মূল পোস্ট টা রংধনু এর মেহেদী ভাই এর।

এখানে ক্লিক।

৭৭৭

(৪ replies, posted in মোবাইল)

Game---Assassin's Creed II(Java) এটা দেখেছো ? এখানে exe থাকবে কেন এটা মোবাইল এর গেম !!!!!!!!!!!!!!!

তোমার আরও পোস্ট চাই

৭৭৯

(৪ replies, posted in মোবাইল)

ডাউনলোড করে unzip করে ইন্সটল কর, বাকি কাজ তো পারবেই।

http://s2.postimage.org/Q7iXi.jpg


বিশ্বকাপের এই লোগোটির নকশা প্রণয়ন করেছে  অষ্ট্রেলিয়ান কোম্পানি  Witekite।

জমাকৃত ১২ টি নকশা হতে আইসিসি এই লোগোটি পছন্দ করেছে।

আগামী বছরের ১৯ এ ফ্রেব্রুয়ারী হতে শুরু হবে বিশ্বকাপ ক্রিকেট আর প্রথম ম্যাচ হবে বাংলাদেশ আর ভারতের মাঝে আর ভেন্যু হচ্ছে ঢাকা।আর বাংলাদেশে  মোট আটটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।ক্রিকেট ফ্যানরা পুরো বিশ্বকাপের ম্যাচ সিডিউল পাবেন নিচের  লিংক হতে ডাউনলোড করে নিন তাড়াতাড়ি।

বিশ্বকাপের সিডিউল

www.bangladesh.gov.bd-- Ministry & governmental organizations.

www.pmo-gov.bd -- It is the Prime-minister’s website.

www.bgpress.gov.bd--  All of the weekly and monthly Gadgets.

www.cabinet.gov.bd--  Ministry of Bangladesh.

www.bdlaws.gov.bd -- Laws & ordinance.

www.dip.gov.bd--  Resources of the Passport Assistance.

কুর-আন শরীফের সম্পূর্ণ বাংলা অনুবাদ (আরবী লেহান ছাড়া) মাওলানা মুহিউদ্দিন খান এর তাফসীরে মারেফুল কুর-আন এর বঙ্গানুবাদ পড়ুন । যেটা  বাজারে আগে 500টাকার মত। আর পার্ট হিসেবে কিনতে গেলে 1000 টাকার বেশি পড়বে । ওয়েবসাইট এই লিংক-এ

ডাউনলোড লিংক---mediafire লিংক।

1।  লিংক

2। লিংক

password- doridro.com

নোকিয়া সেট এর কিছু ওয়াল পেপার র্লিংক দিলাম । ডাউনলোড করুন । 48 ঘন্টার জন্য। Nokia_5800_Wallpaper_Pack1.rar - 18.9 Mb

৭৮৫

(৪ replies, posted in মোবাইল)

ডাউনলোড করুন আর খেলুন।
download link---384kb

গত ঈদুল ফিতরে যে অন্যদিন ম্যাগাজিন এর ঈদসংখ্যা বের হয়েছে তাতে হুমায়ন আহমেদের হিমুকে নিয়ে লেখা হিমুর আছে জল   উপন্যাসটি প্রকাশ করা হয়েছে। ডাউনলোড করে পড়ুন
এখান থেকে----

যার যে বই পছন্দ হবে নামাইয়ে রাখুন। লিংক পড়ে কাজ নাও কাজ করতে পারে।

এখানে --

ডাউনলোড লিংক-- এখানে

গল্প কার না পড়তে ভাল লাগে, আমারো লাগে। এখন আর গল্পের বই পড়া হয় না, সিনেমাতে গল্প দেখতেই বেশি ভালো লাগে। big grin
তেমনি চমৎকার গল্প নিয়ে মুভি “দি ইলিউশোনিস্ট”। নাম শুনেই বুঝতে পারছেন গল্পের মুল চরিত্র এক জাদুকর কে নিয়ে। যে একদমই সাধারন পরিবার থেকে উঠে আসা এক অসাধারন মানুষ। যার স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা আছে আর আছে সে স্বপ্নকে বাস্তব করার সাহস। আর তার প্রিয় মানুষটার জন্য ভালবাসা তাকে শক্তি জুগিয়ে যায় সবসময়।

তাই সে এক অসম্ভব কে সম্ভব করার দৃড়-সংকল্প নিয়ে বেরিয়ে পরে বাড়ি ছেড়ে, একা। তার ভালবাসার মানুষটাকে ছেড়ে, কিন্তু তার ভালবাসার জন্যই। সারা পৃথিবী ঘুরে সে শেখে সব সিক্রেট, সব জাদুর, সবই তো আসলে ইলিউশন, দৃষ্টি-বিভ্রম। তার অনেক বছর পর সে তার নিজের শহরে ব্যাক করে। সে এক তাগড়া যুবক, ফুল অফ ইলিউশনস্ এন্ড সিক্রেটস্।

শহরের মানুষ এমন জাদু এর আগে কখনোই দেখেনি, হতবাক তারা ইলুশনিস্ট এর ইলিউশন দেখে। এদিকে তার ভালবাসার মানুষটাও আজ এক পরিপূর্ন নারী, রাজপুত্রের সাথে তার বাগদান হবার কথা শিঘ্রী। রাজপুত্র তার হবু বাগদত্তাকে নিয়ে আসে জাদুকরের শো দেখতে। ভলান্টিয়ার হিসেবে সেই মেয়েটি স্টেজে আসে, তার সেই ছোটবেলার ভালোবাসার মানুষটাকে তার চিনতে সময় লাগেনা। শুরু হয় ভালোবাসার নতুন পর্ব। রাজপুত্রের চক্ষুশুল হয়ে পরে জাদুকর, রাজপুত্রের হাতে সব ক্ষমতা আর যুবকের সম্বল তার ইলিউশন, তার ভালোবাসা। সে কি পারবে, তার ভালোবাসার মানুষটাকে জয় করতে এই ক্ষমতালোভী অহংকারী আর প্রতিশোধ-পরায়ন এই রাজপুত্রের হাত থেকে? বাকিটা আমি আর না বলি, দেখে ফেলেন নিজেই মুভিটা। কোন দিক দিয়ে সময় চলে যাবে বুঝতেই পারবেন না, শেষ দৃশ্য দেখা না পর্যন্ত।

সত্যিই ভালোবাসলে অসম্ভব বলে কিছু নেই, আছে??

মুভিটা দেখে আমাকে জানাবেন আপনার কেমন লাগলো, আশা করছি একমত হবেন আমার সাথে এটা যে, গল্পটা আপনার অসাধারন লেগেছে। আর বোনাস হিসেবে অসাধারন সব জাদু তো আছেই.

part 1 204mb

part 2 203mb

৬ নভেম্বর (রেডিও তেহরান) : মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ভারত সফরের বিরুদ্ধে দেশটিতে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। ভারতের মুসলমান জনগোষ্ঠি এবং ভুপাল গ্যাস বিস্ফোরণে নিহতদের আত্মীয় স্বজন মার্কিন বিরোধী বিক্ষোভ করেছেন।
রাজধানী নয়াদিল্লী, লক্ষ্ণৌ ও কোলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মুসলমান মার্কিন বিরোধী বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় বিক্ষোভকারীদের হাতে 'ওবামা ফিরে যাও', 'মুসলমানদের বিরক্ত করো না', 'আমেরিকার চর ধ্বংস হোক' লেখা প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে। ভারতের মুসলিম বিক্ষোভকারীরা মার্কিন পতাকা পদদলিত ও অগ্নিসংযোগ করে এবং ওবামার কুশপুত্তলিকা দাহ করে।
এছাড়া মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভুপালে হাজার হাজার মানুষ মার্কিন বিরোধী বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে লেখা এক খোলা চিঠিতে বলেছেন, "গত ২৬ বছরে ভুপালে ইউনিয়ন কার্বাইড কারখানার বিষাক্ত গ্যাস নিঃসরণের ফলে ২০ হাজারেরও বেশী নিরীহ মানুষ প্রাণ হারালেও ওবামাসহ কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ সম্পর্কে একটি কথাও বলেননি?" নয়াদিল্লীতে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে ওবামাকে লেখা খোলাচিঠিতে ভুপালের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ আরো বলেছেন, "এ বিষয়টি প্রমাণ করে ওবামা তার পূর্বসূরীদের মতো ইউনিয়ন কার্বাইড কর্পোরেশন বা ইউসিসি এবং তার সাবেক চেয়ারম্যান ওয়ারেন এন্ডারসনকে রক্ষা করতে চান।"
এদিকে ভুপালের বিক্ষোভকারীরা আজ বলেছেন, ওবামা ইউসিসিকে ভুপাল দুর্ঘটনার দায় স্বীকার করাতে ব্যর্থ হলেও তিনি এবার ২৫০টি মার্কিন কোম্পানীর প্রধানদের নিয়ে এসেছেন ভারতের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ভুপাল গ্যাস বিস্ফোরণে নিহতদের ক্ষতিপূরণ কবে পাবেন- সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।
মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান ইউসিসি'র সাবেক চেয়ারম্যান এন্ডারসনকে বিচারের জন্য ভারতের হাতে তুলে দিতে বারাক ওবামার সফরকে কাজে লাগানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
১৯৮৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ভুপালে মার্কিন কোম্পানী ইউসিসি'র কারখানায় বিস্ফোরণের ফলে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনায় হতাহতের ঘটনা কখনোই সরকারীভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে হাসপাতাল সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, তাৎক্ষণিকভাবে এবং পরবর্তী সময়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ নিহত এবং অপর ৫ লাখ ৭০ হাজার মানুষ আহত ও শারিরীকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
sutro

ফেইসবুকে স্বাধীনভাবে তথ্য শেয়ার করার জন্য groups ফিচারটি খুবই কার্যকর। অনেক ফেইসবুক ব্যবহারকারীরই অপরিচিত ফেইসবুক বন্ধু রয়েছে। আবার অনেকের নিকটজনরাও ফেইসবুকে বন্ধু হিসেবে রয়েছে। ফলে সাইটটিতে অনেক ব্যবহারকারীই সব ধরনের তথ্য শেয়ার করতে পারেন না। তবে ফেইসবুকের groups ফিচার ব্যবহার করে বন্ধুদের গ্রুপভিত্তিক ভাগ করেও তথ্য শেয়ার করতে পারেন। ফেইসবুকে গ্রুপস তৈরি করার জন্য www.facebook.com/groups.php ঠিকানায় যেতে হবে। :কোলাকুলি:  :দিবাস্বপ্ন:

http://s1.postimage.org/2S_AS.jpg


নকিয়া ফোনের জন্য নিজস্ব অ্যাপ্লিকেশন বাজারে এনেছে ওপেনসোর্সভিত্তিক ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম 'ওয়ার্ডপ্রেস'। এ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যে কেউ ওয়ার্ডপ্রেসে নির্মিত ব্লগে তথ্য যোগ করতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ব্লগিংকে আরো সহজ করার জন্য তারা সব সময় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মোবাইল ফোন থেকেই সহজ ব্লগিংয়ের জন্য এর আগে তারা গুগলের অ্যানড্রয়েড, অ্যাপলের আইফোন ও রিমের ব্ল্যাকবেরি হ্যান্ডসেটের জন্য অ্যাপ্লিকেশন বাজারে এনেছিল। এবার নকিয়া ব্যবহারকারীদের জন্যও তাদের নিজস্ব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা হয়েছে। ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে হোস্ট করা এবং নিজস্ব সার্ভারে হোস্ট করে ওয়ার্ডপ্রেস প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা_উভয় ব্লগেই এ অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে কনটেন্ট যুক্ত করা যাবে। অন্যান্য হ্যান্ডসেটের জন্যও উন্নত অ্যাপ্লিকেশন শিগগিরই বাজারে আসবে বলে ওয়ার্ডপ্রেস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। নকিয়ার অভি স্টোর থেকে অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করা যাবে। :অবাক:  :অবাক:  (y)

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে অনেকেরই, অনেকে আছেন ঝুঁকির মধ্যে। লিখেছেন রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ও অধ্যাপক ডা. জাকির হোসেন
আগে ধারণা করা হতো, রক্ত যকৃত বা লিভার থেকে সারা দেহে প্রবাহিত হয়। কিন্তু লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি প্রমাণ করেন, রক্ত যকৃত থেকে নয়, হৃৎপিণ্ড থেকে সারা দেহে প্রবাহিত হয়। পরবর্তী সময়ে চিকিৎসকরা বের করেন রক্তনালির গায়ে রক্ত যে চাপ দেয়, তা একেকজনের দেহে একেক রকম। বিশেষ করে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে তা বেশ বেশি।

হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ কী
ধমনির মধ্য দিয়ে রক্ত তীব্রগতিতে চলাচল করে। ধমনির ভেতর দিয়ে রক্ত চলাচলের সময় ধমনির দেয়ালে যে চাপ প্রয়োগ করে, তাকেই রক্তচাপ বলে। মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ ১২০/৮০ মি.মি. অব মারকারির মতো। বয়স ও লিঙ্গভেদে রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে কম বা বেশি হতে পারে। স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হওয়াকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলে। সাধারণত রক্তচাপ ১৪০/৯০-এর সমান বা বেশি হলে তাকে হাইপারটেনশন বলে।

রক্তচাপ পরিমাপ
১৭০০ সালের দিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা প্রাণী দেহে উচ্চ রক্তচাপের বিষয়টি আবিষ্কার করেন। এরপর থেকে তাঁরা মানুষের দেহে রক্তচাপ পরিমাপ করার চেষ্টা করতে থাকেন। ১৮৬৩ সালে স্ফিগনোগ্রাফ নামক যন্ত্র দিয়ে রক্তচাপ মাপার চেষ্টা করেন। সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরবর্তী সময়ে ১৮৯৮ সালে স্ফিগমোম্যানোমিটার নামক রক্তচাপ মাপার যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়, এখনো পর্যন্ত চিকিৎসকরা এর ওপরই বেশি নির্ভর করেন। ১৯০৫ সালে রাশিয়ান শল্যবিদ নিকোলাই করোটকফ রক্তচাপ পরিমাপের আধুনিক পদ্ধতি প্রবর্তন করেন। এর ফলে উন্নতি হয় চিকিৎসা ব্যবস্থায়।

উচ্চ রক্তচাপ ও বাংলাদেশ
বর্তমানে বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীর হার ১১.৩০ শতাংশ। বৃদ্ধ বয়সে শতকরা প্রায় ৪৫ শতাংশ মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন। আমাদের দেশের প্রায় ৪৫ শতাংশ উচ্চ রক্তচাপের রোগী নিয়মিত চিকিৎসা নেন না। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ, জনসচেতনতা ইত্যাদির কারণে এ দেশে সংক্রামক রোগগুলো কমে এলেও বাড়ছে অসংক্রামক রোগ। যেমন_ডায়াবেটিস, স্ট্রোক ও উচ্চ রক্তচাপ। এর কারণ অতিরিক্ত ব্যস্ততা, ফাস্টফুডে আসক্তি, অতিরিক্ত টেনশন, কোমল পানীয় পান, শ্রমবিমুখ মানসিকতা, তৈলাক্ত খাবার গ্রহণ ইত্যাদি।

উচ্চ রক্তচাপের কারণ
কারণ ধরে উচ্চ রক্তচাপকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি। প্রাইমারি কারণগুলো এখনো অজানা। মজার ব্যাপার হলো, সিংহ ভাগ উচ্চ রক্তচাপের কারণ এখনো জানা যায়নি। অল্প কিছু রোগীর ক্ষেত্রে কারণ জানা যায়। যেমন_কিডনির কিছু সমস্যা, হরমোনজনিত সমস্যা ইত্যাদি। সেকেন্ডারি রক্তচাপ বলে সেগুলোকে, যার কারণ জানা যায়। যেমন_ধমনিগাত্র সরু হয়ে যাওয়া।
উপসর্গ
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের তেমন কোনো উপসর্গ থাকে না। উচ্চ রক্তচাপজনিত জটিলতা দেখা দিলে কেবল তখনই কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন_মাথাব্যথা, বুক ধড়ফড় করা, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা বা হঠাৎ টলে পড়ে যাওয়া ইত্যাদি।

চিকিৎসা
চিকিৎসকরা উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় নানা পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছেন। প্রথম দিকে চীনা চিকিৎসকরা উচ্চ রক্তচাপ চিকিৎসায় আকুপাংচার পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। অনেক দেশে তখন রোগীরা শরীর কেটে রক্ত বের করে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থ চেষ্টা করেন। ওষুধ দিয়ে পায়খানার পরিমাণ বাড়িয়েও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়। উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে বিজ্ঞানীরা সফলভাবে নানা পদ্ধতি প্রয়োগ করেন। এখন ডাক্তাররা উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা সাধারণত দুভাবে করেন। ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা এবং জীবনযাপনের পদ্ধতি পরিবর্তনের মাধ্যমে চিকিৎসা। বর্তমানে বাজারে বেশ কয়েক ধরনের ওষুধ পাওয়া যায়।
বাংলাদেশেই উৎপাদিত হয় বলে এসব ওষুধের দাম অনেক কম। তা ছাড়া প্রায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত হওয়ায় এসব ওষুধ সারা জীবন গ্রহণ করলেও কোনো সমস্যা হয় না। একেকজনের শারীরিক অবস্থাভেদে একেক ধরনের ওষুধ দেওয়া হয়। তবে সবচেয়ে ভালো হলো জীবনযাত্রার ধরণ পরিবর্তন করে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা। এর মধ্যে রয়েছে চর্বি-জাতীয় খাবার পরিহার, কায়িক পরিশ্রম বাড়ানো, টেনশন কমিয়ে ফেলা, ধূমপান পরিহার করা, প্রচুর শাকসবজি খাওয়া, প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা ইত্যাদি। এ সব কিছু করার পরও যদি হাইপারটেনশন না কমে, তাহলে ওষুধ খাওয়া ছাড়া আর বিকল্প থাকবে না।

উচ্চ রক্তচাপের জটিলতা
উচ্চ রক্তচাপ নিজে যেহেতু কোনো উপসর্গ তৈরি করে না, তাই নীরবে এটি অনেক জটিলতার সৃষ্টি করে। দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের ফলে স্ট্রোক, হার্টঅ্যাটাক, কিডনি ফেইলিওর, অন্ধত্বসহ রক্তনালির অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করে। এসব সমস্যায় কেউ আক্রান্ত হয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় যখন উপনীত হন, তখন জানতে পারেন তিনি আগে থেকেই উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত।

হাইপারটেনশন সেন্টার
বাংলাদেশের উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের চিকিৎসা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রথম এগিয়ে আসেন মরহুম অধ্যাপক ডা. এস জি এম চৌধুরী। তাঁর প্রচেষ্টায় ১৯৮৩ সালে বেসরকারিভাবে প্রথম হাইপারটেনশন সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকায়। এখানে প্রতিদিন ৫০-৬০ জন রোগী অত্যন্ত স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা নিয়ে থাকেন। উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠান এখনো কাজ করছে। ঢাকার বাইরে ২০০৮ সালে রংপুরে আরো একটি হাইপারটেনশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়। ডা. ওয়াছিম-ওয়ালেদা বহুমুখী কল্যাণ ফাউন্ডেশন পরিচালিত অলাভজনক স্বাস্থ্যসেবামূলক প্রতিষ্ঠান এটি।
হাইপারটেনশন সেন্টার তৈরির উদ্দেশ্য হলো এক ছাতার নিচে হাইপারটেনশন রোগীদের নামমাত্র মূল্যে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা প্রদান করা। হাইপারটেনশন সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য এসব সেন্টার থেকে বিভিন্ন সময় বৈজ্ঞানিক আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা, ফ্রি রক্তচাপ পরিমাপ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ধনী-গরিব নির্বেশেষে সবার চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ থাকায় সারা দেশে এ ধরনের হাইপারটেনশন সেন্টার স্থাপন করা জরুরি।

লেখক : অনারারি পরিচালক
হাইপারটেনশন সেন্টার, রংপুর
অনুলিখন : ডা. সাকলায়েন রাসেল

উচ্চ রক্তচাপ ও কিছু ভুল ধারণা

- অনেকে মনে করেন উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ একবার খেলে সারা জীবন খেতে হবে, তাই অনেক রোগী ওষুধ খেতে চান না। এটা ঠিক নয়। কেননা শরীর যদি নিজে থেকে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে তাহলে অবশ্যই ওষুধের সাহায্য নিতে হবে। অন্যথায় আপনি বিলম্ব করলেও বাড়তি রক্তচাপ আপনার ক্ষতিসাধন করতে মোটেও বিলম্ব করবে না।
- কাঁচা লবণ খেলে প্রেশার বাড়ে, তাই লবণ ভেজে খাওয়া ভালো। এটাও একদম ভুল কথা। লবণ ভেজে খান আর তরকারিতে খান, মাথাপিছু প্রতিদিন গৃহীত লবণের পরিমাণ যেন ছয় গ্রাম বা পূর্ণ এক চামচের বেশি না হয়।
- প্রেশার কমে গেলে ওষুধ ছেড়ে দেওয়ায় কোনো ক্ষতি নেই_এটাও একটি বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত। মনে রাখতে হবে, ওষুধ খেয়েই প্রেশার নিয়ন্ত্রণে আছে। তাই ওষুধ ছেড়ে দেওয়া মানেই স্ট্রোক, হার্টঅ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেওয়া।
- একবার প্রেশার বেশি পাওয়া মানেই যে প্রেশারের রোগী_তা কিন্তু নয়। পর পর তিন দিন সুস্থ-স্বাভাবিক অবস্থায় যদি প্রেশার বেশি পাওয়া যায়, তবে ধরে নিতে হবে আপনার প্রেশার বেশি। নানা কারণে হঠাৎ এক-আধটু প্রেশার বাড়তে পারে। তবে উচ্চ রক্তচাপের রোগী বলতে হলে প্রেশার পর পর তিন দিন মাপাতে হবে।
- ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেশার। কখনোই না। কারণ নানা কারণে ঘাড়ে ব্যথা হয়। খুব কম ক্ষেত্রেই প্রেশারের আধিক্যে ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে।

http://s1.postimage.org/2P_10.jpg


আধুনিক মোবাইল হ্যান্ডসেটে এখন কম্পিউটারের অনেক কাজ সেরে নেওয়া যায়। এসব কাজের জন্য ইন্টারনেটে প্রচুর অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে, যেগুলো ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায়। জনপ্রিয় ও কাজের সেরা সাত অ্যাপ্লিকেশন সম্পর্কে জানাচ্ছেন রিপন রায়হান
অপেরা মিনি
তরুণ প্রজন্মের কাছে স্মার্টফোন মানেই ইন্টারনেট ব্রাউজিং ডিভাইস। স্মার্টফোনে 'ডিফল্ট' ব্রাউজার দেওয়া থাকলেও তাতে থাকে নানা সীমাবদ্ধতা। মোবাইলে কম্পিউটারের মতো ইন্টারনেট ব্রাউজিং 'এঙ্পেরিয়েন্স' দিতে পারে একমাত্র অপেরা মিনি। এইচটিএমএল সমর্থক এ ব্রাউজারের ডাউনলোড ম্যানেজার দিয়ে বিভিন্ন ফাইলও সহজে ডাউনলোড করা যায়। ওয়েবপেইজ লোড করার সময় এটি 'কমপ্রেস' প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এতে বিটম্যাপ সমর্থন থাকায় বাংলা ভাষার ওয়েবসাইটও দেখা সম্ভব। অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করা যাবে www.operamini.com থেকে।

গুগল ল্যাটিটিউড
সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের কম্পিউটার সফটওয়্যার 'গুগল ম্যাপস'-এর বেশির ভাগ সুবিধাই রয়েছে এ অ্যাপ্লিকেশনে। এর মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আপনার তাৎক্ষণিক অবস্থান জেনে নিতে পারবেন আরেকজন। এ জন্য তাকে গুগল ল্যাটিটিউড অ্যাপ্লিকেশনে আপনার বন্ধু হিসেবে শনাক্ত করে দিতে হবে। এ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে সেই বন্ধুকে এসএমএস ও এমএমএস পাঠানোর সুযোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে বন্ধুর সঙ্গে চ্যাটও করা যাবে। অ্যাপ্লিকেশনটি www.google.com/latitude থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

স্কাইপি
ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনা মূল্যে কথা বলার জন্য 'স্কাইপি' বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় একটি অ্যাপ্লিকেশন। শুধু কম্পিউটার নয়, এটি মোবাইল ফোন থেকেও ব্যবহার করা যায়। কম্পিউটার সংস্করণের প্রায় সব সুবিধাই এতে রয়েছে। টেঙ্ট চ্যাটিং, ফাইল আদান-প্রদান এবং অন্যান্য সাইটের লিংকও এতে শেয়ার করা যায়। অ্যাপ্লিকেশনটি http://m.skype.com থেকে ডাউনলোড করা যাবে। তবে অ্যাপ্লিকেশনটি অবশ্যই মোবাইল ফোনের বিল্ট-ইন ব্রাউজার দিয়ে ডাউনলোড করতে হবে। অপেরা মিনি বা ডাউনলোড করে নেওয়া কোনো ব্রাউজার দিয়ে অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করা যাবে না।

ইউসি ব্রাউজার
মোবাইল ফোনে ডাউনলোডের জন্য সবচেয়ে আদর্শ ব্রাউজার 'ইউসি'। এতে একসঙ্গে একাধিক ট্যাবে ব্রাউজিং, ওয়েবসাইটের কনটেন্ট কপি-পেস্ট, বুকমার্ক সিনক্রোনাইজিং, ফ্ল্যাশ সমর্থন এবং শর্টকাট ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। থিম পরিবর্তন করে এর 'আউটলুক'ও নিজের পছন্দমতো করে নিতে পারেন। www.ucweb.com/English থেকে ব্রাউজারটি ডাউনলোড করা যাবে।

স্কাইফায়ার
ইন্টারনেটের ধীরগতির কারণে আমাদের দেশে মোবাইলে ইউটিউব ভিডিও দেখা দুষ্কর। তবে স্কাইফায়ার সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে পছন্দমতো রেজ্যুলেশন নির্বাচন করে ভিডিও দেখা যায়। এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে ফেইসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ সাইটেও ভিডিও শেয়ার করা যায়। অ্যানড্রয়েড, উইন্ডোজ ও সিমবিয়ান অপরেটিং সিস্টেমের জন্য এর আলাদা সংস্করণ রয়েছে। www.skyfire.com থেকে অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করা যাবে।

এঙ্প্লোর
মোবাইল ফোনে ফাইল দেখা, সম্পাদনা করা এবং জিপ-আনজিপ করার জন্য কোনো অপারেটিং সিস্টেমেই ডিফল্ট অ্যাপ্লিকেশন নেই। এ ক্ষেত্রে 'এঙ্প্লোর' যথেষ্ট কার্যকর অ্যাপ্লিকেশন। এর মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ফোল্ডার-ফাইল, টেঙ্ট, ছবি ও ফাইল ডিটেইলস দেখা, ফাইল ডিলিট ও রিনেম করা, ফোল্ডার তৈরি করা, ফাইল কপি ও মুভ করা, ব্লুটুথ দিয়ে ফাইল অন্য মোবাইলে পাঠানো, জিপ ও রার ফাইল আর্কাইভ থেকে এঙ্ট্রাক্ট করা, মাইক্রোসফট অফিসের ফাইল দেখাসহ সব ফাইল ব্যবস্থাপনার কাজ করা যাবে। http://bit.ly/x-ploresoft থেকে অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করা যাবে। ফাইলটি কম্পিউটারের মাধ্যমে ডাউনলোড করে আনজিপ করতে হবে। এরপর .ংরং ফাইলটি মোবাইলে ইনস্টল এবং কিজেন জেনারেটরের মাধ্যমে মোবাইল আইএমইআই দিয়ে সিরিয়াল নাম্বার বের করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

ই-বাড্ডি
মোবাইল ফোনে চ্যাট করার জন্য ই-বাড্ডি একটি জনপ্রিয় সফটওয়্যার। এতে এমএসএন, ইয়াহু, এইম, আইসিকিউ, গুগল টক ও ফেইসবুক বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট করার সুযোগ রয়েছে। হালকা সফটওয়্যার হওয়ায় এতে তথ্য আদান-প্রদানে সময়ও অনেক কম লাগে। তাই ইন্টারনেটের খরচও অনেক কম পড়ে। www.ebuddy.com থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে।

http://s1.postimage.org/2NWjA.jpg


হটমেইল থেকেই জিমেইল, ইয়াহুর মেইল ইনবঙ্ দেখার সুবিধা চালু করেছে মাইক্রোসফট।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, যাঁরা একাধিক ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করেন, তাঁদের মেইল ইনবঙ্ পরীক্ষার জন্যও আলাদা সব কটি ঠিকানায়ই লগ-ইন করতে হয়। হটমেইল ব্যবহারকারীরা যাতে একের মধ্যেই সব মেইল পরীক্ষা করতে পারেন সে জন্য আমরা বিশেষ এ সুবিধা চালু করেছি।
নতুন এ সুবিধার মাধ্যমে হটমেইল থেকেই জিমেইল, ইয়াহুসহ অন্য সব মেইলে ইমেইল ইনবঙ্ পরীক্ষার পাশাপাশি মেইল পাঠানোর সুবিধাও পাওয়া যাবে। নতুন এ সুবিধা ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীদের হটমেইলের সেটিংস অপশন থেকে অন্যান্য মেইল ক্লায়েন্টের ঠিকানা ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ভ্যালিড করতে হবে। এরপর হটমেইলে লগ-ইন করার সঙ্গে সঙ্গে অন্য মেইলগুলোও লগ-ইন হয়ে যাবে এবং পপ সুবিধার মাধ্যমে সেসব মেইল পরীক্ষাও করতে পারবেন।
sutro

সার্চ ইঞ্জিনের তালিকায় যোগ হচ্ছে নতুন সার্চ ইঞ্জিন ব্লেকো। ইতিমধ্যে বাজারে এসেছে সার্চ ইঞ্জিনটির পরীক্ষামূলক সংস্করণ। ব্লেকোর প্রধান নির্বাহী রিচ স্ক্রেনটা জানান, ব্লেকো ডট কমে ব্যবহারকারীরা এমন অনেক সুবিধা পাবেন, যা অন্য সার্চ ইঞ্জিনে সম্ভব নয়। এই সার্চ ইঞ্জিনে রয়েছে 'স্ল্যাশট্যাগ' নামের ফিল্টারিং টুল, যেটির সাহায্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্প্যামমুক্ত সাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যাবে। :কোলাকুলি:

ব্যবহারকারীরা কম্পিউটারে বিভিন্ন স্ক্রিনসেভার সেট করে রাখেন। স্ক্রিনসেভারগুলো কম্পিউটারে নির্দিষ্ট সময় কোনো কাজ না হলে প্রদর্শিত হয়ে থাকে। অনলাইনে ড্যান্সিং স্ক্রিনসেভারটি বেশ আলোচিত। বিভিন্ন ছবি দিয়ে এটি তৈরি করা। স্ক্রিনসেভার হিসেবে এটি সেট করার পর একের পর এক ছবি ভেসে উঠবে কম্পিউটারে। এখান থেকে স্ক্রিনসেভারটি ডাউনলোড করা যাবে।

এছাড়াও আরও স্ক্রীন সেভার ডাউনলোড করুন এখান থেকে।

উপল কে ধন্যবাদ, তৌফিক কে বলছি EUSUS এর লিংক তাও দাও।

"হে কবি!নীরব কেন-ফাল্গুন যে এসেছে ধরায়,
বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?"
কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-
"দখিন দুয়ার গেছে খুলি?
বাতাবী নেবুর ফুল ফুটেছে কি?ফুটেছে কি আমের মুকুল?
দখিনা সমীর তার গন্ধে গন্ধে হয়েছে কি অধীর আকুল?"

"এখনো দেখনি তুমি?" কহিলাম"কেন কবি আজ
এমন উন্মনা তুমি?কোথা তব নব পুষ্পসাজ?"
কহিল সে সুদূরে চাহিয়া-
"অলখের পাথার বাহিয়া
তরী তার এসেছে কি?বেজেছে কি আগমনী গান?
ডেকেছে কি সে আমারে?-শুনি নাই,রাখিনি সন্ধান।"

কহিলাম"ওগো কবি,রচিয়া লহ না আজও গীতি,
বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি-এ মোর মিনতি।"
কহিল সে মৃদু মধুস্বরে-
"নাই হ'ল,না হোক এবারে-
আমার গাহিতে গান!বসন্তরে আনিতে ধরিয়া-
রহেনি,সে ভুলেনি তো,এসেছে তো ফাল্গুন স্মরিয়া।"

কহিলাম"ওগো কবি,অভিমান করেছ কি তাই?
যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই।"
কহিল সে পরম হেলায়-
"বৃথা কেন?ফাগুন বেলায়
ফুল কি ফোটে নি শাখে?পুষ্পারতি লভে নি কি ঋতুর রাজন?
মাধবী কুঁড়ির বুকে গন্ধ নাহি?করে নি সে অর্ঘ্য বিরচন?"

"হোক,তবু বসন্তের প্রতি কেন এই তব তীব্র বিমুখতা?"
কহিলাম"উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা?"
কহিল সে কাছে সরি আসি-
"কুহেলী উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী-
গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে
রিক্ত হস্তে।তাহারেই পড়ে মনে,ভুলিতে পারি না কোন মতে।"

আসলেই