দেখা যাবে দুমাস পর খবর বেরোবে, ধোনি তৃতীয় জীবনে প্রবেশ করেছেন ( অর্থাত সন্তানের বাবা হয়েছেন )
![]()
হা হা হা :o
হয়তো বা !
ভালই বলেছেন।
You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by অচেনাকেউ
দেখা যাবে দুমাস পর খবর বেরোবে, ধোনি তৃতীয় জীবনে প্রবেশ করেছেন ( অর্থাত সন্তানের বাবা হয়েছেন )
![]()
হা হা হা :o
হয়তো বা !
ভালই বলেছেন।
তা ভাই আপনি এইভাবেই সেভ করেন তো?
বলতে পারেন অনেকটা এভাবেই,
শুধুমাত্র শীতকালে গরম পানি ব্যবহার করি,
আর সেভের পর ক্লিনজিং ও সুসিং ফেসিয়াল/ময়শ্চারাইজার বদলে আমি যেটা করি তা হলো ফিটকারি ঘষি;
তারপর মুখ ধুয়ে আফটার শেভ লোশন ~ ব্যাস।
কোন উৎসব/অনুষ্ঠানে গেলে গিন্নি মেথি সহযোগে ডালের পেষ্ট না কি যেন মুখে মাখিয়ে ১৫/২০ মিনিট রাখতে বলে।
ভাই, সাথে যদি সেভিং ক্রিম ও রেজারের দুই চারটা ভালো brand এর নাম উল্লেখ করতেন???
শাভিং ক্রিম আমি ইদানিং যেটা ব্যবহার করিঃ স্কয়ারের কূল (আমাদের দেশি হিসেবে বেশ ভাল ও উন্নত মানের)
এবং রেজর ২২০ টাকা দামের সাধারণ ব্লেড পরিবর্তন করে ব্যবহার করা যায় যেটাতে।
ভাল ব্র্যান্ড বলতে জিলেট এর নাম সর্বাগ্রে আসে,
তুলনামুলক ভাবে যার দাম একটু বেশি মনে হয় আমার কাছে ।
পলাশ মাহমুদের লেখাটি পড়ে এই টপিকটির উৎপত্তি !

ছেলেদের চুল পড়া খুব স্বাভাবিক এবং বেশি বয়সে টাক পড়া কোনো ব্যাপার নয়। তবু যেন টাক পুরুষের আতঙ্কের কারণ। জুলিয়াস সিজার কিংবা নেপোলিয়ানসহ অনেকেরই সমস্যায় পড়তে হয়েছে। তারা চুল লম্বা রেখে-তারপর টেনে সামনে আঁচড়াতেন টাক ঢাকার জন্য।
অ্যানড্রোজেনিস অ্যালোপিসিয়া
অ্যানড্রোজেন এক ধরনের হরমোন। এই হরমোন পুরুষালি স্বভাবের জন্য দায়ী। আর জেনেটিক অর্থ হচ্ছে বাবা কিংবা মায়ের কাছ থেকে পাওয়া। চুলে ফলিকলে ফাইভ আলফা রিডাকটেজ নামের অ্যানজাইম থাকে। আর চুলের ফলিকলে থাকা অ্যাড্রোজেন তখন ফাইভ আলফা রিডাকটেজের সঙ্গে বিক্রিয়া ডাইহাইড্রোটেসটেরন তৈরি করে। হেয়ার ফলিকল ডাইহাইড্রোটেসটেরনের প্রতি সংবেদনশীল। আর তাই তখন চুল পড়ে যায়।
অ্যালোপিসিয়া অর্থ চুল পড়ে যাওয়া। পুরুষের চুল পড়ে যাওয়া মহিলাদের থেকেও বড় সমস্যা, মহিলাদের পুনরায়চুল গজানোর সম্ভাবনা বেশি। পুরুষের বয়স, হরমোন ও জেনেটিক কারণে চুল পড়ে। চুল পড়ার কারণ ও রোধের উপায় নিয়ে প্রচুর গবেষণা হয়েছে এবং হচ্ছে।
হেয়ার রিপ্লেসমেন্ট, নানা ধরনের সার্জারিও এখন টাক আড়াল করার কাজ করছে। চুল পড়ছে এমন ধারণা হলে বা সন্দেহ হলে ত্বক বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হয়ে চুল পড়ার ধরন, কারণ ও নির্ণয়ের পরে সুচিকিৎসা প্রয়োজন।
চুল পড়ার অন্যান্য কারণঃ
অ্যালোনিসিয়া এরিয়েটা সাধারণত অটোইমিউন রোগে এমন হয়। মাথার বিভিন্ন স্থানে গোল হয়ে সম্পূর্ণ চূল পড়ে যায়।
অ্যালোপিসিয়া টোটানিস
সম্পূর্ণ মাথার চুল পড়ে যাওয়া, অ্যালোপিসিয়ার পরবর্তী একটি ধারা।
অ্যালোপিসিয়া ইউনিভার্সালিস
সমস্ত শরীরের চুল পড়ে যায়।
ট্রাকশন অ্যালোপিসিয়া-
অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম বা চুল খুব বেশি টেনে বাঁধলে, টানাটানির কারণে চুল পড়ে যেতে পারে।
টেলোজেন ইফফ্লুডিয়াম-
এটি সাময়িক, শরীরিক ও মানসিক চাপ, ওষুধ, হরমোনজনিত সমস্যার কারণে হয়।
অ্যানাজেন ইফফ্লুভিয়াম-
কেমোথেরাপির কারণে যখন চুল পড়ে।
উপরোলি্লখিত কারণে মাত্র পাঁচ ভাগ পুরুষের চুল পড়ে। বাকি ৯৫ ভাগ চুল পড়ে অ্যানড্রোজেনিক অ্যালোপিসিয়ার কারণে।
অ্যানড্রোজেনিক অ্যালোপিসিয়ার চিকিৎসা
* চুল পড়াকে বড় সমস্যা মনে না করে টাক মাথা মেনে নিতে চেষ্টা করা।
* টাক আড়াল করার জন্য নানা রকম পদ্ধতির ব্যবহার। চুলের ছাঁটকাটের ধরন পাল্টে ফেলুন।
* ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শনুযায়ী মিনক্রিডিল ব্যবহার করুন।
* সুষম খাবার খাবেন।
* হেয়ার রিপ্লেসমেন্ট করতে পারেন।
লেখকঃ ডা: ওয়ানাইজা
জেনারেল মেডিকেল হাসপাতাল লি.
১০৩, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
ফোন : ০১৯১১৫৬৬৮৪২
সূত্রঃ এখান থেকে।
আমরা চাই আজম খান সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসুক।
অবশ্যই !
আমার পছন্দের অন্যতম একজন মহৎ প্রাণ শিল্পী।

কোনো দিনও ডুববে না দাবি করেছিল টাইটানিক। কিন্তু ১৯১২ সালে প্রথম বিহারেই ১৫০০ যাত্রী নিয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যায় বিলাসবহুল টাইটানিক। এরপর শুরু হয় ডুবে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধান। প্রচারিত হতে থাকে নানা রহস্যময় ও রোমাঞ্চকর কাহিনী। শত বছর পার হয়ে গেলেও আজো মানুষ সঠিক কারণ জানে না! অনেকের মধ্যেই এ নিয়ে বিভিন্ন গল্প প্রচলিত রয়েছে। কেউ এর পেছনে কোন না কোন যুক্তি দাঁড় করাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ কোনো প্রকার সূত্র ছাড়াই বলছেন টাইটানিক ডোবার পেছনের মনগড়া কাহিনী। ১৯৯৮ সালের ১৯ অক্টোবরে টাইমস জানিয়েছে, এরকমই এক রহস্যময় কাহিনী।
টাইটানিক জাহাজে নাকি ছিল মিসরীয় এক রাজকুমরীর অভিশপ্ত মমি। বলা হয় মমির অভিশাপের কারণেই ভাসমান বরফদ্বীপের সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছিল টাইটানিক। গল্পটি বহু বছর ধরে প্রচারিত হলেও এর পালে বিশেষ হাওয়া লাগে অস্কার বিজয়ী টাইটানিক ছবিটির ব্যাপক জনপ্রিয়তার পর। সত্যিই কী তাই? এরকমটি বলার অনেক কারণও অবশ্য রয়েছে। সেই রাজকুমারীর নাম ছিল আমেন-রা। খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দের দিকে মারা যান তিনি।
১৮৯০ সালের শেষার্ধে এক ধনী ইংরেজ লুঙ্রের কাছে এক প্রত্নতাত্তি্বক খননকাজ দেখতে যান। তিনি সেখান থেকেই কেনেন কফিনশুদ্ধ রাজকুমারীর এই মমিটি। এরপর তিনি জাহাজে করে মমিটি দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন কিন্তু বন্দরে মমিটি গ্রহণ করার জন্য নিজে উপস্থিত থাকতে পারলেন না। তিনি অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিলেন। বাস্তবিকই তাকে আর কোনোদিনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গী ছিল তিনজন। মমির অভিশাপ তাদেরও রেহাই দেয়নি। একজন কিছুদিন পরই মারা যান, দুর্ঘটনায় একজনের হাত কাটা পড়ে আর অপরজন দেউলিয়া হয়ে যান। কফিনটি ইংল্যান্ডে পৌঁছলে একজন ব্যবসায়ী তা কিনে নেন। এর ফলে সেই ব্যবসায়ীর পরিবারের তিনজন মোটর দুর্ঘটনায় আহত হন এবং তার বাড়িতে আগুন লাগে। মমিটিকে অভিশপ্ত মনে করে সেই ব্যক্তি এটি ব্রিটিশ মিউজিয়ামে দান করে দেন। মিউজিয়াম এটিকে সাদরে গ্রহণ করল। কিন্তু মিউজিয়ামের কর্মচারীরা রাতের বেলা কফিনের ভেতর থেকে তীব্র কান্নার শব্দ শুনতে পেত। সকালবেলা প্রদর্শনী কক্ষের জিনিসপত্রগুলো সব এলোমেলোভাবে পড়ে থাকতে দেখা গেল। এরই মধ্যে মারা গেল এক প্রহরী। এ কথা জানতে পেরে এক ফটোগ্রাফার কফিনের ছবি তুলে আনলেন। ছবি ডেভেলপ করার পর ছবিতে যে বীভৎস রূপ তিনি দেখলেন তাতে আত্দহত্যা করেই তিনি মুক্তির পথ খুঁজলেন। ব্রিটিশ মিউজিয়ামও আর এসব সহ্য করতে পারছিল না। কিন্তু মমিটির কুখ্যাতি এতটাই ছড়িয়েছিল যে, এ থেকে তারা খুব সহজে মুক্তি পায়নি। অবশেষে একজন আমেরিকান প্রত্নতত্ত্ববিদ সবকিছুকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়ে কিনে নিলেন মমিটি আর টাইটানিকে চড়িয়ে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করলেন। আর এরপরের ঘটনা তো সবারই জানা। তবে এই গল্পের আরেকটি ভার্সনে বলা হয়, সেই প্রত্নতত্ত্ববিদ টাইটানিকের এক নাবিককে ঘুষ দিয়ে মমিটি লাইফবোটে তোলেন এবং এটি আমেরিকা পৌঁছায়। এরপর মমিটি আবার হাতবদল হয়ে আরো কয়েকবার সমুদ্রবিহার করে অবশেষে সাগরতলে আশ্রয় নেয়।
এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কেননা শিপিং রেকর্ডে খোঁজ করে টাইটানিকে কোনো মমি তোলার সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে এর বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়ে বলা হয় যে, সেই প্রত্নতত্ত্ববিদ নাকি এটি গোপনে বিদেশে পাচার করছিলেন। আবার দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া কোনো যাত্রীও লাইফবোটে মমি ওঠানোর কথা উল্লেখ করেননি। তাছাড়া কোনো উদ্ধারকারীও মমির কথা তাদের প্রতিবেদনে প্রকাশ করেননি।
সম্ভবত এই গল্পের সূচনা হয় ডগলাস মুরে ও টি. ডবি্লউ. স্টিড নামক দুই ইংরেজের কাছ থেকে। তারা দাবি করেন যে, তাদের এক সহযোগী ইজিপ্ট থেকে একটি মমি কিনে তার বাসার বসার ঘরে এটি সাজিয়ে রেখেছিল। পরদিন সকালে দেখা গেল ঘরের ভঙ্গুর জিনিসপত্রগুলো ভেঙে চূরমার হয়ে গেছে। এবার ঘর পাল্টে দেওয়া হলো। কিন্তু পরের সকালে দেখা গেল একই কাণ্ড। দুজনই ব্রিটিশ মিউজিয়ামে মমির কফিনটি দেখতে গিয়েছিলেন। শুধুই কফিন, আসলে সেখানে কোনোদিনই কোনো মমি ছিল না। কফিনের ডালার গায়ের ভীতিকর ছবিটি দেখে তারা বুদ্ধি আঁটে। ভাঙচুর আর ভয়ঙ্কর ডালার গল্প দুটি জোড়া দিয়ে নতুন গল্পটি বিক্রি করে দিলেন পত্রিকার কাছে। পরে এই কাহিনীতে ঘটে টাইটানিকের অন্তর্ভুক্তি। এ খবর প্রকাশিত হয় ওয়াশিংটন পোস্ট, নিউইয়র্ক টাইমসসহ আরো অনেক পত্রিকায়।
সম্ভবত এই গল্পে টাইটানিকের অংশটুকু ঢোকানোর প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল ১৮৩৮ সালে মেনকরের কফিন হারিয়ে যাওয়া। প্রাচীন রাজত্বকালের সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হওয়া এই কফিনটি আনা হচ্ছিল ইজিপ্ট থেকে ইংল্যান্ডে। দ্য বিট্রাইস নামের জাহাজটি কার্টাগিনার কাছে কোথাও ডুবে গেলে মমিটিও সাগরতলে নিমজ্জিত হয়।
তবে ব্রিটিশ মিউজিয়াম এসব কাহিনী সবসময়ই অস্বীকার করে আসছে। আর রাজকুমারী আমেন-রা'র কফিনটি এখনো ব্রিটিশ মিউজিয়ামে বহাল তবিয়তেই আছে। প্রতি বছর হাজার হাজার দর্শক আসে শুধু এই অভিশপ্ত মমির কফিনটি দেখতে।
সত্যি ঘটনা যাই হোক না কেন টাইটানিক ডোবার রহস্য কিন্তু আজো রহস্যই রয়ে গেছে। এদিকে ১৯৯৭ সালের ব্যবসাসফল ছবি টাইটানিক আবার মুক্তি পেতে যাচ্ছে। তবে তা সাধারণ ছবির মতো নয়, ত্রিমাত্রিক আকারে। ছবির পরিচালক জেমস ক্যামেরন জানান, ছবির ত্রিমাত্রিক সংস্করণ ২০১২ সালে মুক্তি পেতে পারে। ওই জাহাজডুবির শততম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে তারা এ প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। বোঝাই যাচ্ছে, টাইটানিক নিয়ে আজো মানুষের আগ্রহের কোনো কমতি নেই।
সূত্রঃ এখান থেকে ।
লেখকঃ রনক ইকরাম।

কতজনের সঙ্গে প্রণয়ের কথাই না শোনা গিয়েছিল। কিন্তু এদের কাউকেই নয়, ভারতের সবচেয়ে ‘প্রার্থিত’ পাত্রদের একজন মহেন্দ্র সিং ধোনি বিয়ে করছেন পুরোনো বন্ধু সাক্ষী সিং রাওয়াতকে। ‘করছেন’ না বলে অবশ্য একটু ঝুঁকি নিয়ে ‘করেছেন’ও বলে ফেলা যায়, ভারতের উত্তরখন্ড রাজ্যের রাজধানী শহর দেরাদুনে গত রাতেই হয়ে যাওয়ার কথা ধোনি-সাক্ষীর বিয়ে। গত পরশু রাতে দেরাদুনে সম্পন্ন হয়েছে দুজনের বাগদান।
বাগদানের খবর চাউর হওয়ার পর শুরুতে শোনা গিয়েছিল বিয়ে হবে অক্টোবরে, অস্ট্রেলিয়ার ভারত সফর শেষে। পরে জানা যায়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচির কথা ভেবে নাকি বিয়েটাও সেরে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, রাঁচির ডিএভি স্কুলে পড়ার সময় থেকেই বন্ধুত্ব ধোনি-সাক্ষীর। দুজনের বাবা একসঙ্গে চাকরি করতেন। বাবার অবসরের পর দেরাদুনে চলে যায় সাক্ষীর পরিবার। শোনা যাচ্ছে, বছর দুয়েক আগে তাদের আবার দেখা হয় বলিউড তারকা বিপাশা বসুর বাড়িতে। ‘রেস’ সিনেমার সাফল্য উদ্যাপনের জন্য পার্টি দিয়েছিলেন বিপাশা। বিপাশার বয়ফ্রেন্ড জন আব্রাহামের আমন্ত্রণে সেই পার্টিতে এসেছিলেন সাক্ষী। এর পর থেকেই নাকি চলছে দুজনের মন দেওয়া-নেওয়া। ২৩ বছর বয়সী সাক্ষী হোটেল ম্যানেজমেন্টে তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। সম্প্রতি ট্রেনিং শেষ করেছেন তাজ বেঙ্গল হোটেল থেকে।
আংটি বদল হয়েছে খুব ঘরোয়া পরিবেশে, হাতে গোনা কয়েকজন অতিথি ছিলেন।
সূত্রঃ প্রথম আলো।

ইতিহাসের সবচেয়ে বিশাল এবং বিলাসবহুল জাহাজ হিসেবে টাইটানিকের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। ১৯১২ সালে জাহাজটি আশ্চর্যজনকভাবে ডুবে গেলেও আজ পর্যন্ত একে ঘিরে মানুষের আগ্রহ এতটুকু কমেনি।
টাইটানিক জাহাজের পূর্ণনাম RMS TITANIC (RMS-Royel Mail Ship)। এটি ছিল ব্রিটিশ শিপিং কোম্পানি হোয়াইট স্টার লাইনের মালিকানাধীন। এটি তৈরি করা হয় ইউনাইটেড কিংডম-এর বেলফাস্টের হারল্যান্ড ওলফ্ শিপইয়ার্ডে। জন পিয়ারপন্ট মরগান নামক একজন আমেরিকান ধনকুবের এবং ইন্টারন্যাশনাল মার্কেন্টাইল মেরিন কোং-এর অর্থায়নে ১৯০৯ সালের ৩১ মার্চ সর্বপ্রথম টাইটানিকের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং তখনকার প্রায় ৭.৫ মিলিয়ন (বর্তমান প্রায় ১৬৫ মিলিয়ন) ডলার ব্যয়ে এর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয় ৩১ মার্চ ১৯১২ সালে। এর দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ৮৮২ ফুট দুই ইঞ্চি (প্রায় ২৬৯.১ মিটার) এবং প্রস্থ ছিল প্রায় ৯২ ফিট (২৮ মিটার)। এ জাহাজটির ওজন ছিল প্রায় ৪৬ হাজার ৩২৮ লং টন। পানি থেকে জাহাজটির ডেকের উচ্চতা ছিল ৫৯ ফুট (১৮ মিটার)।
এ জাহাজটি একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫৪৭ জন প্যাসেঞ্জার ও ক্রু বহন করতে পারত। ব্যয়বহুল এবং চাকচিক্যের দিক থেকে তখনকার সব জাহাজকেই ছাড়িয়ে গিয়েছিল। টাইটানিকের ফার্স্ট ক্লাস যাত্রীদের জন্য বিলাসবহুল ডাইনিংয়ের ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একই সঙ্গে ৫৫০ জন খাবার খেতে পারত। এছাড়াও এর অভ্যন্তরে ছিল সুদৃশ্য সুইমিং পুল, জিমনেসিয়াম, স্কোয়াস খেলার কোট, ব্যয়বহুল তুর্কিস বাথ, ব্যয়বহুল ক্যাফে এবং ফার্স্ট ক্লাস ও সেকেন্ড ক্লাস উভয় যাত্রীদের জন্য আলাদা বিশাল লাইব্রেরি। তখনকার সব আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটেছিল এ জাহাজটিতে। এর বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাও ছিল খুবই উন্নত ধরনের। এ জাহাজের ফার্স্ট ক্লাসের জন্য তিনটি এবং সেকেন্ড ক্লাসের জন্য একটিসহ মোট চারটি লিফটের ব্যবস্থা ছিল।
জাহাজের ফার্স্ট ক্লাস যাত্রীদের জন্য সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্যাকেজটিতে আটলান্টিক একবার অতিক্রম করতেই ব্যয় করতে হতো তখনকার প্রায় ৪ হাজার ৩৫০ ডলার (যার বর্তমান মূল্য প্রায় ৯৫ হাজার ৮৬০ ডলার বা বর্তমান বাংলাদেশি টাকায় ৬৭ লাখ টাকারও বেশি)।
টাইটানিক প্রায় ৬৪টি লাইফবোট বহন করতে সক্ষম ছিল, যা প্রায় ৪০০০ লোক বহন করতে পারত। কিন্তু টাইটানিক আইনগতভাবে যত লাইফবোট নেওয়া দরকার তার চেয়ে বেশি ২০টি লাইফবোট নিয়ে যাত্রা করেছিল যা টাইটানিকের মোট যাত্রীর ৩৩% বা মাত্র ১ হাজার ১৭৮ জন যাত্রী বহন করতে পারত।
টাইটানিকের ক্যাপ্টেন ছিলেন বিশ্বজুড়ে 'নিরাপদ ক্যাপ্টেন', 'মিলিয়নিয়ার ক্যাপ্টেন' ইত্যাদি বিভিন্ন নামে খ্যাত এবং ১৫ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ইংল্যান্ডের রাজকীয় কমান্ডার এডওয়ার্ড জন স্মিথ। তার নেতৃত্বে টাইটানিক ১৯১২ সালের ১০ এপ্রিল ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
১৪ এপ্রিল ১৯১২ তারিখ রাতে নিস্তব্ধ সমুদ্রের তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রিরও কাছাকাছি নেমে যায়। আকাশ পরিষ্কার থাকলেও চাঁদ দেখা যাচ্ছিল না। সামনে আইসবার্গ (বিশাল ভাসমান বরফখণ্ড) আছে এ সংকেত পেয়ে জাহাজের ক্যাপ্টেন জাহাজের গতি সামান্য দক্ষিণ দিকে ফিরিয়ে দেন। সেদিনই দুপুর এবং বিকেলের দিকে দুটি ভিন্ন ভিন্ন জাহাজ থেকে রেডিওর মাধ্যমে যোগাযোগ করে টাইটানিকের সামনে বড় একটি আইসবার্গ আছে বলে সতর্ক করে দেয় টাইটানিককে। কিন্তু টাইটানিকের রেডিও অপারেটরদের অবহেলার কারণে এই তথ্য টাইটানিকের মূল যোগাযোগ কেন্দ্রে পেঁৗছায়নি। সেদিনই রাত ১১:৪০-এর সময় টাইটানিকের পথ পর্যবেক্ষণকারীরা সরাসরি টাইটানিকের সামনে সেই আইসবার্গটি দেখতে পায় কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। টাইটানিকের ফার্স্ট অফিসার মুর্ডক আকস্মিকভাবে বামে মোড় নেওয়ার অর্ডার দেন এবং জাহাজটিকে সম্পূর্ণ উল্টাদিকে চালনা করতে বা বন্ধ করে দিতে বলেন। তবুও টাইটানিককে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। মোড় নিতেই ডানদিকের আইসবার্গের সঙ্গে প্রচণ্ড ঘষা খেয়ে চলতে থাকে টাইটানিক। ফলে টাইটানিকের প্রায় ৯০ মিটার অংশ জুড়ে চিড় দেখা দেয়।
জাহাজটি সর্বোচ্চ চারটি পানিপূর্ণ কম্পার্টমেন্ট নিয়ে ভেসে থাকতে পারত। কিন্তু ৫টি কম্পর্টমেন্ট পানিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় এর ওজনের কারণে জাহাজটি আস্তে আস্তে ডুবতে থাকে। ঘটনার আকস্মিকতায় ক্যাপ্টেন স্মিথ মূল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে আসেন এবং জাহাজটি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেন। ১৫ তারিখ মধ্যরাতের দিকে টাইটানিকের লাইফবোটগুলো নামানো শুরু হয়। টাইটানিক বিভিন্ন দিকে জরুরি বিপদ সংকেত পাঠিয়েছিল। যেসব শিপ সাড়া দিয়েছিল তারমধ্যে অন্যতম হলো মাউন্ট ট্যাম্পল, ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং টাইটানিকের সহোদর অলিম্পিক। টাইটানিকের নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র হতে দূরবর্তী একটি জাহজের আলো দেখা যাচ্ছিল যার পরিচয় এখনো রহস্যে ঘেরা।
রাত ০২:০৫-এর দিকে জাহাজের সম্পূর্ণ মাথাই পানির প্রায় কাছাকাছি চলে আসে। ০২:১০-এর দিকে প্রপেলারকে দৃশ্যমান করে দিয়ে জাহাজের পেছনের দিক উপরে উঠতে থাকে। ০২:১৭-এর দিকে জাহাজের সামনের দিকের ডেক পর্যন্ত পানি উঠে যায়। ওই মুহূর্তেই শেষ দুটি লাইফবোট টাইটানিক ছেড়ে যায় বলে এত বিস্তারিত জানা গেছে। জাহাজের পেছনের দিক ধীরে ধীরে আরো উপরের দিকে উঠতে থাকে। এসময় জাহাজের বিদ্যুতিক সিস্টেম বন্ধ হয়ে যায় এবং চারদিকে অন্ধকার হয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরেই ভারের কারণে টাইটানিকের পেছনের অংশ সামনের অংশ থেকে ভেঙে যায় এবং জাহাজের সম্মুখভাগ সম্পূর্ণরূপে পানির নিচে চলে যায়। বায়ুজনিত কারণে এ অংশটি কিছুক্ষণ ভেসে থাকার পর রাত ০২:২০-এর দিকে ধীরে ধীরে জাহাজের বাকি অংশটিও সমুদ্রের অতল গহ্বরে হারিয়ে যায়। টাইটানিক ত্যাগ করা লাইফবোটগুলোর মধ্যে মাত্র দুটি লাইফবোট আবার উদ্ধার কাজে ফিরে এসেছিল। দুটি লাইফবোট ৮-৯ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে। ভোর ০৪:১০-এর দিকে কার্পেথিয়া জাহাজটি এসে পৌঁছয় এবং বেঁচে থাকাদের উদ্ধার করা শুরু করে। সকাল ০৮:৩০ মিনিটে জাহাজটি নিউইয়র্কের দিকে রওনা দেয়। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে খুব অল্পসংখ্যক মানুষই জীবিত ফিরে আসতে পেরেছে। টাইটানিক দুর্ঘটনায় অসংখ্য পরিবার তাদের একমাত্র উপার্জনকারীকে হারিয়েছিল। কেবলমাত্র সাউদাম্পটনের প্রায় ১০০০ পরিবার সরাসরিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া এ জাহাজটি সাইড স্ক্যান সোনার পদ্ধতিতে ১৯৮৫ সালে পুনরায় আবিষ্কার করা হয়। এর আগে টাইটানিককে পুনরাবিষ্কারের সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হয়। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে প্রায় ১২৪৬৭ ফুট বা ৩৮০০ মিটার নিচে নীরবে সমাহিত হয়ে আছে টাইটানিক, হয়ত থাকবেও চিরদিন। বিজ্ঞানীরা নানা গবেষণার জন্য এখনো এ বিষয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। পানি আর বরফের প্রকোপে ডুবন্ত টাইটানিক আস্তে আস্তে ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ৫০ বছরের মধ্যেই টাইটানিক সাগরবক্ষে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন।
টাইটানিক সারা বিশ্বে এতটাই পরিচিতি পেয়েছিল যে, এর উপর ভিত্তি করে অসংখ্য প্রতিবেদন চিত্র এবং ছায়াছবি তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে জেমস ক্যামেননের 'টাইটানিক' ছবিটি রেকর্ড ২০০ মিলিয়নেরও অধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়। সবাইকে অবাক করে দিয়ে সারা বিশ্বে টাইটানিক প্রায় ১ হাজার ৮৩৫ বিলিয়ন (১৮৩৫ মিলিয়ন) ডলার আয় করে এবং আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়ে ১১টি অস্কারসহ আরো অন্যান্য ৭৬টি পুরস্কার জিতে নেয়। টাইটানিক ডোবার ৮৫ বছর পরও এর প্রতি মানুষের আগ্রহ একটুও কমেনি ববং বহুগুণে বেড়েছে।
অনেকেরই ধারণা ছিল টাইটানিক জাহাজে কোনো অভিশাপ ছিল। এ যুক্তি প্রমাণ করার অন্যতম একটি কারণ হিসেবে তারা দেখিয়েছিল টাইটানিকের নম্বর ৩৯০৯০৪। পানিতে এর প্রতিবিম্বের পাশ পরিবর্তন করলে হয় no pope। এছাড়াও টাইটানিককে ঘিরে আরো অনেক গল্পের প্রচলন রয়েছে। যুগ যুগ ধরে অসংখ্য বিশেষজ্ঞ টাইটানিককে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন কিন্তু এরপরও টাইটানিক চিরকালই রহস্যের আড়ালে রয়ে গেছে।
সূত্রঃ কপি-পেষ্ট।
খুব মজা পাইছি:-(
তবে Dost এইটা চলিত ভাষায় লিখলে হতো না,,,,
সাধু ভাষাতেই অধিক মজা পাইয়াছি, ধন্যবাদ রিগ্যান।
আমার বলার কিছু নাই ,
কেন !(একই লেখা দু'বার, মডুগনকে ১টা মুছে দেবার অনুরোধ করছি);
রাজশাহী মেডিকেল এর একমাত্র বাংলা ফোরামে আপনাকে স্বাগতম।
আমরা যারা আপনাকে চিনি না ~ আপনার সম্পর্কে একটু জানতে চাচ্ছি।
আজ ১২দিন পর রামেক এর বাংলা ফোরামে এলাম, জ্বরে আক্রান্ত ছিলাম; সারা শরীরে এখনও প্রচন্ড ব্যথা even চুলের গোড়াতেও । শোয়া-বসা-খাওয়া কিসসু ভাল লাগে না ~ মুখ তিতা হয়ে আছে।

মানুষের সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বসবাসের জন্য প্রয়োজন বাড়ি। আর একটি বাড়িতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো রান্নাঘর। কারণ এ ঘরে যে রান্না করা হয় তার পরিচ্ছন্নতা ও ভেজালহীনতার ওপর নির্ভর করে পরিবারের সবার স্বাস্থ্য। তাই রান্নাঘরে কাজ করার সময় কিছু বিষয় আমাদের মাথায় রাখতে হবে, তাহলে রান্নাঘরে থাকবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন। সেই সঙ্গে ভালো থাকবে আমাদের রান্নার বিভিন্ন মসলা ও অন্যান্য জিনিসপত্র।
আপনি যদি চাল কিংবা কোনো শস্যদানা সংরক্ষণ করে রাখতে চান তাহলে কন্ট্রেইনারে কিছু নিম, হলুদ ও রসুনের ফালি রাখলে পোকামাকড়ের হাত থেকে এগুলো রক্ষা পাবে।
ডাল রান্না করার সময় গ্যাসের সমস্যা সমাধানের জন্য ডালে রিফাইনার তেল বা রসুন দিলে আর গ্যাসের সমস্যা থাকবে না।
আলু ভাপানোর আগে বয়েলিং পানিতে ভিনেগার দিলে জলদি সেদ্ধ হয়।
লবণের আর্দ্রতা কমানোর জন্য লবণের জারে একমুঠো ময়দা দিয়ে রাখলে আর্দ্রতা রোধ করা যায়।
শাকসবজি টাটকা রাখতে চাইলে নিউজপেপার দিয়ে মুড়িয়ে রাখলে এগুলো ভালো থাকবে।
দুধ গরম করার সময় পাত্রটির চারপাশে তেল দিলে দুধ উপচে পড়বে না। ঘন দুধের ক্রিম পাওয়ার জন্য দুধের পাত্রটি মসলিন কাপড় দিয়ে ঢেকে সারারাত ফ্রিজে রাখলে কাঙ্ক্ষিত ক্রিম পাওয়া যাবে।
মিট ও ভেজিটেবল কারিকে সুস্বাদু বানাতে সাহায্য করে বার্লি পাউডার।
ডিম সেদ্ধ করার সময় পিন দিয়ে ডিমের গোলাকার অংশে ফুটো করে দিলে ডিমের খোসা ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। সেদ্ধ ডিম পাঁচ মিনিট ঠাণ্ডা পানিতে রাখলে খোসা ছাড়াতে সুবিধা হয়। সিদ্ধ ডিম দীর্ঘ সময় ভালো থাকবে যদি খোসাসংবলিত ডিমটি কোনো গামলায় ঠাণ্ডা পানি দিয়ে রেফ্রিজারেটরে রাখা যায়।
লেখিকাঃ লায়লুন নাহার পুতুল
সূত্রঃ কপি-পেষ্ট।

সেভের পর নিজেকে আকর্ষণীয় দেখতে, সতেজ অনুভূতি ধরে রাখতে এবং শেষ পর্যন্ত ত্বকের সুস্বাস্থ্যের জন্য খুবই প্রয়োজন সঠিক সেভিং কৌশল।
সেভের কৌশল : দাড়িগুলো হালকা গরম পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন। তবে এভাবে ৩০ শতাংশের বেশি আর্দ্রতা করা সম্ভব নয় বিধায় এক্ষেত্রে গোসলের পর সেভ করলে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।
সেভিং ক্রিম : আর্দ্রতা ও পিচ্ছিলসম্পন্ন সেভিং ক্রিম ব্যবহার করলে ভালো সেভ পাওয়া সম্ভব। সবচেয়ে ভালো সেভিং ক্রিমটি ব্যবহার করা উচিত। কারণ এ ধরনের সেভিং ক্রিমের সাহায্যে প্রচুর ফেনা উৎপাদন হয়।
রেজার পরিচালনা করা : দাড়ি বাড়ার গতি ও সঠিক দিক অনুযায়ী রেজার টানা উচিত। প্রথমে এক সাইড থেকে কাজটি শুরু করা ভালো। তারপর একে একে গোঁফ ও গাল বরাবর রেজার টানা সম্পন্ন করা যায়। এক্ষেত্রেও ভালো কোনো ব্র্যান্ডের রেজার ব্যবহার করুন।
সেভিং ব্রাশ : উন্নত মানের সেভিং ব্রাশ ব্যবহার করবেন। ক্লিন সেভের ক্ষেত্রে সেভিং ব্রাশ অত্যন্ত জরুরি ও প্রধান কৌশল। প্রতিটি সেভিং ব্রাশ যথেষ্ট নমনীয় ও শক্ত ব্রিসল থাকা প্রয়োজন।
ত্বক পরিষ্কার করুন : সেভের পর ক্লিনজিং ও সুসিং ফেসিয়ালের সাহায্যে মুখ পরিষ্কার করে গরম পানির সাহায্যে মুখ ধুয়ে নিন। এরপর ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
ময়শ্চারাইজার : সেভের পর ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। সেভের কাজটি শেষ করে ত্বকে ময়শ্চারাইজার দিন। এতে আপনার ত্বক সতেজ ও শীতল থাকবে। ত্বককে আর্দ্র ও স্বাভাবিক রাখতে ময়শ্চারাইজার সবচেয়ে চমৎকার উপায়। এছাড়া আপনি একটু বরফ কাপড়ে পেঁচিয়ে মুখে আস্তে আস্তে ঘসে নিতে পারেন।
লেখকঃ মো. আহসানুল হক
সূত্রঃ কপি-পেষ্ট।
@অকে
এইটা তো রেফারির দোষ! আর্জেন্টিনার গোল কেমতে হয় নাই বুঝান! :অবাক:
আরে আমি রেফারির দোষের কথাই তো বলছি !
ব্রাজিল তো খেলতেই পার্লো না। কাকা না চাচা রে তো দেখবার এ পারলাম না। সেই তুলনায় মেসি তো তর নাম এর মর্যাদা রেখেছে, কী বলেন? আর আর্জেন্টিনা গোল তো খাই নি,সো আর্জেন্টিনা ইস দা বেস্ট।
দুঃখিত ! আমি আপনার সাথে দ্বি-মত প্রকাশ করছি,
সারাক্ষন ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের পায়েই ছিল বল আর আপনি বলছেন খেলতেই পার্লো না !
হ্যাঁ, আমিও স্বীকার করছি মেসি'র তুলনাশুধুই মেসি।
আর আর্জেন্টিনার গোল হয়নিঃ
ফিফার রেফারি কমিটি পরিষ্কার বলে দিয়েছে, আর্জেন্টিনার করা একমাত্র গোলটি অবশ্যই বাতিল করা উচিত ছিল রেফারির। ম্যাচের ভিডিও দেখে কমিটি নিশ্চিত হয়েছে, গ্যাব্রিয়েল হেইঞ্জ গোল করার ঠিক আগ মুহূর্তে ওয়াল্টার স্যামুয়েল ফাউল করেছিলেন। এই ঘটনা এড়িয়ে গিয়ে গোলকে বৈধ ঘোষণা করে দেওয়ায় জার্মান রেফারি উলফগ্যাং স্টার্কের তীব্র সমালোচনা করেছে রেফারি কমিটি।
স্প্যানিশ পত্রিকা ওলেতে প্রকাশিত রিপোর্টের ভাষ্য অনুযায়ী, রেফারি কমিটি কর্নার কিক বা ফ্রি-কিকের সময় এ ধরনের ফাউলে চোখ রাখার জন্য তাগিদ দিয়েছে রেফারিদের।
ঘটনাটা ঘটেছিল হুয়ান সেবাস্টিয়ান ভেরন কর্নার কিক নেওয়ার সময়। কর্নার কিকের বল বাতাসে ভাসা মাত্রই স্যামুয়েল নাকি আঁকড়ে ধরেছিলেন চিনেদু ওবাসিকে। ফলে ওবাসি আর এগিয়ে গিয়ে হেইঞ্জকে মার্ক করতে পারেননি। এই সুযোগেই হেইঞ্জ নিজেকে একেবারে ফাঁকা জায়গায় পেয়ে হেডটা করেছিলেন।
রেফারি স্টার্ক ব্যাপারটা একদমই খেয়াল করেননি। ফলে যা হওয়ার তা হয়েই গেছে। এখন আর ফল বদলে দেওয়ার উপায় নেই। তবে ওলের রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘ডেড বল’ পরিস্থিতিতে এ ধরনের ফাউলের প্রতি আরও সজাগ থাকার জন্য রেফারিদের তাগিদ দিয়েছে কমিটি। এ রকম ক্ষেত্রে গোল বাতিল করে দেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে শাস্তি দেওয়ার সুপারিশ করেছে তারা। ওয়েবসাইট।
সূত্রঃ এখানে
...............পারলে সম্মান কইরেন ।
রামেক এর বাংলা ফোরামের সকল সদস্যরা
ক্যাপ্টেন নিমো'কে সম্মান করার জন্য সাবধান হবে ~
সা ব ধা ন (!)
আরামে দাঁড়াতে বলবেন না নিমো ? :খুশি:
সম্মানিত বোধ করিয়াছেন নিশ্চই :খুশি: [শুধুই মজা করার জন্য, করা; মাইন্ড খাওয়া নিষেধ]
আমিও জানতাম না, শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আর তাই মনের সেই উড়ালচণ্ডী কথাবার্তা শেয়ার করার জন্য এই টপিক চালু করা।
সাম্বার তালে তালে ব্রাজিল শুরু করলো তাদের হেক্সা মিশন,আশা রাখি ব্রাজিল ভক্তদের তারা হতাশ করবে না।
খুবই ভালো একটা উদ্যোগ (y)
না ব্রাজিল ভক্তরা হতাশ হইনি।
দারুন একটা সচেতনতামুলক পোষ্ট উপহার দিলেন অচেনা ভাই। ধন্যবাদ আপনাকে। সাথে +
রামেক এর বাংলা ফোরামে প্রায় ২০০ তম পোষ্টে এসে আপনার দেয়া প্রথম + টা পেয়ে খুউব ভালো লাগছে। আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ ইলিয়াস ভাই।
অচেনা ভাইকে ধন্যবাদ,কিন্তু জিনিসটার নাম **** শব্দ দিয়ে শুরু করার কি মানে? :চিন্তা: :চিন্তা:
ইংরেজি 'সেঙ্ট্যান্ট' শব্দটি এসেছে ল্যাটিন 'সেঙ্টাস' (Sextus) থেকে যার অর্থ সোয়া ছয় (one sixth) অংশ।
খুব সম্ভতঃ / হয়তো বা দৃষ্টি আকর্ষণ/মনযোগ বা আগ্রহী করে তোলার জন্য !
গান টার লিরিক্স বেশ ভাল লেগেছে, ডাউনলোড দিলাম। ভাল লাগলে প্রাপ্য রেপু দিতে কুণ্ঠিত হবো না।
ডালো এখনো শেষ হয়নি !
চলমান বিশ্বকাপ ফুটবলের পাশাপাশি গতকাল ১৫/০৬ থেকে শ্রীলংকায় শুরু হয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং বর্তমান চ্যম্পিয়ন শ্রীলংকা নিয়ে এশিয়া কাপ ক্রিকেট। গতকাল উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্থান ১৬ রানে স্বাগতিকদের কাছে হেরেছে।
আজ দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ খেলছে ভারতের বিপক্ষে। বাংলাদেশ টসে জিতে প্রথমে ব্যাট নেয় এবং সব কয়টি উইকেট হারিয়ে ৩৪.৫ ওভারে মাত্র ১৬৭ রান করে। কি মনে হয় ~ বাংলাদেশ আজ হেসে খেলে হারবে (!)
তামিম মাত্র ২২ রান করে সাজঘরে ফিরছেন।

মুশফিকের একটি স্যুইপ শট নেবার মুহুর্ত ।তিনি করেছেন ৩০ আর সর্বোচ্চ ইমরুল কায়েসের সংগ্রহ ৩৭।
এই টপিক পোষ্টানোর সময় ভারতের সংগ্রহঃ ১৫ ওভারে ৩ উইকেটে ৮০ রান।
কে কে ফুটবলের পাশাপাশি এই ক্রিকেট উপভোগ করছেন !
আপনারা যারা আগ্রহী শুধুমাত্র তাদের জন্য এশিয়া কাপ ফিকশ্চারঃ
১৮ জুন-বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা
১৯ জুন-ভারত-পাকিস্তান
২১ জুন-বাংলাদেশ-পাকিস্তান
২২ জুন-শ্রীলঙ্কা-ভারত
২৪ জুন-ফাইনাল
প্রজন্মের এই পোষ্ট থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এখানে লেখা।

চালতা আর কদমফুল ছুঁয়ে বৃষ্টির ফোঁটা পড়বে। মেঠোপথ কাদা মাখামাখি। ঝুমবৃষ্টিতে নতুন সুর খেলবে টিনের চালে। একরাশ সুখ-দুঃখের স্মৃতি নিয়ে এসেছে আষাঢ়। আজ আষাঢ়ষ্য প্রথম দিবস। আজ ভোরের সূর্যটা উঠেছে বাংলা সনের জনপ্রিয় ঋতু বর্ষার। কষ্ট-ক্লান্ত মানুষের জন্য নতুন এই ঋতু বয়ে আনবে ভালো কোনো খবর।
বৃষ্টির শব্দে বাঙালির হৃদয় অজানা বিরহে ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে। বাঙালি কবিদের প্রিয় ঋতু বর্ষা। ময়ূরের পেখম মেলে নৃত্য আর কদমফুলের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য বড় অনুষঙ্গ হয়ে আছে এই আষাঢ়ে। প্রকৃতির কবি জীবনানন্দ দাশ আষাঢ়কে বলেছেন, ধ্যানমগ্ন বাউল-সুখের বাঁশি। বাঙালির অতিপ্রিয় এই ঋতুর আগমনে প্রকৃতি তার রূপ আর বর্ণ বদলে ফেলে। গাছপালা, তরুলতা সবকিছুই যেন গ্রীষ্মের তাপদগ্ধ থেকে পরিতৃপ্তি নিতে স্নান করে ওঠে। কাব্যভাণ্ডারের বহু ছত্রে কেবল বর্ষা আবাহনের পঙ্ক্তি : 'হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে, ময়ূরের মত নাচেরে। আকুল পরাণ আকাশে চাহিয়া উল্লাসে কারে যাচে রে।' আষাঢ়ে জলভারানত ঘনকৃষ্ণ মেঘরাশি আকাশ ছেয়ে রাখে। কখনো বা প্রাণনাথের মতো প্রকৃতিতে নামে বারিধারা। দাবদাহে চৌচির মাঠ-ঘাট, খাল-বিল, বন-বীথিকায় জেগে ওঠে নবীন প্রাণের ছন্দ। বাংলার নদীগুলো যৌবন ফিরে পায় থই থই পানিতে।
বৃষ্টি-বর্ষা উপভোগ বলতে নগরের মানুষের কাছে ফ্ল্যাটের বারান্দায় বৃষ্টিভেজা। বড়জোর ছাদে একপশলা বৃষ্টিতে ভিজে আসা। তবে এই নগরে বৃষ্টি বিলাসের চেয়ে কষ্টই বাড়ায় বেশি। ফুটপাতের অসহায় মুখগুলো সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায়। ঝড়ে-বৃষ্টিতে পলিথিনে মোড়ানো তাদের বসত উড়ে যায়। কাঁথা-বালিশ ভিজে জবুথবু। তবুও এই নগরে সুখের জন্য আসা মানুষ সব সয়ে নেয়।
গ্রামের চিত্র ঠিক এর উল্টো। পুকুর, দিঘি, খালগুলোও বর্ষায় কানায় কানায় ভরে উঠবে। নতুন পানিতে মাছ ধরার ধুম লাগবে। বর্ষার অফুরন্ত জলে কৃষক আমন ধান বুনতে বুনতে দেখবে নতুন দিনের স্বপ্ন। বর্ষার অকৃত্রিম দান কৃষকের সেচের খরচ বাঁচিয়ে দেবে। তবে বর্ষার অতিবৃষ্টি বন্যাও নিয়ে আসে। আনন্দের মধ্যে নিয়ে আসে বেদনা। তাই বর্ষা তৈরি করে আনন্দ-বেদনার কাব্য।
পার্বত্য এলাকায় পাহাড়গুলো সাজবে নতুন সাজে। চৈত্র থেকে পাহাড়গুলোর লাস্যময় রূপ হারিয়ে গেছে। এখন ফিরবে। ঝরনাগুলোতে তেজী স্রোতধারা ছুটে চলা মুঙ্কর এক পরিবেশ সৃষ্টি করবে।
উদীচীর বর্ষাবরণ উৎসব : বর্ষা ঋতুকে বরণ করে নিতে প্রতিবছরের মতো এবারো বর্ষাবরণ উৎসবের আয়োজন করেছে উদীচী। আজ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের লিচুতলায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ছিল সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, বর্ষাকথন ইত্যাদি। দেশের বিশিষ্ট শিল্পীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। 'দেশ টিভি' চ্যানেলে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
বর্ষাবরণ উপলক্ষে সত্যেন সেন শিল্পী সংস্থা ও জাতীয় পথনাটক পরিষদের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠান হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারসংলগ্ন হাকিম চত্বরপ্রাঙ্গণে। প্রথম পর্বে বাংলালিংকের সহযোগিতায় সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট শিল্পীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি চ্যানেল আই সরাসরি সম্প্রচার করে। দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠানটি বিকেলে শুরু হয়ে চলবে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এটি আরটিভি সম্প্রচার করবে।
কৃতজ্ঞতায়ঃ মির্জা মেহেদী তমাল
সূত্রঃ কপি-পেষ্ট।
ক্লোজআপ খ্যাত পুতুলের একটি আসাধারণ গান
যা আমার ভীষন পছন্দের। আশাকরি আপনাদেরও ভালো লাগবে।
রামেক এর বাংলা ফোরামে গানের কথা সহ উপস্থাপন করা হইল।
আমার কোন জায়গা নাইরে
কোন জায়গা নাই ও বন্ধু
আমায় দিও ঠাই ।।
তোমার মনের কুসুম কুসুম নিরজণতায়
আমায় দিও ঠাই রে বন্ধু আমায় দিও ঠাই ।
আমার কোন জায়গা নাইরে
কোন জায়গা নাই ও বন্ধু
আমায় দিও ঠাই ।
আমি বাউল হতে চাই রে বন্ধু বাউল হতে চাই
তোমার মনের মেঠো পথে দূরের কোন গাঁয়।
তোমার বাঁশীর সুরে সবই ভুলে যেতে চাই ।
আমায় দিও ঠাই রে বন্ধু আমায় দিও ঠাই।
আমার কোন জায়গা নাইরে কোন জায়গা নাই ও বন্ধু
আমায় দিও ঠাই ।।
আমি জিরিয়ে নিতে চাই রে একটু জিরিয়ে নিতে চাই
তোমার মনের বট বৃক্ষের শীতল ছায়ায় ।
তোমার চেনা সুরে সুরে উদাস হতে চাই।
আমায় দিও ঠাই রে বন্ধু আমায় দিও ঠাই
আমার কোন জায়গা নাইরে কোন জায়গা নাই ও বন্ধু
আমায় দিও ঠাই ।
তোমার মনের কুসুম কুসুম নিরজণতায়
আমায় দিও ঠাই রে বন্ধু আমায় দিও ঠাই ।
আমার কোন জায়গা নাইরে কোন জায়গা নাই ও বন্ধু
আমায় দিও ঠাই ।

এট্রোপিক রাইনাইটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি ক্ষয়রোগ যাতে নাকের ঝিলি্ল, ঝিলি্লর নিচের অংশ বা তার আশপাশের হাড় ক্ষয় হয়ে যায়।
এই ক্ষয়রোগের কারণ হলো, নাকের রক্তনালী এবং তার আশপাশের নালীর প্রদাহ যা রক্ত সরবরাহে বাধা দেয়। এটি একটি বিশেষ ধরনের রোগ যা বিলম্বে নির্ণয় হয়; কারণ এটা একটা ব্যতিক্রমী রোগ এবং রোগী প্রথমে এই সমস্যা নিয়ে জেনারেল ফিজিসিয়ানের কাছে যায়।
কাদের বেশি হয়ঃ
এই রোগটি সাধারণত মহিলাদের বেশি হয়।
কারণসমূহঃ
-বংশগত
-অপুষ্টি এবং পুষ্টিহীনতা
-নাক এবং সাইনাসের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ
-রক্তনালী প্রদাহ
-হরমোনজনিত
-নাকের হাড়ের অসামঞ্জস্য
-ইমিউনোলজিক্যাল
উপসর্গ এবং চিহ্নসমূহঃ
-নাক দিয়ে দুর্গন্ধ বের হয় যা রোগী নিজে বুঝতে পারে না কিন্তু তার আশেপাশের লোকজন দুর্গন্ধ পায়।
-নাক বন্ধ থাকে যা নাকের একদিকে বা দু'দিকেই হতে পারে এবং যা সবুজ, দুর্গন্ধযুক্ত রস নিঃসরণ করে।
-মাঝে মাঝে নাক দিয়ে রক্তপাত হতে পারে।
-মাথা ব্যথা, নাক ও গলা শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।
-নাকের পরীক্ষায় দেখা যায়, নাকের গহ্বর বেশ বড় এবং তাতে সবুজ আস্তরণ বা ক্রাস্ট ভর্তি।
-এছাড়া নাকের আশপাশের মাংসগুলো শুকিয়ে ছোট হয়ে যায়।
-নাক দিয়ে দুর্গন্ধ বের হয় বলে রোগীর বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পরীক্ষা-নিরীক্ষাঃ
-নাক ও সাইনাসের এঙ্-রে
-রক্ত পরীক্ষাসমূহ - রক্তের রুটিন পরীক্ষা
-ভি ডি আর এল
-টি পি এইচ এ
-রক্তের গ্লুকোজ এবং অন্যান্য
-এইচআইভি
নাক ও সাইনাসের সিটি স্ক্যান, নাকের নিঃসৃত রসের কালচার ও সেনসিভিটি পরীক্ষাগুলো উন্নত দেশে নিয়মিত করা হয় কিন্তু আমাদের দেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে পরীক্ষাগুলো নিয়মিত করা হয় না।
চিকিৎসাঃ
প্রধানত ওষুধের মাধ্যমেই চিকিৎসা করা হয়। মাঝে মাঝে এ রোগের জন্য অপারেশনেরও প্রয়োজন হতে পারে যদি তা ওষুধের মাধ্যমে না সারে।
ঔষধের মাধ্যমে চিকিৎসাঃ
-গি্লসারিনের সঙ্গে শতকরা ২৫ ভাগ গ্লুকোজের মিশ্রণ প্রতিদিন ৪-৫ ফোঁটা করে দুই নাকের ছিদ্রে দিনে ৩-৪ বার করে দীর্ঘমেয়াদে দেওয়া হয়।
-অ্যালকালাইন দ্রবণ দিয়ে নাকের গহ্বর নিয়মিত পরিষ্কার করা হয়।
-অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হতে পারে যখন তা জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়।
-এছাড়া পরিপূরক হিসেবে ভিটামিন দেওয়া যেতে পারে।
-উপরোক্ত চিকিৎসা ছাড়াও অন্যান্য চিকিৎসা রয়েছে।
অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসাঃ
-ইয়াংগস অপারেশন
-আরো অন্যান্য সার্জারি আছে।
রোগের পরিণতিঃ
এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ যা পুরোপুরি সারে না; কিন্তু চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন বজায় রাখা যায়। সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা হলো গি্লসারিনে শতকরা ২৫ ভাগ গ্লুকোজের ব্যবহার সারা বছর এবং নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞের অধীনে নিয়মিত চেকআপে থাকা।
লেখকঃ অধ্যাপক ডা. এম আলমগীর চৌধুরী
নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ সার্জন
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ইএনটি
মেডিকেল কলেজ ফর উইমেন এন্ড হসপিটাল, উত্তরা, ঢাকা। মোবাইল : ০১৮১৯ ২২২১৮২
সূত্রঃ কপি পেষ্ট।
বিঃদ্রঃ খবরটা পড়ে শেয়ার করতে মন চাইলো তাই ! বিস্তারিত এই লাইনে যারা আছেন ~ ভাল বলতে পারবেন।
নামাজের খবর কি রাখ ব্যালেন্সের মতো ?
আযান শুনে কি সাড়া দাও রিংটোনের মতো ?
কুরআন কি মনযোগ দিয়ে পড়ো এসএমএস এর মতো ?
দুনিয়াতে ব্যাস্ত হয়োনা নেটওয়ার্কের মতো.........
অনেক দিন আগে, আমার সেলফোনে আমি sms হিসেবে বার্তাটি পাই, কিন্তু পরবর্তীতে সেই নাম্বারে (যে নাম্বার থেকে smsটা এসেছিল) একাধিকবার কল করেও যোগাযোগ করতে পারিনি।
এবং আমি তখন এটা রংমহলে শেয়ার করেছিলাম, আজকে রামেক এর বাংলা ফোরামে করছি; তারপরও যদি আমরা যারা নামাজে শৈথিল্য করি তাদের কিছুটা হলেও বধোদয় ঘটে !
দুনিয়ায় পাঁচ প্রকার শাস্তিঃ
(১) তার জীবনে কোন বরকত থাকে না। অর্থাৎ তার রুজী রোজগার থেকে বরকত উঠে যাবে।
(২) তার চেহারা থেকে জ্যোতি উঠে যায়।
(৩) তার কোন নেক আমলের প্রতিদান দেয়া হয় না।
(৪) তার দোয়া কবুল হয় না।
(৫) কোন নেক বান্দার দোয়ায় তার কোন অধিকার থাকে না।
মৃত্যুকালিন তিন প্রকার শাস্তিঃ
(১) অপদস্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করবে।
(২) ক্ষুধার্ত অবস্থায় মারা যাবে অর্থাৎ মৃত্যুর পূর্বে খাদ্যের কষ্ট পাবে।
(৩) পিপাসার যন্ত্রণায় মারা যাবে অর্থাৎ সমুদ্র সম পানিতেও তার পিপাসা মিটবে না।
কবরে তিন প্রকার শাস্তিঃ
(১) কবর এত সংকীর্ণ হবে যে, তার একদিকে পাঁজরের হাড় অন্যদিকে ঢুকে যাবে।
(২) তার কবরে আগুন জ্বেলে দেয়া হবে।
(৩) কবরে তার উপর ভয়ংকর আকৃ্তির একটি সাপ নিযুক্ত করা হবে যে ফজরের নামায বরবাদের জন্য জোহর পর্যন্ত, জোহরেরর নামাযের জন্য আসর, এভাবে আসর থেকে মাগরিব, মাগরিব থেকে এশা, এশা থেকে ফজর পর্যন্ত দংশন করতে থাকবে। বলা হয় যখন সাপটি দংশন করবে তখন মৃত ব্যাক্তি ৭০ হাত মাটির নীচে চলে যাবে। এভাবে কিয়ামত পর্যন্ত তাকে শাস্তি দেয়া হবে।
কবর থেকে উঠার পর তিন প্রকার শাস্তিঃ
(১) তার হিসাব কঠিন ভাবে নেয়া হবে।
(২) তার উপর আল্লাহর ক্রোধ থাকবে
(৩) তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
অপর এক বর্ণনায় রয়েছে, তার ললাটে তিনটি লাইন লেখা থাকবে।
প্রথম লাইনে, হে আল্লাহর হক বিনষ্টকারী।
দ্বিতীয় লাইনে, হে আল্লাহর অভিশপ্ত।
তৃ্তীয় লাইনে, তুমি দুনিয়ায় যেরুপ আল্লাহর হক নষ্ট করেছিলে তদ্রুপ আজও তাঁর রহমত থেকে বঞ্চিত।
আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে তার নির্দেশ অনুযায়ী নামায আদায় করার তৌফিক দান করুন, আমীন।
সুত্রঃ অধ্যাপক মাওলানা আতিকুর রহমান ভূঁইয়া লিখিত "কুরআন হাদীসের আলোকে পূর্ণাঙ্গ নামায শিক্ষা ও নর-নারীর মাসয়ালা মাসায়েল" এর ৯০ পৃষ্ঠায়।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by অচেনাকেউ
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.১৩ seconds (৫৮.৯৩% PHP - ৪১.০৭% DB) with ৬ queries