Topic: রাতের পাখি পেঁচা

পৃথিবীর যে কোনো প্রাণীর চেয়ে বেশি দৃষ্টি শক্তির অধিকারী হলো পেঁচা। হ্যারি পটারের কাছে চিঠি বিলি করতে আসা শত-শত পেঁচা ওড়ার দৃশ্যটা কারোই ভোলার কথা নয়। শীতের আধার রাতে টু-হুইট-টু-হুউ শব্দ শুনে অনেকেই বুঝতে পারে পেঁচা ডাকছে। কিন্তু মজার ব্যাপারটি হলো এমন ডাক কিন্তু দুটো পেঁচা মিলে ডাকে। সারা পৃথিবী জুড়ে ১৭০ ধরণের বিভিন্ন প্রজাতির পেঁচা দেখা যায় যাদের অধিকাংশই রাতের বেলা বের হয় শিকারের জন্য। আগে আমাদের দেশে গ্রামাঞ্চলে প্রচুর হুতোম পেঁচা দেখা যেত। এখনও খুঁজলে দেখা যাবে।

http://i1132.photobucket.com/albums/m566/sawontheboss4/owl.jpg

পেঁচাদের দৈহিক বৈশিষ্ট্যের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো ওদের বড় বড় গোল দুটো চোখ। একদম যেন গাড়ির সাদা হেড লাইট। চোখদুটো পেঁচার এতোই বড় যে অক্ষিগোলকের মধ্যেও সেগুলো ঢোকেনা। মাথা ঘুরিয়ে এরা প্রায় পুরোপুরি পেছনের দিকে তাকাতে পারে। একারণেই এক জায়গায় চুপটি করে বসেই ওরা চারদিকে নজর রাখতে পারে। দিনের আলো এই বড় বড় চোখের পেঁচা সইতে পারে না, একারণই বেচারা পেঁচা রাতের পাখি খেতাব পেয়ে গেল। চাকতির মতো ওদের মুখমন্ডলের সুবিধা হলো এর ফলে খুব সূক্ষ্ম শব্দের প্রতিধ্বনিও হয় এদের কানে। পেঁচার শ্রবণ শক্তি কিন্তু দুর্দান্ত। অন্ধকারে খসখস নড়াচড়ার শব্দ শুনেই সে বুঝে ফেলতে করতে পারে শিকারের অবস্থান।
পেঁচা এক মারাত্মক শিকারী পাখি। বেশির ভাগ পেঁচারই লম্বা ও ধারালো নখর আছে। পাখা দুটো বেশি না দুলিয়েই এরা উড়তে পারে, এবং সে কারণেই শব্দ না করে খোলা বাতাসে পাক খেতে পারে অনায়াসে। একবার যখন তার শিকারকে খুঁজে পায় অমনি সে বাঁকানো নখড়ের থাবা নিয়ে নেমে আসে শিকার ধরতে। ওদের খাবারে তেমন কোন বাছবিচার নেই। ক্ষুদে ইঁদুর, শুয়োপোকা, ঢোরা সাপ, ব্যাঙ - কি নেই ওদের খাবারের তালিকায়?



Re: রাতের পাখি পেঁচা

পেচা দেখতে আমার খুবই ভালো লাগে,আর চোখের পাশের অংশগুলোও খুব সুন্দর।  dancing

মোঃ সাঈদুজ্জামান উপল
http://img684.imageshack.us/img684/3410/fb1d.jpg