HDL বাড়াতে হলে ব্যায়াম এর কোনও বিকল্প নাই । ছেলেদের HDL >40 এমজি/ডিএল এর বেশি থাকা বাঞ্ছনিও ।
TG কমাতে হলে ভাত কম খেতে হবে ।

চালিয়ে  দেখো

http://s3.postimage.org/23ravoflw/epic.jpg

ইন্টারনেটে ব্রাউজিং করার ক্ষেত্রে আপনার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মজিলা ফায়ারফক্স, গুগল ক্রোম, অপেরা ইত্যাদি ব্রাউজার ব্যাবহার করে থাকি। কারো কাছে ক্রোম হলো ফার্স্ট আবার কারো কাছে মজিলা ফায়ারফক্স ফার্স্ট / ভালো ব্রাউজার। ব্রাউজারগুলোর মাঝে কোনটা লোড হতে সময় বেশী নেয় , আবার কোনটা দ্রতগতিতে লোড হয়।

এবার ভারত প্রথমবারের মতো ওয়েব ব্রাউজার তৈরী করল। ‘এপিক’ নামের ব্রাউজারটি তৈরি করেছে সফটওয়্যার তৈরির প্রতিষ্ঠান হিডেন রিফ্লেক্স। ওপেন সোর্সভিত্তিক ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্স কোডিংয়ের ওপর ভিত্তি করে এপিক তৈরি করা হয়েছে।ফায়ারফক্সের সকল এডঅন এপিক এ ইনস্টল করা যায়। অনেকেই দাবী করছেন “এপিক” হলো এখন সবচেয়ে দ্রুতগতির ওয়েব ব্রাউজার। আপনার নেট স্পীড যদি স্লো হয়, তাহলে আপনি একবার এপিক ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

এপিকের সাইডবারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা জি-মেইল, ইয়াহু মেইল , ভিডিও, সংবাদপত্রের আপডেট, সরাসরি টেলিভিশন সংবাদ, ভারতীয় গান, ক্রিকেট স্কোর আরো অনেক কিছুর আপডেট দেখতে পাবেন।

ব্রাউজারটি www.epicbrowser.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে বিনা মূল্যে ডাউনলোড করা যাবে।

মূল পোস্ট

BitDefender Internet Security 2010 এর key আমার কাছে যে কেও নিতে পারেন, 6 মাস মেয়াদ আছে , আমি 3 মাস ইউজ করেছি , কিন্তু এটি IDM দিয়ে কিছুই download করতে দেই না , তাই এখন Norton চালাচ্ছি ।

রংধনু কই গেল ? তোলপাড় করে এসেছিল আর গেল এভাবে , এটা ঠিক নয় !!  :চিন্তা:

consize বই হিসেবে ভাল , অল্প কথাই অনেক ইনফর্মেশন । তবে আমার কাছে 2nd edition আছে, এটা নামাইয়ে দেখি পার্থক্য কোথায় ?

consize বই হিসেবে ভাল , অল্প কথাই অনেক ইনফর্মেশন । তবে আমার কাছে 2nd edition আছে, এটা নামাইয়ে দেখি পার্থক্য কোথায় ?

Resident Evil এর কইটা পার্ট ?

ভালো গাইনাকোলোজিস্ট এর সাথে Consult করুন ।

কী বই লাগবে তোমার ?

এমো wrote:

আমি একজনের  জন্য এটা জানতে চাচ্ছি...।
মেয়েটির বিয়ে হয়েছে ১মাস ৬ দিন...।বিয়ের  পর তার লাস্ট মাসিক হয়েছে ২দিন আগে।। তার মানে তার প্রেগ্নেন্ট হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই??

কেন ? বিয়ের 2 দিন আগে MC হলে তো pregnant হতে পারে ?

এমো wrote:

শেষ মাসিকের পর পেট এ বেথা করছে...।পেটের ভিতর(তলপেট) চাক চাকা কি একটা যেন আছে মনে হচ্ছে...বসতে কষ্টো হচ্ছে।।
এটা কি হতে পারে।।

নতুন বিবাহিত হলে এরকম প্রবলেম হতে পারে, counseling দরকার ।

এমো wrote:

কিছুদিন আগ থেকে (প্রায় ৩মাস) মাঝে মাঝে পেটের বান পাশ অনেক সময় ডান পাশে বেথে করত অনেক...।ডাক্তার দেখানোর  পর কিছু ঔসধ খাওয়ার পর বেথা কিছুটা কমতো...।।এটা কি হতে পারে।বেথে পেটের ডানে বা বামে কিডনির কাছাকাছি হত

USG করে দেখা উচিত !!! :চিন্তা:

কোন প্রবলেম থাকলে আমাকে জানতে পারেন ।

৭৩৮

(১২ replies, posted in সমস্যা ও সমাধান)

@maruf002,
আপনার কম্পু এর autoplay বন্ধ থাকলে প্রতিবার এই কাজ করতে হবে।

মূল পোস্ট এখানে ,আমি শুধু কপি ও পেস্ট করলাম ।
পোস্টটি পড়ার আগে ধারাবাহিকভাবে আরো দুটি পোস্ট পড়ে নিন (যারা পড়েন নি)
১) এ ঘটনার পর ভবিষ্যতের বাংলাদেশ কী আদৌ ডিজিটাল হবে?
২) আমার তৈরী দি বস লেআউট


মাত্র কিছুদিন আগেই দি বস লেআউট আমি বানিয়ে পাবলিশ করলাম...
জানতাম তেমন কোন অসুবিধায় পড়তে হবে না। সুখবর হল তেমন কোন অসুবিধায় পড়তেও হয় নি।

অনেকেরই অভিযোগ ছিল দি বস লেআউট নামটি অনেকের পছন্দনীয় না। তাই আজ আমি নতুন সাইফের দেওয়া ঐ নাম বাদ দিয়ে নতুন একটি নাম দিয়ে আমার তৈরী দি বস লেআউটের নতুন নামকরণ করছি।

নতুন এই নামটি হলঃ
স্বাধীণ কীবোর্ড

স্বাধীণ কীবোর্ড মুক্তির সাথে সাথে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা হয়েছে।

এটিকে ওপেনসোর্স করে 'মজিলা পাবলিক লাইসেন্স ১.১' লাইসেন্সের অধীণে প্রকাশিত করা হয়েছে। এটি করা হয়েছে কারণ অভ্র'ও একই লাইসেন্সের অধীণে প্রকাশিত।

নতুন একটি ওয়েবসাইট তৈরী করা হয়েছে যেখান থেকে সরাসরি স্বাধীণ কীবোর্ড নামানো যাবে।

স্বাধীণ কীবোর্ডের ওয়েবসাইটঃ
http://code.google.com/p/shadhin/


কীবোর্ডম্যাপ যোগ করা হয়েছে।

_________________________________________
সবার কাছে একান্তু অনুরোধঃ এই লেআউটটিকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন। মোস্তফা জব্বার আন্দাজে পাইরেসি পাইরেসি বললেই তো হবে না...কারণও দেখাতে হবে। কমপক্ষে ৩৫টা কী এর তফাৎ থাকার পরও এই বকবকানি প্রলাপ ছাড়া আর কিই বা বলা যায়!

তাছাড়া লিনাক্সে m17n-db থেকে Unijoy চুরি করে বিজয় এর নামে প্রকাশ করে তিনি নিজেই চুরি করার উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
বিস্তারিত...


উপরোক্ত পোস্টটি মূল লৈখকের নাম উল্লেখপুর্বক সকল জায়গায় শেয়ার করতে অনুরোধ করছি। এছাড়া বিনীত অনুরোধ করছি সাময়িক উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে জনাব জব্বারের নাম বিকৃতকরন ও গালাগালি না করতে। এতে জব্বার সাহেবের কোন ক্ষতি তো হয়ই না বরং নিজের ক্ষতি হয়।

এ আর রহমান এর কিছু সুন্দর রিংটোন আপনাদের সাথে ডাউনলোডের জন্য শেয়ার করলাম।
ডাউনলোড লিংক

Password: arrahman

http://s2.postimage.org/41d2srdw/Yippy.jpg


আমার কাছে সার্চ ইঞ্জিনটি ভালো মনে হয়েছে। আপনি স্বচ্ছন্দে সপরিবারে ব্যবহার করতে পারেন। একটি চেষ্টা করে দেখতে পারেন। ইন্টারনেটে যা কিছু ভালো তার সাথে থাকতে এটি ভালো একটি উপায় হতে পারে।

                                                            www.yippy.com


আপনিও পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

http://s2.postimage.org/40t8clgk/Compaq_CQ40_340_TU_Laptop.jpg

ল্যাপটপের জনপ্রিয়তা দিনদিন বাড়ছে। আমাদের দেশেও এর ব্যবহার আগের যেকোন সময়ের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ল্যাপটপের সার্র্ভিস এবং আয়ু অনেকাংশে নির্ভর করে আপনি ল্যাপটপের যত্ন করছেন কত-তার উপর। আপনার জন্য কিছু টিপস দিলাম, হয়তো আপনার কাজে আসতে পারে...

১। ল্যাপটপের লিড প্রয়োজন ছাড়া বেশি খোলাখুলি করা উচিত না। খোলা এবং বন্ধ করার সময় আস্তে আস্তে যত্ন সহকারে খুলবেন।

২। কোনভাবেই যাতে ধুলিবালি না পড়ে। হালকা নরম কাপড় দিয়ে সবসময় পরিস্কার রাখা উচিত।

৩। ডিসপ্লেতে সাধারণত একটা আলগা প্লাস্টিক লাগানো থাকে। যদদিন পারেন ওই কাভারটা খুলবেন না। কাভারের উপরে ময়লা পড়লে তা হালকা ভাবে নরম কাপড় দিয়ে মুছে নিবেন। মূল ডিসপ্লে তে যেন চাপ না লাগে। কোন প্রকার কেমিক্যালস ব্যবহার না করাই ভাল।

৪। কি-বোর্ড পরিস্কার করার জন্য রংয়ের ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন। ব্যবহার করতে পারেন কী-গার্ড ও। এতে কি-বোর্ড এ ধুলো-ময়লা পড়বেনা। বাজারে খুঁজলেই কী-গার্ড পাবেন, দাম-১০০-২০০ টাকার মধ্যে।

৫। ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় কখনোই কি-বোর্ড এর উপর কলম, পেন-ড্রাইভ, মডেম, মাউচ বা অন্য কোন টুকিটাকি জিনিস রাখবেন না। কারণ একবার এসব রেখে ভুল করে ঢাকনা লাগিয়ে দিলেই ডিসপ্লে শেষ!!!

৬। ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় পানি, চা, কফির গ্লাস/মগ খুব সতর্ককতার সাথে ব্যবহার করবেন।

৭। ল্যাপটপ ব্যবহারের পর চেষ্টা করবেন সম্পূর্ণ ঠান্ডা হবার পর প্যাক আপ করতে বা ব্যাগে ভরতে।

৮। টাচ-প্যাড ব্যবহারের পাশাপাশি এক্সটারনাল/ইউএসবি মাউচ ব্যবহার করতে চেষ্টা করবেন।

৯। ল্যাপটপের সিডি রম/অপটিক্যাল ড্রাইভ খুব সেনসিটিভ। যত কম সম্ভব ব্যবহার করা উচিত এবং কোনভাবেই নিম্নমানের, স্ক্র্যাচ পড়া, ময়লা সিডি ব্যবহার করা উচিত না।

১০। বাসায় ব্যবহারের সময় চেষ্টা করবেন একটি এক্সটারনাল কুলিংপ্যাড ব্যবহার করতে এবং কোনভাবেই বিছানায় এমনভাবে ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না যাতে কুলিং ফ্যানের বাতাস বের হতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। পর্যাপ্ত ভ্যান্টিলেশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

১১। আপনার আদরের সোনামনির নিষ্পাপ হাত থেকে ল্যাপটপকে দূরে রাখুন।

১২। গেমস খেলার সময় উত্তেজনার চাপে যেন কি-বোর্ড এর বারোটা না বাজে সেদিকে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজন হলে এক্সটারনাল কি-বোর্ড ব্যবহার করতে পারেন।

১৩। চেষ্টা করবেন ব্যাটারী ব্যক-আপে চালাতে। অর্থাৎ ফূল-চার্জড হবার পর ইলেক্ট্রিক প্লাগ খুলে রাখবেন। আবার যখন চার্জ ২০% এর নিচে নেমে আসবে তখন চার্জে দিন। মাসে অন্তত একবার ব্যাটারী ৫% এর নিচে নামিয়ে আনবেন। এতে দীর্ঘদিন ব্যাটারী ভাল থাকবে। সারাক্ষণ চার্জে দিয়ে ল্যাপটপ ব্যবহার করা ব্যাটারীরর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

১৪। নেট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অবশ্যই লাইসেন্সড এন্টি-ভাইরাস ব্যবহার করা উচিত। তা সম্ভব না হলে আজে-বাজে এবং অপরিচিত ওয়েব-সাইটে প্রবেশ না করাই ভাল। একটু সতর্ক থাকলে ফ্রী-ভার্সন এন্টি ভাইরাস দিয়েও ল্যাপটপকে ভাইরাসমুক্ত রাখা যায়।

১৫। পেন-ড্রাইভ বা যেকোন ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ব্যবহারের পূর্বে স্ক্যান করে নিন।

১৬। চার্জ দেবার জন্য উন্নতমানের ক্যাবলযুক্ত থ্রি-প্রন (অবশ্যই গ্রাউন্ড কানেকশান সহ) সকেট ব্যবহার করুন, এতে বজ্রপাত বা অন্য কোন ইলেক্ট্রিক সার্জ থেকে ল্যাপটপ নিরাপদ থাকবে।

১৭। সর্বোপরি আপনার ল্যাপটপটি যে ব্র্যান্ডের, সবক্ষেত্রে চেষ্টা করতে ওই কোম্পানীর পরামর্শমত মত এক্সেসসরীজ ব্যবহার করতে।

১৮। কোন ত্রুটি দিলে অভিজ্ঞ টেকনিশয়ান বা এ বিষয়ে যে জানে তার পরামর্শ নিন।

১৯। সব সময় আসল ডিলার, আমদানিকারকের কাছ থেকে ল্যাপটপ কিনুন। তৃতীয় কোন মাধ্যমের কাছ থেকে নয়। অবশ্যই বিশ্বস্ত মাধ্যম বা ব্যক্তি ছাড়া অপরিচিত কারো কাছ থেকে সেকেন্ড-হ্যান্ড নয়।

২০। সর্বশেষ, কখনো সার্ভিসে দিলে অবশ্যই আপনার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এবং বিশেষ করে "গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত একান্ত মুহূর্তের ভিডিও বা ছবিগুলো" সরিয়ে ফেলুন। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কিন্তু সাভিসিং এর জায়গা থেকেই এসব জিনিস ইন্টানেটে ছড়িয়ে পড়ে। সুতরাং অনাকাংখিতভাবে নায়ক হওয়া থেকে নিরাপদ থাকুন!!!!

ল্যাপটপ কোন চাইনিজ মোবাইল না যে যেন-তেন কোম্পানী তৈরী করবে। একেকজনের চাহিদা, প্রয়োজন, বাজেট এবং পছন্দের ভিত্তিতে একেকজন একেক ব্র্যান্ডের ল্যপটপ ব্যবহার করে থাবেন। কিন্তু একটু যত্ন আর সতর্কতার সাথে ব্যবহার করলে আপনার এই মূল্যবান এবং প্রয়োজনীয় জিনিসটি অনেকদিন ব্যবহার করতে পারবেন।

http://s2.postimage.org/40g01tic/koyen.jpg


এক টাকা মূল্যমানের একটি ধাতব মুদ্রা (কয়েন) নিয়ে দেশজুড়ে হইচই শুরু হয়েছে। নানা গুজবের কারণে বিভিন্ন স্থানে বেশি দামে মুদ্রাটি কেনাবেচা হয়েছে। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে কেনাবেচার সময় আটকও হয়েছে ১৬ জন। এই ধাতব মুদ্রার প্রধান উপাদান তামার দাম আন্তর্জাতিক বাজারে খানিকটা বেড়ে যাওয়ার খবরে একটি চক্র এ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। যদিও ইতিমধ্যে বিশ্ববাজারে তামার দাম কমতে শুরু করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, এক টাকার এই মুদ্রার ওজন মাত্র চার গ্রাম। তিনটি ধাতব উপাদানে তৈরি এই মুদ্রায় তামার পরিমাণ ৬৯ শতাংশ, দস্তা ৩০ শতাংশ ও টিন ১ শতাংশ। এই হিসাবে এক টাকার এই মুদ্রায় তামা আছে মাত্র ২.৭৬ গ্রাম, দস্তা ১.২০ গ্রাম ও টিন ০.০৪ গ্রাম। মুদ্রাটি তৈরিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের খরচ পড়েছিল মাত্র ৭৮ পয়সা।

নানা গুজবের কারণে এই ধাতব মুদ্রা গতকাল মঙ্গলবারও ১০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রির খবর পাওয়া গেছে। তবে এই তথ্যের মধ্যেও গুজবের প্রভাব থাকতে পারে। কারণ বেশি দামে কয়েন কিনেছেন এমন কারও স্বীকারোক্তি পুলিশের সূত্রে পাওয়া যায়নি। ঢাকার পল্লবী থেকে পুলিশ গতকাল তিনজনকে আটক করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে তাদের ছেড়েও দিয়েছে। পল্লবী থানার পুলিশ জানিয়েছে, কয়েন কিনছেন এমন খবরের ভিত্তিতে ওই তিনজনকে আটক করা হলেও তাদের কাছে কিছু পাওয়া যায়নি। তেজগাঁও রেলস্টেশন এলাকা থেকে র‌্যাব-২ মুদ্রা কেনাবেচার অভিযোগে মোখলেস নামের একজনকে ধরে তেজগাঁও থানায় সোপর্দ করেছে।
মুদ্রা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তামার দাম যেটুকু বেড়েছিল, তাতে এই মুদ্রা থেকে যে তামা পাওয়া যাবে, তার সঙ্গে এই হুজুগে কেনাবেচা ও লাভ-লোকসানের হিসাব মিলছে না। তা ছাড়া এই মুদ্রা থেকে তামা আলাদা করার প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল এবং সাধারণ কোনো প্রক্রিয়ায় এটা সম্ভবও নয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দাসগুপ্ত অসীম কুমার প্রথম আলোকে বলেন, বেশি দামে এক টাকার মুদ্রা কেনার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। অযথা কিছু মানুষের মধ্যে হুজুগ তৈরি হয়েছে। তিনি এই মুদ্রা বেশি দামে কিনে প্রতারিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
১৯৯৮-৯৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক এই ধাতব মুদ্রাটি বাজারে ছাড়ে। ২০ কোটি পিস তৈরি করলেও এখনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হেফাজতে ১৬ হাজার পিস মুদ্রা রয়ে গেছে। বাকি মুদ্রা বর্তমানে বাজারে সচল আছে।
ইন্টারনেট থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, কয়েক বছর ধরেই আন্তর্জাতিক বাজারে তামার দাম বাড়ছিল। কিন্তু কয়েক দিন ধরে দাম আবার কমতে শুরু করেছে। চীন বিশ্বে তামার বড় আমদানিকারক দেশ। সম্প্রতি অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে দেশটি আমদানি কমিয়ে দেওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তামার দাম পড়তে শুরু করেছে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্লুমবার্গ বিজনেসউইকের তথ্যমতে, গতকাল প্রতি পাউন্ড তামার দাম ছিল ৩ দশমিক ৭ ডলার।
তবে দেশের বাজারে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, এই তামার মুদ্রা গলিয়ে সোনার খাদ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, পাশের দেশে পাচার হচ্ছে, জিনের বাদশার কাছে নিয়ে গেলে সোনায় রূপান্তর করা যায়, এমনকি এতে সোনার উপাদানও রয়েছে বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আর কিছু লোক লোভে পড়ে এই মুদ্রা বেশি দামে কিনছে।
দেশের বিভিন্ন জেলায় বিশেষ করে, ঢাকা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ফেনী থেকে মুদ্রা কেনাবেচার খবর পাওয়া গেছে। কেনাবেচার সময় পুলিশ কমপক্ষে ১৬ জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে ঢাকার মিরপুরের পল্লবী থেকে আটক করা হয়েছে তিনজনকে।
চট্টগ্রামে মুদ্রা কেনাবেচার সময় সাতজনকে আটক করা হয়েছে। নগর ও জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রতিটি মুদ্রা ৩০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম শাখার মহাব্যবস্থাপক মো. নওশাদ আলী চৌধুরী বলেন, ‘এটা স্রেফ হুজুগ। এই মুদ্রা বেশি দামে কেনার কোনো কারণ নেই।’
এ ছাড়া কুমিল্লার লাকসাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও নবীনগর, ফেনী ও ফেনীর পরশুরাম, ছাগলনাইয়া, নোয়াখালীর চাটখিল ও চাঁদপুরের বিভিন্ন স্থানে এক টাকার ওই মুদ্রা ১০ থেকে ৩০০ টাকায় কেনাবেচার খবর পাওয়া গেছে। নবীনগর, ছাগলনাইয়া ও চাটখিলে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় পুলিশ বেশ কিছু কয়েনসহ দুই শিশুকে আটক করেছে।
নোয়াখালীর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে বিভিন্ন উপজেলায় সতর্কতামূলক মাইকিং করা হয়েছে।
সূত্র

আমার dl শেষ । দেখার পালা।

http://img816.imageshack.us/img816/9219/shrekforeverafter.jpg


Size:573.55 MB,
Duration: 01:33:10, Avg.bitrate: 861 kb/s
Audio: mp3, 48000 Hz, stereo
Video: h264, yuv420p, 1280x544, 23.98 fps(r)


Download:

Part 1

part 2

Part 3

part 4

Part 5

শেষের লাইন গুলো পড়ে মনে পড়ল - কুকুরের কাজ কুকুর করেছে ................মানুষের শোভা পায়। কর যেন কবিতাটি...  :চিন্তা:

http://img80.imageshack.us/img80/4514/rapidshareagcham.jpg


অনেকেই rapidshare থেকে ডাউনলোড করেন, আমিও করি, পবলতে গেলে সবাই করেন।
আজ পেলাম রাপিড ষাঢ় থেকে download করার সবচেয়ে আরামের পদ্ধতি । এটা ফায়ারফক্স addon । এখন থেকে ডাউনলোড করুন । আর কিছু স্ক্রীন সট দেখুন ।
RapidShare Download Helper will start your download once ready.
The RapidShare Download Helper will monitor the time limitations and will auto-start your download - you can just continue browsing.
Download from RapidShare and enjoy!

HOW TO USE RAPIDSHARE DOWNLOAD HELPER?
You don't need to do anything, yes, you heard right.
The RapidShare DownloadHelper will display a green message on the download page, says it will download the file once ready, when you see the green message, you can continue browsing, RapidShare Download Helper will automatically start your download once the countdown ends.
The Download Helper support Firefox 3.6, and doesn't conflict with NoScript or adblock.
You can still use some of the download manager addons, such as downthemall.
Note: it won't work if you use RapidShare with IE Tab, be careful happy
This is the first version of RapidShare Download Helper, download and enjoy!

1।
http://img101.imageshack.us/img101/228/rdownrapidsharedownload.jpg

2।
http://img708.imageshack.us/img708/228/rdownrapidsharedownload.jpg

3।
http://img38.imageshack.us/img38/228/rdownrapidsharedownload.jpg

1 নং দেখলাম , ভাল  প্রিন্ট ।

দুধের স্বাদ যদি ঘোল-এ মিটে তো দুধ খাওয়ার প্রয়োজন কি ?
একামত আপনাকে আস্তে আস্তে উচ্চারণ করলেও হবে । আর জানার কোনও শেষ নাই। thanks

১। মফিজ মিয়ার চরিত্র ফুলের মত পবিত্র
   by হুমায়ুন আহমেদ ।
                                   ডাউনলোড লিংক

২। এক কোটি পনেরস ষাট টাকা ।
                               ডাউনলোড

৩। আরমান ভাই ফাইস্সা গেছে
   by মুজিবুর রহমান । 
                               ডাউনলোড

৪। সাম্পান (টেলিফিল্ম )
        by - Nurul Alam Atique
                                 ডাউনলোড

৫। তোমার জন্য প্রিয়তা
by M.S Faruqi
                                   ডাউনলোড    প্রথম পর্ব      দ্বিতীয় পর্ব