কিন্তু রেজিস্ট্রেশন ছাড়া সবাই ফাইদা লুটে নিচ্ছে।

এখান থেকে--http://www.filefactory.com/file/b3b35fg/n/Goniter_moja_reaz69_gmail.com_.pdf


Download Goniter moja([email protected]).pdf from FileFactory.com

ডাউনলোড করে রাখুন। যেকোনো সময় কাজে লাগবে॥
এখন থেকে---

Password --    doridro.com

সার্চ ইন্জিন রেংকিয়ে পেজস্পিডের গুরুত্ব নিয়ে আগেও নানা পরার্মশ দিয়েছে । এবার আর পরার্মশ নয়, আপনার ওয়েব সার্ভারের জন্য চমৎকার এক টুল নিয়ে এলো গুগল । যারা Mozilla চালান তাদের জন্য নতুন এটি মডিউল নিয়ে এলো গুগল । এটি হচ্ছে Page Speed 1.9 extension ।

এই মডিউলটি সার্ভারেযুক্ত করলে ওয়েব পেজ নিজে নিজেই পেজস্পিড-আপের জন্য অপটিমাইজড হয়ে যাবে । বারবার আলাদা আলাদাভাবে সেটিংয়ের দরকার হবে না । এটি পেজডাউনলডিং টাইম অর্ধেক নামিয়ে আনতে সক্ষম ।

যা যা করবে:

    * ইমেজ রিকম্প্রেস ও অপটিমাইজ করে দ্রত লোডিং
    * CMS অনুযায়ী পেজ অপটিমাইজেশন
    * লোগো, ইমেজ ইত্যাদির ক্যাশ টাইম বাড়িয়ে ১বছর পূর্যন্ত করা ।

নিচের এই ভিডিওটি দ্বারা আরো ভাল করে বুঝতে পারবেন ব্যাপারটি ।

আজ সকালে এক অফিসিয়াল পোষ্ট দ্বারা গুগল এই টুল সম্বন্ধে জানায় । যারা নিজের সার্ভার নিজেই মেইনটেইন করেন তারা সহজেই টুল নামিয়ে ইনসটল করে নিন । বাকিরা নিজ নিজ হোস্ট প্রোভাইডারকে অনুরোধ করুন.

Support করবে---

    * Mac OS X (x86 only)
    * Linux (32-bit and 64-bit)
    * Windows (XP and up)

রংমহলে তো রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনও লিংক দেখা যাই না।

মাইক্রোসফট অফিসে লেখালেখির সময় শর্টকার্ট হিসেবে বিভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করা যায়। ইংরেজি লেখার সময় রেজিস্ট্রার চিহ্ন (R) ইনসার্ট করার জন্য প্রথমে Alt কি চেপে ধরুন এবং কি-বোর্ডের নাম্বার প্যাড থেকে ০১৭৪ চাপুন। রেজিস্ট্রার চিহ্ন ইনসার্ট হয়ে যাবে। আবার কপিরাইট চিহ্ন (C) ইনসার্ট করার জন্য Alt  কি চেপে ধরুন এবং ০১৬৯ চাপুন। ট্রেডমার্ক চিহ্ন (TM) ইনসার্ট করার জন্য Alt কি চেপে ধরে ০১৫৩ চাপুন। :তালি:  (y)

ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা জিপিডিএফ নামের একটি প্লাগ ইন ইনস্টল করে গুগল ডঙ্ ভিউয়ারের মাধ্যমে সহজেই পিডিএফ ফাইল পড়তে পারেন। প্রথমে অ্যাড-অনসটি ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে নিন। এর পর থেকে কোনো ওয়েবসাইটের পিডিএফ লিংকে ক্লিক করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে গুগল ডঙ্ ভিউয়ারের মাধ্যমে দেখা যাবে। (y)

কিন্তু পোস্টে মন্তব্য কম কেন?

ঠিক করে দিলাম।

উইন্ডোজ সেভেনের টাস্কবারের ওপর মাউস রাখলে সব কাজের থাম্বনেইল (ছোট ছবি বা স্ক্রিনশট) দেখা যায়। কিন্তু এ থাম্বনেইল প্রদর্শন প্রক্রিয়া অনেক ধীরগতির। থাম্বনেইল প্রদর্শনের গতি বাড়ানোর জন্য Start মেন্যুতে গিয়ে regedit লিখে Registry Editor-এ প্রবেশ করুন। সেখান থেকে HKEY_CURRENT_USERControl PanelMouse-এ যান। এবার MouseHoverTime-এ ডাবল ক্লিক করুন। সেখানে এর ভ্যালু ৪০০-এর পরিবর্তে 0 করে দিন। :-^

ফেইসবুকে প্রতিদিন প্রচুর তথ্য আপলোড করছেন ব্যবহারকারীরা। প্রতিদিন অনেক নতুন বন্ধুও যোগ করছেন কেউ কেউ। নানা কারণে অনেকের ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়া মানে অ্যাকাউন্টের সব তথ্য চিরতরে হারিয়ে যাওয়া! এসব তথ্যের নিরাপত্তার জন্য ফেইসবুক থেকে তথ্যগুলো ডাউনলোড করে ব্যাকআপ হিসেবে রাখতে পারেন। সম্প্রতি ফেইসবুকের চালু করা 'ডাউনলোড ইওর ইনফরমেশন' সুবিধা। এর মাধ্যমে ফেইসবুকের তথ্যগুলো ডাউনলোড করে রাখা যায়। ডাউনলোড করার জন্য প্রথমে আপনার ফেইসবুক অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন। এবার হোমপেইজের ওপর ডানপাশে Accounts-এ ক্লিক করুন। এখান থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। নতুন যে পেইজটি খুলবে তার একেবারে নিচে Download your information নামে একটা ট্যাব পাবেন। সেখানকার Learn More লেখা লিংকে ক্লিক করুন। এরপর Download বাটনে একটি ক্লিক করুন। এবার ফেইসবুকে দেওয়া ই-মেইল অ্যাকাউন্টে আসা একটি মেইলে একটা লিংক পাবেন (মেইল পেতে কয়েক ঘণ্টা দেরি হতে পারে)। লিংকটিতে ক্লিক করুন। নতুন যে পেজটি খুলবে সেখানে আপনার ফেইসবুকের পাসওয়ার্ডটি লিখুন। এবার ডাউনলোডে ক্লিক করলে আপনার ফেইসবুকের তথ্যগুলো ডাউনলোড হওয়া শুরু করবে।

তথ্যগুলো যেভাবে দেখবেন
ডাউনলোড হওয়া তথ্যের ফাইলটি জিপ ফাইল হিসেবে থাকবে। প্রথমে সেটি আনজিপ করুন। এবার যে ফাইলটি ওহফবী নামে পাবেন সেটি কোনো ওয়েব ব্রাউজার দিয়ে খুলুন (ওপেন উইথ থেকে ব্রাউজার নির্বাচন করতে হবে)। এবার ফাইলটির অফলাইনে তথ্যগুলো দেখতে পারবেন। অ্যালবাম ফোল্ডারে ছবিগুলো পাবেন।

আমরা  বিভিন্ন সময় browser এর পোর্টেবল সংস্করণ ব্যবহার করি। কিন্তু সে সবের অনলাইন-এ সবসময় ওসব ওয়েবসাইটে (বিশেষ করে গুগল ক্রোম ) সাধারণত অফলাইন সংস্করণ (যে সংস্করণ ইনস্টল করতে ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকতে হয় না) পাওয়া যায় না। এই সাইট থেকে আপনি যেটার লেটেস্ট ভার্সন ব্যবহার করতে চান ডাউনলোড করে ইউজ করুন।  :অবাক:


N.B.- ওই সাইটে আর-ও অনেক সফ্টওয়্যার এর পোর্টেবল পাওয়া যায়।  :কোলাকুলি:

নানা কারণে ইন্টারনেট থেকে আমাদের বিভিন্ন রকমের ফাইল নামাতে হয় (ডাউনলোড)। কিন্তু অনেক সময় বোঝা যায় না যে কোন ফাইল নামাতে কত সময় লাগবে, ফাইলটির প্রকৃত সাইজ কত ইত্যাদি।
ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা ‘ডাউনলোড স্ট্যাটাসবার’ নামের একটি প্রোগ্রামের (অ্যাড-অনস) সাহায্যে সহজেই নামানোর বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। প্রোগ্রামটি এখান থেকে নামিয়ে নিন। এখন ফায়ারফক্স পুনরায় চালু (রির্স্টাট) করুন।
এরপর থেকে ফায়ারফক্স থেকে কোনো ফাইল ডাউনলোড করলে ব্রাউজারের নিচে বা পাশে download statusbar নামে একটি অপশন পাবেন।
ওই অপশনে মাউস রাখলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখা যাবে ফাইল নামানোর জন্য কতটুকু সময় লাগবে, ফাইলটির প্রকৃত সাইজ কত ইত্যাদি।

এই যোগ দিলাম।

প্রথমে বলছি আমি symphoni FT10 soap ব্যবহার করি। এই সেট কেনার সময় জানতাম যে এটা মোডেম হিসেবে ইউজ করতে পারব। কিন্তু কখনো ইন্টারনেট কানেকশন এটা দিয়ে browse আগে করিনি। একদিন আমাদের এক ডাক্তার আপু(আমার wife এর কলিগ ) আমাকে তার কম্পুটার এর সমস্সা বলতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন যে ''আমি আমার এই symphony x-100 দিয়ে আমার কম্পু তে কিছুতেই নেট কানেকশন করতে পারছি না। আমার তো মোডেম নেই কিন্তু এই মোবাইলে facebook-এ ছোটো স্ক্রীন-এ সবসময় ভাল ভাল লাগেনা। তো আপনি তো অনেক browse করেন তো এটার সমাধান দেন।'' আমি তো পড়লাম  মহা সমস্সাই। আমার symphony দিয়ে আমি আর পারিনা। শুরু হল নেট এ search পেয়ে গেলাম সেই কাঙ্খিত সাইট। সমাধান করে ফেললাম।
 

এই হচ্ছে সমাধান-------------------------------------------

১ । আপনার যেই সেট-ই হোক না কেন প্রথম কথা হচ্ছে আপনার symphony টি মিনিমাম GPRS ক্লাস 10  হতে হবে। এবং সেটি EDGE মোডেম supported হতে হবে( সেটি x-90 টি-ই হোক আর লেটেস্ট ফোন হোক)।

2। যদি আপনার সেট টা যদি প্রথম শর্ত পূরণ করে তবে এভাবে আপনার মোবাইলে ইন্টারনেট settings ঠিক করে নিন।
প্রথমে আপনার সেট এর services অপশন-এ যান । এবার Data account এ যান। GPRS এ ঢুকুন । ওখানে ভাল করে দেখুন--
এগুলো আছে :
                Account name
                APN
                User name
                Password
                Auth. type

এখন ভাল করে বুঝুন --APN এর জায়গায় ছোটো হাতের(small case) অক্ষরে লিখুন gp internet বা robi internet (স্পেস সহ) আর অন্য কোথাও কোনও কিছুর প্রয়োজন নাই।


৩। আপনার সেট এর জন্য symphony modem installer নামিয়ে ফেলুন।
          ক-  Mobile Symphony Modem Installer-32bit for Windows XP ,Vista & Windows 7
          খ- Symphony Modem installer 64 bit for Windows XP, Vista & Windows 7

যে যেটা ইউজ সেটা তে ইনস্টল করুন । দেখুন আপনার desktop এ নিচের ছবির মত এসেছে-
http://img149.imageshack.us/img149/6673/symlogo.jpg

৪। এবার ওই আইকন এ রাইট ক্লিক করে ''Run as administrator'' এ ক্লিক করুন। তারপর next করার পর বক্সে installing this driver anyway করে finis করুন ।

এবার আসল কাজ মোবাইল on অবস্থায় আপনার সেট কম্পুটার এর সাথে data cable দিয়ে সংযোগ করুন। pc তে আপনার সেট এর driver ইন্সটল হলে এবার যান নেট কানেকশন -এ।  এভাবে অপারেটর অনুযায়ী---
http://img822.imageshack.us/img822/1640/manualforinstallingmode.jpg

connect now তে ক্লিক করুন।

এবার আপনার brawser open করুন। দেখুন কেল্লা ফোতে।


তারপরেও কার সমস্সা হলে এই পিডিএফ ফাইল ২টা ডাউনলোড করে দেখে নিন।
১। উইনডোজ  ৭
২। উইনডোজ এক্সপি

তারপরও  আমি আছি। go to  গোপনবার্তা ।

Symphony pc suite এখান থেকে নামিয়ে ফেলুন।

এটা কী তোমার ফোরাম ??????????????

উইন্ডোজ সেভেনে একসঙ্গে একাধিক কাজ করার সময় টাস্কবারের ওপর মাউস রাখলে থাম্বনেইলের মাধ্যমে কাজগুলোর স্ক্রিনশট দেখা যায়। তবে এর জন্য টাস্কবারে মাউস রাখতে হয়। কিন্তু মাউস না থাকলে বা মাউসে কোনো সমস্যা হলেও মাউস ছাড়াই তা দেখে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য উইন্ডোজ কি চেপে ধরে T চাপুন। এবার প্রথম টাস্কের থাম্বনেইল দেখা যাবে। পরবর্তী টাস্কের থাম্বনেইলটি দেখতে আবার T চাপুন।

http://s1.postimage.org/sdi00.jpg


নতুন রূপে যাত্রা শুরু করেছে সামাজিক যোগাযোগ সাইট 'মাইস্পেস'। এরই ধারাবাহিকতায় সংগীত এবং বিনোদনকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন সংস্করণের ওয়েবসাইট চালু করেছে মাইস্পেস। সামাজিক যোগাযোগ সুবিধার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের বিনোদনভিত্তিক কনটেন্ট ব্যবহারের সুযোগ করে দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাইস্পেসের প্রধান নির্বাহী মাইক জোনস। ফেইসবুকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার পাশাপাশি নিজেদের আয় বাড়াতে নতুন ওয়েবসাইটের পাশাপাশি বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে ব্যবহারকারীদের তথ্য প্রকাশ করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
মাইস্পেসের মূখপাত্র জানান, 'ব্যক্তিগত নয় এমন কিছু তথ্য আমাদের বিজ্ঞাপনদাতাদের সরবরাহ করব।'
শেরিফ আল সায়ার, সূত্র : এএফপি

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে সব ফোল্ডারই সাধারণত একই রংয়ের হয়। একটি সফটওয়্যার ইনস্টল করে পরিবর্তন করতে পারেন আপনার ডেস্কটপের সব ফোল্ডার। এজন্য এই  ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে আই কালার ফোল্ডার সফটওয়্যারটি ডাউনলোড এবং ইনস্টল করে নিন। এবার ফোল্ডারে মাউস রেখে রাইট বাটন ক্লিক করে কালার লেবেল অপশন থেকে ফোল্ডারের রং নির্বাচন করুন ।
     
                                        সূত্র

আমার এই পোস্ট সবার জন্য গুরুত্তপূর্ণ কারণ আমরা ইন্টারনেট-এ প্রায় সবাই browse করি, কিন্তু 6 মাস পরও দেখা যাই আমরা পুরনো ভার্সন browser ইউজ করছি। সেক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে ব্রাউজ ধীর গতি হচ্ছে। যা আমরা বুঝতে পারিনা। তবে pc অনেক কারণেই স্লো হতে পারে। এটাও একটা কারণ। গত সপ্তাহে আমি firefox 3.6.11 ডাউনলোড করে চালালাম কইদিন। গতকাল দেখি 3.6.12 এসেছে । এখন এটা -ই চলছে আমার পিসি তে। আমি RSS feed এর মাধ্যমে আপডেট পাই । অনেকেই RSS ফীড কি টা জানেন না তাই আপডেট বহুদূরে। যারা জানেন তাদের কে ধন্যবাদ। 
যাই হোক, এবার আসি কিভাবে আমার browser সবসময় আপডেট করব?

কম্পুটারে জন্য---

মজিল্লা ফায়ারফক্স, অপেরা , ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, গুগল ক্রোম, সাফারি ইত্তাদির জন্য- এক্ষণে ক্লিক করুন আর ডাউনলোড করে উপভোগ করুন লেটেস্ট ভার্সন ।
অথবা
filehippo.com এই RSS feed এ subscribe করুন। দেখুন ব্রাউজারের BER এ ফাইল্ হিপ্পো এর RSS যোগ হয়েছে । এখন আপনার কাজ প্রতিদিন ওই RSS এ left ক্লিক করা। আর আপনার কম্পু তে চলা software আপডেট করুন ।

http://img525.imageshack.us/img525/7537/rssz.jpg

আজ এখানেই এখন খুব ঘুম পাইছে। আর একদিন  মোবাইল এর ব্রাউজার সম্মন্ধে।

Windows vista ও 7  এর রয়েছে বড় ধরনের সিস্টেম রিকয়ারমেন্ট কিন্তু যারা উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করেন তারা Windows vista ও 7  ব্যবহার না করতে পারলে ও তার রুপ অর্থৎ ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন উইন্ডোজ এক্সপি তে। এর জন্য আপনাকে ডাউনলোড করতে হবে একটি সুদৃশ্য Windows vista-transformation- প্যাক ও SevenVG RC (Windows 7 Theme) for Windows XP । তবে কথা হল যাদের RAM 512 এমবি এর নীচে তারা দয়া করে ইউজ করবেন  না । স্লো হবার সম্ব্ভাবনা বেশি। shame on you

লেটেস্ট ভার্সন দেখার জন্য- এখানে ক্লিক করুন

১।  Windows vista-transformation- প্যাক :ইয়াহু:

২। Windows 7 Theme-প্যাক  (y)

মুক্ত সফটওয়্যার এখন বেশ জনপ্রিয়। দুনিয়া জুড়েই।বাংলাদেশেও বেড়েছে এর ব্যবহার। মুক্ত সফটওয়্যারের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার দেশের ইন্টারনেট সংযোগদাতা ও নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠানে। কম্পিউটারে বাংলা চর্চার ক্ষেত্রেও এগিয়ে মুক্ত সফটওয়্যার।
বিভিন্ন প্রোগ্রামিং সংকেত ব্যবহার করে কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরি হয়। এই সংকেত অন্যের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকে মুক্ত সফটওয়্যারে। ফলে যেকোনো সফটওয়্যারকে নিজের মতো করে সাজিয়ে নেওয়া যায়। বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) মূল স্থানীয়ভাবে মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে। সচেতনতা তৈরি কাজটাও করছে। ২৩ অক্টোবর ছিল বিওএসএনের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। বলা চলে বাংলাদেশে মুক্ত সফটওয়্যার ব্যবহারের সফল আন্দোলনের পাঁচ বছর পূর্ণ হলো।

মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন
মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলনের পুরোধা, মুক্ত সফটওয়্যার ফাউন্ডেশনের জনক রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান। যিনি আরএমএস নামে পরিচিত। তিনি সফটওয়্যারের মুক্ত দর্শন নিয়ে কাজ করেন। মুক্ত দর্শনের বড় একটি উদাহরণ উইকিপিডিয়া, যার পরিচিতি গণমানুষের বিশ্বকোষ হিসেবে। শুরুতে রিচার্ড স্টলম্যান বিশ্বকোষ তৈরির প্রস্তাব দিলেও জিমি ওয়ালেসের হাত ধরে বিকশিত হয়েছে আজকের উইকিপিডিয়া। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২৭৬টি ভাষার মধ্যে বাংলা উইকিপিডিয়াও (bn.wikipedia.org) এখন বেশ সমৃদ্ধ।
বাংলা উইকিপিডিয়ার প্রশাসক বেলায়েত হোসেন বলেন, বাংলা উইকিপিডিয়া ধীরে ধীরে সমৃদ্ধ হচ্ছে এবং বর্তমানে নিবন্ধের সংখ্যা প্রায় ২২ হাজার। ব্যবহারকারী যেমন বাড়ছে, তেমনি ভুক্তির মানও বাড়ছে বলে জানান তিনি। উইকিপিডিয়া মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম সফল ও জনপ্রিয়। এ সাইটের নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা এক কোটির মতো।
বর্তমানে মুক্ত সফটওয়্যারের আওতায় বেড়েছে স্থানীয়করনের (লোকালাইজেশন) কাজ। অর্থাৎ বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিজস্ব ভাষায় করা। সে কাজটিও এগিয়ে চলছে এবং বর্তমানে বাংলা ভাষায় পাওয়া যাচ্ছে ইন্টারনেট দুনিয়ার জনপ্রিয় সফটওয়্যার থেকে শুরু করে অনেক কিছু।
রায়ানস আর্কাইভসের প্রধান নির্বাহী আহমেদ হাসান বলেন, মুক্ত সফটওয়্যার বিষয়ে সচেতনতা বেশ বেড়েছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে, বিশেষ করে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে মুক্ত সফটওয়্যারের ব্যবহার বাড়ানোর ব্যাপারে কাজ করা উচিত।

মুক্ত সফটওয়্যারের শুরুর কথা
ওপেন সোর্স বা উন্মুক্ত প্রোগ্রামিং সংকেত ধারণা নতুন নয়। ১৯৫০ সালের দিকে ইন্টারন্যাশনালবিজনেস মেশিনস (আইবিএম) করপোরেশন তাদের অপারেটিং সিস্টেম ও অন্যান্য সফটওয়্যারের প্রোগ্রামিং সংকেত সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়। ওপেন সোর্সের বিকাশ হয়েছে মূলত প্রোপ্রাইটরি বা স্বত্বাধিকারী সফটওয়্যার ব্যবহার ও বিতরণের অসামঞ্জস্যপূর্ণ কিছু নিয়মনীতির কারণে। স্বত্বাধিকারী সফটওয়্যারগুলোর সোর্স কোড গোপন রাখা হয়। ফলে সফটওয়্যারে কোনো ধরনের ত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করা যায় না।কোনো প্রয়োজনীয় উপাদান যুক্ত করারও কোনো ব্যবস্থা নেই। অপরদিকে মুক্ত সফটওয়্যারের এ রকম কোনো সমস্যা নেই। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে ফ্রি সফটওয়্যার থেকে মুক্ত (ওপেন সোর্স) সফটওয়্যার কথার প্রচলন শুরু হয়। ফ্রি বললে সেটি অনেক সময়ই বিনা মূল্যে পাওয়া যাবে বলে মনে হয়, যদিও ‘ফ্রি’ এসেছে ইংরেজি ফ্রিডম থেকে। স্টলম্যান সফটওয়্যারের চার ধরনের মুক্তির কথা বলেন; যার মধ্যে রয়েছে সফটওয়্যার নিজের পছন্দমতো ব্যবহারের সুযোগ থাকতে হবে, এর সোর্স কোড দেখা এবং সম্পাদনার অধিকার, সফটওয়্যারের পুনর্বিতরণের সুযোগ ও এটি থেকে নতুন কোনো সফটওয়্যার তৈরি করে তা নিজের মতো করে ব্যবহার, বিতরণ ও বিক্রির সুযোগ থাকতে হবে।

বাংলাদেশে মুক্ত সফটওয়্যার কার্যক্রম
মুক্ত সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করা বিডিওএসএন সম্প্রতি ছয় বছরে পা দিয়েছে। যাত্রা শুরুর পর থেকেই স্বেচ্ছাসেবী এ সংগঠনটি সারা দেশে মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলনে কাজ করে যাচ্ছে। বিডিওএসএনের সভাপতি অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, আগের চেয়ে মুক্ত সফটওয়্যারের ব্যবহার বেড়েছে। তবে ঠিক যেভাবে বাড়া উচিত, সেভাবে বেড়ে যায়নি। যখন লাইসেন্স ছাড়া সফটওয়্যার ব্যবহার করা যাবে না, তখন কেনা ছাড়া সফটওয়্যারও পাওয়া যাবে না।ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে তাই আগে থেকেই মুক্ত সফটওয়্যার ব্যবহারের দিকে যেতে হবে।
তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারকে আরও বড় ভূমিকা নিতে হবে, যাতে সর্বত্র এর ব্যবহার ছড়িয়ে যায়। পাশাপাশি নতুন প্রজন্ম, বিশেষ করে বিভিন্ন সংগঠনকে এগিয়ে আসতে হবে এ সফটওয়্যার ব্যবহারে সহযোগিতা দেওয়ার জন্য।
বিডিওএসএনের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান বলেন, ‘মুক্ত সফটওয়্যার সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বিডিওএসএনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হলো এর অনলাইন সেবা। এর মাধ্যমে যে কেউ মুক্ত সফটওয়্যার-সংক্রান্ত সেবা ই-মেইলের মাধ্যমে পাবেন।
বাংলাদেশ সরকারের প্রত্যেক জেলার জন্য তৈরি ওয়েবসাইট ‘জেলা তথ্য বাতায়ন’ বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় ওয়েব পোর্টালসহ বেশির ভাগ সরকারি ওয়েবসাইটে ব্যবহূত হয়েছে মুক্ত সফটওয়্যার। এ ছাড়া জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) নীতিমালা, ২০০৯-এ মুক্ত সফটওয়্যার ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়ার ব্যাপারটিও যুক্ত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে মুক্ত সফটওয়্যারের ব্যবহারকে আরও কার্যকর করে তোলার কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। মুক্ত সফটওয়্যার দিয়ে স্বাধীন পেশাজীবী হিসেবে এখন অনেক তরুণই কাজ করছেন। এটাও এ আন্দোলনের সফলতা। বর্তমানে এ কাজে প্রায় তিন সহস্রাধিক কর্মী যুক্ত আছেন। মুক্ত পেশাজীবী ওয়েবক্র্যাফট বাংলাদেশের পরিচালক জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, কয়েক বছর আগেও স্বাধীন পেশাজীবী হিসেবে ফ্রিল্যান্সিংয়ের অবস্থান তেমন শক্ত ছিল না। তবে এখন এর যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে এবং অনেকেই এ কাজটিকেই পেশা হিসেবে নিয়ে কাজ করছে। বাংলাদেশে এ কাজের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিভিন্ন ধরনের জনপ্রিয় সফটওয়্যারে বাংলা ভাষায় কার করার সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে মুক্ত সফটওয়্যারের কারণে।অংকুর ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহে আলম খান বলেন, বিভিন্ন ধরনের মুক্ত সফটওয়্যারের বাংলা লোকালাইজেশনের কাজ পূর্ণাঙ্গ হয়েছে এবং বেশ কয়েকটির কাজ চলছে। পাশাপাশি বর্তমানে উবুন্টু অপারেটিং সিস্টেম পুরোপুরিভাবে বাংলায় করার কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানান তিনি।
‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও এখন মুক্ত সফটওয়্যারের জয়জয়কার বলা যায়। মোবাইল, কম্পিউটার থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার বাড়ছে, যা সত্যিই ভালো খবর’, বললেন বিডিকম অনলাইনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমন আহমেদ।

নানা কাজে মুক্ত দর্শন
শুধু সফটওয়্যার ব্যবহারেই নয়, নানা কাজে বর্তমানে মুক্ত দর্শনের ব্যাপারটি প্রচলিত আছে। যারা মুক্ত সাংবাদিকতা করতে আগ্রহী, তাদের জন্য রয়েছে ব্লগ, ফোরাম বা সামাজিক যোগাযোগের সাইট, যেখানে ব্যবহারকারীরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক তথ্য দিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা ঘটনার খবর খুব দ্রুত প্রকাশিত হয় এখানে। বেশ কিছু সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট রয়েছে, যেগুলো সম্পূর্ণরূপে মুক্ত সাংবাদিকতার ওপর নির্ভরশীল। রয়েছে বিজ্ঞান এবং গবেষণা বিষয়ে উন্মুক্ত দর্শন। আগের ধারণা অনুযায়ী, সম্পূর্ণরূপে সাফল্য লাভের পর প্রকাশ করার আগ পর্যন্ত বিজ্ঞানের গবেষণাসংক্রান্ত কাজ এত দিন অত্যন্ত গোপনে রাখা হতো। বর্তমানে মুক্ত দর্শনের দুনিয়ায় ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে এ ধারণা। এখন ওয়েবসাইটে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক গবেষণার প্রাথমিক দিকগুলো নিয়ে মুক্ত আলোচনা করা হয়, যাতে গবেষণার কাজটিতে সবাই সহযোগিতা করতে পারে। পাঠ্যপুস্তক কিংবা শিক্ষাবিষয়ক উপাদানের ক্ষেত্রেও এখন মুক্ত দর্শন বেশ জনপ্রিয়। মুক্ত সোর্স প্রকল্পের অধীনে বর্তমানে সিলেবাস, শিক্ষাকার্যক্রম ইত্যাদি বিনা মূল্যে পাওয়া যায়। বিশ্বের সেরা অনেক বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের শিক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় মুক্ত সোর্সওয়্যারের মাধ্যমে প্রকাশ করে। এ ছাড়া মুক্ত দর্শনের মাধ্যমে বর্তমানে বিভিন্ন প্রকাশনাও প্রকাশিত হচ্ছে। এসবের মধ্যে স্বত্বত্যাগ (কপি লেফট) ও সৃৃজনী সাধারণ (ক্রিয়েটিভ কমনস) লাইসেন্স ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে।
মুক্ত সফটওয়্যার পাওয়া যায় ডিজিটালজগতে স্বাধীনভাবে কাজ করার স্বাদ। নিজের ভাষা নিজের দেশের উপযোগী কাজের জন্য মুক্ত সফটওয়্যার সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য।তাই এর প্রসার বাড়ুক, এটাই প্রত্যাশা।

মুক্ত দর্শনের সফলতা
উইকিপিডিয়া: জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব তথ্য একই স্থানে সংকলন করার উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে শুরু করা এই অনলাইন বিশ্বকোষটি অংশগ্রহণকারীর অবদানের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে থাকে। বর্তমানে উইকিপিডিয়ায় নিবন্ধের সংখ্যা এক কোটি ৬০ লাখ।
প্রজেক্ট গুটেনবার্গ: বেশ অনেক দিন আগে থেকে চালু হওয়া এই প্রকল্পটি অনলাইন মুক্ত গ্রন্থাগারের প্রথম উদাহরণ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সর্বপ্রথম বিনা মূল্যে বইয়ের ইলেকট্রনিক সংস্করণ বিতরণের সুযোগ দেওয়া হয়। বর্তমানে এখানে ৩৩ হাজারেরও বেশি বই রয়েছে।
লিনাক্স: সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তৈরি মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম।
অ্যানড্রয়েড: অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোন চালানোর মুক্ত সফটওয়্যার। গুগল এই প্রকল্পটি চালু করেছে।
মোজিলা ফায়ারফক্স: অন্যতম সফল মুক্ত সোর্স প্রকল্প। ওয়েব ব্রাউজারের ব্যবহারকারীদের জনপ্রিয়তার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এটি। ওপেন অফিস ডট অর্গ: কম্পিউটারে ব্যবহূত দৈনন্দিন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে ওপন অফিস বেশ জনপ্রিয়।

Predators (2010)

http://s2.postimage.org/it_or.jpg

পার্ট ১

পার্ট ২

পার্ট ৩

Password

mediafiremoviez.com

আমি দিয়ে দিলাম । ব্লু রে রিপ:
    http://bit.ly/pdtrsbrfs1

    http://bit.ly/pdtrsbrfs2

    http://bit.ly/pdtrsbrfs3

কিছু নিয়ম মেনে চললে ল্যাপটপের পারফরমেন্স ভালো হয়।
-ব্যাটারি দিয়ে ল্যাপটপ চালানো না লাগলেও ২/৩ সপ্তাহে মাঝে মাঝে ব্যাটারি থেকে চালাতে হবে, নতুবা ব্যাটারি আয়ু কমে যাবে।
-ব্যাটারিতে ল্যাপটপ চালানোর সময় স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন।
-মাঝে মাঝে ব্যাটারির কানেক্টর লাইন পরিষ্কার করুন।
-ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন।
-দরকারি ছাড়া অন্য উইন্ডোগুলো মিনিমাইজ করে রাখুন।
-হার্ডডিস্ক থেকে মুভি-গান প্লে করুন, কারণ সিডি/ডিভিডি র‌্যাম অনেক বেশি পাওয়ার নেয়।
-এয়ার ভেন্টের পথ খোলা রাখুন, সহজে বাতাস চলাচল করে এমনভাবে ল্যাপটপ পজিশনিং করুন, সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখবেন না।
-শাট ডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট অপশন ইউজ করুন।
-ব্লু-টুথ ও ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন।
-হার্ডডিস্ক ও সিপিইউ-এর মেইনটেন্যান্সে কোনো কাজ করবেন না।
-অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করুন।
-মাঝে মাঝে মেমোরি ক্লিনের জন্য Ram Cleaner, Ram Optimi“er, Mem Monster, Free Up Ram, Super Ram
নিয়মমাফিক ডিফ্রাগমেন্ট করুন।
-আপাতত দরকার নেই এমন প্রোগ্রাম আনইনস্টল করুন।