ডা. মোঃ আসাফুজ্জোহা রাজ
রাজ ডেন্টাল সেন্টার

শুধু আমাদের দেশেই নয়, পৃথিবীর প্রায় সব স্থানেই অর্ধেকের বেশি মানুষ স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদি দাঁতের অতিসংবেদন-শীলতা অথবা দাঁত শিরশির কষ্টে ভুগছে। বিশেষ করে ঠাণ্ডা বা গরম খাবার গ্রহণের সময় এর মাত্রা প্রায় অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছে।
দাঁতের অতিসংবেদনশীলতার কারণ

http://i.imgur.com/Khirb.jpg

এনামেল ক্ষয় হলে দাঁতের ২য় স্তর ‘ডেন্টিন’ ক্ষয় হতে থাকে। হলুদ বর্ণের এ স্তরে সরাসরি স্নায়ুর সংযোগ না থাকলেও এটি অতিসংবেদনশীল।
অপরদিকে কোন কারণে মাড়ি সরে যেয়ে দাঁতের শিকড় বা রুটকে ক্ষয় করলে উপরোক্ত কারণেই দাঁত শির শির করে।
দাঁতের এনামেল ক্ষয়ের কারণ : ব্যাকটেরিয়া গোত্রীয় জীবাণু দ্বারা, দাঁত ক্ষয় বা ডেন্টাল ক্যারিজ ও আঘাতজনিত কারণে দাঁত ক্ষয়ের পাশাপাশি অন্য কারণগুলো হচ্ছে শক্ত টুথ ব্রাশ ও দানাযুক্ত পাউডার, ছাই, কয়লা ইত্যাদি দিয়ে নিয়মবহিভর্‚ত দাঁত পরিষ্কার পদ্ধতি, পেটের অনিয়ন্ত্রিত এসিডিটি ও অতিরিক্ত টক খাবার খাওয়া, দাঁতে দাঁত কাটার অভ্যাস, আপত্যিকর অভ্যাস যেমন কলম চাবানো, দাঁত দিয়ে প্যাকেট ছেড়া, নখ কাটা, মেয়েরা চুলের ক্লিপ খুলতে দাঁত ব্যবহার, দাঁতের অম্বাভাবিক অবস্থান, ত্র“টিপূর্ণ কৃত্রিম দাঁত ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

দাঁতের শিকড় ক্ষয় কারণ
দাঁতের গোড়ায় ব্যাকটেরিয়া প্লাক ও পাথর জমা অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, নিয়মবহিভর্‚ত দাঁত ব্রাশ, দাঁতের নিজস্ব গঠন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

প্রতিরোধ : নরম, ছোট মাথা, নমনীয় ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করতে হবে। দানামুক্ত পর্যাপ্ত ফ্লোরাইড যুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার ও শারীরিক অবস্থা ও দাঁতের গঠনের ওপর নির্ভর করে ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ মতো দাঁত ব্রাশের নিয়ম শেখা।
শারীরিক সমস্যা যেমন অনিয়ন্ত্রিত গ্যা¯্র¡িক এসিডিটি, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা, ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করা।

ডা. রফিক আহম্মেদ
মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ
ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

http://i.imgur.com/nbm8v.jpg

আমরা যা-ই খাই তা যদি শোষিত হয়ে শরীরের ক্ষয় পূরণ, রোগ প্রতিরোধ ও বৃদ্ধি সাধন করে তবেই তাকে খাদ্য বলে। ১০ ধরনের খাদ্য রোগ প্রতিরোধের জন্য যুদ্ধ করে। সে বিষয়ে নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করা হল।

১. রুটি, ময়দা, আটা, চা-পাতির মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন বি-৬ বা পাইরিডক্সিন আছে যা কিনা প্লিহা ও থাইমাস গ্রন্থির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং অর্গান দুটি রোগ প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অন্যান্য বি-ভিটামিনের গুরুত্বও আছে। ফলিক এসিড টাটকা শাকসবজিতে পাওয়া যায়। ভিটামিন বি-১২, লিভার, মাছ, ডিম এবং ছত্রাক বিশেষ শস্যজাতীয় খাদ্যের মধ্যে পাওয়া যায়।

২. ক্যারোট-গাজর, ভিটামিন-এ, সমৃদ্ধ খাবার যা কিনা লালশাক, পুঁইশাক, টাটকা শাকসবজিতে পাওয়া যায়। আম, কলা, পেঁপে, রঙিন ফলেও ভিটামিন এ বেশি আছে। মলা, ঢেলা, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম তো আছেই। ভিটামিন এ-তে বিটা ক্যারোটিন থাকে যা ত্বক এবং মিউকাস মেমব্রেনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে, রোগ প্রতিরোধ তন্ত্রের তীব্রতা বৃদ্ধি করে। এন্টিবডি রেসপন্ডে সাহায্য করে, রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে ইত্যাদি।

৩. ঘি, দুগ্ধ, দুগ্ধজাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম থাকে। এ ছাড়া শাকসবজি, মাছ, চীনাবাদাম, ডালের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে যা ম্যাগনেশিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইমুউন কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটা চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

৪. চকোলেট, আইসক্রিম, কোকো, গুঁড়া করে তৈরি মণ্ড, মাংস, ডিমের কুসুম, শীল মাছ, সুগন্ধি মশলা ইত্যাদি চমৎকারভাবে আয়রনের সঙ্গে যুক্ত হয়। শ্বেত রক্ত কণিকার সমতা রক্ষা করে, যা ইমুনিটি সৃষ্টিতে সহায়ক ভ‚মিকা পালন করে।

৫. সামুদ্রিক মাছ, সামুদ্রিক খাদ্য, মুরগি, লিভার, ডিমের কুসুম, শস্যজাতীয় খাবার ইলিশ মাছ, মাছের তেল ইত্যাদির মধ্যে সেলিনিয়াম নামক খনিজ লবণ থাকে, যা শ্বেত কণিকার ও ইমুউন এনজাইমের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। এ তেলের মধ্যে ফ্যাটি এসিড থাকে। এরা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

৬. ম্যাগনেশিয়াম টাটকা শাকসবজি, চীনাবাদাম, সামুদ্রিক খাদ্য, শস্যজাতীয় খাবারে ম্যাগনেশিয়াম থাকে, এগুলো ইমুনিটির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

৭. ভিটামিন-ই : উদ্ভিদ জাতীয় খাবার শাকসবজি, ফলমূল, ভেষজ তেলে পাওয়া যায়। শিম, শিমের বিচি, চীনাবাদাম ইত্যাদি। প্রাণিজ খাদ্য ডিমের কুসুম, মাছ, মাংস, দুধে থাকে। এরা শ্বেত রক্ত কণিকার কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৮. আমলকী, হরীতকী, পেঁপে, তরমুজ, বাঁধাকপি, টকজাতীয় লেবু, কমলা লেবু, পেয়ারা ইত্যাদি। এরা কেমিক্যাল ম্যাসেনজার নাম্বার বৃদ্ধি করে বিশেষ করে ইন্টারফেরন, যা ইনফেকশনের প্রসেস প্রতিরোধে মহা গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে।

৯. জিংক : সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, ডিম, মাংস, সিরিয়াল, চিংড়ি, সামুদ্রিক খাদ্যে জিংক প্রচুর পরিমাণে রয়েছে যা ফ্রি রেডিকেলের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। জঞ্জাল কোষকে (জীবাণু ধ্বংস করার পর যেগুলোর মৃত্যু ঘটে) মুক্ত করতে সাহায্য করে। জিংক আমাদের শরীরের পুষ্টির জন্য একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। জিংক শরীরের বিভিন্ন এনজাইমের একটি অংশ এবং সব টিসুতেই এটি আছে।

১০. চা, শস্যজাতীয় খাদ্য টাটকা শাকসবজি-জাতীয় খাদ্যে ম্যাংগানিজ থাকে, যা কিলার ইমুনু সেলের কার্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

নিউজ ওয়ার্ল্ড, নিউ ইয়র্ক থেকে: জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন। গত শুক্রবার অবস্থার অবনতি হলে আকস্মিকভাবে আবারও তাকে অপারেশন করার সিদ্ধান্ত নেয় নিউ ইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত বেলভ্যু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

http://www.mzamin.com/news_image/11563_f2.jpg


স্থানীয় সময় শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার সময় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপারেশন হয়েছে কিনা জানা যায়নি। তবে হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র তার অবস্থাকে অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন বলে জানিয়েছে। গত সপ্তাহে দ্বিতীয় অপারেশনের পর থেকেই প্রচণ্ড ব্যথার কারণে হুমায়ূন আহমেদকে ব্যথানাশক ইনজেকশন দিয়ে অচেতন করে রাখা হয়েছে। তবে ওষুধের ঘোর কাটলেই প্রচণ্ড ব্যথায় তিনি কূঁকিয়ে উঠছেন। এ অবস্থায় আবারও মরফিন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হচ্ছে তাকে। প্রচণ্ড ব্যথায় কাতর হুমায়ূন আহমেদ সম্প্রতি যন্ত্রণায় ছটফট করতে গিয়ে চেয়ার থেকে নিচে পড়ে যান। এতে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। এর মধ্যে ইনফেকশন এবং একে একে তিনটি অপারেশনে একেবারেই কাহিল হয়ে পড়েছেন তিনি।

সুত্র: মানবজমিন

এ বছর এপ্রিল মাসে মুক্তি পেয়েছে হিন্দি ছবি হেট স্টোরি। এ ছবিতে খোলামেলা দৃশ্যে পাওলির অভিনয় আলোচিত-সমালোচিত—দুই-ই হয়েছে। এ ব্যাপারে পাওলির মন্তব্য, হেট স্টোরি একটি ইউনিক ছবি।

http://i.imgur.com/GQaBh.jpg

‘আমি বাংলাদেশের মেয়ে। বাংলাদেশকে ভালোবাসি। বাংলাদেশ আমার আরেকটি দেশ।’ বললেন, পাওলি দাম।

ভারতের কলকাতা ও মুম্বাইয়ের এ সময়ের অন্যতম আলোচিত নায়িকা পাওলি ঢাকায় এসেছেন গতকাল শুক্রবার সকালে। ছিলেন হোটেল সোনারগাঁওয়ে। সন্ধ্যায় গুলশানে আল-হাসান ডায়মন্ড গ্যালারি উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর তিনি গ্যালারি ঘুরে দেখেন, আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কথা বলেন, ছবি তোলেন।
পাওলি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশে প্রথম এসেছি গৌতম ঘোষের মনের মানুষ ছবিতে অভিনয় করতে। এরপর ফেব্রুয়ারিতে গ্যালারি অ্যাপেক্স লাইফ ইজ বিউটিফুল ফ্যাশন শোতে অংশ নিতে এসেছি। সেখানে আমি অগ্নিমিত্রা পালের নকশা করা শাড়ি পরেছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুনেছি, আমার ঠাকুরদা ছিলেন ফরিদপুরের। তবে আমার বাবার জন্ম কলকাতায়।’
আজ শনিবার সকালে তিনি মুম্বাই ফিরে যাচ্ছেন।
- খবর প্রথম আলোর (/detail/date/2012-06-30/news/269874)

বলিউডে ক্যাটরিনা কাইফ অভিনীত কোনো ছবিই ১০০ কোটি রুপি ব্যবসা করেনি। কিন্তু এ নিয়ে মোটেও চিন্তার ভাঁজ নেই তার কপালে। কারণ বলিউডে অভিনেত্রীদের মধ্যে এখনও তিনিই সবচেয়ে ধনী।

http://i.imgur.com/3xfWu.jpg

অন্যদিকে ১০০ কোটি রুপি ব্যবসা করেছে এমন ছবির নায়িকাদের তালিকায় আছেন কারিনা কাপুর [থ্রি ইডিয়টস, বডিগার্ড, রা.ওয়ান, গোলমাল থ্রি], সোনাক্ষী সিনহা [দাবাং, রাউডি রাঠোর], অসিন [গজিনি, রেডি, হাউসফুল ২] ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া [অগি্নপথ, ডন ২]। এই তালিকায় না থাকার পরও ক্যাটরিনার সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া অবাক করছে অনেককে। কিন্তু বিশ্লেষক ও নির্মাতারা ভারতের বার্তা সংস্থা টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, 'ক্যাটরিনা কাইফই এখনও সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ধনী অভিনেত্রী।'
সর্বশেষ 'অগি্নপথ' ছবিতে 'চিকনি চামেলি' শিরোনামের গানে নেচে দর্শক মাতিয়েছেন ক্যাটরিনা। ২০১২-২০১৩ সালে বলিউডের তিন খানের সঙ্গে রূপালি পর্দায় আসছেন তিনি। এর মধ্যে 'এক থা টাইগার' ছবিতে সালমান, যশ চোপড়া পরিচালিত নতুন চলচ্চিত্রে [নাম চূড়ান্ত হয়নি] শাহরুখ আর 'ধুম ৩' ছবিতে আছেন আমির। তিনটিরই প্রযোজক যশরাজ ফিল্মস। এর মধ্যে কবির খান পরিচালিত 'এক থা টাইগার' মুক্তি পাবে আগামী ১৫ আগস্ট।

জন্মের পর একটি শিশু হঠাৎ করেই সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশে চলে আসে। মায়ের গর্ভে নীরবে, নিশ্চিন্তে থাকা নবজাতক শিশুর পৃথিবীর আলো-পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে বড়ই কষ্ট লাগে। খাওয়া-দাওয়া, ঘুম, চারদিকের পরিবেশ সবকিছুই তার কাছে নতুন। তাই নতুন পরিবেশে শিশুর প্রয়োজন বিশেষ যত্ন ও পরিচর্যা।

http://www.dainikdestiny.com/admin/news_images/305/image_305_56902.jpg

সাধারণত মা-ই তার সন্তানের সর্বাধিক যত্ন নিতে পারেন। তারপরও মাসহ নবজাতক শিশুর খালা, ফুফু, নানি, দাদি অনেকেই এ ব্যাপারে সাহায্য করে থাকেন। নবজাতক শিশুর পরিচর্যাকারীকে অবশ্যই কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে_
মা ছাড়া শিশুর যত্ন অন্য কেউ নিলে তাকে অবশ্যই সংক্রামক রোগমুক্ত হতে হবে।
পরিচর্যাকারীর পোশাক-পরিচ্ছদ সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।
শিশুকে খাওয়ানো কিংবা কোলে নেয়ার ক্ষেত্রে হাত সব সময় সাবান, লিকুইডসোপ, হেক্সিসল বা স্পিরিট দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
নবজাতকের পরিবেশ
নবজাতক শিশুর জন্য প্রয়োজন খোলামেলা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। এ ক্ষেত্রে যেসব বিষয়ে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন তা হল_
* নবজাতকের ঘরে যেন পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল করতে পারে।
* ঘরে আসবাবপত্র কম রাখা উচিত, প্রয়োজনে সাময়িক সময়ের জন্য ঘর থেকে অতিরিক্ত বা মা-শিশুর প্রয়োজন হবে না এমন জিনিস সরিয়ে ফেলতে হবে।
* কোনোভাবেই ঘরে যেন ধুলাবালি কিংবা পোকা-মাকড় থাকতে না পারে সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে।
* ঘরের দেয়াল বা মেঝেতে কোনো জাম্প বা স্যাঁতসেঁতে যেন না থাকে।
* নবজাতক শিশুর ঘরে কোনোভাবেই ফুল বা ফুলদানি, ফুলের টব রাখবেন না।
* ঘরের মেঝে, জানালা পরিষ্কার করতে হবে, জীবাণুমুক্ত করতে ডেটল বা স্যাভলন পানি ব্যবহার করা প্রয়োজন।
* ঘরে মশার কয়েল বা স্প্রে করতে হলে শিশুকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে তারপর করতে হবে।
* নবজাতকের ঘরে কেউ যেন ধূমপান না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
নবজাতকের বিছানা, পোশাক-পরিচ্ছদ
* নবজাতককে বেশি নরম বিছানায় শোয়ানো ঠিক নয়।
* মা যে ধরনের বিছানায় অভ্যস্ত তাতেই শিশুকে রাখা উচিত।
* শিশুর মাথায় বালিশ না দিয়ে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে গোল করে রাখলে মাথার আকৃতি সুন্দর হয়।
* শিশুর চারদিকে কোল-বালিশ বা পাশ বালিশ দেয়া একান্ত দরকার। এতে শিশু মায়ের গর্ভে অল্প পরিসরে থাকার অনুভূতিটা লাভ করতে পারে।
* নবজাতকের পোশাক হওয়া প্রয়োজন পাতলা সূতি কাপড়ের। কেনা জামা-কাপড় না ধুয়ে শিশুকে পরানো যাবে না।
* শিশুর কাঁথা, কাপড়-চোপড় সবই ডেটল বা স্যাভলন দিয়ে ধোয়া একান্ত প্রয়োজন।
নবজাতকের মলমূত্র পরিষ্কার করা
* শিশুর মল-মূত্র পরিষ্কারের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে যা করণীয় তা হল_
* মল-মূত্র পরিষ্কার করার জন্য পরিষ্কার সুতি কাপড় ব্যবহার করা উচিত।
* কাপড় বা তুলা পানিতে ভিজিয়ে পায়খানা-প্রস্রাবের জায়গা মুছে নিতে হবে।
* পায়খানা-প্রস্রাব মোছার সময় বেশি চাপাচাপি করবেন না।
* পরিষ্কার করার পর নিজের হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
* সবশেষে লোশন বা অলিভঅয়েল মেখে দেয়া যেতে পারে। পাউডার মাখবেন না, তাতে শিশুর চামড়ার ভাঁজে পাউডার জমে সংক্রমণ দেখা দিতে পারে।
নবজাতকের গোসল
* জন্মের দুই-তিন দিন পরই সুস্থ নবজাতককে গোসল দেয়া যেতে পারে। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে কয়েকটি বিষয়ে। যেমন_
* প্রথম দিকে নবজাতককে হালকা গরম পানি দিয়ে মুছে দেয়া যেতে পারে।
* গরমকাল হলে নাভি না পড়া পর্যন্ত এভাবেই গোসল করাতে হবে।
* শীতকাল হলে ১৪ দিন পরও গোসল দিলে কোনো ক্ষতি হবে না।
* নাভি না পড়া পর্যন্ত নাভির জায়গায় পানি লাগানো যাবে না।
* শিশুর গোসলের পানি আগেই ১০-১৫ মিনিট ফুটিয়ে ঠা-া করে নিলে জীবাণু সংক্রমণের কোনো আশঙ্কা থাকে না।
* গোসলের জায়গা গরম থাকা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে দরজা-জানালা বন্ধ করে নিলে ভালো হয়।
* গোসলের সময়ে কানে যেন পানি না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
* প্রতিদিন সাবান ব্যবহার করা যাবে না। ৩-৪ দিন পরপর লিকুইড সোপ ব্যবহার করা ভালো।
* নবজাতকের গায়ের পানি, নরম কাপড় বা টাওয়াল দিয়ে আস্তে আস্তে মুছতে হবে। তাড়াতাড়ি করে শিশুর নরম ত্বকের ক্ষতি করবেন না।
* হাত-পায়ের ভাঁজগুলোতে পানি যেন লেগে না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন।
* গোসল শেষে শরীর মোছার পর পাউডার ব্যবহার না করে লোশন ব্যবহার করা উচিত।
নবজাতকের চোখ, নাক ও কানের যত্ন
* গোসলের পর নবজাতকের চোখ, নাক ও কান ভালোভাবে মুছে নেয়া উচতি।
* শিশুদের চোখ খুবই স্পর্শকাতর, তাই চোখ পরিষ্কার করতে পানিতে ভেজানো নরম কাপড় ও তুলা ব্যবহার করা উচিত।
* নাক ও কান পরিষ্কার করতে কটনবাড ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এতে বিপদ হতে পারে। স্বাভাবিক নিয়মেই নাক ও কান পরিষ্কার রাখতে হবে।

জাবেদ ভুঁইয়া wrote:

কিন্তু পাগলের মত নরসিংদী চষে বেরিয়েও FM ট্রান্সমিটারের জন্যউল্লেখ্যিত পার্টসগুলো পেলাম না ।প

কী কী পার্টস?

ধন্যবাদ! বাংলাদেশের ম্যাপ টি খুব ই পছন্দ হয়েছে!

কোনও গুগল calender এর লিঙ্ক পাওয়া যাবে, notification পেতে চাই!

ধন্যবাদ! তবে সাক্ষর বেশি ভারি না হলেই ভালো।

হবার ই কথা! He is the best!

লুল!

অনেক দিন পরে আবার একটা কবিতা পেলাম ফোরামে। ধন্যবাদ।

tazkianur wrote:

অবশেষে প্রত্যাবর্তন

উঃ লা লা!   party

এফ রহমান wrote:

এফ রহমান

আপনাকে ফোরামে স্বাগতম। কিন্তু আপনার এফ এর পুরো অর্থ কিন্তু জানা হলো না। আপনার বাসা খুলনা তে, আমিও আপনার পাশে থেকেই, যশোর।

http://i.imgur.com/UgTlJ.jpg

সুজন পাল wrote:

এখান থেকে ডাউনলোড করা যাবে!

আসলে এটা ফন্ট এর জন্য না, পিডিএফ rendering এর জন্য। কারণ ফন্ট আছে, পিডিএফ এক্স এ দেখা যাচ্ছে, কিন্তু FOXIT এ ভেঙে যায়।

আরেন দারুন সফ্টওয়্যার, আমি আমাদের হোস্টেল এই এটা প্রসারের ব্যবস্থা করছি।

sfk505 wrote:

‘উদভ্রান্ত যুগের শুদ্ধতম কবি শফিকুল ইসলাম’
–নিজাম ইসলাম।

দেশের বাড়ি কোথায় উনার?

পিডিএফ এক্স Viewer লাগবে। ভাল দেখতে।

আসলেই অনেক ভাল লাগলো।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত হলো মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ উইন্ডোজ ৮-এর পরীক্ষামূলক সংস্করণ। গতকাল স্পেনের বার্সেলোনায় চলমান ‘মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস ২০১২’তে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ফলে এখন আগ্রহীার নতুন এই অপারেটিং সিস্টেমের পরীক্ষামূলক বা বেটা সংস্করণটি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এর ব্যবহার আপাতত ডেস্কটপ এবং ল্যাপটপেই সীমাবদ্ধ থাকবে। বহুল প্রতীক্ষিত এই ডুয়েল অপারেটিং সিস্টেমটি অবশ্য এখনও ট্যাবলেট পিসিতে ব্যবহারের সুযোগ দেয়নি মাইক্রোসফট। ট্যাবলেট পিসিতে ব্যবহার করতে হলে আগ্রহীদের অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন। আর বড়দিনের সময়ে গিয়ে উন্মোচন করা হবে এর পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ। সাম্প্রতিক সময়ে ট্যাবলেট পিসি প্রযুক্তি পণ্যের বাজারের অনেকটাই দখল নিতে সমর্থ হলেও এই বাজারে মাইক্রোসফটের এখন পর্যন্ত কোনো স্থান নেই। বরং অ্যাপল তাদের আইওএস এবং গুগল তাদের অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম দিয়েই দখলে রেখেছে বাজার। এই ক্রমবর্ধমান বাজার ধরার জন্যই মাইক্রোসফট শেষ পর্যন্ত তাদের উইন্ডোজ ৮-এ রাখছে একইসাথে ডেস্কটপ পিসি এবং ট্যাবলেট পিসিতে ব্যবহারের সুবিধা। আর ট্যাবলেট পিসিতে ব্যবহারের লক্ষে এই অপারেটিং সিস্টেমে রাখা হয়েছে দুই ধরনের ইন্টারফেস। ট্যাবলেট পিসি’র জন্য আলাদাভাবে এর যে মেট্রো ইন্টারফেস রয়েছে, তা সম্পূর্ণরূপে স্পর্শকাতর প্রযুক্তি সমর্থন করে। তবে ডেস্কটপ পিসি বা ট্যাবলেট পিসি—উভয় সংস্করণেই যুক্ত করা হয়েছে নানান নতুন নতুন ফিচার। বিশেষ করে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করা হয়েছে আগের তুলনায়। আর এই অপারেটিং সিস্টেমেই প্রথমবারের মত ব্যবহার করা হয়েছে ছবির মাধ্যমে অ্যাকাউন্টে লগ-অন করার সুবিধা। আর স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট পিসি’র এই রমরমা বাজারে সকলেই যখন অ্যাপ্লিকেশনের দিকে ঝুঁকে পড়েছে, তখন মাইক্রোসফটও তাদের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য উন্মুক্ত রেখেছে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা। অ্যাপল’র অ্যাপস্টোর-এর আদলে তারাও নিজেদের জন্য তৈরি করেছে অ্যাপ্লিকেশন স্টোর। তাছাড়া ট্যাবলেট পিসিকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে মাইক্রোসফট তাদের উইন্ডোজ ৮ চালিত ট্যাবলেট পিসিতে তাদের ‘মাইক্রোসফট অফিস স্যুট’ ব্যবহারের সুযোগ উন্মুক্ত রাখবে বলে জানিয়েছে। আর তা হলে ট্যাবলেটের বাজারে তাদের অবস্থানটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলেই আশাবাদী মাইক্রোসফট। মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ বিভাগের প্রধান স্টিভেন সিনফস্কি উইন্ডোজের নতুন সংস্করণ সকলের নিকট প্রদর্শন করে এসব কথা জানান।

shemul49rmc wrote:

বল কী ? disqus লাগালাম । তাও কমেন্ট করা যাই না ।

Blogspot e!

দিনের কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ে হূদরোগে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। নির্দিষ্ট সময়টিও তারা খুঁজে বের করেছেন বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে বিবিসি। দিনের শুরুতে অর্থাত্ সকালে ও দিনের শেষে বা সন্ধ্যায় হূদরোগে আক্রান্ত হলে ‘মৃত্যুর’ আশঙ্কা বেশি বলে ব্রিটেনের ‘নেচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি জরিপ প্রতিবেদনে জানানো হয়।

http://i.imgur.com/ZsHOB.jpg

এতে বলা হয়, মানুষের শরীরে হূদস্পন্দনের গতি নিয়ন্ত্রণকারী প্রোটিনের হার সারাদিন ধরেই ওঠানামা করতে থাকে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মতো শরীরের ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোও প্রতিদিন একটি রুটিনমাফিক কাজ করে থাকে। হূদযন্ত্রও এভাবে রুটিন মেনেই কাজ করে এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করতে থাকে। এ রুটিন অনুযায়ী শরীরের ভেতরে রাসায়নিক ক্রিয়াকলাপও সারাদিন ধরে বদলাতে থাকে যা স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে।

তথ্যসুত্র