Topic: বিশ্বকাপের কম্পিউটার গেমস

বিশ্বকাপের কম্পিউটার গেমস
শুরু হয়ে গেছে এই গ্রহের সবেচেয়ে জাঁকজমক পূর্ণ আয়োজন ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০১০। এবারের আসর বসেছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। বিশ্বকাপের জোয়ারে গোটা দুনিয়ার মতো ভাসছে বাংলাদেশও।বাড়ির ছাদে ছাদে, দোকানের শাটারে প্রিয় দলটির পতাকা উড়িয়ে তাদের সমর্থন জানানো হয়েছে। এর হাওয়া লেগেছে কম্পিউটার গেমস-প্রেমীদের গায়েও। বিশ্বকাপ উপলক্ষে বাজারে ইতিমধ্যে এসেছে বিভিন্ন ধরনের চমৎকার সব গেম।

২০১০ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ
প্রতিটি বিশ্বকাপের সময়ই ফিফা একটি করে বিশেষ গেম বের করে, যার মধ্যে যেকোনো একটি দলকে বাছাই করে সেই দলকে নিয়ে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত আসরে খেলা যায়। ফিফার এবারের অফিশিয়াল গেমের স্লোগান হলো ‘প্রত্যেকেই খেলবে ফিফা বিশ্বকাপ’। প্রতিটি দলে থাকেন সেই দলের বিশ্বকাপ খেলোয়াড়রা।তারকা খেলোয়াড়দের খেলার গতি অন্যান্য খেলোয়াড় থেকে কিছুটা বেশি থাকে। এই খেলায় দক্ষিণ আফ্রিকায় সত্যিকারের বিশ্বকাপের ১০টি খেলার মাঠ থেকে শুরু করে প্রায় সবকিছুই রয়েছে। এ ছাড়া এই গেমে রয়েছে বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে অংশ নেওয়ার যোগ্য ১৯৯টি দল। প্রতিটি দল নিয়েই মানুষ-মানুষ বা মানুষ-কম্পিউটার নিয়ে খেলা যাবে। এটি গেম খেলার যন্ত্র (কনসোল) এক্স বক্স ৩৬০, প্লে স্টেশন থ্রি, উই, প্লে স্টেশন পোর্টেবল (পিএসপি) ও আইফোনের জন্য বের করেছে ইএ স্পোর্টস। চমৎকার এই গেমটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়।

ফিফা ২০১০
এটি ইএ স্পোর্টসের ফিফা গেম সিরিজের ১৮তম সংস্করণ। পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় গেমগুলোর একটি এটি। এক্স বক্স ৩৬০, প্লে স্টেশন থ্রি, নিনটেন্ডো উই, প্লে স্টেশন পোর্টেবল, নিনটেন্ডো ডিএস, আইপড টাচ, আইফোন ও বিভিন্ন মোবাইল ফোনের জন্য এ গেম বাজারে ছাড়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এটি জন্যপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। ফিফা ২০১০কে বলা হচ্ছে টোটাল ফুটবল এক্সিপেরিয়েন্স। মানে এটিতে ফুটবলের সব মজাই পাওয়া যাবে। এতে নতুন অনেক বৈশিষ্ট্য যোগ করা হয়েছে। বিভিন্ন ক্লাবের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পৃষ্ঠপোষকদের চেয়ে ক্লাবের পরিচালনা পর্ষদের হাতে বেশিক্ষমতা রাখা হয়েছে। এতে রয়েছে ভার্চুয়াল প্রো-ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে একজন নতুন খেলোয়াড়কে পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলা যায়। এতে খেলার জন্য ইউরোপের ৫০টি বিখ্যাত স্টেডিয়াম ব্যবহার করা যাবে।এ ছাড়া ফিফা ২০০৯-এর মতো ‘আলটিমেট টিম’ অপশনও রয়েছে। মোদ্দা কথা, ফিফার নতুন এই গেম আগেরগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে।

ফিফা ২০১০ অনলাইন
ইএ স্পোর্টস এবার ইন্টারনেটে ফিফা ফুটবল চালু করেছে। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে ফুটবলপ্রেমীরা এই খেলায় অংশ নিতে পারবেন। এতে কোনো একজন খেলোয়াড় যত বেশি খেলবেন, তাঁর গতি তত বাড়বে। এ ছাড়া নবীন খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ দিয়ে সেরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলতে নামানো যাবে এই অনলাইন গেমে। এই গেমের আরেকটি মজা হলো, এতে ম্যানেজার মুড সমর্থন করে। খেলোয়াড় নির্বাচন, খেলার ছক তৈরি করা, মধ্যমাঠের সিদ্ধান্তগুলো নেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে। এ ছাড়া লিগ মুডে রয়েছে প্রিয় ক্লাবকে নিয়ে যুদ্ধ করার মজা। প্রতিটি খেলা জয়ের সঙ্গে সঙ্গে রয়েছে খেলোয়াড়ের বিভিন্ন ইকুইপমেন্ট বাড়ানোর সুযোগ। ম্যানেজারের জন্য রয়েছে ম্যানেজারের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন আইটেম এবং খেলোয়াড়দের জন্যও একই ধরনের আইটেম রয়েছে। দলের শক্তি বাড়ানোর জন্য দামি খেলোয়াড় কেনা যায় এই খেলায়। এখানে ফুটবল স্কিল ও ম্যানেজারের দক্ষতা বাড়ে এক্সপেরিয়েন্স পয়েন্ট বাড়ার মাধ্যমে। এটি খেলা যাবে http://fifa-online.easports.com/web/beta ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে।

ফিফা ম্যানেজার ২০১০
বরাবরের মতো এবারও ইএ স্পোর্টস তাদের জনপ্রিয় গেম ফিফা ম্যানেজার ২০১০ সংস্করণ বাজারে ছেড়েছে। কম্পিউটারে ইনস্টল করার সময় এটির দুটি মুডের যেকোনো একটি বেছে নিতে হয়।একা খেলার জন্য সিঙ্গেল প্লেয়ার মুড বা একাধিক জন মিলে খেলার জন্য মাল্টিপ্লেয়ার মুড। এবারের সংস্করণে ত্রিমাত্রিক অ্যানিমেশন ও পরিবর্তনশীল ম্যানেজার ডেস্কটপ যোগ করা হয়েছে। এই খেলায় খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলার আক্রমণপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করতে পারে ম্যানেজার। এ ছাড়া স্টেডিয়াম তৈরি করা, খেলার মাঠের দর্শক বাড়ানো ইত্যাদি বিষয় ম্যানেজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এতে রয়েছে ইউইএফএ লিগ, এএফসি লিগ, ওএফসি লিগ, কনসেসেফ লিগ, কোনেমইবল লিগ, সিএএফ লিগ ইত্যাদি। নতুন এই সংস্করণে খেলোয়াড়েরা তাঁদের নিজের দেশের হয়ে খেলার জন্য ক্লাব থেকে ফিফার মাধ্যমে অনুমতি নিতে পারেন।

মেডিকেল বই এর সমস্ত সংগ্রহ - এখানে দেখুন
Medical Guideline Books


Re: বিশ্বকাপের কম্পিউটার গেমস

অনেক ধন্যবাদ, এরকম একটা খবর শেয়ার করার জন্য। প্রো এভুলেশন সকার ও আমার বেশ ভাল লাগে। এটি সম্পর্কে জানতে এখানে দেখুন।