http://sawontheboss4.rmcforum.com/wp-content/uploads/2011/03/tron2010bluray-422-x-238.jpg


Download Link:

Part1
Part2
Part3
Part4  Pass: boss
Part5

দারুন একটা টপিক। ধন্যবাদ এতগুলো জানতাম না।

সবুজ মজুমদার wrote:

আমার নাম shobuj420 থেকে সবুজ মজুমদার করে দিন

করে দেয়া হল।

drsalimalmamun42ndmbbs wrote:

ওয়েব সাইটে সবার ব্যাচনাম্বার লিখলে চিনতে সুবিধা হয়

আমারো তাই মনে হয়, সেজন্যই ব্যবস্থা ও করেছি।   thumbs up

নতুন টপিক পোস্ট করুন বড় করে ও গোলাপী করে দেয়া হল।

৪০৫

(১৪ replies, posted in তথ্য বটিকা)

সকালে এভাবে ঘুম থেকে উঠতে হলে তো দম বন্ধ হয়ে যাবার যোগাড়! তবে সকালে ক্লাস থাকলে এম্নিতেই উঠে পড়ি।

http://sawontheboss4.rmcforum.com/wp-content/uploads/2011/02/Bangla-Dictionary.jpg

ডাউনলোড লিঙ্ক

(১)রান অপশনে যেয়ে Regedit লিখুন
(২)তারপরে যান Mycomputer>HKEY_LOCAL_MACHINE>SYSTEM>CurrentControlset>Control>Storage Device Policies
(৩)ডিলেট করুন Storage Device Policies এই অপশনটি।
(৪)তারপর নরমাললি পেনড্রাইভ ফরমেট করুন।

অনেক ধন্যবাদ। বইটি অনেকের ই কাজে লাগবে।

আপনারাই দেখে বলুন আমি আর কী বলব?

পুরাই  ডন 2।

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110227-eb24-12kb.jpg

বর্তমান যুগের মানুষ যে সাধারণ জীবনধারণ প্রণালীর সাথে অভ্যস্ত, তা হচ্ছে বিশ্রামবহুল (বসে থেকে কাজ করা) জীবনধারণ প্রণালী। খুবই অল্পসংখ্যক ব্যক্তি নিয়মিত কায়িক শ্রম বা শ্রমসাধ্য কাজ করেন। আমাদের বেশির ভাগের জীবনধারণ প্রণালীতে ন্যূনতম দৈহিক শ্রমসাধ্য কাজ থাকে না। কোনো ব্যায়াম নয় বরং খারাপ খাদ্যাভ্যাস, বিলাসবহুল ও বিশ্রামবহুল জীবন।
হৃৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালনকারী শিরাগুলোর মতো শিরাগুলোতে চর্বিজাতীয় পদার্থ অবরোধের সৃষ্টি করে। এসব চর্বিজাতীয় পদার্থকে কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডস বলা হয়। এগুলো কয়েক বছর ধরে স্তরে স্তরে জমা বা সঞ্চিত হয়। যখন এই অবরোধ গুরুত্বপূর্ণ বা লক্ষণীয় আকার ধারণ করে, তখন এই নলগুলো (ধমনী) কাজ বìধ করার উপক্রম হয়। একটি রোগের আকার ধারণ করে। তখন একে বলে হৃদরোগ (বুকের যন্ত্রণা=অ্যাঞ্জাইনা; হৃদক্রিয়া বিপর্যস্ত হওয়া প্রভৃতি।)
পঞ্চাশ বছর ধরে পশুজাত চর্বিকে পরিগণিত করা হতো কোলেস্টেরলের উপাদান হিসেবে। কেবল গত দশকে কিংবা ওই সময়ে ব্লকেজ বা অবরোধ সৃষ্টির জন্য সমানভাবে দায়ী করা হয়েছে ট্রাইগ্লিসারাইড বা সবজিজাত চর্বিকে। ট্রাইগ্লিসারাইড হচ্ছে রাসায়নিক নাম, সাধারণ মানুষের কাছে যা রান্নার তেল হিসেবে পরিচিত।
এই রান্নার তেল উৎপাদনকারী সংস্খাগুলো সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক সারল্যের সুযোগ নিয়ে (শোধন করে) তাদের ভুল পথে চালিত করে। বিশ্বাস করতে বাধ্য করছে যে, তাদের তেলগুলো নিরাপদ বা ক্ষতিকর নয়, এবং কোলেস্টেরল-শূন্য বা জিরো কোলেস্টেরল ইত্যাদি তকমা বা আকর্ষণীয় শিরোনাম বা বিজ্ঞাপন দিয়ে তাদের বিক্রয়ের পরিমাণ বাড়িয়েছে। এটা সত্য যে, রান্নার তেল যেহেতু গাছের বীজ থেকে প্রস্তুত হয়, সেহেতু কোলেস্টেরল থাকে না; অপরপক্ষে কোলেস্টেরল আসে পশুজাত দ্রব্য থেকে। অনভিজ্ঞ ব্যক্তিরা রান্নার তেল কেনা শুরু করেন। তারা যে বিষয়টি বুঝতে অসমর্থ হন, তা হচ্ছে এই তেলগুলো ১০০ ভাগ চর্বিজাতীয় পদার্থ বা ট্রাইগ্লিসারাইডে ভর্তি এবং ট্রাইগ্লিসারাইড সমানভাবে ক্ষতিকারক। এই তেলগুলো উচ্চ পরিমাণ ক্যালোরি ধারণ করে (১ গ্রাম তেল ৯ ক্যালোরি), যা দিতে পারে দৈহিক স্খূলতা; ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ। সবচেয়ে ভালো হচ্ছে আমাদের খাদ্যে চর্বি জাতীয় পদার্থের পরিমাণ ন্যূনতম করা। আমাদের শরীরে চর্বি জাতীয় পদার্থের প্রয়োজন মোট ক্যালোরির ১০ শতাংশ। যেহেতু প্রতিটি খাদ্যবস্তুতে অদৃশ্য ফ্যাট বা চর্বি অথবা লুকানো চর্বি থাকে, সেহেতু ন্যূনতম চর্বি আমরা সাধারণ খাদ্য থেকেই পেতে পারি। এর অর্থ হলো সব রকমের দৃশ্যমান চর্বি জাতীয় দ্রব্যের উৎস (অর্থাৎ রান্নার তেল) বর্জন করা উচিত। এখন প্রশ্ন হলো কিভাবে তেল ছাড়া সুস্বাদু খাদ্য প্রস্তুত করা যাবে?
কী হবে, যদি তেল ছাড়া খাদ্য প্রস্তুত করা হয়? তাতে কি সুস্বাদ থাকবে? যদি আপনি যুক্তিসহকারে চিন্তা করেন তবে উত্তর হবে হ্যাঁ। রান্নার তেল নিজে কোনো স্বাদ যোগ করে না। এটা আমাদের মানসিক ধারণা, যা আমাদের অনেক বছর ধরে এটা বিশ্বাস করতে শিখিয়েছে যে, সুস্বাদ আসে তেল থেকে। কিন্তু যখন আমরা তেল সরিয়ে নিতে বলি তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে মসলা সরিয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনা ঘটে, কারণ গৃহিণীরা জানেন না যে, কিভাবে কড়াইতে মসলা দিতে হয়, কখন রান্নার কড়াইতে কোনো তেল দেখা যায় না। এ ঘটনা করোনারি আর্টারি ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড রিগ্রেশন (সিএডিপিআর)-কে প্রণোদিত ও উৎসাহিত করেছে জিরো অয়েল বা তেলশূন্য রান্নার ধারণা তৈরি করতে। জিরো অয়েল বলতে বোঝায় এক বিন্দুও তেল ব্যবহার না করে রান্না করা। সিএডিপিআর রান্না করে মসলা ও পানি দিয়ে; খাদ্যবস্তুতে তেলের পরিবর্তে পানি দিয়ে। এবং যেহেতু নানা গìধ, বর্ণ ও স্বাদের মসলা রান্নায় ব্যবহার করা হয়, সেহেতু প্রস্তুত করা খাদ্যের বর্ণ, স্বাদ, সুগìধ যথাযথভাবে উপস্খিত থাকে।
সিএডিপিআর অনুভব করে যে, মানুষের মানসিক গঠন এমনই যে, পানিকে রান্নার মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করা কঠিন কাজ। সে জন্য যখন পানি রান্নার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন তাকে আমরা বলি সিএডিপিআর অয়েল। তেলশূন্য রান্নার ধারণাকে আপনার বাড়িতে রান্নায় উপস্খাপিত করে কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের ঝুঁকিকে নিশ্চিহ্ন করা যায়। দৈহিক ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও এটা উপকারী, কারণ এতে চর্বি জাতীয় খাদ্য থেকে বেশি পরিমাণ ক্যালোরি গ্রহণ করার ঝুঁকি থাকে না; এখন আমরা এটা অবশ্যই বলতে পারি সিএডিপিআর অয়েলে কোনো প্রকার চর্বি জাতীয় পদার্থ বা কোলেস্টেরল থাকে না, বরং ১০০ ভাগ খনিজদ্রব্য ভর্তি থাকে এবং সেটা স্বাস্খ্যের জন্য উপকারী।

লেখক :
ডা. গোবিন্দ চন্দ্র দাস
সিনিয়র কনসালট্যান্ট, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, ঢাকা।
চেম্বার : করোনারি আর্টারি ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড রিগ্রেশন সিএডিপিআর সেন্টার ৫৭/১৫ পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা।
ফোন : ০১৯২১- ৮৪৯৬৯৯

সুত্র : নয়া দিগন্ত

আমি তো অনেক আগে থেকেই 7 আপ খাই!   rock on!

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110226-kjwg-18kb.jpg

প্রতিটি নারী-পুরুষের শরীরে কম-বেশি লোম রয়েছে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মাঝে মাঝে এই লোম সমস্যা নিদারুণ বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে। যদি মেয়েদের মুখে স্বাভাবিকের চেয়ে অধিক লোম পরিলক্ষিত হয়। এ ধরনের সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক সমস্যায় রূপ নেয়। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি করে। আমি শুরুতেই বলেছি নারী-পুরুষের শরীরে লোম তৈরি হওয়ার জন্য এক ধরনের হরমোন দায়ী। প্রত্যেক নারী ও পুরুষের শরীরে টেসটেসটেরন নামক এক ধরনের হরমোন রয়েছে। এই টেসটেসটেরন হরমোনকে পুরুষ হরমোন নামে অভিহিত করা হয়। পুরুষের পাশাপাশি মেয়েদের শরীরেও এই টেসটেসটেরন হরমোন সামান্য পরিমাণ থাকে। কিন্তু মেয়েদের শরীরে এই হরমোনের পরিমাণ বেশি থাকলে অথবা হরমোনের পরিমাণ বেড়ে গেলে মেয়েদের শরীরেও পুরুষের মত অধিক লোম গজাতে পারে। ডাক্তারী ভাষায় মেয়েদের এই শারীরিক সমস্যাটিকে ‘হারসুটিজম’ বলা হয়। যদিও এই ‘হারসুটিজম’ সমস্যাটি একটা হরমোনজনিত সমস্যা তবুও চিকিৎসার পাশাপাশি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মেয়েদের শরীরের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণে লেজার চিকিৎসা এক বৈপ্লবিক সুযোগ এনে দিয়েছে। লেজারের মাধ্যমে নারী-পুরুষের শরীরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করা যায়। সাধারণত মহিলাদের আপার লিপ বা ঠোঁটের উপরের অংশে ও মুখের অন্যান্য স্থানে অবাঞ্ছিত লোম গজাতে পারে। অতীতে এ ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রে দেশে লেজার চিকিৎসা ছিল না। বর্তমানে একাধিক লেজার সেন্টারে এ ধরনের সমস্যার চিকিৎসা হচ্ছে। তবে মনে রাখতে হবে লেজারের মাধ্যমে মেয়েদের মুখের লোম অপসারণ কোন স্থায়ী ব্যবস্থা নয়। এই পদ্ধতিকে বলা হয় ‘হেয়ার রিডাকশন’। অনেকে ভুল তথ্য দিয়ে রোগীদের প্রলুব্ধ ও প্রতারিত করে আসছে। যারা লেজারের মাধ্যমে মুখের লোম অপসারণ করতে চান তাদের অবশ্যই সংশিস্নষ্ট লেজার সেন্টারের বিশেষজ্ঞের কাছে জানতে চাওয়া উচিত হাজার হাজার টাকা ব্যয় করে লেজার-এর মাধ্যমে শরীরের লোম অপসারণ করলে পুনরায় লোম গজাবে কি না। কোনভাবেই লেজার বিশেষজ্ঞ বা স্কিন বিশেষজ্ঞের কাছে এ প্রশ্নের জবাব না পাওয়া পর্যন্ত লেজার-এর মাধ্যমে লোম অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত নয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও সিঙ্গাপুরের একাধিক লেজার সেন্টারে প্রশিক্ষণ নেয়ার সময় কথনও বিশেষজ্ঞদের বলতে শুনিনি লেজারের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে মুখের লোম বা শরীরের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণ করা যায়। তবে একথাটি অস্বীকার করা যাবে না যে লেজারের মাধ্যমে হেয়ার অপসারণের পর দীর্ঘদিন আর লোম গজায় না। অনেক ক্ষেত্রে লেজারের মাধ্যমে মুখের অবাঞ্ছিত লোম অপসাণের পরও তিন মাস, ছয় মাস বা এক বছর পর আবার কিছু কিছু লোম গজাতে পারে। এ ক্ষেত্রে পুনরায় দু’/একবার লেজার ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। তবে লেজার করার পর শরীরের উক্ত স্থানে লোম গজানোর মাত্রা থাকে অনেক কম। সাধারণতঃ লেজারের মাধ্যমে অবাঞ্ছিত লোম অপসারণের ক্ষেত্রে প্রতি মাসে একবার করে কমপক্ষে পাঁচ থেকে সাতটি সেশন করতে হয়। অনেকে ক্ষেত্রে দশ থেকে পনের সেশন পর্যন্ত লাগাতে পারে।

আমি পূর্বেই বলেছি মেয়েদের মুখের অবাঞ্ছিত লোম একটি হরমোনজনিত সমস্যা এবং এই রোগটির নাম ‘হারসুটিজম’। অনেক লেজার বিশেষজ্ঞ লেজারের মাধ্যমে অবাঞ্ছিত লোম অপসারণের পাশাপাশি তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। লেজার এবং ওষুধ একসঙ্গে অধিক কার্যকর। তবে হরমোনজনিত চিকিৎসার ক্ষেত্রে অবশ্যই রোগীকে যে কোন হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিত।

তাই শরীরের অবাঞ্ছিত বা অধিক লোম অপসারণ করার ক্ষেত্রে অবশ্যই ভালো করে চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে এ কথাটি সব সময় মনে রাখতে হবে লেজার কোন স্থায়ী ব্যবস্থা নয়। শুধু মুখের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণ নয়, লেজার চিকিৎসার মাধ্যমে মুখের লাবণ্যতা তৈরি, ব্রণ চিকিৎসা, দাগ তোলা কোনটিই স্থায়ী নয়। এ বিষয়টি পরে আলোচনা করব। তবে যারা লেজারের মাধ্যমে মুখের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণ করতে চান তাদের প্রথমে উচিত সংশিস্নষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী মেয়েদের মুখে অবাঞ্ছিত লোম গজানোর কারণ নির্ণয়। তারপর সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত আপনি লেজার করবেন কিনা। পাশাপাশি এটাও মনে রাখতে হবে লেজার কোনভাবেই লোম সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। সংশিস্নষ্ট বিশেষজ্ঞদেরও রোগীদের এই তথ্যটি জানানো উচিত। তথ্য গোপন করে রোগীর কাছ থেকে বিপুল অর্থ আদায় করা এক ধরনের অপরাধ। মোট কথা লেজার চিকিৎসার ভাল-মন্দ জেনে যিনি লেজার চিকিৎসায় উদ্বুদ্ধ হবেন কেবল তারই লেজার করা উচিত।

**************************
ডাঃ মোড়ল নজরুল ইসলাম
চুলপড়া, যৌন সমস্যা ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ এবং লেজার এন্ড কসমেটিক্স সার্জন
বাংলাদেশ লেজার স্কিন সেন্টার,
বাড়ী নং-৩৯, রোড-২, আম্বালা কমপ্লেক্স,
ধানমন্ডি, ঢাকা।
দৈনিক ইত্তেফাক. ২৮ মার্চ ২০০৯।

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110226-rpw8-19kb.jpg

বেসবল খেলোয়াড় ম্যাট ক্যাম্পের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করছেন বিশ্বের জনপ্রিয় সংগীত তারকা রিহানা। অন্যদিকে অভিনেত্রী আমান্ডা সিফ্রাইডের সঙ্গে রোমান্স চলছে অভিনেতা রায়ান ফিলিপের। এটা জানা কথা হলেও অজানা কথা হলো- রিহানা ও রায়ান ইউটার্ন করে সবার অলক্ষ্যে এখন পুরান প্রেম না ভেঙেই নতুন প্রেমে মজেছেন। তারা লং ড্রাইভে যাচ্ছেন, বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে লাঞ্চ আর ডিনার সারছেন, বারে গিয়ে নাচছেন আবার রাত কাটাচ্ছেন একই সঙ্গে। মজার ব্যাপার হলো, রোমান্স তো তাদের মধ্যে চলছেই, তবে তা সবার অলক্ষ্যে। মিডিয়ার আড়ালে ঘনিষ্ঠজনদের চোখ এড়িয়ে তারা রোমান্সের কাজটি করে যাচ্ছেন। চলছে দু’মাস ধরে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সবার সামনে ক্যাজুয়াল আলাপে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেলেও অলক্ষ্যে ঠিকই গভীর চুম্বনে মেতে উঠতে ভুলছেন না দু’জন। আবার হঠাৎ পার্টি থেকে আলাদাভাবে লং ড্রাইভে বের হয়ে যাচ্ছেন। লসএঞ্জেলসে রিহানার বাড়িতে একটু রাত হলেও আসেন রায়ান। বিষয়টি যে কোন লাভস্টোরি ছবিকেও হার মানায়। তাদের ধারণা তারা বিষয়টি চাপা রাখতে পারবেন। কিন্তু মিডিয়ায় যে কোন খবর চাপা থাকে না, বিশেষ করে প্রেমের সম্পর্ক তো নয়ই। লসএঞ্জেলসের ডেইলি মেইল পত্রিকা আর তাদের ঘনিষ্ঠজনদের বরাতে এই সম্পর্কের গতি ফাঁস হয়ে গেছে।

সুত্র : মানবজমিন

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110226-nrxp-16kb.jpg

কোকাকোলা ও পেপসিকে রঙিন করতে ব্যবহৃত উপাদানে ক্যান্সারের ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে এ উপাদানের ব্যবহার পানীয়সহ অন্য খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন বন্ধ করা উচিত। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রভাবশালী লবি গ্র“প সেন্টার ফর সায়েন্স ইন দ্য পাবলিক ইন্টারেস্ট (সিএসপিআই) স¤প্রতি এ দাবি করেছে। গ্র“পের নির্বাহী পরিচালক মাইকেল এফ জ্যাকবসন যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ড্রাগবিষয়ক প্রশাসন বরাবর এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আবেদন করেছেন।

সিএসপিআইর দাবি, কোকাকোলা, পেপসিসহ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত করতে ব্যবহৃত কৃত্রিম বাদামি রং তৈরির উপাদান (ক্যারামেল কালারিং) ব্যবহৃত হয়। এর দুটি রাসায়নিক পদার্থ টু-এমআই ও ফোর-এমআই-এর ফলে ক্যান্সার হয়। কোকাকোলার পাঁচটি পণ্যে উলেøখযোগ্য পরিমাণ ফোর-এমআই পাওয়া গেছে। এতে হাজার হাজার মানুষ ক্যান্সার ঝুঁলিপশ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় বিষবিদ্যাবিষয়ক প্রকল্পের (এনটিপি) অধীনে পরিচালিত গবেষণায় ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলেন, টু-এমআই ও ফোর-এমআই প্রাণীর শরীরে ক্যান্সার তৈরি করে। এর সপক্ষে স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। গবেষণাগারে এই দুটি রাসায়নিক পদাথের বিক্রিয়ায় ইঁদুরের ফুসফুস ও যকৃতে ক্যান্সার অথবা থাইরয়েড ক্যান্সার অথবা লিউকেমিয়া হওয়ার কারণ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। জ্যাকবসন বলেন, খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত করতে ক্যারামেল কালারিংয়ের কোনো স্থান নেই। এগুলো বিশেষভাবে কেবল প্রসাধন তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে।

সিএসপিআই চার ধরনের ক্যারামেল কালারিং পেয়েছে। এদের দুটি তৈরি হয় অ্যামোনিয়া থেকে। এ দুটি ক্যারামেল কালারিংকে নিষিদ্ধের পক্ষে সিএসপিআই। এনটিপির পাঁচজন নামকরা ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ এতে সমর্থন জানিয়েছেন।

সুত্র : ভোরের কাগজ

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110226-jilh-10kb.jpg

ভিয়েতনামের নারীদের জোর করে গর্ভধারণে বাধ্য করে সন্তান উৎপাদন ও তা বিক্রির সঙ্গে জড়িত একটি ব্যবসায়ী চক্রের সন্ধান পেয়েছে থাই পুলিশ। গতকাল শুক্রবার বিবিসি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে পুলিশের বরাত দিয়ে বলা হয়, থাইল্যান্ডে তাইওয়ানিজদের মালিকানায় পরিচালিত বেবি ১০১ নামের একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সন্তান উৎপাদন ও বিক্রির কাজ করতো এবং এর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তাইওয়ান, চীন ও বার্মার বেশ কয়েকজন নাগরিককে আটক করে পুলিশ। এ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বেবি ১০১ থাইল্যান্ডে মাতৃত্ব সেবা প্রদানের বিজ্ঞাপন দিলেও থাই কর্মকর্তারা বলেছেন, অনেক নারীকেই গর্ভধারণে বাধ্য করতো তারা। থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুরিন লাকসানাভিজিৎ বলেন, এটা বেআইনি ও অমানবিক। অনেক ক্ষেত্রে নারীরা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ইন্টারনেটে ই-মেইল বার্তা বা প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সন্তানের জন্য ক্রেতা ঠিক করা হতো। ওই প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে সন্তান উৎপাদনের জন্য স্বাস্থ্যবান শুক্র দাতা পুরুষের ও গর্ভ দানকারী নারীর ছবি তুলে ধরা হয়। এছাড়া নিরিবিলি পরিবেশে সুইমিং পুল ও কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে থাকা ঘর ও হাসপাতালের ছবি দেয়া হয় ওয়েবসাইটে। থাইল্যান্ডের সমাজ কল্যাণ ও মানবিক নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, গর্ভধারণকারী ১৪ জন নারীকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ওই নারীদের মধ্যে কয়েক জন তাদের প্রতারিত হওয়ার কথা জানিয়ে ব্যাংককে ভিয়েতনামের দূতাবাসে ই-মেইল পাঠানোর পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করে। অভিবাসন পুলিশের লেফটেন্যান্ট কর্নেল প্রাসাত খেমাপ্রসিত বলেন, দুটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অন্য আরেক জনকে। এদের মধ্যে নয় গর্ভধারিণী জানান, প্রতি শিশুর জন্য পাঁচ হাজার ডলার দেয়ার প্রস্তাবে স্বেচ্ছায় গর্ভধারণ করেন তারা। আর চারজন বলেন, তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

সুত্র: ভোরের কাগজ

৪১৭

(৩ replies, posted in খেলাধূলা)

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110226-9pqm-12kb.jpg

যেন প্রাণ ফিরে পেল টাইগার। স্নায়ুছেঁড়া জয় আনন্দে ভাসালো কোটি ক্রিকেটপ্রেমীকে। দেশজুড়ে রাতের নীরবতা ভেঙে রাস্তায় নেমে পড়েন হাজারও ক্রিকেটপ্রেমী। ঢাকার অলিতে-গলিতে বের হয় বিজয় মিছিল। সবার মুখে একই স্লোগান শাবাশ বাংলাদেশ, যাও এগিয়ে। সহজ জয়কে কঠিন করে অর্জনে আনন্দের মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয় আরও। একপর্যায়ে যখন জয়ের সম্ভাবনা ম্লান হয়ে যাচ্ছিল, তখনই ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। সন্ধ্যায় আয়ারল্যান্ড যখন ব্যাটিংয়ে নামে, তখন দেশজুড়ে টান টান উত্তেজনা। রুদ্ধশ্বাস প্রতীক্ষা। আশা-নিরাশার দোলাচলে কোটি কোটি দর্শক। সবার নজর মিরপুর স্টেডিয়ামের দিকে। খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ দল। হারলেই ছিটকে যাবে বিশ্বকাপ থেকে। চূর্ণ হয়ে যাবে কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্ন। দুর্বল আয়ারল্যান্ডের কাছে হারের লজ্জা তো আছেই। ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা দলকে লজ্জার দিকে ঠেলে দিলেও শেষ পর্যন্ত বোলারদের লড়াইয়ে বেঁচে যায় বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের ২০৫ রানের একটি না কঠিন-না সহজ টার্গেট আইরিশদের পক্ষে ভেদ করা সম্ভব হয়নি। শুরুর দিকে আশা জাগিয়ে মাঝপথ পাড়ি দিলেও তীরে অনেকখানি আগেই তরী ডুবে যায় সফরকারীদের। হাতে ৫ ওভার বাকি থাকলেও তারা অলআউট হয়ে যায় ১৭৮ রানে। বাংলাদেশ দশম বিশ্বকাপের প্রথম জয় পায় ২৭ রানে। কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার স্বপ্ন অম্লান থাকার পাশাপাশি গত বিশ্বকাপে হারের বদলাও নেয়া হয়ে গেল সাকিবদের। বাংলাদেশের পরবর্তী খেলা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আগামী শুক্রবার। তার আগে বুধবার ব্যাঙ্গালোরে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আয়ারল্যান্ড। নকআউট পর্বে খেলতে হলে বাংলাদেশকে আরও অন্তত ২টি ম্যাচ জিততেই হবে। ২০৫ রানের পুঁজি নিয়ে লড়াই করাটা বোলারদের জন্য বেশ কঠিন। তবুও বাংলাদেশের তারুণ্যে ভরপুর বোলাররা হাল ছাড়েননি। শুরুটা করেন স্পিনাররাই। যে স্পিন আক্রমণে আইরিশদের বধ করতে দলে নেয়া হয়েছিল চারজন স্পিনার। সাকিব, রাজ্জাক, নাঈমের সঙ্গে কাল যোগ হয়েছিলেন আশরাফুল। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের পরিবর্তে দলে সুযোগ পাওয়া আশরাফুল ব্যাটিংয়ে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলেও দু’টি উইকেট নিয়ে দলের জয়ে ভূমিকা রেখেছেন। বাংলাদেশকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন বাঁহাতি রাজ্জাক। এরপর সাকিব, আশরাফুল, নাঈম চেপে ধরেন আইরিশদের। তবে ষষ্ঠ উইকেটে বোথা ও কে ও’ব্রায়েন ধীরে খেলে বাংলাদেশ *****ে যখন দুশ্চিন্তার জন্ম দিচ্ছিলেন তখনই ত্রাণকর্তার ভূমিকায় আসেন পেসার শফিউল ইসলাম। শেষদিকে হতাশাগ্রস্ত গোটা বাংলাদেশকে জাগিয়ে তোলেন বগুড়ার এই পেস বোলার। একে একে তুলে নেন ৪টি উইকেট। ফলে ৫ উইকেটে ১৫১ থেকে ১৭৮ রানে শেষ হয়ে যায় আয়ারল্যান্ডের ইনিংস। শফিউল ৮ ওভার বল করে ২৪ রানে ৪ উইকেট নেন। গতকাল বাংলাদেশের বোলিং শুরু করেন একপ্রান্তে শফিউল, অপরপ্রান্তে স্পিনার রাজ্জাক। শুরু থেকেই স্পিন জাল ছড়িয়ে দেয়ায় নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি আয়ারল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। তাদের নেইল ও’ব্রায়েন সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন ৫২ বলে। তারই সহোদর কে ও’ব্রায়েন করেন ৪০ বলে ৩৭ রান। আইরিশদের ইনিংসে একমাত্র ছক্কাটিও হাঁকান তিনি। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ৮ ওভারে দেন ২৮ রান। আর রাজ্জাক দেন ৩০। নাঈম ও আশরাফুল প্রত্যেকে ৯ ওভার বল করে রান দেন যথাক্রমে ৩০ ও ৪২। দুপুরে টস জিতে গতকাল সাকিব আল হাসান আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন। আগের ম্যাচে ফিল্ডিং নেয়ার সমালোচনার চাপেই হয়তো তার এ সিদ্ধান্ত। তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমাণ করে দুর্দান্ত সূচনা করেন। মাত্র ৫ ওভারে স্কোর বোর্ডে যোগ করেন ৪৯ রান। কিন্তু এরপরই যে নেমে আসবে বিপর্যয় তা কেউ ভাবতে পারেননি। ৫৩ থেকে ৬৮ এই ১৫ রানের ব্যবধানে আউট হয়ে যান টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান তামিম, ইমরুল ও জুনায়েদ। ব্যাটিং অর্ডার বদলে নিচ থেকে চার নম্বরে নামানো হয় মুশফিকুর রহিমকে। চতুর্থ উইকেটে মুশফিক ও অধিনায়ক সাকিব কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও তা মাত্র ১৮ রান স্থায়ী হয়। হেয়ালি ব্যাটিংয়ে ১৬ রানে বিদায় নেন সাকিব। পঞ্চম উইকেটে রকিবুল ও মুশফিক ৬১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে দলকে বড় বিপর্যয় থেকে উদ্ধার করেন। মুশফিক ৬৬ বলে ৩৬ রানে বিদায় নিলে ফের বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মুশফিক, আশরাফুল ও রকিবুল ১২ রানের ব্যবধানে বিদায় নিলে বাংলাদেশের ২শ’ রান হওয়া নিয়ে শঙ্কা জাগে। শেষদিকে নাঈম ও রাজ্জাক খানিকটা দৃঢ়তা দেখালে বাংলাদেশের ইনিংস ২শ’ পার হয়।

সুত্র : মানবজমিনএখানে

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক = ল্যান, অনলাইন কোনও ব্যবস্থা না থাকলে যেভাবে চলছে, সেভাবেই চলবে।

ইনশাল্লাহ জিতবে

ল্যান করতে অনুমতি লাগবে।

৪২১

(১ replies, posted in তথ্য বটিকা)

এরকম একটা টপিক লেখার জন্য আপনাকে রেপু। মেডিকেল ফোরামে এমন টপিক ই চাই   applause

SUJONPAUL wrote:

ভুয়া !!! laughing

ভুয়া ক্যান?

ওদের দেশেও তাইলে রাস্তার নাম নিয়ে মানুষ মাতামাতি করে।  big grin

দারুন লেখা! এরকম লেখা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, আমরা কোন পথে চলব, ধন্যবাদ গোধূলি কে।

tapan50 wrote:

video converter and editor ki aki jinis?!!! definitely not.ami to video editor er kothai bolesi................so towfiq vai ur kach theke amn ans asha kori ni

দিতাছি, ওয়েট!   it wasn't me   গোবা চেক