এই পোস্ট 63 বার দেখা হয়েছে অথচ 3 টা মন্তব্য ,  :চিন্তা:  :চিন্তা:  :দিবাস্বপ্ন:

লিংক দিতে গিয়ে দেখি 400 পার হয়ে যাচ্ছে  I don't know

যাক chhobi নামের সার্থক হল  I don't know

অনেকের বাড়িতে তো ছোট মেয়ে রা কাজ করে এটার কি হবে ? তারা তো ভাতের অভাবে কাজ করে !!! আহা রে

http://s1.postimage.org/2bob7hjt0/BTCL2.jpg

কিভাবে সংযোগ নিবেন

আপনার যা যা লাগবে:
১। এডিএসএল আবেদনপত্র এবং এডিএসএল চুক্তিপত্র। ডাউনলোড করুন এখান থেকে। প্রিন্ট করে ফিলাপ করে দিলেই হবে।
২। লাস্ট পেইড বিটিসিএল বিলের কপি।
৩। ভোটার আইডির ফটোকপি।
৪। সত্যায়িত ছবি ২ কপি।
৫। বিটিসিএল ল্যান্ড লাইন (অবশ্যই)

ব্যস এবার এমেম সিস্টেমের অফিসে জমা দিয়ে দিন। আপনার ডকুমেন্ট প্রসেস হতে সময় লাগবে এক সপ্তাহের মতো। তারপর সংযোগ হয়ে যাবে।

মডেম কি বিটিসিএল থেকে কিনতেই হবে?

এডিএসএল কানেকশনের জন্য আপনাকে মডেম কিনতে হবে ঠিক, কিন্তু বিটিসিএল যেটা দেয় সেটাই কিনতে হবে এমন কোন কথা নেই। বাজার থেকে টিপিলিংকের মডেম ২,২০০ টাকায় কিনে নিন । তবে সেক্ষেত্রে দু'টি কথা-
১। হয় আপনি নিজেই মডেম সেটআপ করবেন, অথবা
২। এমেম থেকে লোক আসবে। তাহলে তাকে দিতে হবে ১০০+৩০০+৬০০ টাকা সেটআপের জন্য।

যদি আপনি ধৈর্যশীল হন এবং টেকনোলজি নিয়ে জ্ঞান থাকে তাহলে নিজে নিজে সেটআপ করতে কোন সমস্যা হবে না। তবে সেক্ষেত্রে আবেদনপত্রে কিন্তু উল্লেখ করতে হবে সেটআপ আপনি করবেন নাকি তাদের লোক করে দিবে।

মডেম ছাড়া আর কিছু লাগবে কী না

টেলিফোন কানেকশন নয়েজ ফ্রি কী না শিওর হয়ে নিন। না হলে বিটিসিএলে ফোন করে লোক দিয়ে লাইন নয়েজ ফ্রি করুন। এই নম্বরে কল করতে পারেন: 02-8362599

আপনার মডেমের সাথেই সব কেবল দেয়া থাকবে। একটি স্প্লিটার দেয়া থাকে যার সাহায্যে ফোন এবং ইন্টারনেট একসাথে চালানো যায়।
ও হ্যাঁ, ল্যান কার্ড লাগবে।

বিটিসিএল কি নেয়া উচিত হবে? (সরকারি মাল বলে কথা)

নির্ভর করে আপনি কতটা স্পিড হাঙ্গরি তার উপর। যদি ১২৮ কেবিপিএস এ বসে আপনার লক্ষ্য ২৫৬ কেবিপিএস তাহলে বিটিসিএল নেয়ার কোন দরকার নেই। কিন্তু যদি আনলিমিটেড ওয়ান এমবিপিএস চান তাহলে বিটিসিএল একমাত্র চয়েজ এখন পর্যন্ত। ওদের ৫১২ কেবিপিএসের প্যাকেজটাও খারাপ না।

কারেন্ট চলে গেলে এই কানেকশন যাবে না। 

আরেকটা জিনিস মনে রাখতে হবে, ওদের কাস্টোমার কেয়ার বলে কিছুই নেই। আপনাকে হয়তো আশ্বাস দিবে আসছি, আসবো, কিন্তু আর আসবে না।

স্পিড কেমন?


স্পিড মাঝে মাঝে পড়ে যায়। তবে যখন থাকে তখন কনস্ট্যান্টলি থাকে। ইউটিউবে তখন ৪৮০পি ভিডিওগুলো বিনা বাফারিং-এ দেখা যায়। তাছাড়া টরেন্ট ডাউনলোড তো জোশ!

তাছাড়া আবেদনপত্র জমা দেবার পর যোগাযোগ রাখবেন ওদের সাথে। নাহলে কানেকশন দিয়ে রাখবে কিন্তু আপনাকে জানাবে না। আবেদনপত্র দেয়ার ৫-৬ দিন পর যোগাযোগ করে আপনার ইউজার নেম পাসওয়ার্ড নিয়ে নিবেন।

সব কথার শেষ কথা, সরকারি জিনিস, বুঝেশুনে কিনিস। সুতরাং এই রিভিউ দেখে তৎক্ষণাৎ বিকিউবের ফরম ফিলাপ করতে বসে যাবেন না। আগে জানুন, শুনুন, বুঝুন, তারপর কানেকশন নিন।

বিস্তারিত

আর যারা রাজশাহী তে আছেন , যদি এত টাকা খরচ না করতে চান তবে Skyline ISP ইন্টারনেট নিতে পারেন । আমি 288কেবিপিএস স্পীড নিয়েছি =900 টাকা/মাস । লাইন নিতে খরচ 1000 টাকা আর মাসিক rent কয়েক ধরনের আছে বিস্তারিত জানুন Skyline এর হাসান ভাই(+8801196061929 ) এর কাছে।

http://s2.postimage.org/bjrj0o2s/Talking_Keys.jpg

টকিং কি নামের একটি সফটওয়্যারের সাহায্যে আপনার কিবোর্ডকে কথা বলাতে পারেন। ৬৯২ কিলোবাইটের ছোট্ট এই সফটওয়্যারটি এই ঠিকানা থেকে নামিয়ে নিন। সফটওয়্যারটি পিসিতে চালু করলে নিচে ডানে টাস্কবারে talking key নামে একটি আইকন আসবে।ঐ আইকনে ক্লীক করে talking key preference অপশনে যান এবং voice নির্বাচিত করে maximize দিন।এখন কিবোর্ড থেকে যেকোন একটি অক্ষর চাপলেই কম্পিউটার তা উচ্চারন করে শোনাবে। 

আপনার keyboard কে দিয়ে কথা বলাতে পারেন এই সফটওয়্যারটি দিয়ে।

এটা তো দেখেছিলাম , পোস্ট করতে ভুলে গেছি  I don't want to see

কম্পিউটারে কাজ করা অবস্থায় দীর্ঘ সময়ের জন্য কোথাও গেলে কম্পিউটার বন্ধ করা উচিত। যদি স্বল্প সময়ের জন্য কোনো কাজে যান, তবে কম্পিউটার লক করে যাওয়া শ্রেয়। এতে কম্পিউটারে যে কাজ করছিলেন তা চালু অবস্থায় থাকবে। কম্পিউটার লক করতে কীবোর্ডের windows কী ধরে L চাপুন। কম্পিউটার আবার চালু করতে কীবোর্ডের ctrl, alt এবং delete একসঙ্গে চাপুন। এরপর user name এবং password দিয়ে দিলে কম্পিউটার আগের অবস্থায় চলে আসবে।

ইন্টারনেট থেকে কম্পিউটারে ভাইরাস সংক্রমণ হয়। পেনড্রাইভ, ডিস্ক, মেমরি কার্ড ও অন্যান্য এঙ্টারনাল ডিভাইসের মাধ্যমেও কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। তবে অ্যান্টিভাইরাস কম্পিউটারের সব ভাইরাস চিহ্নিত করতে এবং সেগুলো মুছে ফেলতে পারে না। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার র‌্যামের বেশি পরিমাণ জায়গা দখল করার কম্পিউটার অনেক ধীরগতির হয়ে যায়।
প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। তাই এঙ্টারনাল ড্রাইভ থেকে যাতে কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করতে না পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। যেহেতু ভাইরাস ইনফেক্টেড এঙ্টারনাল ডিভাইস (যেমন পেনড্রাইভ) ওপেন করার পরই ভাইরাস পিসিতে প্রবেশ করে, তাই এগুলো কম্পিউটারে সংযোগ দেওয়ার পর তা সরাসরি ওপেন না করাই ভালো। যেসব কম্পিউটারে এঙ্টারনাল ড্রাইভ স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয় সেগুলোতে অটোরান বন্ধ করে নিতে হবে।
অটোরান বন্ধ করার জন্য start থেকে run-এ গিয়ে gpedit.msc টাইপ করতে হবে। এরপর ok বাটনে ক্লিক করলে নতুন উইন্ডো আসবে। এখান থেকে computer configuration সিলেক্ট করুন। এখান থেকে administrative templates->system-এ যান। এখান থেকেturn off autoplay-তে ডাবল ক্লিক করুন। এবার ‘turn off autoplay’ enable করুন এবং ‘turn off autoplay on’ ড্রপ-ডাউন বক্স থেকে ‘All drives’ সিলেক্ট করুন, এরপর ok বাটনে ক্লিক করুন। কম্পিউটারে সব ধরনের ডিভাইসের অটোরান বন্ধ হয়ে যাবে।

এঙ্টারনাল ড্রাইভগুলো থেকে কম্পিউটারে ডেটা আদান প্রদান করার সময়ও ভাইরাস ঢুকে পড়তে পারে; তবে ড্রাইভ না খুলেই ডেটা আদান-প্রদান করতে কম্পিউটারে একটি সফটওয়্যার ইনস্টল করে নিতে হবে। www.explorerxp.com/explorerxpsetup.exe থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে। সফটওয়্যারটি রান করলে কম্পিউটারে থাকা সবগুলো ড্রাইভ দেখা যাবে। এখান থেকে পেনড্রাইভে প্রবেশ করে ডেটা কপি করা যাবে। কোনো ফাইলে যদি ভাইরাস থাকে, তাহলে সেটি নোটিফিকেশন আকারে দেখিয়ে দেবে সফটওয়্যার। ওই ফাইলটি কম্পিউটারে নেওয়া যাবে না। কোনো ফোল্ডারের নামের সঙ্গে .exe এক্সটেনশন  থাকলে তা অবশ্যই ভাইরাস_এগুলো কম্পিউটারে না নেওয়াই ভালো।

যাঁরা ভাইরাসযুক্ত ফাইল সহজে চিনতে পারেন না তাঁরা কম্পিউটারে এমন কোনো থিম ব্যবহার করতে পারেন, যা ফোল্ডারের রং পরিবর্তন করে রাখে। তাহলে পেনড্রাইভের এবং কম্পিউটারের ফোল্ডারের রং পরিবর্তন হয়ে যাবে। যেসব ফোল্ডারের রং পরিবর্তন হবে না সেগুলোই ভাইরাস। রং পরিবর্তক এ রকম একটি থিম http://bit.ly/gT38ri (শুধু XP এর জন্য ) থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

http://s3.postimage.org/pf35zpj8/File_Hippo.jpg


গুগলে সার্চ করে অনেকে ইন্টারনেট থেকে সফটওয়্যার সংগ্রহ করেন। সফটওয়্যার রয়েছে এমন অধিকাংশ সাইটেই ভাইরাস থাকে। ব্যবহারকারীরা সফটওয়্যারের নামে যেসব ফাইল ডাউনলোড করেন, সেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটারে বাসা বাঁধে ম্যালওয়্যার ও ট্রোজান-জাতীয় ভাইরাস। ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড এবং অন্যান্য তথ্য পাচার হওয়ার পাশাপাশি হার্ডড্রাইভ থেকে বিভিন্ন ফাইল ও ফোল্ডার চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে! তাই যেকোনো সাইট থেকে সফটওয়্যার ডাউনলোড করা নিরাপদ নয়। তবে বেশ কিছু সাইটের নিজস্ব ভাইরাস চেকিং প্রযুক্তি রয়েছে। এসব সাইট থেকে সফটওয়্যার ডাউনলোড করাটা নিরাপদ।

www.en.softonic.com
এখানে কম্পিউটার সফটওয়্যার ডাউনলোড করার পাশাপাশি সফটওয়্যার রিভিউ, সফটওয়্যারের স্ক্রিনশট এবং নির্দেশিকা পাওয়া যায়। Internet, Utilities, Design and Photography, Customise your PC, Audio Software, Video, Security এবং Productivity বিভাগে ক্লিক করেই সফটওয়্যার ডাউনলোড করার অপশন পাওয়া যাবে। এখান থেকে সফটওয়্যার সার্চ করার জন্য সাইটটির ওপরে সার্চ বঙ্ও রয়েছে।

www.download.cnet.com
তথ্যপ্রযুক্তি ম্যাগাজিন 'সিনেট' তাদের বাছাই করা সফটওয়্যার নিয়ে এ সাইটটি সাজিয়েছে। সফটওয়্যারের ডাউনলোডের পাশাপাশি এখানে সেগুলোর রিভিউ এবং ব্যবহারকারী রেটিং দেখার সুযোগ রয়েছে। সাইটটি প্রতিদিনই আপডেট হয়। তাই প্রতিদিনই নতুন সফটওয়্যার সম্পর্কে জানা যায়। সফটওয়্যার ডাউনলোডের জন্য সাইটটিতে Security Software, Browser, Business Software, Communications, Desktop Enhancement, Digital Photo, Education Software, Games,Graphic Design Software, Internet Software এবং Video Software সহ বেশ কিছু বিভাগ রয়েছে। সাইটটির ডান পাশ থেকে The Download Software Finder বিভাগ থেকে সফটওয়্যারের প্লাটফর্ম, বিভাগ এবং নাম লিখে সার্চ করার সুযোগ রয়েছে।

www.softpedia.com
ইন্টারনেট বিশ্বে সফটওয়্যার এনসাইক্লোপিডিয়া হিসেবে www.softpedia.com-এর নামডাক রয়েছে। সফটওয়্যারের তথ্যভাণ্ডার বলা হয় সাইটটিকে। উউন্ডোজ, ম্যাক, লিনাঙ্সহ সব অপারেটিং সিস্টেমই পাওয়া যায় এতে। সাইটটিতে বিভিন্ন ডিভাইসের ড্রাইভার সফটওয়্যারও পাওয়া যায়। সাইটটির Games বিভাগে মিলবে জনপ্রিয় বিভিন্ন কম্পিউটার সফটওয়্যার। সফটওয়্যার ডেভেলপাররা প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সফটওয়্যারের স্ক্রিপ্টও খুঁজে নিতে পারেন সাইটটির মাধ্যমে। এ জন্য অবশ্য ক্লিক করতে হবে সাইটটির Scripts নামক বিভাগটিতে।

www.brothersoft.com
সফটওয়্যারের টিপস এবং ট্রিকস বের করতে যাঁরা ভালোবাসেন তাঁদের জন্য আদর্শ সাইট www.brothersoft.com। এখানে দুই লক্ষাধিক সফটওয়্যারের প্রতিটির সঙ্গে রয়েছে রিভিউ। সফটওয়্যারগুলো কীভাবে কাজ করে এবং কী কাজ করে তার জন্য রয়েছে স্ক্রিনশট। প্রিমিয়াম সফটওয়্যারগুলোর ট্রায়াল সংস্করণও ডাউনলোড করার সুযোগ রয়েছে। কম্পিউটার এবং মোবাইলের সফটওয়্যারের পাশাপাশি ভিডিও গেইমস ডাউনলোডের জন্যও সাইটটির খ্যাতি রয়েছে।

www.download3000.com
বিনা মূল্যে সফটওয়্যার ডাউনলোডের জন্য www.download3000.com সাইটটি এখন বেশ জনপ্রিয়। উইন্ডোজ এবং ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমের জন্য এখানে কয়েক হাজার সফটওয়্যার রয়েছে। প্রতিটি সফটওয়্যারের বিবরণের পাশাপাশি সেগুলোর ধরনও উল্লেখ করা রয়েছে এখানে। এ ছাড়া সফটওয়্যারটি কতটা মানসম্মত তা বোঝার জন্য রয়েছে রেটিং সুবিধা।

www.gtdownload.com
বাজারে নতুন কী সফটওয়্যার আসছে এবং আপডেট হচ্ছে তা দেখার জন্য এটি বেশ কাজের একটি সাইট। এর Latest Software বিভাগে গেলে এসব সফটওয়্যার পাওয়া যাবে। নিজের পছন্দের সফটওয়্যারও এ সাইটে শেয়ার করার জন্য এর Submit Software বিভাগটি ব্যবহার করা যাবে।

www.getjar.com
মোবাইল ফোন ডাউনলোডে অ্যাপলের অ্যাপস্টোরের পরই গেটজারের স্থান। এর Games, Educations, Social and Messaging, Entertainment, Health এবং Life Style বিভাগে এসব অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোডের সুযোগ রয়েছে। মোবাইল ফোন থেকেই সরাসরি অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোডের জন্য এর বিশেষ মোবাইল সংস্করণ (m.getjar.com) রয়েছে।

মিলবে টরেন্ট ফাইলের মাধ্যমেও
টরেন্ট মূলত একটি ফাইল শেয়ারিং প্রটোকল। আমরা যেসব ফাইল ডাউনলোড করি, সেগুলো সাধারণত বিভিন্ন ওয়েব সার্ভারে আপলোড করা থাকে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেখান থেকেই ফাইল আমাদের কম্পিউটারে সেভ হয়। কিন্তু টরেন্টের ক্ষেত্রে ফাইলগুলো এক ইউজারের পিসি থেকে অন্য ইউজারের পিসিতে ট্রান্সফার হয়। এ ধরনের নেটওয়ার্ককে বলা হয় P2P ফাইল শেয়ারিং নেটওয়ার্ক। আর টরেন্ট থেকে ফাইল ডাউনলোড করার জন্য একটি টরেন্ট ডাউনলোডারের প্রয়োজন হয়। www.utorrent.com/downloads থেকে মিউটরেন্ট ডাউনলোডার সফটওয়্যার ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এরপর http://thepiratebay.org -এর মতো বিভিন্ন সাইটে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যারের নাম লিখে সার্চ করুন। একই নামে একাধিক সফটওয়্যারের খোঁজ পেয়ে যাবেন। সাইটটিতে সার্চ করার আগে নিচের সার্চ অপশনে Applications লেখা বাটনে টিক চিহ্ন দিয়ে নিতে হবে। এবার একটি সফটওয়্যারের নামের ওপর ক্লিক করলে বেশ কিছু অপশন আসবে। ডাউনলোড লিংকটি কপি করে মিউটরেন্টে বসিয়ে দিন। সাধারণ গতির চেয়ে অনেক দ্রুত কাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যারটি ডাউনলোড হয়ে যাবে। তবে এজন্য খেয়াল রাখতে হবে আপনার কাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যার সিডের সংখ্যা যেন বেশি থাকে। যত বেশি সিড, ততো দ্রুত ডাউনলোড। টরেন্টের মাধ্যমে অনেক প্রিমিয়াম সফটওয়্যারও বিনা মূল্যে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

জনপ্রিয় ওপেনসোর্স সফটওয়্যার
বাণিজ্যিক সফটওয়্যারের পাশাপাশি ওপেনসোর্স-ভিত্তিক সফটওয়্যারগুলো এখন বেশ জনপ্রিয়। মাইক্রোসফটের বাণিজ্যিক অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজের পাশাপাশি ওপেনসোর্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম লিনাঙ্ এখন বেশ জনপ্রিয়। লেখালেখি বা ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার এমএস অফিসের বিকল্প হিসেবে ওপেন অফিসের জনপ্রিয়তাও এখন তুঙ্গে। যেকোনো ব্যবহারকারী চাইলে www.openoffice.org ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে ওপেন অফিস ডাউনলোড এবং ব্যবহার করতে পারেন। ওপেনসোর্স-ভিত্তিক আরেকটি জনপ্রিয় সফটওয়্যার হলো এবিআই ওয়ার্ড। সফটওয়্যারটি বিনা মূল্যে www.abisource.com/download ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে। বাণিজ্যিক সফটওয়্যারের পাশাপাশি ভিডিও কনভার্টার হিসেবেও মুক্ত সফটওয়্যারের কদর এখন অনেক। http://handbrake.fr/downloads.php ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে ডিভিডি রিপিং কনভার্টার সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে পারবেন। মাইক্রো ভিডিও কনভার্টার ডাউনলোড করতে পারেন www.mirovideoconverter.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। বিভিন্ন ফাইল শেয়ারিং সাইট বা ওয়েব থেকে ডাউনলোড করার জন্য স্কিপস্ক্রিন ডাউনলোড সফটওয়্যারটিও বেশ জনপ্রিয়। এটি ডাউনলোড করতে পারেন http://skipscreen.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। ওপেনসোর্স-ভিত্তিক ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় মজিলা ফায়ারফঙ্। এটি ডাউনলোড করা যাবে www.mozilla.org/products/firefox/ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। ই-মেইল ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার মজিলা থান্ডারবার্ড ডাউনলোড করা যাবে www.mozilla.org/products/thunderbird/ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। ভিডিও প্লেয়ার ভিএলসি ডাউনলোড করা যাবে www.videolan.org/vlc/ এবং মিডিয়া প্লেয়ার ক্ল্যাসিক ডাউনলোড করা যাবে http://mpc-hc.sourceforge.net/ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। গ্রাফিকস এবং ফটো এডিটিং সফটওয়্যার জিআইএমডি ডাউনলোড করা যাবে http://gimp-win.sourceforge.net/stable.html এবং পেইন্ট ডটনেট ডাউনলোড করা যাবে http://www.getpaint.net/download.html ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। ইনস্ট্যান্ট মেসেঞ্জার পিওজিন ডাউনলোড করা যাবে http://www.pidgin.im/pidgin/home/ ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে।

অনলাইনে আরো
এসব ওয়েবসাইট ছাড়াও নিম্নোক্ত ওয়েবসাইটগুলো থেকেও বিভিন্ন সফটওয়্যার ডাউনলোড করা যাবে। www.filehippo.com, www.tucows.com, www.filecluster.com এবং www.ksourcerer.org.

মূল : আল-আমিন কবির , কালের কণ্ঠ

http://s4.postimage.org/1cq4lmf6s/Fire_Fox_14.jpg


মজিলা ফায়ারফক্সে চার বেটা সংস্করণে ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার (আইডএম) সমর্থন করে না। এ সমস্যা সমাধানের জন্য ফায়ারফক্সে addons পেইজে গিয়ে FlashGot Add-on for Firefox ডাউনলোড ও ইনস্টল করতে হবে। এর পর Firefox রিস্টাট করে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে Flashgot option>Autostart downloads-এ ক্লিক করুন।

অথবা

ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার ৬ বেটা ফায়ারফক্স ৪ বেটা এর সাথে সম্পুর্ন সঠিকভাবে কাজ করে সেটাও আপনি ব্যবহার করতে পারেন।



সূত্র

তুমি আমার ঘুম তবু তোমায়  নিয়ে স্বপ্ন দেখিনা -এটা নাকি ? খুব ভাল ঢাকায় যখন ছিলাম FM radio তে প্রথম শুনেই ভাল লেগেছে।

হায় রে !!

আজ ৩১ তম  বিসিএস এর সার্কুলার হয়েছে। আমি পিডিএফ আকারে করে মিডিয়া আগুনে আপলোড করে দিলাম। লিখা গুলো স্পয়েস্ট নয় । মূল সার্কুলার টি হয়েছে এখানে । pdf কে ওসিআর(softi freeocr দিয়ে ) করলাম .doc এ রূপান্তর করতে কিন্তু বাংলায় কিছুই হল না । কিভাবে এটা সম্পূর্ণ বাংলায় doc ফাইল করব এরকম ভাল software এর নাম কী?

১৯৮৫ সালের ২৫ জানুয়ারি কম্পিউটারে নিজের তৈরি শহীদলিপি প্রোগ্রাম ব্যবহার করে বাংলা লিখেছিলেন প্রবাসী প্রকৌশলী সাইফুদ্দাহার শহীদ। গতকাল দুটি বাংলা ব্লগসাইটে শহীদলিপির সূচনার এ দিনটি উদযাপন করা হয়। ক্যাডেট কলেজ ব্লগ গতকাল প্রকাশ করে সাইফুদ্দাহার শহীদের লেখা শহীদলিপির ইতিহাস নামে একটি ই-বুক (www.cadetcollegeblog.com/pdf/shahidlipir_itihash.pdf)। ব্লগসাইটটির শিরোনাম চিত্র বা ব্যানারেও এ দিনটির উল্লেখ করা হয়েছে। শহীদ মিনারের একটি ছবি দিয়ে লেখা হয়েছে ‘২৫ জানুয়ারি ১৯৮৫, শহীদ লিপির সূচনা।’ সচলায়তন ব্লগসাইটের ব্যানারেও এ দিনটির কথা বলা হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে আছে ‘শহীদলিপি ২৫ জানুয়ারী’। দুটি ব্যানারেই শহীদলিপির ফণ্টে লেখার নুমণা রয়েছে। এ দুটি সাইটে গতকাল শহীদলিপি ও এর নির্মাতা সাইফুদ্দাহার শহীদকে নিয়ে লেখা একাধিক ব্লগ প্রকাশিত হয়েছে। কয়েকটি ব্লগে ২৫ জানুয়ারিকে কম্পিউটারে বাংলার প্রচলন দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

sutro

অনেকে ব্রাউজার হিসেবে Google Chrome ব্যবহার করে ।  এটার অনেক সুবিধাও আছে । কিছু সুবিধা আছে যার জন্য অনেকে ফায়ারফক্স ব্যবহার করে। এর মধ্যে একটি হলো যেমন ডাউনলোড ম্যানেজার হিসেবে আইডিএম ব্যবহার করলে এর রাইট বাটনে "download link with IDM" অথবা "download all link with IDM" এসব অপশন আছে যা ডাউনলোড করতে সুবিধা দেয়।
তবে ক্রোম ডিফল্টভাবে এটির সুবিধা দেয় না। তবে একটি এক্সটেনশন ব্যবহার করলে এটির সুবিধা পাওয়া যাবে। যদি গুগল ক্রোম দিয়ে ডাউনলোড অটোমেটিক না হয় তবে আপনি IDM এর ডাউনলোড অপশনে গিয়ে General>Use advanced browser integration" দিন। সঙ্গে সঙ্গে পিসি রিস্টার্ট চাইবে। এরপর দেখবেন গুগল ক্রোম দিয়ে অটোমেটিক ডাউনলোড শুরু হবে।
গুগল ক্রোমের এক্সটেনশন পাবেন এখান থেকে।
এই এক্সটেনশনটির নাম হচ্ছে DM-Bridge এক্সটেনশন।
তবে শুধু আইডিএম নয়, অন্যান্য প্রায় সব ডাউনলোড ম্যানেজারও সাপোর্ট করে।

এক্সটেনশনটির লিংক এখানে:
DM-Bridge এক্সটেনশন

Tools -> Folder Options এ গিয়ে ফাইল/ফোল্ডার আনহাইড করা যায় এটা আমরা সবাই জানি। তাই ফাইল/ফোল্ডার লুকিয়ে রাখুন একটু অন্য ভবে। যা করতে হবে:

১। একটি New Folder তৈরি করুন ।

২। এবং Folder টি Rename করে Alt Press করে 0160 Type করুন।এবং Enter দিন Folder এর কোন Name নেই।

৩। Folder টি Select করে Right Click করে Properties খুলুন Customize Tab-এ Click > Change Icon Tab-এ Click করুন।

৪। Change icon Window থেকে 4 নাম্বার লাইনে বাম দিকে ১২ টি icon পরে তালার icon এর পরে কিছু সাদা icon দেখতে পাবেন Seclect করে OK ক্লিক করুন। দেখুন Folder টির Icon নেই।

৫। বের করতে চাইলে Ctr + A দিন পেয়ে যাবেন।

http://s4.postimage.org/7pv6oy1w/flashget_Download_Manager.jpg

আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করিত তারা কমবেশী ডাউনলোড করি না এমন ব্যক্তি নেই। আর এই ডাউনলোডের জন্য আমাদের পোহাতে হয় কতই না যন্ত্রনা। নির্ভর করি বিভিন্ন ডাউলোড এক্সিলেটর সফটওয়ারের উপর। যার মধ্যে যেখানে Internet Download Manager (IDM) অন্যতম। কিন্তু এর সিরিয়াল নম্বর সহ বিভিন্ন নকতার কারনে আমাদের পোহাতে হয় নানাবিধ সমস্যা। কিন্তু FlashGet এমন একখান জিনিস যেখানে নেই কোন সিরিয়াল নম্বরের সমস্য, আছে সিডিউল ডাউনলোড, স্প্রিড কন্ট্রোল, পার্সওয়ার্ড প্রটেকশন, অটো সাটডাউন অপশন সহ নানাবিধ সুবিধা। http://www.flashget.com/index_en.html এই লিঙ্ক থেকে বিনা মূল্যে ডাউনলোড করুন আর ডাউনলোড লাইফকে করে তুলন সুখময়।

http://s2.postimage.org/28fr6ef8k/bangla_academy.jpg

বাংলা একাডেমি এর  ডিক্শনারি এর নাম কে জানে না । সবাই  জানে। কালেকশন-এ থাকেলে তো ভালোই হয়। এটা মাত্র 82.35 এমবি । mediafire এ আপলোড করে দিলাম।

ডাউনলোড

http://s2.postimage.org/28d398alg/passport_1.jpg

হাতে লেখা পাসপোর্ট-এর বদলে বাংলাদেশে সম্প্রতি চালু হয়েছে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি)। দেশের বাইরে যেতে বা প্রবাসীদের দেশে ফেরার সময় এয়ারপোর্টের ভোগান্তি এড়াতেই চালু করা হয়েছে এই পাসপোর্ট। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নীতিমালা অনুযায়ী এবছরের এপ্রিল মাস থেকে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট- সংক্ষেপে (এমআরপি) ও ভিসা চালুর বাধ্যবাধকতা করা হয়েছে। প্রচলিত পাসপোর্টের মতোই দেখতে নতুন এই এমআরপি। কেবল পার্থক্য হলো এই পাসপোর্টে থাকা তথ্য এয়ারপোর্টে থাকা কম্পিউটার পড়তে পারে । তবে, এপ্রিলে চালু করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও যারা আগের পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন, তাঁদের পুরোনো পাসপোর্টেই চলবে ২০১৫ সাল পর্যন্ত।
কীভাবে পাওয়া যাবে এই পাসপোর্ট
হাতে লেখা পাসপোর্টের আবেদন ফরমের চেয়ে যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্টের আবেদন ফরম কিছুটা ভিন্ন। আগের মতোই ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে ফরম সংগ্রহ করা যাবে। বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটেই (www.dip.gov.bd) এই ফরম পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ঢাকাসহ সারা দেশে ১০টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকেও সংগ্রহ করা যাবে এই ফরম এবং বিনামূল্যেই। তবে, ওয়েবসাইটে প্রাপ্ত এমআরপির আবেদন ফরমটি নামিয়ে প্রিন্ট করে তাতে হাতে লিখতে হয়। কম্পিউটারে টাইপ করে ফরম পূরণ করার সুযোগ নেই।
কী আছে নতুন আবেদনপত্রে
চার পৃষ্ঠার এ আবেদনপত্রে আবেদনকারীকে নাম, বাবার নাম, মার নাম, তাদের পেশা, জাতীয়তা, জন্মস্থান, জন্ম তারিখ, জন্ম সনদপত্র নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, যোগাযোগের তথ্য সরবরাহ করতে হবে। এসব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করে আবেদনকারীকে নির্দিষ্ট জায়গায় স্বাক্ষর ও তারিখ লিখতে হবে। এ ছাড়া আবেদনকারীকে একটি ৫৫ ী ৪৫ মিলিমিটার আকারের রঙিন ছবি (পাসপোর্ট সাইজ ছবি) ফরমে আঠা দিয়ে লাগানোর পর সত্যায়ন করতে হবে। এক্ষেত্রে, দুটি আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দিতে হবে।
কারা সত্যায়িত করতে পারেন
আবেদন ফরমের সত্যায়ন করতে পারবেন- ১. সাংসদ ২. সিটি করপোরেশনের মেয়র, ডেপুটি মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর ৩. গেজেটেড কর্মকর্তা ৪. বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ৫. উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ৬. পৌরসভার মেয়র ৭. বেসরকারি কলেজের শিক্ষক ৮. বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ৯. দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক ১০. পৌর কাউন্সিলর ১১. রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা করপোরেশনের নতুন জাতীয় বেতন স্কেলের সপ্তম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা।
খরচ
এমআরপির জন্য নতুন ফি নির্ধারিত হয়েছে। সাধারণ পাসপোর্টের জন্য তিন হাজার টাকা এবং জরুরি পাসপোর্টের জন্য ছয় হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দিতে হবে। টাকা জমা দিতে হবে আগের মতোই সোনালী ব্যাংকের নির্ধারিত শাখায়।
কাগজপত্র যা লাগবে
সঠিকভাবে পূরণ করা আবেদন ফরমের সঙ্গে প্রার্থীকে আবেদনকারীর একটি রঙিন ছবি আঠা দিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে লাগিয়ে দিতে হবে, সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্রের ফটোকপি। অপ্রাপ্তবয়স্ক (১৫ বছরের কম) আবেদনকারীর ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বাবা ও মায়ের একটি করে রঙিন ছবিও লাগবে।


http://s2.postimage.org/28edka0f8/passport_2.jpg

http://s4.postimage.org/34baakizo/Download_Folder_Password.jpg


কম্পিউটারে রাখা বিভিন্ন ফোল্ডারে থাকা ফাইলের গোপনীয়তা রক্ষায় অনেকেই ফোল্ডার লক সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন। ফোল্ডারে থাকা ফাইলের গোপনীয়তা রক্ষায় ব্যবহার করতে পারেন 'সফটওয়্যার প্রটেক্ট ফোল্ডার ২.৭' সফটওয়্যার। http://www.gold-software.com/4899.exe ঠিকানা থেকে সফটওয়্যারটি বিনা মূল্যে ডাউনলোড করা যাবে । এটা NTFS ও FAT32 দুই রকম ফোল্ডার সাপোর্ট করে। মাত্র 669kb সাইজ।

ইয়াহু , দারুন খবর।

কিছু সফ্টঅয়ার আছে যেগুলো ফ্রি ব্যবহার করতে দেয় আবার কিছু সফ্টঅয়ার আছে যা ৩০/৯০দিনের জন্য ট্রায়াল হিসেবে দিয়ে থাকে । যখন ৩০/৯০ দিন শেষ হয় তখন সেটি বন্ধ হয়ে হয়ে যায়। সেটি বন্ধ হলে একটা নির্ধারিত টাকার বিনিময়ে ক্রয় করে ব্যবহার করতে হবে। আপনি ইচ্ছে করলে একটি ছোট্ট সফট দিয়ে ডিমো কিংবা ট্রায়াল সফ্টঅয়ারকে সারা জীবন ব্যবহার করতে পারবেন। সফটটির নাম Time stopper । টাইম স্টপার আপনাকে সাহায্য করবে ট্রায়াল সফ্ট এর দিন গননা কে বন্ধ করতে যেটা সফ্ট ইন্সটল এর দিন থেকে শুরু হয়েছিল।
এখন আসি সফ্টটা কিভাবে ব্যবহার করবেনঃ
১ম ধাপঃ সফট টি সেটআপ দিন
২য় ধাপঃ ব্রাউজ করে দেখিয়ে দিন *.exe file যেই সফ্ট এর সময় পেছাতে চান।
৩য় ধাপঃ নতুন একটা ডেট দিন যেটা হবে ট্রায়াল প্রিয়ড এর মধ্যে যেকোন দিন।
৪র্থঃ নতুন জীবন পাওয়া সফ্ট এর আইকন এর নাম দেবার জন্য নাম লিখুন।
৫মঃ এখন থেকে নতুন তৈরী হওয়া আইকন দিয়ে ব্যবহার করতে থাকুন।
ডাউনলোড করুন এখানে

http://bit.ly/gVGF0j

http://img718.imageshack.us/img718/3343/32379654.jpg

এ বিষয়ে লিখেছেন
ডাঃ এ.বি.এম. কামরুল হাসান রাঙা
আইএমও, মেডিসিন বিভাগ, মিটফোর্ড হাসপাতাল।


প্রচলিত ভুল ধারণা : চিনি বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়।
বাস্তব সত্য : না, এটি সত্য নয়। জিনগত এবং কিছু অজানা প্রভাবক টাইপ-১ ডায়াবেটিসের কারণ। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের কারণ জিনগত এবং জীবনযাত্রার ধরন। ওজন বেশি হলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে এবং বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার, তা চিনি বা চর্বি যেখান থেকেই আসুক না কেন, ওজন বাড়ায়। কারও যদি ডায়াবেটিসের পারিবারিক ইতিহাস থাকে, তবে তার উচিত হবে স্বাস্থ্যকর সুষম খাবার এবং নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে ওজন ঠিক রাখা।
প্রচলিত ভুল ধারণা : শুধু বেশি ওজনের বা মোটা মানুষই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়।
বাস্তব সত্য : মাত্রাতিরিক্ত ওজন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার একটি ঝুঁকি মাত্র, এক্ষেত্রে অন্যান্য ঝুঁকি, যেমন পারিবারিক ইতিহাস, জাতিসত্তা, বয়স ডায়াবেটিসে আক্তান্ত হওয়ার জন্য নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে অনেকেই এই ধারণা পোষণ করেন যে, বেশি ওজনই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার একমাত্র ঝুঁকি। অনেক মোটা মানুষেরই ডায়াবেটিস নেই। আবার অনেক ডায়াবেটিক রোগীর ওজনই স্বাভাবিক, এমনকি স্বাভাবিকের চেয়ে কম।
প্রচলিত ভুল ধারণা : ডায়াবেটিক রোগীদের বিশেষ ডায়াবেটিক খাবার খেতে হয়।
বাস্তব সত্য : ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য একটি খাবার তালিকা সুস্থ মানুষের স্বাস্থ্যকর খাবার তালিকা থেকে ভিন্নতর কিছু নয়। কম চর্বি, পরিমিত লবণ আর চিনি; এর সঙ্গে পূর্ণদানাযুক্ত খাদ্য, শাকসবজি ও ফলমূল_ এগুলোর মিশ্রণই হতে পারে আদর্শ খাবার। তথাকথিত ডায়াবেটিক খাবারে অতিরিক্ত কোনো উপকার পাওয়া যায় না।
প্রচলিত ভুল ধারণা : ডায়াবেটিক রোগী মিষ্টি জাতীয় কোনো কিছু বা চকোলেট খেতে
পারবে না।
বাস্তব সত্য : যদি স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য তালিকার সঙ্গে উপযুক্ত শরীরচর্চার যোগ ঘটানো যায়, তবে ডায়াবেটিক রোগীরাও মিষ্টি জাতীয় খাবার ও ফলাহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে ডায়াবেটিক রোগী এবং সুস্থ মানুষের মধ্যে কোনো সীমারেখা নেই। মিষ্টি জাতীয় খাবার একদম বাদ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই, শুধু পরিমাণটা সীমার মধ্যে থাকা চাই। মিষ্টি জাতীয় খাবারে যে শুধু ক্যালরিই থাকে তা নয়, এতে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে, যা রক্তের গ্গ্নুকোজের পরিমাণ অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে। রক্তের গ্গ্নুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুধু কম শর্করাযুক্ত খাবার খাওয়ার পরই ফলাহার করা উচিত।
প্রচলিত ভুল ধারণা : ডায়াবেটিক রোগীদের কেবল অল্প পরিমাণ শর্করাসমৃদ্ধ খাবার, যেমন_ রুটি, আলু ও পেস্তা খেতে হবে।
বাস্তব সত্য : শর্করাসমৃদ্ধ খাবার একটি স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য তালিকার অংশ। এখানে পরিমাণটাই মূল বিবেচ্য বিষয়। লাল-আটার রুটি, ভাত, সিরিয়াল, পেস্তা এবং শর্করাসমৃদ্ধ সবজি, যেমন_ আলু, মটরদানা, ভুট্টা খাবার তালিকায় থাকতে পারে। অন্যান্য ধরনের খাবারের সঙ্গে শর্করার অনুপাত ঠিক রাখতে হবে। ডায়াবেটিক রোগীদের দিনে তিন থেকে চারবার শর্করাসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া যুক্তিযুক্ত। প্রচলিত ভুল ধারণা :ফল স্বাস্থ্যকর খাদ্য, তাই যত ইচ্ছা ফল খাওয়া যেতে পারে।
বাস্তব সত্য : অবশ্যই ফল স্বাস্থ্যকর খাদ্য। এতে আঁশ ছাড়াও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে; কিন্তু ফলে শর্করাও থাকে, যাকে অবশ্যই খাদ্য তালিকার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। প্রয়োজনে ডায়েটিশিয়ানের সঙ্গে আলাপ করে ঠিক করুন কোন ফল কত বার, কী পরিমাণে খাবেন।
প্রচলিত ভুল ধারণা : আপনার অতি সামান্য বা অল্প পরিমাণ ডায়াবেটিস থাকতে পারে।
বাস্তব সত্য : সামান্য পরিমাণ ডায়াবেটিস বলে কোনো কথা নেই, হয় আপনার ডায়াবেটিস আছে অথবা নেই_ এর মাঝামাঝি কিছু নেই।

সূত্র

নাবালক ভাই , আপনার www.allbdbooks.com এর RSS ফীড কোথায় ? আমার কাছে ইমেইল এ  সাবস্ক্রাইব করার চাইতে আরএসএস ফীড মজা লাগে?

aimraj-এ তো সাবস্ক্রাইব করা আছে , এখানে সাবস্ক্রাইব করতে পারলাম না।