রবীন্দ্রনাথের বয়স বোধহয় বেশি হয়ে যাওয়া তে ভুলে গিয়েছিল । hee hee

ফায়ারফক্সকেও সাজিয়ে তুলুন বিশ্বকাপের সাজে এই  পার্সোনা পরিয়ে--
যেটি পছন্দ হবে সেটির উপর just ক্লিক করুন add to তে ক্লিক করুন , তারপর allow, ব্যাস দেখুন ICC Cricket Cup এর Theme যুক্ত হয়ে গেছে ।

1. http://img602.imageshack.us/img602/8079/201102190049icccricketw.jpg

2. http://img830.imageshack.us/img830/8079/201102190049icccricketw.jpg

3. http://img832.imageshack.us/img832/7157/201102190045cricketworl.jpg

4. http://img833.imageshack.us/img833/346/201102190050cricketworl.jpg

5. http://img263.imageshack.us/img263/1808/201102190845iccworldcup.jpg

সূত্র

আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন

'''এতদিন পর এই রাত্রি বেলায় কী যে আনন্দ পাইলাম , তাহা আমি বোঝাইতে পরিলাম না, বত্স ।
মনে হইল আমি যেন রবীন্দ্রনাথ এর সেই হৈমন্তি পরিলাম।'''


অসাধারণ সুন্দর হয়েছে।

উপল BD wrote:

আমি এখনও Tabar's  Dictionary ব্যবহার করিনি,তবে উপকারী জিনিস।  thumbs up

আমি এই প্রথম শুনলাম যে একজন taber's ইউজ করে নি ।

কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও।
তারি রথ নিত্যই উধাও
জাগাইছে অন্তরীক্ষে হৃদয়স্পন্দন,
চক্রে-পিষ্ট আঁধারের বক্ষফাটা তারার ক্রন্দন।

ওগো বন্ধু,
সেই ধাবমান কাল
জড়ায়ে ধরিল মোরে ফেলি তার জাল–
তুলে নিল দ্রুতরথে
দুঃসাহসী ভ্রমণের পথে
তোমা হতে বহু দূরে।
মনে হয়, অজস্র মৃত্যুরে
পার হয়ে আসিলাম
আজি নবপ্রভাতের শিখরচূড়ায়–
রথের চঞ্চল বেগ হাওয়ায় উড়ায়
আমার পুরানো নাম।
ফিরিবার পথ নাহি;
দূর হতে যদি দেখ চাহি
পারিবে না চিনিতে আমায়।
হে বন্ধু, বিদায়।

কোনোদিন কর্মহীন পূর্ণ অবকাশে
বসন্তবাতাসে
অতীতের তীর হতে যে রাত্রে বহিবে দীর্ঘশ্বাস,
ঝরা বকুলের কান্না ব্যথিবে আকাশ,
সেই ক্ষণে খুঁজে দেখো– কিছু মোর পিছে রহিল সে
তোমার প্রাণের প্রান্তে; বিস্মৃতিপ্রদোষে
হয়তো দিবে সে জ্যোতি,
হয়তো ধরিবে কভু নাম-হারা স্বপ্নের মুরতি।
তবু সে তো স্বপ্ন নয়,
সব-চেয়ে সত্য মোর, সেই মৃত্যুঞ্জয়,
সে আমার প্রেম।
তারে আমি রাখিয়া এলেম
অপরিবর্তন অর্ঘ্য তোমার উদ্দেশে।
পরিবর্তনের স্রোতে আমি যাই ভেসে
কালের যাত্রায়।

হে বন্ধু, বিদায়।
তোমার হয় নি কোনো ক্ষতি।
মর্তের মৃত্তিকা মোর, তাই দিয়ে অমৃতমুরতি
যদি সৃষ্টি করে থাক, তাহারি আরতি
হোক তব সন্ধ্যাবেলা,
পূজার সে খেলা
ব্যাঘাত পাবে না মোর প্রত্যহের ম্লান স্পর্শ লেগে;
তৃষার্ত আবেগ-বেগে
ভ্রষ্ট নাহি হবে তার কোনো ফুল নৈবেদ্যের থালে।
তোমার মানস-ভোজে সযত্নে সাজালে
যে ভাবরসের পাত্র বাণীর তৃষায়,
তার সাথে দিব না মিশায়ে
যা মোর ধূলির ধন, যা মোর চক্ষের জলে ভিজে।

আজো তুমি নিজে
হয়তো-বা করিবে রচন
মোর স্মৃতিটুকু দিয়ে স্বপ্নাবিষ্ট তোমার বচন।
ভার তার না রহিবে, না রহিবে দায়।
হে বন্ধু, বিদায়।

মোর লাগি করিয়ো না শোক,
আমার রয়েছে কর্ম, আমার রয়েছে বিশ্বলোক।
মোর পাত্র রিক্ত হয় নাই–
শূন্যেরে করিব পূর্ণ, এই ব্রত বহিব সদাই।
উৎকণ্ঠ আমার লাগি কেহ যদি প্রতীক্ষিয়া থাকে
সেই ধন্য করিবে আমাকে।
শুক্লপক্ষ হতে আনি
রজনীগন্ধার বৃন্তখানি
যে পারে সাজাতে
অর্ঘ্যথালা কৃষ্ণপক্ষ রাতে,

যে আমারে দেখিবারে পায়
অসীম ক্ষমায়
ভালো মন্দ মিলায়ে সকলি,
এবার পূজায় তারি আপনারে দিতে চাই বলি।
তোমারে যা দিয়েছিনু তার
পেয়েছ নিঃশেষ অধিকার।
হেথা মোর তিলে তিলে দান,
করুণ মুহূর্তগুলি গণ্ডূষ ভরিয়া করে পান
হৃদয়-অঞ্জলি হতে মম।

ওগো তুমি নিরুপম,
হে ঐশ্বর্যবান,
তোমারে যা দিয়েছিনু সে তোমারি দান–
গ্রহণ করেছ যত ঋণী তত করেছ আমায়।
হে বন্ধু, বিদায়।

আবৃতিঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

আমরা বাড়ি ঘরের নিরাপত্তার জন্য অনেক কিছু করি , বিশেষ করে রাতের বেলা। যেমন বাড়িতে ভিতরের দরজায় দুই টা তালা, তারপর kollapsible গেট ,সেখানে আরও দুই টা । তারপর একদম বাড়ির বাইরের collapsible গেট আবার 1 -2 টা । তারপরও শোনা যায় ডাকাতি হয়েছে।

কিন্তু আমি আয়াতুল কূর সির একটি ফজিলত বলছি যেত আমি আগে থেকেও করি । কিন্তু আজ নেট এ ঘুরতে ঘুরতে দারুন এক মজার কাহিনী পড়লাম যা মুহম্মদ (স) এর সময়ের ঘটনা । তবে এটা শইতান বেটার কাছ থেকে পাওয়া ।
আমরা সবাই জানি শয়তান মিথ্যাবাদী । সে আমাদের খালি অসৎ কথা আর খারাপ জিনিস করতে বলে ।কিন্তু মজার বিষয় হইলেও সত্য সে নালায়েক ও বদ হইলেও চিপায় পড়লে মাঝে মাঝে ভাল কথা আর সত্য বলে ।নিশ্চই অবাক হচ্ছেন এটা কীভাবে সম্ভব? চলুন পড়ি ও শিখে ফেলি--


আবু হুরায়রা (রাঃ) একদিন দেখতে পেলেন একজন আগন্তুক সদকার মাল চুরি করতেছে তখন তিনি আগন্তুকের হাত ধরে বললেন, “আল্লাহর কসম ,আমি তোমাকে আল্লাহর রাসূলের কাছে নিয়ে যাব ”।তখন আগন্তুক বলে যে সে খুব অভাবী আর তার অনেক প্রয়োজন ।তাই দয়া করে আবু হুরায়রা (রাঃ) তাকে ছেড়ে দিলেন । পরদিন সকালে রাসূল (সাঃ) এর কাছে আসার পর তিনি আবু হুরায়রা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন “গতকাল তোমার অপরাধী কি করছে ?” আবু হুরায়রা (রাঃ)তখন তাকে ক্ষমা করার কথা বললেন । রাসূল (সাঃ) বললেন , “অবশ্যি সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে আর সে আবার আসবে ।”

পরদিন আবু হুরায়রা (রাঃ) চোরের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন আর যখন সে আবার ও চুরি করতে আসল তখন তিন তাকে পাকড়াঁও করলেন আর বললেন “এবার অবশ্যই ,আমি তোমাকে আল্লাহর রাসূলের কাছে নিয়ে যাব ।” এবার ও সেই চোর বলে যে সে খুব অভাবী আর তার অনেক প্রয়োজন আর শপথ করে যে আর আসবে না ।পরদিন আবার ও রাসূলের তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি একই জবাব দেন আর তখন তিনি বলেন, “ আসলেই সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে আর সে আবার আসবে ।”

পরদিন ও আবার আবু হুরায়রা (রাঃ) চোরের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন আর যখন সে আবার ও চুরি করতে আসল তখন তিন তাকে পাকড়াঁও করলেন আর বললেন “এবার অবশ্যই ,আমি তোমাকে আল্লাহর রাসূলের কাছে নিয়ে যাব ।তুমি বার বার শপথ কর আর চুরি করতে আসে ।” চোর যখন দেখল এবার সে সত্যিই রাসূল (সাঃ) এর কাছে নিয়ে যাবে তখন অবস্থা বেগতিক দেখে সে বলে , “আমাকে মাফ কর ।আমি তোমাকে এমন কিছু বলে দিব যার মাধ্যমে আল্লাহ তোমাকে কল্যাণ দান করবেন ।” আবু হুরায়রা (রাঃ) সেটা জানতে চাইলে চোর বলে ; “যখন ঘুমাতে যাবে তখন আয়াতুল কুরসী (আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল……) পড়ে ঘুমাবে তাহলে আল্লাহ তোমার জন্য একজন পাহাড়াদার নিযুক্ত করবে যে তোমার সাথে থাকবে আর কোন শয়তান সকাল পর্যন্ত তার কাছে আসতে পারবে না ।” এটা শুনে আবু হুরায়রা (রাঃ) তাকে ছেড়ে দিলেন ।

পরদিন রাসূল (সাঃ) আবার অপরাধীর কথা জানতে চাইলে তিনি আগের রাতের কথা বললেন ।তখন রাসূল (সাঃ) বললেন ; “ যদিও সে চরম মিথ্যাবাদী কিন্তু সে সত্য বলেছে ।” রাসূল (সাঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ) কে বললেন ;“তুমি কি জান সে কে ?” আবু হুরায়রা (রাঃ) বললেন ; “ না ।”
রাসূল (সাঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ) কে বললেন , “সে হচ্ছে শয়তান ।”

সহীহ বুখারী বই 3 :: ভলিউম 38 :: হাদীস 505

আল্লাহ আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুন , আমিন ।

http://arabicpicture.net/data/media/32/madina11.gif


বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।

ভয়ানক কঠিন রোজ হাশরের ময়দানে যখন সকল মানুষ তার স্ব-স্ব
বিচারের প্রতীক্ষায় অপেক্ষা করতে থাকবে বছরের পর বছর, সেদিনের সেই উম্মুক্ত ময়দানে থাকবে না কোন সামিয়ানা, থাকবে না কোন সাহায্য
কারী , থাকবে না কোন বন্ধু থাকবে শুধু দুনিয়ায় করে যাওয়া সৎ আমল।
সেই আমলের বিনিময়ে মহান আল্লাহ প্রাথমিক পুরষ্কার হিসাবে দান করবেন তার আরশে ‘আজীমের ছায়া।

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রসুল (সঃ) বলেছেন, সাত প্রকার লোককে আল্লাহ তা’য়ালা হাশর ময়দানে নিজের আরশের ছায়ায় স্থান দেবেন। যখন সে ছাড়া আর কোন ছায়া থাকবে না। তারা হলেনঃ
(১) মুসলমানদের সুবিচারক ও ইনসাফগার শাসক ও বাদশা।
(২) সেই যুবক যে আল্লাহ তা’য়ালার বন্দেগীতে জীবন অতিবাহিত করেছেন।
(৩) যে ব্যক্তির অন্তর মাসজিদ থেকে বের হওয়ার পর পুনরায় মাসজিদে প্রবেশ না করা পর্যন্ত মাসজিদের সাথেই সংশ্লিষ্ট থাকে। অর্থাৎ তার অন্তর থাকে মাসজিদে, দেহ থাকে বাইরে।
(৪) যে দু’ব্যক্তি আল্লাহর জন্য একে অপরকে ভালোবাসেন এবং সেই মহব্বতের জন্যই তারা একত্রিত হন। এবং সেই মহব্বতের কথা স্মরণ
রেখেই পরস্পর থেকে পৃথক হন।
(৫)যে ব্যক্তি নিভৃতে একাকী অবস্থায় আল্লাহর যিকির করে এবং তার ভয়ে নয়ন যুগল হতে অশ্রু প্রবাহিত হয়।
(৬)যে ব্যক্তিকে কোন পরমাসুন্দরী ও অভিজাত শ্রেণীর মহিলা
ব্যভিচারের জন্য আহ্বান জানালে সে সুস্পষ্টভাবে এ জওয়াব দেয় যে, আমি আল্লাহ তা’য়ালাকে ভয় করি।
(৭) যে ব্যক্তি এমন সংগোপনে দান করে যে, তার বাম হাত জানেনা তার ডান হাত কি দান করেছে।

মহান আল্লাহর কাছে প্রর্থনা,তিনি যেন আমাদের সকলকে এই সাত শ্রেণীর বান্দা হিসাবে অর্ন্তভুক্ত করেন। আমীন।

দিলাম

কাটছাট করলে 1, 2, 5,6,7,8 নং পিক্চার থাকবে না , কিন্তু ভিতরের সব লিখাই important , ছোট করলে অনেকে ভাল বুঝবে না । পিক্চার গুলো বাদ দিলেই তো এম্নিতেই ছোট হয়ে যাবে।

নিজেদের মধ্যে

পেশাগত জীবনে যে সমস্ত বাত রোগে সবচে বেশী “ভুল” দেখতে পেয়েছি তা হল রিউমাটিক ফিভার বা বাতজ্বর নিয়ে। আমাদের দেশে এই ভুল কোথা থেকে এল তা চিন্তার বিষয়। রিউমাটিক ফিভার হার্ট ভাল্ব রোগের অন্যতম কারন,বিশেষ করে অল্প বয়সে।
http://atnelson.myweb.uga.edu/RheumaticFever.jpg

রিউমাটিক বা বাত , গিঠ ফোলা, ব্যাথা ইত্যাদির সাথে জ্বর থাকলেই বাতজ্বর এমন ধারনা অস্বাভাবিক ও নয়।হয়ত তারই ধারাবাহিকতায় আজ ও এই ভুল। রিউমাটিক ফিভার বা বাতজ্বর হল এক প্রকার প্রদাহজনিত রোগ যা স্ট্রেপ্টোকক্কাস নামক এক প্রকার ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমনের পর হয়ে থাকে।
http://www.netterimages.com/images/vtn/000/000/013/13316-150x150.jpg

কারনঃ- সারা পৃথিবীতেই বাতজ্বর দেখা যায়। তবে উন্নত বিশ্বে প্রাদুর্ভাব নেই বললেই চলে।বাংলাদেশেও অনেক কমে গেছে এই রোগ। এন্টিবায়োটিক ঔষধের সহজ লভ্যতা, স্বাস্থ্যগত উন্নতি, উন্নত পয়ঃনিস্কাসন, বাসস্থান বিশুদ্ধ পানি ইত্যাদি রোগটির প্রাদুর্ভাব কমার কারন।এটা বাচ্চাদের রোগ । শতকরা ৯০ ভাগের ও বেশী রোগীর বয়স ৫ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে।
http://www.wikieducator.org/images/e/ee/Rheumaticfever.jpg
http://www.netterimages.com/images/vpv/000/000/010/10271-0550x0475.jpg

স্ট্রেপ্টোকক্কাস ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমনের কারনে গলাব্যাথা, টনসিলাইটিস, স্কারলেট ফিভার ইত্যাদি হয়ে থাকে। তার প্রায় ৩-৪  সপ্তাহ পর এই রোগের লক্ষন দেখা দেয়।
http://www.healthwatchcenter.com/wp-content/uploads/2008/04/rheumatic-fever.jpg

যে সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বাতজ্বরে আক্রান্ত হয়ে থাকেঃ- হৃৎপিন্ড, গিঠ, চামড়া, মস্তিস্ক ইত্যাদি।
http://www.health.gov.mt/impaedcard/issue/issue11/1231/fig12a.jpg
http://www.texasheartinstitute.org/HIC/Topics/images/Woman_Sick.jpg
http://www.illness-disease.com/files/images/132.jpg

উপসর্গ:-
          • জ্বর
          • পেটে ব্যাথা,
          • গলা ব্যথা , বুকে ব্যথা্,শ্বাস কষ্ট,বুক ধড়ফড়, ইত্যাদি।
          • গিঠে ব্যাথা, গিঠ লাল হয়ে,গরম হয়ে ফুলে ওঠা। প্রধান গিঠঃ হাটু কনুই, গোড়ালি, কবজি ।গিঠ ফোলার বৈশিষ্ঠ হল যে একাধিক গিঠ আক্রান্ত হয় এবং একটা গিঠ ফোলা উন্নতি হয় তো আরেকটা গিঠ আক্রান্ত হয় যাকে বলে মাইগ্রেটরি পলিআরথ্রাইটিস।
         • বুক পিঠ বাহু বা পায়ের চামড়ার উপর গোটা, বা দাগ দেখা যেতে পারে।
         • খিচুনি, হঠাৎ হটাৎ হাত মুখ বা পায়ের অনিচ্ছাকৃত ঝাকুনি ইত্যাদি।

লক্ষনঃ-
ভিন্ন ভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ আক্রমনের কারনে নানা ভাবে রোগটি দেখা যায়। কোন ক্ষেত্রে গিঠের সমস্যা , কোন ক্ষেত্রে গলা ব্যাথা বুক ব্যাথা বা হার্টের সমস্যা।
http://www.your-doctor.net/images/cardiovascular/RF/Heart_Valves.jpg
http://images.healthcentersonline.com/heart/images/article/Normal_Heart_Valves.jpg
পরীক্ষাঃ-
• এ এস ও টাইটারঃ- রক্তের এই পরীক্ষা দিয়ে স্ট্রেপ্টোকক্কাস ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমন বোঝা যায়।টাইটার বা পরিমান বেশী হলে তা সংক্রমনের ইঙ্গিত দেয়।এটি কখনই রিউমাটিক ফিভার বোঝায় না, শরীরের যে কোন স্থানে স্ট্রেপ্টোকক্কাস ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমন থেকে পরীক্ষাটি পজিটিভ হতে পারে। এর ৩০০ থেকে ৪০০ হলেই পজিটিভ বলা যাবে না। follow up এ যদি পজিটিভ থাকে তবে বলা যেতে পারে । 
• রক্তের রুটিন পরিক্ষাতে ই এস আর বেশী থাকে।
• ব্লাড কাউন্টে শ্বেত কনিকা বেশী থাকে।
• ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম ইকোকার্ডিওগ্রাম পরীক্ষা করে হৃৎপিন্ড আক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত বোঝা যাবে না । বিশেষ করে মায়ট্রাল ভাল্ব এর সমস্সা ।

ডায়াগনোসিসঃ- সঠিক ভাবে ডায়াগনোসিসের জন্য কতগুলো মেজর এবং মাইনর ক্রাইটেরিয়া
মেজর ক্রাইটেরিয়া
 অনেকগুলো গিঠের প্রদাহ এবং ফোলা বা আরথ্রাইটিস
 হৃৎপিন্ডের প্রদাহ
 চামড়াতে গোটা যাকে erythema marginatum বলে
 চামড়াতে দাগ
 হাত পায়ের হটাৎ লাফ মারা বা খিচুনি
মাইনর ক্রাইটেরিয়াঃ-
o জ্বর
o ইএস আর বেশি
o গিঠে ব্যাথা
o অনান্য প্ররীক্ষা

দুটো মেজর বা একটি মেজর এবং দুটি মাইনর ক্রাইটেরিয়ার সাথে যদি স্ট্রেপ্টোকক্কাস সংক্রমনের প্রমান( উচুচ এ এস ও টাইটার) থাকে তবে রিউমাটিক ফিভার ডায়াগনসিস করা হয়ে থাকে।

চিকিৎসাঃ-
এন্টিবায়টিকঃ- পেনিসিলিন বা ইরাইথ্রোমাইসিন খুবই কার্যকর ঔষধ।

ব্যাথার ঔষধঃ-গীঠের ব্যাথার জন্য এস্পিরিন বা অন্য ব্যথার ঔষধ বা স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করা যেতে পারে।

স্বল্প মাত্রায় পেনিসিলিন(বেঞ্জাথিন পেনিসিলিন মাসে একটা ইঞ্জেকশান অথবা পেনিসিলিন ভি ট্যাবলেট ) বা ইরাইথ্রোমাইসিন ঔষধ দির্ঘদিন খাওয়ার দরকার পড়ে। সাধারণত রোগের প্রকাশ থেকে সর্ব নিম্ন ৫ বছর  অথবা ২১ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত । অথবা যেটি বেশি হবে সে পর্যন্ত ঔষধ খেতে হয় যাতে আবার স্ট্রেপ্টোকক্কাস সংক্রমন না হতে পারে।

জটিলতাঃ-

হৃৎপিন্ডের আক্রমন প্রধান সমস্যা। ভাল্বের রোগ মাইট্রাল স্টেনোসিস,রেগারজিটসন ,  এরিদমিয়া, এন্ডকার্ডাইটিস, হার্ট ফেলিওর   পেরিকার্ডাইটিস, ইত্যাদি

মস্তিস্কের আক্রমনে;- খিচুনী , হাত পায়ের অনিচ্ছাকৃত লাফালাফি ইত্যাদি।

প্রতিরোধঃ দ্রুত এবং সঠিক চিকিৎসা করা জরুরী, পুনরায় সংক্রমনের হাত থেকে প্রতিরোধে দীর্ঘদিন এন্টিবায়টিক ঔষধ সেবন অপরিহার্য। এবং অবস্শয় সংশ্লিষ্ট  বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ মত চলতে হবে । তবেই সুস্থ জীবনের নিশ্চয়তা ।

Heart foundation এর Rheumatic fever এর Guidelines এর লিংক দিলাম । কাজে লাগতে পারে।

http://ec1.images-amazon.com/images/I/51NSXBSJ2WL.jpg

Author: Donlad Vernes
Date: 7-09-2008

20th এডিশন---2788 পেজ
File সাইজ -4.6 mb

ডাউনলোড লিংক

মিডিয়া আগুন লিংক

ব্যবহার পদ্ধতি :
ডাউনলোড করে আপনার মোবাইল এর External card এ নিয়ে মোবাইল এর phone এ install করে নিন। তবে phone অপশন-এ জায়গা না থাকলে card এ ইন্সটল করুন । এবার দেখুন JAVA সফ্টওয়্যার গুলোর মধ্যে লিখা Taber's cyclopedic medical dictionary ।

Open / Launch করুন। দেখুন-

0 Back
1 Exit
+2 Goto
+3 Bookmarks
+4 Search
+5 settings
+6 Info
7 Minimize
8 Key lock

+4 Search এর ভিতরে ঢুকে Find এ যে word এর সম্মন্ধে জানতে চান লিখুন । একটু অপেক্ষা ......... তারপর কত ইনফর্মেশন পাবেন দেখে নিন।

হাহ হাহ Tabar's এর মোটা বই বয়ে নিয়ে যাবার দিন শেষ   thumbs up  thumbs up

headline টা ভাল ভাবে পড়া উচিত ছিল !!!

কেন শশুরপক্ষ থাকলে প্রবলেম কী ?

তবে ডোমেন কিনলে তো ভালোই হবে -- গুগলে বাংলায় search দেয়া যাবে আরএম সি ফোরামডট কম  thumbs up

আব্দুল্লাহ wrote:

ঘরে ঘরে পরিচয়পত্র কিভাবে আসবে? উড়ে উড়ে নাকি হেটে হেটে? tongue

এটা আবার কেমন উত্তর ???!!! সব কিছু যেভাবে হয় সেভাবেই হবে । funny matter is this ?

(সময়ঃ গভীর রাত)

অমিতঃ “আমার জন্যে আজ তুমি অপেক্ষা করে ছিলে?” কোন বইয়ের লাইন বলো!
লাবণ্যঃ অবশেষে তুমি আসলে!
অমিতঃ হুম…
লাবণ্যঃ এক পুরোনো বন্ধু’র সাথে কথা বলছিলাম। আমি ভাবছিলাম তোমার আরো দেরি হবে!
অমিতঃ কোন বইয়ের লাইন বলো!
লাবণ্যঃ অনেক বইয়েই এই লাইন থাকে!
অমিতঃ উঁহু! অনেক বইয়ে থাকে না!
লাবণ্যঃ হিন্টস দাও!
অমিতঃ লেখক মৃত এবং কবিও ছিলেন
লাবণ্যঃ সুনীল?
অমিতঃ তুমি গাধা। সুনীল মরলো কবে! এটা রবী ঠাকুরের শেষের কবিতার একটা লাইন।
লাবণ্যঃ শোনো রাগ করো না, কিন্তু বইটা আমার ভালো লাগে নি।
অমিতঃ প্রথমবার পড়ে আমারও ভালো লাগে নি। এরপর যতবার পড়ি ততবারই ভালো লাগে আর নতুন মনে হয়। তুমি আমার জন্য আজ অপেক্ষা করে ছিলে?
লাবণ্যঃ হুম। করছিলাম তো! দেখতেই পাচ্ছো! ১২টায় এসেছি অনলাইনে। এরপর নিছক সময় কাটানোর জন্য একজনের সাথে কথা বলছিলাম মেসেঞ্জারে। এরপর এক বন্ধুর সাথে ফোনে কথা বললাম ৪২ মিনিট। তুমি ছিলে কোথায়?
অমিতঃ তোমাকে মেইলে বললাম যে পাশের শহরে এসেছি। এক বন্ধু’র সাথে আছি আজ। গল্পে গল্পে দেরি হয়ে গেলো।

লাবণ্যঃ ফেসবুক থেকে প্রোফাইল ছবি মুছে দিয়েছি।
অমিতঃ কেন! এডমায়ার বেড়েছে নাকি তোমার? কার সাথে কথা বলছিলে?
লাবণ্যঃ ফরিদপুর থেকে যেদিন চলে আসি, পুরো রাস্তা কেঁদেছিলাম। এত্তো খারাপ লাগছিল! ওখানকারই এক বন্ধু’র সাথে কথা বলছিলাম।
অমিতঃ খুব মিস করো!
লাবণ্যঃ ঢাকা আমার একদমই ভালো লাগে না। কেমন দমবন্ধ চারদিক! মানুষগুলোও জানি কেমন!
অমিতঃ তোমার নানাবাড়ি কোথায় যেন?
লাবণ্যঃ চাঁদপুরে। ভুলে গেলে!
অমিতঃ ঢাকা থেকে চাঁদপুরের লঞ্চ জার্নিটা খুব মজার!
লাবণ্যঃ হুম। রাতের বেলা যাওয়ার সময় আমরা কেবিন ছেড়ে লঞ্চের সামনের দিকটাতে গিয়ে বসি। আব্বু চায়ের কেটলী থেকে চা ঢালতে ঢালতে তাঁর গল্প শুরু করেন।
অমিতঃ একবার আমরা অনেক বন্ধু মিলে গিয়েছিলাম, চাঁদনী রাত ছিল। ডকে বসে আড্ডা দিতে দিতে কখন জানি রাস্তা ফুরিয়ে গেল! সকালে চাঁদপুরে নাস্তা করে সাথে সাথেই ফিরলাম আবার ঢাকায় বাসে করে।
লাবণ্যঃ হুম চাঁদনী রাত হলে তো কথাই নেই! ঢেউয়ের ঝিলিক তখন এত মোহনীয় লাগে!

লাবণ্যঃ অ…মি…ত…
অমিতঃ হুম!
লাবণ্যঃ তোমার কি আজ মন খারাপ?
অমিতঃ কেন?
লাবণ্যঃ তোমার মেইল দেখে তাই মনে হলো।

লাবণ্যঃ অমিতকে আজ কোথায় রেখে এলে!
অমিতঃ কাকে?
লাবণ্যঃ ফাজিল অমিতকে!
অমিতঃ ওহ! আছে আমার মাঝেই আছে! আচ্ছা শোনো… তোমাকে কি জানি বলবো ভাবছিলাম। ভুলে গেলাম!
লাবণ্যঃ জানো! তোমাদের ছবিটা দেখে আমার অনেক চেনা মনে হয়েছে! আমি নিশ্চিত তোমাদেরকে দেখেছি কোথাও!
অমিতঃ দেখেছো হয়তো! ওহ! নানাবাড়ি কবে যাবে?
লাবণ্যঃ পহেলা বৈশাখ।
অমিতঃ ফিরবে কবে? কি আনন্দ! তাই না!
লাবণ্যঃ কিসের কি! মামাত খালাত ভাই বোনরা এখন আর কেউ নাই! এটাই বলতে চাইছিলে?
অমিতঃ ফিরবে কবে?
লাবণ্যঃ পরদিনই হয়তো! এটাই বলতে চাইছিলে??
অমিতঃ জানি না! মনে নেই!
লাবণ্যঃ একটা গিফট পাঠিয়েছিলাম, পেয়েছো?
অমিতঃ কোথায়!
লাবণ্যঃ ফেসবুকে।
অমিতঃ ওহ! দেখিনি, দেখছি।
লাবণ্যঃ আচ্ছা পরে দেখো, এখন দেখতে হবে না। তোমার মন আজ মনে হচ্ছে অনেক খারাপ। কেতকী কেমন আছে? কোন হলে জানি থাকে? কথা হয়নি আজ?
অমিতঃ জাহানারা ইমাম হল। হুম কথা হয়েছে।
লাবণ্যঃ আরে ও হলে তো আমিও ছিলাম! ওর বাড়িও কি পাবনা?
অমিতঃ না। সিলেটে।
লাবণ্যঃ তুমি এক কাজ করো ঘুমানোর চেষ্টা করো। ভালো লাগবে। আচ্ছা তোমাদের পরিচয় হয়েছিল কেমন করে?
অমিতঃ হুম ঘুমাবো। তুমিও ঘুমাও। অনেক রাত হলো।
লাবণ্যঃ আচ্ছা, তোমাদের পরিচয় হয়েছিল কেমন করে বলে যাও!
অমিতঃ অনেক বড় গল্প। আরেকদিন বলি?
লাবণ্যঃ আচ্ছা ঠিক আছে, লিখে মেইল করো।
অমিতঃ তোমার শোভন কেমন আছে?
লাবণ্যঃ Bye! ঘুমাতে যাও এখন। পরে গল্প হবে আবার!
অমিতঃ আচ্ছা ঠিক আছে। Bye for today!
লাবণ্যঃ তোমার মন ভালো করতে পারলাম না! sad
অমিতঃ আমি ঠিক আছি! তুমি ভালো থেকো!
লাবণ্যঃ একটু হাসো তো!
অমিতঃ ভালো থেকো। happy

সূত্র : ইন্টারনেট

http://www.dw-world.de/image/0,,5724799_1,00.jpg

ইন্টারনেটে ডোমেইন নেম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়৷ আপনার নামটি যেভাবে আপনার পরিচয় বহন করে, তেমনি ডোমেইন নেম যেকোন ওয়েবসাইটের নিজস্ব পরিচয়৷


রোমান হরফে ঠিকানা

এই ডোমেইন নেম শুরুতে ছিল রোমান হরফ নির্ভর৷ অর্থাৎ যেকোন ইন্টারনেট ঠিকানা হতে হবে রোমান হরফে৷ যেমন, গুগল ডটকম কিংবা ইউএনইপি ডটঅর্গ৷ সবই হতে হবে রোমান হরফে – অর্থাৎ ইংরেজির মত ভাষাতে৷ তবে সেখানেও সমস্যা ছিল৷ যেমন এই ক'দিন আগে পর্যন্ত জার্মান ভাষার কিছু বিশেষ হরফ ইন্টারনেট ঠিকানায় স্থান পেত না৷ সম্প্রতি তা চালু হয়েছে৷

সমস্যা বাঁধলো অন্যত্র৷ ইংরেজি আন্তর্জাতিক ভাষা হলেও বিভিন্ন জাতি নিজস্ব ভাষাকেও দেখতে চায় ইন্টারনেট জগতে৷ সেই ধারণা থেকেই তৈরি হলো বাংলা, হিন্দি কিংবা চীনা ভাষায় ওয়েবসাইট৷ উদাহরণস্বরূপ, প্রথম-আলো ডটকম কিংবা সমকাল ডটকম৷ এসব সাইটের সব বিষয়বস্তুই বাংলা ভাষায়৷

ঠিকানাও বাংলা চাই

ওয়েবসাইটে বাংলা ভাষা পেয়ে সন্তুষ্ট অনেকে৷ কিন্তু এক জায়গায় ইংরেজি থেকেই যাচ্ছে৷ ঠিক ধরেছেন, ওয়েব ঠিকানাটা এখনো রোমান হরফেই লিখতে হচ্ছে৷ এই সমস্যার সমাধান করছে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি৷ সংস্থাটির চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী মার্চ মাস থেকেই চালু হচ্ছে বাংলা ডোমেইন৷ এরফলে ওয়েবসাইটের ঠিকানায় যেমন যোগ হবে ডটবাংলা লেজুড়, তেমনি পুরো ঠিকানাটাও লেখা যাবে বাংলা ভাষার হরফে৷

জিয়া আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে প্রস্তুতি চূড়ান্ত৷ বাংলা ডোমেইন চালু হলেই ইন্টারনেটে ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা স্বীকৃতি পাবে৷ Bildunterschrift:

ঠিকানা লেখার পদ্ধতি

কম্পিউটারে বাংলা ভাষা নানাভাবে লেখা যায়৷ কেউ বিজয়, কেউ অভ্র, কেউবা অন্য কোন কি-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার করে বাংলা লিখছেন৷ বাংলায় ওয়েব ঠিকানা লিখতে তাহলে কি ধরনের কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার করতে হবে? তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবের এই প্রসঙ্গে বলেন, এক্ষেত্রে সমাধান ইউনিকোড, কে কোন কী-বোর্ড ব্যবহার করছে তা এখানে বিবেচ্য নয়৷

যুক্তাক্ষর

এই ইন্টারনেট বিশেষজ্ঞের কাছে আরো জানতে চাই, যুক্তাক্ষরযুক্ত বাংলা ওয়েবঠিকানাও কি ব্যবহার করা যাবে, যেমন ধরুন সম্পর্ক ডটবাংলা কিংবা যুগপৎনির্যাতন ডট বাংলা? তিনি বলেন, ইউনিকোডের যে কোডিং সেখানে যুক্তাক্ষর কোন সমস্যা নয়৷ তাই, যুক্তাক্ষর দিয়েও ডোমেইন নেম পাওয়া যাবে৷ তবে, কিছু ব্রাউজার এবং কম্পিউটার এখনো ইউনিকোড অক্ষর ঠিকভাবে প্রদর্শন করতে পারে না৷ এই সমস্যা বেশিদিন থাকবে না৷

এবারও কি বিটিসিএল?

ডটবিডি ডোমেইন নেম কিনতে হয় বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল এর কাছ থেকে৷ এই বিষয়ে খানিকটা আপত্তি রয়েছে তথ্য প্রযুক্তি বোদ্ধাদের৷ রাসেল টি আহমেদ এর মতে, ডটবিডি বা ডটবাংলা ডোমেইনগুলোর দায়িত্ব অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা উচিত৷ কেননা, বিটিসিএল যুগোপযোগী সেবা প্রদানে সক্ষম হচ্ছে না৷ ফলে ডটবিডি ডোমেইন জনপ্রিয়তা পায় নি, ডটবাংলার ক্ষেত্রেও একই অবস্থা হতে পারে৷

উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল বাংলা৷ বর্তমানে বাংলাদেশ-পশ্চিমবঙ্গসহ প্রায় ২৫ কোটি মানুষের মাতৃভাষা বাংলা৷ তাই, ইন্টারনেটে ডটবাংলা ডোমেইন নিঃসন্দেহে বাংলা ভাষার জন্য বড় সম্মানের বিষয়৷

সূত্র

লজেন্স কী সব সময় এক রকম হয় ??? কখনো টফি , কখনো ম্যাঙ্গো , কখনো alpenlibe ।

http://media.somewhereinblog.net/images/sagir42_1297776672_1-firefox.jpg


আপনি ওয়েবে কাজ করতে থাকুন HitWicket তার কাজ করতে থাকবে। মজিলা ফায়ারফক্সের ডান কোনার নিচে বসে আপনাকে জানাতে থাকবে কোন খেলার কি অবস্থা। কখন উইকেট পড়লো আর রান কত হল। যদি একাধিক খেলা চলতে থাকে তাহলে একাধিক স্কোর দেখাবে। আপনার যেটি ইচ্ছে প্রাধান্য দিয়ে রাখলে সরাসরি তা দেখাবে। বাকিগুলো হিডেন থাকবে।

http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/sagir42_1297776776_3-HitWicket2.png

উইকেট পড়ার সাথে সাথে আপনাকে জানান দিবে কয়টা কতল হল।

কতখন পর পর স্কোর দেখতে চান? ২০ সেকেন্ড? ৩০ সেকেন্ড? ১ মিনিট? কেন সমস্যা নেই তাও ঠিক করে দিতে পারবেন।
http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/sagir42_1297776895_5-HitWicket3.png

এছাড়াও আর -ও addons আছে । যেমন -
BanglaCricket Toolbar by জুনায়েদ কাজী

ESPN Cricinfo

Score watch

আগামী মাসে শুরু হবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন এ উদ্যোগ নিয়েছে। উদ্যোগ সফল করার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রবর্তনের বিষয়টি আমাদের নাগরিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। দীর্ঘ প্রায় একযুগ ধরে এ নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীপেশা থেকে এর তাগিদ ও পরামর্শ আসছিল। এক পর্যায়ে ২০০৭-২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তা কার্যকর করা হয়। প্রথম দফায় ছবিসহ তালিকাভুক্ত করা হয় প্রায় ৮ কোটি ১০ লাখ ভোটারের নাম। এ কাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তাদের সহায়তায় নির্বাচন কমিশন কম সময়ের মধ্যেই আইডি কার্ড প্রণয়ন ও বিতরণের কাজ সম্পন্ন করে। প্রাপ্ত তথ্য মতে, হালনাগাদ ভোটার তালিকায় আরও প্রায় ৪৭ লাখ ভোটার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নতুন অন্তর্ভুক্তদের অনেকেই এখনো পরিচয়পত্র পাননি। জাতীয় পরিচয়পত্র প্রণয়ন এক কথায় প্রশংসাযোগ্য। একে একটি কাজের কাজ বলে অভিহিত করা যায়। ব্যাংক-বীমা, বাড়ি-গাড়ি কেনাবেচা, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন, নিকাহনামাসহ বিভিন্ন কাজে এ পরিচয়পত্র এখন অপরিহার্যভাবে কাজে লাগছে। কৃষকদের ভর্তূকি দান, রেশন কার্ডসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার হলে এসব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। ভোটারদের এ পরিচয়পত্রটি এখন জাতীয় ও রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্ববহ। তাই নির্বাচন কমিশনকে এ ব্যাপারে অতীতের অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতার আলোকে পদক্ষেপ নিতে হবে। নাগরিকদেরও দায়িত্ব হবে এ কাজে কমিশনকে সহায়তা করা। ইতিপূর্বে যারা এ কাজে সংশ্লিষ্ট ছিলেন তাদের সহায়তা নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখলে ভালো হবে। আর ইতিপূর্বে বিতরণকৃত পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধন ও পরিচয়পত্র হারানো নাগরিকদের নতুন পরিচয়পত্র সংগ্রহে জটিলতা কমানোর বিষয়টিও ভাববার অবকাশ রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র জাল-জালিয়াতির বিষয়টি উল্লেখ করার মতো। বিভিন্ন দপ্তরে দাখিলকৃত কিছু ভুয়া পরিচয়পত্র ধরা পড়েছে। এ জাল-জালিয়াতি রোধে আরও শক্ত ব্যবস্থা রাখার বিষয়টিও ভাবতে হবে। এ ব্যাপারে একটি কার্যকর আইনি কাঠামোর আবশ্যকতা রয়েছে।

সূত্র

http://www.bangladesh-pratidin.com/admin/news_images/290/image_290_51612.jpg

হাফেজ শেখ মিরাজ

মহানবী (সা.) জন্মগ্রহণ করেছিলেন রবিউল আউয়াল মাসে। এ পৃথিবী থেকে বিদায়ও নেন এই মাসে। মৃত্যুর আগে মহানবী (সা.) শেষ হজব্রত পালনের সময় পৃথিবী থেকে তার বিদায়ের সময় যে ঘনিয়ে এসেছে সে সম্পর্কে আভাস দেন। ইসলামের পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় দিক দর্শন ঘোষিত হয়েছিল রাসূলে পাক (সা.) এর ওই ভাষণে। মহানবী (সা.) বিদায় হজের ভাষণে বলেন, হে আমার প্রিয় ভক্তবৃন্দ, আজ যে কথা তোমাদের বলব, মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ কর। আমার আশঙ্কা হচ্ছে, তোমাদের সঙ্গে একত্রে হজ করার সুযোগ আর আমার ঘটবে না।

হে মুসলিম, আঁধার যুগের সমস্ত ধ্যান-ধারণাকে ভুলে যাও, নব আলোকে পথ চলতে শিখ। আজ হতে অতীতের সব মিথ্যা সংস্কার, অনাচার ও পাপ-প্রথা বাতিল হয়ে গেল। মনে রেখ সব মুসলমান ভাই-ভাই। কেউ কারও চেয়ে ছোট নও, কারও চেয়ে বড় নও। আল্লাহর চোখে সবাই সমান।

নারী জাতির কথা ভুলো না। নারীর ওপর পুরুষের যেরূপ অধিকার আছে, পুরুষের ওপর নারীরও সেরূপ অধিকার আছে। তাদের প্রতি অত্যাচার করো না। মনে রাখবে_ আল্লাহকে সাক্ষী রেখে তোমরা তোমাদের স্ত্রীকে গ্রহণ করেছ।

সাবধান! ধর্ম সম্বন্ধে বাড়াবাড়ি করো না। এই বাড়াবাড়ির ফলে অতীতে বহু জাতি ধ্বংস হয়েছে। প্রত্যেক মুসলমানের ধন-প্রাণ পবিত্র বলে জানবে। যেমন পবিত্র আজকের এই দিন_ ঠিক তেমনই পবিত্র তোমাদের পরস্পরের জীবন ও ধন-সম্পদ।

হে মুসলমানগণ, হুঁশিয়ার! নেতার আদেশ কখনো লক্সঘন করো না। যদি কোনো কর্তিত-নাশা কাফ্রী ক্রীতদাসকেও তোমাদের আমীর করা হয় এবং সে যদি আল্লাহর কিতাব অনুসারে তোমাদের চালনা করে, তবে অবনত মস্তকে তার আদেশ মেনে চলবে।

দাসদাসীদের প্রতি সর্বদা সদ্ব্যবহার করবে। তাদের ওপর কোনোরূপ অত্যাচার করবে না। তোমরা যা খাবে তাদেরও তাই খাওয়াবে; যা পরবে তাই পরাবে। ভুলে যেও না তারাও তোমাদেরই মতো মানুষ। সাবধান! পৌত্তলিকতার পাপ যেন তোমাদের স্পর্শ না করে। শিরক করো না, চুরি করো না, মিথ্যা কথা বলো না, ব্যভিচার করবে না। সর্বপ্রকার মলিনতা হতে নিজেকে মুক্ত করে পবিত্রভাবে জীবনযাপন করবে। চিরদিন সত্যাশ্রয়ী হবে। মনে রাখবে, একদিন তোমাদের আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে। সেদিন তোমাদের কৃতকর্মের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। বংশের গৌরব করো না। যে ব্যক্তি নিজ-বংশকে হেয় মনে করে অপর কোনো বংশের নামে আত্মপরিচয় দেয়, আল্লার অভিশাপ তার ওপর নেমে আসে।

হে আমার উম্মতগণ, আমি যা রেখে যাচ্ছি, তা যদি তোমরা দৃঢ়ভাবে ধারণ করে থাক, তবে কিছুতেই তোমাদের পতন হবে না। সেই গচ্ছিত সম্পদ কি? তা আল্লাহর কোরআন এবং তার রাসূলের আদেশ। নিশ্চয় জানবে, আমার পর আর কোনো নবী নেই। আমিই শেষ নবী। যারা উপস্থিত আছ, তারা অনুপস্থিত সব মুসলমানের কাছে আমার এই বাণী পেঁৗছে দিও...। এ পর্যন্ত বলে রাসূল পাক (সা.) ঊর্ধ্বাকাশে তাকিয়ে আবেগ ভরে বললেন, হে আল্লাহ, হে আমার প্রভু, আমি কি তোমার বাণী পেঁৗছে দিত পারলাম? আমি কি আমার কর্তব্য সম্পাদন করতে পারলাম? লক্ষ্য কণ্ঠে নিনাদিত হলো : নিশ্চয়! নিশ্চয়!!

তখন হজরত কাতর কণ্ঠে পুনরায় বললেন, প্রভু হে, শ্রবণ কর, সাক্ষী থাক; এরা বলছে আমার কর্তব্য আমি করছি। এই সময় কোরআনের শেষ আয়াত নাজিল হলো : '(হে মুহম্মদ!) আজ আমি তোমার দীনকে সম্পূর্ণ করলাম এবং তোমার ওপর আমার নিয়ামত পূর্ণ করে দিলাম। ইসলামকেই তোমার ধর্ম বলে মনোনীত করলাম।'

কেন ? great না কইলাম  rock on!  rock on!  peace sign

এটা গল্প গল্পই থাকুক , but she is not like that ..........

শেষের লাইন গুলোর সাথে একমত হতে পারলাম না , কারণ ডাক্তার রা প্রথম জীবনে ভাতের অভাবে মরলেও , শেষ জীবনে সময়ের অভাবে মরে , am i not right ???