মেয়েটা ইংগ্লিশ টাও জটিল দিছে!
You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by sawontheboss4
মেয়েটা ইংগ্লিশ টাও জটিল দিছে!
21st edition এর Elviser এর স্টুডেন্ট কন্সাল্ট ডট কম এর একটি ইউজার আইডি + পাস আছে যেখানে নতুন টা add আছে। লাগলে আওয়াজ দিয়েন। খুজছি, পেলে মিডিয়াfire এই আপলোড করে দেব।
উইনডোজ 7 এর ডেস্কটপ ব্যাকগ্রাউণ্ড এর স্লাইড শো নিজের ছবি দিয়ে
আমরা বর্তমানে অনেকই উইনডোজ 7 ব্যবহার শুরু করেছি, কিন্তু একঘেয়ে ডেস্কটপ দেখতে কার ভাল লাগে বলুন? আসুন শিখে নেই কিভাবে উইনডোজ 7 এর ব্যাকগ্রাউণ্ড নির্দিষ্ট সময় পর পর নিজের পছন্দ মত ছবি দেবেন।
প্রথমেই আপনার পছন্দের ছবি গুলো একটি নির্দিষ্ট ফোল্ডার এ রাখুন। 
এজন্য ডেস্কটপ এ রাইট মাউসে ক্লিক করে Personalize এ ঢুকুন। 
এরপর Desktop Background (Slide Show) তে ক্লিক করুন।
এরপর পিক্চার লোকেশন এ Browse করে আপনার ছবির ফোল্ডার টি দেখিয়ে দিন॥
এরপর select all অপ্শন এ ক্লিক করে, change picture every তে 5 min বা 3 min দিন। 
Save changes দিয়ে বের হয়ে আসুন।
ব্যাস এবার ডেস্কটপ এ কিছুক্ষণ পর পর আপনার দেয়া ছবি স্লাইড শো চলবে।
লেখক : তৌফিক হাসান
Email: [email protected]
ভারতের ঝাড়খণ্ডের একটি জেলায় গুটি বসন্ত দেখা দিয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সেখানে চিকিত্সকদের একটি দল পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় দৈনিকে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ঝাড়খণ্ডের গুমলা জেলায় গুটি বসন্তে তিনজন মারা গেছে এবং পাঁচজন এখনও এ রোগে ভুগছেন। গুমলা জেলার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এ খবরের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সেখানে চিকিত্সকদের একটি দলকে প্রেরণ করেছে বলে জানিয়েছে ভারতের বেসরকারি টিভি চ্যানেল জি-নিউজ। তবে ঝাড়খণ্ডের স্বাস্থ্যসচিব একে সরকার এই খবর সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি গুটি বসন্ত এক দশক আগেই বিশ্ব থেকে নির্মূল হয়ে গেছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশেই ১৯৭২ সাল থেকে গুটি বসন্তের টিকা দেয়া বন্ধ করে দেয়া হয়। এ ছাড়া ১৯৭৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিশ্বের সব দেশে গুটি বসন্তের টিকা দেয়া বন্ধের আহ্বান জানায় এবং ১৯৮৬ সাল থেকে এ টিকা দেয়া বন্ধ হয়ে যায়।

আধুনিক প্রযুক্তিতে জাপানের মানুষদের ভূমিকম্পের ছোবল থেকে বাঁচাতে পারেনি অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। তবে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, পিঁপড়ার গতিবিধি লক্ষ্য করে ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেয়ার মাধ্যমে বাঁচানো যেতে পারে মানুষের জীবন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সামনে মানুষ এখনো অসহায়। আর এগুলোর মধ্যে ভূমিকম্প সবচেয়ে ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কারণ এটা এতো দ্রুত ঘটে যে ক্ষণিকের মধ্যেই সব ল-ভ- করে দেয়। তাই বিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ভূমিকম্প আসার তথ্য আগেভাগে জানার জন্য। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে জার্মান বিজ্ঞানী উলরিশ শ্রাইবারের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, পিঁপড়া আগাম জানাতে পারে ভূমিকম্পের খবর। তবে সব পিঁপড়া নয়, বরং বিশেষ ধরণের লাল রঙের কাঠ পিঁপড়ারাই পারে এ ধরণের পূর্বাভাস দিতে। ডুইসবুর্গ-এসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ শ্রাইবারের মতে, এই জাতের পিঁপড়াগুলো সাধারণত ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলে বাসা বাঁধে। অর্থাৎ ভূনিম্নস্থ স্তরগুলোর সংযোগ স্থলের কাছাকাছি তথা ফাটলের নিকটতম এলাকায় এরা বাসা বাঁধে। তার মতে, গভীর ভূস্তর থেকে উঠে আসা গ্যাস পিঁপড়ার বাসাগুলোকে উষ্ণ রাখে। ভূনিম্নস্থ প্লেটগুলোর ফাটলের কাছে পর্যাপ্ত মাত্রায় আর্দ্রতাও পায় তারা। জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলের আইফেল অঞ্চলে দুই বছর ধরে পিঁপড়ার গতিবিধির উপর লক্ষ্য রাখছেন শ্রাইবার এবং তার সহকর্মী গবেষকরা। আধুনিক ক্যামেরা বসিয়ে দিন-রাত সর্বক্ষণ পিঁপড়াদের চলাফেরার উপর নজর রাখছেন তারা।
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, কাছাকাছি কোথাও ভূকম্পন হলেও এর আগে বিচিত্র আচরণ দেখা গেছে পিঁপড়াগুলোর। এমনকি অস্বাভাবিকভাবে গভীর রাতেও তাদের চলাফেরা করতে দেখা পাওয়া গেছে। বাসা থেকে ভূমির উপরে বের হয়ে আসার হারেও দেখা গেছে পরিবর্তন। শ্রাইবার মনে করেন, নিচে থেকে বেশি পরিমাণে উঠে আসা গ্যাসের কারণে হয়তো পিঁপড়াদের এমন প্রতিক্রিয়া। আবার ভূকম্পনের ফলে সৃষ্ট বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় প্রভাবের ফলেও এটা হতে পারে। এছাড়া গত দুই বছর আগে ইটালির লাকিলা শহরে ভূমিকম্পের পর আবরুৎসো অঞ্চল পরিদর্শন করেন শ্রাইবার। সেখানেও তিনি নির্দিষ্ট ভূস্তরের সংযোগ স্থলে পিঁপড়ার বাসা দেখেছেন। তুরস্কের ইস্তানবুল শহরে অদূর ভবিষ্যতে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হানা দেবে। এমন আশঙ্কার মুখে ইস্তানবুলেও বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করতে যেতে যান শ্রাইবার। গবেষণার একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও শ্রাইবারের বিশ্বাস তিনি একদিন ঠিকই পিঁপড়ার মাধ্যমে ভূমিকম্পের সঠিক পূর্বাভাস নির্ণয় করতে পারবেন। আর তা অগণিত মানুষের জীবন বাঁচাতে সহায়ক হবে।
ছেলের লিঙ্ক তাও অ্যাড করে দিলাম।
বাংলা rendering এ ঝামেলা করছে, দেখে আবার পুরোনো ভার্সন এ চলে এসেছি
গতকাল ২১-০৩-২০১১ ছিল বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রানী মুখার্জির জন্মদিন। ১৯৭৮ সালের এই দিনে ভারতের কলকাতার এক সংস্কৃতিমনা পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। সেই হিসেবে কাল তিনি ৩৩ বছরে পা রাখলেন তিনি। রানীর বাবা রাম মুখার্জি একজন চলচ্চিত্র পরিচালক, মা কৃষ্ণা প্লে-ব্যাক গায়িকা এবং ভাই রাজা মুখার্জি চলচ্চিত্র পরিচালক-প্রযোজক। এছাড়াও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল হলেন রানী মুখার্জির খালাতো বোন এবং কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী দেবশ্রী রায় তার খালা।

১৯৯৭ সালে 'রাজা কি আয়েগি বারাত' ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বলিউডে পা রাখেন রানী। পরবর্তী বছরে আমির খানের বিপরীতে 'গোলাম' ছবিতে অভিনয় করে আলোচনায় চলে আসেন তিনি। এরপর শাহরুখ খানের বিপরীতে 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়' ছবিতে অভিনয় করে ব্যাপক তারকাখ্যাতি অর্জন করেন। এ ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য রানী ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একে একে অনেক সুপারহিট ছবি উপহার দিয়ে বলিউডের সফল অভিনেত্রীদের শীর্ষে অবস্থান করেছেন বহুদিন। তার অভিনীত ছবিগুলোর মধ্যে বিচ্ছু, বাদল, হার দিল যো পেয়ার কারেগা, কাহি পেয়ার না হোযায়ে, চোরি চোরি চুপকে চুপকে, ব্ল্যাক, বান্টি অউর বাবলী, সাথিয়া, ইউভা, মুঝসে দোস্তি কারোগে উল্লেখযোগ্য। তার সর্বশেষ অভিনীত ছবি ছিল 'নো ওয়ান কিলড জেসিকা'। ছবিটি চলতি বছরের শুরুতে মুক্তি পেয়ে বেশ আলোচিত হয়েছে। পাশাপাশি রানী মুখার্জির অভিনয়ও বেশ প্রশংসিত হয়েছে। কাল রানী মুখার্জি তার ৩৩তম জন্মদিন এবং হোলি একসঙ্গে উদযাপন করেন। কলকাতায় বাবা-মা'র সঙ্গেই এ দিনটি কাটানোর জন্য অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতিও তিনি নিয়েছিলেন। একই দিন হোলি হওয়ার কারণে পুরো ঘর তিনি নিজ হাতে সাজিয়েছেন। সব ব্যস্ততা ভুলে জন্মদিন এবং হোলি পরিবারের সঙ্গে উদযাপনের জন্য বেশ কয়েক দিন আগেই তিনি কলকাতা এসেছেন। তবে বড় কোন পার্টি রাখা হয়নি এবারের জন্মদিনে। শুধু কাছের আত্মীয়-স্বজনদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
সিমফোনি এস ১১০ ব্র্যান্ডের মোবাইল সেট বিস্ফোরণে আন্নিসা ইকবাল অদ্বিতী নামের এক শিশু আহত হয়েছে। শনিবার রাজশাহী নগরীর ছোট বনগ্রাম পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। অদ্বিতী রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড মডেল স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী। দুপুরে নিজ কক্ষে গেম খেলার সময় সেটটি তার হাতে বিস্ফোরিত হয়। তাৎক্ষণাৎ যে চিৎকার দিয়ে সেটটি বিছানায় ফেলে দিলে বিছানা পুড়ে যায়। বিস্ফোরিত মোবাইল সেটটি মেঝেতে ফেলে দিলে মেঝের কার্পেটও পুড়ে যায়। এ সময় পুরো কক্ষে ধোয়া ও পোড়া গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনা টের পেয়ে তার মা এসে তাকে উদ্ধার করে।

উল্লেখ্য যে, সেটটি নগরীর আফতাব প্লাজার এম টেলিকম থেকে গত মাসের ১৬ তারিখে কেনা। এক বছর ওয়ারেন্টি থাকা সত্বেও একমাস ব্যবহারের মাথায় কেন সেটটি বিস্ফোরিত হলে এ প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেননি বিক্রেতা মামুন। তবে মোবাইল চার্জরত অবস্থায় গেম খেললে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি অনুমান করেন। কারিগরী ত্রুটির প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এ ব্যাপারে কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। কাস্টমার কেয়ারে কোন যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কাস্টমার কেয়ার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ভুক্তভোগী মোবাইল সেট গ্রাহক জানিয়েছেন তারা কাস্টমার কেয়ারে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে এব্যাপারে তাদের করার কিছু নেই।
মজিলা ব্রাউজার ব্যবহার করে আপনি যখনই কোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন না কেন, ব্রাউজারের ওয়েব হিস্টোরিতে সেই তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। আপনি যদি ব্রাউজ করা ওয়েবসাইটের ঠিকানা সংরক্ষণ করতে না চান, তবে খুব সহজেই মুছে ফেলতে পারেন ওই ওয়েব হিস্টোরি। এ জন্য মজিলা ব্রাউজার চালু করে Ctrl+Shift+Del চাপুন। এবার ড্রপডাউন মেন্যু থেকে Everything-এ নির্দিষ্ট করে Clear No বক্সে ক্লিক করলেই আগের সব ওয়েবসাইটের তথ্য মুছে যাবে।

সংগৃহীত
সম্প্রতি গবেষকরা স্যাটেলাইটে তোলা ছবি দেখে আটলান্টিক মহাসাগরের পানির রং পরিবর্তন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন। কী কারণে পানির এই রং পরিবর্তন, সেটি খুঁজে বের করতে চার দেশের গবেষকদের একটি দল গবেষণা শুরু করেছে। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইনের।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, আটলান্টিক মহাসাগরে রয়েছে শৈবাল। এই শৈবালকে ঘিরেই থাকে রঞ্জক মেঘমালা যা সূর্যরশ্মি প্রতিফলিত করে। আর এই শৈবালই আটলান্টিকের খাদ্যচক্রের মূল উৎস। গবেষকরা স্যাটেলাইটে তোলা ছবি দেখে রঞ্জক পদার্থের কুয়াশাচ্ছন্ন মেঘ বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে গবেষণা করছেন।
গবেষকরা জানিয়েছেন, মানুষের সৃষ্ট কার্বন ডাই-অক্সাইডের এক-তৃতীয়াংশ সমুদ্রের পানিতে থাকা ক্ষুদ্র শৈবালে শোষিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় বেড়ে ওঠা শৈবাল আটলান্টিক মহাসাগরের পানিকে সবুজাভ করে রেখেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে স্যাটেলাইটে তোলা ছবিতে দেখা গেছে, আটলান্টিকের দক্ষিণাংশে পানির ওপরে বিশাল রঞ্জক পদার্থের তৈরি মেঘ হচ্ছে। আর এই পরিমাণ মেঘের ফলে সূর্যরশ্মি সমুদ্র থেকে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে যাচ্ছে বেশি। ফলে শৈবালের পরিমাণ কমে এবং পানির রং বদলে যাচ্ছে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা আটলান্টিকের রং ঠিক কী কারণে পরিবর্তন হচ্ছে সেটিই গবেষণা করবেন।
শ্বাসকষ্টজনিত রোগের মধ্যে COPD অন্যতম। দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা (Chronic morbidity) সৃষ্টিকারী এবং মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ হিসেবে এই রোগটি বিশ্বব্যাপী পরিগণিত হয়ে আসছে। বহুলোক এই রোগে ভোগে এবং কম বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। এটি হলো ফুসফুসের এমন একটি রোগ যেখানে শ্বাস-প্রশ্বাস বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে রোগী শ্বাসকষ্টে ভোগে। এই শ্বাসকষ্ট দিন দিন বৃদ্ধি পায় যা আর কখনো সম্পূর্ণভাবে আগের অবস্থায় ফিরে আসে না।

যাদের COPD বেশি হয় :
এ রোগের জানা কারণগুলোর মধ্যে ধূমপান অন্যতম। সাধারণত যে যত দীর্ঘ সময় ধূমপান করবে তার ঈঙচউ হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। কর্মক্ষেত্রে জৈব-অজৈব ধূলিকণা বেশি হলে রান্নার কাজে জ্বালানি হিসেবে যারা কাঠ, শুকনো খড় ইত্যাদি ব্যবহার করেন বায়ুদূষণ বেশি হলে ফুসফুসের সংক্রমণ হলে, যেমন ঘন ঘন ভাইরাস সংক্রমণ যারা অপুষ্টিতে ভুগছে। সাধারণত নারীদের তুলনায় পুরুষরাই বেশি COPD আক্রান্ত হয়। তা ছাড়া জম্মগতভাবে ফুসফুস ঠিকমতো গড়ে না উঠলে এবং আলফা ওয়ান এনটি ট্রিপসিন (Alpha-one antitrypsin) নামক এনজাইম-এর ঘাটতি হলেও এ রোগ হতে পারে।
রোগের লক্ষণ :
শ্বাসকষ্ট ও কাশি COPD রোগের প্রধান লক্ষণ। শ্বাসকষ্ট সাধারণত কমবেশি সবসময় থাকে এবং চলাফেরায় বৃদ্ধি পায়। সঠিক চিকিৎসা না নিলে শ্বাসকষ্ট দিন দিন বাড়তে থাকে। কাশির সঙ্গে কফ থাকতে পারে এবং কোনো কোনো সময় শ্বাসকষ্ট, কাশি এবং কফের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।
রোগ নির্ণয় :
Spirometry পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ছাড়াও রোগের তীব্রতা পরিমাপ করা যায়, যা সঠিক চিকিৎসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
চিকিৎসা :
সাধারণত বেশিরভাগ COPD রোগী প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের কাছে আসেন না। তাই কার্যকর চিকিৎসার জন্য দরকার_
* রোগের তীব্রতা নির্ণয় এবং পর্যবেক্ষণ * রোগের কারণসমূহ নির্ণয় এবং সম্ভব হলে কারণসমূহ দূর করাCOPD রোগের সঠিক ওষুধ প্রয়োগ এবং রোগীদের সঠিক পুনর্বাসন (Rehabilitation)
COPD রোগ সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য নয়, কিন্তু সঠিক চিকিৎসায় রোগের লক্ষণ যেমন : শ্বাসকষ্ট, কাশি ইত্যাদি অনেক কমে যায়, রোগীর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, রোগ বৃদ্ধি এবং জটিলতা হ্রাস পায়।
COPD রোগীর চিকিৎসা সাধারণত ওষুধ দ্বারা এবং বিভিন্ন রকম পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করা হয়। রোগের তীব্রতা অনুযায়ী ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। সাধারণত শ্বাসকষ্ট কমানোর জন্য বিভিন্ন রকম ইনহেলার ব্যবহার করা হয়, যেমন- সালবিউটামল, ইপ্রাট্টপিয়াম, করটিকোস্টবেয়ড ইত্যাদি। জীবাণু সংক্রমণ ঘটলে এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন হতে পারে। রোগের তীব্রতা বেশি হলে রোগীকে অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি ঙ২ দেওয়ার প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া রোগীকে ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং নিউমোনিয়া রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হলে ঘন ঘন রোগ বৃদ্ধি এবং জটিলতা অনেকাংশে কমে যায় COPD যেহেতু দীর্ঘমেয়াদি (পযৎড়হরপ) রোগ এবং সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য নয়, তাই COPD রোগীদের স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই প্রক্রিয়ার প্রথম পর্যায় হলো রোগীকে তার রোগ, রোগের কারণ এবং তার পরিণতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়া। রোগ বৃদ্ধির লক্ষণগুলো অবহিত করা এবং কখন চিকিৎসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া। ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে ধূমপান বর্জনে সাহায্য করা পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিশেষে একটি কথা না বললেই নয়। আমাদের দেশে অনেক চিকিৎসক COPD রোগীকে অ্যাজমা হিসেবে চিহ্নিত করে থাকেন এবং সঠিক চিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হন। এ ক্ষেত্রে একজন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞই পারেন একজন COPD রোগীকে অনেকটা সুস্থ-স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে।
ডা. এ কে এম মোস্তফা হোসেন
পরিচালক, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট
ও হাসপাতাল।
ফোন : ০১৭১১-১৭১৬৩৪; ৮৩৩৩৮১১
ভোগ ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক মেয়েদের ক্ষুধাহীনতার জন্য ফেসবুকসহ বেশকিছু সাইটকে দায়ী করেছেন। এমনকি এ সমস্ত সাইট বন্ধের জন্য তিনি অনলাইন পিটিশনও চালু করেছেন।
![]()
খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং জায়ান্ট ফেসবুকের দিকেই আঙ্গুল নির্দেশ করে ভোগ ইতালি সংস্করণের সম্পাদক ফ্রাংকা সোজানি বলেছেন, এই সাইটটিই মেয়েদের মধ্যে খাদ্যভীতি তৈরি করছে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সোজানি ইসরায়েল-এর ইউনিভার্সিটি অফ হাফিয়ার গবেষকদের সাম্প্রতিক একটি গবেষণার ফল উল্লেখ করে বলেন, ১২ থেকে ১৯ বছর বয়সী মেয়েদের বেশিরভাগই খাবারের প্রতি মনোযোগ ছেড়ে ফেসবুক নিয়ে বসে থাকে। এতে ক্ষুধামান্দ্য তৈরি হয় এবং শরীরে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, সোজানি তার ব্লগে লিখেছেন, ওজন কমানোর জন্য ক্ষতিকর পরামর্শ দেয় এমন অনেক ওয়েবসাইটের খোঁজও তিনি পেয়েছেন। আর ক্ষুধামান্দ্য তৈরি করে এমন সাইটগুলো বন্ধে তিনি পিটিশনে অনলাইন স্বাক্ষর দেবার অনুরোধ করেছেন। জানা গেছে, অনলাইনে এখন পর্যন্ত ৬০০ জন এই পিটিশানে স্বাক্ষর করেছেন। পিটিশনে সাইন করার জন্য যেতে হবে-এখানে
সুত্র: এখানে
জুড়ে থাকে শুধু ফল আর ফল। এ সময়কার ফলগুলো হলো তরমুজ, লিচু, আম, জাম, কাঁঠাল, আনারস, বেল, আখ, পানি ফল, নাশপাতি ইত্যাদি। কলা, পেঁপে সারা বছরই পাওয়া যায়। গরমে প্রচুর ফল খান এবং দেহে সঞ্চয় করুন ভিটামিন ও খাদ্যশক্তি।

তরমুজ
প্রথমেই আসি তরমুজের কথা নিয়ে। গ্রীষ্মের শুরু থেকেই বাজারে এবং রাস্তার পাশে অনেক জায়গায় স্তূপ আকারে সাজানো থাকে তরমুজ। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে তরমুজকে বলে ফলের রাজা। তরমুজে রয়েছে ত্বকে আর্দ্রতা জোগানোর অসীম ক্ষমতা। তরমুজ ভিটামিন এ ও সি সমৃদ্ধ ফল। এতে রয়েছে ৯৭ ভাগ জলীয় অংশ, সেজন্য গরমে তরমুজ খাওয়া ভালো। কারণ ক্রমাগত ঘাম হওয়ার জন্য যে জলীয় অংশ শরীর থেকে বেরিয়ে যায় তা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এছাড়া তরমুজ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, হজমে সাহায্য করে ও কিডনির কাজকর্ম ঠিক রাখে।
কাঁঠাল
কাঁঠাল আরেকটি পুষ্টিকর ফল। বাজারে কাঁচা ও পাকা কাঁঠাল পাওয়া যায়। কাঁচা কাঁঠাল তরকারি হিসেবে উত্তম সবজি। পাকা কাঁঠালে রয়েছে প্রচুর শর্করা, আমিষ, ভিটামিন ও খনিজ লবণ। গ্রীষ্মকালীন সময়ে গ্রামবাংলার মানুষ ভাতের পরিপূরক হিসেবে পাকা কাঁঠাল খেয়ে থাকে, কাঁঠালের বিচিও খুব পুষ্টিকর। ফাইবার বা আঁশ কাঁঠালে বেশি থাকার জন্য কাঁঠাল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
লিচু
গ্রীষ্মকালীন ফলের মধ্যে লিচু আগে বাজারে ওঠে এবং জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। খাদ্যমানের দিক থেকে লিচু একটি উত্কৃষ্ট ফল। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে শ্বেতসার, ভিটামিন ও খনিজ লবণ। রূপে-গুণে লিচু সবার প্রিয় ফল।
আম
গ্রীষ্মকালের ফল বলতে সবার আগে মনে পড়ে আম। পাকা আম হলো ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ ফল। ১০০ গ্রাম আমে ১০০০-১৫০০ আইইউ ভিটামিন ‘এ’ থাকে, যার অভাবে অন্ধত্বসহ চোখের নানা রোগ, চুলপড়া, খসখসে চামড়া, হজমের সমস্যা ইত্যাদি দেখা যায়। এছাড়াও আমে ভিটামিন বি ও সি, খনিজ লবণ, ক্যালসিয়াম ও প্রচুর খাদ্যশক্তি পাওয়া যায়।
জাম
জাম শুধু পাওয়া যায় গরম কালেই। নানা রকম খনিজ পদার্থের মধ্যে জামে আয়রন থাকে সবচেয়ে বেশি। সেজন্য বলা হয় জাম খেলে রক্ত পরিষ্কার হয়। এছাড়া সর্দি-কাশি, হজমের গণ্ডগোল ও বাতের অসুখে জাম উপকারী। এ সময়কার আরেকটি সুস্বাদু ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল আনারস। সর্দি-কাশিতে আনারস খেলে শ্লেষ্মা ও মিউকাসকে তরল করে।
পেঁপে
পাকা পেঁপে আরেকটি ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ ফল। ১০০ গ্রাম ফলে ভিটামিন ‘এ’ থাকে ১১১০ ইউনিট। এছাড়া থাকে প্রচুর শর্করা, প্রোটিন, ভিটামিন বি ও সি. খনিজ লবণ এবং খাদ্যশক্তি। কাঁচা পেঁপেও অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি। পেঁপের সাদা আঠায় প্যাপেইন নামক এনজাইম থাকে, যা প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে। পেঁপে সহজপাচ্য। গরমে পেঁপে অথবা সেদ্ধ করা কাঁচা পেঁপে অবশ্যই রাখবেন।
বেল
বেল একটি পুষ্টিকর ফল। এতে থাকে প্রচুর শর্করা, প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ লবণ। গ্রীষ্মের কাঠফাটা দুপুরে এক গ্লাস বেলের শরবত খেলে কার না প্রাণ জুড়ায়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বেলের জুড়ি নেই।
পানিফল
গরমকালে পানি ফল আরেকটি পুষ্টিকর ফল। এতে শতকরা ৪.৭ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায় যা আপেল, আঙ্গুর, কলা ও পেয়ারা থেকে বেশি। এছাড়া রয়েছে শ্বেতসার, খনিজ লবণের মধ্যে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ইত্যাদি। খাদ্যশক্তি পাওয়া যায় ১১৫ কিলোক্যালরি।
কলা
ছোট শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই খেতে পারে, অত্যন্ত পুষ্টিকর, দামে তুলনামূলকভাবে সস্তা, হাতের কাছেই পাওয়া যায়, সারা বছরই ফলে—এমন একটি ফল কলা। ১০০ গ্রাম কলায় থাকে ১৫৩ কিলোক্যালরি শক্তি, শর্করা ৩৫ ভাগ, খনিজ লবণের মধ্যে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, ভিটামিন বি ও সি পেকটিন। প্রতিদিনের তালিকায় একটি করে কলা আমাদের অবশ্যই থাকা উচিত।
লেখক: আতাউর রহমান কাবুল
সুত্র: এখানে
২৪ মার্চ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস ২০১১। এবারের প্রতিপাদ্য হলো : On the move against tuberculosis —যার অর্থ যক্ষ্মার বিরুদ্ধে অভিযাত্রা। বিষয়টা বাস্তবতাপূর্ণ। যক্ষ্মা শনাক্তকারী বিজ্ঞানী রবার্ট কক্-এর উদ্ভাবনীর একশ’ বছর পূর্তি উপলক্ষে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন এগেইনস্ট টিউবারকুলোসিস অ্যান্ড লাং ডিজিজের উদ্যোগে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চকে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস উপলক্ষে পালনের প্রস্তাব করা হয়। ১৯৯৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন এগেইনস্ট টিউবারকুলোসিস অ্যান্ড লাং ডিজিজের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একাত্মতা ঘোষণা করে। তারপর থেকে সারা বিশ্বে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটি পালনের অন্যতম লক্ষ্য পৃথিবী থেকে যক্ষ্মা নির্মূল করা। সে লক্ষ্যে নানা কর্মসূচি নেয়া হয় প্রতিবছর, যার একটি প্রতিপাদ্য বিষয়ও থাকে।
যক্ষ্মা হলে রক্ষা আছে
একটা সময় ছিল বলা হতো, ‘যার হয় যক্ষ্মা তার নাই রক্ষা।’ আর এখন বলা হচ্ছে, ‘যক্ষ্মা হলে রক্ষা নেই, এই কথার ভিত্তি নেই।’ আসলেই তাই যক্ষ্মার কার্যকর চিকিত্সা বের হওয়ার পর থেকে প্রাচীন প্রবাদ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। রাজরোগ বলে পরিচিত যক্ষ্মা এখন সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। অথচ একসময় কত ভয়ঙ্করই না ছিল এই রোগের রাজা যক্ষ্মা। বর্তমানে ৬ মাস, ৯ মাস কিংবা ১২ মাস—মোটামুটি এই তিন মেয়াদের চিকিত্সা ব্যবস্থা আছে। যার যেটি প্রযোজ্য সেটি গ্রহণ করলেই যক্ষ্মা সেরে যায়। তবে চিকিত্সা করাতে হবে সময়মত এবং নিয়মিত। যক্ষ্মার চিকিত্সায় অনিয়মিত ওষুধ সেবন আরও মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনে। অনিয়মিতভাবে যক্ষ্মার ওষুধ সেবন করলে রোগ তো সারেই না বরং যক্ষ্মার জীবাণু ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। ফলে প্রচলিত ওষুধে আর যক্ষ্মার জীবাণুকে নির্মূল করা সম্ভব হয় না। পরিণতি ধুঁকেধুঁকে মৃত্যু।
যক্ষ্মায় মৃত্যুবরণকারী খ্যাতিমানরা
একটা সময় ছিল যক্ষ্মার চিকিত্সা ছিল না। তখন পৃথিবীর কত লাখ মানুষ যে যক্ষ্মায় মৃত্যুবরণ করেছেন তার ইয়ত্তা নেই। যক্ষ্মায় মৃত্যুবরণকারী খ্যাতিমানের তালিকাও বেশ দীর্ঘ। লেখকদের মধ্যে ম্যাক্সিম গোর্কি, জন কিটস্, উইলিয়াম সমারসেট মম, কাফকা, লিও টলস্টয়, এডগার পোলেন পো; আঁকিয়েদের মধ্যে পল গঁগা; নেতাদের মধ্যে পাকিস্তানের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, রুজভেল্ট, সিমন বোভেয়্যার, ডেজমন্ড টুটু; বিজ্ঞানীদের মধ্যে আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল—এদের সবার মৃত্যুর কারণ যক্ষ্মা।
অজ্ঞতার কারণে যক্ষ্মা সারছে না
যক্ষ্মা নির্মূলের ক্ষেত্রে দেশ অনুযায়ী সমস্যাও ভিন্ন। যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে রোগ নির্ণয় ও ওষুধপত্রের তেমন কোনো সমস্যা নেই। অনেক আগে থেকেই এদেশে বিনামূল্যে যক্ষ্মার ওষুধ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশে যক্ষ্মা নির্মূল হচ্ছে না। বরং প্রচলিত ওষুধে সারছে না, এমন ধরনের যক্ষ্মা ধরা পড়ছে। আমাদের দেশে যক্ষ্মা নির্মূলের একটা বড় অন্তরায় হচ্ছে যক্ষ্মা রোগ এবং এর চিকিত্সা সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা। সেইসঙ্গে অজ্ঞতাজনিত নৈতিকতার অবক্ষয়ও আছে।
আর্থিক লাভের আশায়ও যক্ষ্মা রোগী
কিন্তু যক্ষ্মার কার্যকর চিকিত্সা থাকার পরও আমাদের দেশের অনেক রোগী অজ্ঞতাবশত নিয়মিত ওষুধ সেবন করেন না। রোগ সেরে গেছে এমনটি ভেবে অনেকেই মাঝপথে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন, কিংবা ওষুধ বিক্রি করে দেন আর্থিক লাভের জন্য। আবার এমনও শোনা গেছে, কেউ কেউ শুধু আর্থিক লাভের আশায় নিজেকে স্থায়ীভাবে যক্ষ্মা রোগী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত রাখতে আত্মঘাতী পথ বেছে নেন। এরা নিজের যক্ষ্মার জীবাণুযুক্ত কফ অন্যের কাছে বিক্রি করেন। অনেকেই এই কফ সংগ্রহ করে তা নিজের বলে পরীক্ষা করিয়ে নিজেকে যক্ষ্মা রোগী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমে নিয়মিত বিনামূল্যে ওষুধ তুলে সেগুলো বিক্রি করে দেন। এই বাস্তবতায় এখন রোগীর কফ পরীক্ষা করার জন্য ল্যাবরেটরিতে বসেই রোগীকে কফ দিতে হয়, বাইরে থেকে আনা কফ গ্রহণ করা হয় না। আর চিকিত্সার জন্য ওষুধ খেতে হয় স্বাস্থ্যকর্মীর সামনেই। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা এই পদ্ধতি প্রচলন করতে বাধ্য হয়েছে। যক্ষ্মা নির্মূলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কিংবা অন্যান্য প্রতিষ্ঠান যতটুকু আন্তরিক কিংবা উদ্যোগী, ঠিক ততটা আগ্রহ কিন্তু অনেক যক্ষ্মা রোগীর মধ্যেই দেখা যায় না। এর পেছনে সেই একই কারণ—অজ্ঞতা। রোগের পরিণাম সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকার জন্যই একজন যক্ষ্মা রোগী অজান্তে যক্ষ্মার মারাত্মক জীবাণুর বিরুদ্ধে আত্মঘাতী, অপরিণামদর্শী দুঃসাহস দেখান।
আগে সচেতন হোন
কাজেই দীর্ঘদিন ধরে কাশি থাকলে, কাশির সঙ্গে জ্বর, শরীর শুকিয়ে যাওয়া, ওজন কমে যাওয়া এবং শরীরের কোথাও কোনো গ্ল্যান্ড ফুলে উঠলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন, কিংবা কাছের হাসপাতালে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হন আপনার যক্ষ্মা হয়েছে কিনা। যক্ষ্মা যে শুধু ফুসফুসে হয় তা নয়। ফুসফুসের বাইরেও যক্ষ্মা হতে পারে। সেরকম রোগের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। যক্ষ্মা হতে পারে হাড়ে কিংবা গ্ল্যান্ডে। সেক্ষেত্রে পরিণাম ভয়াবহ। কাজেই রোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই।
কম্পিউটার গেমারদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় নিড ফর স্পিড সিরিজ। ইলেকট্রনিক আর্টসের ব্যানারে রিলিজকৃত সিরিজটির প্রতিটি ভার্সনই দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর মাঝে অন্যতম হলো শিফট ভার্সনটি। এর ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান স্মাইটলি ম্যাড স্টুডিও।
অসাধারণ এ গেমটিতে পাওয়া যাবে রেসিং মোডের দারুণ ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা। স্টিয়ারিং হুইল এবং গিয়ারের যথাযথ সমন্বয়তা পুরো গেমটিতে ভিন্ন আমেজ যুক্ত করেছে। হাইএন্ড পারফরমেন্সের গেমটিকে বলা হচ্ছে রেসারদের জন্য রেসিং গেম। ফাস্ট পারসন ককপিটের জন্য ক্যামেরা ইমেজ কিংবা এন্টিক্রাশিং রয়েছে ভার্সনটিতে। ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান স্টাইটলি ম্যাড স্টুডিও বিশেষভাবে ককপিটটিকে ভিজ্যুয়ালাইজেশনের মাধ্যমে থ্রিঅ্যাঙ্গেল মোডে রূপান্তরিত করেছে, যার ফলে গেমার যে কোনো দিক থেকেই পুরো সিকোয়েন্সগুলো ভালোভাবে বুঝতে পারবেন। এর বিভিন্ন সিকোয়েন্সে বাস্তবধর্মী ক্রাশগুলো একেবারে রেসিং অনুভূতি মনে করিয়ে দেয়। গেমটির আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স খুবই ভালো। বিশেষ করে এর সেন্স অব স্পিডের বিষয়টি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে হাইস্পিড চলার সময়ে গেমার গিয়ার, কন্ট্রোলিং সিস্টেম, ককপিট মুভমেন্ট থেকে বেশ ভালো সাপোর্ট পাবেন। পাশাপাশি অনান্য প্রতিদ্বন্দ্বীর আচরণও প্রফেশনাল। গেমটির কন্ট্রোলিং সিস্টেম আরেকটি বিশেষ দিক। গেমারের জন্য রয়েছে ইউএসবি স্টিয়ারিং হুইল কিংবা ডুয়েল এনালগ গেমপ্যাড ব্যবহারের সুবিধা। দারুণ গ্রাফিক্স কোয়ালিটিসম্পন্ন গেমটিতে রয়েছে ত্রি-মাত্রিক মোডের এইচইউডি, যার ফলে গেমারের বিভিন্ন ধরনের মুভমেন্ট, জড়তা কিংবা অ্যাকশন ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। তাছাড়া রেসের ক্ষেত্রে উচ্চগতিতে চলার সময়ে গাড়ির বিভিন্ন দিকের পরিবর্তন বোঝা যাবে। গেমার পারফরমেন্স বোঝার জন্য রয়েছে ড্রাইভিং প্রোফাইল, যা থেকে সহজেই বোঝা যাবে গেমার কতখানি দক্ষ চালক। এটি ইভেন্ট থেকে ইভেন্টে পরিবর্তন হবে। সিস্টেমটি ট্রাকে গেমারের ব্যক্তিত্ব, সফলতার ধরন, প্রোফাইল পয়েন্ট কিংবা পদমর্যাদা থেকে নির্ধারণ করা হবে। প্রোফাইলটি ক্যারিয়ার এবং অনলাইন দুটো মোডেই পাওয়া যাবে। প্রোফাইল পয়েন্ট দিয়ে গেমার চাইলে অবশ্য গাড়ির যন্ত্রাংশ ক্রয় করতে পারবেন। তাছাড়া গেমার প্রতিটি ইভেন্টে স্থান ধরে রাখতে পারলে স্টার অর্জন করতে পারবেন এবং প্রতিটি ইভেন্টের ক্ষেত্রে সীমা রয়েছে যা পূর্ণ করতে পারলে ক্যারিয়ার অবস্থান বাড়ানো যাবে। তাছাড়া এর সাহায্যে গেমার ইভেন্ট কিংবা নতুন গাড়ি আনলক করা যাবে বা কেনা যাবে। গেমার ভিজ্যুয়াল কাস্টমাইজ সিস্টেমের সাহায্যে প্রয়োজন মোতাবেক বিভিন্ন বিষয় পরিবর্তন করতে পারবেন। চমত্কার এ গেমটিতে রয়েছে বিভিন্ন মডেলের প্রায় ৭০টি লাইসেন্সড গাড়ি। এর মধ্যে আধুনিক মডেলের বিএমডব্লিউ এম৩, নিশান, ওপেল, অ্যাস্টন মার্টিন, মার্সিডিজ বেঞ্জ প্রভৃতি গাড়ি ছাড়াও আরও উল্লেখযোগ্য হলো পানাগি জোনডা এফ, অডি আরএস৪ কিংবা পোরশে ৯১১ জিটি৩। রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বাস্তবিক উইলো স্প্রিং, নারবার্গিং কিংবা লেগুনা সেকা ছাড়াও কল্পিত সার্কিট লন্ডন এবং টোকিও প্রভৃতি লোকেশন। এর অডিও সিস্টেমটি বেশ ভালো। ডিফল্ট হিসেবে যদিও অডিও বন্ধ করা থাকে তবুও গেমার প্রয়োজনমাফিক শুনতে পারবেন।
ধন্যবাদ সুজয় ভাই কে! আশা করি ফোরামের ত্রুটি বিচ্যুতি গুলো জানিয়ে আমাদের কে সাহায্য করবেন।
অনেক ধন্যবাদ। এরকম একটা রেয়ার ক্লিপ শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমরা সবসময় ই চাই, যাতে মেডিকাল এর এই ফোরাম টি শুধুমাত্র মেডিকেল এর ছাত্র ছাত্রী দের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে তা সবার সাথে কাজ করবে। এতে সবার ই জ্ঞানের পরিধি প্রসারিত হবে। ফোরামে আপনাকে স্বাগতম। আশা করি ফোরামের ভালো দিক, খারাপ দিক গুলো তুলে ধরে ফোরামের উন্নতি তে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।
আরো খেলতে হবে, চাপে অনেকের ই খেলা পড়ে যায়।
নেভার স্টপ believing।
আইডিয়া টা দারুন ।
(N.B. তোমার ইউটিউব এর লিঙ্ক টা ঠিক করে দিলাম। এটা দেখে নিও। )
লিঙ্ক টি তাজকিয়া এর দেখতে পাওয়ার কথা না! এটা ফোরামের কয়েক জনের জন্য রেসট্রিকটেড!

ব্ল্যাকহোল বা কৃষäবিবর মহাকাশের এক অনন্য রহস্য। হালকাভাবে বললে বলা যায়, ব্ল্যাকহোল হচ্ছে মহাশূন্যের সেই এলাকা, যেখানে অতিমাত্রায় এর পদার্থ এতটাই ঘনীভূত হয়ে আছে যে, এর আশপাশের বস্তুর কোনো উপায় নেই এর গ্র্যাভিটি বা মহাকর্ষ বলের টানকে উপেক্ষা করতে পারে। এই মুহূর্তে আমাদের কাছে সর্বোত্তম গ্র্যাভিটি থিওরি হচ্ছে আইনস্টাইনের জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভিটি বা সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব। সে জন্য আমাদের গভীর গবেষণা করতে হবে এই তত্ত্বের ফলাফল নিয়ে ব্ল্যাকহোলের বিস্তারিত জানতে ও বুঝতে হলে। কিন্তু সে কাজটি করতে হবে একটু ধীরে-সুস্খে। গ্র্যাভিটি সম্পর্কে ভাবতে হবে একদম সরল-সহজ ঘটনা নিয়ে।
ধরুন, আপনি দাঁড়িয়ে আছেন কোনো এক গ্রহের ওপরে। খুব একটা জোরে নয় স্বাভাবিক শক্তি খাটিয়ে সোজা ওপরে আকাশের দিকে একটি পাথর ছুড়ে মারুন। পাথরটি কিছু সময় ওপরের দিকে উঠবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গ্রহটির মধ্যাকর্ষণের টানে তা আবার নিচে নেমে আসবে। যদি পাথরটি পর্যাপ্ত জোরে ছুঁড়তে পারতেন, তবে আপনার দাঁড়িয়ে থাকা গ্রহটির মধ্যাকর্ষণ বলের টান উপেক্ষা করে পাথরটিকে মহাশূন্যে পাঠিয়ে দিতে পারতেন। এটি চিরদিনের জন্য উপরের দিকেই উঠতেই থাকত। এখন কত জোরে অর্থাৎ কত বেগে ছুঁড়লে পাথরটি গ্রহটির টানকে উপেক্ষা করে মহাশূন্যে চলে যেতে পারত, তা নির্ভর করে গ্রহটির ভরের ওপর। যে বেগে ওই পাথরটি ছুড়লে তা মহাকাশে চলে যেতে পারত, তাকে বলা হয় ওই গ্রহের এসকেপ ভেলোসিটি। গ্রহটি যত বেশি বড় বা গুরুভার, এ এসকেপ ভেলোসিটিও তত বেশি। একটি হালকা পাতলা গ্রহের এসকেপ ভেলোসিটি হবে কম। এ ছাড়া আপনি গ্রহটির কেন্দ্র থেকে কত ওপরে অবস্খান করছেন তার ওপর এসকেপ ভেলোসিটির মান নির্ভর করবে। আমাদের পৃথিবীর ক্ষেত্রে এসকেপ ভেলোসিটির মান হচ্ছে সেকেন্ডে ১১ দশমিক ২ কিলোমিটার বা ঘন্টায় ২৫ হাজার মাইল। চাঁদের বেলায় এর মান সেকেন্ডে মাত্র ২ দশমিক ৪ কিলোমিটার বা ঘন্টায় ৫৩০০ মাইল।
কল্পনা করুন এমন একটি বস্তু, যার ছোট্ট ব্যাসার্ধে প্রচুর পরিমাণ শথঢ়ঢ় বা ভর এমনভাবে ঘনীভূত হয়ে আছে যে, এর এসকেপ ভেলোসিটি আলোর গতির চেয়েও বেশি। যেহেতু কোনো কিছুই আলোর গতির চেয়ে বেশি গতিতে চলতে পারে না, সেহেতু কোনো কিছুই এই বস্তুর গ্র্যাভিটি বা মহাকর্ষ বলের ক্ষেত্রের বাইরে যেতে পারবে না। এমনকি আলোকরশ্মিও এ বস্তুর গ্র্যাভিটির টানে ফিরে যাবে ওই বস্তুর দিকেই। অতএব কোনো কিছুই এই বস্তুর আকর্ষণ-বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে না, যেমনটি পারবে না আলোও। আর আলো যদি সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে না পারে, তবে স্বাভাবিকভাবেই আমরা তা দেখতে পাব না।
এই শথঢ়ঢ় ধসষধপষয়ড়থয়মসষ বা ভর ঘনীভূত হওয়া কোনো বস্তু থেকে আলোও বাইরে বেরিয়ে আসতে না দেয়ার ধারণা মানুষ জেনে গেছে সেই আঠারোতম শতকের লাপলাসের সময়েই। আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব আবিষ্কারের প্রায় পরপরই কার্ল সোয়ার্টজচিল্ড এই তত্ত্বের গাণিতিক সমীকরণের সমাধান প্রমাণ করেন। এই সমীকরণে এ ধরনের বস্তু বর্ণিত হয়। এর আরো পরে অপেনহেইমার, ভোকফ ও সিন্ডারের মতো গবেষকদের কর্মসাধনার সূত্র ধরে ১৯৩০-এর দশকে মানুষ গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে শুরু করে যে, এ ধরনের ঘনীভূত ভরের বস্তু এই মহাবিশ্বে থাকতে পারে। হ্যাঁ, এই অপেনহেইমারই পরিচালনা করেছিলেন ম্যানহাটান প্রজেক্ট। এসব গবেষক দেখিয়েছেন, যখন একটি ম্যাসিভ বা অতি গুরুভার তারকার জ্বালানি ফুরিয়ে যায়, তখন এটি এর নিজের মহাকর্ষের টানের বিরুদ্ধে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারে না। তখন এটি রূপ নেয় একটি ব্ল্যাকহোলে।
সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বে বিন্যাস করে দেখানো হয়েছে ধৎড়ংথয়ৎড়প সফ ঢ়হথধপয়মশপ বা স্পেসটাইমের বক্রতাকে। স্পেসটাইম হচ্ছে কালের ও সময়ের যুগ্ম প্রেক্ষাপটে ত্রিমাত্রিক অর্থাৎ দৈর্ঘ্য, প্রস্খ ও বেধ সংবলিত মাপ বা নিরীক্ষা। একটি ম্যাসিভ অবজেক্ট বা গুরুভার বস্তু এলোমেলো করে দেয় স্পেস ও টাইমকে। ফলে সেখানে কোথাও জ্যামিতির স্বাভাবিক নিয়ম চলে না। একটি ব্ল্যাকহোলের কাছে স্পেস ও টাইমের এই ওলট-পালট হয় সবচেয়ে ভয়াবহভাবে। এর ফলে ব্ল্যাকহোলগুলো বিশেষ অবাক করা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয়। বিশেষ করে ব্ল্যাকহোলের রয়েছে ‘ইভেন্ট হরাইজন’ নামে একটা কিছু। এটি একটি স্পেরিক্যাল সারফেস বা গোলীয় উপরিতল, যা নির্ধারণ করে ব্ল্যাকহোলের সীমানা। আপনি সে হরাইজন অতিক্রম করতে পারেন কিন্তু সেখান থেকে আর ফিরে আসতে পারবেন না। এর সরল অর্থ আপনি কোনোক্রমে একবার সে ইভেন্ট হরাইজন পার হয়ে গেলে, সেখান থেকে ফিরে আসার পথ আপনার জন্য চিরদিনের জন্য বìধ হয়ে যাবে। আপনি সোজা চলে যাবেন ব্ল্যাকহোলের কেন্দ্রের সিঙ্গুলারিটির কাছে। আপনি এ হরাইজনকে ভাবতে পারেন এমন এক জায়গা যেখানে এসকেপ ভেলোসিটি আলোর গতিবেগের সমান। এ হরাইজনের বাইরে এসকেপ ভেলোসিটির মান আলোর গতিবেগের চেয়ে কম। অতএব আপনার রকেটের পর্যাপ্ত গতি থাকলে সেখান থেকে বেরিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারবেন না। কিন্তু আপনাকে বহনকারী রকেট যদি ভুল করে কোনোক্রমে এই হরাইজনের ভেতরে চলে যায়। তবে রকেটের গতি যত বেশিই হোক না কেন ব্ল্যাকহোলের বাইরে আসার কোনো উপায় অবশেষ থাকবে না। কারণ আপনার পক্ষে আলোর গতিতে কিংবা তার চেয়েও বেশি গতিতে চলা সম্ভব নয়।
এই ইভেন্ট হরাইজনের রয়েছে বেশ কিছু মজার ও অবাক করা গুণাবলি। ধরুন, একজন পর্যবেক্ষক ব্ল্যাকহোল থেকে অনেক দূরে কোথাও আছেন। তার কাছে এ হরাইজনটি মনে হবে খুবই সুন্দর, স্খির, নিশ্চল এক গোলীয় উপরিতল। কিন্তু যদি সে হরাইজনের আরো কাছে চলে যায়, তখন সে দেখতে পাবে, এটি বেশ বড় গতি নিয়ে ছুটে চলেছে। আসলে এটি বাইরের দিকে ছুটে চলেছে আলোর গতিবেগে। এ থেকেও একটা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়, কেন এ হরাইজন অতিক্রম করে ভেতরের দিকে যাওয়া সহজ কিন্তু এ থেকে বেরিয়ে আসা সহজ তো নয়ই, এমনকি একেবারে অসম্ভব। যেহেতু এ হরাইজন বাইরের দিকে আলোর গতিবেগ নিয়ে ছুটে আসছে, সেহেতু এর বাইরে আসতে হলে আপনাকে ছুটতে হবে আলোর গতিবেগের চেয়ে বেশি গতি নিয়ে। আর আলোর গতির চেয়ে বেশি গতিতে ছোটা আপনার পক্ষে সম্ভব নয়, সে জন্য ব্ল্যাকহোল থেকে বেরিয়েও আসতে পারবেন না।
এসব জেনে নিশ্চয়ই অবাক লাগছে। কিছুটা ভয়ও জাগছে মনে। ভয় নেই। এক বিবেচনায় এ হরাইজন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। আরেক বিবেচনায় এটি উড়ে চলেছে আলোর গতিবেগ নিয়ে। একবার যদি এই হরাইজনের ভেতরে ঢুকেই যান, স্পেস ও টাইম এতটাই ওলট-পালট হয়ে যাবে যে, র্যাডিয়েল ডিসটেন্স ও টাইমের বর্ণনাকর কো-অর্ডিনেট বা স্খানিক মান পরিবর্তন হয়ে যায়। অর্থাৎ কেন্দ্র থেকে দূরত্ব নির্দেশক কো-অর্ডিনেট ড় হয়ে যায় টাইম য় এর মতো । আর য় হয় ড়-এর মতো। সোজা কথায় টাইমলাইক কো-অর্ডিনেট হয় স্পেসলাইক কো-অর্ডিনেট, আর স্পেসলাইক কো-অর্ডিনেট হয় টাইমলাইক কো-অডিনেট। এর একটি পরিণতি হচ্ছে, আপনি আপনাকে ছোট থেকে ছোটতর ড়-এর মানের দিকে যাওয়া থামাতে পারবেন না। ঠিক সাধারণ অবস্খায় আপনি যেমন আপনাকে ভবিষ্যতের দিকে যাওয়া থেকে ফেরাতে পারছেন না। আপনি শুধু ছুটে চলেছেন বড় থেকে বড়তর সময়ের দিকে। এভাবে ব্ল্যাকহোলের ভেতরে থাকলে এক সময় আপনি গিয়ে পৌঁছবেন সিঙ্গুলারিটিতে, যেখানে ড়-এর মান শূন্য। এ পরিস্খিতি এড়াতে আপনি হয়তো চাইবেন রকেটের গতি বাড়িয়ে দিতে কিন্তু কোনো কাজ হবে না, তা আপনি যে দিকেই যেতে চান না কেন। আপনার এ পরিণতি কোনোভাবেই এড়ানো যাবে না। হরাইজনের ভেতরে ঢুকে পড়েছেন, আর চাইছেন ব্ল্যাকহোলের কেন্দ্র থেকে দূরে থাকতে এ যেন গত রোববারকে এড়িয়ে চলে যাওয়ার প্রয়াসেরই মতো। সবশেষে আরেকটি বিষয় জানিয়ে আজকের লেখার ইতি টানতে চাই। জর্জ আর্চিব্যালাড হুইলার ব্ল্যাকহোল নামটি আবিষ্কার করেন। এর আগে এর অনেক নাম দেয়া হলেও এ নামটি সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় বলে বিবেচিত হয়। এর আগে ব্ল্যাকহোলের একটা নাম ছিল ‘ফেন্সাজেন স্টার’। কেন এমন নাম দেয়া হয়েছিল? ফুরসত ফেলে তা অন্য এক লেখায় ব্যাখ্যা দেয়ার আশা রইল।
জ্বরে কোন রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। অর্থাৎ প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে জ্বরকে অভিহিত করা হয়। শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক তাপমাত্রার (৯৮হ্ন ৪হ্ন ফা বা ৩৭হ্ন সে) চেয়ে বেশি তাপ হলে তাকে জ্বর বা ফিভার বলে। অনেক সময় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ থেকেও জ্বর হতে পারে।
জ্বর অল্প ও দীর্ঘ সময়ের জন্য হতে পারে। অল্প সময়ের জ্বর সর্দি, টনসিল, ফ্লু, ব্যথা, প্রদাহ, হাম, নিউমোনিয়া, টাইফয়েড অথবা হাড় ভেঙে গেলেও হতে পারে। সেক্ষেত্রে জ্বর কতক্ষণ থাকছে বা কয়বার ওঠানামা করছে বা জ্বরের অন্য কোন উপসর্গ দেখা যাচ্ছে কি না, তা লক্ষ্য রাখতে হবে।

প্রতি ডিগ্রি জ্বরে বিপাকীয় হার প্রায় ৭ ভাগ বাড়ে। তাই জ্বরে শক্তি চাহিদা বেড়ে যায়, শরীরের অতিরিক্ত এ শক্তি পূরণের জন্য সঞ্চিত চর্বি ও পেশির ক্ষয় বেড়ে যায়। তাই তখন রোগী ক্ষীণ হয়ে পড়ে। অনেক সময় জ্বর হলে কিডনিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আন্ত্রিক গোলযোগের কারণে ডায়রিয়া হয়। ফলে দেহ পানিশূন্য হয়ে পড়ে। রুচি কমে যায়, পেটে গ্যাস হয়, বমি বমি ভাব, শরীর ব্যথা, মাথা ব্যথা ইত্যাদি হয়ে থাকে।
দীর্ঘমেয়াদি জ্বর হলে দেহে প্রোটিন সংশে¬ষণ বাড়ে। তাই দেহের ওপর বাড়তি ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। তখন লিভার ও কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়।
এ পরিচিত রোগটি হলে তাই প্রথম থেকে সাবধান থাকা উচিত। জ্বর হলে সাধারণত দ্রুত হজম হয় এমন খাবার খাওয়া উচিত। প্রথম দিকে সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। জাউভাত, নরম রুটি, মাছের ঝোল, মুরগির স্যুপ, ফলের রস, ডাবের পানি, সুজি, সাগু, বার্লি, লেবুর শরবত ইত্যাদি দিতে হবে। আস্তে আস্তে রোগীর হজম ঠিকমতো হচ্ছে কি না, তার ওপর ভিত্তি করে স্বাভাবিক ভাত, মাছ, মাংস, সবজি, ডাল, ফলমূল ইত্যাদি দিতে হবে। জ্বরে শরীরের জলীয় দ্রবণ কমে যায়, তাই বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, পটাশিয়াম, সোডিয়াম জাতীয় খনিজ লবণের চাহিদা পূরণের জন্য পানীয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। তবে চা ও কফি এক্ষেত্রে অবশ্যই বর্জন করতে হবে।
এ সময়ে অধিক পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। টমেটোর স্যুপ, ভাতের মাড়, চিড়া ভেজানো পানি, পাকা বেল এ সময় ভালো কাজ দেয়।
তাই ঘাবড়ে না গিয়ে সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ও সঠিক পথ্য গ্রহণ করে জ্বর থেকে দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়।
লেখক : পুষ্টিবিদ
ফাতেমা সুলতানা
শমরিতা হাসপাতাল লি.
সূত্র
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by sawontheboss4
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.১১ seconds (৬৫.৬৩% PHP - ৩৪.৩৭% DB) with ৬ queries