ডা. একেএম মোস্তফা হোসেন
পরিচালক
জাতীয় বক্ষব্যাধি ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল

কাশির সঙ্গে রক্ত, ফোঁটা ফোঁটা রক্তের দাগ বা লম্বা সরু দাগ থেকে শুরু করে প্রচুর পরিমাণ রক্ত আসতে পারে। মেডিকেল ভাষায় একে হেমোপটোসিস বলে। কাশির সঙ্গে অল্প বা বেশি পরিমাণ রক্ত দেখা যাক না কেন তার সঠিক ইতিহাস জানা এবং অন্তর্নিহিত কারণ বের করা প্রয়োজন। কারণ কাশির সঙ্গে রক্ত দেখা দিলে কখনও কখনও ফুসফুসে জটিলতা সন্দেহ করা হয়, যেমন ফুসফুসে ক্যান্সার। যদি দ্রুত রোগ নির্ণয় করা যায় তা হলে সঠিক চিকিৎসা করালে বেশিরভাগ রোগই পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব, যেমন যক্ষ্মা রোগ প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে ৬ মাসের ওষুধ খেলে সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়।

http://i.imgur.com/kQXpx.jpg

নিম্নলিখিত কারণে কাশির সঙ্গে রক্ত যেতে পারে
১. ব্রংকাইটিস
২. ফুসফুসে ক্যান্সার
৩. যক্ষ্মা
৪. ব্রংকিইয়েকটেসিস
৫. ফুসফুসে ফোঁড়া
৬. পালমোনারি থ্রম্বোএম্বলিজম
৭. হার্টের ভাল্বের সমস্যা যেমন-Mitral Stenosis
৮. হার্ট ফেইলর

অন্যান্য কারণেও কাশির সঙ্গে রক্ত যেতে পারে। যেমন, বুকে আঘাতজনিত কারণে। বিভিন্ন ধরনের ভাসকুলাইটিস যেমন, (পালমোনারি শিরা-ধমনির জটিলতা)। রক্তের বিভিন্ন ধরনের রোগের কারণ যেমন, হেমোফিলিয়া। ওষুধের কারণে যেমন, ওয়ারফেরিন, ব্যথানাশক ওষুধ (ঘঝঅওউং)।
কিছু বিরল কারণ যেমন, মহিলাদের প্রতি মাসে ঋতুস্রাবের সময় কাশির সঙ্গে রক্ত যেতে পারে যাকে বলে ক্যাটামেনিয়াল হেমোপটেসিস।
প্রথমে কাশির সঙ্গে রক্ত, বমির সঙ্গে নাকি নাক-কান ও গলার কোন কারণে রক্ত যায় তা সঠিকভাবে নির্ণয় করতে হবে। অনেক সময় গলা খাকাড়ি দিলে রক্ত আসতে পারে। এজন্য রোগীর কাছ থেকে বিস্তারিত ইতিহাস জানতে হবে।

উৎস
যেমন, নাক দিয়ে রক্ত আসা, গলা ফ্যাঁস ফ্যাঁস হয়ে যাওয়া, মুখে যদি ঘা থাকে তাহলে সন্দেহ হবে যে শ্বাসনালীর ওপর অংশ থেকে রক্ত বের হচ্ছে। যেমন, সাইনোসাইটিস।
* কালচে লাল রক্ত, নোনতা লাগা, বমি বমি ভাব হওয়া, পেটে ব্যথা, মদ পান করা, পূর্বে জন্ডিসের ইতিহাস থাকলে, বমির সঙ্গে রক্ত এসেছে বলে ধারণা করা যায় এবং এর উৎস খাদ্যনালী অথবা লিভারের কারণে তা আলাদা করা কঠিন হয়ে যায়, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য এন্ডোসকপি জাতীয় পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

রক্তের রঙ ও কাশির কারণ
১. লাল পরিষ্কার ফেনাযুক্ত কাশি হেমোপটোসিস
২. কালচে লাল, নোনতা (হেমাটেমেসিস) খাদ্যনালীজনিত।
৩. গোলাপি রঙের ফেনাযুক্ত কাশি  হার্ট ফেইল
বয়সজনিত কারণ সাধারণত ৪০ বছরের আগে হলে কারণ যক্ষ্মা, হার্টের ভাল্বে সমস্যা, ৪০ বছরের পর কারণ হল, ফুসফুসে ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস, হদরোগজনিত কারণে।

কাশির সঙ্গে বেশি পরিমাণ রক্ত যায়
ফুসফুসে ক্যান্সার
যক্ষ্মা
ফুসফুসে ফোঁড়া
ব্রংকিইয়েকটেসিস

কাশির সঙ্গে অল্প পরিমাণ রক্ত যায়
ব্রংকাইটিস
নিউমোনিয়া
হার্ট ফেইলর

কাশির সঙ্গে রক্ত যাওয়ার শুরু
হঠাৎ করে কাশির সঙ্গে রক্ত যাওয়া হার্ট ফেইলুর
ক্রমাগত কাশির সঙ্গে রক্ত যাওয়া মাঝে মাঝে রক্ত যায় তাহলে ফুসফুসে ক্যান্সার সন্দেহ করা হয়।

রোগের ইতিহাস
বয়স ৪০ এর বেশি, দীর্ঘদিনের কাশি, মাঝে মাঝে হালকা রক্ত যাওয়া, দীর্ঘদিনের ধূমপানের ইতিহাস, অল্প পরিমাণ শ্লেষ্মাযুক্ত কাশি এবং আপনা আপনি রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সন্দেহ করা হয় ক্রনিক ব্রংকাইটিস।
ধূমপানজনিত কারণে কাশি, প্রথম শুকনো পরে হঠাৎ করে কাশির প্রকৃতি পরিবর্তন এবং তার সঙ্গে রক্ত ক্রমাগত বেড়ে যায়, শিল্প কারখানায় কাজের ইতিহাস, দীর্ঘদিনের ধূমপানের ইতিহাস ফুসফুসে ক্যান্সার সন্দেহ করা হয়।
দীর্ঘদিনের কাশি, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর প্রচুর কাশি, সঙ্গে প্রচুর রক্ত যাওয়া, আগে কোন ফুসফুসে প্রদাহ বা যক্ষ্মা রোগ, শ্বাসনালীতে ফরেনবডি (সিমের বীচি, পুঁথির দানা, ছোট পয়সা ইত্যাদি) ঢুকে যাওয়ার ইতিহাস থাকলে ব্রংকিইয়েকটেসিস জনিত কারণে হতে পারে।
অল্প অল্প জ্বর, বিকালের দিকে জ্বর, রাতে গা ঘামানো, খাবারে অরুচি, ধীরে ধীরে শরীর শুকিয়ে যাওয়া, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বসবাস, যক্ষ্মা রোগীর কাছে বেশি সময় থাকা, এক কক্ষে গাদাগাদি করে থাকার কারণে অনুমান করা হয় যক্ষ্মা রোগ হয়েছে।
খুব বেশি জ্বর, কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, সঙ্গে বুকে ব্যথা, কাশির সঙ্গে মরিচা রঙের কফ হলে সন্দেহ করা হয়, তার নিউমোনিয়া হয়েছে।
কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, রক্ত এবং দুর্গন্ধযুক্ত কাশি হলে ফুসফুসে ফোঁড়া হয়েছে সন্দেহ করা হয়।
হঠাৎ করে কাশির সঙ্গে রক্ত আসা, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট হলে পালমোনারি এম্বলিজম সন্দেহ করা হয়।
বুক ধড়ফড় করা, অল্প পরিশ্রমে হাঁফিয়ে যাওয়া, ছোটবেলা থেকে বাতজ্বর হওয়ার ইতিহাস থাকে তাহলে হার্টঅ্যাটাক হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়।
হঠাৎ বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট হওয়া, কাশির সঙ্গে রক্ত যাওয়া, আগে হ্রদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকলেও Heart Attack হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়।

সুত্র: দৈনিক যুগান্তর

দারুন!

ডা. এআরএম সাইফুদ্দীন একরাম
অধ্যাপক (চলতি দায়িত্ব) ও বিভাগীয় প্রধান
মেডিসিন বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ
http://i1132.photobucket.com/albums/m566/sawontheboss4/DrSaifuddinEkram.png

মেদ-ভুঁড়ি নিয়ে আর হাসি-তামাশা করা যাচ্ছে না। আগে ভুঁড়ি সচ্ছলতা এবং আভিজাত্যের পরিচয় বহন করত। ভুঁড়িদার ব্যক্তিদের খাওয়া-দাওয়া নিয়ে কিছু রসিকতাও করা হতো। কিন্তু আজকাল ভুঁড়ি একেবারেই মানানসই নয়। তার পরও অনেকের ভুঁড়ি বড় হচ্ছে_ভুঁড়িদারের কাফেলা লম্বা হচ্ছে। এটা মোটেও সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়। পেটে প্রতি কেজি অতিরিক্ত চর্বি জমার মানে, স্বাস্থ্যের ওপর হুমকি ক্রমেই বেড়ে যাওয়া।

http://i.imgur.com/fAmMM.jpg


মহিলাদের চেয়ে পুরুষের পেটে চর্বি জমা হওয়ার প্রবণতা বেশি। কারো ওজন যা-ই হোক না কেন, পেটে অতিরিক্ত চর্বি জমা নানা রকম স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করে; যেমন_
* হৃদরোগ
* উচ্চরক্তচাপ
* মস্তিষ্কের পক্ষাঘাত
* বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার
* ডায়াবেটিস (টাইপ-২)
* ইনসুলিনের প্রতিরোধ্যতা বেড়ে যাওয়া
* রক্তে ট্রাইগি্লসারাইড বাড়া
* কম ঘনত্বের ভালো কোলেস্টেরল কমে যাওয়া
* বিপাকজনিত সমস্যা
* ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে যাওয়া
পেটে অতিরিক্ত চর্বি জমেছে কি না, তা কেমন করে বোঝা যাবে? সাধারণত কটিদেশ এবং কোমরের মাপ নিয়ে তার অনুপাত নির্ণয় করলে এটা বোঝা যায়। আরেকটি সহজ উপায় হচ্ছে, শরীরের ঘনত্ব সূচক (বডি মাস ইনডেঙ্ বা বিএমআই) নির্ণয় করা। তবে যে কারো কটিদেশের মাপ জানলেই আন্দাজ করা যায় তার অবস্থা কী? সাধারণত যাদের কটি ৪০ ইঞ্চির (১০২ সে. মি.) বেশি তারা বিপদের মুখে রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে আরেকটি প্রশ্ন চলে আসে_বয়সের সঙ্গে কি ভুঁড়ির কোনো সম্পর্ক আছে?
বয়স বাড়ার পাশাপাশি কেউ যদি শরীরচর্চা বা ব্যায়াম না করে, তাহলে পেশি ক্ষয় হতে থাকে এবং এর ফলে শরীরের ক্যালরি খরচের পরিমাণ আরো কমে যায়। এ জন্য বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ভুঁড়ি বাড়তে থাকে।
স্থূলকায়ত্ব কিংবা অতিরিক্ত ওজনের জন্য অনেকে বংশগতি বা জিনকে দায়ী করে। তবে বংশগতি বা জিন যত না ওজন বাড়ার জন্য দায়ী, তার চেয়ে অনেক বেশি দায়ী আমাদের জীবনাচরণ বা লাইফ স্টাইল। যারা শারীরিক পরিশ্রম কম করে এবং বেশি খায়_তারাই মোটা হয়। তাদেরই ভুঁড়ি বাড়ে। অতিরিক্ত মদ্যপান, বিশেষত বিয়ার সেবন করাকেও ভুঁড়ি হওয়ার জন্য দায়ী করা হয়। অতএব যারা ভুঁড়ি কমাতে চায়, তাদের শরীরচর্চা ও পান সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে_কেমন করে ভুঁড়ি কমানো যায়?
ভুঁড়ি কমানো আর শরীরের ওজন কমানোর মূল সূত্র একই_ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ কমাতে হবে আর শারীরিক পরিশ্রমের পরিমাণ বাড়াতে হবে।

ক্যালরি গ্রহণ কমানোর সহজ কোনো বুদ্ধি নেই। তবে কতকগুলো কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে_
* পাতে খাবারের পরিমাণ কম নিতে হবে
* তেল-চর্বির পরিবর্তে শাক-সবজি ও ফলমূল বেশি খেতে হবে
* ফাস্টফুড যত কম খাওয়া যায়, ততই মঙ্গল
* রেস্টুরেন্টে যত কম খাওয়া যায়, ততই মঙ্গল
* রেস্টুরেন্টে গেলে অন্যদের সঙ্গে খাবার ভাগ করে খেলে কম খাওয়া হবে।
* শারীরিক পরিশ্রম বাড়াতে হবে
* সুস্বাস্থ্যের জন্য আমাদের প্রত্যেকের প্রতি সপ্তাহে আড়াই ঘণ্টা (১৫০ মিনিট) মাঝারি মানের শারীরিক ব্যায়াম করা উচিত, অথবা ৭৫ মিনিট ভারি ব্যায়াম করা দরকার। যারা ওজন কমাতে চায়, তাদের এর চেয়ে বেশি ব্যায়াম করতে হবে এবং তা নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
* যাদের পক্ষে একটানা বেশি সময় ব্যায়ামের ফুরসত নেই, তারা কাজের ফাঁকে ফাঁকে অল্প সময় কিংবা বারবার ব্যায়াম করতে পারে।
* নৈশ ভোজের পর অবশ্যই কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করতে হবে।
* একবার ওজন সঠিক মাত্রায় নিয়ে আসতে পারলে, তা বজায় রাখার জন্য যথাযথ খাদ্যাভ্যাস এবং ব্যায়াম চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।
বিশ্বাস রাখতে হবে, অতিরিক্ত মেদ-ভুঁড়ি কমানো সম্ভব। প্রয়োজন একনিষ্ঠ প্রচেষ্টা ও ধৈর্য। কয়েক কেজি অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারলেই তা চিত্তকে প্রফুল্ল করে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বহুলাংশে লাঘব করবে।

ডা. দিদারুল আহ্সান
ত্বক ও লেজার বিশেষজ্ঞ
আল রাজি লেজার স্কিন ইউনিট
ফার্মগেট, ঢাকা। ফোন-০১৭১৫৬১৬২০০

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110608-wqxu-10kb.jpg


মহিলাদের মুখে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি লোম দেখা দিলে তাকে ‘হিরসুটিজম’ বলে। যে কোনও বয়সের মহিলার বেলায়ই ব্যাপারটি অত্যন্ত বিরক্তিকর। এটি কোন কোন ক্ষেত্রে রোগের লক্ষণ বলেও ধরে নেয়া হয়। তবে অনেক সময় কোন রোগ ছাড়াও মুখে বাড়তি মাত্রায় লোম থাকতে পারে। বংশগত কারণেই এমনটি বেশি হয়ে থাকে। মহিলাদের শরীরে ‘এন্ড্রোজেন’ নামক হরমোনের আধিক্যই এ রোগের কারণ। এজন্য দুটি গ্রন্থিকে দায়ী করা হয়। একটি হল এডরিনাল এবং অপরটি নারীর ডিম্বাশয় বা ওভারি। অবিবাহিত মহিলাদের এ সমস্যা হলে তার অনিয়মিত মাসিক থেকে এমনটি হতে পারে। বিবাহিত হলে অনিয়মিত মাসিক এবং এর সঙ্গে সন্তান হওয়া বা না হওয়ার সম্পর্ক জড়িত। এ অবস্থায় অপ্রয়োজনীয় লোমকে ইলেকট্রিক মেশিনের সাহায্যে স্থায়ীভাবে নির্মূল করার পদ্ধতি ‘ইলেকট্রইপিলেশন’ করা হয়ে থাকে। যদিও লেজার প্রযুক্তি আসার পর এখন আর এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় না। এতে সফলতা শতভাগ।

লেজার দিয়ে চিকিৎসা : এটি একটি কসমেটিক চিকিৎসা। অত্যাধুনিক এ পদ্ধতি বাংলাদেশেও সফলভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এটি লোমের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি রোধ করে চুল অঙ্কুরেই নষ্ট করে দেয়। এ থেকে নির্গত আলোকরশ্মি ত্বকের কোন ক্ষতি না করে ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে চুল ধ্বংস করে।
ইনটেন্স পালস লাইট : এটি আইপিএল নামে পরিচিত। এ লেজার দুটি ভিন্ন ধরনের মিশ্রিত রশ্মির সৃষ্টি করে যা ত্বকের গভীরে ও উপরিভাগে অবস্থিত চুলকে অঙ্কুরেই নষ্ট করে। এ পদ্ধতিতে সময় অনেক কম লাগে। কারণ এ যন্ত্রের চিকিৎসা স্পট অনেক বড়। সাধারণত ৪ সপ্তাহ পরপর ৬-৮টি সিটিংয়ের প্রয়োজন হয়। এটি ব্যথামুক্ত, রক্তপাতহীন পদ্ধতি। এটি লোম দূরীকরণে শতভাগ কার্যকর একটি লেজার চিকিৎসা পদ্ধতি। বর্তমানে এ পদ্ধতি একটি যুগান্তকারী কার্যকর পদ্ধতি।
কিউসুইচড্ এনডিইয়াগ : এটিও উপরের নিয়মে কাজ করে এবং সমানভাবে কার্যকরী।

ডা. জিএম জাহাঙ্গীর হোসেন
কনসালটেন্ট-হাড়, জোড়া, ট্রমা ও আর্থোস্কোপিক সার্জারি
ডিজি ল্যাব মেডিকেল সার্ভিসেস, মিরপুর, ঢাকা


http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110608-fabs-22kb.jpg

হাড়ের বাইরের অংশ ভাঙা ও বাইরের জোড়ার (কাঁধের জোড়ার কাছে) স্থানচ্যুতি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে চিকিৎসা প্রদান করতে হবে, অন্যথায় ভবিষ্যতে জটিলতার সম্মুখীন হতে হবে। কলার বোনের বাইরের অংশ ও জোড়া (অ্যাকরোমিয়ক্লাভিকুলার জয়েন্ট) বাহুকে শরীরের সঙ্গে যুক্ত করে, কাঁধের ও পিঠের জোড়ার (স্ক্যাপুলা) নড়াচড়া এবং পেশির সমন্বয়ক মুভমেন্ট নিয়ন্ত্রণ করে
শরীরের ২০৬টি হাড়ের প্রতিটিই আঘাত বা রোগে ভেঙে যেতে পারে। যে হাড়গুলো চামড়ার কাছাকাছি থাকে তাদের ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা বেশি। বুকের উপরিভাগে, গলার দুই পাশে এবং চামড়ার কাছাকাছি দুটো হাড় থাকে। এদের ক্ল্যাভিকল বা কলার বোন বলে। এদের দৃশ্যতা ও বক্রতা সৌন্দর্য বর্ধন করে বিধায় হাড় দুটিকে বিউটি বোন বলে। অন্যান্য হাড় থেকে এদের ভিন্নতা এজন্য যে, এরা কাজ ও নড়াচড়ার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু অতি সহজেই ভেঙে যায় এবং স্থানচ্যুতি হয়। ছোটদের হাড় ফ্র্যাকচার হয় বেশি এবং বড়দের ভাঙা ও স্থানচ্যুতি দুটোই হয়। কলার বোনের দুই প্রান্তের দুটো জোড়া স্থানচ্যুতি একাকী হতে পারে বা হাড়ের যে কোন অংশ ভাঙাসহ হতে পারে। হাড়ের বাইরের অংশ ভাঙা ও বাইরের জোড়ার (কাঁধের জোড়ার কাছে) স্থানচ্যুতি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে চিকিৎসা প্রদান করতে হবে, অন্যথায় ভবিষ্যতে জটিলতার সম্মুখীন হতে হবে। কলার বোনের বাইরের অংশ ও জোড়া (অ্যাকরোমিয়ক্লাভিকুলার জয়েন্ট) বাহুকে শরীরের সঙ্গে যুক্ত করে, কাঁধের ও পিঠের জোড়ার (স্ক্যাপুলা) নড়াচড়া এবং পেশির সমন্বয়ক মুভমেন্ট নিয়ন্ত্রণ করে। সরাসরি আঘাত, কাঁধে বা হাতে পড়লে, খেলাধুলার সময় এবং যে কোন দুর্ঘটনায় কলার বোন ফ্র্যাকচার ও স্থানচ্যুতি হতে পারে। হাড়ের ফ্র্যাকচার ও স্থানচ্যুতির ফলে রোগী প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করবে, আক্রান্ত জায়গা ফুলে যায়, চামড়ার রঙ পরিবর্তন হয়, হাত নড়াচড়া করলে ব্যথা বেড়ে যায় এবং হাত দিয়ে কিছু তোলা কষ্টকর হয়। আবার রক্তনালী ও øায়ু আক্রান্ত হলে হাতে তীব্র ব্যথা ও অবশ ভাব হবে। এক্স-রে করে হাড়ের ভাঙা ও স্থানচ্যুতি সহজেই নির্ণয় করা যায়। হাড়ের মধ্যাংশ ভেঙে গেলে এবং কাছাকাছি থাকলে তিন সপ্তাহ আর্ম সিলিং ব্যবহার করলে হাড় জোড়া লেগে যায়। জোড়ার স্থানচ্যুতি অল্প হলে স্ট্রেপিং ও আর্ম সিলিং ব্যবহারে তিন সপ্তাহে রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে। কাঁধের জোড়ার স্বাভাবিক নড়াচড়া ও পেশি শক্তিশালী ব্যায়ামের মাধ্যমে পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়া সম্ভব। হাড়ের ভাঙা প্রান্ত উপর ও নিচের দিকে থাকলে চামড়া, পেশি, øায়ু ও রক্তনালীকে খোঁচা মারতে পারে। কলার বোন দৈর্ঘ্যে ছোট (ওভারল্যাপিং) হয়ে জোড়া লাগলে কাঁধের ও পিঠের (স্ক্যাপুলোথোরাসিক) জোড়ায় এবং পেশি মুভমেন্টে জটিলতা দেখা দেয়। অর্থাৎ পিঠের হাড়ের (স্ক্যাপুলা) অনিয়মিত নড়াচড়া ও ব্যথা হয় এবং পেশির শক্তি কমে যায় ও অল্প কাজেই বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। কলার বোনের বাইরের অংশে ভাঙা ও বাইরের জোড়ার স্থানচ্যুতি হলে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। যথোপযুক্ত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হলে ভবিষ্যতে কাঁধের জোড়ার ও পেশির সমস্যায় ভুগতে হয়। বর্তমানে অত্যাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় কোন রকম প্লেট, স্ক্রু, তার বা রড ব্যবহার করা হয় না। শুধু শরীরের অন্য অংশ (লেগ) থেকে অতিরিক্ত টেনডন এনে নতুন লিগামেন্ট তৈরি করে হাড়ের ভাঙা অংশ এবং স্থানচ্যুতি জোড়ায় বসানো হয়। এতে লেগের কোন অসুবিধা হয় না এবং নিয়মিত ও পরিমিত পরিচর্যার (রিহেবিলিটেশন) মাধ্যমে রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। সুতরাং কলার বোন ফ্র্যাকচার ও স্থানচ্যুতির উপযুক্ত চিকিৎসা নিতে এবং ভবিষ্যতে ভয়াবহ ক্ষতি হতে রক্ষা পেতে এ কাজে দক্ষ ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াই শ্রেয়।

সুত্র

ডা. এআরএম সাইফুদ্দীন একরাম
অধ্যাপক (চলতি দায়িত্ব) ও বিভাগীয় প্রধান
মেডিসিন বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ
http://i1132.photobucket.com/albums/m566/sawontheboss4/DrSaifuddinEkram.png

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরে হরমোনের মাত্রা পরিবর্তিত হতে থাকে। মেয়েদের নিয়মিত রজঃস্রাবের জন্য দায়ী যেসব হরমোন, সাধারণত ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়সে তা কমে যায় এবং রজঃনিবৃত্তি ঘটে। ইংরেজিতে একে মেনোপজ (Menopause) বলা হয়। পুরুষের বেলায় পুরুষত্বের জন্য দায়ী হরমোনের মাত্রা এভাবে কমে না। কিন্তু ধীরে ধীরে এর মাত্রা কমতে থাকে এবং এই পরিবর্তন কয়েক বছর ধরে চলে। একপর্যায়ে পুরুষত্বের অনেক বৈশিষ্ট্য হারিয়ে যায়। এক কথায় একে পুরুষের মেনোপজ বলা যায়। অধিকাংশ চিকিৎসাবিজ্ঞানী পুরুষত্বের বৈশিষ্ট্যগুলো লোপ পাওয়াকে অ্যান্ড্রোপজ (Andropause) বলে থাকেন।

http://monamidr12.files.wordpress.com/2008/06/male-manopose.jpg

পুরুষত্বের জন্য দায়ী মূল হরমোন টেসটোস্টেরন। টেসটোস্টেরন শরীরে কমে যাওয়ার কারণে অ্যান্ড্রোপজ হয়। মেয়েদের ক্ষেত্রে মেনোপজ বা রজঃস্রাব নিবৃত্তি হলে ডিম্বস্ফোটন (Ovulation) বন্ধ হয়ে যায় এবং নিয়মিত মাসিক রজঃস্রাব হয় না। এ পরিবর্তনগুলো খুবই দৃশ্যমান। পাশাপাশি রজঃনিবৃত্তির জন্য মহিলাদের নানাবিধ শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে থাকে। অনেক মহিলা রজঃনিবৃত্তিতে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন তীব্রভাবে অনুভব করেন; এমনকি এ জন্য তারা চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে বাধ্য হন। আবার অনেকে এসব পরিবর্তন তেমন আমলে নেন না এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন। পক্ষান্তরে পুরুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে টেসটোস্টেরনের মাত্রা কমতে থাকে। ফলে টেসটোস্টেরনের ঘাটতির ফলাফল সহজে তেমন দৃশ্যমান হয় না। এ জন্য অ্যান্ড্রোপজ কখন ঘটে যায় তা অনেক পুরুষই উপলব্ধি করতে পারে না। কিন্তু টেসটোস্টেরন হরমোনের অভাবে পুরুষের যৌনচাহিদা, মানসিক শক্তি ইত্যাদি ক্রমশ পরিবর্তিত হতে থাকে। এসব পরিবর্তন সবার অগোচরে ঘটে বিধায় অনেক সময় তা সরাসরি দৃশ্যমান হয় না। ব্যক্তিবিশেষে পুরুষের শরীরে টেসটোস্টেরন মাত্রার ব্যাপক ভিন্নতা দেখা যায়। কম বয়সী যুবকের চেয়ে স্বাভাবিকভাবে বয়স্ক পুরুষের শরীরে টেসটোস্টেরনের মাত্রা কম থাকে। বয়ঃপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে টেসটোস্টেরনের মাত্রা কমতে শুরু করে। গড়পড়তা ৩০ বছর বয়স হওয়ার পর এর মাত্রা প্রতিবছর ১ ভাগ করে কমে; সাধারণত ৭০ বছর বয়সী পুরুষের শরীরে এর মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেক কমে যায়। কারও কারও এ মাত্রা আরও কমে যেতে পারে। স্বভাবত একজন পুরুষের শরীরে টেসটোস্টেরনের মাত্রা বয়স বাড়ার জন্য কমেছে; নাকি অন্য কোন রোগব্যাধির কারণে কমেছে তা মূল্যায়নের প্রয়োজন রয়েছে। উপযুক্ত চিকিৎসা না করলে অনেক কারণেই টেসটোস্টেরনের মাত্রা কমে যায়; যেমন নিদ্রাকালীন শ্বাস আবদ্ধতা (Obstructive Sleep Apnea)

একটা প্রশ্ন সবার মনেই জাগতে পারে। কেমন করে বুঝব শরীরে টেসটোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমেছে? সাধারণত অনেক পুরুষের শরীরে টেসটোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে গেলেও তেমন কোন লক্ষণ-উপসর্গ প্রকাশ পায় না। আবার অনেকের নানা রকম লক্ষণ-উপসর্গ দেখা যায়। যেমন :
ষপুরুষের স্বাভাবিক যৌনতার পরিবর্তন। সাধারণত টেসটোস্টেরনের মাত্রা কমে গেলে পুরুষের যৌনচাহিদা হ্রাস পায়; এমনকি নপুংসকতা দেখা দিতে পারে। অনেকের অণ্ডকোষ দুটি আকারে-আকৃতিতে ছোট হয়ে যায় এবং যৌনদুর্বলতা দেখা দেয়।

ঘুমের পরিবর্তন : টেসটোস্টেরন কমে যাওয়ার ফলে অনেক পুরুষের ঘুমের ধরন বদলে যায়। আবার অনেকে নিদ্রাহীনতায় ভুগতে পারেন।

শারীরিক পরিবর্তন : টেসটোস্টেরনের মাত্রা কমার ফলে পুরুষের শরীরে নানাবিধ পরিবর্তন ঘটে থাকে। যেমন শরীরে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়, পেশির পরিমাণ কমে যায় এবং ভারী শারীরিক কসরত করার ক্ষমতা হ্রাস পায়। এছাড়া হাড়ের ঘনত্ব কমে যায়। অনেক পুরুষের স্তন বৃদ্ধি ঘটে এবং তা ব্যথাযুক্ত হতে পারে। অনেকের মাথার চুল পড়ে যায় এবং টাক দেখা যায়। এছাড়া শারীরিক শক্তি ও উদ্দীপনা ব্যাপকভাবে কমে যায় এবং কেউ কেউ হঠাৎ হঠাৎ শরীরে উত্তাপের ঝলক সৃষ্টি হয় বলে অনুভব করে থাকেন।
মানসিক পরিবর্তন : টেসটোস্টেরনের পরিমাণ কমার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষের কর্মস্পৃহা অনেক কমে যায়। কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলার পাশাপাশি অনেকে আÍবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। যৌবনের যে উৎসাহ-উদ্দীপনা, মনের জোর, সব জয় করার এক উদগ্র বাসনা তা টেসটোস্টেরনের পরিমাণ কমার ফলে কোথায় যেন উবে যায়! কোন কাজে একভাবে মনোসংযোগ করা যায় না, স্মৃতিশক্তি ক্ষীণ হয়ে আসে; এমনকি অনেকে বিভিন্ন মাত্রার বিষন্নতায় ভুগতে পারেন।
আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, বয়স বাড়ার ফলে এসব শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই ঘটতে পারে। তবে অনেক সময় অন্যান্য শারীরিক অসুখ-বিসুখ, যেমন থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা, বিষন্নতা রোগ, অতিরিক্ত মদ্যপান ইত্যাদি কিংবা ওষুধ সেবনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও এ রকম হতে পারে। সুতরাং একজন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রকৃত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যুক্তিসঙ্গত।

মহিলাদের রজঃনিবৃত্তি কোনো রোগ নয়; এটা জীবনের একটি স্বাভাবিক অমোঘ পরিবর্তন। একদিন কিশোরী যেমন রজঃস্রাব শুরুর মাধ্যমে নারীতে পরিণত হন, তেমনি রজঃনিবৃত্তির মাধ্যমে তিনি জীবনে প্রৌঢ়ত্বের অন্য এক স্তরে উপনীত হন। নারীজীবনে রজঃস্রাব শুরু হওয়া যেমন কোন অসুখ নয়, রজঃস্রাবের নিবৃত্তিও তেমন কোন ব্যাধি নয়। একই ধারাবাহিকতায় পুরুষের পরিণত বয়সে টেসটোস্টেরন কমে যাওয়ার ফলে পুরুষত্বের ইতি ঘটে, যাকে অ্যান্ড্রোপজ বলে তা-ও কোন অসুখ নয়। জীবনের একটি পরিবর্তিত ধাপ বা পর্যায়। এটাকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিয়ে জীবনের এই নতুন পর্যায়টিকে উপভোগ করা এবং আনন্দমুখর করে তোলা আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। তবে এ পরিবর্তন সম্পর্কে কোন সংশয় থাকলে কিংবা টেসটোস্টেরন কমে যাওয়া নিয়ে কোন সন্দেহ থাকলে, অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। শেষ বয়সে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় আবার টেসটোস্টেরন তৈরি হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। তবে কতগুলো বিষয় খেয়াল রাখা উপকারী।

চিকিৎসকের সঙ্গে এ বিষয়ে সরাসরি কথা বলা উপকারী। সমস্যাগুলো যদি বয়স বাড়ার কারণে না হয়ে অন্য কোন অসুখ-বিসুখ কিংবা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে হয়, তাহলে সেটার সমাধান করা যেতে পারে।
জীবনাচরণ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। যেমন: স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম ও শরীরচর্চা করা উচিত। সুস্থ জীবনাচরণ শারীরিক শক্তি ও মানসিক উদ্দীপনা বৃদ্ধির জন্য সহায়ক।

বিষন্নতার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। আগেই বলা হয়েছে টেসটোস্টেরনের মাত্রা কমে গেলে পুরুষের কর্মস্পৃহা, মানসিক উৎসাহ-উদ্দীপনা অনেক হ্রাস পায়। এছাড়া বিষন্নতা র কারণে অনেকের মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, নিঃসঙ্গ থাকতে পছন্দ করেন এবং সামাজিক কাজকর্ম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন। অনেক সময় মাত্রাতিরিক্ত কাজ করার প্রবণতা, অতিরিক্ত নেশা করা কিংবা বিপজ্জনক কাজকর্ম করাও বিষন্নতার কারণে হতে পারে। বনজ ওষুধ সেবনের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এটা খুবই পরিষ্কার যে, বয়স বাড়ার ফলে টেসটোস্টেরনের মাত্রা কমে গেলে তা গাছ-গাছড়ার পাতা-রস খেয়ে বাড়ানো যায় না। অনেক ক্ষেত্রেই এসব বনজ ওষুধের কার্যকারিতার কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং এগুলো সেবন করলে যকৃৎ কিংবা কিডনি নষ্ট হওয়ার আশংকা থেকে যায়। অনেকে কৃত্রিম উপায়ে টেসটোস্টেরন-জাতীয় ওষুধ গ্রহণ করে থাকেন। এর কার্যকারিতা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রোস্টেটের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অতএব একজন উপযুক্ত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ রকম ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।

সুত্র

ডা. এম শহীদুর রহমান
ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহেবিলিটেশন বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা

http://img143.imageshack.us/img143/6106/resized12sweat.gif

বাংলাদেশের মতো একটি উষ্ণ এবং আর্দ্র আবহাওয়ার দেশে যখন পরিবেশের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করে, তখন শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা ব্যাহত হয়। এ রকম তাপমাত্রায় যখন কেউ শারীরিক পরিশ্রম করে তখন শরীরের ভেতর আরও বেশি তাপ সৃষ্টি করে বিপত্তি ঘটায়। আমাদের শরীরে প্রতিদিন যে তাপ তৈরি হয় তা ঘাম, নির্গত শ্বাস, প্রস্রাব ও পায়খানার সঙ্গে বের হয়ে যায়। তবে প্রধানত ঘামের মাধ্যমেই শরীরে প্রতিনিয়ত তৈরি হওয়া তাপগুলো নির্গত হয়ে থাকে। শরীরের তাপ গ্রহণ যখন তাপ অপসারণের ক্ষমতাকে অতিক্রম করে তখন ভেতরের তাপ বাড়তে থাকে। তাপজনিত অসুস্থতা তখনই হয় যখন বাইরের তাপমাত্রা বেশি থাকে অথবা শরীরে ঘাম তৈরি ব্যাহত হয় অথবা অতি আর্দ্রতার জন্য ঘাম শুকাতে পারে না।

এ গরম আবহাওয়ায় বেশিরভাগ লোককে বাইরে বেরোতে হয়, কাজ করতেই হয়। তাই গ্রীষ্মকালে আমাদের দেশে নানারকম তাপজনিত অসুস্থতা লেগেই থাকে। অধিক তাপের কারণে যেসব গুরুতর অসুস্থতা দেখা যায় এবং যার কারণে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল হিট ক্র্যাম্প, হিট এক্জশন এবং হিট স্ট্রোক। এর মধ্যে হিট স্ট্রোক সবচেয়ে বেশি পরিচিত শব্দ। অন্যগুলোও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাছাড়া অতি গরমে শিশুদের পাতলা পায়খানা, নিউমোনিয়া ইত্যাদি দেখা দিতে পারে।

হিট ক্র্যাম্প
গরম আবহাওয়ায় প্রচুর ব্যায়াম করলে শরীরের তাপমাত্রা খুব না বাড়লেও পায়ের মাংসপেশীগুলোতে চিবানো ও কামড়ানো ধরনের ব্যথা হয়। একে হিট ক্র্যাম্প বলে। ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে প্রচুর লবণ বেরিয়ে গেলে এরকমটি হয়ে থাকে। খনি শ্রমিকদেরও এরকম অবস্থা প্রায়ই হয়ে থাকে সীমিত ভেন্টিলেশন ও অপর্যাপ্ত ঘাম শুকানোর জন্য। পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার স্যালাইন খেলে এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যেতে পারে।

হিট এক্জশন বা তাপজনিত ক্লান্তি
এটা হয়ে থাকে যখন শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে থাকে এবং যখন কোন ব্যক্তি গরম আবহাওয়ায় প্রচুর ব্যায়াম করে। বায়ুমণ্ডলের উচ্চ তাপমাত্রার সঙ্গে যখন আর্দ্রতার আধিক্য যোগ হয় অথবা গায়ের কাপড় পাতলা সুতির না হয় তখন শরীর তাপ অপসারণ করতে না পেরে তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তাপজনিত ক্লান্তি বা এক্জশনের উপসর্গগুলো হচ্ছে শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বেড়ে যাওয়া, ক্লান্তি, অবসন্নতা, মাংসপেশীর দুর্বলতা এবং কখনও কখনও শকে চলে যাওয়া।

চিকিৎসা
রোগীকে গরম জায়গা বা রোদ থেকে সরিয়ে ঠাণ্ডা বা ছায়ায় নিয়ে আসতে হবে। ফ্যান না থাকলে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে হবে। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে শরীর স্পঞ্জিং করিয়ে দিতে হবে। ঠাণ্ডা লবণ পানির সরবত বা খাবার স্যালাইন প্রচুর পরিমাণে পান করতে দিতে হবে। রোগীর অবস্থা বেশি খারাপ হলে বা রোগী খেতে না পারলে শিরায় স্যালাইন দিতে হবে। একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির ২৪ ঘণ্টায় ৫ লিটার তরল বা স্যালাইন লাগতে পারে। একই সঙ্গে রোগীর রক্তের ইলেক্ট্রোলাইট অবশ্যই দেখে নিতে হবে।

হিট স্ট্রোক
উষ্ণ আবহাওয়ার জন্য যেসব অসুস্থতা দেখা যায় তার মধ্যে হিট স্ট্রোক সবচেয়ে মরাÍক। শরীরের তাপমাত্রা যখন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে ওঠে এবং শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র অকেজো হয়ে পড়ে তখন গুরুতর অসুস্থতা দেখা দেয় এবং মৃত্যুর আশংকাও বেড়ে যায়। প্রচণ্ড মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব বা বমি শুরু হয়ে ক্রমান্বয়ে স্নায়ুবিক উপসর্গ দেখা যায়। রোগী কনফিউশন থেকে অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। রোগীর চামড়া প্রায়ই গরম থাকে এবং ঘাম কম হয়। রোগী যদি বয়স্ক হয় এবং আগে থেকেই অসুস্থ থাকে এন্টিকলিনার্জিং এবং ডাই ইউরেটিক ওষুধ খেয়ে থাকে অথবা মদ্য পান করে থাকে তাহলে রোগীর আরও অবনতি ঘটে। শক এবং মস্তিষ্কে ইডেমা থেকে শুরু করে নানারকম জটিলতা দেখা যায়।
চিকিৎসার জন্য রোগীকে দ্রুত আইসিইউতে নিয়ে যেতে হবে। আইসপ্যাক দিয়ে শরীর ঠাণ্ডা করতে হবে। শিরায় স্যালাইন দিতে হবে এবং অন্যান্য জটিলতার যথাযথ চিকিৎসা দিতে হবে।

সতর্কতা
১. শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে প্রথমেই তার লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় না এবং হঠাৎ করেই কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে।
২. একজন সুস্থ লোক যদি হঠাৎ করেই হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তাহলে বুঝতে হবে, আগে থেকেই তার শরীরে পানির ঘাটতি ছিল।
৩. প্রাথমিক সুস্থতার পর শরীরে তরল পদার্থের ভারসাম্য ফিরে আসতে কয়েকদিন লেগে যেতে পারে। কাজেই প্রাথমিক সুস্থতার পরপরই যদি আগের গরম আবহাওয়ায় ফিরে কাজ শুরু করে তাহলে সে আবার অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে।
গরমে অসুস্থতা পরিহার করার জন্য করণীয়
১. প্রচণ্ড গরমে বা তাপদাহে বিশেষ করে রোদের মধ্যে শারীরিক পরিশ্রম না করা।
২. যাদের গরমে পরিশ্রম করতেই হয়Ñ প্রশিক্ষণরত বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা, খেলোয়াড়রা এবং যারা ফিটনেস এক্সারসাইজ করেন এবং দিনমজুর তারা সঙ্গে কয়েক লিটার তৈরি করা ঠাণ্ডা খাবার স্যালাইন রাখবেন এবং কাজের ফাঁকে ফাঁকে খাবেন।
৩. গরমে কাজ করার সময় মাথাব্যথা বা বমি বমি ভাব হলে অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা স্থানে ফ্যানের বা পাখার বাতাসে বিশ্রাম নিতে হবে। কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে।
৪. রোদে হাঁটার সময় সাদা ছাতা ব্যবহার করতে হবে।

ধন্যবাদ!

সাইট কী subdomain এ হবে?

Forensic medicine e মনে হচ্ছে গাঁজা এর চ্যাপ্টার টা না পড়লেও চলবে!   rolling on the floor   rolling on the floor

Graphics card e কুলাচ্ছে না হইত! PC এর কনফিগ টা যদি বলতেন?

জলকণা উড়ে যায়, পথ ভুলে দূরে যায়, জলছবি পাবে পাখা, আশার মেঘেদের কোলে, বৃষ্টি সাধন হলে, চিরচেনা বরষার সহজাত কৌশলে, ভিজুক আমার এই দেহ, ভেসে যাক সন্দেহ......................

১৬৩

(৩ replies, posted in ভিন্ন জগত)

আজ সাত সকালে উঠে এই দুসংবাদ টা পেলাম! আফসোস আফসোস!

স্বাস্থ্য সব সুখের মূল। শরীর ঠিক তো যেন সব ঠিক। একটি সুস্থ ও সুন্দর জীবন যে কারও প্রতিদিনের সব কাজে প্রভাব ফেলে। আপনি একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন, স্বাস্থ্য ঠিক নেই তো সব কিছু এলোমেলো লাগছে আপনার কাছে।

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110531-gtmj-20kb.jpg

কিন্তু শরীর তো আর আপনা আপনি ভালো থাকবে না, নিয়মিত সারা দিনের কর্মব্যস্ততা আপনার শরীরকে ক্লান্ত করে তুলতেই পারে। তাই দেহকে সুস্থ, সবল আর কর্মক্ষম রাখতে আপনাকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখে এমন কিছু স্বাস্থ্য টিকা :প্রতিদিন আপনি ন্যূনতম ৬ ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস করুন। কারণ ৬ ঘণ্টা ঘুমানো একজন সাধারণ মানুষের জন্য জরুরি।

  • রাতে একটু আগে ঘুমাতে গেলেও ভোরে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। প্রথমে কষ্ট হলেও এটাকে ধীরে ধীরে অভ্যাসে পরিণত করুন।

  • প্রতিদিন কমপক্ষে আধাঘণ্টা শারীরিক ব্যায়াম করুন। তবে ব্যায়াম শুরুর আগে অবশ্যই ওয়ার্মআপ করে নিতে হবে।

  • বিশেষ কারণে প্রতিদিন সকালে শরীরচর্চা সম্ভব না হলে প্রতিদিন বিকালে হাঁটার অভ্যাস করতে পারেন।

  • ইদানীং স্বাস্থ্য সচেতন অনেক নারী-পুরুষকে জিমে যেতে দেখা যায়। আপনি যেতে পারেন সামর্থ্যবান হলে। তবে জিমে যন্ত্রপাতি ব্যবহারে প্রশিক্ষকের পরামর্শ মেনে চলা উচিত।

  • চেষ্টা করুন সবধরনের ফাস্টফুড ও তৈলাক্ত খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে। কারণ এগুলো আপনার স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়াবে।

  • শর্করাজাতীয় খাবার কখনও বেশি পরিমাণে খাবেন না।

  • সকালের খাবারের তালিকায় রাখুন রুটি এবং সবজি। তবে সঙ্গে ফল থাকলেও সমস্যা নেই।

  • শাকসবজি ও ফলমূল বেশি বেশি খাবেন। সপ্তাহে দু’দিনের বেশি গোশত না খাওয়াটাই স্বাস্থ্যসম্মত।

  • অনেকে কোমল পানীয় পান করতে খুব পছন্দ করেন। এতে প্রচুর ফ্যাট থাকে। তাই কোমল পানীয় বেশি খাওয়া উচিত নয়।

  • হালকা শারীরিক সমস্যায় ওষুধ বা অকারণে ওষুধ সেবন থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন। প্রয়োজনে চিকিত্সকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করতে হবে।

  • নেশাজাতীয় দ্রব্য (পান, সিগারেটসহ সবধরনের নেশাদ্রব্য) গ্রহণ করবেন না। এটি আপনার শারীরিক, মানসিক এবং অর্থনৈতিক তিন ধরনের ক্ষতি সাধন করে।

  • অফিসের সহকর্মী, পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের সঙ্গে সবসময় হাসিখুশিভাবে সময় কাটান। কোনো সমস্যা বোধ করলে সম্ভব হলে তা কারও সঙ্গে আলোচনা করে হালকা করে নিতে পারেন।

  • পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ভালো পরিবেশে থাকুন। নিজের পরিধেয় কাপড় সবসময় পরিষ্কার রাখুন। এতে শরীর মন দুটোই ভালো থাকে।

  • রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস হালকা গরম দুধ খেয়ে দাঁত ব্রাশ করে নিন।


  • মনে রাখতে হবে, শরীরটা আপনার। এটাকে দেখাশোনা করার দায়িত্বও আপনার। কথায় আছে সুস্থ দেহে বাস করে সুন্দর মন।

    লেখক : সাইদুর রহমান খান
    সুত্র : আমার দেশ

    ডিজিটাল ছবি তোলা ও প্রিন্ট করা আজকাল কোনো ব্যাপারই নয়। প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই রয়েছে এক বা একের অধিক ডিজিটাল কালার ল্যাব অথবা স্টুডিও, যারা ছবি তোলার পাশাপাশি যে কোনো আকারের ছবি প্রিন্টও করে থাকে।

    http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110531-ctmp-15kb.jpg


    তবে আপনাদের যদি একটি ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার এবং পিসি থেকে থাকে, তবে আপনারা ঘরে বসেই এই কাজটি করতে পারবেন। তার জন্য প্রথমে বিভিন্ন ধরনের ফটো এডিটিং টুলস্ জাতীয় সফটওয়্যার দিয়ে ডিজিটাল ছবির কোয়ালিটি বৃদ্ধি করুন। যেমন : ছবি টিফ (TIFF) ফরম্যাটে সংরক্ষণ, ছবির শার্পনেস বৃদ্ধি, ছবির কন্ট্রাস্ট ঠিক করা, বিষয়বস্তু ফুটিয়ে তোলা, ছবি সঠিকভাবে ছাঁটা, ছবির গামা ঠিক করার মাধ্যমে আপনি যে কোনো ডিজিটাল ছবি সুন্দর করতে পারবেন। ছবির কোয়ালিটি বৃদ্ধির পরের ধাপগুলো এখন জেনে নিন।


    প্রিন্টিংয়ে সঠিক কাগজ নির্বাচন
    বাজারে প্লেইন ইঙ্কজেট, হাই রেজ্যুলেশন ইঙ্কজেট, ফটো কোয়ালিটি ইঙ্কজেট, গ্লসি এবং ম্যাট এই ক’ধরনের পেপার পাওয়া যায়। খরচ কমানোর জন্য প্লেইন ইঙ্কজেট অথবা হাই রেজ্যুলেশন ইঙ্কজেট পেপার ব্যবহার করতে পারেন। গ্লসি এবং ম্যাট পেপারে সর্বোচ্চ মানের ছবি প্রিন্ট করতে পারবেন, যা শুধু সংরক্ষণ করার মতো প্রিন্টিংয়ের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা উচিত।


    সঠিক পিঠ নির্বাচন
    যখন আপনি গ্লসি পেপার নিয়ে কাজ করবেন, তখন কোন পাশটি যে প্রিন্ট করার জন্য সঠিক তা বুঝতে হয়তো আপনার সমস্যা হতে পারে। খুব ভালোভাবে লক্ষ্য করে দেখুন, যে পিঠ প্রিন্ট করতে হবে সেই পিঠটি অপেক্ষাকৃত চকচকে হয়ে থাকে। অন্যদিকে যে পিঠ প্রিন্ট না করার জন্য, তা কিছুটা খোলা অথবা সেই পিঠে কোনো জলছাপ দেয়া থাকে। আপনি যদি আপনার প্রিন্টার কোনো শুভেচ্ছা কার্ড প্রিন্টিংয়ের জন্য ব্যবহার করেন এবং কার্ডটি প্রিন্টে করার জন্য আপনাকে উভয় পাশই প্রিন্ট করতে হয়, তবে অবশ্যই নন-গ্লসি ফটো কোয়ালিটি পেপার ব্যবহার করুন।


    শুকানোর জন্য সময় দিন
    বেশিরভাগ ইঙ্কজেট প্রিন্টার থেকে প্রিন্ট বের হতে হতেই শুকিয়ে যায়। তবে ফটো কোয়ালিটি এবং গ্লসি পেপার সময় বেশি নেয়। বিশেষ কোনো পেপারে প্রিন্ট করা হলে তা ধরার আগ পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ মিনিট শুকানোর সময় দিন। যখন একই সঙ্গে অনেক ছবি প্রিন্ট করবেন, সেগুলো কখনোই প্রিন্টারের ট্রে’র ওপর ফেলে রাখবেন না এবং শুকানোর পর তা সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখুন। এছাড়াও একই স্তূপে শুকানো প্রিন্টগুলো রাখার সময় দুটি প্রিন্টের মাঝখানে একটি সাদা কাগজ রাখুন। আর ফ্রেমে রাখার আগে যে কোনো ছবি ন্যূনতম ছয় ঘণ্টা শুকিয়ে নিন।


    যথাযথ ছবি সংরক্ষণ করুন
    প্রিন্টিংকৃত ছবি দিনে দিনে বিবর্ণ হয়ে যায় যদি তা খোলা বাতাস ও আলোর স্পর্শে থাকে। তবে কোনো প্লাস্টিক বা কাঁচের নিচে রাখলে তা বিবর্ণ হওয়া থেকে সহজেই রক্ষা করা যায়। এছাড়াও দেয়ালে ছবির ফ্রেম এমন জায়গায় স্থাপন করুন যেখানে সূর্যের আলো সরাসরি পড়ে না।
    তাছাড়া আপনার অব্যবহৃত ফটো পেপারগুলো কোনো প্লাস্টিকের ব্যাগে সংরক্ষণ করুন। যে ছবিগুলো প্রিন্ট করেছেন, সেগুলোর মূল কপিও সংরক্ষণ করুন পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনে আবার প্রিন্ট নেয়ার জন্য।

    লেখক: আহসান হাবিব
    সুত্র: আমার দেশ

    maruf002 wrote:

    winSnap

    আপনি জেট্স্ক্রীন ইউজ করতে পারেন, অনেক অপ্শন পাবেন এখানে (ছবি আপলোড করে ফোরাম লিঙ্ক)

    ১৬৭

    (১ replies, posted in ৪৯ তম ব্যাচ)

    https://s-hphotos-snc6.fbcdn.net/259463_10150204833424004_797854003_6971721_1716150_o.jpg

    https://s-hphotos-ash4.fbcdn.net/258267_10150204833534004_797854003_6971723_6039290_o.jpg

    https://s-hphotos-snc6.fbcdn.net/259447_10150204833659004_797854003_6971724_2238191_o.jpg

    https://s-hphotos-snc6.fbcdn.net/240091_10150204833779004_797854003_6971726_2207936_o.jpg

    ১৬৮

    (৫ replies, posted in আত্মপরিচয়)

    ধন্যবাদ শিশির আপনাকে RMC ফোরামে সদস্য হবার জন্য। নিয়মিত হবেন। আপনার কাছ থেকে ভাল ভাল পোস্ট আশা করি।

    ১৬৯

    (৩ replies, posted in আত্মপরিচয়)

    Dr. Subrata Kumar কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, ফোরামে সদস্য হবার জন্য, আর ধন্যবাদ জানাচ্ছি লিনাক্স বেসড অপারেটিং সিষ্টেম ইউজ করার জন্য।  thumbs up

    ধন্যবাদ আপনাকে ফোরাম এর সদস্য হবার জন্য। আশা করি নিয়মিত হবেন।  thumbs up

    ১৭১

    (১১ replies, posted in ই-বুক এলাকা)

    Ganong এর টা আমার কাছে ছিল। বাকি বইগুলোর জন্য একটা রেপু। আশা করি নিয়মিত বই গুলোর লিঙ্ক দেবেন।

    ১৭২

    (২ replies, posted in কম্পিউটার বিষয়ক)

    Apon Ahamed wrote:

    dear
    sir,
    I have facing a great problem....please help me......problem ta holo,,,,Ami 1ta softwere install deta cayacilam  but  install dawar somoy dakay      windows installer....atar karon ta ke...please help me

    কোন সফ্টওয়্যার? উইনডোজ কী? সফ্টওয়্যার এর ভার্সন তাও বলবেন! সমাধান আছে।

    ১৭৩

    (০ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

    rolling on the floor

    ১৭৪

    (২ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

    rolling on the floor  rolling on the floor

    এখানে

    দেখতে পারেন!