কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধকরতে জিশাটডাউন ব্যবহার করতে পারেন। ইনস্টল করলে টার্মিন্যালে নিচের কমান্ডটি রান করুন

sudo apt-get install gshutdown

একটি ছবি দিয়ে দিলাম-

কোনও সফটওয়্যার ছাড়াই শাট ডাউন করার  জন্য টার্মিনাল কমান্ড ব্যবহার করতে পারেন

যদি এখনই বন্ধ করতে চান তাহলে টার্মিনালে লিখুন

sudo shutdown -h now

যদি ১ মিনিট পর বন্ধ করতে চান তাহলে লিখুন

sudo shutdown -h 1

যদি ১ ঘন্টা পর বন্ধ করতে চান তাহলে লিখুন

sudo shutdown -h 60

অর্থাৎ -h এর পর যে সংখ্যাটা দিচ্ছেন সেটা হচ্ছে কত মিনিট পর বন্ধ হবে সেই সময়টা। সময়টা অবশ্যই মিনিটে দিতে হবে, যদি ২ ঘন্টা পর বন্ধ করতে চান তাহলে লিখবেন 120। ঠিক একই ভাবে প্রথম কমান্ডে যেখানে now লিখেছিলেন সেখানে now এর পরিবর্তে 0 (শূন্য) দিলেও সাথে সাথে বন্ধ হয়ে যাবে।

এবার ধরুন আপনি সকাল ৮:৪৫ মিনিটে আপনার পিসি বন্ধ করতে চান তাহলে টার্মিনালে লিখুন

sudo shutdown -h 8:45

যদি দুপুর ১:৩০ মিনিটে লিখতে চান তাহলে লিখুন

sudo shutdown -h 13:30

এখানে -h এর পর নির্দিষ্ট সময়টা ২৪ ঘন্টা ফর্ম্যাটে উল্লেখ করে দিন। ২৪ ঘন্টা ফর্ম্যাটে দুপুর ১২ টার পর দুপুর ১ টা না হয়ে হয় দুপুর ১৩ টা, দুপুর ২টার পরিবর্তে হয় দুপুর ১৪ টা, এভাবে রাত ১২ টার পরিবর্তে হয় রাত ০০ টা!

শাটডাউন কমান্ড দেবার পর টার্মিনাল বন্ধ করলেও কিন্তু কাজ চলতে থাকবে, অর্থাৎ ঠিকই নির্দিষ্ট সময় পর পিসি বন্ধ হয়ে যাবে। যদি শাট ডাউন কমান্ড দেবার পর সেটাকে ক্যান্সেল করতে চান তবে টার্মিনাল চালু থাকা অবস্থায় Ctrl+c চাপুন, শাটডাউন ক্যান্সেল হয়ে যাবে। আর যদি কোন কারনে টার্মিনাল বন্ধ করে ফেলেন তবে নতুন করে ওপেন করে নীচের কমান্ডটি লিখুন

sudo shutdown -c

শিখে নিলাম সুফিয়ান আহমেদ ভাই এর কাছ থেকে     thumbs up  thumbs up

১। Unplug : ইউটিউব এর যেকোনো ভিডিও এবং অন্যান কয়েকটি অনলাইন ভিডিও সাইট এর ফ্লাশ ভিডিও ডাউনলোড
২। Pdf It :ওয়েব পেজকে pdf ফাইল আকারে সেভ
৩। Save Images :
৪।Pixlr Grabber :

সবগুলো এক সাথে

http://onkur.sourceforge.net/wp-content/uploads/2011/03/Ongkur.png


অ্যাপল ম্যাক কম্পিউটার সবদিক থেকেই অত্যন্ত আধুনিক, দ্রুতগতি সম্পন্ন একটি কম্পিউটার। আজকাল এর জনপ্রিয়তাও বাড়ছে বিশেষ করে এর চমৎকার ইউজার ইন্টারফেস, আকর্ষনীয় গঠন এবং দীর্ঘ আয়ষ্কালের জন্য। অনেক ক্ষেত্রে ম্যাক অপারেটিং সিসটেম অন্য সব অপারেটিং সিসটেমের চেয়ে বেশ খানিকটা অগ্রগামী। এর কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য অন্য সিসটেমে একদম পাওয়া যায় না।

এতো সুযোগ সুবিধা থাকার পরও বাংলা ম্যাক ব্যবহারকারীদের জন্য একটা বড় কমতি আছে তা হলো, ম্যাকের জন্য কোনো ফনেটিক বাংলা কি-বোর্ড নেই। ম্যাক ও এস-এ বাংলা ব্যবহার সম্ভব হলেও অ্যাপল কিন্তু বাংলা লেখা বা পড়ার জন্য কোন ফন্ট তাদের অপারেটিং সিসটেমে সংযুক্ত করেনি এখন পর্যন্ত।

ম্যাকে বাংলার ব্যবহার এখন পর্যন্ত একুশের প্রকাশিত দু'টি ফন্টের উপরি নির্ভরশীল ছিল। যেগুলো কিনা আবার ম্যাক ও এস-এর বর্তমান সংস্করণের সাথে ঠিক মতো কাজ করে না। বাংলা লেখার জন্য একুশের প্রকাশিত দু'টি কি-বোর্ড ছাড়া আর কোন ব্যবস্থা ছিল না।

ম্যাক ব্যবহারকারীদের এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য Bangla-অঙ্কুর ফনেটিক কি-বোর্ড প্রকাশিত হয়েছে।

Bangla-অঙ্কুর ডাউনলোড করতে দেখুন "ডাউনলোড"

Bangla-অঙ্কুর চেষ্টা করেছে শব্দের প্রকৃত উচ্চারণ অনুযায়ী শব্দ গঠন করতে। উদাহরণ স্বরূপ, "বিশ্বাস" লিখতে হিন্দী ভাষার অনুকরণে ইংরেজীতে "biswas" না লিখে Bangla-অঙ্কুরে খুব সহজেই লিখতে পারেন "bishshash"। "পদ্মা" লিখতে "podma" না লিখে লিখতে পারেন "podd;a"। এখানে সেমিকলন একটি বিশেষ সিংকেত হিসেবে কাজ করছে। যা কিনা "dd" উচ্চারণ সম্বলিত অন্য যিক্তাক্ষর গুলোকে আপনার সামনে নিয়ে আসবে। যাতে সাবলিল ভাবে বাংলা উচ্চারণ অনুসরণ করে খুব সহজে বাংলা দেখা যায়। Bangla-অঙ্কুরের ব্যবহারবিধি বিস্তারিত ভাবে জানতে দেখুন "Bangla-অঙ্কুর ব্যবহারবিধি"

Bangla-অঙ্কুর নিয়ে কোন সমস্যা আলোচনা করুন Bangla-অঙ্কুর ফোরামে

Bangla-অঙ্কুর ফোরমের ঠিকানা: অঙ্কুর ফোরাম

ই-মেইল করুন: [email protected]

শুধু ফনেটিক কি-বোর্ডই নয়। Bangla-অঙ্কুর একুশের ১২টি ফন্টকে সকল প্লাটফরমের উপযোগী OpenType+AAT ফন্টে রূপান্তর করে প্রকাশ করেছে। Web Developer-দের জন্য ফন্ট গুলো খুবই কাজের। কারণ এই ফন্ট গুলো যদি WOFF হিসেবে ব্যবহার করা হয় তবে সকাল প্লাটফরমেই website সঠিক ভাবে প্রদর্শিত হবে। OpenType ফন্ট Windows এবং Linux-এ ঠিক মতো প্রদর্শিত হলেও ম্যাকে বা iOS device-গুলোতে সঠিক ভাবে কাজ করে না।

বাংলা ফন্ট নামাতে দেখুন "বাংলা ফন্ট"

সুত্র ঃ পুরোপুরি কপি পেস্ট

৫২৯

(৫ replies, posted in বিনোদন পাতা)

কি বেপার মারুফ আপনি বাংলা তে কিছু লেখেন না । এই পোস্ট দেখুন।

অথবা Windows এর Indic tool ইউজ করুন।

Ra. One এর অপেক্ষাই

http://i.imgur.com/wFOQ8.png

যৌতুক বা পণপ্রথা একটি সুপ্রাচীন সামাজিক ব্যাধি। এর ফলে প্রবহমান নারীজীবন হয়েছে বিপর্যস্ত, ব্যাহত ও সীমাহীন পশ্চাৎপদ। নারীজীবনের এ পশ্চাৎপদতার মূলে আছে জেন্ডার বৈষম্য। পিতৃতান্ত্রিক, পুরুষ-নিয়ন্ত্রিত সমাজ কখনোই নারীদের পারিবারিক শৃঙ্খলের জগদ্দল থেকে মুক্ত করার আকাঙ্ক্ষা করেনি। বরং বারবার সামাজিক ও অপসংস্কৃতির দোহাই দিয়ে নারীদের জীবনকে করেছে দুর্বিষহ ও ক্ষতিগ্রস্ত।

সনাতন হিন্দু সমাজে ‘স্ত্রী ধন’ হিসেবে যৌতুক প্রচলিত ছিল। বাঙালি মুসলিম সমাজে এ যৌতুক ব্যাধি উনিশ শতকের পর দেখা যায়। যৌতুকের বিষফল হিন্দু-মুসলিম উভয় সমাজকেই করেছে যুগপৎ অনগ্রসর ও পশ্চাৎমুখী। আজও উনিশ-বিশ শতকের পরও প্রকৃত নারী স্বাধীনতা আসেনি। থেমে যায়নি আজও যৌতুক-প্রথা। আজও প্রাচীন সমাজপতিদের সেই জঘন্য প্রেতাত্মার হাত থেকে যেন আমাদের নারীরা মুক্তি পাচ্ছে না।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬টি যৌতুক বিষয়ের গল্পগুলো যথাক্রমে—‘দেনা পাওনা’, ‘কঙ্কাল’, ‘স্বর্ণমৃগ’, ‘সুভা’, ‘প্রায়শ্চিত্ত’, ‘মানভঞ্জন’, ‘ঠাকুরদা’, ‘দুর্বুদ্ধি’, ‘যজ্ঞেশ্বরের যজ্ঞ’, ‘নষ্টনীড়’, ‘পণরক্ষা’, ‘হৈমন্তী’, ‘অপরিচিতা’, ‘স্ত্রীর পত্র’, ‘তপস্বিনী’ ও ‘পাত্রপাত্রী’।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক। তাঁর ছোটগল্পগুলো রবীন্দ্র-দর্শনের শত কোটি দরোজার উন্মোচন করেছে। গ্রন্থভুক্ত গল্পগুলো তাঁর সময়োচিত চিন্তার ফসল। তিনি তাঁর সমাজদর্পণের আলোকেই নারীজীবনের বৃত্তাবদ্ধ অচলায়তনের মর্মস্পর্শী কাহিনি বয়ান করেছেন। তাই গল্পে উঠে এসেছে বহুবিচিত্র চরিত্র ও আখ্যান, নারী নির্যাতন ও নিষ্পেষণের করুণ কাহিনি।

গ্রন্থের প্রথম গল্প ‘দেনা পাওনা’।  বাংলা সাহিত্যে এটিই যৌতুক বা পণপ্রথা নিয়ে প্রথম ছোটগল্প। রবীন্দ্রনাথ যুগ-সচেতন কথাসাহিত্যিক বলেই যুগের দাবিকে তিনি তাঁর লেখায় অগ্রগণ্যে এনেছেন। হিন্দু সমাজে পণপ্রথা ও কৌলীন্য-প্রথা নারীজীবনকে করেছে নির্যাতিত ও অবহেলিত। নারীরা সামাজিক এ ব্যবস্থার ভেতর হয়েছে অবহেলিত ও অপমানিত। কন্যাদায়গ্রস্ত পিতামাতারা সামাজিক এ বর্বরোচিত নিয়মের ভেতর হয়ে পড়েছিলেন অন্তরীণ। গল্পগুলোতে আমরা দেখি নারী অপমানিত হচ্ছে। হতাশায় দিন দিন মৃত্যুর পথে ধাবিত হচ্ছে। কেউ নিজের গায়ে আগুন দিয়ে আত্মাহুতি করছে। এসব গল্পের বাইরের জীবনেও দেখা গেছে সত্যিকারের নারীদের জীবনদানের গা হিম করা কাহিনি—আত্মহত্যা ও নির্যাতনের চিত্র।

রবীন্দ্রনাথ তাঁর লেখার মাধ্যমে সমাজের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন নারীদের প্রতি নির্যাতন আর অপমানের কথা। কখনো কখনো বিদ্রূপের কশাঘাতে জর্জরিত করতে চেয়েছেন প্রচলিত সমাজের বিধি-বিধানকে।

‘দেনা পাওনা' গল্পে নিরুপমা পণপ্রথার বলি হয়েছিল। তার পিতা রামসুন্দর ভিটেমাটি বিক্রি করেও চেয়েছিল পণের টাকা শোধ করতে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। শ্বশুরালয়ে অনাদরে-অবহেলায় নিরুপমার সম্ভাবনাময় জীবন অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়। তার স্বামী ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য কনে পাওয়া গেল। গল্পের ভাষায়, ‘এবার বিশ হাজার টাকা পণ আর হাতে হাতে আদায়।’

‘সুভা’ গল্পটি অত্যন্ত মর্মস্পর্শী। জন্ম থেকেই মেয়েটি বোবা। সুভার মা মেয়ের এ ত্রুটির জন্য নিজেই দোষী বলে মনে করেন। সুভা কথা বলতে পারে না কিন্তু বিশ্বপ্রকৃতির প্রতিটি বস্তুর সঙ্গেই যেন তার কথা হয়। সমাজে একঘরে হওয়ার ভয় ও মেয়ের বয়স বেড়ে গেলে পাছে তাদের জাত যায়—এ করণে সুভার বাবা বাণীকণ্ঠ কলকাতায় মেয়েকে নিয়ে যায় বিয়ের জন্য। যথা সময়ে তার বিবাহ হয়ে যায়। সুভার বাবা-মা ফিরে আসে গ্রামে। তারা মনে করে তাদের জাতি ও পরকাল রক্ষা পেল। কিন্তু তারা অনুভব করতে পারেনি যে তারা তাদের কন্যাকে আসলে বিসর্জন দিয়ে এসেছে। অচিরেই সবাই জানতে পারল মেয়ে বোবা। তার ভাষা কেউ বুঝতে পারে না। এভাবে সঙ্গ ও সঙ্গীহীন এক পরিবেশে তার জীবন অকালে ঝরে পড়ে। তখন সুভার স্বামী ‘চক্ষু এবং কর্ণেন্দ্রিয়ের দ্বারা পরীক্ষা করিয়ে এক ভাষাবিশিষ্ট কন্যা বিবাহ করিয়া আনিল।’
‘মানভঞ্জন’ গল্পে গিরিবালার জীবনের প্রতি স্বামী গোপীনাথের অবহেলা ও গল্পশেষে তার প্রতিশোধের কথাই ব্যক্ত হয়েছে। এ গল্পে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্তর্গত দ্রোহই যেন গিরিবালার নারী হূদয়ের প্রজ্বলিত হোমশিখা। গিরিবালা মনোরমা নামে রঙ্গমঞ্চে প্রবেশ করে। দর্শকেরা তার রূপে মুগ্ধ হলেও গোপীনাথ চিৎকার করে ওঠে। দর্শকেরা ক্ষিপ্ত হলে রঙ্গলয়ের লোকেরা তাকে বের করে দেয়।
এ ছাড়া ‘নষ্টনীড়,’‘স্ত্রীর পত্র,’ ‘কঙ্কাল’, ‘স্বর্ণমৃগ’, ‘প্রায়শ্চিত্ত’, ‘মানভঞ্জন’, ‘ঠাকুরদা’, ‘দুর্বুদ্ধি’, ‘যজ্ঞেশ্বরের যজ্ঞ’, ‘হৈমন্তী’, ‘তপস্বিনী’ ও ‘পাত্রপাত্রী’ গল্পে পণের বিষয়টি কোথাও খুব তীব্র ও কোথাও ইঙ্গিতে ব্যক্ত হয়েছে।

রবীন্দ্রনাথের গল্পগুলোর ভেতরে যুগযন্ত্রণার এ পাষাণভারের কথা অকপটে বর্ণিত হয়েছে। গল্পগুলো পাঠক পড়েই বুঝবেন বাঙালি সমাজে কন্যাদায়, পণপ্রথা, যৌতুক-প্রথা কীভাবে মেয়েদের জীবনকে দুর্বিষহ করছে, নির্যাতিত করছে। প্রসঙ্গটি শত শত বছরের পুরোনো হলেও এখনো সমাজ জীবনে জীবন্ত সংকটের মতোই বিরাজ করছে।’

সুত্র ঃ প্রথম আলো থেকে, edit করা।

আমরা যে প্রতিবাদী জাতি ,অন্যায় দেখলেই প্রতিবাদ করে ঝাপিঁয়ে পড়া আমাদের অভ্যাস ।আমরা যদি এই দুই চোরের উপর ঝাপিয়ে না পড়ি তাতে যদি ৫২,৭১ এর প্রতিবাদীদের অপমান করা হয়?
আচ্ছা,মেয়ে দুটো কি মনে মনে একবারও বলেনি, ভাতের নিশ্চয়তা দে  চুরি করুম না।আচ্ছা মেয়ে দুটো কি জানে,যে হায়েনার দল ওদের উপর ঝাপিঁয়ে পড়েছে সে হায়েনার দল প্রতি ৫বছর পর পর চা-বিস্কুট-লুঙ্গির বিনিময়ে একদল চোরের কাছে নিজেদের বিক্রি করে

কাইন্দোনা  shame on you ,
যে কই দিন বাড়ি থাকবা সে কইদিন বড় কাতল আর বোয়াল মার। দেখবা হলে এসে খুব মিস করবা।

আমার দেখা ভাল সার্চ ইঞ্জিন yippi.com
দেখা যাক +১ কি করে!!

তুমি কি আপডেট করেছ জুলিয়া। মেনু থেকে আপডেট ম্যানেজার এ গিয়ে আপডেট কর ।

আর কত কি যে আনবে গুগল । মরিয়া হয়ে গেছে।

তাহলে তো দেখছি বাসর এর কথাও মনে আছে কিনা !!!??? চিন্তা করতে হবে  thinking

আরে আরেক টু বাড়িয়ে Macbook pro কিনলেই তো পার। ৮৮,০০০টাকার মত।

শামীম ভাইয়ের পুরো পোস্টটা আপ্র  থেকে কপিপেস্ট মারলাম।

পাঠকের কাছে ১০টি ব্যক্তিগত প্রশ্ন:
১. আপনি কি দেশপ্রমিক? দেশের প্রতি আপনার ভালোবাসা কি ‘মা’ কে ভালোবাসার মতো?

২. দূর্নীতিতে দেশের মান সম্মান মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে দেখে আপনি কি চিন্তিত হন? এর প্রতিকারে নিজের করণীয় সম্পর্কে ভাবেন?

৩. আপনি কি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল? সচরাচর আইন অমান্য করেন না কিংবা করতে চান না?

৪. আপনি কি কম্পিউটারে ভাইরাসের জ্বালা-যন্ত্রনায় অতিষ্ট? এ যন্ত্রনা থেকে মুক্তির পথ খুঁজছেন?

৫. আপনি কি কম্পিউটারে আপনার মূল্যবান তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত?

৬. আপনি কি হালকা পাতলা বুদ্ধিবৃত্তিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার সামর্থ্য রাখেন এবং তা উপভোগ করেন?

৭. আপনি কি নতুন নতুন কম্পিউটার প্রোগ্রাম নিয়ে গবেষনা করতে পছন্দ করেন?

৮. আপনি কি ইন্টারনেটে বিচরন করার সময়ে ভাইরাস ও ম্যালওয়্যারজনিত নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন?

৯. আপনি কি দামী সব সফটওয়্যারের ফ্রী/উন্মুক্ত বিকল্প খুঁজছেন?

১০. আপনি কি জনসাধারনের/সাধারন কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সেবা করতে আগ্রহী?

প্রিয় ভাই/বোন, উপরের এই প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখে কোন ঠিকানায় গোপনে পোস্ট করতে হবে না। শুধুমাত্র যদি কোন প্রশ্নের উত্তর আপনার মন থেকেই ‘হ্যাঁ’ বোধক হয় তাহলে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে আপনি নিশ্চিতভাবেই কিছুটা উপকৃত হবেন। আর তা না হলে এই প্রশ্নপত্র পড়িয়ে আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

এবার তাহলে জেনে নিন অনুষ্ঠানের বিস্তারিতঃ--

তারিখ: ৮ই এপ্রিল ২০১১ইং, রোজ শুক্রবার

সময়: বিকাল ৩টা থেকে ৭টা

স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার মিলনায়তন
(শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত; অপরাজেয় বাংলার পেছনে কলা ভবন, তার পেছনে লেকচার থিয়েটার ভবন, ঐ ভবনটির নিচতলাতেই)।

http://i.imgur.com/po11m.jpg

প্রবেশ মূল্য: ২০ টাকা।

অনুষ্ঠানসূচী:
# লিনাক্স ও ওপেন সোর্স বিষয়ে মুক্ত আলোচনা। -- ২৫ মিনিট
# পাইরেসী প্রতিরোধে লিনাক্স ও ওপেন সোর্স এর ভূমিকা -- ২৫ মিনিট
# লিনাক্স ও ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ব্যবহারের সুবিধা -- ২৫ মিনিট
# অতিথি ও অংশগ্রহনকারীদের আপ্যায়ন পর্ব -- ৪০ মিনিট
# অতিথি ও অংশগ্রহনকারীদের সমন্বিত আলোচনা ও মতামত বিনিময় -- ১২০ মিনিট

আরও থাকছে:
FOSS Bangladesh কর্তৃক সংকলিত/কাস্টমাইজ করা লিনাক্স মিন্ট ১০ জুলিয়া’র ডিভিডি (৫০ টাকা)। কাস্টমাইজড ডিভিডিটাতে এবারে পাসওয়ার্ড জনিত ঝামেলা দূরীভূত করা হয়েছে। তদুপরি কাস্টম ডিস্ট্রোটিতে এবারে থাকছে বেশ কিছু ওপেনসোর্স ও ফ্রী থ্রিডি গেমস যেমন এলিয়েন এরেনা, নেক্সুইজ, ব্যাটেল ফর ওয়েসনর্থ এবং অ্যাসল্টকিউব ইত্যাদি।

বাংলাদেশের সকল লিনাক্সপ্রেমী/আগ্রহীদের জন্য এটা একটা উন্মুক্ত আয়োজন। তাই সকলের অংশগ্রহন ও সহযোগীতা প্রত্যাশা করছি।

আয়োজনে:
ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ (FOSS Bangladesh) - একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

বর্ণনা wrote:

গুগলে একটি সমস্যার সমাধান খুজতে খুজতে পেয়ে গেলাম এই ফোরামের ঠিকানা

কি সমস্যা আপনার সেটা তো বল্লেন না।  thinking

geret কাজ হয়ছে। কেমনে দিলে অখানে ?

http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/dinosaur_1301512852_1-1.jpg
অরুন্ধতী রায় ভারতের একজন বিখ্যাত উপন্যাসিক এবং সমাজ কর্মী।তিনি ১৯৯৭ সালে তাঁর প্রথম উপন্যাস" গড আফ দি স্মল থিংকস" এর জন্য বুকার পুরস্কার পাওয়ার পরই অলোচনায় চলে আসেন। তিনি ২০০৪ সালে " এডওয়ার্ড সায়ীদ" শান্তি পুরস্কার পান।
অরুন্ধতী রায় ২৪ নবেম্বর ১৯৬১ সালে আসামে জন্ম গ্রহন করেন। তার মা ক্যাথলীক খ্রীষ্টান এবং বাবা বাঙ্গালী হিন্দু। তার বাবা মায়ের সম্পর্ক দীর্ঘায়িত হয়নি। তার ছেলে বেলা কাটে মায়ের সাথে আয়ামানাম, কেরালায়। তার মা ছিলেন একজন প্রসিদ্ধ সমাজ কর্মী, তিনি স্বাধীন ভাবে একটা স্কুল বেছে নেন এবং মেয়েকে অনারম্ভর ভাবে গড়ে তোলেন।
http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/dinosaur_1301512898_2-2.jpg

যখন তার বয়স ষোল তিনি গৃহ ত্যাগ করেন ভর্তিহন দিল্লীর একটি আর্কিটাকচার স্কুলে। সেখানেই তিনি তার প্রথম স্বামীর গরার্দ দে চুন্নু এর সাক্ষাত পান। তিনিও তখন সেখানের ছাত্র। তাদের বিবাহীত সম্পর্ক ছিল চার বছর। তাদের মধ্যে একটা ব্যাপার বেশ মিল ছিল তারা দুজনেই নিজের বিষয় আর্কিটেকচার পছন্দ করতেন না। তাই তারা দুজনেই এই পেশা ছেড়ে গোয়ায় চলে যান। সেখানে তারা নিজেরা পিঠা তৈরি করে বিচে বিক্রি করে জিবিকা নির্বাহ করতেন। এভাবে চলার সাত মাস পরে অরুন্ধতী আবার দিল্লী ফিরে আসেন।
তিনি "নেশনাল ইনস্টিটিউড আব আরবান এফেয়ার্স" এ চাকরি নেন এবং বারাসাতি তে একটি ঘর ভারা করেন। এটি ছিল নিজামউদ্দিন এর দরগার খুব কাছে। এবং একটি বাই-সাইকেল সংগ্রহ করেন। একদিন রাস্তার ধারে সাইকেল চানালোর সময় ফিল্ম ডিরেক্টর প্রদীপ কৃষ্ণ দেখতে পান। পরিচালক তাকে " ম্যাসি সাব" ছবিতে এক উপজাতীর ছোট একটি চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব করেন। অরুন্ধতী রায় তার প্রস্তাবে কোন দ্বিধা না করেই সম্মত হন। এবং এক সময় প্রদীপ কৃষ্ণকেই বিয়ে করেন।
একটি বৃত্তি পেয়ে তিনি ইটালি চলে যান এবং আট মাস " রিস্টুরেশান আব মনুমেন্ট" এর উপর পড়ালেখা করেন। এবং ফিরেই তার স্বামীর সাথে যোগাযোগ করে এং দুরদর্শন এর জন্য ২৬ পর্বের একটি ধারাবাহিক এর পরিকল্পনা করেন তার নাম হবে "বটবৃক্ষ"। শেষে আবশ্য তা আর হয়ে উঠেনি। তিনি তখন কয়েকটা টেলিভিষনের জন্য চিত্রনাট্য লেখতে থাকেন" ইন হুইচ এনি গিবস দিন ওন" এবং "ইলেকট্রিক মোন" অরুন্ধতি রায় শেখর কাপুরের বির্তকীত ছবি " দস্যুরানী" জন্যও চিত্রনাট্য লেখেন। এবং এই কাজে তিনি আইনি ঝামেলায় জড়িয়ে পরেন। তারপরই তিনি পারিবারিক সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসে লেখালেখিতে মন নিবেশ করেন তার শেষ ফলাফল দাঁড়ায়" দি গড আব স্মল থিংস"।
" দি গড আব দি স্মল থিংস" এর জন্য বুকার পুরস্কার পাওয়ার পরেই তিনি রাজনৈতিক বিষয়ে লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। তিনি অনেক বিষয়েই লিখেছেন তার মাঝে "নর্মদা দাম প্রকল্প, ভারতিয় পারমানবিক অস্ত্র, ইন্ডিয়াতে আমেরিকার শক্তির দৈত্য এনরন্সের কার্যকলাপ ইত্যাদি।

অরুন্ধতী রায় সাম্রাজ্যবাদ বিরুধী আন্দোলন এবং এন্টি-গ্লোবালাইজেশন আন্দোলন সঙ্গবদ্ধ করে তোলেন।
[প্রোফাইল থেকে অনুবাদ করা]
মুল পোষ্ট টি

আমার খুজে পাওয়া মাজিলা ফায়ারফক্সের জোশ কিছু এডওনস, বাংলা ডিকশনারী এডওনস সহ।

সামু তে এটা পেলাম তাই সবার সাথে সেয়ার করলাম।

আমি নিজেই পিসি ইউজ করি তাই দরকার মনে করি না।

ডায়াবেটিস রুগি দের Diabetic Nephropathy  না থাকলে ৩ বছর পর পর করতে  হবে। Diabetic Nephropathy থাকলে অন্যন্য ওষুধের ডোজ এর উপর চেক করা নিরভর করবে। তবে সেটা Nephrologist  ও Diabetologist ঠিক করে দিবেন ।

Serum Creatinine যেকোন কারনে বাড়তে পারে । তবে Acute  KIdney failure এটা অনেক বেড়ে যায়। যেটা চিকিতসাই ভাল হতে পারে। কিন্তু যদি এটা ৬ সপ্তাহ বা তার বেশি সময় বেড়ে থাকে তবে আমরাChronic kidney Failure (CRF) বলি। সেখেত্রে যদি ক্রিয়েটিনিন লেভেল বেড়ে থাকা ও T99 Renogram  করে যদি ১৫-২০ % নেফ্রন এক্টিভ থাকলে সেই রুগি কে Replacement tharapy  যেতে হয়।

Chronic Infection এ তো পিত্ত থলি ছোট হতে পারে কিন্তু এটাও তো খারাপ । এখান থেকে Carcinoma হতে পারে।

বর্তমান সময়ের একটি আলোচিত বিষয় ফেসবুক হ্যাকিং। তিল তিল করে গড়ে ওঠা ফেসবুক পরিবার নিমিষেই ভেঙে যাচ্ছে হ্যাকিংয়ের কবলে পড়ে। কিন্তু অনেকেরই জানা নেই, সামান্য কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলেই এসব হ্যাকিং থামানো সম্ভব।

—ফেসবুক হ্যাকিং থেকে বাঁচার প্রথম উপায় হলো ফেসবুক সংশ্লিষ্ট মেইল এবং মূল ফেসবুকের পাসওয়ার্ড ভিন্ন রাখা। হ্যাকাররা হ্যাকের পরই প্রথম লক্ষ থাকে ই-মেইল এড্রেসটা বদলে ফেলা। আর কোনোক্রমে ই-মেইল এড্রেসটি বদলে ফেলতে পারলে আর হ্যাকিং হওয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করা খুবই কঠিন হয়ে যায়। কারণ হ্যাকিং হওয়ার পর অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করার একমাত্র উপায় হলো ই-মেইল এড্রেস।

—ফেসবুকের কোথাও পাসওয়ার্ড দেয়ার প্রয়োজন হলে প্রথমেই দেখে নিতে হবে ওয়েব এড্রেসটি মূল ফেসবুকের এড্রেস কিনা। অনেক সময় কাছাকছি এড্রেসের এবং দেখতে সম্পূর্ণ ফেসবুকের ওয়েবসাইটের মতো সাইটগুলোতে পাসওয়ার্ড দিলেই সাইটটি হ্যাক হয়ে যায়। facebook.com-এর পরিবর্তে যদি facebookie.com, facabook.com ইত্যাদি রকম দেখা যায় তবে কখনোই ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দেয়া যাবে না।

—পাবলিক কম্পিউটারে বসলে কাজের শেষে অবশ্যই লগআউট করতে হবে। এবং পাবলিক কম্পিউটারে কখনোই পাসওয়ার্ড রিমেম্বার দেয়া যাবে না।

—যে কোনো ই-মেইল পাসওয়ার্ড দেয়ার আগে দেখে নিতে হবে ওয়েব এড্রেসটি মূল ফেসবুকের কিনা।

—কম্পিউটারকে সব সময় ম্যালওয়ার ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখতে হবে। এগুলো অনেক সময় পাসওয়ার্ড চুরি করে নিয়ে যায়।

—কখনও কোথাও থেকে আসা Facebook Password Reset Confirmation এরকম মেইলে পাসওয়ার্ড রিসেটে ক্লিক করা যাবে না।

—পাবলিক কম্পিউটারে বসলে কাজ শেষে অবশ্যই cache এবং cookies ডিলেট করতে হবে।

—ফেসবুক প্রোফাইলে কোনোরকম অস্বাভাবিক কিছু দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলতে হবে।

—মেইলে আসা সফটওয়্যার না বুঝে সেটআপ দেয়া যাবে না। অনেক সময় দেখা যায়, ফাইলটি দেখতে ভিডিও বা অডিও ফাইল মনে হচ্ছে কিন্তু আসলে এটি একটি সেটআপ ফাইল, যেটি সেটআপ দিলেই কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড চলে যাবে দুর্বৃত্তদের কাছে।

—এছাড়া মাঝে মাঝেই ফেসবুকের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা উচিত।

—হ্যাক হওয়ার পরও একাউন্টটি ডিলেট করা যাবে না। কারণ হ্যাকিং হওয়ার পরও অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করার কোনো না কোনো উপায় থাকে।

ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক হওয়ার পর এটি পুনরুদ্ধার করতে যা যা করণীয় তা হলো—

—যদি ফেসবুক একাউন্টের পাসওয়ার্ড হ্যাক হয় এবং মেইল একাউন্টটি ঠিক থাকে তবে এই লিঙ্ক থেকে রিকয়েস্ট পাঠালে পাসওয়ার্ড সমাধান পাওয়া যাবে।

https://ssl.facebook.com/reset.php

—যদি ওপরের লিঙ্কে কাজ না হয় তবে পাসওয়ার্ডটি পাওয়ার জন্য নিম্নলিখিত লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

http://www.facebook.com/help/identify.p … in_changed

—যদি ই-মেইল এড্রেসটি পরিবর্তন হয়ে যায় তবে নিম্নলিখিত লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। ফর্মটি পূরণ করে পাঠালে ফেসবুকের কর্মকর্তারা যোগাযোগ করবে।

https://ssl.facebook.com/help/contact.p … f_recovery

সুত্রঃ facebook থেকে পাওয়া।

কি বেপার উপল বিয়ে করার আগে এগুলো শিখে ফেলছ!!! ভাল ভাল।
২ ও ৩ নং টপিক আরো বিস্তারিত হতে হবে । এখানে অনেক GAP আছে।

Password  কোথায় ? Password Protected File