প্রতি বার একামত দিতে হবে।
একা একা নামাজে একামত দেয়াটা কি আবশ্যক,
তা-ও আবার কাযা নামাজে !
বিস্তারিত জানতে চাচ্ছি।
You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by অচেনাকেউ
প্রতি বার একামত দিতে হবে।
একা একা নামাজে একামত দেয়াটা কি আবশ্যক,
তা-ও আবার কাযা নামাজে !
বিস্তারিত জানতে চাচ্ছি।
ম্যুভি: অটোগ্রাফ
ধন্যবাদ জিয়া ।
ম্যুভিটা দেখার ভীষণ অগ্রহ হচ্ছে ।
এমনিতেই চোখে ঘুমের অভাব নাই, আর এসব অনুসরণ করলে তো দিনের আলো খুজেই পাবো না।
মহা মজাদার মন্তব্য
অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানতে পারলাম,
ধন্যবাদ ডাঃ শামীম'কে ।
ধন্যবাদ ভাই,মাগার এইসব হাই পাবলিকের যায়গায় যেতে আমি আবার ভয় পাই,সরকারী সাইটগুলোতে ভাইরাসের আড্ডা খানা। (n) (n)
কথাটা একেবারে ফেলনা না।
তারপরেও ধন্যবাদ ডাঃ শামীম'কে
বাংলাদেশী কিছু গুরুত্তপূর্ণ সাইটের লিংক সমুহ শেয়ার করার জন্য।
উপল'কে ধন্যবাদ।
ডাঃ শামীম'কে অনেক ধন্যবাদ
বিশ্বকাপ ক্রিকেট-২০১১ এর পুরো সিডিউল
শেয়ার করার জন্য।
যাদের বইটি কাজে লাগবে
তারা প্রাপ্তি স্বীকার পূর্বক অন্ততঃ একটা 'ধন্যবাদ' শাওন'কে দিতে পারতেন ।
আমি সকলের পক্ষ থেকে এরকম মহান কাজের জন্য একটা সম্মাননা দিয়ে দিলাম।
কবিতা জিনিসটা কেনো জানি আমার মাথার উপর দিয়ে যায়।
![]()
মাথার উপর দিয়া যায় মনে করলেই মাথার উপর দিয়া যাবে !
পাইতে পাইতে তো বুড়া হয়ে যাবো। :-x
অনেকটা সেরমই !
এ ঘটনার পর কিভাবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ ডিজিটাল হবে?
হবে না, আরে ডিজিটাল বাংলাদেশ তো শুধু শ্লোগানেই সীমাবদ্ধ !
মেয়েদের হোস্টেল এর অনেক নিয়ম কানুন। অবশ্য মানে কয়জন কে জানে ? 1 নম্বর টা ব্যাপক মজা দিল।
আসলেই :খুশি:
আমের শহর রাজশাহীতেই আপনাদের দাওয়াত থাকলো। আর কিছুদিন পরেই সকল বন্ধুদের দাওয়াতের সময় সূচি জানিয়ে দেয়া হচ্ছে......
সেই সময় সূচী আর জানা হলো না
তা সে বন্ধের সময়টা কি করে কাটলো
আমরা কি তার উপর একটা পোষ্ট পেতে পারি !
এমনি ভাবে একদিন দেখবো
ডাঃ তৌফিক হাসান শাওন এর নামও !
আর কত সময় পর ?
আচ্ছা জানালা বাদ দিয়ে লিনাক্স নিতে চাচ্ছি, কেমন হবে ?
(পলাশ এসে করে দিয়ে যাবে)
আসুন আরেকবার ধন্যবাদ দেই, সাইফ দি বস কে
ধন্যবাদ সাদিব'কে । (y)
আমি সবুজ,সারা দিন বিভিন্ন ফোরামে ফোরামে ঘূরি,ফোরামটি পছন্দ হল তাই registration করে ফেললাম আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে নিয়মিত হতে পারি।
রামেক এর বাংলা ফোরামে আপনাকে স্বাগতম।
শুধু দোয়া করলেই হবে না, নিয়মিত হবার জন্য আপনার ইচ্ছেটাও থাকতে হবে।
আশা করি সে ইচ্ছেটা সর্বদা জাগ্রত থাকুক।
হাবলু আর বিল্টুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
হাবলু: জানিস, আজ আমার মোবাইল ফোনে অদ্ভুত একটি মেসেজ এসেছে। আর সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইলটি বন্ধ হয়ে গেছে।
বিল্টু: বলিস কী রে! মেসেজে কী লেখা ছিল?
হাবলু: ব্যাটারি লো।
বিল্টু: বলিস কী? মেসেজটা তাড়াতাড়ি আমাকে পাঠিয়ে দে। আমি ওই মেসেজ সবাইকে পাঠিয়ে সবার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেব।
প্রথমবারের মতো হাবলু গেছে রেস্তোরাঁয় খেতে। কিছুক্ষণ পর ওয়েটার একটা মেন্যুবই নিয়ে হাবলুর সামনে এসে বলল, ‘স্যার, কোনটা খাবেন?’ হাবলু মেন্যুবইয়ে খাবারের নামগুলো ভালো করে দেখে একদম শেষেরটাতে আঙুল রেখে বলল, ‘এটা দিয়ে দিন।’
ওয়েটার বলল, ‘স্যার, এটা তো আপনি খেতে পারবেন না।’ হাবলু বলল, ‘মেন্যুতে লিখে রেখেছেন অথচ এখন বলছেন, এটা খেতে পারব না। এটা কেমন ফাজলামো।’ ‘স্যার, আপনি শেষেরটা দেখিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু শেষেরটা হচ্ছে এই রেস্টুরেন্টের মালিকের নাম। ওটা কী করে খাবেন, স্যার।’ ওয়েটারের জবাব।
]এই দু'টাতে বেশি মজা :lol:

এই মৌমুমে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে চূড়ান্ত অফ ফর্মে ছিলেন মিরোস্লাভ ক্লোসা। বায়ার্ন কোচ লুই ফন গলেরও আস্থা হারান তিনি। ক্লাবের হয়ে সাকুল্যে মাত্র তিনটি গোল করেন ক্লোসা। এর ফলে বায়ার্নের প্রথম একাদশ থেকে ছিটকে যেতে হয় তাকে। পোল্যান্ড জাত এই স্ট্রাইকারটি বিশ্বকাপে খেলার কথা ছিল না। এবার বুন্দেশলিগায় টপ স্কোরার কেভিন কুরানিকে বাদ দিয়ে জার্মান কোচ জোয়াকিম লো দলে রাখেন ক্লোসাকে। কোচের আস্থার পূর্ণ মর্যাদা দিয়ে এই বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ার পথে তিনি। নিচে বিশ্বকাপে ক্লোসার ১৪টি গোলের বিবরণ দেওয়া হলো।
২০০২ জাপান-কোরিয়া বিশ্বকাপ
প্রথম গোল : জার্মানি ৮-০ গোলে চূর্ণ করল সৌদি আরবকে। ম্যাচের ২০ মিনিটে বিশ্বকাপের প্রথম গোলটি ক্লোসা করেন ফ্লাইং হেডে।
দ্বিতীয় গোল : ওই ম্যাচেই প্রথম গোলের পাঁচ মিনিটের মধ্যে ক্লাসা আবার হেডে লক্ষ্যভেদ করেন।
তৃতীয় গোল : সৌদি আরবের বিরুদ্ধে জার্মানি তখন চার গোলে এগিয়ে। ৬৯ মিনিটে আবার হেডে গোল করে হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন ক্লোসা।
চতুর্থ গোল : জার্মানি বনাম আয়ারল্যান্ড ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। আইরিশ ডিফেন্স ক্লোসাকে কড়া মার্কিংয়ে রাখা সত্ত্বেও ১৯ মিনিটে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এই দীর্ঘকায় জার্মান স্ট্রাইকারটি।
পঞ্চম গোল : ক্যামেরুনকে ২-০ গোলে হারায় জার্মানি। মিখায়েল বালাকের সোয়ার্ভিং ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে ৮০ মিনিটে বিশ্বকাপে নিজের পঞ্চম গোলটি করেন ক্লোসা।
২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপ
ষষ্ঠ গোল : জার্মানি ৪-২ গোলে হারায় কোস্টারিকাকে। ফিলিপ লাম প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেওয়ার পর কোস্টারিকার পাওলো ওয়ানচোপে ১-১ করেন। ১৭ মিনিটে ক্লোসার গোলে আবার লিড নেয় জার্মানি।
সপ্তম গোল : ওই ম্যাচেই ৬০ মিনিটে ক্লোসা নিখুঁত প্লেসিংয়ে বিশ্বকাপে সপ্তম গোলটি করেন।
অষ্টম গোল : জার্মানি ৩-০ গোলে জিতে ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে। পোল্যান্ড জাত স্ট্রাইকারটি ম্যাচের চার মিনিটে সোয়েনস্টাইগারের ক্রস থেকে দলকে প্রথম গোল উপহার দেন।
নবম গোল : ইকুয়েডরের ডিফেন্স ক্লোসাকে রুখতে আবার ব্যর্থ হয়। বিরতির আগে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি।
দশম গোল : কোয়ার্টার-ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয় জার্মানি। আর্জেন্টিনা ম্যাচে লিড নেয়। অন্তিম মুহূর্তে হেডে সমতা ফেরান ক্লোসা। সেই ম্যাচ টাইব্রেকার জিতে সেমিফাইালে ওঠে জার্মানি।
২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ
একাদশ গোল : প্রথম ম্যাচেই জার্মানি ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করে অস্ট্রেলিয়াকে। হেডে জার্মানির হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন ক্লোসা।
দ্বাদশ গোল : জার্মানি ৪-১ গোলে হারায় ইংল্যান্ডকে। গোলরক্ষক ম্যানুয়েলের লম্বা গোলকিক লক্ষ্য করে ছুটে ক্লোসা অদ্ভুত কৌশলের পরিচয় দিয়ে ডেভিড জেমসকে পরাস্ত করেন।
ত্রয়োদশ গোল : জার্মানি ৪-০ গোলে হারায় আর্জেন্টিনাকে। পোডেলস্কির বাড়ানো পাস থেকে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন ক্লোসা।
চতুর্দশ গোল : একই ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে আর্জেন্টাইনদের কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিয়ে যান এই জার্মান স্টাইকার। ডানদিক থেকে ওজিলের ক্রস থেকে শুটিং প্র্যাকটিসের ভঙ্গিতে ডান পায়ের শট গার্ড মুলারকে স্পর্শ করেন ক্লোসা। -আমিন রহমান নবাব
সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন।

চীনের হেনান প্রদেশে অবস্থিত এক সময়ের চীনের রাজধানী লুইয়াং থেকে ৬০ কিমি. দক্ষিণে অবস্থিত 'শাওলিন টেম্পল' পৃথিবীর অন্যতম একটি বিখ্যাত স্থান। এই শাওলিন টেম্পলকে ঘিরে পৃথিবীজুড়ে অনেক কিংবদন্তি ও রহস্য প্রচলিত রয়েছে। বিস্ময়কর মার্শাল আর্ট, কুংফু শিল্পের উৎপত্তি ও বিকাশ এই শাওলিন টেম্পলকে ঘিরেই। জেট লি, জ্যাকি চ্যান কিংবা ব্রুস লিকে যারা চিনেন তাদের কাছে শাওলিন টেম্পল নামটি মোটেও অচেনা নয়। এটিই সম্ভবত চীনের সবচেয়ে বিখ্যাত মন্দির। শুধুমাত্র দীর্ঘ ইতিহাস আর বুদ্ধ ধর্মের বিকাশের জন্যই এটি বিখ্যাত নয়। এর সবচেয়ে বড় খ্যাতি মার্শাল আর্ট এবং কুংফুর জন্য।
শাওলিন টেম্পলে কুংফু শিখতে আসা শিক্ষার্থীদের সন্ন্যাসী বলা হয়। কিন্তু কুংফুর মতো ভয়াবহ লড়াইয়ে সিদ্ধহস্ত হতে যারা প্রশিক্ষিত হয়, তারা কেমন করে সন্ন্যাসী হন? অবাক করার মতো বিষয় হলেও ইতিহাস তাই বলে। আজ থেকে দেড় হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে এই অঞ্চলে সূচনা হয় 'জেন' নামক বৌদ্ধধর্মের একটি ধারার। একই সঙ্গে কুংফুরও যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় 'জেন' আর 'কুংফু' চলে গেছে দু'পথে। কিন্তু শাওলিন টেম্পলের সন্ন্যাসীরা 'জেন' আর কুংফু' এই দুই জীবনাদর্শকেই গ্রহণ করে নিয়েছেন তাদের জীবনে। তাই ধর্মের স্থিরতা আর মানসিক দৃঢ়তা তাদের করেছে শান্ত, সৌম্য। পাশাপাশি কুংফুর কলাকৌশল তাদের করছে ক্ষিপ্র ও শক্তিশালী। আর এ কারণেই শাওলিন টেম্পলের অধিবাসীদের 'যোদ্ধা সন্ন্যাসী' বলে অভিহিত করা হয়।
বছর তিরিশেক আগেও শাওলিন টেম্পলের কার্যক্রম বাইরের পৃথিবীর কাছে ছিল অনেকটাই অজানা আর রহস্যময়। শাওলিন টেম্পল তখনো ছিল সাধারণের ধরা ছোঁয়ার বাইরে। পরবর্তীতে কুংফু বিষয়ক চলচ্চিত্র আর শাওলিন সন্ন্যাসীদের নানা প্রদর্শনীর মাধ্যমে শাওলিন টেম্পলের নাম দ্রুত বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে থাকে। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য শাওলিন টেম্পল হয়ে ওঠে জনপ্রিয় একটি পর্যটন কেন্দ্র। টেম্পলের কার্যক্রম শুরু হয় খুব ভোরে। প্রথমেই দীর্ঘ সময় ধরে ধ্যান চর্চা করেন সন্ন্যাসীরা। ধ্যান শেষে শুরু হয় কুংফু প্রশিক্ষণ। দীর্ঘক্ষণ কুংফু প্রশিক্ষণ শেষে পাঠ করা হয় পবিত্র ধর্ম গ্রন্থ। এরপর আরম্ভ হয় জাগতিক কাজ। বেঁচে থাকার জন্য রুটি-রুজিও তো করতে হবে। এজন্য শাওলিন সন্ন্যাসীরা পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে নানা শারীরিক কসরত প্রদর্শন করে। এছাড়া শাওলিন টেম্পল বিষয়ক নানারকম স্যুভেনির বিক্রির ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। এ ধরনের জাগতিক কাজে সন্ন্যাসীরা মন থেকে সায় পান না ঠিকই; কিন্তু নিজেদের অস্তিত্বকে রক্ষা করার জন্য এসব অপ্রিয় কাজগুলোও ভীষণ নিষ্ঠা আর অধ্যবসায়ের সঙ্গে সম্পন্ন করেন তারা।
প্রতি বছর হাজার হাজার কমবয়সী ছেলে শাওলিন টেম্পলে এসে হাজির হয় কুংফু শিখার জন্য। আগ্রহী এই শিশু-কিশোর-তরুণদের জন্য উপাসনালয়ের চারপাশে স্থাপন করা হয়েছে ২০টি স্কুল। নাম স্কুল হলেও এখানে পড়াশোনা করা মোটেও সহজ নয়। একবার ভর্তি হয়ে গেলে দেখা যাবে অসম্ভব কষ্টসহিঞ্চু, ধৈর্য, নিষ্ঠা আর অধ্যবসায় ছাড়া ওখান থেকে শেখা যায় না কিছুই। কঠোর শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হয়। সপ্তাহে একদিন ছুটি, বাকি ছ'দিনই চলে কঠিন প্রশিক্ষণ। প্রতিদিন চারটি সেশনে ভাগ করা সময়ে সারাক্ষণই কঠোর শিক্ষণ। কাপড় ধোয়া থেকে শুরু করে অন্য সব কাজই অন্যের সাহায্য ছাড়া নিজেকেই করতে হয়। খাবার পরিবেশন করা হয় উপাসনালয়ের সামনে খোলা জায়গায়। এমনকি যখন বরফ পড়ে, হাড় কনকনে ঠাণ্ডাতেও বাইরে বসেই খেতে হয়। রাতে শোয়ার জন্য রয়েছে লম্বা হলঘর। সেখানে শিক্ষার্থীরা পাশাপাশি শুয়ে অঘোরে ঘুমায়। সারাদিন পরিশ্রমের পর ক্লান্তিতে ভেঙে পড়তে চায় শরীর, বিছানাই পিঠ ঠেকা মাত্রই দুই চোখ বুজে আসে নিজেরই অজান্তে। এই কঠোর নিয়মানুবর্তিতার মাঝে বিনোদনের জন্য সময় বরাদ্দ রয়েছে সপ্তাহের একটি দিনের ঘণ্টা কয়েক। ওই দিন খোলা জায়গায় প্রজেক্টরের মাধ্যমে একটি সিনেমা দেখানোর আয়োজন করা হয়। বেশিরভাগ সময়ই সিনেমাগুলো হয় কুংফু বিষয়ক। সারাটা সপ্তাহ কঠিন নিয়মের মধ্যে কাটানো প্রশিক্ষণার্থীরা যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচে এই ক'টা ঘণ্টার জন্য। মুগ্ধ চোখে সবাই তাকিয়ে থাকে সিনেমার ঝলমলে জীবনের দিকে। হয়তো কল্পনায় নিজেকে ভেবে নেয় সিনেমার ওই দুর্ধর্ষ কুংফুর দক্ষ নায়কের জায়গায়। তবে কুংফুর পাশাপাশি চীনের ভাষা অর্থাৎ ম্যান্ডারিন এবং অঙ্কও শিখতে হয় এখানকার প্রশিক্ষণার্থীদের। তবে মূল মনোযোগ এবং একাগ্রতা থাকে একদিকেই কেন্দ্রীভূত। আর সেই দিকটি হচ্ছে এক এবং অদ্বিতীয় কুংফু।
যতদূর জানা যায়, শাওলিন টেম্পলের এই বিশেষ চর্চার আগমন ঘটে ভারতীয় সন্তবোধি ধর্মের মাধ্যমে। আর এই কুংফু নামক অসামান্য শিল্পটির অনন্য সাধারণ কৌশল আর ভঙ্গিগুলো ধার করা হয়েছে বিভিন্ন জীবজন্তুর নানা ভঙ্গিমা থেকে। বাঘ, ঈগল, সাপ, ভালুক, ড্রাগন ইত্যাদি নানা জীবজন্তু কীভাবে কোন পদ্ধতিতে আক্রমণ করে, মুহূর্তের মধ্যে সরে যায় শত্রুর নাগালের বাইরে, কীভাবেই বা ছোটে বিদ্যুৎগতিতে এসব কিছু পর্যবেক্ষণ করে তার নির্যাসগুলো নিয়ে আসা হয়েছে কুংফুতে। কুংফু নিয়ে শাওলিন টেম্পলে প্রচলিত রয়েছে একটি প্রবচন 'আত্মরক্ষা কর কুমারী মেয়ের মতো, আর আক্রমণ কর বাঘের মতো,' অর্থাৎ লড়াইয়ে সাহসের পাশাপাশি সতর্কও হতে হয়, না হলে সমূহবিপদ।
কথিত আছে বোধিধর্ম চতুর্থ শতকের সূচনালগ্নে ভারত থেকে চীনে এসেছিলেন বৌদ্ধধর্ম প্রচারের জন্য। শাওলিনে তিনি খোঁজ পান 'জেন' মতাবলম্বীদের। যাদের বিশ্বাস ছিল যে নিবিড় তপস্যা এবং আত্ম-অনুসন্ধানের মাধ্যমে বোধি বা নির্বাণ লাভ করা যায়। তারা জোর দিয়েছিলেন নিজের অন্তরের খোঁজ করা এবং একাকী তপস্যার ওপর। বোধিধর্মও এই মতে উপাসনালয়ের উপরের পাহাড়ের নির্জন এক গুহায় দীর্ঘ ৯ বছর নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তপস্যায়। বলা হয়, সেই সময়ে তার ছায়া নাকি গুহার দেয়ালের গায়ে বসে গিয়েছিল চিরস্থায়ীভাবে। সেই ছায়া খোদাই করা প্রস্তর খণ্ডটি শাওলিন টেম্পলে সংরক্ষিত আছে আজও।
সুই সাম্রাজ্যের (৫৮১-৬১৪ খ্রিস্টাব্দ) পর সম্রাট 'ওয়েন ডি' শাওলিন টেম্পলের জন্য বরাদ্দ করেছিলেন পাহাড়ি অঞ্চলের বিশাল একখণ্ড জমি। ওখানকার কুংফু কৌশলে পারদর্শী একদল সন্ত হয়ে ওঠেন ভীষণ জনপ্রিয়। তাদের অসামান্য কৌশল আর ক্ষিপ্রতার কথা কিংবদন্তির মতো ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। সত্যের পাশাপাশি নানারকম অতিকথনের মধ্যদিয়ে শাওলিন টেম্পল হয়ে ওঠে রহস্যময় এক স্থানে। 'জেন' ধর্মাচার আর শাওলিন কুংফু চীন পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে জাপানসহ এশিয়ার অন্যান্য দেশেও। জুয়ান সাম্রাজ্যে (১২৮০-১৩৬৯ খ্রিস্টাব্দ) শাওলিন কুংফুর জনপ্রিয়তা হয়ে ওঠে আকাশচুম্বী। সেসময় প্রায় ২০ হাজার সন্ন্যাসী শাওলিন টেম্পলে প্রশিক্ষিত হয়েছিলেন। এরপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা স্তিমিত হয়ে আসে। অবশ্য বর্তমানে অবস্থার অনেক উন্নতি ঘটেছে। উপাসনালয়ের মূল স্থাপনাগুলো নতুন ভাবে তৈরি হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী আর সন্ন্যাসীতে ভরে উঠেছে শাওলিন টেম্পলের চত্বর।
স্থানীয় অর্থাৎ চীনের অধিবাসী ছাড়া শাওলিন টেম্পল থেকে সত্যিকারের শিক্ষা অর্জন করা ভীষণ কঠিন ব্যাপার। মনের শুদ্ধতার সঙ্গে কুংফু'র অসামান্য শারীরিক দক্ষতার কীভাবে মিশেল ঘটানো যায় তার নানা গোপন কলাকৌশল বিদেশিদের কাছে সহজে ভাঙতে চান না সন্ন্যাসীরা। এজন্যই বলা হয় যে শাওলিন টেম্পলের সন্ন্যাসীদের কাছ থেকে কিছু শিখতে হলে আগে তার বিশ্বাসভাজন হতে হবে, হতে হবে বন্ধু। নতুবা শেখা হবে না কিছুই। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী দেশ, যেমন থাইল্যান্ড আর লাওসে তীর্থে আসা সন্ন্যাসীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেন সরকার কিংবা দেশবাসীই, চীনে তেমন রেওয়াজ নেই। ফলে নিবিষ্ট মনে শুধু ধ্যান এবং কুংফু চর্চা করে যাবেন তার উপায় নেই শাওলিন টেম্পলে। উপার্জনের ব্যবস্থাও করতে হয় নিজেকেই। তাই এখানকার সন্ন্যাসী হয়েও রক্ষা নেই। অর্থের খোঁজে বেরুতেই হয়, তা যত অপছন্দই হোক না কেন।
শাওলিন টেম্পলে যোদ্ধা সন্ন্যাসীদের আজব জগত সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী আগ্রহের কোন কমতি নেই। বিশ্ব জুড়ে অনেক কিশোর তরুণই পর্দার ব্রুস লী, জেট লী কিংবা জ্যাকি চ্যান হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছে। আর এ সবই শাওলিন টেম্পলের মোহময় আবেদনের ফসল।
সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন।
লেখকঃ রনক ইকরাম।

দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে আজ অনুষ্ঠিত হবে উনিশতম আসরের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। দুর্দান্ত জার্মানির সামনে সতর্ক স্পেন। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে একদলের অবস্থান দুই আরেক দলের ছয়। র্যাঙ্কিংয়ে স্প্যানিশদের অবস্থান জার্মানির আগে হলেও অতীত রেকর্ডে এগিয়ে আছে জার্মানরাই।
জার্মানির ১৬টি বিশ্বকাপ
জার্মানদের মধ্য যুগে সম্বোধন করা হতো বর্বর বলে। সেই বর্বররাই যে এক সময় বিশ্ব শাসন করবে তা কে জানতো। জার্মানরা রোমান সাম্রাজ্য দখলে রেখেছিল অনেকদিন। দখল করেছিল আরো অনেক দেশই। হিটলারের সময় তো বিশ্বকেই দখল করতে চেয়েছিল তারা। সেই জার্মানরা ফুটবলে যখন এল বিজয়ীর বেশেই এল। ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি হিটলারের দেশ। ১৯৩৪ সালে এসেই হয়ে গেল তৃতীয়। এরপর ১৯৫০ সাল ছাড়া কখনোই পিছনে তাকাতে হয়নি জার্মানদের। সেবার ফিফার নিষেধাজ্ঞা থাকায় বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি তারা। ১৯৩৮ সালে প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেয় জার্মানরা। ১৯৭৮ সালে বিদায় নেয় দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে। আর কখনোই কোয়ার্টার ফাইনালের আগে বিদায় নিতে হয়নি জার্মানিকে। সাতবারের ফাইনালিস্টরা সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে চারবার। বিশ্বকাপে ষোলবারের অংশগ্রহণে এগারবারই সেমিফাইনাল খেলেছে জার্মানরা! দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও তারা উঠে এসেছে। এই সাফল্য শুধু জার্মানদেরই মানায়। এমনকি পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলও জার্মানদের সমান সেমিফাইনাল খেলতে পারেনি। ব্রাজিল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলেছে দশবার।
স্পেনের ১২টি বিশ্বকাপ
স্প্যানিশদের অগ্রগতি শুরু হয়েছিল অষ্টম শতকেই। এরপর পনের শতকে আধুনিক ইউরোপে এক অনন্য শক্তি হিসেবে আত্দপ্রকাশ করে স্পেন। রাজা পঞ্চম ফিলিপ তো স্পেনকে নিয়ে যান বিশ্ব পরাশক্তির সারিতে। সেই স্প্যানিশদের বিশ্বকাপটা কখনোই তেমন ভালো হয়নি। জার্মানদের মতো স্প্যানিশরাও বিশ্বকাপে প্রথম খেলতে আসে ১৯৩৪ সালে। কোয়ার্টার ফাইনাল ছিল তাদের প্রথম বিশ্বকাপের গন্তব্য। এরপর ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে নিজেদের একমাত্র সেমিফাইনাল খেলে স্পেন। পরের ষাট বছরে আর কখনোই যেখানে পেঁৗছতে পারেনি তারা। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের আগে মোট বারটি বিশ্বকাপ খেলেছে স্পেন। এর মধ্যে একবার সেমিফাইনাল খেলা ছাড়াও চারবার কোয়ার্টার ফাইনাল, তিনবার দ্বিতীয় রাউন্ড এবং চারবার প্রথম রাউন্ড শেষে বিদায় নিয়েছে স্প্যানিশরা।
পরিসংখ্যান
স্পেন-জার্মানির অতীত ফুটবল কারোর একক পক্ষে নয়। দুই দল অতীতে মুখোমুখি হয়েছে ২০ বার। জার্মানির জয় ৮টি এবং স্পেনের জয় ৬টি। ড্র হয়েছে আরো ৬টি ম্যাচ। এর মধ্যে বিশ্বকাপ আসরে দুই দলের সাক্ষাৎ হয়েছে তিনবার। ১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে মুখোমুখি হয়েছিল স্পেন-পশ্চিম জার্মানি। সেই ম্যাচে স্পেন হেরে গিয়েছিল ২-১ গোলে। ১৯৮২ সালে বিশ্বকাপের আসর বসেছিল স্পেনে। নিজেদের দেশের সেই বিশ্বকাপেও পশ্চিম জার্মানির কাছে আবারো ২-১ গোলে হেরে যায় লা রোজারা। ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে স্প্যানিশরা জার্মানিকে হারাতে না পারলেও ১-১ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে। বিশ্বকাপের বাইরে স্পেন ২০০৮ সালে ইউরো কাপের ফাইনালে সব চেয়ে বড় জয় পায় জার্মানির বিপক্ষে। ২-০ গোলে জার্মানিকে হারিয়ে ১৯৬৪ সালের পর প্রথম ইউরো কাপ জয় করে স্পেন।
কৌশল
স্পেন বিশ্বকাপের এখনো নির্দিষ্ট কোন ফরমেটে খেলছে না। জার্মানির অবস্থাও তথৈবচ। কখনো রক্ষণাত্দক কখনো বা আক্রমণাত্দক। ক্লোসাকে সামনে রেখে পোডলস্কি-বাস্তিয়ানরা চলে যায় কাউন্টার আক্রমণে। তাদেরকে সাপোর্ট দিয়ে যান শোয়েইস্টাইগাররা। আর স্প্যানিশ ফুটবলের বর্তমান কৌশলে ভিয়াকে সামনে রেখে জাভি-ইনিয়েস্তারা আক্রমণে যান। তরেসও থাকেন তাদের সঙ্গে। তবে একথা ঠিক যে জার্মান ফুটবলের গতির তুলনায় স্প্যানিশরা অনেকটাই মন্থর। জার্মানি মাঠে নামতে পারে ৪-২-৩-১ ফরমেট নিয়ে। স্পেনের ফরমেটও একই রকম হতে পারে।
তারকা কথন
স্পেন-জার্মানি ম্যাচে তারকার এত ছড়াছড়ি যে দুই একজনের কথা বললে দল দুটিকে অবহেলাই করা হবে। স্প্যানিশ ভিয়া তো পাঁচ গোল করে গোল্ডেন বুটের দাবিদার হয়ে আছেনই। আরো আছেন জাভি-তরেস-ইনিয়েস্তা-পুয়ল-পিকোরা। ইকার ক্যাসিয়াস তো গোলবারের সামনে আছেনই। জার্মানদেরও তারকার অভাব নেই। আছেন চার গোলদাতা ক্লোসা। মুলার খেলতে না পারলেও আছেন পোডলস্কি-অজিল-শোয়েইনস্টাইগাররা। গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নিউয়ার তো আছেনই। আজ যে কেউ জ্বলে উঠতে পারেন দলে পক্ষে।
সম্ভাব্য ফলাফল
জার্মানি ও স্পেনের খেলাতে সত্যি কথা বলতে কাউকে এককভাবে এগিয়ে রাখার সুযোগ নেই। তারপরও বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে এগিয়ে আছে স্পেন। তারা ১-০ গোলে জয় দেখছেন স্পেনের। ভবিষ্যদ্বাণীর কোনো গুরুত্ব আসলেই নেই। যে কোনো ফলাফলই আজ হতে পারে। তবে অক্টোপাসের ভবিষ্যদ্বাণীও কিন্তু স্পেনের পক্ষেই।
সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন।
বিষয়টি অনেকেই জানেন না, মহিলার মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েন, এ ক্ষেত্রে জ্ঞান দান করে তাদের মানসিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি করা সম্ভব।
আসলেই তা-ই !
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
ওরে খাইছেরে,অচেনা ভাই আমরা আপনার রসুই ঘরে দাওয়াত পাবো কবে?
ঢাকা এসে ফোন দিয়েন~যে কোন দিন !
আর রসুই ঘরটা আমার নয়, গিন্নী'র দখলে; সেখানে সে-ই সব কিছু।
আজকে আরো কিছু টিপসঃ
রান্না একটি সুক্ষ্ন ও নিপুণ শিল্প। ধৈর্য এবং যথেষ্ট সময় নিয়ে উপযুক্ত কৌশল জেনে রান্না করলে, রান্না সুস্বাদু হবেই। কিছু সাধারণ কৌশল অবলম্বন করলে হয়ে উঠবেন পাকা রাঁধুনি।
-যারা গুঁড়ো মসলা ব্যবহার করেন তারা কি কি রান্না করবেন তা আগেই ঠিক করে নিন। যেমন_ মাছ, মাংস অথবা আর যাই হোক। সেই অনুযায়ী মাছের মসলা, মাংসের মসলা সব আলাদা আলাদা করে ছোট বাটি বা কাপে নিয়ে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সম্ভব হলে দু'চার ফোঁটা লেবুর রস বা কালো ভিনেগারও দিতে পারেন।
-পেঁয়াজ বা মসলা বেশি আঁচে ভুনবেন না, মাঝারি আঁচে ভুনবেন। মসলা ভুনা হয়ে গেলে মাংস রান্নার ক্ষেত্রে মাংস ভুনবেন তাও মাঝারি আঁচে। ঝোল দেওয়ার পর আঁচ বাড়িয়ে দেবেন; কিন্তু যখন ফুটতে শুরু করবে তখন আবার আস্তে আস্তে আঁচ কমিয়ে হাঁড়ি ঢেকে রাখবেন। এখন এ হালকা আঁচে মাংস রান্না শেষ করুন। আর মাছ সব সময় হালকা আঁচেই রান্না করতে হবে।
-শাক-সবজি কেটে ধুবেন না, ধুয়ে কাটবেন।
-কাঁচা মরিচ কুচি করে কাটলে ঘ্রাণ থাকে না। লম্বা করে কাটবেন এবং রান্না শেষ হয়ে এলে উপরে ছড়িয়ে দিয়ে নামানো পর্যন্ত ডেকে রাখবেন, ঝালের সঙ্গে সঙ্গে সুন্দর ঘ্রাণও থাকবে।
-ধনেপাতা ছড়িয়ে দেওয়ার পর জ্বাল দিবেন না। হাঁড়ি নামিয়ে ঢেকে রাখবেন।
-সম্ভব হলে রান্নায় গরম পানি ব্যবহার করুন। সময় কম লাগবে এবং সিদ্ধ হবে তাড়াতাড়ি।কথায় আছে, মাছের স্বাদ ধোয়ায়। মাছ ভালোভাবে ধোয়া না হলে আঁশটে গন্ধ থাকলে সে মাছ আর কোনোভাবেই রান্না করে সুস্বাদু করা যাবে না। মাছ ধোয়া অসুবিধা হলে কেটে-কুটে ধুয়ে নিয়ে লবণ, লেবুর রস এবং একটু হলুদ দিয়ে মাখিয়ে ঘণ্টাখানেক রেখে দিন, মাঝে মাঝে নেড়ে দেবেন। তারপর ভালো করে বেশি পানি দিয়ে বার কয়েক ধুয়ে নেবেন।
সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by অচেনাকেউ
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.০৭ seconds (৮৪.১৪% PHP - ১৫.৮৬% DB) with ৬ queries