৭৬

(৩ replies, posted in ভিন্ন জগত)

http://i45.tinypic.com/2cnyr1v.jpg


সূর্য এবং মহাদেশের অন্যান্য গ্রহ-নক্ষত্রের উচ্চতা এবং কৌণিক ব্যবধান মাপার জন্য বৃত্তের সোয়া ছয় অংশ পরিমাণ চাপযুক্ত যন্ত্র বিশেষের নাম সেঙ্ট্যান্ট (Sextant)। এটি সামুদ্রিক জাহাজে এবং বিমানে অক্ষাংশ নিরূপণের কাজেও ব্যবহার করা হয়। ইংরেজি 'সেঙ্ট্যান্ট' শব্দটি এসেছে ল্যাটিন 'সেঙ্টাস' (Sextus) থেকে যার অর্থ সোয়া ছয় (one sixth) অংশ। ১৭৩১ সালে জন হেডলি (John Hadlley) নামে একজন ইংরেজ সেঙ্ট্যান্ট যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেন। এটি মূলত জাহাজের অক্ষাংশ বা নিরক্ষরেখা থেকে তার দূরত্ব নির্ধারণের কাজে ব্যবহার করা হয়। বস্তুত সেঙ্ট্যান্টের আবিষ্কার আধুনিক নৌ চলাচল ব্যবস্থার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। যন্ত্রটি ডিগ্রিতে চিহ্নিত একটি বৃত্তের অংশবিশেষ। বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুতে প্রোথিত

একটি চলনক্ষম ব্যাসার্ধ বাহু আছে। বাহুটির শেষ প্রান্তে একটি আয়না লাগানো আছে। অপর প্রান্তটি স্কেল পর্যন্ত প্রসারিত। সেঙ্ট্যান্টের উপর একটি টেলিস্কোপ ও টেলিস্কোপের সম্মুখে আয়না যুক্ত থাকে। সেঙ্ট্যান্ট ব্যবহারের সময় পর্যবেক্ষক টেলিস্কোপের ভিতর দিয়ে সোজা দিগন্তের দিকে দেখেন। তারপর আয়নাটি সূর্যের

অথবা কোনো বিশেষ নক্ষত্রের দিকে ঘোরানো হয় যাতে লক্ষ্যবস্তুটির ঠিক দিগন্তের উপর দৃশ্যমান হয়। যে বাহুদণ্ডটি আয়নাটিকে চালনা করে সেটি থেকেই প্রয়োজনীয় কৌণিক দূরত্বের পরিমাণটি পাওয়া যায়। এই কৌণিক মাপ থেকে এবং দিনের সঠিক সময়ের

হিসাব টেনে অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়। অক্ষাংশ সম্পর্কে জ্ঞান থাকা নাবিকদের

জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ এর থেকে তারা পৃথিবীর ঠিক কোন অঞ্চলে জাহাজটি অবস্থান করছে জানতে পারে।

সূত্রঃ কপি-পেষ্ট।

৭৭

(১ replies, posted in ভিন্ন জগত)

http://i45.tinypic.com/2qivek7.jpg

জাটিংগার পাখিদের নিয়ে রহস্যের শেষ নেই। জাটিংগা ভারতের উত্তর কাছাড়ের একটি গ্রাম। গ্রামের নামে নাম পাখিগুলোর। রাতের আঁধারে নিচে আলো দেখলে পাখা আর পা ছেড়ে দিয়ে ধপ করে সোজা মাটিতে পড়ে যায়। এটাকে কেউ বলে আত্মহত্যা, কেউ বলে ভুতুড়ে ব্যাপার। কেননা জাটিংগার পাশেই হাফলং। সেখানে এই পাখি কখনো যায় না অথচ জাটিংগা আর হাফলংয়ের আকাশের দূরত্ব মাত্র ৩ কিলোমিটার। জাটিংগার লোকজনের বেশ সুবিধা তাদের মাংসের প্রয়োজন হলে রাতে আলো জ্বেলে বসে। আর পাখিগুলো ধড় ধড় করে মাটিতে পড়ে। যদি দেখা যায় বাড়ির বারান্দায় আলো জ্বলছে ব্যস ধড় ধড় করে পাখিগুলো পড়তে থাকবে সেখানে। তখন কেউ চাইলে তার ব্যাগের ভেতর পাখিগুলো ভরতে পারে। পড়ার সঙ্গে সঙ্গে যে সব পাখি মারা যায় তা নয়, অনেক পাখি বেঁচে থাকে। তবে বেঁচে থাকলেও ওরা মরার মতো পড়ে থাকে এবং সহজেই ধরা দেয়। মজার কথা হলো_ এরা পোষ মানে না এবং বাড়ির পরিবেশে বাঁচে না। এদের চোখে সবসময় একটা বুনো ভাব ও দুঃখের ছায়া দেখা যায়। পাখিরা কোনো মানসিক রোগে ভোগে না। তাহলে কেন এই আচরণ। সম্প্রতি পাখি গবেষকরা বলেছেন, জাটিংগার ভূচুম্বকত্ব অত্যন্ত বেশি। এই অত্যধিক ভূচুম্বুকত্ব আর আলো একসঙ্গে এদের উপর মারাত্বক কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার ফলে অবশ হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। তবে এসব কথাও প্রমাণিত হয়নি। এখনো জাটিংগার পাখিদের আচরণ রহস্যই রয়ে গেল।

লেখকঃ  জাহেদ আহমদ জেহিন, সিলেট
সূত্রঃ কপি-পেষ্ট।

খাইসে ! তাহলে তো এদিকটায় আর গাফলতি করা ঠিক হবে না,
আমার গিন্নী তো প্রায়ই বলে  !!
মাথা ব্যথার কারণে সবসময় তার ব্যগে প্যারাসিটামল ট্যাবলেট থাকে,
আগে ডিসপ্রিন খেত ~ এখন সহ্য হয়না (বমি হয়) বলে ট্যাবলেটে আছে।

ধন্যবাদ উপল শেয়ার করার জন্য।

কিন্তু আমি তো দেখেছিলাম, (এই মুহুর্তে মনে নেই কোথায়) তেলাপোকার আয়ু মাত্র ৭ দিন, এবং তারা খেতে পারে না; শুধুমাত্র না খেতে পারার জন্য তাদের এই স্বল্প আয়ু !

ইলিয়াস wrote:

আমার এ লেখাটি তাদের উদ্দেশ্যে যারা মিলাদ বা ঈদে মিলাদুননবী উদযাপন করেন, যারা মিলাদের পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি দেখান তারা কি বলতে পারবেন কোন সাহাবীয়ে কেরাম কোনদিন মিলাদ নামক অনুষ্ঠানটি করেছেন ?

সে কারণেই আমাদের বৃহৎ পরিবারে কখনো কোনদিন মিলাদ নামক অনুষ্টান করা হয় না, কারো মৃত্যু বার্ষিকী বা অন্য কোন উপলক্ষে কোরানখানি ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আর মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠান (যে দিন ইন্তেকাল করেছেন~সেদিনই) পালন করতে হবে ~ এমনটিও না । যে কোন দিনই সেটা করা যেতে পারে।   
ধন্যবাদ ইলিয়াস ভাই, আরেকটি সচেতনতামূলক পোষ্ট উপহার দেবার জন্য।

পলাশ মাহমুদ wrote:

বি:দ্র: লেখাটি গিফট করিলাম এডু(পরিচালক) ভাইকে! তার অনুপ্রেরণায়ই এখানে ছাপা।

তার পক্ষ থেকে আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।  :খুশি: 

৮২

(১ replies, posted in বিনোদন পাতা)

sawontheboss4 wrote:

অনেকদিন পর এই জুটিকে দর্শকরা কীভাবে নেবেন—এটিই এখন দেখার বিষয়।

দর্শকরা  ভালই মজা নেবে,
এমনকি শহীদ-কারিনাও, তাদের স্মৃতি রোমন্থনের একটা সুযোগ  অন্ততঃ তারা পাবে;
বাস্তবে বর্তমান সম্পর্ক যা-ই থাকুক না কেন !

৮৩

(৩ replies, posted in বিনোদন পাতা)

কেন জানিনা ইমন ছেলেটার অভিনয় আমার কাছে ভাল লাগে না, আনাড়ী মনে হয়

দারুন লিখেছেন জিয়া  :তালি:

sawontheboss4 wrote:

‘ফাইব্রোস্ক্যান’র কয়েকটি বিশেষত্ব হলো—এটি সহজে ও তাড়াতাড়ি করা যায়, কোনো আগাম প্রিপারেশনের দরকার হয় না, হাসপাতালে ভর্তিও থাকতে হয় না, ৫ থেকে ৮ মিনিটেই পরীক্ষাটি করা যায়। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, প্রয়োজনে বার বার করা যায়। লিভারের ফলোআপের জন্যও এটা খুব কার্যকর। বিশেষ করে যারা বায়োপসি করাতে ভয় পান তাদের জন্য উপযোগী এবং লিভারের রুটিন পরীক্ষা হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
উন্নত বিশ্বের পাশাপাশি ‘ফাইব্রোস্ক্যান’র মতো আধুনিক পরীক্ষার সুযোগ আজ আমাদের দেশেও আছে। আজকের মানুষ অনেক বেশি স্বাস্থ্যসচেতন—আর স্বাস্থ্য সচেতন সবার জন্যই ফাইব্রোস্ক্যান, যা লিভার বিষয়ে আমাদের সর্বশেষ জ্ঞান।

তা এতে খরচ হবে কেমন !
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।

পলাশ মাহমুদ wrote:

আমার অফিস কলিগ।

তা তোমার অফিস কলিগ'রে BDএর  মানে বুঝাইয়া দিসিলা তো শ্যাষ পর্যন্ত !

৮৭

(৫ replies, posted in ধর্মীয় আলোচনা)

এসবের অনেক কিছুই আমাদের সমাজে প্রচলিত হয়ে গেছে;
যা লৌকিকতা বা সামাজিকতার দোহাই দিয়ে অনেকে বড়াই করে !
ধন্যবাদ ইলিয়াস ভাই, আপনার এই পোষ্টের মাধ্যমে কিছুটা হলেও সচেতনতা ফিরে আসুক।
আল্লাহ -পাক আমাদেরকে  যাবতীয় বেদআৎ-কুপ্রথা থেকে হেফাজত করুন, আমিন।

৮৮

(৪ replies, posted in ভিন্ন জগত)

শুভ জন্মদিন  - সাঈদুজ্জামান উপল  ।

sawontheboss4 wrote:

বাজারে এখন একটি নতুন ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে যা Orlistat উপাদানে তৈরি


ঔষধের নামটা বলেন ?
কোন কোম্পানীর'টা কিনবো !

আল্লাহ তায়ালা যাদের প্রতি সন্তুষ্ট তারাও আল্লাহ তায়ালার প্রতি সন্তুষ্ট।' (আল কোরআন)
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী মুসলমানগণ নিশ্চয়ই অবগত যে, পার্থিব কর্মফলের উপর নির্ভর করে, পরাকালে জান্নাত ও জাহান্নাম। রাসুল (স.) বলেছেন 'দুনিয়া পরকালের শস্য ক্ষেত্র।' কে বেহেস্তবাসী আর কে দোযখবাসী তা তাদের কর্মফলের উপর নির্ভর। কোরআন ও হাদিস শরীফের মাধ্যমে জানা যায় মহানবী (স.)-এর সাহাবীদের মধ্যে যারা পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে মহানবীর (স.) আদর্শে ইসলামের জন্য নিজেদের জানমাল উৎসর্গ করতে কুণ্ঠিত হননি তাদের অনেককে রাসুল (স.) বেহেস্তের পূর্বাভাস দিয়েছেন।

'আশারা' আরবী শব্দ, একবচন। আশুরা বহুবচন অর্থ দশ। 'মুবাশশারা' আরবী শব্দ, অর্থ সুসংবাদ প্রাপ্ত। আশারা-ই-মুবাশশারা অর্থ হলো সুসংবাদ প্রাপ্ত দশজন সাহাবা। ইসলামী শরীয়ার পরিভাষায় মহানবী (স.) যে দশজন সাহাবার কাজে কর্মে সন্তুষ্ট হয়ে তাদের জীবদ্দশায় বেহেস্তের সুসংবাদ প্রদান করেছেন তাদেরকেই আশারা-ই-মুবাশশারা বিল জান্নাহ বলা হয়।

হিজরী দশম সালে মদীনায় এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। ফলে বহুলোক অনাহারে ও অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছিল। কোনোদিক থেকে সাহায্য-সহযোগিতা ও খাদ্য সামগ্রী আমদানি না হওয়াতে একদা মহানবী (স.) মদিনা মসজিদে খুতবা দান করছেন। এ সময় হঠাৎ সংবাদ এল যে, শ্যামদেশ থেকে প্রচুর খাদ্য সামগ্রী নিয়ে একদল বণিক মদীনায় আগমন করছে। এ সময় সব সাহাবায়ে কেরাম (রা.) বণিক দলের নিকট গমন করে। কেবলমাত্র দশজন সাহাবা তথায় গমন না করে মনোযোগ সহকারে মহানবী (স.) এর খুতবা শ্রবণে নিমগ্ন রইলেন। মহানবী (স.) তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে একে একে তাদের নাম উল্লেখ করে তাদেরকে বেহেস্তবাসী বলে ঘোষণা করেন। হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) বলেন, রাসুল (স.) বলেছেন ১. আবু বকর বেহেস্তবাসী ২. ওমর বেহেস্তবাসী ৩. ওসমান বেহেস্তবাসী ৪. আলী বেহেস্তবাসী ৫. তালহা বেহেস্তবাসী ৬. যুবায়ের বেহেস্তবাসী ৭. আব্দুর রহমান ইবনে আউফ বেহেস্তবাসী ৮. সা'দ ইবনে আবিওয়াক্কাস বেহেস্তবাসী ৯. সাঈদ ইবনে যায়েদ বেহেস্তবাসী ১০. উবাইদা ইবনে জাররাহ বেহেস্তবাসী। (তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ)।

রাসুল (স.) কর্তৃক বেহেস্তবাসী সুসংবাদ প্রাপ্ত সাহাবীগণ তাদের অসংখ্য সৎ গুণাবলীর স্বীকৃতিস্বরূপ দুনিয়াতে থেকেই বেহেস্তবাসীর সুসংবাদ লাভ করেন।

আশারা-ই-মুবাশশারাগণ মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিধানের সামনে চূড়ান্তভাবে আত্দসমর্পণকারী ছিলেন। তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে আল্লাহ ও রাসুলের বিধান অনুসরণ করে দুনিয়ার জীবন অতিবাহিত করেছেন। মহানবী (স.) এর বাণী অনুযায়ী তাঁদের বন্ধুত্ব ছিল আল্লাহ ও রাসুলের উদ্দেশ্য। তাঁরা নিজের জীবন ও সমস্ত ধন-সম্পদ আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠায় উৎসর্গ করে দিয়েছেন। তাঁরা ছিলেন খুবই নিষ্ঠাবান। মহানবী (স.) এর দেওয়া সকল দায়িত্ব তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। আমরা যদি নিজেদের সত্যিকারের মুমিন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই তবে দশ সাহাবার মতো নিষ্ঠাবান হতে হবে। আল্লাহ আমাদের সে পথে চলার তওফিক দান করুন। আমিন।

সূত্রঃ এখানে

লেখক :মাওলানা মোহাম্মাদ আবুল হোসাইন পাটওয়ারী
ইমাম, রাজাবাড়ী জামে মসজিদ, পোস্তগোলা, ঢাকা।

http://j.imagehost.org/t/0819/image_179_60371.jpg
রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান 'নাগরিক সংবর্ধনা' নিতে নিজের নির্বাচনী এলাকা কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে আসছেন আজ রবিবার। তাঁর হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য অস্থায়ীভাবে দুটি হেলিপ্যাড বানানো হয়েছে। কিন্তু এর চারপাশের শতাধিক গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে কুলিয়ারচর ডিগ্রি কলেজ মাঠজুড়ে লাগানো প্রায় ১০০ ছোট-বড় গাছ সম্পূর্ণ কেটে ফেলা হয়। এ ছাড়া থানার মাঠের চারপাশের আরো ১০-১২টি বড় গাছের ডালাপালা কাটা হয়। শুক্রবার বিকেল থেকেই গাছ কাটা শুরু হয়। গতকাল শনিবার বিকেল পর্যন্ত গাছ নিধন চলছিল।
গতকাল দুপুরে কুলিয়ারচর ডিগ্রি কলেজ এলাকায় গিয়ে চোখে পড়ে এই নিধনযজ্ঞ। ৫০-৬০ জন নারী ও পুরুষ শ্রমিক কাজ করে চলেছেন। ঠ্যালা ও ভ্যানে করে কাটা গাছের ফালি ও ডালপালা কলেজ চত্বরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কলেজের পূর্ব পাশের গেট থেকে দক্ষিণের গেট পর্যন্ত একটি গাছও আর অবশিষ্ট নেই। সবই কাটা হয়ে গেছে। কলেজের উত্তর পাশের ৫০-৬০টি গাছ রক্ষা পেলেও এগুলোর সব ডালপালা কেটে ফেলা হচ্ছে। গাছ নিধনের এ ঘটনা এলাকাবাসীকে ক্ষুব্ধ করলেও কেউ মুখ ফুটে কিছু বলছে না। থানার মাঠে গিয়ে দেখা যায়, মাঠের চারপাশের ১০-১২টি বড় গাছের ডাল কেটে ফেলা হচ্ছে।
কলেজ কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার কলেজ মাঠে অবতরণ করে। এসএসএফের (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) হেলিকপ্টার উইংয়ের গ্রুপ
ক্যাপ্টেন মোস্তাফিজুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষকে কলেজ চত্বরের সব গাছ বাউন্ডারি দেয়ালের এক ফুট নিচু করে কেটে ফেলার নির্দেশ দেন। অধ্যক্ষ প্রথমে আপত্তি জানালে ওই অফিসার তাঁকে এক ঘণ্টার মধ্যে গাছগুলো কাটতে বলেন। পরে ওই অফিসার একটি সাদা কাগজে মানচিত্র এঁকে গতকাল বিকেল ৫টার মধ্যে গাছ কাটার লিখিত নির্দেশ দিয়ে যান। জানা যায়, ওই সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও কলেজ কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে গাছ কেটে ফেলতে বলে যান।
পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ বিকেলেই কলেজ পরিচালনা কমিটির জরুরি সভা আহ্বান করে। ওই সভায় 'রাষ্ট্রপতির সম্মানার্থে কলেজের মনোরম পরিবেশ ধ্বংস করে গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়' বলে কর্তৃপক্ষ জানায়। পরে ওই দিনই সন্ধ্যায় কলেজ চত্বরে খোলা ডাকের ব্যবস্থা করা হয়। ডাকে অংশ নিয়ে পূর্ব গাইলকাটার গাছ ব্যবসায়ী মো. নাজিমউদ্দিন মাত্র ৬০ হাজার টাকায় প্রায় ১০০ গাছ কিনে নেন। গতকাল কলেজ চত্বরে গাছ কেটে নেওয়ার সময় মো. নাজিমউদ্দিন বলেন, 'আমি খোলাডাকে ৬০ হাজার টাকায় গাছগুলো কিনে নিয়েছি।'
স্থানীয় লোকজনের অভিমত, গাছগুলোর দাম পাঁচ-ছয় লাখ টাকার বেশি হবে।
কলেজ পরিচালনা কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম বলেন, 'এভাবে গাছ কাটার ফলে কলেজ চত্বর বিরাণভূমি হয়ে গেল। রাষ্ট্রপতি আসবেন, তাই এত বড় একটা ক্ষতি মেনে নিতে হচ্ছে আমাদের। খুব খারাপ লাগছে। এ ছাড়া কোনো উপায়ও ছিল না।' তিনি বলেন, গাছ কাটায় কেবল সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে তা নয়, কলেজে এখন ভুতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করবে।
কুলিয়ারচর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ইদ্রিস মিয়া বলেন, এসএসএফ কর্মকর্তার নির্দেশে কলেজ চত্বরের প্রায় ১০০ ছোট-বড় গাছ কেটে ফেলতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা। গাছগুলো খোলাডাকে ৬০ হাজার টাকায় বিক্রির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, 'এসএসএফ কর্মকর্তা বলেছেন, গাছ না কাটলে রাষ্ট্রপতির সফরসূচি বাতিল করা হবে। তাই রাষ্ট্রপতির সম্মানে আমরা গাছ কাটতে বাধ্য হয়েছি।' তিনি বলেন, 'সরকার যখন পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানোর তাগিদ দিচ্ছে, তখন আমরা গাছ কেটে কলেজটাকে মরুভূমি বানিয়ে ফেললাম।'
উপজেলার বিভিন্ন স্তরের মানুষ নির্বিচারে গাছ কাটার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায়। কলেজের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, 'গাছ নয়, মনে হচ্ছে ওরা যেন আমাদের বুক ফালি করছে।' সাবেক এক ছাত্র বলেন, 'কলেজের দিকে তাকিয়ে কষ্টে বুকটা ফেটে যাচ্ছে।' অনেকে আবার বলেছেন, হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য উপজেলার কোনো বড় মাঠ বেছে নিলে এত গাছ সাবাড় করতে হতো না। কুলিয়ারচর উপজেলার চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর কালের কণ্ঠকে বলেন, রাষ্ট্রপতির হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য দাড়িয়াকান্দি মাঠ ব্যবহার করলে এত গাছ কাটতে হতো না।
কুলিয়ারচরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোকাম্মেল হক গতকাল এ প্রসঙ্গে বলেন, 'গাছের চেয়ে মানুষের জীবনের মূল্য অনেক বেশি। হেলিকপ্টার নিরাপদে অবতরণের জন্য এসএসএফ কর্মকর্তাদের নির্দেশে গাছ কাটা হয়েছে।' তাঁর পক্ষ থেকে গাছ কাটার নির্দেশ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'আমি নির্দেশ দেইনি। কলেজ কর্তৃপক্ষকে কেবল এসএসএফের বার্তা পৌঁছে দিয়েছি।'
এভাবে নির্বিচারে গাছ নিধন পরিবেশ ও বন আইনের লঙ্ঘন কি না_এ প্রশ্নের জবাবে ইউএনও প্রথমে 'আমি এ ব্যাপারে জানি না' বললেও পরে গাছ কাটা 'পরিবেশসম্মত নয়' বলে স্বীকার করেন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব নেসার উদ্দিন ভূঁইয়ার কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, 'আমরা তো গাছ কাটার ব্যাপারে কিছুই জানি না।'
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানার জন্য এসএসএফের গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিমানবাহিনীর এক কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, রাষ্ট্রপতির হেলিকপ্টার প্রথমে বাজিতপুর এয়ারফিল্ডে অবতরণের কথা ছিল। পরে এসএসএফ গিয়ে নিরাপত্তার কথা ভেবে কুলিয়ারচর কলেজে অবতরণের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এসএসএফ কর্মকর্তা কোনো গাছ কাটার নির্দেশ দেননি। তিনি গাছের ডালপালা ছেঁটে দিতে বলেছিলেন।

সূত্রঃ এখানে

ধন্যবাদ  (y)

সাইফ দি বস ৭ wrote:

মনে হয় আক্কেল দাঁত উঠতেছে...


বসের তাহলে এতদিনে আক্কেল হচ্ছে  :খুশি:

একটু মজা করলাম, কিছু মনে করো না সাদিব !
আসলে দাঁত ব্যথার যন্ত্রণা যে কি ভয়াবহ ~ তা কেবল ভুক্তভোগীরাই জানেন ।
কামনা করছি,  তোমার দ্রুত ব্যথা উপশম হোক ।

রামেক এর বাংলা ফোরামে আপনাকে স্বাগতম।

মিলন wrote:

জ্বর টর হলে ফ্রি প্রেসক্রিপশন পাব আশা করি।

হা হা  ভাল বলেছেন  :তালি:

শেয়ার করার জন্য শাওনকে ধন্যবাদ,অনেক কিছু জানতে পারলাম।

৯৬

(৭ replies, posted in কবিতা, গল্পসল্প, উপন্যাস)

পলাশ মাহমুদ wrote:

ভাই এটা আমার জন্মগত বংশগত ত্রুটি straight face বানান ভুল ধরলে লেখাই বন্ধ করে দিতে হবে। বানান ভুল আমার ঘাড়ের ভূত হিসাবে বসে আছে। কতো যে বকা খাচ্ছি এ জন্য। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। ডাক্তারদের কাছে অনুরোধ এর কি কোন ঔষধ আছে sad


আছে, ভ্যাসেকটমি/ লাইগেশান জাতীয় ব্যবস্থা ! :খুশি:
যাতে পলাশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই অবস্থার স্বীকার না হয়   =D
মোটামুটি সঠিক বানানে পড়তে এখানে ঢু মারতে পারেন।

sawontheboss4 wrote:

সিনেমার সম্পর্ক এখন বাস্তবে
http://www.chobimohol.com/image-6531_4C02A510.jpg

স্লামডগ মিলিয়নিয়ার জুটি ফ্রেইদা পিন্টো আর দেব প্যাটেল এর সম্পর্ক বাস্তবে টিকে থাকুক, দু'জনে সুখী হোক ~ এটাই প্রত্যাশা।

পলাশ মাহমুদ wrote:

বি:দ্র: আমি এই সাবজেটে খুবই আনারি। কোন প্রকার শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাড়াই নিজে নিজে শিখেছি বই পরে, নেট ঘেটে। তাই ভুল হতেই পারে। ভুল হলে ধরিয়ে দেবার দায়িত্ব আপনাদের।

তাও তো আপনে পারেন ~ আমি এর কিসসু জানি না, অশিক্ষিত, গো-মূর্খ
যাকে বলে চোখ থাকতে অন্ধ !
চেষ্টা করতাছি/শিখবার/জানবার।
আপনেরে ধইন্যা, ২য় পাঠ কবে দিবেন !!

চমৎকার এই লেখার জন্য একটা + সম্মাননা  :cloud9:

১০০

(৪ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

sawontheboss4 wrote:

যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে
শিক্ষকঃ আমি টেবিলটা ছুয়েছি, টেবিলটা মাটি ছুঁয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি ।
এভাবে একটা যুক্তি দেখাও তো
ছাত্রঃ যেমন ধরুন স্যার, আপনি মুরগি খেয়েছেন, মুরগি কেঁচো খেয়েছে, সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন ।

এইটা পড়ে ফিক করে হেসে উঠেছি  :jaw-dropping: