতে মহান আল্লাহর নির্দেশে তাঁরই বিশেষ ব্যবস্খাপনায় মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করেন। প্রত্যক্ষ করেন সপ্ত আকাশ, বেহেশত, দোজখসহ আল্লাহর সৃষ্টিরহস্য। সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন সপ্ত আকাশে অবস্খানকারী নবী-রাসূলগণের সাথে। জিবরাইলকে (আhappy দেখেন তাঁর নিজ অবয়বে। আল্লাহর কাছ থেকে নিয়ে আসেন উম্মতের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান।
রাসূল সা:-এর মিরাজ তথা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ ইসলামের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তাই রাতটি মুসলমানদের কাছে খুবই মর্যাদাপূর্ণ। মুসলমানরা এ রাতে আলোচনা, নফল নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত, জিকিরসহ বিশেষ ইবাদত করে থাকেন।
মিরাজের সঠিক তারিখ নিয়ে কিছুটা মতভেদ থাকলেও হিজরতের কয়েক বছর আগে ঘটে এ ঘটনা। বেশির ভাগ মত অনুযায়ী ২৬ রজব দিনগত রাতে অর্থাৎ ২৭ রজব এশার নামাজের পরই ঘটে মিরাজের ঘটনা। তখন নবী সা: হজরত উম্মে হানির (রাhappy ঘরে শায়িত ছিলেন। জিবরাইল (আhappy এসে তাঁকে ঊর্ধ্বাকাশে গমনে আল্লাহর নির্দেশনার কথা জানান। সাথে সাথেই শুরু হয় ভ্রমণ। তিনি প্রথমে বোরাক নামের একটি বাহনে মক্কা মোকাররমা থেকে পবিত্র মসজিদে আকসায় যান। সেখানে দুই রাকাত নামাজ শেষে তিনি ঊর্ধ্বকাশে গমন শুরু করেন। সেখানে প্রতিটি আসমানে অবস্খানরত প্রধান ফেরেস্তাদের সাথে তাঁর দেখা হয়। পরে বায়তুল মামুর নামক স্খানে ফেরেস্তাদের নিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়েন। সিদরাতুল মুনতাহা নামক স্খানে পৌঁছে তাঁকে বহনকারী বোরাক থেমে যায়। জিবরাইল (আhappy এর ওপরে যাওয়ার ব্যাপারে তাঁর অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর রফরফ নামের আরেকটি কুদরতি বাহন এসে রাসূলকে সা: ওপরের দিকে আরশে মোয়াল্লায় পৌঁছে দেন। সেখানেই আল্লাহর সাথে রাসূল সা:-এর সান্নিধ্য ঘটে। নবুয়াতি দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয় নিদের্শনা লাভ এবং আল্লাহর সৃষ্টি কৌশল অবলোকন করার পর ফজরের নামাজের আগেই তিনি আবার ফিরে আসেন বিশেষ বাহনযোগে। রাসূল সা:-এর মিরাজ সশরীরে না আত্মিক হয়েছিল এ নিয়ে বিজ্ঞানী ও আলেমদের মধ্যে কিছুটা মতান্তর আছে। তবে অধিকাংশ আলেম ও ইসলামি গবেষকদের মতে, মিরাজ ছিল একটি বাস্তব ঘটনা। আল্লাহ তায়ালা বিশেষ ব্যবস্খায় এ কাজটি করিয়েছেন সশরীরেই। যদি আত্মিক বা স্বপ্নেই এ ঘটনা ঘটত তাহলে এ নিয়ে এত আলোচনা বা একে স্বীকার-অস্বীকারের প্রশ্ন আসত না। কারণ তখন এ খবর প্রকাশ হওয়ার পর কাফের মুশরিকরা ঠাট্টা বিদ্রূপ করেছিল। স্বপ্নে হলে এ নিয়ে এত আলোচনা হতো না। তা ছাড়া পবিত্র কুরআনের সূরা বনি ইসরাইল ও সূরা নজমে রাসূল সা:-এর মিরাজের কথা পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। ফলে এ নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। পবিত্র লাইলাতুল মিরাজ উপলক্ষে আজ সìধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররমে এক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

লেখাটি এখান থেকে কপি পেস্ট করা:

উইন্ডোজ সেভেন মাইক্রোসফ্ট রিলিজকৃত লেটেস্ট ও এস!
কমবেশী সবাই আমরা এর ফিচার, লেটেস্ট জিনিসপত্র এবং ভিজ্যুয়াল দিক সম্পর্কে অবগত আছি!

আমাদের সবারই কমবেশী উইন্ডোজ দিতে হয়! (আমি একবার ব্যাতিক্রম কিনা! সপ্তাহে তো একবার দেওয়ায় লাগে!) তবে এক্ষেত্রে লিনাক্স ব্যাবহারকারীরা আবার চেইতেন না! Windows Install আপনাদের জন্য নহে!

তো আপনার উইন্ডোজ ইন্সটল করতে হলে কি দিয়ে করেন?
নিশ্চয়ই ডিভিডি দিয়ে?
এটাকে একটু ব্যাতিক্রমও তো করা যায়! তাই না? চলুন তাহলে আমরা এখন থেকে ইউ এস বি দিয়ে উইন্ডোজ ইন্সটল দি!

এর আগেও হয়ত আপনারা হয়ত ইউ এস বি দিয়ে ইন্সটল করেছেন.. কিন্তু নিশ্চয়ই কমান্ড ফমান্ড দিয়া হাত ব্যাথা করে ফেলছেন তাই না? যদি এটাও না হয় তাহলে কেমন হয়?

হ্যা ! এবার সেটাই এনে দিয়েছে মাইক্রোসফ্ট! উইন্ডোজ সেভেন এর বুটেবল ইউ এস বি -র জন্য একটা সফ্ট ছেড়েছে মাইক্রোসফ্ট! নাম: Windows 7 USB DVD Download Tool

কিভাবে কি করবেন?
প্রথমে আপনার দরকার হবে 4 জিবি বা এর অধিক ইউ এস বি! এটা ঝেড়ে মুছে সকেটে লাগান! (সকেট নষ্ট হইলে কিন্তুক আমার দোষ না! তারপর সফ্টটা অপেন করুন… আই এস ও দেখিয়ে দিন! তারপর আশা করছি নিজেরাই পারবেন!

আর এই Windows 7 USB DVD Download Tool আমার জানা মতে ওপেন সোর্স প্রোডাক্ট! নিচের ইমেজ এ ক্লিক করে মিডিয়াফায়ার হতে ডাউনলোড করুন!Only 2.54 MB!

http://www.chobimohol.com/image-B5C6_4C35B397.jpg


ডাউনলোড উইন্ডোজ সেভেন ইউ এস বি/ডিভিডি ডাউনলোড টুল

http://www.chobimohol.com/image-2680_4C35AC3B.jpg


বনলতা সেন    
জীবনানন্দ দাস 

       
[box]

হাজার বছর ধ’রে আমি পথ হাটিতেছি পৃথিবীর পথে,
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে
সেখানে ছিলাম আমি আরো দূর অকারে বিদর্ভ নগরে;
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমার দু-দন্ড শান্তি দিয়েছিলো নাটোরের বনলতা সেন।

চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের’ পর
হাল ভেঙ্গে যে – নাবিক হারায়েছে দিশা
সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি - দ্বীপের ভিতর,
তেমনি দেখেছি তা’রে অন্ধকারে; বলেছে সে, ‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’
পাখির নীড়ের মত চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন|

সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন
সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধমুছে ফেলে চিল;
পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পান্ডুলিপি করে আয়োজন
তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল;
সব পাখি ঘরে আসে–সব নদী ফুরায় এ-জীবনের সব লেন দেন;
থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।

[/box]

http://www.chobimohol.com/image-23F4_4C35A846.jpg


[box]ম্যারাডোনা যা চাইবেন তাই পাইবেন। বিশ্বকাপে দলকে শিরোপা না জিতিয়ে বা কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নেয়ার পর ঐ দলের কোচের জন্য এমন সুযোগ শুধু ম্যারাডোনা বলেই সম্ভব। হেরে গেলেও কিংবদন্তি এই ফুটবলারের পাশে এখন পুরো আর্জেন্টিনা। দেশের প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন এখনও ম্যারাডোনাকে ঘিরে। সবার দাবি কোচ হিসেবে থাকুক ম্যারাডোনাই। দল হেরে যাওয়ার পর কোচ খেলোয়াড়দের কাটা ছেঁড়া যখন নিত্যদিনের ঘটনা সেখানে কোচ ম্যারাডোনার বিষয়টি সম্পূর্ণই আলাদা। ব্যর্থ হয়ে দেশের ফেরার কেউ দুয়োধ্বনি দেয়নি তাদের দেখে। 'বিশ্বকাপে কিছুই হারাইনি' এমন মনোভাবে মেসি হিগুয়াইনদের বরণ করে নেয়া হলো বিমানবন্দর থেকেই। ভক্তদের এমন ভালবাসা আরও আবেগী করে তুলল মেসিদের। তেমনি ম্যারাডোনার ৰেত্রেও। তবে ধারণা করা হচ্ছে কোচ পদ থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন ম্যারাডোনা। এমন আভাস স্বয়ং ম্যারাডোনাই দিয়েছেন । আর কখনও মেসিদের সঙ্গে প্রাকটিস সেশনে দেখা যাবে না ফুটবলের এই ঈশ্বরকে এমন দুর্ভাবনায় বিগলিত হয়ে পড়ছে গোটা আর্জেন্টিনার সমর্থক। আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি জুলিও গ্রন্ডোনাও ঝুঁকে পড়েছেন ম্যারাডোনার প্রতি। ম্যারাডোনার এই বন্ধুর দাবি অনত্মত চুক্তির মেয়াদ পর্যনত্ম থাকুক ম্যারাডোনা। আবার বলেছেন ম্যারাডোনার ইচ্ছাই সব। তিনি থাকতে চাইলে থাকবেন। সবকিছুই তাঁর ওপর নির্ভর করছে। 'আর্জেন্টিনায় একমাত্র মানুষ ম্যারাডোনা যিনি ইচ্ছামতো সব কিছু করার ৰমতা রাখেন। আমরাও তাঁর সঙ্গেই আছি। তাঁর সঙ্গে আমাদের চুক্তির মেয়াদ এখনও বছরখানেকের মতো বাকি। সবকিছু তাঁর ওপর নির্ভর করছে' বলেন গ্রন্ডোনা। দলের সহকারী কোচ আলেজান্দ্রো মানকুসুর মতে, দলের সঙ্গে আরও কিছুদিন থাকতে পারেন ম্যারাডোনা। 'আমি মনে করি না ম্যারাডোনা এখনই সবকিছু ছেড়ে দেবেন। যদিও পরিষ্কার করে কিছুই বলা যাচ্ছে না। ম্যারাডোনা বলে কথা।' তবে ফুটবলপাগল আর্জেন্টাইন দর্শকদের প্রত্যাশা অনত্মত আগামী বছরে অনুষ্ঠেয় কোপা আমেরিকা কাপ পর্যনত্ম থাকবেন ম্যারাডোনা। বিশ্বকাপে না হোক কোপা কাপে দলকে চ্যাম্পিয়ন করে মাথা উঁচু করে বিদায় নেবেন ম্যারাডোনা। কিন্তু বরাবরই আবেগী আর মাথা গরম করা ম্যারাডোনা শেষ পর্যনত্ম কি করেন তাই দেখার বিষয়। তবে সূত্র মতে, ম্যারাডোনা বরখাসত্ম হচ্ছেন না এটা নিশ্চিত।[/box]

সূত্র : এখানে

জার্মানি পারলো না, স্পেন ই শেষ পর্যন্ত ফাইনাল এ চলে গেল।  )+D

shemul49rmc wrote:

mig is best

মিগ কনফিগার করা কঠিন।  I don't know

৯৮৪

(৪ replies, posted in ভিন্ন জগত)

আমি রেজার হিসেবে ম্যাক 3 turbo ব্যাবহার করি, জটিল আরাম।  )+D

৯৮৫

(২ replies, posted in খেলাধূলা)

এ বিষয়ে উইকিপিডিয়া তে বলা আছে : লিংক
[box]"Waka Waka" is based upon a traditional African soldiers' song named Zangalewa, a 1986 makossa hit for Cameroonian  group Golden Sounds.[3]  It appears Shakira reinterpreted the song without permission of the band, and after legal intervention by the band, an undisclosed deal was struck with Sony Music.[3]

The song was officially chosen as the anthem for the 2010 FIFA World Cup. About this, Shakira said "I am honored that Waka Waka (This Time for Africa) was chosen to be part of the excitement and the legacy of the 2010 FIFA World Cup. The FIFA World Cup is a miracle of global excitement, connecting every country, race, religion and condition around a single passion. It represents an event that has the power to unite and integrate, and that’s what this song is about." Shakira added that "African music is so inspiring and is poised to take its place on the global pop culture stage. I was proud to be able to work with one of South Africa's most acclaimed groups, Freshlyground. Through "20 Centers for 2010" and 1GOAL, FIFA and its partners have committed to creating a lasting legacy of education for all – an issue that has been close to my heart for many years".[2]

About the collaboration, Zolani Mahola of Freshlyground said that "We are thrilled to have collaborated with Shakira on 'Waka Waka (This Time for Africa)', especially as we feel that the song captures the spirit and energy of the African World Cup. We are certain the song will inspire people around the world to celebrate the gathering of nations at the place where it all started. Here in Africa!"[2][/box]

জার্মানি যে খেলা দেখাচ্ছে!  :তালি:   :তালি:  জটিল স্পীড!

"ডাইহাইড্রোটেসটেরন" হচ্ছে টেস্টস্টেরন এর অ্যাক্টিভ রূপ।  big grin

একটু আগে একটা ডেঙ্গু কামরাইছে! টেন্সন এ আছি।

http://www.chobimohol.com/image-126C_4C31495B.jpg


[box]গুরুতর অসুস্থ পপগুরু আজম খান। জিহ্বার নিচে মাংস বাড়ায় প্রায় ১৫ দিন ধরে তিনি স্বাভাবিক খাবার খেতে পারছেন না। সব শেষে গতকাল সন্ধ্যা নাগাদ তার অবস্থার চরম অবনতি ঘটে। আতঙ্কিত হয়ে পড়ে  তার মেয়ে ও নিকট আত্মীয়স্বজন। সংগীতাঙ্গনে ছড়িয়ে পড়ে আজম খানের অসুস্থতার কথা। সবার প্রিয় পপগুর্বর কমলাপুরস্থ বাসায় ছুটে যান তার ভাই সংগীত পরিচালক আলম খান, আইয়ুব বাচ্চু, এন্ড্রু কিশোর, পিয়ার্ব খানসহ আরও অনেক ভক্ত গুণগ্রাহী।
গতকাল সন্ধ্যায় আজম খানের বাসায় গিয়ে জানা যায়, প্রায় ১৫ দিন ধরে আজম খান জিহ্বার নিচে ব্যথা অনুভব করছেন। একই সঙ্গে দিন দিন জিহ্বার নিচে মাংসও বেড়ে চলছে। পর পর তিনজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েও সঠিক অসুখ নির্ণয় করা যাচ্ছে না। এর মধ্যে তিন ডাক্তারই সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য অতিসত্বর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিলেও হাসপাতালবিমুখ আজম খান ভর্তি হননি। তার ওপর নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে। এর মধ্যে গেল মাসের ২৬ তারিখে একটি স্টেজ শোতে গান গেয়েছেন। অনেকটা নিজের উদাসীনতার কারণেই শারীরিকভাবে এতটা ভেঙে পড়েছেন- এমনটাই মন্তব্য আজম খানের নিকট আত্মীয়-পরিজনদের। এছাড়া প্রেসার ওঠানামার সমস্যাও প্রকট আকার ধারণ করেছে বলে জানা যায়। আলম খান জানান, এরই মধ্যে আমরা স্কয়ার হাসপাতালে কথা বলেছি। আমরা চেয়েছি আজ রাতেই ওকে ভর্তি করাতে। তবে ও চাইছে কাল (আজ) ভর্তি হতে। তাই আজ (গতকাল রাত) আর তাড়াহুড়ো করছি না। মনের বির্বদ্ধে তো কিছু করা ঠিক হবে না। আমরা আশা করছি কাল (আজ) ওকে ভালোয় ভালোয় ভর্তি করাবো। ওর সঠিক চিকিৎসা হলে আশা করি ভয়ের কিছু নেই। এদিকে আজম খানের অসুস্থতার খবর শুনে তাৎৰণিকভাবে আইয়ুব বাচ্চু-এন্ড্রু কিশোর দেখতে ছুটে যান। শিল্পীদের পৰ থেকে তারা বলেন, আজম ভাইয়ের সুচিকিৎসার জন্য আমরা তার পাশে আছি। উনার জন্য যা যা করা দরকার আমরা করতে প্রস্তুত। এদিকে এতদিন অনেকটা স্বাভাবিক থাকলেও গতকাল সন্ধ্যা নাগাদ শারীরিকভাবে অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন আজম খান। স্বাভাবিক খাবার না খেলেও তরল খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা চলছে। মাংস বেড়ে যাওয়ায় স্পষ্ট করে কথা না বললেও সবার কাছে তিনি দোয়া চেয়েছেন। বলছেন, আবারও গাইবো। নো টেনশন।[/box]

আমরা চাই আজম খান সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসুক।  sad
সূত্র : এখানে

টাইটানিক সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম,  তবে "NO POPE" এর যুক্তি টা আগে শুনছিলাম। ধন্যওয়াড় শেয়ার করার জন্য।

[box]ডেস্কটপ কম্পিউটারের জায়গায় ধীরে ধীরে স্খান করে নিয়েছে ল্যাপটপ। সহজে বহনযোগ্য এবং নানা ধরনের সুবিধাসংবলিত ল্যাপটপ কম্পিউটারের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। আর এ চাহিদার কথা মাথায় রেখে সব ধরনের ল্যাপটপ এক ছাদের নিচে পাওয়ার নিশ্চয়তা নিয়ে শুরু হচ্ছে ল্যাপটপ মেলা। আগামী ৭ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে এ মেলা। মেলার ভেনু হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে বঙ্গবìধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র। মেলায় নামকরা সব ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ প্রদর্শনী ও বিক্রয়ের ব্যবস্খা থাকবে। মেলায় বিভিন্ন ল্যাপটপের ওপর মূল্য ছাড়ের ব্যবস্খাসহ ল্যাপটপ কিনলে উপহারের ব্যবস্খা করা হবে। এ ছাড়া প্রতিদিন নিয়মিত মেলায় কুইজ অনুষ্ঠান ও র‌্যাফল ড্র অনুষ্ঠিত হবে। মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।[/box]

ইয়াহু আবার যাবো মেলাতে, না কিনলেও, দেখতে যাবো।   

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-D3B2_4C3021C2.jpg

[box]মহিলাদের বিশেষ সমস্যা
অধ্যাপিকা ডা. সুলতানা জাহান

একটি নারীদেহ সময়ের ব্যবধানে কয়েকটি ফিমেল বা মেয়েলি হরমোন দ্বারা আবর্তিত ও পরিচালিত হয়। জীবনের প্রারম্ভে এক পর্যায়ে নারীদেহ যৌবনের সম্ভারে ভরে ওঠে এবং সাধারণত তের বা চৌদ্দ বছর বয়সে একটি মেয়ে যৌবনের সমাহারে সজ্জিত হয়। তারপর দীর্ঘ ত্রিশ বা চল্লিশ বছর আনুমানিক পঁয়তাল্লিশ বা পঞ্চাশ বছর বয়স পর্যন্ত চলে যৌবনের এই কার্যক্রম। এরপর আসে অন্য একটি অধ্যায় এবং ফিমেল হরমোনগুলো তাদের ফাংশন বা কাজ আস্তে আস্তে বìধ করে দেয়, কারণ ততদিনে তারা রিক্ত প্রায়। এ পর্যায়ে মাসিক ঋতুচক্র বìধ হয়ে যায়। এই অবস্খাকে বলা হয় মেনোপজ।

ক্লাইমেকটারিক কী?
মেনোপজের সময় ডিম্বকোষের কাজ বìধ হয়ে যায়। এর ফলে ডিম ফাটে না বা ওভুলেশন হয় না। মাসিক ঋতুচক্র বìধ হয়ে যায় এবং পরবর্তী সময়ে কিছু কিছু দৈহিক পরিবর্তন দেখা যায়। যেমন-শরীরে কিছু বাড়তি মেদ জমে স্তনের আকার ক্রমান্বয়ে ছোট হয় এবং হজমের ব্যাঘাত হয়। রাতে ঘুমের ব্যাঘাত হয় কখনো। অনেকের মাথার চুল পড়ে যায়। আমাদের অনেকেরই ভুল ধারণা আছে, মাসিক ঋতুচক্র বìধ হওয়ার আগে তা পরিমাণে বৃদ্ধি পায় অথবা মাসে তিন-চারবার হয় বা অনিয়মিতভাবে হয়। প্রকৃতপক্ষে এটা একটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। মেনোপজের আগে মাসিক ঋতুস্রাবের পরিমাণ স্বল্প হয় এবং মাসিক ঋতুস্রাবের স্খায়িত্বকালও কমে আসে। মেনোপজের আগে মাসিক ঋতুস্রাব বেড়ে গেলে বা অনিয়মিতভাবে হলে বুঝতে হবে কোনো অর্গানিক কাজ বা ক্ষতিকর কারণ আছে। যেমন জরায়ুতে বা ইউটেরাসে কোনো টিউমার থাকতে পারে। এমন কি তা জরায়ুর গ্রীবাদেশ বা সারভিক্সে ক্যান্সারের পূর্ব লক্ষণও হতে পারে। সুতরাং এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা একান্ত প্রয়োজন।

শারীরিক পরিবর্তন :
মেনোপজ হয় পঁয়তাল্লিশ থেকে পঞ্চাশ বছর বয়সে। এ সময়ে শরীরে বাড়তি মেদ জমে যাওয়া এবং হজমের ব্যাঘাত হওয়া, মাথার চুল পড়ে যাওয়া ও ঘুমের ব্যাঘাত হওয়া খুব স্বাভাবিক।
মানসিক পরিবর্তন : এ সময় মাসিক ঋতুস্রাব বìধ হয়ে যওয়ায় অনেক মহিলাই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। কারণ তাদের ধারণা মাসিক হওয়া মানে শরীরের বদ রক্ত যোনিপথ দিয়ে বের হয়ে যাওয়া। কাজেই এই মাসিক ঋতুচক্র বìধ হওয়া মানে বদ রক্ত শরীরে জমে গিয়ে নানা প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়া, যেমন : মাথা ধরা, চোখের জ্যোতি কমে যাওয়া, ঘুম কম হওয়া, পেট মোটা হওয়া ইত্যাদি। এতে এইসব উপসর্গের কোনোটিই মাসিক ঋতুচক্রের সাথে সম্পৃক্ত নয়। বয়স হলে শরীর মুটিয়ে যায় এবং সেই সাথে পেটেও চর্বি জমে আর চোখের জ্যোতি প্রত্যেকেরই চল্লিশ বছর বয়স হলে কমতে শুরু করে এটা প্রাকৃতিক নিয়ম।

মানসিক বিপর্যয় :
অনেক মহিলাই মেনোপজকে মন থেকে মেনে নিতে পারে না। কারণ তাদের বìধমূল ধারণা জীবনের সব কিছুই শেষ হয়ে গেল, এভাবে বাঁচার কোনো অর্থ নেই। কথাটা ঠিক না। মেনোপজ মানে জীবনের এক অধ্যায় থেকে আরেক অধ্যায়ে পদার্পণ। এই নতুন অধ্যায়টি অবাঞ্ছিত নয়। একান্তভাবে প্রয়োজনীয় ও বাঞ্ছিত। সংসারে এমন একটি মহিলার মতামতের প্রয়োজন খুবই বেশি। আর স্বামীর কাছেও যার দাম অনেক বেড়ে যায় কারণ কোনো সুচিন্তিত মতামত দিতে সে খুবই সক্ষম।
মেনোপজ হলে স্বামী সহবাসে সম্ভব কি না? এই চিন্তাধারাতে অনেক মহিলাই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের আশঙ্কা নিতান্তই বাতুলতা মাত্র। কারণ এই বয়সে প্রতিটি মহিলাই সন্তান-সন্ততি নিয়ে সুখে থাকেন। সুতরাং এই বয়সে সন্তান গর্ভে আসার বিব্রতকর চিন্তা থেকে মুক্ত হওয়ায় সে খুব আনন্দের সাথে স্বামী সহবাসে মিলিত হতে পারে এবং দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে পারে।
কিছু কিছু অসুখ-বিসুখ : বয়স চল্লিশ হলে স্বাভাবিকভাবে একজন মহিলার ব্লাড প্রেসার বাড়তে পারে। ডায়াবেটিস দেখা দিতে পারে এবং বাতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এমন অবস্খায় ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করা উচিত। যেহেতু সে মানসিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন সেহেতু এই পরিবর্তন তাকে মেনে নেয়ার জন্য মানসিকভাবে আশ্বস্ত করতে পারে। সব সময় তার প্রতি সদয় ও সহানুভূতিশীল থাকা উচিত।
চিকিৎসার প্রয়োজন আছে কি? মেনোপজ একটি প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক নিয়ম এটা খুব ভালো করে রোগিনীকে বুঝতে হবে। কারণ এটিকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে না পারার জন্যই অনেকের মধ্যে কিছু কিছু সমস্যা তৈরি হতে দেখা যায়। দেখা গেছে রোগীকে মানসিকভাবে ঠিকমতো আশ্বস্ত করতে পারলে শতকরা প্রায় পঁচাত্তরজন রোগিনী সম্পূর্ণ সুস্খ হয়ে যায়। বাকি পঁচিশজনের সামান্য চিকিৎসা যেমন দুশ্চিন্তামুক্ত করার জন্য ট্রাংকুলাইজার ও ঘুমের জন্য সিডেটিড দিতে হয়। ফিমেল হরমোনে কি দেয়া উচিত? ফিমেল হরমোন দেয়ার ব্যাপারে মতভেদ আছে। তবে কিছু কিছু সিলেকটিভ ক্ষেত্রে স্বল্পমাত্রায় অল্প দিনের জন্য ইসট্রোজেন দেয়া যেতে পারে। ধীরে ধীরে এই ইসট্রোজেন খাওয়াও বìধ করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে জরায়ুর ক্যান্সারের মতো সাঙ্ঘাতিক ঘাতক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে মেনোপজ একটি স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক অবস্খা। এটা নিয়ে অহেতুক চিন্তাভাবনা করা, দুশ্চিন্তা করা একেবারেই উচিত না।
লেখক :
সাবেক চেয়ারম্যান এবং প্রধান (গাইনি অ্যান্ড অবস), বঙ্গবìধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়।
ফোন : ৮১১৬১৭৩[/box]

বিষয়টি অনেকেই জানেন না, মহিলার মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েন, এ ক্ষেত্রে জ্ঞান দান করে তাদের মানসিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি করা সম্ভব।       

সূত্র : এখানে

অনেক ধন্যবাদ, এরকম একটা খবর শেয়ার করার জন্য। প্রো এভুলেশন সকার ও আমার বেশ ভাল লাগে। এটি সম্পর্কে জানতে এখানে দেখুন।

স্ত্রী: এতক্ষণ ধরে ওই কাগজটিতে কী দেখছ তুমি?
স্বামী: কই, কিছু না তো!
স্ত্রী: আরে, এ যে দেখি ডাহা মিথ্যে কথা বলছ। তুমি প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আমাদের কাবিননামা এত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছটা কী, শুনি?
স্বামী: না, তেমন কিছু নয়। অনেকক্ষণ ধরে খুঁজেও কেন জানি কাবিননামার মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখটা বের করতে পারলাম না।
.................................................................

স্ত্রী: আচ্ছা, তুমি সব সময় অফিসে যাওয়ার সময় ব্যাগে করে আমার ছবি নিয়ে যাও কেন?
স্বামী: অফিসে যখন আমি কোনো সমস্যায় পড়ি, তখন তোমার ছবিটি বের করে দেখলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বুঝলে?
স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো, তোমার জন্য আমি কতটা সৌভাগ্যের!
স্বামী: হুম, আমার যখন সমস্যা আসে, তখন তোমার ছবি বের করে দেখি আর নিজেকে বলি, তোমার চেয়ে তো বড় কোনো সমস্যা পৃথিবীতে থাকতে পারে না। আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট সমস্যাগুলো আর আমার কাছে সমস্যা বলে মনে হয় না।

...............................................................
মৃত্যুশয্যায় শায়িত স্বামী তার স্ত্রীকে বলছেন—
স্বামী: আমি তো আর এক মাস পর মারা যাব, তাই আমি চাই, আমার মৃত্যুর পর তুমি সাজ্জাদ সাহেবকে বিয়ে কর।
স্ত্রী: সাজ্জাদ সাহেব! বলো কি, সে তো তোমার শত্রু। আর তাকে কিনা বিয়ে করতে বলছ তুমি!
স্বামী: আমি জানি সে আমার শত্রু। সাজ্জাদকে শায়েস্তা করার এটাই তো মোক্ষম সুযোগ, বুঝলে
......................................................................
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কয়েক দিন ধরে মুখ দেখাদেখি বন্ধ। কেউ কারও সঙ্গে কথা বলেন না। আর যতটুকু বলা প্রয়োজন, তা ইশারায় জানিয়ে দেন। স্বামী দেখলেন, পরের দিন ভোরে তাঁর ফ্লাইট। তাঁকে উঠতে হবে ভোর পাঁচটায়। কিন্তু স্ত্রী যদি জাগিয়ে না দেন, তবে কিছুতেই ভোরবেলায় তাঁর ঘুম ভাঙবে না। কিন্তু তাঁরা কথাও তো বলেন না। কী আর করা! স্বামী একটা কাগজে লিখে দিলেন, ‘দয়া করে ভোর পাঁচটায় আমাকে জাগিয়ে দেবে।’ কাগজটি টেবিলের ওপর রেখে দিলেন, যাতে স্ত্রী দেখতে পান। কিন্তু পরের দিন যখন তাঁর ঘুম ভাঙল, তখন সকাল নয়টা বেজে গেছে এবং বিমানও তাঁকে ছেড়ে চলে গেছে। তিনি রেগে টং হয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তাঁকে জাগানো হলো না। এদিকে স্ত্রীও সমান তেড়িয়া, ‘এত রাগছ কেন? আমি তো তোমার ওই কাগজটিতে লিখে রেখেছি যে এখন ভোর পাঁচটা বাজে, ঘুম থেকে ওঠো। কিন্তু তুমি তো টেরই পেলে না। আমার কী দোষ?’
......................................................................
একদিন একটি ছেলে একটি মেয়েকে নিয়ে পার্কে গেল বেড়াতে,
২য় দিনও ঔ ছেলেটি অন্য আরেকটি মেয়েকে নিয়ে গেল পার্কে,
৩য় দিনও একই অবস্থা,অন্য আরেকটি মেয়েকে নিয়ে গেল পার্কে,,,,

একভদ্র্রলোক এই ছেলেটিকে তিনদিনই তিনটি মেয়ের সাথে পার্কে বসে থাকতে দেখেছে,
এখন এই ভদ্রলোক নিজে নিজেই বলতেছে,,,,
''''''মেয়েরা পাল্টে যায়'''''' big grin big grin

[box]http://www.chobimohol.com/image-499E_4C301063.jpg
তিনটি ছবি করার পর বিদায় নিয়েছেন স্পাইডারম্যান চরিত্রের নায়ক টোবি ম্যাগুইরে ও পরিচালক স্যাম রাইমি। এবার নতুন স্পাইডার ম্যান হিসেবে আসছেন অভিনেতা অ্যান্ড্রু গারফিল্ড। ২৬ বছর বয়সী এই অভিনেতা সুপার হিরোর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেবেন আগামী ডিসেম্বর থেকে। মানে তখন থেকে শুরু হবে ছবিটির শুটিং। এর আগে প্রয়াত অভিনেতা হিথ লেজারের সঙ্গে দি ইমাজিনেরিয়াম অব ডক্টর পার্নাসস ছবিতে অভিনয় করেছিলেন অ্যান্ড্রু। এখনো নাম চূড়ান্ত না হওয়া স্পাইডারম্যান সিরিজের এই ছবিটি মুক্তি পাবে ত্রিমাত্রিক প্রযুক্তিতে। পরিচালনা করবেন মার্ক ওয়েব। ওয়েবসাইট। [/box]

খবর টি পড়ে বেশ হতাশ। নায়ক টোবি ম্যাগুইরে এর জায়গাতে অন্য কাও কে বসাতে বেশ কষ্ট হবে।   

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-F78B_4C300C4A.jpg

[box]বিশ্বকাপ ফুটবলের জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে কোনামি প্রকাশ করেছে 'প্রো ইভল্যুশন সকার ১০'। জাপানে প্রকাশিত এ গেইমের গালভরা নামও আছে_'ওয়ার্ল্ড সকার: উইনিং ইলেভেন ২০১০'। গেইমটি আগের সংস্করণ থেকে উন্নত করা হয়েছে। আগের ফিচারগুলো তো আছেই। নতুন করে যোগ হয়েছে 'ক্যারিয়ার মুড'-ফিচারটি।
এ মুডে প্রথমদিকে আপনাকে বেশ কয়েকটি অনুশীলন ম্যাচ খেলতে হবে। এই অনুশীলনের মধ্য দিয়ে আপনাকে বাছাই করা হবে প্রফেশনাল ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে।
যদি আপনি দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে বাছাই হন, তাহলে আপনার সুযোগ হবে কোনো পেশাদার ক্লাবে খেলার। এর পর থেকে যত ভালো খেলবেন, তত ভালো আর বড় বড় ক্লাবে খেলার সুযোগ পেতে থাকবেন। এমনকি ডাক আসতে পারে জাতীয় দলেও।
'গেইম প্লে' অপশনে গেইমাররা পাবেন কুইক ম্যাচ, ক্যারিয়ার মুড, কাস্টম লিগ, কাপ প্রতিযোগিতা, অনলাইন প্লে এবং ট্রেনিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সব মুড। ইউরোপিয়ান লিগ, স্প্যানিশ লিগের লাইসেন্স থাকার কারণে এ গেইমে আর্সেনাল, চেলসি, রেঞ্জারস, ডায়নামো কিয়েভ এবং গালাটাসারের মতো ফুটবল ক্লাবে খেলার সুযোগ হয়েছে। প্রো ইভল্যুশন সকার ১০-এর লিগ সিস্টেম একদম সরল। এতে রয়েছে মাস্টার লিগ, লিগ কাপ, অনলাইন লিগ।
এ পর্বে অ্যানিমেশনের বেশ উন্নতি করা হয়েছে। এতে বাস্তবের বিখ্যাত খেলোয়াড়দের বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ফলে এ গেইমে লিওনেল মেসি, দ্রগবা, ওয়েন রুনি কিংবা হেনরি অঁরির মতো বিখ্যাত খেলোয়াড়ের মতো প্লেয়ার পাওয়া যাবে।
গেইমটি পিসি ছাড়াও প্লে-স্টেশন টু, প্লে-স্টেশন থ্রি, পিএসপি, এ্রক্সবক্স ৩৬০ ফ্ল্যাট ফরমেটেও খেলা যাবে।
খেলতে যা যা লাগবে :
অপারেটিং সিস্টেম: পেন্টিয়াম-৪
প্রসেসর : ২.৫ গিগাহার্জ
মেমোরি : ১ গিগাবাইট
হার্ড ড্রাইভ : ৮ গিগাবাইট
ভিডিও মেমোরি কার্ড : ১২৮ মেগাবাইট
ডাইরেক্স এক্স : ৮.১[/box]

আমি ফিফা থেকে প্রো খেলতেই বেশি পছন্দ করি, এতে রিয়্যাল একটা ভাব আছে। ফিফা তে সেই টৈস্ট টা নেই, ফিফা ২০১০ ও খারাপ না।

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-0604_4C300935.jpg

হরহামেশাই আমরা জ্বরে আক্রান্ত হই। তবে সে জ্বরের সামনে যদি ডেঙ্গু শব্দটি যুক্ত হয় তাহলে অনেকেই বিচলিত হয়ে পড়েন। আসলে কি তাই? বিশেষজ্ঞদের মতে, আর দশটা সাধারণ রোগের মতো ডেঙ্গু জ্বরেও ভয়ের কিছু নেই। এর সুচিকিৎসার সুযোগ যেমন আছে, তেমনি আছে প্রতিরোধের সব ধরনের ব্যবস্থা। লিখেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসিডেন্ট ডা. সাকলায়েন রাসেল

ডেঙ্গু জ্বর কী
ডেঙ্গু বা ডেঙ্গি (উবহ-মর) যে নামেই ডাকি না কেন এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ। 'ডেঙ্গু ভাইরাস'-এর আক্রমণে এ রোগ হয় বলে এর নাম ডেঙ্গু জ্বর। এটা একটি মেয়াদি রোগ। অর্থাৎ কোনো জটিলতা দেখা না দিলে এটা আপনাআপনিই ভালো হয়ে যেতে পারে।

ডেঙ্গু কিভাবে ছড়ায়
এডিস মশা হচ্ছে ডেঙ্গুর বাহক। এডিস মশার ঘাড়ে চড়ে এ জ্বর এক দেহ থেকে অন্য দেহে ছড়িয়ে পড়ে। অর্থাৎ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে এডিস মশা কামড়ালে রক্তের মাধ্যমে ডেঙ্গু জীবাণু মশার শরীরে যায়, পরে সেই মশা আবার যাকে কামড়ায় তার শরীরে যায়। সেই মশা সুস্থ মানুষকে কামড়ালে সেও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে মশা, মশা থেকে পুনরায় মানুষ_এভাবে চক্রাকারে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ে।

সাধারণ বা ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বর
নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে, এ জাতীয় ডেঙ্গু জ্বর জটিলতামুক্ত। অন্য সাধারণ জ্বরের মতো এ জ্বরেও দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং কখনো কখনো তা ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে। হঠাৎ কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে, প্রচণ্ড মাথাব্যথা থাকে, মাংস ও জয়েন্টে ব্যথা হয়। মাংস এবং জয়েন্টে বা মেরুদণ্ডে এত বেশি ব্যথা থাকে যে রোগী স্বাভাবিক নড়াচড়া করতেও প্রচণ্ড কষ্ট অনুভব করে। জ্বরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চোখের পেছনের দিকে বেশ ব্যথা হয় এবং রোগী আলো সহ্য করতে পারে না। মাংস বা জয়েন্ট এবং চোখের ব্যথা দিয়েই অন্যান্য জ্বর থেকে ডেঙ্গু জ্বরকে আলাদা করা যায়।
এসব উপসর্গের পাশাপাশি প্রচণ্ড দুর্বলতা, অরুচি, কনস্টিপেশন বা কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ব্যথা ইত্যাদি থাকতে পারে। ডেঙ্গু জ্বরের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো প্রথম দফা জ্বর ভালো হওয়ার দুদিন পর রোগী আবার জ্বরে আক্রান্ত হতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে দ্বিতীয় দফা জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে শরীরে র‌্যাশ বা লালচে দানা উঠতে পারে। কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিনের মধ্যে তা সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়। সব কিছু মিলিয়ে জ্বর সাধারণত সাত-আট দিন স্থায়ী হয়।

হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর
রক্তপাত সম্পর্কিত কোনো কিছু বোঝাতে মেডিক্যাল সায়েন্সে হেমোরেজিক শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ডেঙ্গু জ্বরের জটিলতায় অনেক সময় হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ত্বকের নিচে কালচে চাকা চাকা দাগ হতে পারে, দাঁতের মাঢ়ি ও নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে, চোখ লাল বর্ণ ধারণ করতে পারে এবং রক্ত বমি বা কালো পায়খানা হতে পারে।

ডেঙ্গু শক সিনড্রোম
এটা ডেঙ্গুর সর্বাপেক্ষা জটিল দশা। এ ক্ষেত্রে হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বরের পাশাপাশি নতুন কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, ব্লাডপ্রেশার কমে যাওয়া, হাত-পাসহ পুরো শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া এবং একপর্যায়ে রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে।
ডেঙ্গু জ্বর খুব কম ক্ষেত্রেই এর জটিল দশা অর্থাৎ হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর এবং ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে রূপান্তরিত হয়। তাই ডেঙ্গু হলেই রক্তপাত হবে_এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা
রক্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো প্লেটলেট বা অণুচক্রিকা। এর স্বাভাবিক পরিমাণ প্রায় আড়াই থেকে তিন লাখ। ডেঙ্গু জ্বরের কারণে এ প্লেটলেট কমে যেতে পারে। কখনো কখনো তা ১০ হাজারের নিচে নেমে যেতে পারে। তবে ৩০ হাজারের বেশি থাকা পর্যন্ত রোগীর শরীরে সাধারণত কোনো লক্ষ্মণ প্রকাশ পায় না। তাই সন্দেহ হলে রক্তের প্লেটলেট পরীক্ষা করে দেখা যেতে পারে।

চিকিৎসা
ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা সাধারণ জ্বরের মতোই। আক্রান্ত রোগীকে পৃথক বিছানায় মশারির ভেতর রাখতে হবে।
রোগী পূর্ণ বিশ্রামে থাকবে, বেশি পরিমাণে পানি খাবে, গা নরমাল পানিতে ভেজানো কাপড় দিয়ে মুছে দিতে হবে। প্রয়োজনে জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল গ্রুপের ওষুধ খেতে হবে। তবে কোনো অবস্থাতেই অ্যাসপিরিন বা এ জাতীয় ব্যথার ওষুধ খাওয়া যাবে না। হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর বা শক সিনড্রোমের উপসর্গ দেখামাত্রই রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রেও বলে রাখা ভালো, ডেঙ্গু জ্বর হলেই যে শুধু প্লেটলেট দিতে হবে, এটা ভাবার কোনো সুযোগ নেই।

প্রতিরোধ
ডেঙ্গুবাহী মশা সাধারণত পরিষ্কার পানিতে বংশবৃদ্ধি করে। তাই বংশবৃদ্ধির সুযোগ নষ্ট করাই হলো প্রতিরোধের প্রথম ধাপ।
যাঁরা শহরে বাস করেন তাঁরা হয়তো শখ করে টবে ফুলের চাষ করেন। দেখা যায়, টবে জমে থাকা পানি ডেঙ্গু মশাকে আকৃষ্ট করে বংশবৃদ্ধি করার জন্যই। তাই বাড়ির আশপাশে যাতে কোথাও পানি জমতে না পারে সে ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। বলা হয়ে থাকে, ডেঙ্গু মশা সাধারণত দিনে কামড়ায় এবং সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় বেশি কামড়ায়। এটা ঠিক। তবে সুযোগ পেলে যে রাতে ওভারটাইম করে না, এটা ঠিক নয়। তাই দিনে কিংবা রাতে যখনই ঘুমাবেন অবশ্যই মশারি ব্যবহার করবেন।

সূত্র : এখানে

দোয়া রইল।  =D  ভাল করে পরীক্ষা দিও।

dr.shamim wrote:

আমি kaspersky internet  security বাবহার করতাম। এবার নতুন কিছু বাবহার করতে চাই । norton চালাতে চাচ্ছি না। bitdefender বাবহার করলে কেমন হবে জানিনা। তোমাদের ওয়েব সাইটে bitdefender এর পজিশন 1 নমবেরে । রাজশাহী তে কী এটা পাওয়া যাবে? কী যে করি? এখন casper  টা trial চালচ্ছি ।উপায় দাও। নর্তন কিনবনা । কারণ ওটার এজেন্ট computer sourch । অর client দের সাথে ভাল বাবহার করে না। আর টাকা ছাড়া কিছুই বোঝেনা।

AVG ইন্টারনেট সিকিউরিটি SBS এডিশন টি ডাউনলোড করুন। সিরিয়াল কী আমার কাছে আছে, খুব ই জটিল। কাসপেরস্কী আগে ব্যবহার করতাম। আর আমরা বাঙালি, টাকা দিয়ে সফ্টওয়্যার কিনতে যাব কোন দুক্ষে? আমি লাইফটাইম AVG সাপোর্ট দিবো, এর বিনিময়ে ফোরামে দুটো তিনটে অজানা বিষয় জানতে হবে, রাজি তো?

dr.shamim wrote:

কিছু বিদেশী বই এর বাংলা অনুবাদ এর বই এর লিংক  চাই ওয়েব সাইট এ।

আমার আর সাইফ এর কাছে অনেক বাংলা বই আছে, ই - বুক বিভাগে নতুন টপিক এ আপনি যে বই চাচ্ছেন তা উল্লেখ করুন। (আমার মনে হচ্ছে আপনি নতুন টপিক কিভাবে করতে হয় তা বুঝতে পারছেন না)

dr.shamim wrote:

1। mojila firefox এর add on গুলো ডাউনলোড করার পর সেগুলো আলাদা ভাবে backup computer এ রাখা যাই না । আমি আগুল ডাউনলোড করে আলাদা ভাবে রাখতে চাই।কী উপায়?
2। mojila এর x-marks এ তো আমার বুকমার্ক synchrnize হচ্ছে না? কী করব?

synchrnize হবার কথা, অবশ্য পাসওয়ার্ড সহ synchrnize করতে আপনার X - marks এ একটা অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।