গ্রামে তো অনেকেই এখনো সরিষার তেল দিয়ে অনেকেই দাত মাজে !!!

দারুন বেপার !!! রিলিজ হয়নাই অথছ রেট দেখে মাথাই হাত -৮,৫।

শেষে উল্টো রি-অ্যাকশন হলে গবেষনা ফল উল্টা হবে। কারন এর আগে জন্ম-নিয়ন্ত্রন ড্রাগ এর গবেষনা করে দেখা গেছে ইদুরের বংশ না কমে বেড়েছে।  day dreaming  day dreaming

ফরহাদ মাহমুদ

জাপানে ভয়াবহতম ভূমিকম্প এবং তৎপরবর্তী সুনামির কারণে জাপানের ফুকুশিমায় অবস্থিত পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের তিনটি চুলি্লতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। পারমাণবিক চুলি্লতে বিস্ফোরণ ঘটলে স্বাভাবিকভাবেই তেজস্ক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে। বাতাস ও বৃষ্টির মাধ্যমে সেগুলো ছড়িয়ে যায় এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে। সেটি কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা মানে না। তাই জাপানের আশপাশের দেশগুলোতেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু আমরা এতটা আতঙ্কিত হচ্ছি কেন? পরমাণু বিশেষজ্ঞদের মতে, জাপানের দুর্ঘটনায় বাংলাদেশে তেজস্ক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ার কোনো আশঙ্কাই নেই। আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকেও আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে। তার পরও এরা কারা এবং কেন এ নিয়ে আতঙ্ক বিস্তার করছে? দেখা যায়, মোবাইল ফোন বা অন্যান্য মাধ্যম, এমনকি কোনো কোনো গণমাধ্যমেও আতঙ্ক বিস্তার করা হচ্ছে। তাদের এ আতঙ্ক বিস্তারের উদ্দেশ্য কী_সে কথায় একটু পরে আসছি।
এর আগে ১৯৮৬ সালেও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত ইউক্রেনের চেরনোবিলে পারমাণবিক চুলি্লতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছিল। সেটিও বাংলাদেশে খুবই আতঙ্ক বিস্তার করেছিল। আর তাতে একটি মহল প্রকাশ্যে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল। বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের কার্যালয়ে রীতিমতো একটি সেল খোলা হয়েছিল। সেখানে প্রতিদিন সাংবাদিকদের নানা রকম ব্যাখ্যা দেওয়া হতো। তার আগেও যুক্তরাষ্ট্রে একাধিক পারমাণবিক চুলি্লতে দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছিল; কিন্তু সেগুলো নিয়ে সেভাবে আতঙ্ক ছড়ায়নি। কেউ আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্যোগও নেয়নি। অনেকটা অগোচরে বা নীরবে-নিভৃতে হারিয়ে গেছে সেসব দুর্ঘটনার খবর। কারণ এ ধরনের দুর্ঘটনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বেশ প্রভাব ফেলে। এতে কেউ লাভবান হয়, কেউ হয় ক্ষতিগ্রস্ত। তাই এ ধরনের প্রচারণা একেবারে অপরিকল্পিত নয়। ইতিমধ্যেই থাইরয়েড ক্যান্সারবিরোধী ওষুধের বিক্রি অভাবনীয় পর্যায়ে বেড়ে গেছে। আতঙ্ক যত বাড়বে, বিক্রিও তত বাড়বে।
বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে একটি পুরনো অভিজ্ঞতা মনে পড়ে গেল। আমি তখন দৈনিক সংবাদে কাজ করি। বিজ্ঞান বিষয়ে কিছু লেখালেখি করি। গুঁড়াদুধ সম্পর্কে তখন মানুষের মনে প্রবল আতঙ্ক। সেই সুবাদে এক বন্ধুর মাধ্যমে একটি বিদেশি গুঁড়াদুধ কম্পানির একজন দেশীয় প্রতিনিধি আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। বন্ধুটি রীতিমতো জোর করে মতিঝিলের একটি ভালো রেস্তোরাঁয় নিয়ে আমাকে মধ্যাহ্নভোজ করালেন। তারপর বললেন আসল কথাটি। তাঁদের বক্তব্য ছিল, আমরা যে দেশ থেকে দুধ আনি সেটি ইউক্রেন থেকে অনেক দূরে। সেখানে তেজস্ক্রিয়া ছড়ানোর কোনো আশঙ্কা নেই, যেটা আছে ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আনা দুধে। আমার কোনো লেখায় এ কথা লিখে দিতে হবে। বন্ধুটি আমাকে জানালেন, বিনিময়ে আমাকে খুশি করা হবে। সেই কাজটি আমি না করলেও অনেকেই সে সময় করেছিলেন।
তেজস্ক্রিয়া কিন্তু সর্বত্রই এবং সব সময়ই আছে। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) নির্ধারিত মান অনুযায়ী, তেজস্ক্রিয়ার মাত্রা তিন বা তার ওপরে গেলেই কেবল তেজস্ক্রিয়াকে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলে ধরে নেওয়া হয়। চেরনোবিলের দুর্ঘটনায় আশপাশে ছড়িয়ে পড়া তেজস্ক্রিয়ার মাত্রা ছিল ৭। জাপানের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে এ মাত্রা ৬ বলে ধারণা করা হচ্ছে, কমও হতে পারে। পাশাপাশি তেজস্ক্রিয়া ছড়ানো বন্ধ করতে বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিকিরণরোধী পোশাক পরে ৫০ জন জাপানি কর্মী ক্ষতিগ্রস্ত কারখানায়ও প্রতিরোধ তৈরির চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
জাপানের পারমাণবিক চুলি্লতে বিস্ফোরণের কারণে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা কতটুকু? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একেবারেই নেই। যদি না জাপান থেকে শাকসবজি, ফলমূল বা দুগ্ধজাতীয় খাদ্যদ্রব্য আমদানি করা হয়। সে ক্ষেত্রে ফুড চেইনের মাধ্যমে তেজস্ক্রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কিছু পরিমাণে থেকে যায়। তবে জাপান থেকে বাংলাদেশে এসব পণ্য আনা হয় না বললেই চলে। আর মেঘ বা বাতাসবাহিত হয়ে তেজস্ক্রিয়া বাংলাদেশে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ জাপান বাংলাদেশ থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে কয়েক হাজার মাইল দূরে অবস্থিত। বাংলাদেশে এখন দক্ষিণ থেকে উত্তরে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। জাপান থেকেও বাতাস পূর্ব দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তেজস্ক্রিয়ায় দূষিত বাতাস বা মেঘ কোনোটিরই বাংলাদেশ পর্যন্ত আসার কোনোরূপ সম্ভাবনা নেই। তার পরও মোবাইল ফোনে এসএমএস করে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে এর ফলে এসিড-বৃষ্টি হতে পারে। সেই বৃষ্টি গায়ে লাগলে ত্বকে ফোস্কা পড়া, মাথার চুল উঠে যাওয়াসহ নানা রকম উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ক্যান্সারও হতে পারে। এগুলো ডাহা মিথ্যা প্রচারণা। সাধারণত এ-জাতীয় দুর্ঘটনায় চুলি্লর খুব নিকটবর্তী অঞ্চলের মানুষ সরাসরি বিকিরণের শিকার হতে পারে, এমনকি জাপানেরও দূরবর্তী শহরগুলোতে এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। জাপানে চুলি্লর চারপাশে ২০ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত যাদের বাড়িঘর রয়েছে, তাদের অন্যত্র চলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে এবং যথাসম্ভব ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। দুর্ঘটনা-পরবর্তীকালে বরং কিছু ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। বাতাস ও বৃষ্টিবাহিত হয়ে তেজস্ক্রিয় উপাদান মাটিতে মিশে যায়। সেই মাটিতে জন্মানো ঘাস, শাকসবজি, ফলমূলে তেজস্ক্রিয়ার মাত্রা বেড়ে যায়। সেই তেজস্ক্রিয়ার কারণে মানুষ ক্যান্সারসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হতে পারে। সবচেয়ে বেশি যেটি দেখা যায়, তা হলো থাইরয়েডের ক্যান্সার। চেরনোবিল দুর্ঘটনার পর আজ পর্যন্ত সেখানে ছয় হাজারের বেশি মানুষ থাইরয়েডের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে, যাকে অনেকটা মহামারি বলা চলে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, থাইরয়েড ক্যান্সার ছাড়া চেরনোবিল এলাকায় বিকিরণজনিত আর কোনো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা যায়নি। থাইরয়েডের ক্যান্সার সহজেই প্রতিরোধ ও নিরাময়যোগ্য। যাদের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে, তাদের নিয়মিত পরীক্ষার আওতায় রাখতে হয়। সোডিয়াম আয়োডাইড ডিটেকটর গলায় লাগিয়ে খুব সহজেই জানা যায়, থাইরয়েড গ্রন্থিতে কোনো তেজস্ক্রিয় আয়োডিন প্রবেশ করেছে কি না। আবার কারো শরীর, পরিধেয় কাপড়চোপড়, ত্বক বা চুল তেজস্ক্রিয় বিকিরণের সংস্পর্শে এসেছে কি না_তাও গাইগার কাউন্টার নামক যন্ত্রের সাহায্যে নির্ণয় করা যায়। কেউ বিকিরণের সংস্পর্শে এলে কাপড়চোপড় খুলে দীর্ঘক্ষণ ধরে ভালোভাবে গোসল করতে হবে। কাপড়গুলো গভীর মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে। এ ব্যাপারে রোচেস্টারের বিখ্যাত মায়ো ক্লিনিকের জৈব পদার্থবিদ্যার প্রফেসর ইমেরিটাস ড. রিচার্ড জে ভেট্টারের মতে, বিকিরণের সংস্পর্শে আসার এক থেকে দুই মাসের মধ্যে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। যত আগে আসা যায়, ততই ভালো। দেরি হলেই বরং বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে।
জাপানের দুর্ঘটনা নিয়ে আমরা অহেতুক যতটা আতঙ্কিত হচ্ছি, তার ১ শতাংশ পরিমাণে যদি স্থানীয় বিভিন্ন উৎসের বিকিরণ নিয়ে চিন্তা করতাম, তাহলে অনেক ভালো হতো। এমনি তেজস্ক্রিয় বিকিরণের একটি উৎস হলো এঙ্-রে মেশিন। আশির দশকে বাংলাদেশ আণবিক গবেষণা কেন্দ্রের স্বাস্থ্য-পদার্থবিদ্যা বিভাগের এক জরিপে দেখা যায়, ঢাকায় ব্যবহৃত এঙ্-রে মেশিনগুলোর বেশির ভাগই মানসম্মত নয়, কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ। এগুলোর বিকিরণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও কার্যকর নয়। মানব শরীরে যে মাত্রায় বিকিরণ দেওয়ার কথা, তার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে বিকিরণ দেয়। ফলে রোগীর ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তা ছাড়া যে ঘরে এঙ্-রে মেশিন থাকে সে ঘরের যে ধরনের প্রতিরোধী দেয়াল (প্রায় ১৮ ইঞ্চি কংক্রিটের দেয়াল) থাকার কথা, সে রকম দেয়াল নেই। ফলে নিক্ষিপ্ত বিকিরণ দেয়াল ভেদ করে আশপাশের লোকজনের ওপর নিয়মিত বিকিরণ ছড়াচ্ছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে শিল্পে ব্যবহৃত এঙ্-রে যন্ত্রও পাওয়া গেছে, যা মানুষের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এ ছাড়া বেশ কিছু চিকিৎসাযন্ত্রে এবং শিল্পে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ব্যবহার করা হয় এবং যেগুলো উপযুক্ত পরিবেশে চালানো হয় না। ফলে আশপাশে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়িয়ে পড়ে। সেগুলো প্রতিরোধে আমরা মোটেও সচেতন নই এবং এ পর্যন্ত এসব বিকিরণ বন্ধে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
জাপানে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামির ফলে সৃষ্ট দুর্ঘটনার কারণে কেউ কেউ বলতে শুরু করেছেন, বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রয়োজন নেই। তাঁদের জানা প্রয়োজন, ভূমিকম্প ও সুনামির দিক থেকে বাংলাদেশ, বিশেষ করে পাবনার রূপপুর এলাকা অনেক বেশি ঝুঁকিমুক্ত। দ্বিতীয়ত, এখন যেসব পারমাণবিক চুলি্ল স্থাপিত হচ্ছে সেগুলোকে বলা হয় পঞ্চম প্রজন্মের পারমাণবিক চুলি্ল। এগুলোতে দুর্ঘটনাজনিত স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনেক বেশি জোরদার ও কার্যকর। চুলি্লতে যে পরমাণু জ্বালানি ব্যবহার করা হয় সেগুলোর 'হাফ লাইফ' অনেক কম। বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও অনেক উন্নত এবং নিরাপদ। চেরনোবিলের পারমাণবিক চুলি্লটি ছিল প্রথম প্রজন্মের। জাপানের চুলি্লটিও ছিল আগের প্রজন্মের এবং তারা কেন্দ্রটি বন্ধ করে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছিল। তার পরও এর বিকিরণ-প্রতিরোধী যে ব্যবস্থা ছিল তা বিকিরণ কতটুকু ছড়িয়েছে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও বিতর্ক আছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইডাহো স্টেট ইউনিভার্সিটির পরমাণু প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মেরি লাউ ডানজিক-গগারের মতে, সেখানে যথেষ্ট পরিমাণে প্রতিরোধ ব্যবস্থা ছিল। আগুনে সম্পূর্ণরূপে গলে গেলেই কেবল সেখানকার প্রেশার ভেসেল থেকে বিকিরণ ছড়াতে পারে, যার সম্ভাবনা খুবই কম। তদুপরি ফুকুশিমা থেকে তেজস্ক্রিয় আয়োডিনের যে বিকিরণ বৃষ্টির সঙ্গে মাটিতে নেমে আসতে পারে, তার 'হাফ লাইফ' মাত্র আট দিন। কাজেই মাস দুয়েক পরে সেখানে যে শাকসবজি হবে তাতে তেজস্ক্রিয়া থাকার আশঙ্কা খুবই কম। কাজেই এসব যুক্তি দেখিয়ে বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিরোধিতা করা হবে আত্মঘাতী। দেশে জনজীবন এবং শিল্পের চাহিদা মেটাতে বিদ্যুৎ লাগবেই। অন্যান্য বিদ্যুৎকেন্দ্র যে পরিমাণ দূষণ করবে তার ক্ষতি বরং অনেক বেশি।

লেখক : সাংবাদিক

http://i.imgur.com/fR5Qk.jpg

মুক্ত প্রোগ্রামিং সংকেত অর্থাৎ ওপেন সোর্সের সংজ্ঞা ব্যবহার করা হয় যেকোনো ধরনের মুক্ত সফটওয়্যার উদ্যোগের ক্ষেত্রে। কোন সফটওয়্যারের লাইসেন্সগুলো মুক্ত সোর্সের আওতায় পড়বে, সেটি নির্ধারণের জন্য এই সংজ্ঞা ব্যবহার করা হয়। এই সংজ্ঞা তৈরি করা হয়েছে ডেবিয়ান ফ্রি সফটওয়্যার নির্দেশনার ওপর ভিত্তি করে। ব্রুস পেরেনস সর্বপ্রথম এটি তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন।
ওপেন সোর্স অর্থ শুধু সংকেত দেখার অনুমতি পাওয়া নয়।
ওপেন সোর্স সফটওয়্যার বিতরণের ক্ষেত্রে যেসব নীতিমালা অবশ্যই মেনে চলতে হবে, সেগুলো হলো:
১. পুনঃ বিতরণের স্বাধীনতা: সফটওয়্যারের লাইসেন্স বিক্রি বা বিতরণে কাউকে বাধা দিতে পারবে না। একাধিক উৎস থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন সফটওয়্যারের সমন্বয়ে একটি ডিস্ট্রিবিউশন হিসেবে এটি বিতরণ করা যাবে এবং এর জন্য লাইসেন্সধারীকে কোনো নির্দিষ্ট মূল্য বা বিক্রির পর প্রাপ্ত অর্থের কোনো অংশ দিতে হবে না।
২. সোর্স কোড: প্রোগ্রামের সঙ্গে অবশ্যই সোর্স কোড থাকতে হবে এবং একই সঙ্গে কম্পাইল করা বা সোর্স কোড বিতরণের অধিকার থাকতে হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে সফটওয়্যারের সঙ্গে এর সোর্স কোড না-ও থাকতে পারে। তবে এই সোর্স কোড অবশ্যই এমন কোনো স্থানে প্রকাশিত থাকতে হবে, যেন সবাই এটি সহজেই পরবর্তী সময়ে ব্যবহারের জন্য পেতে পারে এবং ইন্টারনেট থেকে বিনা মূল্যে ডাউনলোড করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। সোর্স কোডটি অবশ্য এমনভাবে প্রকাশিত হতে হবে, যাতে প্রোগ্রামাররা পরবর্তী সময়ে এটি সম্পাদনা করতে পারে। ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত কোড দেওয়া যাবে না। এমনকি কোডের মধ্যমরূপ যেমন—আউটপুট, ট্রান্সলেটর দ্বারা অনুবাদকৃত কোনো কোড এ ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়।
৩. পরিবর্তন করার সুযোগ: লাইসেন্স অবশ্যই পরিবর্তন ও ডিরাইভড সফটওয়্যার তৈরির অনুমতি দেয়। একই সঙ্গে লাইসেন্সে পরিবর্তিত সংস্করণটি পুনঃ বিতরণের অধিকার দেয়, তবে অবশ্যই নতুন সফটওয়্যারটির মূল সংস্করণে উল্লিখিত নীতিমালাগুলো সংরক্ষিত থাকতে হবে।
৪. লেখকের সোর্স কোডের শুদ্ধতা: লাইসেন্সে সোর্স কোড পুনঃ বিতরণ না করার ব্যাপারে নিশ্চিত করা হতে পারে, যদি পরিবর্তিত সোর্স কোড লাইসেন্সে এমন প্যাচ ফাইল তৈরি ও বিতরণের অনুমতি দেয়, যা কোড কম্পাইল করার সময় মূল প্রোগ্রামটি ভিন্নভাবে পরিবর্তন করে দেয়। লাইসেন্সে অবশ্যই পরিবর্তিত সোর্স কোড পুনঃ বিতরণের অধিকার দিতে হবে। তবে পরিবর্তিত সংস্করণটির নাম বা ভার্সন নম্বর আলাদা হতে পারে।
৫. কোনো ব্যক্তি বা দলের প্রতি বৈষম্য নয়: লাইসেন্সে অবশ্যই কোনো ব্যক্তি বা দলের প্রতি বৈষম্য করা যাবে না।
৬. বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহারে বাধাদান বা বৈষম্য সৃষ্টি: লাইসেন্সের মাধ্যমে কোনোভাবেই ব্যবহারকারীদের বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহারে বাধ্য করা বা বাধা দেওয়া যাবে না। যেমন: কোনো সফটওয়্যার ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যবহারে বাধা দেওয়া বা শুধু গবেষণার ক্ষেত্রে ব্যবহারে বাধ্য করা যাবে না।
৭. লাইসেন্সের বিতরণ: প্রোগ্রাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেসব অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, সেগুলো এর সব ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য হবে এবং সফটওয়্যারটি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো লাইসেন্স ব্যবহারের প্রয়োজন হবে না।
৮. লাইসেন্সটি নির্দিষ্ট কোনো পণ্যের ব্যাপারে সীমাবদ্ধ হওয়া যাবে না: প্রোগ্রামটি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে যেসব অধিকার সংরক্ষিত থাকবে, তা কেবল নির্দিষ্ট একটি ডিস্ট্রিবিউশনে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য প্রযোজ্য হওয়া যাবে না। সফটওয়্যারটি যদি মূল লাইসেন্সের অধীনে থেকে ওই ডিস্ট্রিবিউশন থেকে আলাদা করে বিতরণ বা ব্যবহার করা হয়, তবে ওই প্রত্যেক ব্যবহারকারীই সেসব অধিকার পাবে, যা ডিস্ট্রিবিউশনের সঙ্গে থাকা অবস্থায় সফটওয়্যারের মূল সংস্করণে দেওয়া হয়েছে।
৯. লাইসেন্সের মাধ্যমে অন্য কোনো সফটওয়্যারেও বিধিনিষেধ আরোপ করা যাবে না: এই লাইসেন্সের অধীনে প্রকাশিত এবং অন্যান্য সফটওয়্যারের সমন্বয়ে তৈরি ডিস্ট্রিবিউশনের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের মাধ্যমে ওই সব সফটওয়্যারের জন্য কোনো ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা যাবে না। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, লাইসেন্সে এমন কিছু উল্লেখ করা যাবে না, যাতে কম্পিউটারে এই সফটওয়্যারের পাশাপাশি অন্য যেসব সফটওয়্যার ব্যবহার করা হবে, প্রতিটিই মুক্ত সোর্স হতে হবে।
১০. লাইসেন্স নির্দিষ্ট কোনো প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না: লাইসেন্সের কোনো অংশের মাধ্যমে এটি নির্দিষ্ট কোনো প্রযুক্তি বা ব্যবহারকারীর মাধ্যমের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ করা যাবে না।
উইকিপিডিয়া অবলম্বনে
সূত্র: প্রথম আলো ,প্রজন্ম ডট কম পৃ: ৮ (১৮/০৪/১১)

চীন, জাপানের প্রিয় খাদ্য এটা ।

@তাজ, '''আমি আ্সলে গল্প লিখলে happy ending করতে পারি না।'''

তাহলে কি বলতে হবে রবীন্দ্রনাথ এর ভাষায় ''শেষ হয়য়াও হইল না শেষ ।'''  thumbs up

কুচ কুচ হোতা হে এর মত দেখি।

দেখি অধ্যক্ষ স্যার বদলিয়েছে, নতুন কে হলেন।

sawontheboss4 wrote:

অনেক সুন্দর লেখা। তবে দূরে যাবার তো কোন দরকার নেই। আমরা এখানে সবাই আছি। ফার্স্ট ইয়ার এ বেশ আপসেট থাকে সবাই। আস্তে আস্তে সব ঠিক হয়ে যাবে।

তৌফিক, দেখি ধরা খেয়ে গেলে।  pirate*

মেয়েদের অবদান কি সেটা লিখা উচিত ছিল I don't know

মেয়েদের বিষয়ে লিখা কই?

কাহিনী ......................

অফ লাইন এ থাকতে হবে।

http://blog.chasejarvis.com/blog/wp-content/uploads/2011/03/20110311_japan-slide-9XTB-jumbo-576x379.jpg


শুক্রবার ৮ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে জাপানের পূর্ব উপকূলে। ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওদিকে ফুকুশিমার পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩ নম্বর চুল্লিতে গতকাল বিস্ফোরণ হয়েছে। টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোমপানি বলেছে, এতে আহত হয়েছে ১১ জন। এ ঘটনায় ৭ জন নিখোঁজ রয়েছে।

জাপানে ঘটে যাওয়া পরমানু চুল্লী বিস্ফোরণের জের ধরে আশেপাশের অঞ্চলে এমনকি ভারতীয় উপমহাদেশেও এর প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণত তেজষ্ক্রিয়তার ফলে মেঘের পানিকনার সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয় এসিড এবং সাধারণ মেঘের চেয়ে এই এসিড মেঘ অত্যন্ত দ্রুত আশপোশের অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। চেরনোবিল বিস্ফোরণের সময় ইউরোপের আশপাশের দেশগুলোতে এর ভয়াবহতা দেখা গিয়েছিল। পুর্ব ইউরোপে বেশকিছু পার্বত্য অঞ্চল থাকায় এর প্রকোপ আমাদের ওপর পড়েনি। কিন্তু এখনও সেই ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে ওই অঞ্চলের অনেক কিছু মানুষ।

এবার জাপানের ঘটনায় আমরাও সেই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি। মাঝখানে উল্লেখযোগ্য উঁচু পর্বতমালা না থাকা এবং সমুদ্র উপকূলের নৈকট্যের কারণে এ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় অল্প সময়ের মধ্যেই এসিড বৃষ্টি হতে পারে চীন জাপান, তাইওয়ান কম্বোডিয়া থাইল্যান্ড ছাড়িয়ে বাংলাদেশেও। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এমনকি অস্ট্রেলিয়াও এই ঝুঁকির বাইরে নয়।আজ বিকাল ৪ টায় ফিলিপাইন এ জাপানের বাইরে প্রথম আঘাত হানবে।

এই ঝুঁকির সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে আগামী আজসহ দু'দিন বৃষ্টি হলে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘরে বসে থাকতে হবে। যারা বৃষ্টির পানি ধরে রেখে খাওয়াসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করেন আপাতত তারা পানি ধরবেন না। এই বৃষ্টির মধ্যে এসিডের বাইরেও তেজষ্ক্রিয় অন্যান্য উপাদান মেশানো থাকতে পারে। এই বৃষ্টির বিভিন্ন ক্ষতিকর দিকের পাশপাশি প্রধান টার্গেট হল থাইরয়েড। থাইরয়েডে আক্রমণ করে ক্ষত সৃষ্টির পাশপাশি ক্যান্সারও আমদানি করতে পারে এই তেজষ্ক্রিয় বৃষ্টি। তাই বৃষ্টির সময় এবং এর পরের কিছু সময় গলায় মাফলার বা কাপড় জড়িয়ে রাখা উচিত। সবচেয়ে ভাল এর পাশাপাশি বেটাডিন (Povidone iodine-যা বাজারে Povisef-10% নামে পাওয়া যায়) গলায় লাগিয়ে রাখতে হবে।

শাকসবজি বা অন্যান্য ফল-ফসলের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো হয়তো সম্ভব না তবে যতটুকু মিনিমাইজ করা যায় ততটুকুই লাভ। সবজি বা ফল বাগান তেরপল দিয়ে ঢেকে রাখার পরামর্শ দিয়ে লাভ নেই। তবে পরিপক্ক বা তোলার যোগ্য হয়েছে এমন শাকসবজি বা ফলমূল আহরণ করা যেতে পারে।

তবে এ নিয়ে খুব বেশি আতংকিত হবার কারণ নেই। এটি শুধুই ঝুঁকিমাত্র, না হবার সম্ভাবনাও আছে। তাই একটু সচেতন থেকে মোকাবেলা করলেই খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি হবে না।

আর এই সচেতন তা হিসেবে বাংলাদেশে আমাদের কি করা উচিত তা সরকারি পরযায়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

Internet

shimul, আমি ত লিঙ্ক টা ঠিক করে দিয়েছি, day dreaming

যারা ডুয়াল-বুট করে থাকেন অর্থাৎ একই সাথে উইন্ডোজ আর লিনাক্স ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় খেয়াল করেছেন যে লিনাক্স থেকে উইনডোজ ফাইল সিস্টেম এক্সেস করা গেলেও বিপরীত টি করা যায় না। অর্থাৎ লিনাক্স থেকে উইন্ডোজ ফাইল সিস্টেমে (Fat32, NTFS) থাকা ফাইল ব্যাবহার করা গেলেও উইন্ডোজ চালানোর সময় লিনাক্স এর পারটিশনে (ext2, ext3) থাকা ফাইল এক্সেস করা যায় না।angry

Ext2IFS নামের একটি ফ্রি-ওয়ার দিয়ে উইন্ডোজ থেকেই লিনাক্স এর ext2, ext3 ইত্যাদি অংশে থাকা ফাইল Read/Write করা যাবে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য এই লিংকে যেতে পারেন: http://www.fs-driver.org/faq.html

ডাউনলোড লিংক: http://www.fs-driver.org/download.html
ডাইরেক্ট ডাউনলোড: Click This Link

explore2fs-1.07

সুত্র ঃ সামু

উবুন্টু আজকের যুগের অন্যতম সেরা লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। লিনাক্সে করা যায় না এমন কিছুই নেই। তাই টরেন্ট ডাউনলোড করা যাবে না কেন! বাই ডিফল্ট উবুন্তুতে বেশ কিছু টরেন্ট ডাউনলোড করার সফ্টওয়ার দেয়া থাকে। লিনাক্সের বেশ কিছু জনপ্রিয় টরেন্ট ডাউনলোডের সফ্টওয়ার আছে।

তবে আমার পছন্দ Deluge (ডিলাজ)নামের বিট টরেন্ট সফ্টওয়ারটি। এটি বেশ ভালো আর ইউজার ফ্রেন্ডলি। তবে কোন সফ্টওয়ারটি বাছাই করে নেবেন টরেন্ট ডাউনলোডের জন্য, সেটি আপনার পছন্দের ব্যাপার। Deluge ডাউনলোডের জন্য এর হোমপেইজে যেতে পারেন, অথবা উবুন্তু থেকে টার্মিনাল নিচের কমান্ড লিখুন:

sudo apt-get install deluge-torrent

আপনার একাউন্টের পাসওয়ার্ড দিলেই ডাউনলোড আর ইনস্টলেশন সফলভাবেই শেষ হবে।

সুত্রঃ সামু

উবুন্টু আর ম্যাক সম্পূর্ণ আলাদা অপারেটিং সিস্টেম হওয়ায় এর ডেস্কটপ ইন্টারফেইসও আলাদা। তবে ম্যাকবুন্টু সফটওয়্যার ব্যবহার করে উবুন্টুকে ম্যাকের চেহারা দিতে পারেন। http://sourceforge.net/projects/macbuntu/ ঠিকানার সাইট থেকে প্রথমে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। ফাইলটি এঙ্ট্রাক্ট করে install.sh নামক একটি ফাইল পাবেন। ফাইলটিকে ডবল ক্লিক করে Run in Terminal অপশনটি নির্বাচন করুন। টার্মিনালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটি চালু হবে এবং উবুন্টু ডেস্কটপ ইন্টারফেইস ম্যাকের মতো হয়ে যাবে। মূল থিমের পাশাপাশি এটি ফন্ট, আইকন, প্যানেল, ব্রাউজার থিম ও ওয়ালপেপার ম্যাকের মতো করে দিবে।''

লিনাক্সে ব্যবহার করতে পারবেন।

সুত্রঃ আমাদের প্রযুক্তি

ভাল জিনিস , রেপু

ফোরামে স্বাগ্তম ,  good luck

১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত অথচ এখন ৫২ তম এমবিবিএস চলছে ,  day dreaming

বাংলাদেশি রা বেশি -ই ইমোশনাল, খেলয়ার রা ত আর ফেরেস্তা নয় যে সব সময় ভাল খেলবে। তবে তোমার এই কথা বিস্বাস করি বাংলাদেশির অনেকে ভারত সাপরট করে । এমন কি বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলাতে তারা ভারত প্রীতি দেখায়।   surprise  surprise  hee hee  hee hee

আশা করি বাঙ্গালির বধদয় হবে।

তারা কাতুকুতু খেল্লে আমার কি? ওটা তাদের ক, খ, গ,ঘ..............................  cool

৬০০

(১৪ replies, posted in তথ্য বটিকা)

আমি ঘুমানর সময় ঘুম থেকে ৫ টার সময় উঠতে চাইলে নিজের মন কে বলি ''শামীম সকাল ৫ টার সময় উঠবে'' - এটা কয়েকবার বলি । তারপর ঘুমায় । ভাল কাজ দেই ।