the link doesn't work
লিঙ্ক টি আপডেট করে দেয়া হল।
You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by sawontheboss4
the link doesn't work
লিঙ্ক টি আপডেট করে দেয়া হল।
RMC ফোরাম এর ও একটি ক্যালেন্ডার আছে:
URL অ্যাড্রেস: https://www.google.com/calendar/ical/un … /basic.ics
Calendar অ্যাড করে নোটিফিকেশন অন করে নিন।
আমাকে বলছে TRy later! 
Apacer হলে আলাদা টুলস আছে!
ধন্যবাদ! আপনার চাওয়া পাওয়া আল্লাহ পূরণ করুক, আমিন। ফোরামের ব্যপারে নিজস্ব মতামত জানাতে ভুলবেন না।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমার গহিন অরণ্যে নয়নাভিরাম নতুন জলপ্রপাত হামহাম পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে। যদিও যোগাযোগ ব্যবস্খার অভাব ও প্রচারে কমতি থাকায় জলপ্রপাতটি এখনো রয়ে গেছে লোকচক্ষুর অন্তরালে।

গহিন অরণ্যে প্রবেশের আগে তৈলংবাড়ী কিংবা কলাবন এলাকার বাসিন্দাদের সাহায্য নিয়ে প্রায় ৮ কিলোমিটার দুর্গম পাহাড়ের ভেতর হামহাম জলপ্রপাতে যাওয়া যাবে। পাহাড়ের আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পথে ট্রেকিং করা খুবই কষ্টের। মাঝে মধ্যে সিমেন্টের ঢালাই করার মতো দেখতে বড় বড় পাথরের খণ্ড খুবই পিছল, ডানে-বামে তাকালেই ভয় লাগবে মনে মনে। তাই ট্রেকিং করার সময় সবাইকে বাঁশের লাঠি হাতে নিয়ে খুবই সাবধানে হাঁটতে হবে। কলাবনপাড়া থেকে হাঁটার সময় কলাগাছগুলো দেখলে মনে হবে কেউ যেন সারিবদ্ধভাবে লাগিয়ে রেখেছে এগুলো। জারুল, চিকরাশি ও কদমের সারিবদ্ধ চারাগুলোর ফাঁকে ফাঁকে হাজারো প্রজাপতি ডানা মেলে উড়ে যাচ্ছে বহু দূরে। ডুমুর গাছের শাখা আর বেতস বনে দেখা মিলবে অগণিত চশমা বানরের। চারদিকে ও প্রাকৃতিক বাঁশবনে ভরপুর আর ডলু, মুলি, মিরতিঙ্গা, কালি ইত্যাদি অদ্ভুত নামের বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশ। পাথুরে পাহাড়ের ঝিরিপথে হেঁটে যেতে যেতে অসংখ্য পাখির সুমিষ্ট কলরব। শোনা যাবে বিপন্ন বনমানুষ, উল্লুক, গিবনসের ডাক।
কিছ ুদূর এগিয়ে যাওয়ার পর ভেসে উঠবে পাহাড় থেকে ধোঁয়ার মতো ঘন কুয়াশা ওঠার অপূর্ব দৃশ্য। মনে হবে নয়নাভিরাম পাহাড় হাতছানি দিয়ে ডাকছে। এভাবেই হাঁটতে হাঁটতে একসময় পৌঁছা যায় হামহাম জলপ্রপাতের খুব কাছাকাছি। দূর থেকে শোনা যাবে জলপ্রপাতের শব্দ। কাছে গিয়ে দেখতে পাবেন প্রায় ১৩০ ফুট উপর থেকে জল পড়ার সেই অপূর্ব দৃশ্য। যে কারো মন ক্ষণিকের জন্য হয়ে উঠবে চঞ্চল।
ঢালু ও পিচ্ছিল পাহাড়ি পথ বেয়ে উপরে ওঠা কষ্ট হলেও সহজ, কিন্তু নিচে নেমে আসা খুবই বিপজ্জনক ও কঠিন। তাই ভ্রমণকারীদের সবাইকে কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সাথে ট্রেকিং শুরু করতে হবে। প্রায় সাড়ে ৪ঘন্টা পর ফেরা যাবে কলাবনে।
ভ্রমণপিপাসু কমলগঞ্জ অথবা শ্রীমঙ্গল শহর থেকে যানবাহন ভাড়া করে ভোর ৬টার মধ্যেই হামহামের উদ্দেশে রওনা দিতে হবে। স্খানীয়রা বলেন, সরকার পর্যটকদের আগমনের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করলে এই জলপ্রপাতটি মাধবকুণ্ডকে হার মানাবে।
হ্যালো স্থানে বই এর নাম দিয়ে সার্চ দেন।
7 জিপ বেস্ট কারণ .001 .002 কে রাইট ক্লিক এ জয়েন করা যায়।
চালালাম! ভালোই
জরিপ এ বেশ কিছু ঘাপলা আছে! যেমন একাধিক ব্রাউসার ইউজ করে অনেক বার ভোট দেয় যায় + Cache cookie মুছে একাধিক বার ভোট দেয় যাই! সুতরাং ফলাফল এ বেশ ঘাপলা আছে!
অনেক ধন্যবাদ। আমি আপাতত ম্যাক এ আছি।
ছবির ঠিকানা দিন। ছবির ঠিকানা হল এরকম:
Android মোবাইল এখনো available হই নি।
আপনি EXE ফাইল লিনাক্স এ সেটাপ দিতে পারবেন না। আপনাকে লিনাক্স এর জন্য আলাদা ভাবে সফ্টওয়্যার ইন্সটল করতে হবে।
++

Media fire এর লিঙ্ক থেকে নামানোর পর মেজাজ টা খারাপ হয়ে গেল! অন্য ল্যাঙ্গুয়েজ!
পরে ফাইল হিপ্পো থেকে নামালাম।
সাবেক বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার প্রতিদিন পবিত্র কুরআন পাঠ করেন। সোমবার লন্ডনের দ্যা অবজারভার ম্যাগাজিনকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ব্লেয়ার বলেন, ‘আগে প্রতিদিন বাইবেল পড়তাম এখন কুরআন পড়ছি। কুরআন আমাকে বর্তমান পৃথিবীকে বুঝতে সাহায্য করছে। এটি শুধু ধর্মগ্রস্থই নয় বরং একটি চমৎকার শিক্ষনীয় নিন্দেশিকা’। খবর দ্যা এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের। ২০০৭ সালে নির্বাচনে হেরে ক্ষমতা ছাড়ার পর তিনি ধর্মের বিষয়ে আগ্রহী হয়ে ওঠেন

এবং নিজের ধর্ম হিসেবে ক্যাথোলিক মতবাদে দীক্ষা নেন।কুরআনকে বিশ্বাসভিত্তিক সাহিত্য উল্লেখ করে ব্লেয়ার বলেন, এই সাহিত্য বিশ্বায়ন যুগের বিশ্বকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমাধান দিতে পারে। এছাড়া, জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং রাশিয়া এই চতুষ্টয়ের হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিশেষ দূত হিসেবে কাজ করতে ইসলাম ও অন্যান্য ধর্মের জ্ঞান তার জন্য খুবই দরকারি বলে বর্ণনা করেন ব্লেয়ার।লেবার পার্টির এই সাবেক নেতা মুসলিমদের ধর্মকে ‘চমৎকার’ আখ্যায়িত করে প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মানুষকে সৎপথে পরিচালনার ক্ষেত্রে ইসলামের নবী মুহাম্মদের অসাধারণ ক্ষমতা ছিল।এই প্রথম ধর্ম বিষয়ে খোলামেলা কথা বললেন ব্লেয়ার। এরআগে তিনি নিজেকে ধর্মে অবিশ্বাসী বলে পরিচয় দিতেন।উল্লেখ্য গত অক্টোবরে ব্লেয়ারের শ্যালিকা লরেন বুথ (শেরি ব্লেয়ারের বোন) ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।প্রসঙ্গত ক্ষমতা ছাড়ার পর ব্লেয়ার ধর্মের মধ্যে বিভেদ দূর করার লক্ষ্য নিয়ে ‘টনি ব্লেয়ার ফাউন্ডেশন’ গঠন করেন।
সুত্র
যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি দেশে আইন প্রয়োগের কঠোরতা সত্বেও দেশটি অভ্যন্তরীণ অপরাধ হ্রাস করার ক্ষেত্রে খুব বেশি ভূমিকা রাখতে পারছে না। ফেডারেল আইনে ধর্ষণের শাস্তি জরিমানা থেকে শুরু করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড পর্যন্ত হতে পারে। ২০০৮ সালে ফেডারেল কোর্টের একটি রায় অনুযায়ী ধর্ষিত যদি ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যুবরণ না করে এবং ধর্ষকের যদি তার শিকারকে হত্যার উদ্দেশ্য না থেকে থাকে তাহলে ধর্ষণের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে কোন অঙ্গরাজ্যের আদালত মৃত্যুদন্ড দিতে পারবে না।

ধর্ষণ বিষয়ক পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় যে প্রতি মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রে ১.৩ জন মহিলা ধর্ষিত হয়, যা ঘন্টায় ৭৪ জন, দিনে ১,৮৭২ জন, মাসে ৫৬,১৬০ জন এবং বছরে ৬,৮৩,২৮০ জন। যেসব দেশ ধর্ষণের পরিসংখ্যান প্রকাশ করে থাকে সেই দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ধর্ষণের হার সর্বোচ্চ। যুক্তরাষ্ট্রের ধর্ষণ হার জার্মানির চেয়ে চার গুণ অধিক, ইংল্যান্ডের চেয়ে ১৩ গুণ এবং জাপানের চেয়ে ২০ গুণ অধিক। পরিসংখ্যানে আরো জানা যায় যে প্রতি তিনজন আমেরিকান মহিলার মধ্যে একজন জীবনে অন্তত একবার যৌন হয়রাণীর শিকার হয়েছেন। স্বামী কর্তৃক ধর্ষিত মহিলা প্রতি সাতজনে একজন। যুক্তরাষ্ট্রে ৮৩ শতাংশ ধর্ষিতের বয়স ২৪ বছর বা তার নিচে। কলেজে পাঠরতা প্রতি চার জন ছাত্রীর মধ্যে একজন ধর্ষিত হয়ে থাকে অথবা ধর্ষকের কবলে পড়ে কোনমতে নিজেকে রক্ষা করতে পারে। পুরুষ ছাত্রদের বেলায় জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে যে তাদের মধ্যে প্রতি ১২ জনের একজন এমন যৌন আচরণ করেছে আইনের সংজ্ঞায় যাকে ধর্ষণ বলে গন্য করা যায়। এছাড়া ৮৪ শতাংশ পুরুষ ছাত্র যারা এধরণের আচরণ করেছে, যা কিছুতেই ধর্ষণের মধ্যে পড়তে পারে না। ৭৫ শতাংশ ছাত্র এবং ৫৫ শতাংশ ছাত্রী, যারা ধর্ষণে জড়িত ছিল তারা মদ পান করেছে বা অন্য ধরণের নেশা দ্রব্য সেবন করেছে। সবচেয়ে বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, মাত্র ১৬ শতাংশ ধর্ষণের ঘটনা সম্পর্কে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়। মার্কিন পুলিশের কাছে নথিভুক্ত ধর্ষণের ঘটনা ২০০৮ সালে ছিল ৯০ হাজার এবং সে বছর ২৫ শতাংশ অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অফ জাস্টিস স্ট্যাটিসটিকসের ১৯৯৯ সালের এক জরিপ অনুসারে সেদেশে ধর্ষিতের ৯১ শতাংশ মহিলা এবং ৯ শতাংশ পুরুষ। তবে ধর্ষকের ৯৯ শতাংশই পুরুষ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মহিলাদের দ্বারা পুরুষের উপর যৌন নিপীড়নের ঘটনা বেড়ে চলেছে।
ফেডারেল আইন অনুযায়ী ধর্ষণ হচ্ছে: “১. কোন ব্যক্তি যদি যে কোন বয়সের অপর কোন ব্যক্তির সাথে বলপূর্বক যৌনকর্মে লিপ্ত হয়, ২. যৌনকর্মে লিপ্ত হয়ে কোন ব্যক্তির দৈহিক ক্ষতি সাধন করে, ৩. হত্যা, গুরুতর দৈহিক ক্ষতিসাধন বা অপহরণের ভীতি দেখিয়ে যৌনকর্মে লিপ্ত হয়, ৪. যৌনকর্মের উদ্দেশ্যে অপর ব্যক্তিকে অচেতন করে, অথবা ৫. বলপূর্বক বা বলপ্রয়োগের হুমকি দিয়ে অপর ব্যক্তির অজ্ঞাতে বা বিনা অনুমতিতে মাদক সেবন করায় যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়ার মতো ঘটনা।”
মার্কিন মহিলাদের মধ্যে কতো শতাংশ জীবদ্দশায় অন্তত একবার ধর্ষণের শিকার হয় তা নিয়ে মতভেদ থাকলেও এই হার যে কিছুতেই ১৫ থেকে ২০ শতাংশের নিচে নয় সে ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান একমত। ১৯৯৫ সালে ন্যাশনাল ভায়োলেন্স এগেইনেস্ট ওম্যান সার্ভে এই হার দেখিয়েছিল ১৭.৬ শতাংশ। ২০০৭ সালে ন্যাশনাল স্টাডি ফর দি ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস অন রেপ এই হার দেখিয়েছে ১৮ শতাংশ।
ধর্ষণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে নেশাদ্রব্য, বিশেষ করে মদের প্রয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে ৪৭ শতাংশ ধর্ষণের ক্ষেত্রে ধর্ষক ও ধর্ষিত উভয়েই মদ পান করেছে এবং ধর্ষিতকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে জোর করে মদ্য পান করানো হয়েছে। সতের শতাংশ ক্ষেত্রে ধর্ষক এবং সাত শতাংশ ক্ষেত্রে ধর্ষিত নেশাগ্রস্ত থাকে। সর্বমোট ধর্ষণের ঘটনার মধ্যে ২৯ শতাংশ ক্ষেত্রে নেশা দ্রব্য সেবনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আরো দেখা গেছে যে দুই তৃতীয়াংশ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে কারো না কারো বাড়িতে। ৩০.৯ শতাংশ ক্ষেত্রে ধর্ষণ সংঘটিত হয়েছে ধর্ষকের বাড়িতে, ২৬.৬ শতাংশ ঘটেছে ধর্ষিতের বাড়িতে এবং ১০.১ শতাংশ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এমন বাড়িতে যেখানে উভয়ে অংশীদার হিসেবে বসবাস করেছে। এছাড়া ৭.২ শতাংশ ধর্ষণ ঘটে থাকে পার্টিতে, ৭.২ শতাংশ যানবাহনে, ৩.৬ শতাংশ বাইরে এবং ২.২ শতাংশ বারে।
ধর্ষণ বিষয়ক বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে এ যাবত যুক্তরাষ্ট্রে ধর্ষণের অভিযোগগুলো ছিল পুরুষ কর্তৃক নারীকে ধর্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু বর্তমানে বিস্ময়করভাবে পুরুষ কর্তৃক পুরুষকে ধর্ষণ, এমনকি নারী কর্তৃক পুরুষকে ধর্ষণের ঘটনাও পুলিশের নথিভুক্ত হচ্ছে। তবে মহিলা কর্তৃক মহিলাকে ধর্ষণের কোন ঘটনা অভিযোগ হিসেবে পুলিশের কাছে আসেনি। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুসারে মহিলাদেরকেও ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু ধর্ষণের ঘটনা যতো ঘটে, তার সবই অভিযোগ হিসেবে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আসে না। ২০০৭ সালে ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস ১৮ শতাংশ জবরদস্তিমূলক ধর্ষণের ঘটনা লিপিবদ্ধ করেছে জনসাধারণের মধ্যে জরিপ চালিয়ে। কলেজে পড়–য়া মেয়েদের মধ্যে এই হার দেখানো হয়েছে ১৬ শতাংশ, অথচ কলেজ পড়–য়া বা ওই বয়সের মেয়েরাই বেশি ধর্ষিত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে ধর্ষণ সম্পর্কে একটি ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত আছে যে অধিকাংশ ধর্ষণ সংঘটিত হয় অজ্ঞাত পরিচয় লোকদের দ্বারা। কিন্তু বাস্তবে পরিচিত লোকদের দ্বারাই অধিক সংখ্যক ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে জরিপে দেখা গেছে। মার্কিন ব্যুরো অফ জাস্টিস এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমান বা সাবেক বন্ধুর দ্বারা ধর্ষিতের হার ২৬ শতাংশ, আতœীয়ের দ্বারা ৭ শতাংশ, পরিচিত লোকের দ্বারা ৩৮ শতাংশ এবং সম্পূর্ণ অপরিচিত লোকের দ্বারা ধর্ষণের ঘটনা ঘটে ২৬ শতাংশ। অপরদিকে বিশিয়ার্স, ক্লিনটন-শেরড ও ম্যাকঅসলান পরিচালিত জরিপে ৬১.১ শতাংশ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বর্তমান বা সাবেক ঘনিষ্ট বন্ধু দ্বারা, ৩৭.৯ শতাংশ পরিচিত লোকদের দ্বারা এবং মাত্র ২ শতাংশ অপরিচিত লোকদেও দ্বারা। দু’টি জরিপেই উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রতি ১০টি ধর্ষণের ঘটনার চারটিই ঘটে ধর্ষিতের নিজ বাড়িতে।
জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের একটি দলিল ‘ক্রিমিনাল ভিকটিমাইজেশন ইন দি ইউনাইটেড স্টেটস’ অনুসারে ২০০৫ সালে ১,৯১,৬৭০ টি ধর্ষণ বা যৌন উৎপীড়নের ঘটনা পুলিশের কাছে অভিযোগ হিসেবে দায়ের করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র সব ধরণের সরকারী পরিসংখ্যান সংরক্ষণ করে জাতিগত ভিত্তিতে, তাও শুধুমাত্র বিভাজন করা হয় শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গের ভিত্তিতে। সে হিসাবে ২০০৬ সালে ১,৯৪,২৭০ জন শ্বেতাঙ্গ ও ১৭,৯২০ জন কৃষ্ণাঙ্গ ধর্ষণ ও যৌন হামলার শিকার হয়। অবশ্য সরকারি রিপোর্টে কিছু কিছু ধর্ষণের ঘটনাকে বাদ দেয়া হয়। যেমন এফবিআই এর সংজ্ঞা অনুযায়ী মহিলাদেরকে জবরদস্তিমূলক ধর্ষণ ছাড়া অন্য ধরণের ধর্ষণকে হিসাবে ধরা হয় না। কারণ, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ধর্ষণের ঘটনা কখনো অভিযোগ আকারে নথিভুক্ত হয় না, এমনকি অনেক ঘটনা জবরদস্তিমূলক হওয়া সত্বেও অভিযোগ করা হয় না। এছাড়া অনেক ধর্ষণের ঘটনা স্বয়ং পুলিশও গুরুতরভাবে গ্রহণ করে না, যার ফলে এ বিষয়ক মামলা মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে।
মার্কিন সমাজবিদরা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে আশির দশকে যুক্তরাষ্ট্রে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনা হ্রাস পাচ্ছিল, কিন্তু ইন্টারনেট পর্ণোগ্রাফির বিস্তারে ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন ও যৌন বিকৃতির মতো ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। ন্যাশনাল ক্রাইম ভিকটিমাইজেশন সার্ভে অনুযায়ী ১৯৮০ সালে ১২ বছর এবং এর উপর বয়সীদের উপর ধর্ষণের ঘটনা প্রতি হাজারে ২.৪ থেকে হ্রাস পেয়ে ০.৪ এ নেমে এসেছে, অর্থ্যাৎ হ্রাসের হার ৮৫ শতাংশ। কিন্তু অন্যান্য সরকারি জরিপে, বিশেষ করে ‘****ুয়াল ভিকটিমাইজেশন অফ কলেজ ওম্যান’ উপরোক্ত জরিপের সমালোচনা করেছে এই বলে যে উক্ত জরিপে শুধুমাত্র সেই বিষয়গুলোকেই আমলে নেয়া হয়েছে যেগুলোকে ধর্ষিতরা অপরাধ বলে গন্য করেছে। কিন্তু ধর্ষণের শিকার হয়েছে প্রকৃতপক্ষে অনেক বেশি সংখ্যক মহিলা।
ভাষ্যকার : আগামী বছরে সরকারকে একদিকে যেমন প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে, অন্যদিকে মুখোমুখি হতে হবে বৈরী বিশ্ব পরিস্থিতির।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) সরকারের গত অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি, আসন্ন বাজেট, এডিপির বাস্তবায়ন, জাতীয় অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে যে মূল্যায়ন উপস্থাপন করেছে, তা সবিশেষ প্রণিধানযোগ্য। চলতি অর্থবছরে জিডিপির ৬.৬৬ শতাংশ.
পরিচয় পেয়ে ভাল লাগছে, নবীন সদস্য কে স্বাগতম!
কলিযুগ! 
দেখবো দেখবো!
অধ্যাপক ডা. নাসিমা বেগম
মহাসচিব
অবসটেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল
সোসাইটি অব বাংলাদেশ

নিরাপদ মাতৃত্ব বলতে এমন একটি অবস্থা বা পরিবেশ বোঝায় যেখানে একজন নারী
গর্ভবতী হবেন কি না তা নিজের বিষয়ে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
গর্ভবতী হলে নিম্নলিখিত সেবাগুলো নিশ্চিতভাবে পাবেন। রাষ্ট্রের কাছে বা সমাজের কাছে এটা তার অধিকার।
গর্ভকালীন চিকিৎসাসেবা : এ সংক্রান্ত জটিলতা নির্ণয়, তার প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ব্যবস্থা এখানে অন্তর্ভুক্ত।
প্রসবের সময় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ ধাত্রীর (স্কিলড বার্থ এটেনডেন্ট) দ্বারা নিরাপদ প্রসব সেবা পাবেন।
প্রয়োজনে জরুরি প্রসূতি সেবার লক্ষ্যে রেফারের ব্যবস্থা থাকবে; কাছের হাসপাতালে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের ব্যবস্থা পাবেন।
প্রসব পরবর্তী প্রয়োজনীয় সেবা :
নবজাতকের সেবা ও পরিবার পরিকল্পনা ব্যবস্থাও এখানে অন্তর্ভুক্ত।
উন্নত দেশগুলোতে প্রতিটি নারী উপযুক্ত সেবা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত। আমাদের দেশে এক-চতুর্থাংশ মাত্র আংশিকভাবে সেবা গ্রহণ করেন। প্রতিটি গর্ভই ঝুঁকিপূর্ণ। গর্ভকালীন নিরাপদ কাটালেও প্রসব জটিলতায় অনেক মা মৃত্যুবরণ করেন। বছরে প্রায় ৭ হাজার ৩৩০ জন মা সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন এবং এর দ্বিগুণ বিভিন্ন রকম জটিলতায় সারা জীবন অতিবাহিত করেন। এর মধ্যে ফিসচুলা, যোনীপথ ছিঁড়ে এক হয়ে যাওয়া, তলপেটে প্রদাহ, জরায়ু নেমে যাওয়া, স্বাস্থ্যহীনতাসহ অনেক রকম কষ্টই ভোগ করেন আমাদের মায়েরা।
শ্রীলংকায় মাতৃমৃত্যু নেই বললেই চলে। এটি সম্ভব হয়েছে দেশের ৯৯ ভাগ লোক শিক্ষিত এবং প্রায় শতকরা ৯৯ ভাগ ডেলিভারি হাসপাতালে হয়ে থাকে যা অভিজ্ঞ ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে ঘটে।
বাংলাদেশে ২০১০ সালের এক জরিপে দেখা গেছে ৭৫ ভাগ ডেলিভারি গ্রামের বাড়িতে হয় এবং ৭৫ ভাগ ডেলিভারি অনভিজ্ঞ ধাত্রী দ্বারা করানো হয়। শহরাঞ্চল ও তুলনামূলক ধনী এবং শিক্ষিত মায়েরা হাসপাতাল সেবা বেশি গ্রহণ করেন। কেন আমাদের মায়েরা হাসপাতালে আসেন না সেটা খুঁজতে গেলে অনেক কারণ চোখে পড়ে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দেশে ৫০-৬০ ভাগ পরিবার মনে করে গর্ভকালীন সেবা নেয়ার দরকার নেই, সবকিছু প্রাকৃতিক নিয়মে আল্লাহর ইচ্ছায় হবে আর্থিক সংকট, হাসপাতাল দূরে, রাস্তাঘাট ভালো নয়, বাড়ি থেকে যাওয়ার অধিকার নেই, কুসংস্কার ও ধর্মান্ধতা প্রভৃতি অন্যতম।
যেসব কারণে মায়েরা মৃত্যুবরণ করেন তা হল
রক্তক্ষরণ প্রসব পরবর্তী সময়ে জরায়ু সংকুচিত না থাকলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়ে নারী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
খিঁচুনি একলাম্পশিয়া, রক্তচাপ (১৪০/৯০) বেশি হয়ে খিঁচুনি হতে পারে। এতেও মা ও শিশু উভয়েরই জীবনহানি ঘটে।
বিলম্বিত ও বাধাপ্রাপ্ত প্রসব বিভিন্ন কারণে ১২ ঘণ্টার অধিক প্রসব সময় অতিবাহিত হলে বা প্রসব ব্যথা পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও যোনীপথ সংকুচিত বা সন্তানের অবস্থান অস্বাভাবিক থাকলে প্রসব বাধাগ্রস্ত হয়। এগুলো যথাসময়ে নির্ণয় করা জরুরি। ১২ ঘণ্টার অধিক যে কোন প্রসব (১ম বার) এবং ৬ ঘণ্টা (২য় থেকে প্রতিবার গর্ভ) সময় পার হয়ে গেলে গর্ভবতীকে হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে।
পানি ভেঙে যাওয়া এবং ব্যথা না ওঠা, প্রদাহ দেখা দেয়া (ইনফেকশন)।
গর্ভবতীর জ্বর ম্যালেরিয়া, মূত্রথলির ইনফেকশন বা অন্য কোন মেডিকেল রোগ যেমন: অ্যানিমিয়া, হার্টের রোগ, ডায়াবেটিস ও জন্ডিস থাকলে হাসপাতালে ডেলিভারি করাতে হবে।
নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো
সিএসবিএ বা দক্ষ ও প্রশিক্ষত ধাত্রী দ্বারা গর্ভকালীন, প্রসবকালীন, প্রসব পরবর্তী সেবার ব্যবস্থা, প্রতি ইউনিয়নে ১-২ জন ট্রেনিং নিয়ে তৈরি আছেন তারা বাড়িতে গিয়ে ডেলিভারি করান ।
কমিউনিটি ক্লিনিক মেটারনিটি জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রয়োজনীয়সংখ্যক ডাক্তার নিয়োগ পেয়েছেন।
জরুরি প্রসূতি সেবা দান
দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সাহায্যের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সাহায্য (ডিমান্ড সাইড ফাইন্যান্সিং বা ডিএসএফ) বা মাতৃমৃত্যুর ভাউচার প্রদান।
সেবা কেন্দ্রে বা হাসপাতালে ডেলিভারির পরপরই ২য় সন্তান নেই জেনে ২টি ইনজেকশন অক্সিটোসিন মাংসে দেয়া বা বাড়িতে ডেলিভারি হলে ২টি মিজোপ্রস্টল বড়ি খেয়ে নেয়া কার্যক্রম।
খিঁচুনি প্রতিরোধকল্পে ইনজেকশন ম্যাগনেসিয়াম সালফেট প্রতিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রদান।
পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম সবরকম ব্যবস্থা যেমন কনডম, খাওয়ার বড়ি (সুখী), ইমারজেন্সি পিল, ইনজেকশন (প্রতি ৩ মাসে), কপার আইইউডি, ইমপ্লান্ট (সুইয়ের মতো হাতে চামড়ার নিচে নিয়ে নেয়া), স্থায়ী ব্যবস্থা টিউবেকটমি ও ভেসেকটমি এখন অনেক নিরাপদ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় করা হয়ে থাকে।
জেলা হাসপাতালগুলো নারীবান্ধব করার কার্যক্রম চলছে যাতে মায়েরা হাসপাতালে এসে স্বস্তি পায় ।
অবশেষে বলতে হয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সমাজের প্রতিটি মানুষকে নারীর গর্ভ ও প্রসবজনিত সমস্যাকে নিজের সমস্যা মনে করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়াই প্রধান পদক্ষেপ হওয়া উচিত।
সুত্র: দৈনিক যুগান্তর
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by sawontheboss4
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.১৭ seconds (২৯.৯% PHP - ৭০.১% DB) with ৬ queries