হে মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেদআদ হতে হেফাজত করুন। আমিন,
ছুম্মা আমিন ।
You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by অচেনাকেউ
হে মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেদআদ হতে হেফাজত করুন। আমিন,
ছুম্মা আমিন ।
রেকর্ড বুকে এভারেস্ট
[বড় ইমেজে দেখতে ছবিতে ক্লিক করুন]
প্রথম শৃঙ্গ জয় : ১৯৫৩ সালের ২৯ মে নিউজিল্যান্ডের স্যার এডমন্ড হিলারি এবং নেপালের তেনজিং শেরপা সর্বপ্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
একা :সর্বপ্রথম একা এভারেস্ট জয় করেন ইতালির পর্বতারোহী রেইনহোল্ড মেসনার, ২০ আগস্ট ১৯৮০ সালে।
শীতে : শীতকালে সর্বপ্রথম এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন পোলিশ পর্বতারোহী লেসজেক চিচি ও ক্রিস্টোফ উইলিস্কি, ১৭ ফেব্র“য়ারি ১৯৮০ সালে।
নারী : ১৯৭৫ সালের ১৬ মে জাপানের জুনকো তাবেই প্রথম নারী হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
অক্সিজেন ছাড়া : ৮ মে ১৯৭৮ সালে পর্বতারোহী রেইনহোল্ড মেসনার ও পিটার হ্যাবেলার অক্সিজেন ছাড়াই এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন! যা একসময় অসম্ভব ভাবা হতো।
বুড়ো : ২০০৮ সালের ২৫ মে সবচেয়ে বেশি বয়সে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন নেপালের বাহাদুর শেরচান (৭৬)। সবচেয়ে কম বয়সে এভারেস্ট জয়ের রেকর্ড গড়েন যুক্তরাষ্ট্রের জর্ডান রোমেরো (১৩) গত শনিবার।
২০ বার : সবচেয়ে বেশিবার এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণের রেকর্ড নেপালের আপা শেরপার। গত শনিবার তিনি ২০ বারের মতো ওই চূড়ায় পা রাখেন।
বাঙালি :প্রথম বাঙালি হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন দেবাশীষ বিশ্বাস ও বসন্ত সিংহ রায়।
সবচেয়ে দ্রুত : সবচেয়ে দ্রুত এভারেস্টে ওঠার রেকর্ড অস্ট্রিয়ান ক্রিস্টিয়ান স্টেনগালের। বেইস ক্যাম্প থেকে চূড়ায় পৌঁছতে তিনি সময় নেন মাত্র ১৬ ঘণ্টা ৪২ মিনিট। ঘটনাটি ঘটে ২০০৭ সালে।
সবচেয়ে দ্রুত চূড়া থেকে নেমে আসার রেকর্ডটি ফ্রান্সের জ্যঁ-মার্ক বোয়াভিনের। তিনি প্যারাগ্লাইডিং করে মাত্র ১১ মিনিটে নেমে আসেন বেস ক্যাম্পে।
চূড়ায় অবস্থান : সবচেয়ে বেশি সময় চূড়ায় অবস্থানের রেকর্ড নেপালের বাবু চিরি শেরপার। তিনি সাড়ে ২১ ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করেন।
অভিযাত্রীর মৃত্যু : এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখতে গিয়ে ২০০৯ সালের শেষভাগ পর্যন্ত প্রায় আড়াইশ’ অভিযাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।
বিপজ্জনক এলাকা : খুম্বু আইস ফল। সেখানে ১৯ জন অভিযাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।
অভিযাত্রী দল : এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অভিযাত্রী দল এভারেস্ট জয়ে গেছে চীন থেকে। ১৯৭৫ সালে ৪১০ জনের একটি অভিযাত্রী দল ওই অভিযানে অংশ নেয়।
প্রথম মৃত্যু : এভারেস্টে চড়তে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অনেকেই। অফিশিয়ালি প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ১৯২২ সালে। এ সময় হিমবাহ ধসে মারা যান সাত শেরপা।
খোঁড়া হয়েও চূড়ায় : ১৯৯৮ সালে বিশ্ববাসীকে চমকে দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের টমাস হুইটাকের। একটা কৃত্রিম পা নিয়েও দুর্গম এভারেস্টকে পরাভূত করেন তিনি।
প্রথম অন্ধ : ২০০১ সালের ২৫ মে প্রথম অন্ধ ব্যক্তি হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন যুক্তরাষ্ট্রের এরিক ভিয়েনমায়ার।
সবচেয়ে কম বয়সে : এ বছরই ২২ মে ঘটনাটা ঘটান আমেরিকান এক কিশোর। জর্ডান রোমেরা নামের এই কিশোরের বয়স মাত্র ১৩ বছর।
সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন।
গতকাল ঐ সমস্যা ছিল, আজকে পাইনি ।
অনেক মজাদার :awesome:
ধন্যবাদ রনি।
ছোটবেলা থেকে বাস্কেট বল খেলান। এমন লম্বা হবে যে ঘরের দরজা লম্বা করা লাগবে।
আচ্ছা, ভাল একটা বুদ্ধি দিলেন; দেখি এপ্লাই করতে হবে।
ধন্যবাদ।
রামেক এর বাংলা ফোরামে আপনাকে স্বাগতম।
ক্যাপ্টেন দয়া করে কিছু মনে করবেন না,
আপনার লেখা বানান দুটো এরকম হবেঃ বেরানই=বেড়ানোই,সাহাজ্য=সাহায্য !
মনে হয় দ্রুততার জন্য অথবা খেয়াল না করার করনে ভুল হয়েছিল।

ঢাকা শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে কম-বেশি কেউ তাকে চেনেন। সবাই হয়তো ভালো মতো চিনেন না। কিন্তু ঢাকার বুকে পথ চলতে গিয়ে হঠাৎ 'হাঁটা পীর' ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গদের দেখে চমকে ওঠেননি এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। ঢাকায় তিনি এতটাই চেনা মুখ। কিন্তু কে এই হাঁটা পীর?হাঁটা পীর বা হায়দার বাবার সত্যিকার পরিচয় তেমন কারোরই জানা নেই।
এ সম্বন্ধে অনুসন্ধান করতে গিয়ে খুঁজে পাওয়া গেল গত ১৮/২০ বছর ধরে তার সঙ্গে থাকা খোকন নামের এক ব্যক্তিকে। হায়দার বাবার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'একসময় আমাদের বাবা হাবিব ব্যাংকে চাকরি করতেন। ছাত্র হিসেবেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। তিনি ইংরেজি সাহিত্য এবং আরবিতে ডাবল এমএ লাভ করেন। তার পরিবারের অন্য এক ভাই খুব নামকরা ডাক্তার। সেই ভাই এখন পাকিস্তানে বসবাস করছেন। হায়দার বাবা বা হাঁটা পীরের পূর্ব পুরুষ ছিলেন ইরানের। তারা সেখান থেকে পাকিস্তানে আসেন এবং পরবর্তীতে পাকিস্তান থেকে ভারতে এবং সর্বশেষ বাংলাদেশে।'ব্যাংকার হায়দার কিভাবে হায়দার বাবা হয়ে উঠলেন?
এ প্রশ্ন মনের মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকল। শেষমেশ ইনিয়ে বিনিয়ে এই কথাও জিজ্ঞেস করা হলো খোকনকে। হায়দার বাবা সম্পর্কে তার আশপাশের লোকদের কিছু জিজ্ঞেস করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। প্রথমত: তার সম্পর্কে কেউ কিছু বলতে চায় না। আর দ্বিতীয়ত যদি অসাবধানবশত পীরের কোনো অসম্মান হয় তাহলে সবাই তেড়ে আসতে পারে। তবু অনুরোধ করার পর মুখ খুললেন খোকন। বললেন- 'হায়দার বাবা খুব ভালোভাবেই চাকরি-বাকরি করছিলেন। সবই চলছিল ঠিকঠাক মতো। কিন্তু হঠাৎ করেই তিনি চাকরির প্রতি উদাসীন হয়ে যান। এই উদাসীনতা তাকে ধীরে ধীরে সন্ন্যাস জীবনের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। কী এক অলৌকিক চিন্তার সানি্নধ্যে সন্ন্যাস জীবন বেছে নিলেন হায়দার বাবা।'হায়দার বাবার পরিচয় আর উত্থান নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া দুষ্কর।
তারপরও যতটুকু জানা গেছে স্বাধীনতার পর হায়দার বাবা কাঁটাবন মসজিদের পাশে আশ্রয় নিয়ে প্রথমবারের মতো তার কর্মকাণ্ড শুরু করেন। তারপর মিরপুরে এক মেজরের বাড়িতে হায়দার বাবা তার কার্যক্রম চালাতে থাকেন। এভাবে যেতে থাকে বেশ কিছুদিন। তারপর হায়দার বাবা চলে আসেন মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডের ১২/৯ নম্বর বাড়ির নিচতলায়। এখান থেকে দীর্ঘদিন ধরে তার সব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছে। হায়দার বাবা তার কার্যক্রম দিয়ে ধীরে ধীরে বেশকিছু ভক্ত এবং গুণগ্রাহী তৈরি করে নেন। এই ভক্ত গুণগ্রাহীরা হায়দার বাবার প্রতি এতটাই অনুরক্ত যে, তারা বাবার খুশির জন্য নূরজাহান রোডের ইউ-৪৭ লাইনে ৭ বছর আগে পৌনে তিন কাঠার রেডিমেড একটি বাড়ি কিনে দেন। বাড়িটি কিনতে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা লেগেছিল। গত সাত বছর ধরে হায়দার বাবার এ আস্তানাটিও বেশ জমে উঠেছে। বর্তমানে তাজমহল রোড এবং নূরজাহান রোডের দুটি আস্তানাই বেশ জমজমাট বলা চলে। হায়দার বাবার আস্তানায় প্রতিবছর একটি ওরসের আয়োজন করা হয়। অন্য যেকোনো ওরস থেকে এ ওরসের অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং ব্যতিক্রম। যেখানে অন্য ওরসগুলোতে গরু এবং মহিষের মাংস ব্যবহার হয় সেখানে হায়দার বাবার ওরসে ব্যবহার করা হয় খাসি। প্রতি বছর রজব মাসের ১০ তারিখে এ ওরস অনুষ্ঠিত হয়। ওরসে হায়দার বাবার প্রায় বিশ হাজার ভক্ত-গুণগ্রাহী উপস্থিত হন।
তাবৎ মানুষ প্রাতঃ কিংবা সান্ধ্যকালীন ভ্রমণের জন্য হাঁটাহাঁটি করলেও হায়দার বাবা হাঁটেন তার ধ্যানের জন্য। হায়দার বাবা হাঁটা শুরু করলে কখন যে কোথায় যান তার কোন ঠিক নেই। আবার হায়দার বাবা কখনো একাধারে ৭/৮ দিন পর্যন্ত হাঁটেন। আবার কখনো ১ মাস, দেড় মাস কিংবা ৬ মাসও দীর্ঘ হয়ে থাকে। জানা গেছে, হায়দার বাবার এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ হাঁটার রেকর্ড হচ্ছে টানা ছয় মাস। এই ছয় মাসের হাঁটার সময় তিনি পুরো ঢাকা শহর, সাভার, আশুলিয়া, আরিচা, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের কাছাকাছি পর্যন্ত হেঁটেছেন। তবে হায়দার বাবার এ হাঁটার মধ্যেও রয়েছে কিছুটা বৈচিত্র্য। হাঁটতে হাঁটতে কিছুদূর যাওয়ার পর ক্লান্ত হয়ে পড়লে হায়দার বাবা বসে পড়েন। আর তখন তাকে ঘিরেই তার ভক্তরা হাতে বিভিন্ন খাবার নিয়ে তৈরি থাকেন।
হায়দার বাবার জীবনাচরণে আধুনিকতার কোনো ছোঁয়া নেই বললেই চলে। হায়দার বাবাকে আজ পর্যন্ত কেউই গোসল করতে দেখেনি। অপরিষ্কার থাকতে থাকতে তার মাথার চুল জটবেঁধে গেছে। ব্যক্তিজীবনে হায়দার বাবা তিন সন্তানের জনক। তার বড় ছেলের নাম লাডলা, সে ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত, মেজো ছেলের নাম শাহজাদা। সে একটি কালার ল্যাবে চাকরি করে। আর ছোট ছেলে এখনো কিছু করছে না। তবে তার মধ্যে নাকি অনেকে হায়দার বাবার ছায়া খুঁজে পাচ্ছেন। হায়দার বাবা বা হাঁটা পীরের স্ত্রী যখন মারা যান তখন তার বড় ছেলের বয়স ছিল ১০/১১ বছর। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর হায়দার বাবা আর বিয়ে-শাদিও করেননি।
হায়দার বাবার গুণগ্রাহীদের তালিকাটাও বেশ বড়। হায়দার বাবার কছে এমনিতে সব শ্রেণীর লোকই আসেন। তবে এদের মধ্যে নাকি মহিলার সংখ্যাই বেশি। আর এসব মহিলার বেশির ভাগের সমস্যা থাকে দাম্পত্য কলহ। তারা সবাই সমাধানের আশায় ছুটে আসেন হায়দার বাবার কাছে। অনেকে আবার ব্যবসায়িক সাফল্যের তদবির নিয়ে আসেন। কথা হয় এমনই বেশ কয়েকজনের সঙ্গে। পুরান ঢাকার ধনাঢ্য এক ব্যবসায়ীর স্ত্রী জাহানারা। তিনি গত ১৩ বছর ধরে বাবার কাছে আসা-যাওয়া করছেন। তিনি দাবি কররেন বাবার কথামতো চলে তিনি সাফল্যও পেয়েছেন। ধানমন্ডি থেকে আনোয়ারা এসেছেন তার মেয়ের বিয়ের জন্য মানত করতে। আনোয়ারাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, 'আমি লোকমুখে তার কথা শুনেছি। আমার বিশ্বাস উপরে আল্লাহ আর নিচে হচ্ছেন বাবা (হায়দার বাবা)। তিনি যদি চান তাহলে মেয়ের বিয়ে অবশ্যই তাড়াতাড়ি হবে। এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার জন্য অনেক পিতা-মাতা এবং অভিভাবককে বাবার (হায়দার বাবার) কাছে দোয়া নিতে দেখা গেছে। কিছুদিন তার কাছাকাছি থাকলেই মনে হবে এমন কোনো পেশা কিংবা সমস্যার লোকজন নেই যারা হায়দার বাবার কাছে আসেন না। ঢাকা শহরের সীমা ছাড়িয়ে হায়দার বাবার খ্যাতি পৌঁছে গেছে অন্য জেলায়ও।
হায়দার বাবাকে নিয়ে বিভ্রান্তি আছে স্থানীয় লোকজনের মধ্যেও। তাজমহল রোডের বাসিন্দা আলহাজ আলতাফ হোসেন বলেন, 'হায়দার বাবার বিষয়টা দীর্ঘদিন ধরে শুনে আসছি। মানুষ যে কেন তাকে নিয়ে এত মাতামাতি করে সেটা আমি বুঝতে পারছি না।' হায়দার বাবা সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে গিয়ে সাবেক কমিশনার এবং বর্তমান কাউন্সিলর প্রার্থী আলহাজ সফিকুল ইসলাম সেন্টু বলেন, 'তাকে আমি দীর্ঘদিন ধরে চিনি। একটা ঘটনা মনে পড়ছে। সেটা বললে হয়তো অনেক কিছুই পরিষ্কার হয়ে যাবে। একদিন আমি বাসা থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নামার সঙ্গে সঙ্গে দেখা হয় হায়দার বাবার সঙ্গে। যদিও এসবে আমার কোনো বিশ্বাস নেই তবু চোখের সামনে পড়ার কারণে আমি তাকে সালাম দিই। তার প্রত্যুত্তরে তিনি আমাকে বলেছিলেন ভাগ (দূর হও)। সেই সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালমন্দও করেন। এরপরও তিনি কীভাবে পীর হন আমি বুঝি না। অনেকেই তাকে বিশ্বাস করে এটা তাদের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়।' হায়দার বাবার সঙ্গে ঘুরলে বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়। হায়দার বাবার ছবি তুলতে গিয়েও বাঁধে বিপত্তি। ভক্ত অনুরাগীরা তার ছবি তুলতে দেবে না। ক্যামেরার দিকে কেউ বোতল তাক করে, কেউবা আবার তেড়ে আসে। হাঁটা পীর হায়দার বাবার প্রতি সবার এমনই বিশ্বাস আর ভালোবাসা।
সূত্রঃ এখানে
মা-বাবার উচ্চতা থেকে সন্তানের উচ্চতার ধারণা লাভের একটা সহজ উপায় আছে। প্রথমে দুজনের উচ্চতা যোগ করে দুই দিয়ে ভাগ করি। এখন এর সঙ্গে তিন ইঞ্চি যোগ করলে ছেলের আনুমানিক উচ্চতা, আর তিন ইঞ্চি বিয়োগ করলে মেয়ের আনুমানিক উচ্চতা পাওয়া যাবে।
দারুন অংক তো !
দেখিঃ আমার উচ্চতা ৫'-৮" + আমার স্ত্রী ৫"-৩"= ১০'-১১"
তার মানে আমার ছেলে সম্ভাব্য উচ্চতা ৫ফুট সাড়ে ৮ ইঞ্চি
আর মেয়ে ৫ ফুট আড়াই ইঞ্চি !!
হায় হায় আমি যে আমার বাচ্চাদের আরেকটু লম্বা দেখতে চাই !!!
এখন কি হবে ?
ধন্যবাদ জরুরী একটা খবর শেয়ার করার জন্য।
মুসা ইব্রাহীম এর জন্য অভিনন্দন :veryhappy:
আমার রাঙ্ক কী হবে?
সারচে !
এডমিন হইয়া দেখি র্যাংক লইয়া কান্নাকাটি !!
আমরা কই যামু !!!
আপাততঃ যেমন চলছে তা ঠিকই আছে :cloud9:
সময় ও প্রয়োজন অনুসারে পরবর্তীতে জানানো যাবে ক্ষন !
আর
সাদিবের এডমিন হওয়া উপলক্ষে অভিনন্দন :veryhappy:

বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট। হিমালয় পর্বতমালার এই পর্বতশৃঙ্গে মানুষের প্রথম পদচিহ্ন পড়েছিল আজ থেকে প্রায় ৫৭ বছর আগে। ১৯৫৩ সালের ২৯ মে নিউজিল্যান্ডের স্যার এডমন্ড হিলারি এবং নেপালের শেরপা তেনজিং নোরগে সর্বপ্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করার পর অনেক দেশের অভিযাত্রীর পা পড়েছে সেখানে। ওই সব অভিযাত্রী সর্বোচ্চ এই চূড়ায় উঠে নিজেদের স্বপ্ন যেমন পূরণ করেছেন, তেমনি নিজের দেশকেও করেছেন গৌরবান্বিত।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রোববার অভিযাত্রী মুসা ইব্রাহীম প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় পা রেখে ইতিহাসের পাতায় নিজের ও বাংলাদেশের নাম লিখিয়েছেন।
পাঠকদের জন্য মাউন্ট এভারেস্ট-সংশ্লিষ্ট কিছু তথ্য এখানে তুলে ধরা হলো—
গঠন: এভারেস্ট পর্বত গঠিত হয় প্রায় ছয় কোটি বছর আগে।
উচ্চতা: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৯ হাজার ৩৫ ফুট। ১৯৯৯ সালের আগের হিসাবে যা ছিল ২৯ হাজার ২৯ ফুট।
নামকরণ: ভারতের ব্রিটিশ সার্ভেয়ার জেনারেল স্যার জর্জ এভারেস্টের নামে পর্বতটির নামকরণ করা হয়েছে। এর কারণ, স্যার জর্জ সর্বপ্রথম এভারেস্টের অবস্থান নির্ণয় করেন এবং এর উচ্চতা মাপেন। একসময় একে ১৫ নম্বর চূড়া হিসেবে চিহ্নিত করা হতো।
নেপালি ভাষায় এর নাম সাগরমাথা (আকাশের দেবী)।
তিব্বতি ভাষায় এর নাম চোমোলুংমা (মহাবিশ্বের দেবী মা)।
অবস্থান: ২৭ ডিগি ৫৯ মিনিট উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৬ ডিগ্রি ৫৬ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এর অবস্থান। এই পর্বতের চূড়া নেপাল ও তিব্বতকে আলাদা করেছে।
শৃঙ্গ জয়: ১৯৫৩ সালের ২৯ মে নিউজিল্যান্ডের স্যার এডমন্ড হিলারি এবং নেপালের তেনজিং শেরপা সর্বপ্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
সর্বপ্রথম একা এভারেস্ট জয় করেন ইতালির পর্বতারোহী রেইনহোল্ড মেসনার, ২০ আগস্ট ১৯৮০ সালে।
শীতকালে সর্বপ্রথম এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন পোলিশ পর্বতারোহী লেসজেক চিচি ও ক্রিস্টোফ উইলিস্কি, ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮০ সালে।
১৯৭৫ সালের ১৬ মে জাপানের জুনকো তাবেই প্রথম নারী হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
৮ মে ১৯৭৮ সালে পর্বতারোহী রেইনহোল্ড মেসনার ও পিটার হ্যাবেলার অক্সিজেন ছাড়াই এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন! যা একসময় অসম্ভব ভাবা হতো।
২০০৮ সালের ২৫ মে সবচেয়ে বেশি বয়সে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন নেপালের বাহাদুর শেরচান (৭৬)। সবচেয়ে কম বয়সে এভারেস্ট জয়ের রেকর্ড গড়েন যুক্তরাষ্ট্রের জর্ডান রোমেরো (১৩) গত শনিবার।
সবচেয়ে বেশিবার এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণের রেকর্ড নেপালের আপা শেরপার। গত শনিবার তিনি ২০ বারের মতো ওই চূড়ায় পা রাখেন।
প্রথম এভারেস্টের চূড়ায় দুবার ওঠার কৃতিত্ব নেপালের নওয়াং গোম্বুর।
প্রথম বাঙালি হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন দেবাশীষ বিশ্বাস ও বসন্ত সিংহ রায়। দেবাশীষের বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় আর বসন্ত সিংহের বাড়ি নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে।
সবচেয়ে দ্রুত এভারেস্ট শৃঙ্গে ওঠার রেকর্ডটি অস্ট্রিয়ার পর্বতারোহী ক্রিস্টিয়ান স্ট্যানগলের। তিনি ২০০৭ সালে বেস ক্যাম্প থেকে মাত্র ১৬ ঘণ্টা ৪২ মিনিটে পর্বত চূড়ায় পৌঁছান। তিনি অক্সিজেন ছাড়াই চূড়ায় পৌঁছান।
সবচেয়ে দ্রুত চূড়া থেকে নেমে আসার রেকর্ডটি ফ্রান্সের জ্যঁ-মার্ক বোয়াভিনের। তিনি প্যারাগ্লাইডিং করে মাত্র ১১ মিনিটে নেমে আসেন বেস ক্যাম্পে।
চূড়ায় অবস্থান: সবচেয়ে বেশি সময় চূড়ায় অবস্থানের রেকর্ড নেপালের বাবু চিরি শেরপার। তিনি সাড়ে ২১ ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করেন।
অভিযাত্রীর মৃত্যু: এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখতে গিয়ে ২০০৯ সালের শেষভাগ পর্যন্ত ২১৬ জন অভিযাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।
বিপজ্জনক এলাকা: খুম্বু আইস ফল। সেখানে ১৯ জন অভিযাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।
অভিযাত্রী দল: এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অভিযাত্রী দল এভারেস্ট জয়ে গেছে চীন থেকে। ১৯৭৫ সালে ৪১০ জনের একটি অভিযাত্রী দল ওই অভিযানে অংশ নেয়। এএফপি ও উইকিপিডিয়া।
সূত্রঃ প্রথম আলো।
আমি কিন্তু মিথ্যা বলি না, :hyper:
পেপসোডেন্ট বাচ্চা'রা কখনো মিথ্যে বলে না :cheerful:
[বিজ্ঞাপনের ভাষায় বললাম
মাইন্ড খাইয়েন না যেন আবার :awesome:
নীতিগতভাবে মিথ্যা বলা উচিত নয়। প্রায় প্রত্যেক ধর্মেই মিথ্যাকে নিরুত্সাহিত করার জন্য পাপের ভয় দেখানো হয়েছে। পার্থিব আইন-আদালতও মিথ্যার বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত। তবু পৃথিবীতে মানুষই একমাত্র প্রাণী, যারা মিথ্যা কথা বলে কিংবা মিথ্যা আচরণ দেখায়। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের মধ্যেও মিথ্যাভাষণের তারতম্য রয়েছে। বলা হয়েছে, মেয়েদের চেয়ে মিথ্যা বলায় ছেলেরাই এগিয়ে। শুধু তা-ই নয়, মিথ্যা বলার পর তাতে অনুশোচনায় ভোগার দিক দিয়েও মেয়েরা এগিয়ে। ছেলেরা খুব কমই মিথ্যা বলার জন্য অনুতপ্ত হয়।
ব্রিটেনে তিন হাজার নারী-পুরুষের মধ্যে জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে এমনটা। গবেষকরা দেখেছেন গড় ব্রিটিশ পুরুষ প্রতিদিন কম পক্ষে তিনটি করে মিথ্যা কথা বলে। বছরে এর সংখ্যা দাঁড়ায় এক হাজার ৯২ টিতে। সে ক্ষেত্রে মেয়েরা কিছুটা লক্ষ্মী। একজন ব্রিটিশ মহিলা বছরে ৭২৮টির বেশি মিথ্যা কথা বলে না। দিনে মাত্র দুটো করে। আর মিথ্যা কথাটা সব চেয়ে বেশি শুনতে হয় ব্রিটিশ মায়েদের। সায়েন্স মিউজিয়াম পরিচালিত এই জরিপে বলা হয়েছে, ২৫ ভাগ ছেলে তাদের মায়েদের সঙ্গে মিথ্যা কথা বলে। আর মেয়েদের বেলায় এই পরিমাণ ২০ ভাগ। ওদিকে ১০ ভাগ নারী-পুরুষ বলেছে, তারা তাদের সঙ্গী-সঙ্গিনীদের সঙ্গেই বেশি মিথ্যা কথা বলে।
পুরুষ সঙ্গীরা সঙ্গিনীদের সঙ্গে বেশি মিথ্যা বলে পান করার ব্যাপারটা নিয়ে। প্রায় সময় সঙ্গিনীর অনুযোগের জবাবে বলে, ‘কই, না! খুব বেশি ড্রিঙ্ক করিনি তো! মাত্র এক পেগ।’ আর মেয়েদের বেলায় সে মিথ্যাটা হলো, ‘না না, ঠিক আছে। আমার কোন সমস্যা হচ্ছে না।’
আর একটা মিথ্যা অবশ্য দুই পক্ষই সমান তালে বলে থাকে। সঙ্গী বা সঙ্গিনী একে অন্যকে কোন কিছু উপহার দিতে গেলে দুই পক্ষের কমন মিথ্যা বুলি হলো, ‘ ধন্যবাদ। ঠিক এটাই আমি এতদিন ধরে চেয়েছিলাম।’
মিথ্যা বলার পর অনেক সময় অনুশোচনাও হয়ে থাকে মানুষের। নিজের কাছে নিজেকে অপরাধী মনে হয়। এদিক দিয়েও অবশ্য ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে। ৮২ ভাগ মেয়ে মিথ্যা বলে অনুতপ্ত হয়। আর ছেলেদের মধ্যে অনুশোচনার হার ৭০ ভাগ। তবে মজার ব্যাপার হলো, ৫৫ ভাগ ব্রিটিশ পুরুষ কিন্তু নিজেদের চেয়ে মেয়েদেরই বেশি মিথ্যাবাদী মনে করে থাকে।
সায়েন্স মিউজয়ামের এসোসিয়েট মেডিক্যাল কিউরেটর কেটি ম্যাগস বলেন, ‘মিথ্যা বলাটা মানুষের রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। এটাকে একেবারে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তবে এটা সামাজিক জীবনে একটা মিথস্ক্রিয়া হিসেবে কাজ করে থাকে।’
সূত্রঃ এখানে।
অতীব চমৎকার ! :whistling:
আপনার নাতিদীর্ঘ বিড়ম্বণার কাহিনী পড়িয়া অনেক ক্ষন যাবত হাস্য করিলাম,
অতএব ইহার ফলশ্রুতিতে একখানা সম্মাননা অতি অবশ্যই পাওনা হইয়াছে;
সুতরাং তাহা দিয়া দিলাম, বড়ই সৌন্দর্য লিখিয়াছেন !
হে মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে পিতা-মাতার হক আদায়ে তৌফিক দান করুন।
আমিন, ছুম্মা আমিন ।
আমার তো সেই কবেই ৫০ পোষ্ট পূর্ণ হয়েছে, কিন্তু কই
এখনো তো আমি সেই "সদস্য" ই রয়ে গেলাম, নিয়মিত সদস্য তো হলাম না !
আমিই মনে হয় এখানে আপনাকে আবিস্কার করি যে, আপনি ইলিয়াস ভাই !
তাই না ?
খুশীর খবর :veryhappy:
এভাবেই সামনে এগিয়ে চলুক রামেক'এর বাংলা ফোরাম :cloud9:
বর্তমান দুনিয়ায় মানুষ আর কিছু কিনুক না কিনুক অন্তত একটি মোবাইল ফোন কিনবেই
ঠিক তা-ই ! :cloud9:
ধন্যবাদ খবরটি শেয়ার করার জন্য :whistling:
ওয়ালাইকুম আসসালাম (ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ)
আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি, আপনি ?
আপনাকে এখানে দেখতে পায়ে আমারো ভাল লাগছে ভাই।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by অচেনাকেউ
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.০৬ seconds (৮২.৭৬% PHP - ১৭.২৪% DB) with ৬ queries