http://img59.imageshack.us/img59/9440/20100514035547herpesphi.jpg

অনেকের মুখে প্রায়ই ঘা দেখা দেয়। তারা হয়তো ভাবেন এ আর এমনকি! আবার ভালোও হয়ে যাচ্ছে। চার-পাঁচ দিন কষ্টের পর ভালো হলে রোগটিকে আমলে আনার দরকার কি? সমস্যা হচ্ছে মুখের ঘা যেমন ভিটামিন-শূন্যতার কারণে দেখা দিতে পারে; তেমনি মুখ ও ঠোটে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণেও হতে পারে। তবে শরীরে পুষ্টির অভাবে তথা ভিটামিন-শূন্যতার কারণে অনেক সময় ভাইরাসসহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সন্ধানী জীবাণুর সংক্রমণ ঘটে। এজন্য মুখের ভাইরাস রোগে কিছুটা হলেও বিশেষ করে ভিটামিন প্রয়োগে ফল পাওয়া যায়। মুখে সাধারণত হারপিস ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে, যা হারপিস সিমপ্লেক্স(Herpes simplex virus) ও হারপিস জোস্টার(Herpes Zoster virus) নামে পরিচিত। হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস প্রধানত লালা এবং শরীরের অন্যান্য নিঃসৃত রসের মাধ্যমে মুখে সংক্রমিত হয়ে থাকে। এটি দুই ধরনের-টাইপ-১ ও টাইপ-২।

হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস দিয়ে প্রাথমিক সংক্রমণের ক্ষেত্রে মাড়ি ও ঠোটে ইনফেকশন দেখা দিতে পারে, যা জিনগিভো স্টোমাটাইটিস নামে পরিচিত। অনেক সময় শিশুদের ক্ষেত্রে মাড়িতে এ অবস্থার সৃষ্টি হলে, মনে হতে পারে তাদের দাঁত উঠছে। ডেন্টাল সার্জনদের মধ্যে যারা হ্যান্ডগ্লাভস ছাড়া রোগী দেখে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে হাতের আঙুলে হুইটলো হতে পারে, যা হারপেটিক হুইটলো (Herpetic whitlow)নামে পরিচিত। হুইটলো হলে আঙুলে ব্যথা হতে পারে। সেকেন্ডারি হারপিস বা কোল্ড সোর আঘাতের কারণে হতে পারে। সূর্যের আলোতে বারবার এবং বেশিক্ষণ থাকলে এবং মানসিক চাপযুক্ত অবস্থায় থাকলে।

হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসের প্রাথমিক সংক্রমণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী আর কোন কষ্ট অনুভব করে না। রোগটি এভাবে আপনাআপনি ভালো হয়ে যায়, যা হারপিস ল্যাবিয়ালিস নামে পরিচিত। বারবার হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ঠোটে ফুসকুড়ি হতে পারে এবং প্রদাহ দেখা দিতে পারে, যা চিলাইটিস (Cheilitis)নামে পরিচিত। সাধারণ মানুষের কাছে এ অবস্থাটি জ্বরঠোসা নামে পরিচিত। তবে সিফিলিসের কারণেও ঠোটে ঘা দেখা দিতে পারে। প্রজনন অঙ্গের বাইরে সবচেয়ে বেশি সিফিলিসের লক্ষণ দেখা যায় পুরুষদের ওপরের ঠোটে এবং মহিলাদের নিচের ঠোটে। এ সময় ঠোটে ক্ষত দেখা যেতে পারে।

ঠোটের প্রদাহকে আবার অ্যাংগুলার স্টোমাটাইটিসও বলা হয়। আয়রনের অভাবে শরীরে যে রক্তশূন্যতা হয় সে ক্ষেত্রেও অ্যাংগুলার স্টোমাটাইটিস হতে পারে।
ক্যানডিডা অ্যালবিকানস (ফাঙ্গাস রোগ) দ্বারা সংক্রমণের ক্ষেত্রেও ঠোটে প্রদাহ দেখা দিতে পারে। যাকে Thrash বা অরাল ক্যানিডিডিয়াসিস বলে। যারা প্রাপ্তবয়সে হারপেটিক সংক্রমণে আক্রান্ত হয় তাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি আকারে হারপিস রোগ শরীরে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে এবং সেখান থেকে এনকেফাইলাইটিসের মতো মস্তিষ্কেও প্রদাহ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

হারপিস ভ্যারিলিসা জোস্টার ভাইরাসের প্রাথমিক সংক্রমণের কারণে চিকেন পক্স বা জলবসন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত ১০ বছরের কমবয়সী শিশুর জলবসন্ত হয়ে থাকে। হারপিস ভ্যারিসিলা জোস্টার ভাইরাস হাঁচির মাধ্যমে বাতাসে বিস্তার লাভ করে থাকে। মুখম-লের ট্রাইজেমিনাল নার্ভ হারপিস ভ্যারিসিলা জোস্টার ভাইরাস সংক্রমণে মুখে ব্যথা হতে পারে। এজন্য মুখের অভ্যন্তরে ঘা দেখা দিতে পারে।

রোগ নির্ণয়
রোগের লক্ষণগুলো ছাড়াও রক্তের ভাইরাস এন্টিবডি মার্কার পরীক্ষার মাধ্যমে হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস টাইপ-১ এবং টাইপ-২ সহজেই নির্ণয় করা যায়। রক্ত পরীক্ষাটি একজন অভিজ্ঞ ভাইরোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে করাতে হবে। পরীক্ষাটি কিছুটা হলেও ব্যয় সাপেক্ষ।

হারপিস রোগের চিকিৎসা
অ্যাসাইক্লোভির গোত্রভুক্ত ট্যাবলেট ভাইরাক্স (৭ থেকে ১৪ দিন) সংক্রমণের মাত্রা এবং ধরন অনুযায়ী খাওয়া যেতে পারে। তবে যারা দীর্ঘমেয়াদী হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসে আক্রান্ত তাদের ক্ষেত্রে ওষুধ অনেক সময় উপকারে নাও আসতে পারে। কিন্তু রোগ যেন দ্রুত সংক্রমিত হতে না পারে সেজন্য আপনাকে ওষুধ সেবন করতেই হবে। রোগীকে এ সময় প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হয়। সর্বোপরি মুখের অভ্যন্তর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এজন্য ক্লোরোহেক্সিডিন মাউথওয়াশ ০.২% ব্যবহার করতে হবে দুই সপ্তাহের জন্য। গর্ভাবস্থায় ভাইরাক্স ট্যাবলেট সেবন করা যাবে না। তাছাড়া দুগ্ধদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। যাদের কিডনি সমস্যা আছে অথবা রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেশি থাকে তাদের কোন অবস্থাতেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন করা ঠিক নয়। তবে কিডনির সামান্য সমস্যা থাকলেও অ্যাসাইক্লোভির গোত্রভুক্ত ওষুধের পরিবর্তে অ্যালাসাইক্লোভির গোত্রভুক্ত ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করতে পারেন। ঠোটে ঘা বা ক্ষত থাকলে অ্যাসাইক্লোভির ক্রিম ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। তবে সব রোগীর ক্ষেত্রে এমনটি আশা করা ঠিক নয়। মুখের অভ্যন্তরে বারবার ভাইরাস সংক্রমণ আলসাররূপে দেখা যায়। অতএব জ্বরঠোসা-ই হোক আর ঠোটে ঘা-ই হোক সব ধরনের রোগের সংক্রমণের চিকিৎসায় আপনাকে সচেতন হতে হবে।

লেখক : মুখ ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ
মোঃ ফারুক হোসেন
সূত্র

LAST PASS জটিল এক্সটেন্শন!

http://img855.imageshack.us/img855/9060/toothbrush.jpg

প্রথম দিকে টুথব্রাশ হিসেবে গাছের বাকল, পাখির পালক কিংবা পশুর ছোট হাড় ব্যবহূত হতো। চীনারা শুকরের গলার অংশ কেটে ছোট বাঁশের সাথে লাগিয়ে দাঁত পরিষ্কার করতো। ভারতীয় উপমহাদেশে আদিকাল থেকে দাঁত পরিষ্কারের জন্য নিমের ডাল ব্যবহূত হতো। তবে, টুথব্রাশের বহুল ব্যবহার শুরু হয় ইসলামের স্বর্ণযুগে। সেসময় লোকজন দাঁত পরিষ্কারের জন্য গাছের সরু ডাল ব্যবহার করত। অবশ্য, অনেকে এর সাথে চক, বেকিং সোডা ইত্যাদি মিশিয়ে নিত। পরবর্তীতে ইংল্যান্ডের অধিবাসী উইলিয়াম এডিস ১৭৮০ সালে এক ধরনের টুথব্রাশ আবিষ্কার করেন। যাতে ন্যাকড়ার সাথে কালির ঝুল এবং লবণ মিশিয়ে নিয়ে তিনি দাঁত পরিষ্কার করতেন। এরপর এডিস একটি ছিদ্রযুক্ত হাড়ে কাপড় আটকিয়ে ব্রাশ বানান। তবে, আধুনিক টুথব্রাশের ধারণা নিয়ে আসেন ওয়ার্ডওয়াথ ১৮৫৭ সালে এবং ১৮৮৫ সাল থেকে আমেরিকায় এর বিক্রি শুরু হয়। বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় ব্রাশটি বিক্রি শুরু হয় ১৯৩৮ সালে সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। ১৯৩৯ সালে স্কটিসরা সর্বপ্রথম ইলেকট্রিক টুথব্রাশ নিয়ে আসেন।

সূত্র

http://img857.imageshack.us/img857/970/mosquitosick.jpg

সম্প্রতি 'জেনেটিক্স' জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রবন্ধে জিন বিজ্ঞানীরা সিমেলে নামের ভিন্নধর্মী একটি ধরনের মশা আবিষ্কার করেছেন। এ পদ্ধতিটি এ রকম_একটি পুরুষ মশার জিনে বিষাক্ত পদার্থ ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। শুক্রাণুর মাধ্যমে সেটা চলে যাবে নারী মশার দেহে। ফলে সেই নারী মশা ডিম পাড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে। তবে নারী মশার দেহেও আগে থেকেই বিষ প্রতিরোধক একটি জিন ঢুকিয়ে রাখা হবে। ফলে নারী মশাটির মারা যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। এ গবেষণার নেতৃত্ব দেন ড. জন মার্শাল।

ম্যালেরিয়া নিয়ে জিন বিজ্ঞানীরা অবশ্য এর আগেও কাজ করেছেন। যেমন_ব্রিটেনের বিজ্ঞানীরা জেনাটিক্যালি মডিফাইড বা জিএম মশা সৃষ্টি করেছেন। এর ফলে কোনো পুরুষ জিএম মশার সঙ্গে মিলনের পর স্ত্রী মশা ডিম পাড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। পরীক্ষাগারে এই বিষয়ে সাফল্য লাভের পর গত বছর একটি দ্বীপে কয়েক লাখ জিএম মশা ছাড়েন বিজ্ঞানীরা। পরে দেখা যায়, ঐ দ্বীপের মশার সংখ্যা আগের চেয়ে ৮০ শতাংশ কমে গেছে। উলেস্নখ্য, প্রতিবছর ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সাব-সাহারা আফ্রিকা অঞ্চলে ১০ লক্ষেরও বেশি শিশু মারা যায়।

http://ia.media-imdb.com/images/M/MV5BMTY0MTc3MzMzNV5BMl5BanBnXkFtZTcwNDE4MjE0NA@@._V1._SY317_.jpg

আইএমডিবি

পদার্থবিদ্যার খটোমটো সূত্র পড়ার বিষয় হিসেবে অনেকের কাছে বিরক্তিকর হলেও সেসব টাইম-স্পেস, থিওরি অব রিলেটিভিটির বিষয়গুলো যখন চলে আসে বাস্তব জগতের আপাতদৃষ্টিতে অবাস্তব ভবিষ্যৎ চিন্তায়, তখন স্বপ্নগুলো সত্যিই হয়ে ওঠে রোমাঞ্চকর। তেমনি আপেক্ষিকতার সূত্রের কিছু বাস্তবতা আর স্বপ্নবিলাসী কিছু বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারাকে মিশিয়ে নির্মিত হল বেন রিপে¬র কাহিনী ও ডানকান জোনসের পরিচালনায় অ্যাকশন সাইফাই ‘সোর্স কোড’।
শিকাগোর শহরতলিগামী একটি কম্যুটার ট্রেনে বোমাতঙ্ক। বোমা হামলার এই সন্ত্রাসী তৎপরতা ঠেকাতেই গোপন মিশন সোর্স কোডের অস্তিত্ব। কিন্তু কিভাবে। মার্কিন সেনাসদস্য ক্যাপ্টেন কোল্টারের জীবনে সেই সকালটা ছিল আর দিনগুলো থেকে একদমই আলাদা। ঘুম থেকে উঠেই নিজেকে আবিষ্কার করলেন নতুন চেহারায়, নতুন পরিচয়ে। একজন মানুষের জীবনে এর চেয়ে অবাক করা আর কি হতে পারে। কিন্তু খালি চেহারা আর নাম পরিচয়ের বেপারটা হলে না হয় মেনে নেয়া যেত। কোল্টার নিজেকে আবিষ্কার করলেন প্রাণঘাতী সরকারি গোপন মিশন ‘সোর্স কোড’-এর কারি হিসেবে। কিন্তু কি সেই সোর্স কোড? কিইবা তার ভিত্তি। এ বিষয়ে ছবির পরিচালক ডানকান জোনস জানান, আইনস্টাইনের থিওরি অনুযায়ী সময়ের স্রোতকে নদীর স্রোতের মতোই নিরবচ্ছিন্ন হলেও তার গতিকে দ্রুততার বিচারে গতিশীল কিংবা ধীর করা যায়। কিন্তু সোর্স কোড-এর বাস্তবতায় শুধু ততটুকুই নয় সময়ের স্রোতকে ইচ্ছে করলেই ঘুরিয়ে দেয়া যায় একাধিক শাখা প্রশাখায়। খালি কি এতটুকুই? পদার্থবিদ্যার যুক্তিতে টাইম ট্রাভেল ভবিষ্যতে কোন দিন সম্ভব হলেও অতীত পরিবর্তন একদমই যুক্তিহীন। কিন্তু সোর্স কোড-এর যুক্তি অনুযায়ী সেটাও সম্ভব। আর সেই যুক্তিকে ধরেই এগিয়ে চলেছে ছবির কাহিনী। কোল্টারের জীবনের শেষ আটটি মিনিটের অস্তিত্বকে বারবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ক্যাসেটের ফিতার মতো বারবার রিওয়াইন্ড করে চেষ্টা শুধু একটাই সেই বোমা হামলাকারীকে চিহ্নিত করা। যেন একটি অপরাধ দমন করে, থামিয়ে দেয়া যায় তার পরবর্তী প্রকোপ।
শুধু পদার্থবিদ্যার বৈজ্ঞানিক ভিত্তিই নয়, একটি মানুষের মস্তিষ্কের চেতনা সত্তাকে পুরোই ভিন্ন একটি মানুষের দেহে প্রতিস্থাপনের মতো পরাবাস্তব কিছু তত্ত্বও ব্যবহার হয়েছে ছবিটিতে। পাশাপাশি স্পেশাল ইফেক্ট আর টানটান উত্তেজনা ছবিটিকে করে তুলবে সববয়সী দর্শকের কাছে উপভোগ্য। জেক গিলেনহাল, মিশেল মোনাগান, ভেরা ফামিগা, জেফরি রাইট, রাসেল পিটার্স ও মিশেল আর্ডেন অভিনীত জবরদস্ত ছবি ‘সোর্স কোড’ মুক্তি পাবে আসছে ১ এপ্রিল।

লেখক: পিয়াস রায়
সুত্র

http://img819.imageshack.us/img819/9943/89891.jpg

টেলিভিশনের পর্দায় এখন হরহামেশাই দেখা যায় একটি প্রিয় চেনা মুখ। যেমন অভিনয়ে, তেমনই নাচ বা মডেলিংয়ে । কোথাও যেন উদ্যমের অভাব নেই তার। মডেলিং ও অভিনয় দিয়ে মিডিয়ায় তার আগমন বেশি দিনের নয়। কিন্তু তিনি ছোটবেলা থেকেই তার নাচের সঙ্গে সখ্যতা। বিভিন্ন নাচের অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। এক নাচের অনুষ্ঠানে বিজ্ঞাপন নির্মাতা অমিতাভ রেজার নজরে পড়ে যান তিনি। প্রথম বিজ্ঞাপনে কাজ করলেন। ব্যস,আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি শখের। একের পর এক কাজ করে যাওয়া। প্রত্যেকটি কাজে পেয়ে যান সাফল্য।
বর্তমানে একটি টেলিকম কোম্পানির সিরিজ বিজ্ঞাপনে তাকে দেখা যাচ্ছে। এমনকি টেলিভিশন, সাবান, ফেয়ারনেস ক্রিমসহ বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে তার সরব উপস্থিতি। কোথায় নেই শখের বিচরণ?
মডেলিংয়ে শখের জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী। কীভাবে সব নামিদামি মডেলদের পেছন ফেলে তিনি সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন জানতে চাওয়া হলে শখ বলেন, ‘ছোটবেলায় নাচ শেখার কারণে মডেলিংয়ে ক্ষেত্রে আমার অনেক সহায়ক হয়েছে। নাচের মধ্যে সব ধরনের ভঙ্গিমা ভেসে ওঠে। আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ হল মডেলিং। এই কাজটা করতে আমি ভীষণ আনন্দ পাই। যখন আমি কোন পণ্যের মডেল হই, তখন আমার অনেক বিষয়ে নজর দিতে হয়। কেননা আমার ওপর নির্ভর করে পণ্যের ভালো-মন্দ গুণ। হয়তো এ কারণে সবাই আমাকে পছন্দ করেন (হেসে দিলেন)।’
‘অনেকদিন আগের কথা। ছোটবেলায় সুর্বণা মুস্তাফার অভিনয় দেখার জন্য টেলিভিশনের সামনে বসে থাকতেন। প্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে তিনি ছিলেন আমার অনেক পছন্দের। তার নাটক মানে নাওয়া-খাওয়া বন্ধ। এই নিয়ে মা’র কত বকুনি খেয়েছি। তার কোন ইয়ত্তা নেই। প্রথম যখন নাটকে পেয়ে যাই আমার পছন্দের অভিনেত্রী সুর্বণা মুস্তাফাকে। একদিকে খুশিতে আÍহারা, অন্যদিকে নার্ভাস। তিনি আমাকে অনেক সাহস দিলেন। আমি খুবই ভাগ্যবান। মিডিয়ার শুরুতে আমি বড় মাপের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সংস্পর্শে কাজ করতে পেরেছি।’স্মৃতিরোমন্থন করে বললেন শখ।
বছর দুয়েকের মধ্যে নাচ ও মডেলিংকে ছাপিয়ে অভিনয়ে দারুণ পারদর্শী হয়ে উঠেছেন শখ। অভিনয়ের কলাকৌশলগুলো আয়ত্ত করে নিয়েছেন। হাল সময়ে তিনি বেশকিছু নাটকে অভিনয় করে দারুণ প্রশংসাও কুড়িয়েছেন। নাটকে অভিনয় নিয়ে জানতে চাইলে শখ জানান, ‘মিডিয়ায় আমার শুরুটা নাটক দিয়ে। সেই সময়নাটকে কাজ করার জন্য মরিয়া ছিলাম। বেশকিছু নাটকে কাজও করলাম। মাঝে বিরতি দিই। আবার শুরু করি খ- ও ধারাবাহিক নাটকে। নাটকগুলো দর্শককের ভালো লাগে। ধীরে ধীরে অভিনয়ের ক্ষেত্রে আরও সাহস পেয়ে যাই।’তিনি আরও বলেন, ‘অভিনয় দিয়ে দর্শক মনে স্থান করে নিতে চাইলে, যেনতেন অভিনয় করলে চলবে না। দর্শক এখন বুঝতে পারে কোনটা অভিনয়। নাটকের গল্পে আমার চরিত্রটি সর্ম্পকে জেনে নেই। চরিত্রে হেরফের থাকলে সোজা ক্ষমা চেয়ে না করে দেই। কারণ দর্শক আমাকে নিয়ে একটা মন্তব্য করুকÑ এটা আমি চাই না। অনেক কষ্টে আমার এই ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছি।’
সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে। একজন পরিচালক বলেছেন, শখ বেশি পারিশ্রমিক দাবি করেছেন বলে তাকে সিরিয়াল থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে মিডিয়ায় নানা ধরনের গুঞ্জনও উঠেছে। শখ বলেন, ‘শুরুতে নাটকে আমার অভিনীত চরিত্রটি পছন্দের ছিল। বেশকিছু পর্বের পর দেখি আমাকে যেভাবে গল্প বলা হয়েছিল, তার অনেক অংশে পরিবর্তন। এসব দেখে ওই নাটকে আগামী পর্বে কাজ করব না বলে পরিচালককে জানিয়ে দেই। এ নিয়ে তার সঙ্গে আমার কোন মনমালিন্য হয়নি। পরে জানতে পারলাম, আমি নাকি বেশি পারিশ্রমিক দাবি করেছি। তবে পারিশ্রমিকের বিষয়টি সত্য নয়।’
এর আগেও মিডিয়ার অনেকেই অভিযোগ করেছেন পারিশ্রমিকের কাজ ফিরিয়ে দিয়েছেন শখ। এ নিয়ে অনেকের মধ্যে ছিল চাপা ক্ষোভ। তারা বলেন, ‘মিডিয়ায় আসতে না আসতে পারিশ্রমিক দিগুণ করে ফেলেছে। এরকম আরও কত কী! শখের এসব ঝক্কি-ঝামেলা প্রায়ই পোহাতে হয়।
এ প্রসঙ্গে শখ বলেন, ‘এটা সত্যি অনেক সময় পারিশ্রমিক বেশি চেয়ে কাজ ফিরিয়ে দিয়েছি। কারণ পণ্য ও গল্প পছন্দ না হওয়ায়। সরাসরি না বলতে পারি না বলেই পারিশ্রমিক বেশি চেয়েছিলাম। অনেক সময় কাজ ভালো হলে পারিশ্রমিক নিয়ে কথা বলি না। আমি ভালো কাজের মূল্যায়ন করতে জানি।’
নাচ, মডেলিং ও অভিনয়ে এরই মধ্যে শখ আলাদা স্বকীয়তা তৈরি করেছেন। নিজস্ব স্টাইলে পর্দায় তার উপস্থিতি। ছোটপর্দার পথ মাড়িয়ে বড়পর্দাও কাঁপিয়েছেন তিনি। গেল বছর এমবি মানিকের ‘বলো না তুমি আমার’ চলচ্চিত্রে শখ অভিষিক্ত হন। চলচ্চিত্রে শখের আগমন অনেকটা ঘটা করে। প্রথম ছবি হালের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানের বিপরীতে। সুযোগটা বগলদাবা করতে একটুও ভাবেননি তিনি। প্রথম ছবিতে বাজিমাত। চিত্রনায়িকার তকমাও লাগিয়েছেন গায়ে।
নতুন আর কোন চলচ্চিত্রে শখের দেখা নেই। দর্শক মুখিয়ে আছেন নতুনরূপে তাকে দেখার বাসনায়। এ প্রসঙ্গে শখ জানান, ‘প্রথম ছবিতে এত সাড়া পাব কল্পনা করতে পারিনি। চলচ্চিত্র একটা বিশাল ক্যানভাস। এ মাধ্যমে আমি কাজ করতে পেরে খুবই ধন্য হয়েছি। শুরুতে একটু নার্ভাস ছিলাম। পরক্ষণে সবাই আপন করে নিয়েছে। এ পর্যন্ত অনেক ছবির প্রস্তাব পেয়েছি কিন্তু ছবির গল্প আমার ভালো লাগেনি, এ কারণে করা হয়নি। তাছাড়া চলচ্চিত্রে অনেক সময় দিতে হয়। সেক্ষেত্রে লেখাপড়ার একটু অসুবিধা হয়। পরীক্ষা শেষ হলেই নতুন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হব। দর্শকের সামনে নতুনরূপে নিজেকে উপস্থাপন করব। সে পর্যন্ত একটু অপেক্ষায় থাকুক আমার ভক্তরা।’ বলেই হাসি ছড়িয়ে দিলেন।
বর্তমানে শখ মোস্তফা কামাল রাজের ‘চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই’ নাটকে কাজ করছেন। আসন্ন স্বাধীনতা দিবস ও পহেলা বৈশাখে বেশ ক’টি খ- নাটকে অভিনয় করবেন বলে তিনি জানান। পাশাপাশি কয়েকটি বিজ্ঞাপনের কাজ শুরু করবেন। প্রথম ছবির সাফল্য তার ক্যারিয়ারে নতুন পালক যোগ হয়েছে। বলা চলে ভাগ্যদেবী শখের ওপড় ভর করেছে। দেখা যাক, ভাগ্যদেবীকে কত দিন শখ লালন-পালন করতে পারেন।

সুত্র

স্টেটাস এ প্লাস দেয়া গেলে দিয়ে দিতাম। আপাতত রেকর্ড রাখি " এক জীবনের সব হাহাকার বুকে নিয়ে অভিশাপ তোমাকে দিলাম...তুমি সুখী হবে,খুব সুখী হবে "  rock on!    rock on!

আভাকে কেন কস্ট দিলে? ইচ্ছে করলেই তো ওকে সুখে রাখতে পারতে?  no talking

http://www.amardeshonline.com/img/news/Lp_Kechu.jpg

ক্যান্সার একটি ঘাতক ব্যাধি। এ রোগ হলে মৃত্যু সময়ের ব্যাপার মাত্র। এর বিরুদ্ধে লড়াই করার কিছু ওষুধ আবিষ্কৃত হলেও রোগটি থেকে চিরতরে উদ্ধার পাওয়ার মতো কোনো ওষুধ নেই। তাই বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই ক্যান্সারের কার্যকর ওষুধ উদ্ভাবনে কাজ করে চলেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এখন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইয়ো স্টেট ইউনিভার্সিটির একজন গবেষক জানিয়েছেন, ক্যান্সার, টিউমার ও হৃদরোগে কেঁচোর দেহ থেকে বেড়িয়ে আসা এনজাইম কাজে লাগানো যেতে পারে। তিনি গবেষণা করে দেখেছেন, কেঁচোর দেহ থেকে যে তরল বের হয়ে আসে তাতে বিশেষ কিছু উপাদান রয়েছে, যা ক্যান্সার, টিউমার ও হৃদরোগ চিকিত্সায় ব্যবহার করা যেতে পারে। সূত্র ইন্টারনেট
ওহাইয়ো স্টেট ইউনিভার্সিটির সয়েল ইকোলজি ল্যাবরেটরির ডক্টর ক্লাইভ এ অ্যাডওয়ার্ডস ‘দ্য সায়েন্স অব ভার্মিকালচার : দ্য ইউজ অব আর্থওয়ার্মস ইন অর্গানিক ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টে’ কেঁচো বিষয়ে তার গবেষণা নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, চীনে প্রাণী ও মানুষের চিকিত্সার ওষুধ তৈরিতে কেঁচো ব্যবহার করা হয়। ‘ভার্মিকালচার ইন হিউম্যান ওয়েলফেয়ার’ শীর্ষক ইন্দো-মার্কিন যৌথ ওয়ার্কশপে ডক্টর ক্লাইভ এ অ্যাডওয়ার্ডস তার গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। তবে তিনি বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে আরও নিবিড় গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। গবেষণার মাধ্যমে বিষয়টি আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং ওষুধ হিসেবে তা ব্যবহারের উপায় খুঁজে পাওয়া যাবে।
মাটির ভেতরে চলাচলকারী এই প্রাণীর দেহত্বক বহু ছিদ্রবিশিষ্ট। এ ত্বকেই তারা আত্মরক্ষামূলক অনেক এনজাইম তৈরি করে থাকে। এসব এনজাইমের কিছু ক্যান্সার, টিউমার ও হৃদরোগের চিকিত্সায় কাজে লাগতে পারে বলে জানান ডক্টর ক্লাইভ। যথেষ্ট পরিমাণে অ্যামিনো এসিড, চর্বি, শর্করা ও ভিটামিন বি-১২ পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকায় কেঁচো অনেক প্রাণীর উপাদেয় খাবার হিসেবেও বিবেচিত হয়।
ডক্টর ক্লাইভ বলেন, কেঁচোর কিছু বিশেষ প্রজাতি ভার্মিকম্পোস্ট তৈরির কাজেও লাগে। এসব ভার্মিকম্পোস্ট মাটির উর্বরা শক্তি বাড়াতে বিশেষ কাজে লাগে।

সুত্র

tazkianur wrote:

"শুধু তুমি কেন পূথিবীর সবাই আমাক ছেড়ে গেলেও আমি ভেঙ্গে পড়ব না...দেখবে একদিন আমি ঠিক ঠিক উঠে দাড়াব।"...কথাটা খুব সুন্দর,না??

লাইন টি অনেক সুন্দর। মেয়েরা যদি একটু শক্ত মন মানুষিকতার না হয় তাহলে তো বেশ সমস্যা  feeling beat up

dr.shamim wrote:

তৌফিক, দেখি ধরা খেয়ে গেলে।

ধরা তো এই বয়সে একটু আধটু খাইতেই হয়।

অনেক সুন্দর লেখা। তবে দূরে যাবার তো কোন দরকার নেই। আমরা এখানে সবাই আছি। ফার্স্ট ইয়ার এ বেশ আপসেট থাকে সবাই। আস্তে আস্তে সব ঠিক হয়ে যাবে।

http://a4.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/189070_200680679950980_141426662543049_712200_890444_n.jpg

স্যার বলেছেন: আমদের লেকচার ক্লাস সকালে দুটো থাকলে হবে। তারপরে আমাদের বাসে করে নিয়ে যাবে। আর এই সময়ে আমাদের সব টিউটোরিয়াল ক্লাস হবে।

http://dailysunshinebd.com/wp-content/uploads/2011/03/DSC_4452-copy-300x189.jpg

এটা দৈনিক সান শাইন এর

আইএনবি : বিশ্বকাপ ক্রিকেটে নেদারল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে  কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার পথ সুগম করলো বাংলাদেশ।

স্থানীয় জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সোমবার বাংলাদেশের ঘূর্ণিবলের পাকে পড়ে  নেদারল্যান্ড মাত্র ১৬০ রানে গুটিয়ে যায়। জবাবে বাংলাদেশ ৪১ দশমিক ২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে প্রয়োজনীয় ১৬৬ রান তোলে।

বিপ্লব ও সংগ্রামের সূতিকাগার চট্টগ্রামে রীতিমতো ক্রিকেট বিপ্লব ঘটিয়ে বাংলাদেশ গত ১১ মার্চ ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে। সোমবার নেদারল্যান্ডকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলার জন্য একধাপ এগিয়ে গেলো।

আগামী ১৯ মার্চ বাংলাদেশ ঢাকার শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে গ্র“প বি’র শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে। তবে এর আগে আগামি ১৭ মার্চ ইংল্যান্ডকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারিয়ে দিলে বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে।

আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডকে কুপোকাত করে ৬ পয়েন্ট অর্জন  এবং ভারতের কাছে ৮৭ রানে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৯ উইকেটে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার টসে জিতে নেদারল্যান্ড ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো।

দিনের আলোয় নির্ধারিত এ খেলায় ঘূর্ণিবলের পাকে পড়ে ১৬০ রানে অলআউট হয়ে যায় নেদারল্যান্ড। জবাবে বাংলাদেশ ৪১ দশমিক ২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে প্রয়োজনীয় ১৬৬ রান সংগ্রহ করে জয় সুনিশ্চিত করেছে।

বাংলাদেশ দলের জয়ের পেছনে স্পিন বোলারদের সাফল্যই মূল ভূমিকা পালন করে। রাজ্জাক ৩টি এবং সাকিব ও  সোহরাওয়ার্দী শুভ একটি করে উইকেট নেন।

এরপর বাংলাদেশ শূন্য রানে তামিমের উইকেট হারানোর পর ইমরুল কায়েস দায়িত্বপূর্ণ ব্যাটিং করে দলের জয় সুনিশ্চিত করেন।

১১৩ বল খেলে ইমরুল ৬টি চারের মারসহ ৭৩ রান সংগ্রহ করায় ‘ম্যাচ সেরা’ হবার গৌরব অর্জন করেন। তিনি দ্বিতীয় উইকেটে জুনায়েদ সিদ্দিকীকে নিয়ে ৯২ রান সংগ্রহ করেন। ৩৫ রান তুলে জুনায়েদ সাজঘরে ফেরার পর তৃতীয় উইকেটে শাহরিয়ার নাফিসকে নিয়ে ইমরুল ৫৯ রান যোগ করলে বাংলাদেশের জয় সুনিশ্চিত হয়ে যায়। দলের রান যখন ১৬১ তখন শাহরিয়ার নাফিসকে বোল্ড করে ফিরিয়ে দেন কুপার। শাহরিয়ার নাফিস ৬৫ বল খেলে ৪টি চারের মারসহ ৩৭ রান তোলেন। এরপর ৭ বল খেলে সাকিব মাত্র ১ রান করে সাজঘওরে ফিরলে ৫ম উইকেটে ইমরুলের সঙ্গী হন মুশফিক। ১২ বল খেলে মুশফিক ১১ রানে অপরাজিত থাকেন।

নেদারল্যান্ডের টম কুপার ৩৩ রানে দুটি উইকেট  পান। এ ছাড়া মুদাসসর বুখারি ও পিটার বোরেন একটি করে উইকেট নেন।

সুত্র : এখানে

৩৮৮

(০ replies, posted in ৫২ তম ব্যাচ)

http://a8.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc6/190714_1913021190416_1388513152_3341880_3489379_n.jpg

করার তো কথা! কারণ এটা 6.05

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110315-0dc3-24kb.jpg

মার্জিত এক ভদ্রলোক চিকিত্সকের চেম্বারে এসে ঢুকলেন এবং তার সঙ্গে বৃদ্ধা মা খুব লাজুকভাবে ধীর পায়ে এগিয়ে এলেন। মা তার অসুবিধা সম্পর্কে কথা বলতে খুব দ্বিধান্বিত এবং অবশেষে জানা গেল—মহিলাটির জরায়ু নিচে নেমে এসেছে এবং তিনি এটা থেকে সৃষ্ট বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন। তার এই রোগটিকে জরায়ুর স্থানচ্যুতি বা ডাক্তারি ভাষায় ইউটেরো-ভ্যাজাইনাল প্রলাপ্স (Utero-vaginal Prolapse) বলা হয়। আমাদের দেশে এরকম রোগীর সংখ্যা প্রচুর এবং বহু মা জীবনের শেষ ধাপে এ রোগের বিভিন্ন ধরনের উপসর্গ ও জটিলতা নিয়ে ডাক্তারের কাছে আসেন।

কেন হয় এবং কাদের হয়?
সেসব মায়ের হয় যারা জরায়ুপথে সন্তান জন্মদান করেছেন এবং গর্ভধারণ অবস্থায়, প্রসবকালীন এবং প্রসব-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সমস্যা ও অনিয়মের শিকার হয়েছেন। যেমন—
১. যারা অল্প বয়সে (২০ বছরের নিচে) সন্তান ধারণ ও জন্মদান করেছেন।
২. যারা অনেক সন্তান জন্মদান করেছেন এবং ঘন ঘন সন্তান জন্মদান করেছেন।
৩. যারা গর্ভধারণকালীন অপুষ্টিতে ভুগেছেন।
৪. যারা দীর্ঘ সময় ধরে প্রসব বেদনায় ভুগেছেন।
৫. অপ্রশিক্ষিত দাইয়ের মাধ্যমে ভুল পদ্ধতিতে যারা সন্তান প্রসব করেছেন, যেমন— (ক) জরায়ুর মুখ পুরোপুরি খোলার আগেই চাপ দিয়ে ব্যথা সৃষ্টি করা। (খ) জরায়ুর গর্ভফুল বের করার জন্য জরায়ুকে নিচের দিকে চাপ দেয়া এবং সংযোগ নাড়ি ধরে নিচের দিকে টান দেয়া।
৬. সন্তান প্রসব করার পরপরই প্রসুতিকে ভারি কাজে নিযুক্ত করা, যেমন— টিউবওয়েল চাপা, কলসি ভরে পানি আনা, ঢেঁকিতে পাড় দেয়া ইত্যাদি।
৭. দীর্ঘস্থায়ী কাশি ও কোষ্ঠকাঠিন্য এ রোগের প্রকাশকে আরও প্রকট করে।
অনেক রোগীর ক্ষেত্রে যৌবনে রোগের লক্ষণ আংশিকভাবে প্রকাশ পেলেও সমস্যা বেড়ে যায় মেনোপজ বা স্থায়ীভাবে মাসিক বন্ধ হওয়ার পর।

প্রকারভেদ
জরায়ুর স্থানচ্যুতিকে বিভিন্ন ডিগ্রি অনুযায়ী ভাগ করা যায়—
১ম ডিগ্রি : জরায়ু তার স্বাভাবিক অবস্থান থেকে নিচে নেমে আসে, তবে জরায়ু মুখসহ পুরো জরায়ু মাসিকের রাস্তা বা যোনিপথের মধ্যেই অবস্থান করে।
২য় ডিগ্রি : হাঁটাচলা ও ভারি কাজ করলে জরায়ু মুখ (ঈবত্ারী) মাসিকের রাস্তা বা যোনিপথের বাইরে চলে আসে এবং জরায়ুর বাকি অংশ যোনিপথের মধ্যেই অবস্থান করে। বিশ্রাম করলে বের হওয়া অংশ যোনিপথের মধ্যে ঢুকে যায়।
৩য় ডিগ্রি : সম্পূর্ণ জরায়ু যোনিপথের বাইরে বের হয়ে থাকে।

লক্ষণসমূহ
১. রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে রোগী যোনিপথে ভারি কিছুর উপস্থিতি অনুভব করে এবং যখন হাঁটাচলা বা কাজকর্ম করে তখন তার মনে হয় যে মাসিকের রাস্তা দিয়ে কিছু একটা বের হয়ে আসবে। রোগের ২য় এবং ৩য় ডিগ্রিতে হাঁটাচলার সময় জরায়ু আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে যোনিপথের বাইরে চলে আসে এবং ক্রমান্বয়ে কাজকর্ম ও হাঁটাচলা করতে বাধার সৃষ্টি হয়।
২. পিঠ ও কোমরে ব্যথা অনুভূত হয়।
৩. জরায়ু স্থানচ্যুতির সঙ্গে সঙ্গে রোগীর প্রস্রাবে অসুবিধার সৃষ্টি হয় যেমন— প্রস্রাব পুরোপুরি হয় না এবং অনেক ক্ষেত্রে মাসিকের রাস্তায় হাত দিয়ে জরায়ুকে উপরের দিকে উঠিয়ে প্রস্রাব সম্পূর্ণ করতে হয় এবং অনেকের ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ হয়।
৪. অনেক ক্ষেত্রে রোগী পায়খানা করতে সমস্যায় পড়েন এবং শক্ত বা কষা পায়খানা হলে মাসিকের রাস্তায় হাত দ্বারা চাপ দিয়ে পায়খানা করার প্রয়োজন পড়ে।
৫. অনেক রোগীর জরায়ু স্থানচ্যুতির পর লালচে স্রাব দেখা দেয় যা এ রোগ থেকে সৃষ্ট ইনফেকশনের কারণে হয়ে থাকে।

রোগ শনাক্তকরণ
রোগের লক্ষণগুলো বিচার করে এবং রোগীর শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমেই এ রোগ শনাক্ত করা সম্ভব। তবে দীর্ঘস্থায়ী রোগের ক্ষেত্রে রোগীর অন্য কোনো জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে কিনা তা শনাক্ত করার জন্য পেটের আলট্রাসনোগ্রাম এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইনট্রাভেনাস ইউরোগ্রাম করার প্রয়োজন হয়।

রোগ থেকে সৃষ্ট জটিলতা
দীর্ঘদিন চিকিত্সা না করালে বিভিন্ন রকম শারীরিক সমস্যা ও জটিলতা সৃষ্টি হয়, যেমন— জরায়ুর মুখে ঘা বা ডিকুবিটাস আলসার, প্রস্রাবে ইনফেকশন, প্রস্রাবের থলিতে এমনকি কিডনিতে ইনফেকনশন হতে পারে।

প্রতিরোধের উপায়
যারা এরই মধ্যে জরায়ুর স্থানচ্যুতিতে ভুগছেন তাদের চিকিত্সার পাশাপাশি সবাইকে সামগ্রিকভাবে সচেতন হতে হবে, যাতে যেসব মহিলা বর্তমানে মা হচ্ছেন এবং ভবিষ্যতে মা হবেন তারা যেন কেউ এই রোগে আক্রান্ত না হন। রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা হিসেবে গর্ভধারণকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সময়ে কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে—
১. ২০ বছর বয়সের আগে গর্ভধারণ থেকে বিরত থাকতে হবে।
২. ঘন ঘন গর্ভধারণ থেকে বিরত থাকতে হবে।
৩. গর্ভবতী মায়ের পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য ও বিশ্রামের মাধ্যমে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হবে।
৪. নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডাক্তার, নার্সের সাহায্যে অথবা বাড়িতে অন্ততপক্ষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও দক্ষ দাইয়ের মাধ্যমে প্রসবকালীন সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
৫. প্রসবকালীন সময় দীর্ঘায়িত হলে এবং প্রসবকালীন অন্য যে কোনো জটিলতা দেখা দিলে প্রসবকালীন সেবা প্রদানকারীকে তা তত্ক্ষণাত্ শনাক্ত করতে হবে এবং রোগীকে দ্রুত উন্নত চিকিত্সা দিতে হবে।
৬. সন্তান জন্মদানের পর ৪০ দিন পর্যন্ত মাকে ভারি কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
৭. সন্তান জন্মদানের পর মাকে নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম করতে হবে যা মায়ের প্রজনন অঙ্গগুলোকে এবং পেট ও পিঠের মাংশপেশিকে গর্ভধারণের পূর্ববর্তী অবস্থা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

চিকিত্সা
জরায়ুর স্থানচ্যুতি এবং এ রোগের জটিলতায় ভুগছেন এমন রোগীর সংখ্যা প্রচুর। সাধারণত বয়স্ক মহিলাদের এ রোগটি হয় তবে যে কোনো বয়সে এর উপসর্গ শুরু হতে পারে। মনে রাখতে হবে, কোনো ওষুধ সেবনে স্থানচ্যুতি প্রতিকার হয় না এবং এ রোগের চিকিত্সা হচ্ছে—অপারেশনের মাধ্যমে জরায়ু অপসারণ করা এবং পার্শ্ববর্তী অঙ্গগুলোকে মেরামতের মাধ্যমে শক্তিশালী করা। রোগ শনাক্ত করার পর রোগীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি ও মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার পর অপারেশনটি করা হয়। এটি অবশ্যই একটি মেজর অপারেশন। তবে দক্ষ গাইনোকোলোজিস্ট দ্বারা অপারেশন করালে অপারেশনকালীন জটিলতা ও পরবর্তী সমস্যা খুব কমই হয় এবং রোগী দ্রুত সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে।

করণীয়
জরায়ুর স্থানচ্যুতি থেকে মুক্ত থাকতে হলে সচেতন হতে হবে। এটিকে প্রতিরোধ করার জন্য গর্ভবতী মায়ের সেবা ও নিরাপদ প্রসবকালীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
স্থানচ্যুতি হয়ে থাকলে অবহেলা না করে যত দ্রুত সম্ভব চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে এবং রোগের জটিলতা সৃষ্টির আগেই চিকিত্সার মাধ্যমে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন নিশ্চিত করতে হবে।

ডা. ফেরদৌস আরা সুচি
লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, গাইনি অ্যান্ড অবস
ডেলটা মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল
দারুস সালাম, মিরপুর, ঢাকা
এখানে সুত্র

ব্রেইনের জন্য ১০টি খারাপ অভ্যাস

http://a4.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc6/197365_207936119216960_180169798660259_867136_7719999_n.jpg
প্রতিনিয়ত অভ্যাসবশত আমরা কিছু কাজ করে থাকি যা আমাদের ব্রেইনের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই ব্রেইনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সতর্ক হওয়ার জন্য জেনে নেয়া যাক সেই অভ্যাসগুলো।
১. সকালে নাশতা না করা : আমরা অনেকেই ব্যস্ততার কারণে সকালের নাশতা না করেই বাসা থেকে বের হয়ে যাই। কিন্তু এই অভ্যাসটা খুব খারাপ। কারণ সকালে নাশতা না করলে নিম্ন রক্ত শর্করার কারণে আমাদের ব্রেইনে পর্যাপ্ত শর্করা তথা পুষ্টি পায় না। এতে করে ধীরে ধীরে ব্রেইন মারাত্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই ব্যস্ততা সত্ত্বেও সকালের নাশতা করতে ভুলে যাবেন না।

২. অতিরিক্ত ডায়েট গ্রহণ : অনেক সময় আমরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত ডায়েট গ্রহণ করি। ধারণা করা হয়, মাঝে মাঝে এরকম অতিরিক্ত ডায়েটে কী আর হবে! কিন্তু ধারণাটা ভুল। কারণ অতিরিক্ত ডায়েট গ্রহণের অভ্যাস আমাদের ব্রেইনের রক্তনালীর ইলাস্টিসিটি নষ্ট করে দেয়, ফলে অনেক ধরনের মানসিক সমস্যার উত্পত্তি হয়। তাই সর্বদা সচেতন হোন এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত ডায়েট গ্রহণে বিরত থাকুন।

৩. ধূমপান : ধূমপান নানা রোগের অন্যতম কারণ। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব বলে শেষ করে যাবে না। তাই যারা ধূমপান করেন তাদের জন্য সতর্কবার্তা—ধূমপানে কেবল ফুসফুস ক্যান্সার নয় বরং এতে করে ব্রেইন সঙ্কুচিত হয়ে যায় ফলে আলঝেইমার নামক স্মৃতিবিলোপকারী রোগের উদ্ভব হয়।

৪. অতিরিক্ত মিষ্টি গ্রহণ : অনেকের ধারণা মিষ্টি বেশি খেলে ব্রেইন ভালো হয়। কিন্তু আসলে অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়। অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে সেটা আমিষ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের পরিপাক ও শোষণে বাধা সৃষ্টি করে যা ব্রেইনের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং ব্রেইনের বিকাশ সাধনের অন্তরায়।

৫. বায়ু দূষণ : বায়ু দূষণের জন্য আমাদের ব্রেইনের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায়। কারণ বায়ু দূষণের ফলে অক্সিজেন সমৃদ্ধ বাতাস আমাদের ব্রেইনে যেতে পারে না। ফলে ব্রেইন ধীরে ধীরে পুষ্টির অভাবজনিত কারণে স্বাভাবিক কার্যকরী ক্ষমতা হারাতে থাকে। তাই বায়ু দূষণযুক্ত পরিবেশ থেকে দূরে থাকুন এবং বায়ু দূষণ রোধে নিজে ও অন্যকে সচেতন করুন।

৬. নিদ্রাহীনতা : ঘুম আমাদের ব্রেইনের বিশ্রামের জন্য জরুরি। তাই পর্যাপ্ত ঘুম ব্রেইন কোষের স্বাভাবিক কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই যারা দীর্ঘদিন যাবত নিদ্রাহীনতায় ভুগছেন কিংবা কাজের ব্যস্ততার জন্য ঘুমানোর সময় পাচ্ছেন না তাদের জন্য বলছি, নিদ্রাহীনতা আমাদের ব্রেইনের কোষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। সুতরাং পর্যাপ্ত ঘুমকে কেবল সময় নষ্ট হিসেবে নয় বরং ব্রেইনের বিশ্রামের জন্য দরকারি হিসেবে নিন।

৭. ঘুমানোর সময় মাথা আবৃত করা : ঘুমাতে যাওয়ার আগে মাথা খোলা রেখে ঘুমানো ব্রেইনের জন্য উপকারী। কারণ মাথা আবৃত করে ঘুমালে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ ঘনীভূত হয় এবং অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। এতে ব্রেইনের ক্ষতিসাধন হয়।

৮. অসুস্থতার সময় অতিরিক্ত কাজ : যখন আমরা অসুস্থ হই তখন আমাদের উচিত কোনো পরিশ্রমী কাজ অথবা পড়াশোনা থেকে বিরত থেকে আমাদের ব্রেইনকে বিশ্রাম দেয়া। তা না হলে অসুস্থতার সময় অতিরিক্ত চাপ আমাদের ব্রেইনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়, ফলে ব্রেইনের দীর্ঘমেয়াদি মারাত্মক ক্ষতিসাধন হয়।

৯. চিন্তা না করা : বেশি বেশি চিন্তা করুন, ব্রেইন কোষের উদ্দীপনার জন্য চিন্তা-ভাবনা করা অত্যন্ত জরুরি। যত বেশি সৃষ্টিশীল চিন্তায় মনোযোগ দিতে পারবেন, তত বেশি আপনার ব্রেইন কোষ উদ্দীপিত হবে। আপনি আরও বেশি দক্ষ ও মনোযোগী হতে পারবেন যে কোনো কাজে। আর চিন্তাহীন ব্রেইন ধীরে ধীরে সঙ্কুচিত হয়ে ব্রেইনের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

১০. কথা না বলা : অনেকেই চুপচাপ থাকতে পছন্দ করেন। কিন্তু অতিরিক্ত চুপচাপ ব্রেইনের জন্য ক্ষতিকর। কারণ আপনি যত বেশি বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনায় অংশ নিতে পারবেন সেটা আপনার ব্রেইনের স্বাভাবিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই চুপচাপ নয় বরং কার্যক্ষেত্রে বেশি বেশি আলোচনায় অংশ নিয়ে ব্রেইনকে সতেজ রাখুন।

http://hphotos-ash4.fbcdn.net/193991_207934942550411_180169798660259_867133_4196326_o.jpg

কোলেস্টেরল এমন একটি উপাদান যা আমাদের দেহে অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি, রক্ত চলাচলে বাধা, হৃদরোগজনিত বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে। বাদাম এই কোলেস্টেরল লেভেল কমাতে সাহায্য করে।
লো ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন বা এলডিএল আমাদের রক্তে কোলেস্টেরল লেভেল বাড়িয়ে দেয়। কোলেস্টেরল লেভেল কমাতে তাই লো ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন কমানো গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় গড়ে ৬৭ গ্রাম বাদাম থাকলে ৫.১ ভাগ কোলেস্টেরল এবং ৭.৪ ভাগ লো ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন কমে যায়। যেসব লোকের উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড জনিত সমস্যা থাকে তাদের রক্তের ১০.২ ভাগ লিপিড কমে যায়। বাদাম খেলে এ ধরনের সমস্যা কোনো ওষুধ ব্যবহার ছাড়াই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
রক্তের কোরেস্টেরল লেভেল কমাতে বাদামের ভূমিকা অতিরিক্ত ওজনজনিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে তেমন ফলপ্রসূ হয় না। এটি যাদের ওজন স্বাভাবিক মাত্রার কাছাকাছি থাকে, তাদের জন্য অধিক ফলপ্রসূ।
আরও আশাব্যঞ্জক তথ্য হলো এই যে, যদিও বাদামে অধিক পরিমাণ চর্বি থাকে, এটি আমাদের দেহের ওজন বাড়াতে তেমন কোনো ভূমিকা রাখে না। খাদ্য তালিকায় অনেক দিন ধরে বাদাম থাকলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
রক্তের কোলেস্টেরল লেভেল কমানোর মাধ্যমে এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বাদাম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

এখানে সুত্র

http://natunprovat.com/wp-content/uploads/2011/03/saharukh1203b-300x225.jpg

জানা গেছে, কলকাতা নাইট রাইডারস দলের নতুন মিউজিক ভিডিওতে ল্যাটিন পপ গায়িকা শাকিরাকে নাচতে দেখা যাবে বলিউডি তারকা শাহরুখ খানের সঙ্গে। খবর মিডডেডটকম-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, নতুন এই মিউজিক ভিডিওর জন্য গান গেয়েছেন পাকিস্তানী সঙ্গীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। আর সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন ‘কুরবা হুয়া’খ্যাত বলিউডি সঙ্গীতপরিচালক জুটি সেলিম-সুলায়মান।

সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, এই মুহ‚র্তে শাহরুখ মালয়েশিয়াতে ‘ডন ২’ ছবির শুটিং করছেন। ছবির শুটিং শেষ হওয়ার পরই মিউজিক ভিডিওটির দৃশ্যায়নের কাজ শুরু করবেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত বছর সাউথ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলার দিন শাহরুখ দেখা করেন ‘ওয়াকা ওয়াকা’খ্যাত শাকিরার সঙ্গে। সেসময় নিজেকে শাকিরার বিশাল ভক্ত বলেও ঘোষণা দেন তিনি।

সুত্র : এখানে

অনেক ধন্যবাদ এরকম সচেতন মূলক পোস্ট লেখার জন্য। বৃষ্টি হলে আর বাইরে যাচ্ছি না।

http://a3.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/200405_200400666645648_141426662543049_710414_990088_n.jpg

স্পোর্টস ডেস্ক : ইমরুল কায়েসের অর্ধশতকে ভর করে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৬ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ১৬০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে চার উইকেটে লক্ষ্যে পৌঁছায় টাইগাররা। তখনো বাকি ছিলো ৫২ বল। এই জয়ের ফলে বাংলাদেশ শেষ আটের লড়াইয়ে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেলো।
জয়ের জন্য ব্যাট করতে নেমে শুরুতে হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দলের ও ব্যক্তিগত শূন্যে রানে সাজঘরে ফেরেন উদ্বোধনী ব্যাটস-ম্যান তামিম ইকবাল। মুদাচ্ছের বুখারির বলে বোল্ড হন এই মারকাটারি ব্যাটসম্যান। তামিমের বিদায়ের পর দ্বিতীয় উইকেটে ইমরুল কায়েস ও জুনায়েদ সিদ্দিকী অবিচ্ছিন্ন থাকেন ৯২ রানে। ব্যক্তিগত ৩৫ রানে বরেনের বল মারতে গিয়ে সিলারের হাতে ধরা পড়েন জুনায়েদ। চারটি চারের মার ছিলো তার ইনিংসে। জয় থেকে ১০ রান দূরে থাকতে ফিরে গেছেন শাহরিয়ার নাফিস। ব্যক্তিগত ৩৭ রানে টম কুপারের বলে লেগ স্ট্যাম্প উড়ে যায় নাফিসের। ১৫৩ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। কুপারের বলে ডেসকাটেরর হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন টাইগার দলপতি সাকিব আল হাসান (১)। দলের পক্ষে সবচেয়ে বেশি অপরাজিত ৭৩ রান করেন ইমরুল কায়েস। ১১৩ রানের ধৈর্য্যশীল ইনিংসে মাত্র ছয়বার বল সীমানা ছাড়া করেন ইমরুল। এছাড়া শাহরিয়ার নাফিস ৩৭ ও জুনায়েদ সিদ্দিকী ৩৫ রান করেন। ৩৩ রানে দুই উইকেট নেন কুপার। এছাড়া একটি করে উইকেট দখল করেন মুদাচ্ছের বুখারী ও পিটার বোরেন।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন দুই ডাচ ওপেনার। তবে উদ্বোধনী জুটি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠার আগেই তাতে আঘাত হানেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ব্যক্তিগত ১০ রানে সাকিবের স্পিন ঘূণির্র ফাঁদে পড়েন ওপেনার ওয়েসলি বারেসি। এক পাশে সাকিব অন্য পাশে আব্দুর রাজ্জাকের স্পিনে কোণঠাসা হয়ে পড়ে ডাচরা। দলের ৩৭ রানের মাথায় আব্দুর রাজ্জাকের শিকার হন মুদাচ্ছের বুখারি (৬)। উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন এরিক সোয়ার্জেনস্কি। শেষপর্যন- পারেননি। উইকেটের প্রান- বদল করতে গিয়ে সাকিবের সরাসরি থ্রোতে রান আউট হন ব্যক্তিগত ২৮ রানে। একই ভুল করেন সতীর্থ টম কুপার (২৯)। তিনিও রানআউট হন। ৭৯ রানে চার উইকেট হারিয়ে পরে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ডাচরা। মূলত. রান আউটই ডুবিয়েছে তাদের। শুরুতে দুই ব্যাটসম্যান রানআউট হওয়ার পর অধিনায়ক পিটার বরেন (৩) ও আদেল রাজাও ব্যক্তিগত শূন্য রানে রানআউট হন।
মাঝে সোহরাওয়ার্দীর বলে ক্যাচ দেন আলেক্স কারভেজি (১৮)। এরপর রাজ্জাকের বলে আউট হন টম ডি গ্রুথ (৪) ও বুরম্যান (০)। আর পিটার সিলারকে এলবিডব্লু করেন রুবেল হোসেন। শেষপর্যন- টাইগারদের বিপক্ষে একাই লড়েছেন রায়ান টেন ডেসকাট। খেলেছেন ৫৩ রানের হার না মানা একটি ইনিংস। মূলত: তার ইনিংসের সুবাদেই লড়াইয়ের পুঁজি পায় নেদারল্যান্ডস।
এদিকে ক্যান্ডিতে অনুষ্ঠিত বৃষ্টি বিঘ্নিত দিনের অপর ম্যাচে এ গ্রুপে পাকিস্তান সহজেই ৭ উইকেটে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উন্নীত হয়েছে। এই ম্যাচে জিম্বাবুয়ে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৩৯.৪ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান করার পর বৃষ্টি নামে। বৃষ্টির পর জয়ের জন্য পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য ছিল ৩৮ ওভারে ১৬২ রান। কিন’ পাকিস্তান ৩৪.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে আশাদ শফিক ৯৮ বলে ম্যাচ সেরা সর্বোচ্চ ৭৮ রান করেন। এছাড়া হাফিজ করেন ৪৯ রান। জিম্বাবুয়ের প্রাইস ২১ রানে ২ উইকেট দখল করেন। এর আগে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের উল্লেখযোগ্য দিক ছিল এরভাইনের ৫২ ও চিগুম্বুরার অপরাজিত ৩২ রান। পাকিস্তানের ওমর গুল ৩৬ রানে ৩ উইকেট দখল করেন।
সোনালী সংবাদ

করে দেয়া হল।

লিঙ্ক ঠিক করে দেয়া হল

http://www.6ybh-upload.com/77g4xtr3kadw … taller.exe এখান থেকে নামিয়ে ইন্সটল করে নিন।

দারুন খবর ! নাফিস কে অনেক আগে থেকেই দলে চেয়েছিলাম।

৪০০

(১ replies, posted in ৫২ তম ব্যাচ)

http://a6.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/184920_10150119010299004_797854003_6368596_5223377_n.jpg