জর্দা, সাদাপাতা, গুল ইত্যাদি সেবনে গর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। ধোঁয়াহীন এসব নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনকারী নারীদের গর্ভপাত ও মৃত সন্তান জন্ম দেওয়ার হার সাধারণ নারীদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। ঢাকা মেডিকেল কলেজের এক গবেষণা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
কলেজের শিশু বিভাগের প্রধান মো. এখলাসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘গর্ভস্থ শিশুর ওপর সিগারেটের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী নানা গবেষণা হয়েছে। কিন্তু গর্ভস্থ ও নবজাত শিশুর ওপর ধোঁয়াহীন তামাকের প্রভাব সম্পর্কে এই প্রথম একটি গবেষণা হলো। আমরা নিশ্চিত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে কোনো মা ধোঁয়াহীন তামাক গ্রহণ করলে গর্ভস্থ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিশু মারা যেতে পারে অথবা সে কম ওজন নিয়ে বা সময়ের আগে ভূমিষ্ঠ হতে পারে।’

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী প্রাপ্তবয়স্কদের ধূমপানবিষয়ক জরিপে (গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে, ২০০৯) দেখা গেছে, বাংলাদেশে ৪৫ শতাংশ পুরুষ ও ১ দশমিক ৫ শতাংশ নারী ধূমপান করেন। কিন্তু জর্দা, সাদাপাতা ও গুল ব্যবহারে নারীরা এগিয়ে আছেন। মোট ২৬ শতাংশ পুরুষ ও ২৮ শতাংশ নারী ধোঁয়াহীন তামাক গ্রহণ করে থাকেন।
বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অসংক্রামক ব্যাধি বিভাগের প্রধান মোস্তফা জামান বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে নারীদের এসব নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন কোনো দোষ বলে গণ্য হয় না। বরং কয়েক বছর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) একটি অপ্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, মেয়েরা প্রথম ধোঁয়াহীন তামাক গ্রহণ করতে শুরু করে গর্ভধারণের সময় থেকে।
কী আছে গবেষণায়: দীর্ঘ মেয়াদে ধোঁয়াহীন তামাক গ্রহণের সঙ্গে গর্ভস্থ ও নবজাত শিশুর সম্পর্কবিষয়ক গবেষণাটি চালানো হয় ২০-৪০ বছর বয়সী ৩৪০ জোড়া মা ও শিশুর (২৪ ঘণ্টার কম বয়সী) ওপর। এঁদের মধ্যে ১৭০ জন মা গড়ে প্রায় সাড়ে সাত বছর ধোঁয়াহীন তামাক গ্রহণ করেছেন, অন্যরা কোনো রকম তামাক কখনো গ্রহণ করেননি। এই মায়েরা ঢাকা মেডিকেল কলেজের স্ত্রী ও প্রসূতি বিভাগে ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সন্তান জন্ম দিয়েছেন।
দেখা গেছে, জর্দা, সাদাপাতা বা গুল ব্যবহার করেন এমন ১৭০ জন নারীর মধ্যে ৫৮ জনের গর্ভপাত ও ৬০ জনের মৃত শিশু ভূমিষ্ঠ হয়। অপর দলের ১৭০ জনের মধ্যে ১৮ জনের গর্ভপাত ও ৩৫ জনের মৃত শিশু জন্মায়।
এ ছাড়া ধোঁয়াহীন তামাকসেবী মায়েদের সময়ের আগে সন্তান জন্ম দেওয়ার হার ২ দশমিক ৯ গুণ এবং স্বল্প ওজনের সন্তান জন্ম দেওয়ার হার ৩ দশমিক ৩ গুণ বেশি।
গবেষণায় দেখা যায়, জর্দা, সাদাপাতা ও গুল সেবনকারী মায়ের ৭৫ জনের সময়ের আগেই এবং ১০৫ জনের কম ওজনের শিশু জন্মেছে।
ওই গবেষণাটি বলছে, নিকোটিন খেলে রক্তনালি সংকুচিত হয়ে জরায়ুতে রক্ত সরবরাহ কমে যায়। এতে গর্ভস্থ শিশু ধারাবাহিকভাবে কম অক্সিজেন পায়। ফলে শিশুর মৃত্যুও হতে পারে। আর ধোঁয়াহীন তামাকে সিগারেটের তুলনায় নিকোটিন ও ক্যানসার সৃষ্টিতে দায়ী উপাদান বেশি থাকে। এক মাত্রার সিগারেটে নিকোটিনের মাত্রা এক মিলিগ্রাম। কিন্তু এক মাত্রার ধোঁয়াহীন তামাকে নিকোটিনের মাত্রা ৪ দশমিক ৫ মিলিগ্রাম।
শিশু মৃত্যুর হার কমলেও বাংলাদেশে এখনো নবজাতক মৃত্যুর হার উদ্বেগজনক। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন এ গবেষণার তথ্য সবার কাছে পৌঁছে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকেরা।
বাংলাদেশের বাজারে অনেক ব্র্যান্ডের জর্দা বাহারি কৌটায় বিক্রি হচ্ছে। এসব কৌটায় বিএসটিআইয়ের সিল ব্যবহার হচ্ছে এবং মানুষকে জর্দা কেনায় আগ্রহী করতে কৌটার গায়ে রাজকীয় সব ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
তামাকবিরোধী সংগঠন ওয়ার্ক ফর বেটার বাংলাদেশের সমন্বয়ক আমিনুল ইসলাম বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনে ধোঁয়াহীন তামাক উৎপাদন ও বিপণনের ক্ষেত্রে কোনো শাস্তির বিধান রাখা হয়নি। ফলে কখনোই জর্দা, সাদাপাতা ও গুলের প্রসার বন্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সুত্র

দারুন লাগলো! আমরাও আরএফএসটি তে অনেক মজা করছি!

bilashkhan wrote:

help me pls for download symphony modem diver in windows 7 bit 64 vertion

32 bit এর টা নামলে দেখবেন vcredistx64 নামে একটা ফাইল আছে, পিসি সুইট ইন্সটল করার আগে ওটা ইন্সটল করলেই হবে।

dr.shamim wrote:

symphony বেটারা এটা কি করল?

ওদের ভরসা নাই, সবসময় লিঙ্ক mediafire এ আপলোড করে দেবেন, টেন্সন ফ্রী!

গ্রামীণফোন – *111*8*2#
রবি – কল করুন এই নাম্বারে 1200 এবং প্রেস করুন  4 (এটি ফ্রি, কোন চার্জ প্রযোজ্য নয়)
বাংলালিংক – *666#
এয়ারটেল – *121*6*3#

অনেক সময় ব্যালান্স না থাকলে মোবাইল নম্বর জানা কস্ট হয়ে পড়ে! এভাবে ডায়াল করে জেনে নিন আপনার নিজের মোবাইল নম্বর।

আশিকুর_নূর wrote:

কুক্ষাত বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে

rolling on the floor   rolling on the floor  নামটা বলে ফেলেন! not worthy

১৮২

(৬ replies, posted in আত্মপরিচয়)

আমার দেশের বাড়িও কিন্তু যশোরে। ঝিকরগাছা তে! দেশী মানুষকে কে আরএমসি ফোরামে স্বাগতম। আশা করি নিয়মিত হবেন, আমাদের সাথে থাকলে আমরা যেমন একজন কবি কে পাব, তেমনি অনেক তথ্য ও আপনার সাথে শেয়ার করতে পারব।

বৃষ্টির দিনে এই কবিতা র জন্য একটা রেপু।

shasbikal wrote:

মৌ-মিতা। 

এই নামে সত্তিই কেও ছিল নাকি?  day dreaming  দারুন কবিতা লিখেছেন, অনেক দিন পর ফোরামে কোনো রোমান্টিক কবিতা পেলাম।

১৮৫

(১ replies, posted in গেম জোন)

দারুণ একটি গেমটি হলো নিনজা ব্লেড। এ গেমটির কমবাক্ট ফিয়েচার ডেভিল মে ক্রাই থেকে কোনো অংশে কম না। এই গেমটির মনোমুগ্ধকর অ্যাকশন প্লের জন্য একে ‘সিনেম্যাটিক অ্যাকশন’ ও ‘হ্যাক ও স্ল্যাস অ্যাকশন’-এর সংমিশ্রণ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে। তাই আপনারা গেম খেলার সময় একসঙ্গে গেম খেলা ও মুভি দেখার পূর্ণ স্বাদ পাবেন। সব সময় টান টান উত্তেজনার মাঝে থাকবেন গেমটি খেলার সময়।
গেমটি ডেভেলপ করে From Software এবং পিসি ও এক্সবক্স ৩৬০-এর জন্য গেমটি পাবলিশ করে গেমটি রিলিজ পায় ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর জাপানে এবং ২০০৯ সালের ১০ মার্চ উত্তর আমেরিকায়। গেমটির নায়ক কেন্ ওগাওয়া’র অসাধারণ মুভমেন্ট আর চোখ ধাঁধানো অ্যাকশন স্টাইলের জন্য গেমটি হয়ে উঠেছে এক কথায় অতুলনীয়। গেমটির পটভূমি রচিত হয়েছে ২০১৫ সাল নিয়ে। জাপানের একটি ছোট্ট গ্রাম। হঠাত্ করে সেখানে এক অজানা প্রাণী আক্রমণ করল। যারা বেঁচে থাকল তারা টোকিও গবেষণা কেন্দ্রে গেল, যেখানে তাদের ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলল। পরীক্ষায় তারা এক অজানা ধরনের পরজীবী ওর্ম আবিষ্কার করল এবং এর নাম দিল আলফা ওর্ম। এর ওপর কোনো ওষুধের প্রতিক্রিয়া নেই। আস্তে আস্তে সারা শহরে ছড়িয়ে পড়ল। অবস্থা এত খারাপ পর্যায়ে পৌঁছল যে, সরকার সেনাবাহিনী নামাতে বাধ্য হলো, ওর্মগুলো মানুষের ভেতরে ঢুকে তাদের ভয়ঙ্কর মিউট্যান্টে পরিণত করতে থাকল। ওর্মদের রানী পুরো জাপানকে গ্রাস করতে চাইল, সেনাবাহিনী নামিয়েও যখন কাজ হলো না তখন সরকার পক্ষ আবেদন করল এলিট নিনজা ফোর্সের কাছে যেখানে একদল নিনজাকে ট্রেনিং দেয়া হয়েছে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য। যাদের মধ্যে একজন হলো কেন ওগাওয়া, এ গেমের মূল চরিত্র। আর তাদের লিডার হলো কেনের বাবা। কিন্তু একসময় কেনের বাবা বিশ্বাসঘাতকতা করে আর আলফা ওর্মদের সঙ্গে যোগ দেয়, কেনকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু ভাগ্যবশত সে বেঁচে যায়। তখন সে উঠেপড়ে লাগে তার বাবাকে ঠেকানোর জন্য। পথে থাকে অত্যন্ত ভয়ঙ্কর সব মিউট্যান্ট, কিন্তু সে সব বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে এগিয়ে চলে। এক সময় সে বুঝতে পারে তার বাবা আলফা ওর্মদের রানীকে ঠেকানোর জন্য নিজেকে উত্সর্গ করেছে। রানীকে নিজের শরীরে ধারণ করে নিজেকে তাদের একজন করে নেয়। কারণ সে জানত, যদি তাকে কেউ ঠেকাতে পারে সে হলো কেন? আর তাকে হত্যা করা মানেই রানীকে হত্যা করা।

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110524-z9us-52kb.jpg

তবে গেমটির গ্রাফিক্স খুব ভালো, আর গেমপ্লে তো কথাই নেই। খেলার সময় পাবেন তিন ধরনের সোর্ড : কাতানা, স্টনরেন্ডার আর টোয়াইন ফ্যাল্কন নাইভস, যা একেক সময় একেক পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সাহায্য করবে। আরও আছে নিনজা সু (চরকির মতো অস্ত্র), যার আছে তিন ধরনের পাওয়ার। সুযোগ বুঝে আপনাদের এসব অস্ত্রের ব্যবহার করতে হবে। আর আছে নিনজা ভিশন, যা দিয়ে সময়ের গতি কমানো ও হিডেন টার্গেট দেখতে পারবেন। প্রতিটি স্টেজের শেষে বোনাস পয়েন্ট পাবেন, যা দিয়ে অস্ত্রগুলো আপগ্রেড করা যাবে। ইচ্ছা করলে কেনের পোশাক পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। দেয়াল বেয়ে ওঠা, দেয়াল দিয়ে হেঁটে যাওয়া, গ্লাইডিং প্রভৃতি মুভমেন্ট করতে পারবেন। গেমের কিছু কিছু জায়গায় আপনাকে মোটরবাইক, বিমান, ট্যাঙ্ক ব্যবহার করতে হতে পারে। এই গেমটি দুর্দান্ত ও উত্তেজনাকর গেম, গেমটির প্রতিটি স্টেজের প্রতিটি মুহূর্তে আপনি চরম উত্তেজনা অনুভব করবেন। প্রতিটি স্টেজে ‘বস’ একেবারে শেষে না থেকে প্রথম থেকে স্টেজের শেষ পর্যন্ত বসের সঙ্গে লড়তে হবে, আর কিছুক্ষণ পরপরই আপনাদের সিনেম্যাটিক অ্যাকশন প্লে করতে হবে, যেটাকে এই গেমে বলা হয়েছে ‘কিউটিই ইফেক্ট’, আর প্রতিটি স্টেজে ২-৩টি বসের মোকাবিলা করতে হবে। সব মিলিয়ে হলিউড অ্যাকশন মুভি দেখার স্বাদ পাবেন এই গেমের মধ্য দিয়ে। প্রতিটি স্টেজে অ্যাকশন আনলক করতে পারবেন, দেখতে পাবেন মনোমুগ্ধকর অ্যাকশন।

লেখক - এম. হারুন আর রশিদ
সুত্র

বিপদ!   at wits' end

দূর ছাই! কিচ্ছু মনে থাকে না। স্মৃতিশক্তিটা কি কমে গেল? নিজেদের প্রতি এ জাতীয় অভিযোগ আমরা হরহামেশাই করে থাকি। আর বয়স হলে আরও বেশি করি। আবার অনেকেই আছেন যারা সুস্থ তীক্ষষ্ট মস্তিষ্ক নিয়ে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকেন। শেষ দিনটি পর্যন্ত মেধা আর অটুট স্মৃতিশক্তি বলে কাজ করে যান মানুষের জন্য। কী করে সম্ভব হয়? তীক্ষষ্ট মেধা, অটুট স্মরণশক্তি মানুষের জন্মগত বৈশিষ্ট্য হলেও এগুলো অক্ষুণ্ন রাখাও মানুষেরই কাজ।

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110523-lmld-16kb.jpg

স্মৃতিশক্তি কমে কেন
মস্তিষ্কের কোষগুলোর কর্মক্ষমতা কমে গেলে স্মৃতিশক্তি কমে যায়। কমে যায় চিন্তা করার স্বাভাবিক ক্ষমতা। দেহের কোষগুলোতে শক্তি উত্পাদনের জন্য প্রতিনিয়ত সংগঠিত হচ্ছে বিভিন্ন জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়া। এসব জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় কোষগুলোতে কিছু ক্ষতিকর যৌগ তৈরি হয়। এ যৌগগুলো কোষের কর্মক্ষমতা নষ্ট করে দেয় এবং এক পর্যায়ে কোষগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। ফলে আমরা বার্ধক্যের পথে এগিয়ে যাই। একই ব্যাপার মস্তিষ্কের কোষগুলোতেও ঘটে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের কোষগুলোও বুড়িয়ে যায়। হারিয়ে ফেলে তার স্বাভাবিক ক্ষমতা। আমাদের স্মৃতিশক্তি কমতে শুরু করে। এছাড়া কোন কারণে মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে মস্তিষ্কের কোষগুলোর কর্মক্ষমতা কমে যায়। হৃিপণ্ড থেকে শতকরা ২০ ভাগ রক্ত সরাসরি মস্তিষ্কে যায়। রক্তের কোলেস্টেরল বা অন্য কোনো কারণে ধমনীর প্রাচীর সরু হয়ে গেলে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বিঘ্নিত হয়। দেখা গেছে, যারা হৃদরোগী তারা সাধারণত ভুলোমনা হয়ে থাকে। একই কারণে স্ট্রোক করলে মানুষের স্মরণশক্তি এবং চিন্তাশক্তিও দারুণভাবে কমে যায়।

আর দুশ্চিন্তা নয়

দুশ্চিন্তা বা টেনশনে মানুষের অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে গ্লুকোকরটিকয়েড নামক এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোন মস্তিষ্কের কোষগুলোকে দ্রুত আক্রান্ত করে। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই দুশ্চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। সুস্থ মস্তিষ্ক আর শাণিত মেধা নিয়ে বেঁচে থাকুন দীর্ঘ দিন।

ইতিবাচক চিন্তা করুন
নেতিবাচক চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন। সন্দেহবাতিক মন মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। মনের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগাযোগটা খুব গভীর। তাই মনের পরিচর্যা করুন। নিজেকে নিয়োজিত রাখুন সৃষ্টিশীল কাজে।

ক্রোধ নিয়ন্ত্রণ করুন
ক্রোধ বা রাগ মন ও মস্তিষ্কের শত্রু। আমরা যখন রেগে যাই তখন শরীরে নিঃসৃত হয় বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ যা আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

মেডিটেশন করুন
নিয়ম করে দিনের কিছু সময় মেডিটেশন করুন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। সম্ভব না হলে অন্তত সকাল-সন্ধ্যা খোলা ময়দানে হাঁটুন। এ অভ্যাসগুলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। স্মরণশক্তি মূলত নির্ভর করে আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতার ওপর। মেডিটেশন আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন
সারাক্ষণ কাজ আমাদের মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে তোলে। ক্লান্তি মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। প্রতিদিন গড়ে ছয়-সাত ঘণ্টা ঘুমান। দীর্ঘ কাজের ফাঁকে একটু ব্রেক দিন। কাজে মনোনিবেশ করা সহজ হবে।

বুঝেশুনে খাবার খান
বুঝেশুনে খাবার খেলে যদি ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়, হৃদযন্ত্র সচল রাখা যায় তাহলে মগজকে কেন শাণিত করা যাবে না? অবশ্যই যাবে। চাই খাদ্য সচেতনতা। এ ব্যাপারে প্রথম পরামর্শ হলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষের ক্ষতিকর জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উত্পন্ন ক্ষতিকর যৌগগুলোকে ভেঙ্গে ফেলে। ফলে কোষগুলো থাকে কর্মক্ষম আর তারুণ্যদীপ্ত। তাছাড়া অ্যান্টঅক্সিডেন্ট শিরা-ধমনীর স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়, হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। ফলে হৃিপণ্ড সচল, মগজটাও টনটনে। প্রাণীজ আমিষ খেয়ে শরীরে হিমোসিস্টিন নামক এক ধরনের অ্যামাইনো এসিড উত্পন্ন হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ হিমোসিস্টিন উত্পাদনের প্রক্রিয়াও বেড়ে যায়। এ হিমোসিস্টিন ধমনীর প্রাচীরে জমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তাই মাছ-মাংস পরিমিত খাওয়াই সঙ্গত। তাহলে কী খাবেন? আগেই বলা হয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো খাবার। মূলত ভিটামিন-ই এবং সি হলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন। দুধ, কলিজা, সয়াবিন, সবুজ শাক-সবজি, ফলমূলে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। সমপ্রতি পশ্চিমা গবেষকরা নির্দিষ্ট কিছু খাবারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করছেন। এগুলো হলো পালং শাক, ব্লুবেরি এবং স্ট্রবেরি। সয়াবিন আর রসুনের প্রতিও তারা আলাদা গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাদের যুক্তিটা হলো রসুন-সয়াবিন রক্তের ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে ধমনীর মধ্য দিয়ে রক্ত চলাচল সুষ্ঠু হয় এবং মস্তিষ্কের কোষগুলোও সচল থাকে। বিজ্ঞানীরা ফলিক এসিডসহ ভিটামিন বি-কমপ্লেক্সের অন্যান্য ভিটামিনের প্রতিও সমান গুরুত্ব দিয়েছেন একই কারণে। বিশেষ করে হিমোসিস্টিন দূর করতে ভিটামিন বি-১২ এর জুড়ি নেই।

মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার মস্তিষ্ক, যা তাকে আর সব প্রাণী থেকে শ্রেষ্ঠ করে রেখেছে। মস্তিষ্কের তাই যত্ন নেয়া চাই। মেধা, মনন, বুদ্ধি—এসবই হলো সুস্থ মস্তিষ্কের ফসল। সঠিক চিন্তা, সুস্থ জীবনাচরণ, সুষম খাবার—এ হলো সুস্থ মস্তিষ্কের মূলমন্ত্র।

**************************
ডাঃ গোলজার হোসেন উজ্জ্বল,
চিকিত্সক ও স্বাস্থ্য নিবন্ধকার
দৈনিক আমার দেশ, ১৬ র্মাচ ২০১০।

‘ফবস’ গ্রিক শব্দ যার অর্থ ভয়। জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা অনেক কিছু তা ব‘ বা পরিস্থিতি বা ব্যক্তিকে ভয় পাই যা একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। কি‘ এই ভীতি বা ভয়ের কারণে জীবন যখন অচল হয়ে পড়ে তখনই কেবল এটা ডিসঅর্ডার বলা যাবে।

http://scienceblogs.com/bioephemera/phobia.bmp

ফবিক ডিসঅর্ডারের চারটি বৈশিষ্ট্য হলোঃ

০ ভয় বা ভীতি পরিস্থিতি/পরিবেশ তুলনায় অনেক বেশি মাত্রায় যেমন আরশোলা দেখলে অনেকে ভয় পায় কি‘ আরশোলা দেখে চিৎকার করা এবং সেটা না মারা পর্যন্ত সব কিছু স্থগিত রাখা হচ্ছে ফোবিক ডিসঅর্ডার।
০ যুক্তিতর্ক বা সহজভাবে বোঝালেও ভয় দূর হয় না।
০ নিজস্ব আয়ত্তের বাইরে অর্থাৎ ইচ্ছা করলে এটা দমন করা সম্ভব নয়।
০ যে বিষয়টি/পরিস্থিতি ভয়ের উদ্রেক করে সেটা এড়িয়ে চলা যেমন লিফটে উঠতে ভয় লাগে অতএব লিফটে ওঠা বন্ধ। শারীরিক ডিসঅর্ডার নানা ধরনের হয় যেমন নির্দিষ্ট কোনো বস্তু বা পোকামাকড় অথবা উঁচু জায়গা ইত্যাদি। ভয় বা ভীতি এক ধরনের অস্থিরতার প্রকাশ এবং এ অস্থিরতার বহিঃপ্রকাশ হয় শারীরিক ও মানসিক উপসর্গ দিয়ে।

যেসব শারীরিক উপসর্গ হয় তা হলোঃ
০ বুক ধড়ফড় করা, শ্বাসকষ্ট, বুকের মাঝে চাপ অনুভব, পেটের মাঝে অসস্তি বোধ, হাত-পা কাঁপা, মুখ শুকিয়ে আসা, মাথা ঘুরানো বা ব্যথা, ঘুমের সমস্যা ইত্যাদি।
০ মানসিক উপসর্গ হচ্ছে অহেতুক আতঙ্কিত হওয়া, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, যে বিষয় বা পরিস্থিতি ভয়ের উদ্রেক করে তা এড়িয়ে চলা।
০ ফোবিয়া সাধারণত মহিলাদের বেশি হয় এবং কিশোর বয়সে এর শুরু।
০ অনেক মানসিক রোগের লক্ষণ হিসেবে ভয় বা আতঙ্ক দেখা দিতে পারে যেমন প্যানিক ডিসঅর্ডার। ফোবিক ডিসঅর্ডারের চিকিৎসা প্রধানত সাইকোলজিক্যাল যেমন রিলাক্সেশনে ট্রেনিং, ডিসেনসেটাইজেশন, কগনেটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি ইত্যাদি। মূল উদ্দেশ্য ভয় বা ভীতিকে দূর করা। এর সাথে কিছু ওষুধ যেমন বেনজোডায়াজেপিন গ্রুপের ওষুধ দিলে ভালো উপকার হবে।
**************************
ডাঃ সাহিদা চৌধুরী
সহকারী অধ্যাপক
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, শেরেবংলা নগর, ঢাকা।
দৈনিক ইত্তেফাক,  ২০ মার্চ ২০১০।

ফোবিয়া এর লিস্ট দেখুন এখানে
মানুষের যে কত কিছুর ফোবিয়া থাকে!

কান চলচ্চিত্র উৎসবের চূড়ান্ত পর্বে সবগুলো ছবির প্রদর্শনী শেষে এখন জুরিদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে ছবির কলাকুশলীরা। তবে কান উৎসবের শেষ দিন মরক্কোর একটি ছবি বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছে। রোমানিয়ার বংশোদ্ভূত ফরাসি পরিচালক রাদু মিহাইলিনুর এ ছবিটির নাম ‘দি সোর্স’, যা প্রদর্শিত হয়েছে দুদিন আগে।

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110523-uvbw-6kb.jpg

কাহিনী সংক্ষেপ: তুরস্কের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি এ ছবির প্রেক্ষাপট গড়ে উঠেছে মরক্কোর একটি প্রত্যন্ত গ্রামের নারী লাইলা, যার স্বামী সামি সেখানকার স্কুলের শিক্ষক। কাছে ধারে কুয়ো না থাকায় গ্রামের অন্যসব নারীদের মতো তিনিও প্রতিদিন অনেকটা পথ হেঁটে পানি নিয়ে আসেন। অথচ গ্রামের সব শক্ত-সামর্থ পুরুষ দোকানে বসে আড্ডা দেয় আর চা খায়। কুসংস্কার আর গ্রাম্য মানসিকতার কারণে নারীদের কষ্ট তারা যেন টেরই পায় না। একদিন পানি আনতে গিয়ে গ্রামের এক সন্তানসম্ভবা নারী পিছলে পড়ে গেলে তার পেটের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। এ ঘটনার পর প্রতিবাদী হয়ে ওঠে লাইলা; কিন্তু স্থানীয় ইমাম এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিরা গর্জে ওঠেন লাইলার সামনে। শেষ পর্যন্ত লাইলাসহ গ্রামের নারীরা সিদ্ধান্ত নেয়, যতদিন পর্যন্ত স্বামীরা তাদের দাবি মানবে না ততদিন পর্যন্ত যৌন সম্পর্ক থেকে তারা বিরত থাকবে। এরপরই টনক নড়ে গ্রামের পুরুষদের। ছবিতে দেখানো হয়েছে
স্কুল শিক্ষক স্বামীর কাছেই লিখতে-পড়তে শেখেন লাইলা। স্বামী যেমন তাকে আরব্য রজনীর কাহিনী পড়তে শেখান, তেমনি তার কাছ থেকেই কোরআন শরিফ পড়তে শেখেন লাইলা। স্থানীয় ইমামের সঙ্গে তর্কের সময় কোরআন শরিফ থেকেই সে যুক্তি তুলে ধরেন। ‘দি সোর্স’ ছবিটিতে তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে ধর্মীয় গোড়ামী ও ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে নারীদের বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। ছবিটির ইহুদি পরিচালক মিহাইলিনু বলেন, কোরআন শরিফ এবং ইসলাম ধর্মে নারীদের অনেক অধিকার দেয়া হয়েছে; কিন্তু কিছু মানুষ কোরআন এবং হাদিসের ব্যাখ্যার সময় অনেক কিছু লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করে, যাতে পুরুষদের হাতেই ক্ষমতাটা থেকে যায়। ছবিটিতে লাইলা চরিত্রে অভিনয় করেছেন আলজেরিয়া বংশোদ্ভূত ফরাসি অভিনেত্রী লাইলা বাখতি। তিনি বলেন, এ ছবিটিতে নারী-পুরুষকে মুখোমুখি দেখানো হয়নি। সমস্য হলো আমরা কখনো একে অপরের কথা শুনি না। এ ছবিতে সে কথাই বলা হয়েছে।

কান ফেস্টিভ্যাল মানেই জমকালো পোশাকের বাহার। হলিউড-বলিউড তারকাদের শরীরে থাকে চোখ ধাঁধানো স্যুট-গাউনের পসরা। সেই আসরে ঢাকাই শাড়ি; সত্যি অবিশ্বাস্য। এই অবিশ্বাস্য কাজটি করেছেন কলকাতার বাঙালি অভিনেত্রী পাওলি ধাম।

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110523-rmpu-10kb.jpg


তিনি ঢাকাই শাড়ি শরীরে জড়িয়ে কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেটে হেঁটেছেন। ঘিয়া রঙের জমিনে লাল পাড়ের ঢাকাই শাড়িতে পাওলিকে বেশ জমকালো দেখাচ্ছিল। বাঙালির চিরায়ত শাড়িতে অভিনেত্রীকে দেখে ফ্যাশন সচেতন ফরাসি দর্শকও অভিভূত হয়েছেন। আর পাওলি সাংবাদিকদের টেলিফোনে জানিয়েছেন, কান ফেস্টিভ্যালে এর আগে কোনো নায়িকা ঢাকাই শাড়ি পরে লাল কার্পেটে হেঁটেছেন বলে আমার জানা নেই। তাই প্রথম থেকেই তিনি ঠিক করে নিয়েছিলেন বাঙালি হিসেবে তিনি শাড়ি পরেই কানে হাজির হবেন। লাল কার্পেট সংবর্ধনায় অভিভূত পাওলি। তিনি জানিয়েছেন, মাইকে যখন তার নাম ঘোষণা হচ্ছে তখন তিনি ভাবতেই পারেননি তার স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। তিনি জানান, এমন অভিজ্ঞতা চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। পাওলির কথায়, পরে নিজেকে চিমটি কেটে বোঝার চেষ্টা করেছি আমি স্বাভাবিক আছি তো? শ্রীলঙ্কার পরিচালক বিমুক্তি জয়সুন্দরার তৈরি বাংলা ‘ছত্রাক’ ছবির নায়িকা হওয়ার সুবাদেই পাওলিকে কান ফেস্টিভ্যালে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। ছবিটি ফেস্টিভ্যালে ডিকেটরস ফোর্ট নাইট সেকশানে দেখানো হচ্ছে।

সুত্র

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110523-ojg5-26kb.jpg

dr.shamim wrote:

আমাদের সন্তানেরা থাকুক দুধে-ভাতে
আমাদের এমপিরা থাকুক ট্যাঙ্ ফ্রি গাড়িতে।'

laughing   laughing  মজা পাচ্ছি লেখা গুলো পড়ে! নিয়মিত দেবেন আশা করি!

১৯৩

(৬ replies, posted in সমস্যা ও সমাধান)

Ghostery কেমন লাগলো জানাবেন!

উপল BD wrote:

6ybh-upload

মোট 6 বারের মত টাকা তুললাম।
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110519-ftmp-16kb.jpg

উপল BD wrote:

আলু,পানি,বজ্র

  rolling on the floor    rolling on the floor     rolling on the floor

এটার জন্য তোমাকে রেপু দিতেই হবে! মনে করিয়ে দিলে সেই স্বপ্নের দিনগুলো!

আসলেই দারুন খবর! তবে এদিকে কল রেট বাড়িয়ে দিলে খবর আছে!

দেখা যাক!

দারুন জিনিস পেলাম! রেপু!

বেশ ভাল তবে 6 টাইমস ফাস্ট লাগেনি!