রিগ্যান wrote:

শীগগীর কাপড় ধৌত করিবার ব্যবস্থা করা হইল কিন্তু উপযুক্ত সময়ে তাহা শুকাইল না এবং সেইদিনে গৃহবন্দিত্ব ছাড়া আমার কোন উপায় রহিল না।

হাসতে হাসতে পড়ে গেলাম!

Colonic Carcinoma?

আমি অটোগ্রাফ নামালাম আজকে   ৬০০ এমবি, DVDrip।

আমার ফায়ারফক্স 4.0.1 । সমস্যার সমাধান। http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110503-nnpa-3kb.jpg

dr.shamim wrote:

আইনস্টাইন বলেন, এতদিন স্যুপ ঠাণ্ডা ছিল না। কথা বলার প্রয়োজন হয়নি।

rolling on the floor    rolling on the floor

dr.shamim wrote:

"সময় মানুষ তার নিজের সুবিধার জন্য কল্পনা করেছে কারণ মানুষ কখনোই চায়নি তার জীবনের সব ঘটনা একসঙ্গে ঘটে যাক।"

দারুন ভাল লাগলো কথা টা! লেখাটার সব গুলো পর্ব পাব আশা করি।

তবে আমি জানি যাদের হার্টের অসুখ আছে, তাদের কে একটু সাবধানে ডাবের পানি খেতে হবে, কারণ তাদের যে কোনও সময় হার্ট অ্যাটাক হতে পারে, এমনিতে কক্স বাজার যেয়ে প্রচুর ডাবের পানি খেয়েছি। গ্রীষ্ম কালীন টপিক এর জন্য রেপু রইল।

ছেলে হক বা মেয়ে হোক, টা নিয়ে স্বামী বা স্ত্রীর মধ্যে কোনও বিরোধ থাকা উচিত নয়, তবে আগে জানতাম USG তে অর্থাত্ আল্ট্রাসোনগ্রাফী তে ১০০ ভাগ নিশ্চিত হওয়া যায়, আমার সে ভুল ভাঙলো। দারুন একটা টপিক এক্কেবারে মেডিকাল related। ধন্যবাদ এরকম টপিক এর জন্য। এরকম টপিক আরও আশা করছি।

dr.shamim wrote:

ম্যাসেজ টা অতি শিঘ্রই delete করুন।

আমিও এটাই বলব। আমার কাছে এরকম ম্যাসেজ প্রতিদিন ১৫-১৬ টা আসে। সব টাকা যদি পেতাম, তাহলে বাংলাদেশ এর সবচেয়ে বড়লোক হতাম। এসব সাইট গুলো ভুয়া। আপনি নিজেই পরীক্ষা করতে পারেন। ওর আপনার ইনফর্মেশন চাইবে, দেয়ার পর বলবে, এত গুলো টাকা পাঠাতে হলে তাদের কিছু খরচ পাঠাতে হবে, টা নিতান্তই নগন্য, যেমন ১০০০ ডলার। টাকা পাঠালেই সর্বনাশ। দেখবেন আর কোনও খোজ নেই, নিজে সাবধান হোন, আরেক জন কে সাবধান করুন।

পুনশ্চ: আপনি বলে দেখতে পারেন, এত টাকা যখন পাইছি, পাঠানোর খরচ তাও তোরা দে না! আর যদি নাই দিতে পারিস, তাহলে আমার ব্যালান্স থেকে কেটে নিয়ে তারপর পাঠা!   laughing

২৩৪

(২ replies, posted in সমস্যা ও সমাধান)

চ্যাট অনলাইন করুন নিচ থেকে!  http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110430-rogf-12kb.jpg

আমাদের হোস্টেল এ নিয়মিত পড়ান হয়।

স্বাগতম আরএমসি ফোরামে জয়শ্রী, আশা করি পড়ালেখা + কম্প দুটো তেই সমান পারদর্শিতা দেখাবে।   party

নতুন অপেরা ১১ তে করে + পোর্টাবল।

dr.shamim wrote:

Opera বাংলা সাপর্ট করে না

নতুন টা করে!

dr.shamim wrote:

CINR 23-25 ar moddhe এই লাইন বুঝিনি?

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110428-p90x-12kb.jpg

এটা মনে হয়, CINR যত বেশি, সিগনাল তত ভাল।

খবর শুনে তো থ হয়ে গেলাম, আমি তো এখনো 3 তেই আছি, ক্রোম এর সাথে পাল্লা দিচ্ছে নাকি?

অত্যন্ত সময়পযোগী টপিক! আমি নিজেই মনে হয় রাজশাহীর গরমে পানি শূন্যতাতে ভুগছি! বিশুদ্ধ পানির বড়ই অভাব!

এটা মনে হয় বাংলা লায়ন এর নতুন পলিসি! বেশি ডাউনলোড করেছিলাম এক দিন, সেদিন আমারো একি অবস্থা, এখেত্রে 7 কে দোষ না দিয়ে বাঙ্গলালায়ন নিয়ে ভাবাটাই যুক্তি যুক্ত হবে।

এটার একটা কমেন্ট ছিল যতদূর মনে পড়ে, ঘুরিয়ে কান ধরে কী লাভ?

পোর্টেবল যে কোনও জিনিস ই হালকা! বেশ ভাল! তবে মাইক্রোসফ্ট এর টা নিয়ে সন্দেহ আছে!

২৪৫

(১ replies, posted in ৪৯ তম ব্যাচ)

https://fbcdn-photos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-snc6/217997_10150168924249004_797854003_6665681_8052209_n.jpg

২৪৬

(২ replies, posted in তথ্য বটিকা)

godhuli wrote:

আইনিষ্টইন তো অটিস্টিক ছিলেন।

জানতাম নাতো!  worried  জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

বুকে কম দুধ আসা অনেক মায়ের জন্য একটি বড় সমস্যা। কিন্তু এর সমাধান খুব সহজ। দুধের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য মূলত যে বিষয়গুলো জরুরি সেগুলো হল শারীরিক ও মানসিক বিশ্রাম, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং বিশেষ কিছু খাবার খাওয়া যে খাবারগুলো দুধের পরিমাণ বাড়াতে সরাসরি সহযোগিতা করে।

http://img816.imageshack.us/img816/3711/breastfeed.jpg

শারীরিক ও মানসিক বিশ্রাম
বুকে দুধ কম এলে অনেক ক্ষেত্রে মাকে ‘অপয়া’ হিসেবে অপবাদ দেয়া হয়। কিন্তু বিষয়টি সম্পূর্ণই ভ্রান্ত। এরূপ অপবাদে মা মানসিকভাবে আরও বেশি ভেঙে পড়েন এবং এই মানসিক সমস্যাই মায়ের বুকে দুধ না আসার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। এক্ষেত্রে মা এবং পরিবারের সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, বাচ্চা জš§গ্রহণের পর দুধ আসা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং মায়ের পুষ্টি যদি নিশ্চিত করা যায় তাহলে দুধ আসবে। অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম এবং মানসিক অশান্তি মায়ের বুকের দুধ তৈরির প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। এ জন্য মায়ের পর্যাপ্ত বিশ্রামের ব্যবস্থা করতে হবে। যদি সম্ভব হয় প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ মিনিট বিশেষ নিয়মে শবাসন করতে হবে।

শবাসনের নিয়ম
মা বালিশ ছাড়া চিৎ হয়ে আরামের সঙ্গে শুয়ে পড়বেন (বিছানা বা মেঝেতে পাটি বিছিয়ে)। হাত দুটি শরীরের দুই পাশে থাকবে। দুই পায়ের মাঝে আধা হাত পরিমাণ ফাঁকা থাকবে। হালকাভাবে চোখ বন্ধ রেখে নাক দিয়ে লম্বা করে দম নিয়ে মুখ দিয়ে দম ছাড়তে হবে (পাঁচ-ছয়বার)। এরপর কিছুক্ষণ (দুই-তিনবার) স্বাভাবিকভাবে দম নিতে হবে। এরপর নাক দিয়ে ধীরে ধীরে দম নিয়ে নাক দিয়েই ধীরে ধীরে দম ছাড়তে হবে। দম নেয়ার চেয়ে ছাড়ার সময় একটু বেশি হবে। এরপর মনের চোখে নিঃশ্বাসের প্রবেশপথে মনোযোগ দিতে হবে। এতে শরীর ভারী ভারী অনুভব হবে। এবার চিন্তা করবেন বিশাল ফাঁকা মাঠে নরম ঘাসের ওপর আপনি শুয়ে আছেন। শীতকাল হলে চিন্তা করবেন হালকা গরম বাতাস আপনাকে ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছে। গরমকাল হলে চিন্তা করবেন হালকা শীতল বাতাস আপনার শরীরে পরশ বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছে। এবার চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ চিন্তা করবেন। পাখির কলতান, ঝরনার ছলছল আর পাতার ঝিরিঝিরি শব্দ ও রঙ, ফুলের মিষ্টি সুবাস প্রভৃতি। এবার আপনার শিশুকে কল্পনায় প্রচুর পরিমাণে আনন্দের সঙ্গে দুধ পান করাতে থাকবেন। তার সঙ্গে খেলবেন, হাসবেন। ঘুমানোর সুযোগ থাকলে ঘুমিয়ে পড়বেন অথবা ধীরে ধীরে মাথা, হাত-পা নাড়বেন এবং উঠে যাবেন।

পানিপান
প্রতিদিন কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। পানিপানের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়াতে হবে। ভাতের সঙ্গে কাঁচা লবণ খেতে হবে (অতিরিক্ত পানি খাওয়ার কারণে যাতে শরীরে লবণের ঘাটতি না হয়)। তবে যাদের হাইপ্রেসার বা উচ্চরক্তচাপ আছে তারা কাঁচা বা পাতে লবণ খাবেন না।
ঘন ঘন দুধ খাওয়ানো
বাচ্চাকে যত ঘন ঘন দুধ দেবেন তত বেশি দুধ আসতে থাকবে। বাচ্চা যদি খুব কম দুধ পান করে সেক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে দুধ চিপে ফেলে দেবেন। প্রথম ছয় মাস প্রতিদিন ৮-১০ বার বা বাচ্চার চাহিদা অনুযায়ী আরও বেশি বার দুধ পান করাতে হবে। একবারে ১০-২০ মিনিট বা তারও বেশি সময় ধরে দুধ দেবেন।

খাবার
মাকে যতটুকু সম্ভব বেশি পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার (যেমন মাছ, ডিম, দুধ প্রভৃতি) খেতে হবে। অতিরিক্ত দুধ তৈরিতে যে খাবারগুলো সরাসরি সহযোগিতা করে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে গাজর, শিম, বাদাম (চীনাবাদাম, কাজুবাদাম), কালোজিরার ভর্তা, লাউ, ডুমুর, পালংশাক, কলমিশাক, টমেটো প্রভৃতি।

বিশেষ সতর্কতা
দুধদানকারী মা যদি এইডস, যক্ষ্মা বা অন্য কোন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন তবে দুধদানের আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অনুমতি নিতে হবে। দুধদানের সময় মায়ের কখনোই কোক, পেপসি, স্প্রাইট প্রভৃতি কোমল পানীয় এবং চা, কফি পান করা ঠিক নয়। কারণ এগুলো থেকে ক্ষতিকর কিছু উপাদান মায়ের শরীরে এবং মায়ের শরীর থেকে দুধের সঙ্গে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এতে বাচ্চা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে।

লেখক : তানভীর আহমদ - ডায়েটিশিয়ান
সুত্র

শেষ বাঁশি বাজতেই প্রবল উত্তেজনায় কেঁপে উঠলো রাতের মাদ্রিদ। কেউ নাচছে। কেউ পতাকা নাড়ছে। সুর, তাল, লয়ে অক্ষয় তখন আবেগ। আবেগে-আবেশে ভাসছে মাদ্রিদ। নির্ঘুম রাতের নিস্তব্ধতা খানখান করে ভেঙে পড়ল হাজার হাজার রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকের সশব্দ বিজয়োল্লাসে।

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110422-u9rv-15kb.jpg

শুধু কি নীরবতা ভেঙে পড়ল! ট্রফিটাও ভাঙল। বার্সেলোনাকে হারানোর আনন্দে আত্মহারা রিয়াল ডিফেন্ডার সের্গিও রামোসের হাত থেকে ট্রফিটা পড়ে সত্যি সত্যিই ভেঙে গেল। আনন্দের আতিশয্যে রামেসের হাত থেকে ট্রফিটা পড়ে যায়। গোটা রিয়াল মাদ্রিদ দল তখন ছাদখোলা বাসে। কিংস কাপের কিংদের বাস যে মুহূর্তে মাদ্রিদের কেন্দ্রীয় সিবেলেস স্কোয়ারে প্রবেশ করবে, তখনই বিপত্তি। ১৫ কিলো (৩৩ পাউন্ড) ওজনের রুপার ট্রফি রামোসের হাত থেকে ফস্কে বাসের সামনে পড়ে। টিম বাস থামার আগেই চাকার নিচে ট্রফি। পুলিশ দ্রুত ছুটে গিয়ে ট্রফিটি তুলে দেয় বাসচালকের হাতে। ১০ টুকরো হয়ে যায় ট্রফিটি।
রিয়াল মাদ্রিদের উৎসব তাতে ম্লান হয়নি। কেন হবে! ১৯৯৩-র পর এই প্রথম যে তারা কিংস কাপ জিতল। তা-ও চিরশত্রু বার্সেলোনাকে হারিয়ে।

http://img801.imageshack.us/img801/3875/hotashmessi.jpg


হতাশ মেসি

মন ভাঙার চেয়ে তাই ট্রফি ভাঙা ঢের ভালো! স্পেনের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ, গরিমায় অনন্য এই ট্রফির জন্য কতদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে রিয়ালকে? ঝাড়া ১৮ বছর। ১৯৯৩-তে শেষবার জিতেছিল তারা। এরপর শুধুই খরা আর খরা। সেই খরা গোছানো, গ্লানি-তাড়ানো বহুল প্রার্থিত জয় এল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর হাত ধরে। অতিরিক্ত সময়ে পয়মন্ত পর্তুগিজ উইংগারের হেডে যে গোলটি পায় রিয়াল, সেটি যেন শুধু গোল নয়। রিয়াল-অনুরক্তদের অপেক্ষার প্রহরে অবসান ঘটানোর মাহেন্দ্রক্ষণও। প্রিয় শিষ্যের সৌজন্যে কোচ হোসে মরিনহো তার প্রথম ট্রফি পেলেন রিয়ালে।
ভ্যালেন্সিয়ায় শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে রাতের মাদ্রিদ যেন উদ্বিঘ যৌবনা কোন রমণী হয়ে ওঠে। রোনাল্ডোরা যখন আনন্দের আবিরে প্লাবিত, মেসিরা তখন হতাশার চাদরে আবৃত। ক্যাসিয়াসদের এমন বাঁধভাঙা উল্লাসের কারণও রয়েছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার কাছে টানা পাঁচ ম্যাচে হারার পর লা লীগায় ১-১ ড্র। এরপরই এল উৎসবের রাত। কিংস কাপ জয়। রিয়াল-বার্সা দ্বৈরথ ফুটবলপিপাসুদের তৃষ্ণা মেটাবে এই মাসেই আরেকবার ২৭ এপ্রিল। ৩ মে আবার দেখা হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর। এল ক্লাসিকো ধারাবাহিকের শেষ পর্বে। সেই দুটি জিভে পানি এনে দেয়া ম্যাচের জন্য নিশ্চয় এখন তর সইবে না ফুটবলরসিকদের।
বার্সেলোনাকে হারিয়ে কিংস কাপ জেতার মধ্য দিয়ে রিয়াল গোলকিপার ক্যাসিয়াসের দীর্ঘলালিত স্বপ্ন পূর্ণ হল। এই একটি শিরোপাই এতদিন সোনার হরিণ হয়ে ছিল তার ঋদ্ধ ক্যারিয়ারে। স্বপ্ন পূরণের পর আবেগতাড়িত ক্যাসিয়াস অবশ্যই এই জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন সমর্থকদের। ফুটবল এগারোজনের খেলা হলেও, সমর্থকদের পরোক্ষ অথচ প্রচ্ছন্ন ভূমিকা থাকে মাঠের বাইরে। সেটি স্বীকার করে নিয়ে রিয়াল-ভক্তদের কুর্নিশ জানাতে কুণ্ঠিত হননি বিজয়ী অধিনায়ক ক্যাসিয়াস।
ভ্যালেন্সিয়ার মেস্তাল্লা স্টেডিয়ামে কিংস কাপ ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ ১-০ গোলের নাটকীয় জয় পায় অতিরিক্ত সময়ে রোনাল্ডোর হেডে দেয়া গোলে। ১৯৯০-এর পর রিয়াল-বার্সা এই প্রথম মুখোমুখি হয়েছিল কিংস কাপ ফাইনালে। সেবার বার্সেলোনা জিতেছিল ২-০ গোলে।
কাপ জিতে রিয়াল যখন টিমবাসে মাদ্রিদ শহরে পৌঁছে, তখন বৃহস্পতিবার ভোরের আলো ফোটার অপেক্ষায় স্পেনের রাজধানী। সমর্থকদের মুখে তখন স্লোগান ‘চ্যাম্পিয়ন, চ্যাম্পিয়ন’। কারও কারও শরীর স্পেনের পতাকায় জড়ানো। খেলোয়াড়রা তখন টিম বাস থেকে নিজেদের মোবাইল ফোনে উৎসবমুখর উম্মাতাল ভক্তদের ছবি তুলতে ব্যস্ত। স্প্যানিশ মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, প্রায় ৬০ হাজার সমর্থক বিজয়ীদের বরণ করে নিতে ঘুম বিসর্জন দেয়। ৪১ বছরের আলবার্তো আগুয়াসিলের উচ্ছ্বাসে যেন রিয়াল- অনুরাগীদের অনুভূতি অনূদিত হয়েছে ‘এই দিনটির জন্য কত বছর অপেক্ষা করেছি। স্বপ্ন দেখেছি। ভালো লাগছে এটা দেখে যে, ফাইনালে আমরা বার্সেলোনাকে হারিয়েছি।’
ইনজুরির কারণে মাঠে নামতে পারেননি বার্সার ডিফেন্ডার কার্লোস পুওল। জাভিয়ের মাসচেরানো আর জেরার্ড পিকে জুটিকেই বার্সা কোচ পেপ গুয়ারডিওলা মাঠে নামান ডিফেন্ডার হিসেবে। কোচের আস্থার প্রতিদান দেন মাসচেরানো। প্রথমার্ধেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর শট রুখে বার্সাকে বাঁচিয়ে দেন মাসচেরানো। এরপর বার্সার সামনেও এসেছিল এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ। জাভির দূরপাল্লার শট কাজে লাগাতে পারেননি আক্রমণভাগের মেসি-রড্রিগুয়েজ। বার্সা যেন ভুলেই গিয়েছিল নিজেদের ছোট ছোট পাসের স্বভাবসিদ্ধ খেলা। জার্মান মেসুত ওজিল ও রোনাল্ডো রিয়ালকে টেনে নেয়ার চেষ্টা করেন। ওজিলের কাছ থেকে বল পেয়ে রোনাল্ডোর আড়াআড়ি শট ফেরান বার্সার গোলরক্ষক হোসে পিনটো। এরপর মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় বার্সা। ইনিয়েস্তা ও হার্নান্দেজ মাঝমাঠ নিজেদের দখলে নিয়ে নিলে মেসি-রড্রিগুয়েজরা আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন। কিন্তু ইকার ক্যাসিয়াস কিংস কাপের শিরোপাক্ষুধা মেটাতে যে মরিয়া ছিলেন। মেসিদের আক্রমণ তাই একের পর এক রুখে দেন ক্যাসিয়াস। আক্রমণের শুরুটা করেছিলেন রোনাল্ডো। শেষটাও করতে তাই এগিয়ে এলেন তিনিই। মেসির সঙ্গে দ্বৈরথে জয়ী হওয়ার ক্ষুধাটা তাকেও তাড়িয়ে বেড়াচ্ছিল।

কিউবি তাদের বিদ্যমান ও নতুন গ্রাহকদের জন্য সম্প্রতি তাদের ইন্টারনেট স্পিড বাড়িয়ে দ্বিগুণ করেছে। এর ফলে নতুন ও বিদ্যমান উভয় ধরনের গ্রাহক বা ব্যবহারকারীরা কোন রকমের বাড়তি বা অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই আগের চেয়ে কিউবির দ্বিগুণ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সেবা উপভোগ করতে পারবেন! অর্থাৎ ২৫৬ কেবিপিএস গতির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এখন ৫১২ কেবিপিএস পর্যন্ত, ৫১২ কেবিপিএস গতির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা বর্তমানে ১ এমবিপিএস পর্যন্ত এবং ১ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এখন ২ এমবিপিএস পর্যন্ত স্পিড দারুণভাবে উপভোগের সুযোগ পাচ্ছেন।

http://img541.imageshack.us/img541/2900/qubeelogo.jpg

সব ধরনের গ্রাহকের কথা বিবেচনা করে কিউবি বিভিন্ন প্যাকেজের মাধ্যমে নানা বৈচিত্র্যপূর্ণ সেবাসমূহ দিয়ে চলেছে। বিশেষত ব্যবহারকারী বা গ্রাহকদের পেশা ও প্রয়োজনের নিরিখেই এসব প্যাকেজের ডিজাইন করা হয়েছে। যেমন ধরা যাক, একজন ব্যবসায়ী আর ইউনিভার্সিটির প্রথম বর্ষের একজন শিক্ষার্থীর ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ও ধরন এক রকম নয়। তাই কিউবি বিভিন্ন প্রি-পেইড ও পোস্ট পেইড প্যাকেজের মাধ্যমে সহজলভ্য দামে সবার জন্যই ৪ জি (ফোর জি) স্পিডের ইন্টারনেট সেবা অফার করছে। কিউবির চিফ মার্কেটিং অফিসার নেহাল আহমেদ এ প্রসঙ্গে বলেন, কোন অতিরিক্ত চার্জ বা মাশুল ছাড়াই গ্রাহকদের দ্বিগুণ গতির ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দেয়ার এই উদ্যোগ সন্দেহাতীতভাবেই কিউবির এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় মাইলফলক।

২৫০

(২ replies, posted in তথ্য বটিকা)

ডা. কানিজ ফাতেমা
তিন বছরের ছেলে অর্থ। ডাগর চোখ, এলোমেলো চুল। আপাতদৃষ্টিতে স্বাভাবিক একটি ছেলে হলেও আমাদের কাছে এসেছে একটি গুরুতর সমস্যা নিয়ে। অর্থ একজন অটিস্টিক শিশু।
অটিজম শিশুর আচরণগত একটি সমস্যা যেখানে শিশুর স্বাভাবিক মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়।

https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-snc6/208557_10150168172414004_797854003_6659166_6681878_n.jpg

অটিজমের লক্ষণ
শিশুদের বিকাশের প্রথম তিন-চার বছরের মধ্যে অটিজমের লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। কোন কোন ক্ষেত্রে বাবা-মা লক্ষণগুলো শনাক্ত করতে দেরি করেন। যার কারণে চিকিৎসাও দেরি হয়ে যায়। যেসব লক্ষণ দেখে বোঝা যাবে শিশু অটিস্টিক, তা হল:

    শিশুর কথা বলতে দেরি হওয়া।
    সামাজিক যোগাযোগ অর্থাৎ অন্য শিশুদের সঙ্গে, বাবা-মার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন না করা।
    চোখের দিকে না তাকানো, হাসির প্রত্যুত্তরে না হাসা।
    কথা জানলেও তার মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা না করা।
    শিশুর নিজস্ব বানানো ভাষায় কথা বলা।
    প্রথাগত/বয়সোচিত খেলায় অংশগ্রহণ না করা।
    খেলনা/ব্যবহার্য অন্য ভাইবোনদের সঙ্গে ভাগাভাগি না করা।
    একই খেলা/নিয়ম/আচরণের পুনরাবৃত্তি করা।
    খিটখিটে মেজাজ।
    ডাকলে সাড়া না দেয়া ইত্যাদি।

উল্ল্লেখ্য, অটিস্টিক শিশুদের বিকাশ তথা বসতে শেখা, হাঁটা, চোখে দেখা, কানে শোনা, হাতের কাজ ইত্যাদি সাধারণত স্বাভাবিক থাকে। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে তাদের বুদ্ধি প্রতিবন্ধকতা, খিঁচুনি এবং অন্যান্য আচরণগত সমস্যা থাকে।
শিশুর বিকাশগত এই সমস্যাটির মাত্রা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। কেউ খুব অল্প মাত্রার আবার কেউ গুরুতর সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে আসে।

কেন অটিজম হয়?
এ প্রশ্নটা সব বাবা-মাই আমাদের করেন, যার উত্তর দেয়াটা বেশ কঠিন হয়ে যায়। আসলে অটিজমের প্রকৃত কারণ কি সেটা জানার জন্য অদ্যাবধি অনেক গবেষণা হয়েছে এবং হচ্ছে। যেসব কারণের সঙ্গে অটিজমের যোগসূত্র পাওয়া গেছে সেগুলো হল
জেনেটিক/বংশগত একই পরিবারের মধ্যে অটিজমের পুনরাবৃত্তি হতে পারে।

    গর্ভাবস্থায় যদি মার রুবেলা হয়।

    মস্তিষ্কের প্রদাহ।

    সিসা বিষক্রিয়া ইত্যাদি।

    চিকিৎসা

অটিস্টিক শিশুদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন একটি সমষ্টিগত চিকিৎসা ব্যবস্থা যা শিশুদের যথাসম্ভব বিকাশে সাহায্য করবে।
প্রথমেই শিশুর মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা করে জেনে নিতে হবে শিশুটি কোন পর্যায়ে আছে। এরপর অবস্থাভেদে পর্যায়ক্রমে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

অটিস্টিক শিশুদের সমষ্টিগত চিকিৎসা হওয়া উচিত এমন
১. শিশু চিকিৎসক/শিশু নিউরোলজিস্ট শিশুর সমস্যা অনুযায়ী চিকিৎসা দেবেন।
২. সাইকোলজিস্ট

    বাবা-মাকে কাউন্সিল করবেন

    ব্যবহারগত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবেন

৩. স্পিচ থেরাপিস্ট
    কথা বলতে সাহায্য করবেন

৪. অকুপেশনাল থেরাপিস্ট
    ব্যক্তিগত ও সামাজিক আচরণ শিক্ষা দেবেন।

    কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দেবেন।

৫. স্পেশাল স্কুল
    এখানে অটিস্টিক শিশুদের প্রশিক্ষিত শিক্ষক প্রশিক্ষণ দেবেন।

আমরা যারা অটিস্টিক শিশুদের চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত, সচরাচর একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হই, আমার ছেলে অথবা মেয়েটা কি ভালো হবে? উত্তরটা খুব সহজ নয়। কেননা এটা শিশুর রোগ, চিকিৎসার পরিসর, বাবা-মার সহযোগিতা, আর্থিক অবস্থা, সর্বোপরি সামাজিক অবকাঠামোর ওপর অনেকখানি নির্ভর করে। যেসব শিশুর সমস্যা কম, তারা যথাসময়ে চিকিৎসা পেলে স্বাভাবিক স্কুলে যেতে পারে আবার যেসব শিশু গুরুতর সমস্যায় ভুগছে, তাদের সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।

অভিভাবকদের উদ্দেশে কিছু কথা
অটিজম কোন নিরাময়যোগ্য রোগ নয়, তবে প্রতিটি অটিস্টিক শিশুই মননগত দিক দিয়ে সম্ভাবনাময়। প্রথমেই বাবা-মা হিসেবে আপনাকে যথেষ্ট মানসিক শক্তির অধিকারী হতে হবে- কোনভাবেই হতাশ হওয়া যাবে না। এমন অনেক অটিস্টিক শিশু আছে, যারা বহু প্রতিবন্ধকতা পার হয়ে এখন প্রায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে। তাই ধৈর্য ধরুন, শক্ত হাতে আপনার শিশুটির হাত ধরুন
সফলতা আসবেই।

অটিজম চিকিৎসা ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশে বহুদিন ধরেই অটিজম চিকিৎসা চলছে তবে যে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রয়োজন তা খুব কম প্রতিষ্ঠানেই রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় অটিজম চিকিৎসায় হাত বাড়িয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অটিজমের জন্য অত্যাধুনিক সামষ্টিক এবং সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা। এই সেন্টারের নাম সেন্টার ফর নিউরোডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অটিজম যেখানে রয়েছে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের অটিজম শনাক্তকরণ, চিকিৎসা, কাউন্সিলিং। এছাড়া এখানে রয়েছে অটিস্টিক শিশুদের ডে কেয়ার, যেখানে প্রশিক্ষিত শিক্ষদের মাধ্যমে বিশেষ শিক্ষা দান করা হয়।
প্রতিটি শিশুর মাঝে আছে অপার সম্ভাবনা অটিস্টিক শিশুরাও এর ব্যতিক্রম নয়।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, শিশু নিউরোলজি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

সুত্র