ছোট ক্রেডিট কার্ড আকৃতির একটি চিপ ব্যবহার করে ক্ষণিকের মধ্যেই জানা যাবে ভয়াবহ ব্যাধি এইডসের খবর। ১৫ মিনিটেরও কম সময়ে 'এমচিপ' নামের এ ডিভাইসটি এইচআইভি সংক্রমণের শতভাগ নিখুঁত ফলাফল দিতে পারে।

http://i.imgur.com/DEXz7.jpg

'এমচিপ' নামের এ ডিভাইসটি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ইতোমধ্যে ব্যবহার শুরু হয়েছে। এ চিপ ব্যবহারে শতভাগ সাফল্য এসেছে আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডায়। এটি উদ্ভাবন করেছিলেন ইউনিভার্সিটি অব কলাম্বিয়ার গবেষকরা। প্লাস্টিকের তৈরি ডিভাইসটির দাম মাত্রই ১ ডলার। ডিভাইসটিতে কেবল এক ফোঁটা রক্ত পড়লে এমচিপে থাকা অপটিক সেটাকে বিশ্লেষণ করে ফলাফল জানিয়ে দিতে পারে। এ চিপটিতে রয়েছে ১০টি শনাক্তকরণ এলাকা। রক্ত যখন এসব এলাকায় প্রবেশ করে তখন এইচআইভি বা সিফিলিস রোগ আক্রান্ত হলে এটির রং বদলে যাবে। এক্ষেত্রে ফলাফল পাওয়া যাবে মাত্র ১৫ মিনিটে। চিপটির ফলাফল জানতে কেবল রংগুলোর পরিবর্তন খেয়াল করলেই চলবে। এই পদ্ধতি অনেকটাই গর্ভধারণ নির্ণয় করার মতো। এতেও যদি ফলাফল বুঝতে সমস্যা হয় তবে বিকল্প হিসেবে গবেষকরা আরও একটি 'ল্যাব' নামের শনাক্তকারী যন্ত্র তৈরি করেছেন। এটিই ফলাফল জানিয়ে দেবে।

সূত্র : বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

উপল BD wrote:

না পড়াই কি শ্রেয় নয়?

যারা কোচিং করতেছে, তাদের বোঝাও দেখি!    worried

সুজন পাল wrote:

২০০০ জন বোকা মানুষের মধ্যে একজন,

ঠিক ঠিক

dr.shamim wrote:

মেয়েদের উচিত ভাল বর পেতে।

rolling on the floor    rolling on the floor  এক্কেবারে ঠিক কথা।

আলাউদ্দিন চৌধুরী
পরীক্ষক : কুমিল্লা বোর্ড ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

ভর্তিচ্ছু প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ তোমাদের জন্য জীববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র (প্রাণিবিজ্ঞান)-এর মানবদেহ অধ্যায়ের রক্ত ও রক্তসংবহনতন্ত্রের ওপর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর উপস্থাপন করা হলো।

জীববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র (প্রাণিবিজ্ঞান)



১.    রক্তের কাজ নয় কোনটি?
ক. দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ     খ. হরমোন পরিবহন গ. PH নিয়ন্ত্রণ ঘ. অনুভূতি পরিবহন

২. মানবদেহের রক্তসঞ্চালন প্রক্রিয়ার আবিষ্কারক কে?
ক. মেন্ডেল    খ. গ্যালিলিও গ. গেলেন    ঘ. হার্ভে

৩. এন্টিবডি তৈরি করে_
ক. শ্বেতরক্তকণিকা খ. হিমোগ্লোবিন গ. লিম্ফোসাইট ঘ. মনোসাইট

৪. রক্তনালী অনুপস্থিত
ক. আবরণীকলাতে খ. যোজককলাতে গ. পেশিকলাতে ঘ. স্নায়ুকলাতে

৫. হেপারিন তৈরি করে
ক. নিউট্রোফিল    খ. বেসোফিল গ. নিউকোসাইট    ঘ. ইনসুলিন

৬.    যে শিরা ব্যতীত নিম্নের সবগুলো দূষিত রক্ত বহন করে
ক. বৃক্কীয় শিরা খ.পালমোনারী শিরা গ. যকৃত শিরা ঘ. পালমোনারী শিরা

৭.    প্লাজমা প্রোটিন নয় কোনটি?
ক. ফিব্রিনোজেন    খ. বিলিরুবিন গ. অ্যালবুমিন    ঘ. গ্লোবিউলিন

৮.    হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহ করে কোনটি?
ক. রেনাল ধমনী খ. বহিঃক্যারোটিড ধমনী গ. মেসেন্টারিক ধমনী    ঘ. করোনারী ধমনী

৯.    কোনটি রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না?
ক. হেপারিন    খ. এড্রেনালিন গ. ইনসুলিন    ঘ. বিলিরুবিন

১০. রক্তের PH নিয়ন্ত্রণ কীসের ওপর নির্ভর করে?
ক. ইন্টিজেন    খ. এন্টিবডিু    গ. বাপার    ঘ. রক্তের গ্রুপ

১১. লোহিত রক্তকণিকার উৎপত্তিস্থল নয়_
ক. অস্থিমজ্জা    খ. হৃৎপিণ্ড গ. যকৃত    ঘ. প্লীহা

১২.    লাল অস্থিমজ্জায় তৈরি হয়_
ক. লোহিত রক্তকণিকা খ. শ্বেত রক্তকণিকা গ. রক্ত অনুচক্রিকা ঘ. উপরের সবই

১৩.     হেপাটিক ধমনী একটি শাখা
ক. মহাধমনীর খ. পালমোনারী ধমনীর গ. মেসেন্টারিক ধমনীর    ঘ. সিলিয়াক ধমনীর

১৪. রক্তের PH
ক. ৪.৫-৮.০ খ. ৭.৩৬-৭.৪৫ গ. ৭.০-৮.০ ঘ. ৬.০-৭.০

১৫.    কোনটি উচ্চ রক্তচাপজনিত রোগ নয়?

ক. স্ট্রোক
খ. টিউবারকুলোসিস
গ. সাব-অ্যারাকনয়েড হেমোরেজ   
ঘ. মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন

১৬. হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি পায় কোনটির দ্বারা?
ক. ভ্যাগাস স্নায়ু
খ. পাকস্থলির সংকোচন-প্রসারণ
গ. লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা   
ঘ. সিমপ্যাথেটিক স্নায়ু

১৭.    ফিব্রিনোজেন যেখানে তৈরি হয়_
ক. অগ্ন্যাশয়    খ. যকৃত গ. শুক্রাশয়    ঘ. প্লীহা

১৮.    কণিকাবিহীন রক্তের জলীয় অংশকে বলে_
ক. প্লাজমা    খ. লসিকা গ. সিরাম    ঘ. গ্লোবিন

১৯.    রক্তের আপেক্ষিক গুরুত্ব_
ক. ১.৫০ খ. ০.৮০ গ. ২.০ ঘ. ১.০৬৫

২০. নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট লোহিত কণিকা কোন প্রাণীতে থাকে?
ক. গিনিপিগে খ. ব্যাঙে গ. মানুষে ঘ. আরশোলায়

২১.    পূর্ণ বয়স্ক ও সুস্থ মানুষের হৃদস্পন্দন_
ক. প্রতি সেকেন্ডে ৭২ বার    খ. প্রতি ঘণ্টায় ৭২ বার গ. প্রতি মিনিটে ৭২ বার    ঘ. প্রতি মিনিটে ১২০ বার

২২.    একজন পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে রক্তের পরিমাণ_
ক. ৮-১০ লিটার খ. ৩-৫ লিটার গ. ৫-৬ লিটার ঘ. ৭-৮ লিটার

২৩. লিম্ফোসাইট নামক শ্বেতকণিকা যেখানে তৈরি হয়_
ক. ফুসফুস    খ. অস্থিমজ্জা গ. বৃক্ক    ঘ. লসিকা গ্রন্থি

২৪. রক্ত জমাট বাঁধার জন্য কোনগুলোর প্রয়োজন নেই?
ক. হেপারিন    খ. অনুচক্রিকা গ. ফিব্রিনোজেন    ঘ. ইনস্যুলিন

২৫. শ্বসন জটিলতা হতে পারে কোনটির জন্য?
ক. বায়ুদূষণ    খ. পানিদূষণ গ. শব্দদূষণ    ঘ. মাটিদূষণ

২৬. হৃৎপিণ্ডের অলিন্দের সিস্টোলের সময়কাল কত?
ক. ০.৩ সেকেন্ড খ. ০.২ সেকেন্ড গ. ০.১ সেকেন্ড ঘ. ০.৭ সেকেন্ড

২৭. লসিকার আপেক্ষিক গুরুত্ব_
ক. ১.০১২    খ. ১.০১৩ গ. ১.০১৪    ঘ. ১.০১৫

২৮. শিশুদের রক্তে লিম্ফোসাইটের সংখ্যা বয়স্কদের তুলনায়_
ক. কম খ. বেশি গ. সমান ঘ. অর্ধেক

২৯. যে দুটি শিরা মিলিত হয়ে 'ইন্নমিনেট শিরা' গঠিত হয় তার মধ্যে একটি হলো
ক. সাবক্লেভিয়ান শিরা    খ. এজাইগোস শিরা গ. এক্সিলারী শিরা ঘ. সিফালিক শিরা

৩০. প্রাণীর লোহিত রক্তকণিকা পরিষ্কার পানিতে ডুবালে
ক. স্বাভাবিক থাকে খ. সংকুচিত হয় গ. স্ফীত হয়ে ফেটে যায়    ঘ. সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যায়

৩১. ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়া
ক. শুধুমাত্র নিউট্রোফিল করে    খ. শ্বেতকণিকা করে গ. ব্যাসোফিল করে    ঘ. মনোসাইট কখনো করে না

৩২. হৃৎপিণ্ডের অলিন্দের ডায়াস্টোল দশার সময়কাল
ক. ০.৭ সেকেন্ড খ. ০.৮ সেকেন্ড গ. ০.৩ সেকেন্ড ঘ. ০.১ সেকেন্ড

৩৩. অন্ত্রের সংকোচন-প্রসারণকে বলে
ক. সিস্টোল খ. ০.৮ ডায়াস্টোল গ. পেরিস্টালসিস ঘ. উপরের সবগুলোই

৩৪. ট্রাইকাস্পিড বাল্ব থাকে_
ক. ফুসফুসীয় ধমনীর মূলে    খ. বাম অলিন্দে গ. ডান অলিন্দে ঘ. বাম নিলয়ে

৩৫. হৃদপেশিতে স্নায়ু জালিকাকে বলা হয়
ক. ব্রাকিয়াল প্লেক্সাস    খ. সাইয়াটিক প্লেক্সাস গ. কার্ডিয়াক প্লেক্সাস    ঘ. সোলার প্লেক্সাস

৩৬. অক্সিজেনযুক্ত রক্ত বহন করে
ক. ইলিয়াক শিরা খ. মহাশিরা গ. পালমোনারী শিরা    ঘ. করোনারী ধমনী

৩৭. হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্টগুলোর সংকোচন প্রক্রিয়াকে বলে
ক. সিস্টোল খ. ডায়াস্টোল গ. পেরিস্টালসিস ঘ. উপরের সবগুলোই

৩৮. ধমনীতে থাকে
ক. পাতলা প্রাচীর ও নিম্ন রক্তচাপ খ. পুরু প্রাচীর ও উচ্চ রক্তচাপ গ. পাতলা প্রাচীর ও উচ্চ রক্তচাপ ঘ. পুরু প্রাচীর ও নিম্ন রক্তচাপ

৩৯. মানুষের ভ্রূণ অবস্থায় প্লীহার গুরুত্বপূর্ণ কাজ

ক. নতুন রক্তকণিকা তৈরি করা
খ. শ্বেতকণিকা তৈরি করা
গ. অনুচক্রিকা তৈরি করা
ঘ. কোনোটিই নয়।

৪০. সিস্টোলের শুরুতে অলিন্দ নিলয় কপাটিকা বন্ধের সময় যে শব্দ হয়_
ক. লাব খ. ডাব গ. মারমার ঘ. মেলোডী

[চলবে]



উত্তরমালা : ১.ঘ ২.ঘ ৩.গ ৪.ক ৫.খ ৬.খ ৭.খ ৮.ঘ ৯.ক ১০.গ ১১.খ ১২.ঘ ১৩.ঘ ১৪.খ ১৫.খ ১৬.ঘ ১৭.খ ১৮.ক ১৯.ঘ ২০.খ ২১.গ ২২.গ ২৩.ঘ ২৪.কখ ২৫.ক ২৬.গ ২৭.ঘ ২৮.খ ২৯.ক ৩০.গ ৩১.খ ৩২.ক ৩৩.গ ৩৪.গ ৩৫.গ ৩৬.গ ৩৭.ক ৩৮.খ ৩৯.ক ৪০.ক

সুত্র: ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১১ আগষ্ট ২০১১, বাংলাদেশ প্রতিদিন

সম্প্রতি টেক জায়ান্ট ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস যুক্তরাষ্ট্রে ভার্চুয়াল কিবোর্ডের পেটেন্ট পেতে আবেদন করেছে। জানা গেছে, আইবিএম আবেদনকৃত এই ভার্চুয়াল কিবোর্ডটি সাধারণ কিবোর্ডের চেয়ে অনেকদিক থেকেই আলাদা। খবর গিজম্যাগ-এর। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, আইবিএম-এর ভার্চুয়াল কিবোর্ডটির ইন্টারফেস স্বয়ংক্রিয়ভাবে আকার বদল করতে পারবে এবং ব্যবহারকারীর কিবোর্ড ব্যবহারের ধরন অনুসারে নিজেই প্রয়োজনীয় কি গুলো যথাস্থানে বসিয়ে নেবে।

http://i.imgur.com/B0ncH.jpg

ভার্চুয়াল কিবোর্ডের পেটেন্টের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে লিকুইড কিবোর্ড এবং মাইক্রোসফট মাল্টিটাচ কিবোর্ড পেটেন্ট-এর আবেদন করা হয়েছে। তবে, এগুলো অনেকটাই পরিচিত কোয়ার্টি কিবোর্ডের মতো। আইবিএম-এর আবেদনকৃত সাম্প্রতিক পেটেন্টটিতে দাবি করা হয়েছে এ কিবোর্ডটি ব্যবহারকারীর আঙ্গুলের আকার, দৈর্ঘ্য এবং গতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কাজ করবে।

অনকদিন ধরেই সামিনা চৌধুরীর নতুন কোনো গান রিলিজ হচ্ছে না। এরই মধ্যে শিল্পীর নতুন অ্যালবামের কাজ শুরু করেছেন তিনি। পাশাপাশি নিজের সন্তানদের দেখাশোনা  করছেন নিয়মিত। চ্যানেল আইতে ‘ক্ষুদে গানরাজ’ অনুষ্ঠানটির প্রধান বিচারকের  দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এর পাশাপাশি সম্প্রতি পার্থ বড়ুয়ার সাথে একটি নতুন গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। অডিও বাজারের এই মন্দা অবস্থার কারণে অনেকটা অভিমান করেই অ্যালবাম করছেন না বলে তিনি জানান।

http://i.imgur.com/ws9hE.jpg

সামিনা চৌধুরী বলেন, ‘নিয়মিত স্টেজ শো-তে গাইছি। আর ক্ষুদে গানরাজের কারণে বাচ্চাদের সাথে এত সময় কাটে যে ওদেরকে গ্রুমিং করতেই সময় চলে যায়। এরপরও বিচ্ছিন্নভাবে বেশ কিছু অ্যালবামের কাজ করেছি। আশা করি আমার এই অ্যালবামগুলো খুব শিগগিরই বাজারে মুক্তি পাবে।’

লেখক: ইশতিয়াক ইমন

http://i.imgur.com/U85pO.jpg

বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান আদিবা। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী মেয়ে। পঞ্চম, অষ্টম শ্রেণীতে বৃত্তিসহ এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সিতে রেজাল্ট সর্বোচ্চ। মেয়ে এবং বাবা মা’র তারপরও দুশ্চিন্তার শেষ নেই। কারণ মেয়ের ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ডাক্তারী পড়বে। ঘনিয়ে আসছে মেডিক্যালের ভর্তি পরীক্ষা। প্রস্তুতি বেশ ভালো থাকলেও কোন অজানা টেনশনে যেন সব গুলিয়ে যাচ্ছে। তবুও বেশ ভালো করবে বলে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে আদিবা। আদিবার মতো কয়েক হাজার শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে নিজেকে মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করতে মরিয়া। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর সরকারি বেসরকারি সকল মেডিক্যাল কলেজগুলোর ভর্তি পরীক্ষা একযোগে অনুষ্ঠিত হইবে ২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস  ও বিডিএস কোর্সের ভর্তি যুদ্ধের জন্য শিক্ষার্থীরা নিজেকে বেশ ভালোভাবে প্রস্তুত করে নিচ্ছে।

মেডিক্যাল কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এ বছর থেকে সকল সরকারি এবং বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোর বর্তমান আসন সংখ্যার ওপর ১০ শতাংশ আসন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়া বর্তমান মেডিক্যাল কলেজগুলোর পাশাপাশি নতুন করে আরও তিনটি সরকারি এবং একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সেক্টরে দক্ষ জনশক্তি গড়তে নতুন কলেজ চারটি ৫০টি করে মোট ২০০ শিক্ষার্থীর মেডিক্যালে পড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করবে। নানা ঝামেলা এবং হয়রানিকে অবসান ঘটাতে প্রথমবারের মত এ বছর ভর্তি ফরম থেকে শুরু করে জমা নেয়া কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

দেশে বর্তমানে নতুন তিনটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজসহ ২১টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজসহ ২১টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে। আর নতুন বেসরকারি ১টিসহ মোট বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে ৪৫টি। দেশে বর্তমানে সরকারি ১৮টি মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম চালাচ্ছে। যাতে মোট আসন সংখ্যা রয়েছে ২ হাজার ৪৬৫টি। এর সাথে এবার যুক্ত হবে আরও ১০ শতাংশ বর্ধিত আসনসহ নতুন তিনটি কলেজের ১৫০টি আসন। বেসরকারি ৪৫টি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির আসন রয়েছে ৩ হাজার ৪০০টি। যার সাথে নতুন করে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হবে। এছাড়া ঢাকা ডেন্টাল কলেজসহ রাজশাহী ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ সংযুক্ত ডেন্টাল ইউনিটে বিডিএস কোর্সে বর্তমানে আসন সংখ্যা রয়েছে ২১৮টি। যা ১০ শতাংশ বৃদ্ধির ফলে ২৪০ আসনে উন্নীত হবে। নতুন করে ডেন্টাল-এ পড়াশুনার জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজে ৫০ আসনের একটি ডেন্টাল অনুষদের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি ১৩টি ডেন্টাল কলেজে মোট আসন রয়েছে ৭৬৫টি।

মেডিক্যাল পড়াশুনার জন্য দেশের শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে সরকারি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ। ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে চাহিদার তুলনায় সামান্য সংখ্যক আসন। প্রতিবারই ভর্তি যুদ্ধে একটি আসনে ভর্তির জন্য শতাধিক শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে থাকে। এছাড়া শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ, শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল বরিশাল, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোর মধ্যে অন্যতম। ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় এসব কলেজগুলো থাকে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।

সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোতে শিক্ষা ব্যয় অনেক কম হলেও বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোতে পড়াশুনা অনেকটা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তর জন্য আকাশ ছোঁয়া ব্যাপার। যে কারণে সরকারি কোন মেডিক্যাল কলেজে সুযোগ না হলে অনেক মেধাবীর ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়। এদিকে বেশ কিছু বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা যায়-বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোতে সীমিত আসন সংখ্যায় শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হলেও কিছু প্রতিষ্ঠান এ ব্যাপারে মোটা অংকে উেকাচ-এর বিনিময়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করিয়ে থাকে। ইতিপূর্বে এমবিবিএস এবং বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত হলেও এবার তা এক সাথেই হবে। পরীক্ষা দুটির পদ্ধতি একই হওয়ার কারণে কোন সমস্যা হবে না বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। মেডিক্যাল ভর্তিচ্ছুক কিছু শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা গেছে অনলাইনে ভর্তি ফরম পাওয়া ও জমা দেয়া যাবে বলে তারা বেশ স্বস্তি বোধ করছেন। ইতিপূর্বে ভর্তি প্রক্রিয়া দেখে তারা বেশ শংকিত থাকলেও সে ভয় তাদের কেটে গেছে। পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে  ইতিমধ্যে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী কোচিং পদ্ধতিতে ও বাসায় টিউটর শিক্ষক দিয়ে পড়াশুনা করছে। এছাড়া রাজধানীর প্রথমসারির একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় বেশ ভালো ভাবেই তার পড়াশুনা চলেছে। তবে ব্যয় সাপেক্ষে শিক্ষা জীবনের অনেক কিছু থেকেই নিজেকে বঞ্চিত বলে মনে করেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়গুলো নজরে নিলে আরও বেশির ভাগ শিক্ষার্থী বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তিতে আগ্রহী হবে বলে মনে করেন। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একটি বেসরকারি  বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা জানান- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা শিক্ষার্থীকে অনেক কিছুই দিই। কিন্তু তা তার প্রাপ্যের অনেক কম। এছাড়া গরীব মেধাবীদের জন্য প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কিছু আসন বরাদ্দের জন্যও এ কর্মকর্তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন জানান।

ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সাথে বেশ উদ্বিগ্ন রয়েছেন তার অভিভাবকেরা। বেশ কিছু অভিভাবকের সাথে আলাপকালে তারা জানান, সন্তানকে নিয়ে প্রত্যেক বাবা মায়েরই স্বপ্ন থাকে। কিন্তু বাস্তবতায় সে স্বপ্ন অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। স্বপ্ন আছে সন্তানকে ডাক্তার হিসেবে দেখব কিন্তু এত পরিশ্রম করার পরেও যদি দেখি কোন সরকারি মেডিক্যালে সুযোগ পায়নি তবে স্বপ্নকে স্বপ্ন হিসেবেই রেখে দিতে হবে। কেননা বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে পড়ানোর মত অর্থের যোগান দিতে পারব না। অনেক অভিভাবকই বলেন সরকারের উচিত মেডিক্যাল কলেজের সংখ্যা বাড়ানো যাতে করে মেধাবী অনেক মুখকেই তার স্বপ্ন থেকে দূরে সরে যেতে না হয়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী পড়শী আক্তার বলেন-দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠে পড়তে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। নতুন ভর্তিচ্ছুকদের জন্য শুধু এতটুকু বলব ভয়কে জয় করে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী পড়াশুনা করে টেনশন ফ্রি পরীক্ষা দিলে অবশ্যই সফলতা আসবে। পরীক্ষার পূর্বে অতিরিক্ত মাত্রার টেনশনের কারণে অনেকেরই  ফলাফল ভালো হয় না। তাই সকলকে বলব ভয়ভীতি বাদ দিয়ে ভালো ভাবে পরীক্ষা দিতে হবে। মোবাইল কোম্পানী টেলিটকের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার বিনিময়ে ফরম পাওয়া যাবে। ভালো প্রতিষ্ঠানে ভর্তির আশায় অনেক শিক্ষার্থীই দ্বিতীয়বার মতো পরীক্ষা দিয়ে থাকে। তাদের ঠেকাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিশেষ ব্যবস্থা নেবে বলে জানানো হয়েছে। ঐ সব পরীক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর থেকে ৫ নম্বর কমিয়ে কাউন্ট করার মত বিষয় যুক্ত হতে পারে। ইতিপূর্বে ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষায় এ রকম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

সুত্র: ইত্তেফাক

বছর ঘুরে আবার প্রকাশিত হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল। আর কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হয়ে যাবে স্নাতক পর্যায়ের ভর্তি পরীক্ষা। ভর্তি পরীক্ষায় শুরুতেই সকলের পছন্দের শীর্ষে থাকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এখন আবার ভর্তি প্রক্রিয়ার অনেকটাই অনলাইনে সম্পন্ন হয়ে থাকে। তাই এই সময়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবের তথ্যগুলো জেনে রাখা খুব প্রয়োজন। শীর্ষস্থানীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েব তথ্য নিচে দেয়া হলো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (www.univdhaka.edu)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের ঠিকানা এটি। এই সাইটেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নানান তথ্য, ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য, বিজ্ঞপ্তি সবই রয়েছে। সাইটের উপরের দিকে ৮টি ট্যাব এবং সাইটের বাম পাশে ১৭ টি ট্যাবের মাধ্যমে সব ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে। ভর্তি তথ্যের জন্য উপরের ট্যাবগুলোর মধ্যে রয়েছে Admission নামের বিশেষ ট্যাব। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, সহশিক্ষা, বিভিন্ন অনুষদ ও প্রতিষ্ঠানের বর্ণনা, শিক্ষক, প্রাক্তণ শিক্ষার্থী সংক্রান্ত তথ্য, সবই রয়েছে এই সাইটে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (www.juniv.edu)

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে নানান তথ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই অফিসিয়াল সাইট।  এই সাইটেও বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত নানান তথ্য, অনুষদ ও বিভাগ, প্রসাশন, ক্যাম্পাস জীবন, আবাসিক হলগুলোর বর্ণনা- সবই রয়েছে এখানে। আর ভর্তিচ্ছুদের জন্য ভর্তি তথ্য, নোটিশ- এসব তথ্যও রয়েছে এখানে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (www.ru.ac.bd)

দেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েব ঠিকানা এটি। এখানেও বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত নানান তথ্যের পাশাপাশি রয়েছে ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্য। ভর্তি ফরম ও অনলাইনে পাওয়া যাবে এখান থেকেই। সাইটের শুরুতেই সর্বশেষ সব সংবাদের লিংক পাওয়া যাবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (www.cu.ac.bd)

ভর্তিচ্ছুদের জন্য আরেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল সাইট এটি। এই সাইটে শুরুতেই রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচিতি। আর তার পরে বাম পাশে ট্যাবের মধ্যেই রয়েছে ভর্তিচ্ছুদের জন্য ট্যাব। এখান থেকে সব ধরনের ভর্তি তথ্য, প্রসপেক্টাস, অনলাইন ফরম- সবই পাওয়া যাবে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (www.sust.edu)

তুলনামূলকভাবে নতুন শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে একটি গোছানো ওয়েবসাইট। এই সাইট থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত সব তথ্য পেতে পারেন আগ্রহী যে কেউ। আর ভর্তিচ্ছুদের জন্যও স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সব তথ্য রয়েছে এই সাইটে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (www.jnu.ac.bd)

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় আরো একটি নাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এটি। এই সাইটে বেশ চমত্কারভাবে সাজানো রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানান তথ্য। আর এর মূল পাতাতেই রয়েছে নতুন সব খবরাখবর। সর্বশেষ সব তথ্য, নোটিশ- এসব পাওয়া যাবে হোম পেজেই।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (www.buet.ac.bd)

বাংলাদেশের প্রকৌশল বিষয়ক শিক্ষার শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের নাম বুয়েট। বুয়েটের নানান তথ্য নিয়ে এই সাইটের উপরের দিকে রয়েছে ১০টি এবং বাম পাশে রয়েছে মোট ১৩ টি ট্যাব। এর Admission ট্যাব থেকেই পাওয়া যাবে ভর্তি সংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য।

অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়

এসব ছাড়াও রয়েছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (www.ruet.ac.bd), চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (www.cuet.ac.bd), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (www.kuet.ac.bd)। আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির নানান তথ্য পেতে রয়েছে www.nu.edu.bd

উইন্ডোজ এক্সপি’র মতন জনপ্রিয়তা লাভ না করতে পারলেও ধীরে ধীরে বাড়ছে উইন্ডোজ ৭ এর ব্যবহার। খুব অল্প সময়েই এটি পেছনে ফেলেছে উইন্ডোজ ভিসতাকে। উইন্ডোজ ৭ এর ইন্টারফেস উইন্ডোজ এক্সপি’র চেয়ে অনেকটা আলাদা। যার ফলে অনেকেই উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। উইন্ডোজ ৭ এর টাস্কবারের কিছু ফিচারকে নিজের মত করে সাজিয়ে নেয়ার জন্য কিছু টিপস নিয়ে আজকের এই লেখা। লিখেছেন সানজিদা সুলতানা

http://i.imgur.com/379db.jpg

অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে জনপ্রিয় উইন্ডোজের এক্সপি। এক্সপি’র সাফল্যের পরে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ভিসতা বাজারে আনলেও তা সাফল্য পায়নি। এর পরেই খুব দ্রুত মাইক্রোসফট নিয়ে আসে উইন্ডোজ ৭। ইউন্ডোজে এক্সপি’র মতো অভূতপূর্ব সাফল্য না পেলেও এটি জনপ্রিয়তায় ছাড়িয়ে যায় ইউন্ডোজ ভিসতাকে। আর এর নানান রকম সব নতুন ফিচারগুলো সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে তৈরি হয়েছে বলে সময়ের সাথে সাথে এর জনপ্রিয়তার গ্রাফটিও উর্ধ্বমুখী।

উইন্ডোজ এক্সপি বা উইন্ডোজ ভিসতা থেকে উইন্ডোজ ৭-এ যোগ করা হয়েচে অনেকগুলো নতুন ফিচার। বদলে দেয়া হয়েছে উইন্ডোজ লুক। বিশেষ করে বলা যঅ ইউন্ডোজ ৭ এর টাস্কবারের কথা। এই টাস্কবারটি ইউন্ডোজ এক্সপি’র তুলনায় অনেকখানি আলাদা। ম্যাক ওএস এক্স অপারেটিং সিস্টেমের ‘ডক’ এর আদল রয়েছে এই টাস্কবারে। এই টাস্কবারটিও তাই মুলত মাল্টি টাক্সিং। খুব সাধারণ কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমেই এই টাস্কবারের সক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়া যায় অনেক খানি। উইন্ডোজ ৭ এর টাস্কবার সম্পর্কিত এরকম কিছু টিপস নিয়ে আলোচনা করা হলো।

টাস্কবারের থাম্বনেইল ডিসপ্লে’র গতি বাড়াতে

উইন্ডোজ ৭ এর টাস্কবারের বড় একটি সুবিধা হচ্ছে এর টাস্কবারের আইকনগুলোর উপরে মাউস নাড়ালে যে অ্যাপ্লিকেশনগুলো চালু রয়েছে তার একটি প্রিভিউ দেখা যায়। অর্থাত্ যেকোনো আইকনের উপর আপনি কার্সর রাখলে, অ্যাপ্লিকেশনটি চালু থাকলে তার বর্তমান অবস্থাটি দেখা যাবে ছোট্ট একটি পপ-আপ উইন্ডোতে। একসাথে অনেকগুলো প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশন চালু থাকলে এই প্রিভিউ দেখাটা বেশ কাজের। তবে এই প্রিভিউ দেখানোর সময় কার্সর আইকনে রাখার পর প্রিভিউ আসার মাঝের সময়টা অনেকের কাছে একটু বেশি মনে হতে পারে। অর্থাত্ প্রিভিউ দেখার জন্য সময় বেশি লাগছে বলে মনে হতে পারে। প্রিভিউ দেখাকে আরেকটু দ্রুত করার জন্য আপনি রেজিস্ট্রি সম্পাদনা করতে পারেন। রেজিস্ট্রি সম্পাদনা করে এই সময়টি দ্রুততর করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

* প্রথমেই স্টার্ট মেন্যু থেকে সার্চ বক্সে regedit লিখে এন্টার দিন। এতে করে পিসি’র রেজিস্ট্রি এডিটর চালু হওয়ার জন্য অনুমতি চেয়ে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। ডায়লগ বক্স থেকে Run বাটনে ক্লিক করলেই চালু হবে রেজিস্ট্রি এডিটর।

* রেজিস্ট্রি এডিটরের বাম পাশ থেকে HKEY_CURRENT_USERControl PenalMouse ডিরেক্টরি নির্বাচন করুন।

* ডিরেক্টরি নির্বাচন করলে ডান পাশের বক্স থেকে Mouse Hover Time এ ডাবল ক্লিক করুন।

* যে উইন্ডোজটি চালু হয়েছে, তাতে defaulst valuet হিসেবে ৪০০ সেট করা আছে। আপনার পছন্দমতো Valueটি পরিবর্তন করুন। এই মানটি মিলিসেকেন্ড একক নির্দেশ করে। সেক্ষেত্রে ১৫০ থেকে ২০০ মান টাস্কবার থেকে অ্যাপ্লিকেশন প্রিভিউকে অনেকখানি দ্রুততর করবে।

* সবশেষে পিসি রিস্টার্ট দিলেই আপনার সেট করা নতুন Value-তে চলবে প্রিভিউ।

বি.দ্র:যে কোনো ধরনের উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি সম্পাদনা করার পূর্বে উইন্ডোজের ‘Restore points’ তৈরি করে নেয়া বাঞ্ছনীয়।

টাস্কবারের আইকন পুর্নবিন্যাস করা

উইন্ডোজ ৭ এর টাস্কবারের আইকনগুলো চাইলেই পুনর্বিন্যাস করা যায়। ইচ্ছে করলে এতে আপনি নতুন অ্যাপ্লিকেশন যেমন যোগ করতে পারেন, তেমনি টাস্কবারের থাকা কোনো অ্যাপ্লিকেশন বাদও দিতে পারেন সহজেই। এই টাস্কবার ড্র্যাগ অ্যান্ড ড্রপ সমর্থন করে বলে যেকোনো অ্যাপ্লিকেশনের আইকন টাস্কবারে এনে ছেড়ে দিলেই তা যোগ হয়ে যাবে। আবার টাস্কবারে থাকা কোনো আইকনের উপর মাউসের কার্সার রাখলে সেটি যখন হাইলাইট হবে, তখন Delete বাটনটি চাপলেই তা টাস্কবার থেকে বাদ পড়ে যাবে। আর টাস্কবারে যে আইনকনগুলো রয়েছে, সেগুলোর স্থান পরিবর্তন করতে চাইলে কেবল আইকনটিতে মাউসের দ্বারা ক্লিক করে ধরে রেখে পছন্দের জায়গায় ছেড়ে দিলেই হবে।

নোটিফিকেশন এরিয়ার নিয়ন্ত্রণ

উইন্ডোজ ৭ এর টাস্কবারের একদম ডানপাশে রয়েছে নোটিফিকেশন এরিয়া। সব ধরনের সিস্টেম অ্যালার্ট এবং ম্যাসেজগুলো প্রদর্শিত হয় এই স্থানে। পাশাপাশি অপারেটিং সিস্টেমের ব্যাকগ্রাউন্ডে সাধারণত সে প্রোগ্রামগুলো রান করে, সেগুলোই এখানে প্রদর্শিত হয়। তবে এখানে কোন সমসয়ে কোন আইকন বা ম্যাসেজগুলো প্রদর্শিত হবে, চাইলে সেটিও কাস্টমাইজ করে নেয়া যায় ইচ্ছেমতো। নোটিফিকেশনটি এরিয়াটি কাস্টমাইজ করতে চাইলে নিজের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে।

* টাস্কবারে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties নির্বাচন করতে হবে।

* যে ডায়ালগ বক্সটি আসবে, তাতে নোটিফিকেশন এরিয়া অংশে Customise বাটনে ক্লিক করতে হবে।

* এখানে প্রদর্শিত প্রতটি অ্যাপ্লিকেশনের ডান পাশে রয়েছে একটি ড্রপ ডাউন মেন্যু। এখান থেকে সবসময় প্রদর্শন করার জন্য বা না করার জন্য অথবা নির্দিষ্ট কোনো সময়ে প্রদর্শন করার জন্য অপশন আসবে। প্রতিটি অ্যাপ্লিকেশনের জন্য তা নির্বাচন করে ok ক্লিক করতে হবে। এখান থেকে ঘড়ি, নেটওয়ার্ক, ভলিউম এর মতো সিস্টেম আইকন এবং সার্ভিসগুলোও কাস্টমাইজ করা যাবে।

মাউস ছাড়াই থাম্বনেইল প্রিভিউ দেখা

পিসিতে চালু সব ধরনের অ্যাপ্লিকেশগুলো সবসময় টাস্কবারে থাকে এবং মাউসের কার্সর এর উপরে নিয়ে আসলেই প্রিভিউ দেখা যায়। তবে মাউস না থাকলেও এই প্রিভিউ দেখা সম্ভব। এর জন্য কীবোর্ড থেকে Windows কী চেপে ধরে রাখা অবস্থা ‘T’ চাপতে হবে। এতে করে সবচেয়ে বামের যে অ্যাপ্লিকেশনটি চালু রয়েছে, সেটির প্রিভিউ দেখা যাবে। এরপর আবার ‘T’ চাপতে চাপতে ক্রমান্বয়ে সবগুলো অ্যাপ্লিকেশনের প্রিভিউই দেখা যাবে। 

মাউস ছাড়া টাস্কবার থেকে অ্যাপ্লিকেশন চালু

উইন্ডোজ ৭ এর টাস্কবারে থাকা যে কোনো অ্যাপ্লিকেশনে মাউসের ক্লিক করলেই অ্যাপ্লিকেশনটি চালু হয়ে যায়। তবে মাউস না থাকলে কেবল কীবোর্ডের সাহায্যেই সরাসরি টাস্কবারের যে কোনো অ্যাপ্লিকেশন চালু করা যায়। ‘Windows’ কী এর সাথে কীবোর্ড থেকে যেকোনো সংখ্যা চাপলেই টাস্কবার থেকে অ্যাপ্লিকেশন চালু হবে। এক্ষেত্রে ‘Windows+1’ চাপলে টাস্কবারের সবচেয়ে বামে যে অ্যাপ্লিকেশনটি রয়েছে, সেটি চালু হবে। আবার‘Windows+2’ চাপলে বাম থেকে দ্বিতীয় অ্যাপ্লিকেশনটি চালু হয়ে যাবে। এভাবে ‘Windows +9’ পর্যন্ত টাস্কবারের ৯টি অ্যাপ্লিকেশন চালু করা যাবে।

একই অ্যাপ্লিকেশনের একাধিক কপি চালু করা

উইন্ডোজ ৭-এ চালু থাকা যে কোনো অ্যাপ্লিকেশনের টাস্কবারের আইকনে ক্লিক করলে ওই চালু থাকা উইন্ডোজটি সামনে চলে আসে। কিন্তু যদি একই প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশন পুনরায় চালু করতে চান, তাহলে? হ্যাঁ, মনে করুন মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে আপনার একটি ফাইল খোলা রয়েছে। এ অবস্থায় আপনি টাস্কবার থেকে ওয়ার্ডকে নতুন করে চালু করতে চান। এ কাজটিও খুব সহজেই করতে পারবেন আপনি। কীবোর্ড থেকে ‘Shift’ চেপে ধরে এই আইকনের উপর ক্লিক করলেই অ্যাপ্লিকেশনটির নতুন একটি উইন্ডো চালু হয়ে যাবে। এভাবে ‘Shift’ চেপে ধরে রেখে যতবার খুশি অ্যাপ্লিকেশনটির নতুন নতুন উইন্ডো চালু করতে পারেন।

কুইক লঞ্চবার

উইন্ডোজ ৭ এর টাস্কবারটি অনেকটা ‘ডক’ এর মতো কাজ করায় এতে আলাদা করে এক্সপি’র জনপ্রিয় ‘কুইক লঞ্চ’ টুলবারটি যোগ করা হয়নি। তবে আপনি যদি কুইক লঞ্চকে উইন্ডোজ ৭-এ ফিরিয়ে নিয়ে আসতে চান, সেটাও করতে পারবেন সহজেই। এটি করার জন্য টাস্কবারে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে ‘Toolbars’ নির্বাচন করে সাবমেন্যু থেকে ‘New Toolbar’ নির্বাচন করতে হবে। টুলবারটির নাম কুইক লঞ্চ দিয়ে এই টুলবারটির তথ্য ধারণের জন্য ফোল্ডারটির স্থান নির্ধারণ করে দিতে হবে। ফোল্ডারটি নির্বাচন করে দিলে আপনার পছন্দের এবং বেশি ব্যবহূত অ্যাপ্লিকেশনগুলোর সর্টকাট এই ফোল্ডারে রেখে দিতে হবে। তাহলেই টাস্কবারের নোটিফিকেশন এরিয়ার ঠিক বাম পাশে প্রদর্শিত হবে কুইক লঞ্চ এবং যেখানে ক্লিক করলেই আপনার পছন্দের অ্যাপ্লিকেশন লঞ্চ করার লিংক পেয়ে যাবেন।

সুত্র : ইত্তেফাক

আপাত দৃষ্টিতে আমাদের কাছে অতি ব্যবহূত ‘কলম’ নামের যন্ত্রটি আলাদা করে নজর না কাড়লেও সভ্যতার বিকাশে রয়েছে এর বিশাল অবদান। কলমের ইতিহাসও অনেক দিনের। তবে সবচেয়ে আধুনিক কলম বলতে যা বোঝায়, তা হলো বল পয়েন্ট কলম।

http://i.imgur.com/qDUN9.jpg


আর এই বল পয়েন্ট কলমের আবিস্কারক হলেন ল্যাজলো জোসেফ বিরো। ১৮৯৯ সালে হাঙ্গেরীর বুদাপেস্টে জন্ম নেয়া বিরো পেশায় ছিলেন একজন সাংবাদিক। সাংবাদিকতার কাজ করতে গিয়েই তিনি ফাউন্টেন পেন ও নানান রকম কালির ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করেন এবং শেষ পর্যন্ত বল পয়েন্ট পেন উদ্ভাবন করতে সক্ষম হন। ১৯৩১ সালে সর্বপ্রথম তিনি আন্তর্জাতিক এক মেলায় বল পয়েন্ট কলম প্রদর্শন করেন। ১৯৩৮ সালে তিনি তার প্যাটেন্ট লাভ করেন। ১৯৪৩ সালে তিনি আর্জেন্টিনায় চলে যান এবং সেখানেই বাকী জীবন কাটিয়ে দেন। ১৯৮৫ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার অবদানকে স্বীকৃতি দিতে এবং তাকে সম্মান জানাতে তার জন্মদিন ২৯ সেপ্টেম্বরকে আর্জেন্টিনায় আবিস্কারক দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

১১০

(১ replies, posted in ভিন্ন জগত)

dr.shamim wrote:

ইউনিভার্সেল টাইম ও গ্রিনউইচ টাইম থেকে আলাদা ইউটিসি।

কিন্তু অমিত আগে GMT + 6 দিতাম আর এখন UTC + 6 দেই। একি তো! কাহিনী কী?   at wits' end

কিন্তু ফাইল সনিক এ কেন?

উপল BD wrote:

সাতার প্রতিযোগিতা

সঠিক বলেছ!

বর্তমানের কম্পিউটারগুলো ইন্টারনেট ছাড়া যেন অচল হয়ে

পড়ে থাকে। আর এই কমিউনিকেশন মডিউলটি ব্যবহার করার জন্য রয়েছে কিছু ব্রাউজার। আর এমন কিছু বিখ্যাত ব্রাউজারের মধ্যে ইন্টারনেট বিশ্বে বহুল ব্যবহূত ব্রাউজার ‘মজিলা ফায়ারফক্স’। গতি ও নকশা একে অন্যান্য ব্রাউজার থেকে স্বতন্ত্র হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে। ২০০৪ সালে ব্যবহারকারীদের জন্য ফায়ারফক্স বাজারে ছাড়ে মজিলা। এসেই বাজার মাত করে এই ব্রাউজার। সাইবার বিশ্বচমকে দেওয়া এই ব্রাউজারটি তৈরি করেন ১৯ বছর বয়সী কম্পিউটার বিজ্ঞানী ব্লেইক রস।

http://i1132.photobucket.com/albums/m566/sawontheboss4/2011-08-06_1312554608.jpg

ফায়ারফক্স একটি মুক্ত সোর্স ওয়েব ব্রাউজার। মজিলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সারা বিশ্বের অনেক প্রোগ্রামারের প্রচেষ্টায় এটি তৈরি করা হয়েছে। ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কম থাকায় অনেক ব্যবহারকারী বর্তমানে ফায়ারফক্স ব্যবহার করে থাকেন। প্রাথমিকভাবে এটি মজিলা অ্যাপ্লিকেশন স্যুইট-এর অংশ হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে এটি মজলা ফাউন্ডেশনের প্রধান সফটওয়ারে পরিণত হয়েছে।

নভেম্বর ৯, ২০০৪ সালে ফায়ারফক্সের ১.০ সংস্করণ ছাড়া হয়। তার পূর্বেই এটি গণমাধ্যমে সমাদৃত হয় (যেমন ফোর্বস ম্যাগাজিন ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল)। ১.০ সংস্করণ ছাড়ার মাত্র ৯৯ দিনের মধ্যেই ফায়ারফক্স ২.৫ কোটি বার ডাউনলোড করা হয়, যার ফলে এটি সবচেয়ে বেশি ডাউনলোডকৃত মুক্ত সোর্স সফটওয়্যারের মর্যাদা লাভ করে। ২০০৫ সালের অক্টোবর ১৯ তারিখে ফায়ারফক্সের ১০ কোটিতম ডাউনলোড সংঘটিত হয়, যা প্রথম সংস্করণ ছাড়ার মাত্র ৩৪৪ দিন পরে। ২০০৫ সালের নভেম্বরে ২৯ তারিখে ফায়ারফক্সের ১.৫ সংস্করণ ছাড়া হয়, যা প্রথম ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই ২০ লাখ বার ডাউনলোড করা হয়।

ফায়ারফক্সের মধ্যে রয়েছে পপ-আপ বন্ধ করার ব্যবস্থা, ট্যাবকৃত পৃষ্ঠা প্রদর্শনের কৌশল এবং এর কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য প্রসারণ বা এক্সেটনশনের ব্যবস্থা। অন্যান্য অনেক ব্রাউজারে এসব সুবিধার কিছু কিছু গ্রহণ করা হয়েছিল, কিন্তু ফায়ারফক্সই প্রথম ব্রাউজার, যাতে সবগুলো সুবিধা যুক্ত হয়।

মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং অ্যাপল কম্পিউটারের সাফারি ব্রাউজারের বিকল্প হিসাবে ফায়ারফক্স মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। ২০০৬ সালের জুলাই মাসের হিসেব অনুযায়ী মোট ইন্টারনেট ও ওয়েব ব্যবহারকারীর প্রায় ১২% ফায়ারফক্স ব্যবহার করে থাকেন। এর মধ্যে ফিনল্যান্ডে এর প্রচলন সবচেয়ে বেশি (৪০%)।

ফায়ারফক্সে অন্তর্ভূক্ত সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে ট্যাবড ব্রাউজিং, বানান শুদ্ধ অনুসন্ধানকারী, ইনক্রিমেন্টাল ফাইণ্ড, লাইভ বুকমার্কিং এবং একটি উন্নত ডাউনলোড ম্যানেজার। এর তথ্য খোঁজার ব্যবস্থায় গুগলকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। ফায়ারফক্সের উন্নয়নে কর্মরত প্রকৌশলীদের মতে ফায়ারফক্স একটি ব্রাউজার তৈরি করেছেন, যা শুধুই ওয়েব সার্ফ করে এবং সর্বব্যাপী মানুষের জন্য সর্বোত্তম ওয়েব ব্রাউজিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রদানকারী।

ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন থিম ও সুবিধাদি যোগ করে ফায়ারফক্সকে পরিবর্তিত করে নিতে পারেন। মজিলা একটি অ্যাড অন সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে যাতে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২০০০ অ্যাড অন বা সহযোগী সফটওয়্যার ছিল।

ফায়ারফক্স ওয়েব ডেভেলপারদের জন্য একটি উপযোগী ব্যবস্থা প্রদান করে যাতে তাদেরকে তৈরি সরঞ্জামাদি প্রদান করা হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ডম ইন্সপেক্টর বা এক্সটেনশন যেমন :ফায়ারবাগ।

ফায়ারফক্স বাজারে ছাড়ার আগে ‘নেটস্কেপ’ নামে আরেকটি ব্রাউজার তৈরি করে মজিলা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা বাজার ধরতে ব্যর্থ হয়। ২০০০ সালে যখন নেটস্কেপ টিকিয়ে রাখার শেষ চেষ্টা চলছে, তখন মজিলার ক্যালিফোর্নিয়ার কার্যালয়ে শিক্ষানবিশ হিসেবে যোগ দেন ফ্লোরিডার ছেলে ব্লেইক। তখন তার বয়স মাত্র ১৫। যোগদানের পর তিনি নেটস্কেপ নিয়ে কাজ শুরু করেন। ২০০২ সালে এসে ব্লেইক নেটস্কেপের ওপেন সোর্সভিত্তিক নতুন একটি সংস্করণ তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। কাজ শেষ হওয়ার পর নেটস্কেপের নাম বদলে রাখা হয় ‘ফায়ারফক্স’।

পরে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে মজিলার নাম যুক্ত করে এর নাম রাখা হয় ‘মজিলা ফায়ারফক্স’। এবার কিন্তু সফল হয় মজিলা। ফায়ারফক্স বাজারে ছাড়ার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২০ লাখবার ডাউনলোড করা হয় ব্রাউজারটি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে এর। একসময় মাইক্রোসফটের ব্রাউজার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করে এটি। মজিলার প্রতিষ্ঠাতা ক্রিস হাফম্যান ব্লেইক সম্পর্কে বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিবিশ্বে ওপেন সোর্সের জয়জয়কার। আর ওপেনসোর্সভিত্তিক সফটওয়্যারের সাফল্য কোনো প্রতিষ্ঠান নয়, ব্যক্তির মেধার ফসল। ব্লেইকও হচ্ছে এমন ব্যক্তি, যার সফল হওয়ার সব যোগ্যতাই আছে। তার পুরো নাম ব্লেক এরন রস। বর্তমানে ব্লেইক স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন।

তিনি একজন আমেরিকান সফটয়্যার ডেভেলপার হিসেবে বিখ্যাত একজন মানুষ। বিশেষ করে তার সৃষ্টি মজিলা ফায়ারফেক্সর জন্য তাকে স্মরণ করা হবে যুগ যুগ ধরে। শুধু তাই নয়, রোলিং স্টোন ম্যাগাজিনের তালিকায় তার নাম এসেছে। এ ছাড়া ২০০৫ সালের হট লিস্টে ছিলেন তিনি।

সুত্র : ইত্তেফাক

পৃথিবীর যে কোনো প্রাণীর চেয়ে বেশি দৃষ্টি শক্তির অধিকারী হলো পেঁচা। হ্যারি পটারের কাছে চিঠি বিলি করতে আসা শত-শত পেঁচা ওড়ার দৃশ্যটা কারোই ভোলার কথা নয়। শীতের আধার রাতে টু-হুইট-টু-হুউ শব্দ শুনে অনেকেই বুঝতে পারে পেঁচা ডাকছে। কিন্তু মজার ব্যাপারটি হলো এমন ডাক কিন্তু দুটো পেঁচা মিলে ডাকে। সারা পৃথিবী জুড়ে ১৭০ ধরণের বিভিন্ন প্রজাতির পেঁচা দেখা যায় যাদের অধিকাংশই রাতের বেলা বের হয় শিকারের জন্য। আগে আমাদের দেশে গ্রামাঞ্চলে প্রচুর হুতোম পেঁচা দেখা যেত। এখনও খুঁজলে দেখা যাবে।

http://i1132.photobucket.com/albums/m566/sawontheboss4/owl.jpg

পেঁচাদের দৈহিক বৈশিষ্ট্যের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো ওদের বড় বড় গোল দুটো চোখ। একদম যেন গাড়ির সাদা হেড লাইট। চোখদুটো পেঁচার এতোই বড় যে অক্ষিগোলকের মধ্যেও সেগুলো ঢোকেনা। মাথা ঘুরিয়ে এরা প্রায় পুরোপুরি পেছনের দিকে তাকাতে পারে। একারণেই এক জায়গায় চুপটি করে বসেই ওরা চারদিকে নজর রাখতে পারে। দিনের আলো এই বড় বড় চোখের পেঁচা সইতে পারে না, একারণই বেচারা পেঁচা রাতের পাখি খেতাব পেয়ে গেল। চাকতির মতো ওদের মুখমন্ডলের সুবিধা হলো এর ফলে খুব সূক্ষ্ম শব্দের প্রতিধ্বনিও হয় এদের কানে। পেঁচার শ্রবণ শক্তি কিন্তু দুর্দান্ত। অন্ধকারে খসখস নড়াচড়ার শব্দ শুনেই সে বুঝে ফেলতে করতে পারে শিকারের অবস্থান।
পেঁচা এক মারাত্মক শিকারী পাখি। বেশির ভাগ পেঁচারই লম্বা ও ধারালো নখর আছে। পাখা দুটো বেশি না দুলিয়েই এরা উড়তে পারে, এবং সে কারণেই শব্দ না করে খোলা বাতাসে পাক খেতে পারে অনায়াসে। একবার যখন তার শিকারকে খুঁজে পায় অমনি সে বাঁকানো নখড়ের থাবা নিয়ে নেমে আসে শিকার ধরতে। ওদের খাবারে তেমন কোন বাছবিচার নেই। ক্ষুদে ইঁদুর, শুয়োপোকা, ঢোরা সাপ, ব্যাঙ - কি নেই ওদের খাবারের তালিকায়?

Dr. Subrata Kumar wrote:

sad
IMDB এ Particular Movie সম্বন্ধে সকল Data থাকে......কিন্তু ওইসব HD Movie নামাব কিভাবে ? ঐ সাইট থেকে তো নামানো যায়না, কোন ভাল সাইটের নাম জানাবে কি ? একজন আমকে Moviesdatacenter এর নাম বলেছিল, কিন্তু ওখান থেকে Direct Free download করা যায়না। নাকি টরেন্ট ছাড়া উপায় নাই ? জানালে কৃতজ্ঞ থাকতাম।  big hug

আপনাকে গোপন বার্তা তে মুভি গুলোর লিঙ্ক দিলাম।

অনেক ধন্যবাদ, মুভি টার জন্য রেপু।

সুজন পাল wrote:

*PP কি? এটা কীভাবে পরিবর্তন করা যায়? কীভাবে কোন ফ্রেন্ড কে স্ট্যাটাস/কমেন্ট এ মেনশন করা যায়।

এটা আমি নিজেও জানি না!   laughing   laughing
দারুন মজা পেলাম পড়ে।

সুজন পাল wrote:

avast internet sequrity

কাহিনী হচ্ছে Avast ফ্রী এত ভাল সার্ভিস দেই যে , এটি 7 এ আছে, তো টাকা দিয়ে ইন্টারনেট সিকিউরিটি কে কিনবে?

যেতে পারি।

sawontheboss4 wrote:
সুজন পাল wrote:

ইমেজগুলো তো এক্সপায়ার

Jetscreen এও আর আনলিমিটেড দেয় না। ভাবছি imgur.com এ আপলোড শুরু করব।

Update করে দিলাম।

সুজন পাল wrote:

ইমেজগুলো তো এক্সপায়ার

Jetscreen এও আর আনলিমিটেড দেয় না। ভাবছি imgur.com এ আপলোড শুরু করব।

উরুগুয়ের ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার তিনি। ১৯৯৫ সালের সর্বশেষ কোপা আমেরিকা জয়েও ছিলেন অধিনায়ক। সেই এনজো ফ্রান্সেকোলির এবারের ফাইনালের আগে ভয় ছিল একটিই-উত্তরসূরিদের ফিনিশিংয়ে না গড়বড় হয়ে যায়! তাহলেই তো তীরে এসে তরী ডোবানোর শঙ্কা। সড়গড় ফিনিশিংয়ে সেই শঙ্কা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিলেন ডিয়েগো ফোরলান-লুই সুয়ারেজরা। আর তাতেই ভেঙেচুরে খান খান প্যারাগুয়ের সব প্রতিরোধ। ৩-০ গোলে বিধ্বংসী জয়ে কোপা আমেরিকার ইতিহাস নতুন করে লিখল উরুগুয়ে। আর্জেন্টিনাকে ঠেলে দিয়ে লাতিন শ্রেষ্ঠত্বের সিংহাসনে এখন তাদের একক অধিকার। এটি যে উরুগুয়ের ১৫তম শিরোপা!

http://i.imgur.com/umL5j.jpg

মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামের এই আলো ঝলমল ফাইনাল কিছুটা বিবর্ণ হয়ে গিয়েছিল মাঠে গড়ানোর আগেই। কোথায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার মহারণের প্রতিশ্রুতি ছিল! সেখানে উরুগুয়ে-প্যারাগুয়ে দ্বৈরথ তো খানিকটা পানসে লাগবেই। তা লাগুক। 'লা সেলেস্তে'দের ওসব নিয়ে ভাবনার ফুরসত কই! রেফারির বাঁশি বেজে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই যে প্রতিপক্ষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তারা। গোল পেয়ে যেতে পারত শুরুতেই। চতুর্থ মিনিটেই কর্নার থেকে ডিয়েগো লুগানোর হেড পেনাল্টি বঙ্ েহাতে লাগে প্যারাগুয়ের নেস্তর অর্তিগোজার হাতে। তবুও পেনাল্টির বাঁশি বাজাননি রেফারি। উরুগুয়ের ফুটবলারদের প্রবল প্রতিবাদেও সিদ্ধান্ত পাল্টাননি তিনি। অবশ্য গোল পেতে খুব একটা অপেক্ষাও করতে হয়নি। ১১ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে নেওয়া লুই সুয়ারেজের জোরালো শট প্যারাগুয়ের দারিও ভেরনের গায়ে থেকে দিক বদলে ফেলে। সে কী বদল, একেবারে প্যারাগুয়ের জালে হয় এর আশ্রয়!
শুরুর এই গোলে একেবারে হতভম্ব হয়ে পড়ে প্যারাগুয়ে। শুরু করে গা-জোয়ারি ফুটবল। ঢিলের জবাব পাটকেলে দিতে দ্বিধা করেনি উরুগুয়ে। ফল? ১৭ থেকে ৩০_এই ১৪ মিনিটের মধ্যে চারটি হলুদ কার্ড। তবে এত সব করেও কিন্তু ম্যাচের রাশ ছিল সেই লা সেরেস্তেদের কাছে। বিশেষত শুরুতেই গোল পেয়ে যাওয়ার পর সুয়ারেজ ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। প্যারাগুয়ে রক্ষণভাগকে নিয়ে রীতিমতো ছিনিমিনি খেলেছেন তিনি। ৩২ মিনিটে তাঁর দারুণ পাসের সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে পারেনি ফোরলান। মিনিট কয়েক পর সুয়ারেজের আরেকটি বুলেট-শট একটুর জন্য বার ঘেঁষে চলে যায় বাইরে। কিন্তু এই আক্রমণের ঢেউ কতক্ষণ সামাল দেবে প্যারাগুয়ে? ৪২ মিনিটে ঠিকই আরেক গোল খেয়ে ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে যায় তারা। এবার দারুণ ফিনিশিংয়ে টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম গোলটি করেন ফোরলান।
প্রথমার্ধেই ২ গোলে পিছিয়ে। ফর্মুলা মেনে ড্র করে টাইব্রেকারে যেতে হলেও অন্তত ২ গোল চাই প্যারাগুয়ের। কিন্তু উরুগুয়ে যে এদিন ছিল অদম্য। তাদের রোখার সাধ্যি কী জুস্তো ভিলার ও তাঁর দলের! চেষ্টা অবশ্য কম করেনি তারা। ৫৪ মিনিটে ভালদেসের শট কাঁপিয়ে দেয় উরুগুয়ের বার। ৬২ মিনিটে আরেকটি মোক্ষম সুযোগও কাজে লাগাতে পারেনি ভালদেস। এ দুটোর কোনোটি জালে চলে গেলে হয়তো পাল্টে যেত পুরো ম্যাচের সমীকরণ। তা হয়নি। উল্টো আরো বেশ কয়েকবার প্যারাগুয়ের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকার কাছাকাছি চলে যায় উরুগুয়ে। শেষ পর্যন্ত সেটি করে একেবারে শেষ মুহূর্তে। বিদ্যুৎগতির কাউন্টার অ্যাটাকে সুয়ারেজ-কাভানি-ফোরলানের যোগসূত্রে হয়ে যায় তৃতীয় গোল। দারুণ এক গোল করে উৎসবের যথার্থ পূর্ণতা দেন গত বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলজয়ী ফোরলান।
এরপর রিভার প্লেটের মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম যেন জাদুমন্ত্রবলে চলে যায় লা প্লাতা নদীর ওপাশে। শত্রুভূমকে নিজেদের সাজে সাজিয়ে উন্মাতাল আনন্দে মেতে ওঠে উরুগুয়ে। ওড়ে কনফেত্তি, ঝরে আনন্দাশ্রু। এই উৎসব শুধু একটি শিরোপার জন্য নয়, নিজেদের ফিরে পাওয়ার অহং তাতে মিশে ছিল প্রবলভাবে। দুবারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন, ১৪ বারের কোপাজয়ীরা যে অনেক দিন ধরেই খুঁজে ফিরছিল নিজেদের। উরুগুয়ের কাছে এই শিরোপার মূল্য তাই শিরোপার চেয়েও বেশি।
তবে মজার ব্যাপার কী জানেন, বছরখানেক আগে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফুটবলেও দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে সফল দল ছিল উরুগুয়ে! ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার যেখানে বিদায়ঘণ্টা বেজে যায় কোয়ার্টার ফাইনালে, সেখানে উরুগুয়ে আরেক ধাপ বেড়ে ওঠে সেমিতে। উজ্জ্বল ইতিহাসের পথে পুনর্যাত্রার ইঙ্গিত ছিল সেখানে। সেটি আরেকটু উজ্জ্বল হলো এবারের কোপা জয়ে। কে জানে, ২০১৪ বিশ্বকাপেও না লাতিন ঝাণ্ডা ওড়ানোর দায় থাকে এই উরুগুয়েরই!

Google এ DNS জনিত ঝামেলা অনেক বেশি। আপনি এই টপিক টি দেখুন। এভাবে ডিএনএস ঠিক করে নিন।

Windows XP, হবার কথা!

Deb Jyoty Roy wrote:

rmcforum.com দিয়ে তো কাজ হয় না।

শুধু

rmcforum