আর কত anti -virus  চালাবে ?

ও রকম ইন্দুরের উপর কত গো+এষণা চলে তার কোন ঠিক আছে !!!

আমার কাছে আগে থেকেই আছে।

http://www.sonarbangladesh.com/blog/uploads/DETECTIVE201104131302710749_Pohela%20Boishakh20110411210610.gif


বলুন তো এটা বাংলা কত সাল ?

এর উত্তর ১০ জনে ১ জন পারবে । গ্রামের মহিলাদের জিজ্ঞাসা করলে তারা ১০/১০ পাই।
যাই, হক রাত পেরিয়ে আগামি কাল থেকে শুরু হচ্ছে বাংলা নববর্ষ -১৪১৮ ।

আর এম সি এর পক্ষ থেকে সব্বাইকে শুভেচ্ছা।
http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20Original.jpg

মাছের রাজা ইলিশ! খুবই মজাদার আল্লাহর এক অপূর্ব সৃষ্টি। এই ইলিশের মজার ও ঘ্রাণের সাথে তুলনা করবে এমন মাছ সাগরে আর দ্বিতীয়টি নেই। বঙ্গোপসাগর হল ইলিশের মূল বিচরণ ক্ষেত্র। কুতুবদিয়ার ৪০ মাইল পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের স্থানকে মাছের খনি বলা হয়। ইলিশ গভীর পানির মাছ, পূর্বের গভীর পদ্মা নদী ছিল ইলিশ মাছের পছন্দের স্থান, এখন সাগরে বাস করে। তবে সে ডিম পারে মিঠা পানিতে। আগে পদ্মায় যখন গভীর পানি ছিল, তখন ইলিশ মাছের প্রাচুর্য ছিল দেশে। পদ্মায় ডিম পারত, সেখানে মা মাছেরা বসবাস করত। বাংলাদেশের অতীব গুরুত্বপূর্ন সহযোগী এবং বিশ্বস্থ বন্ধু ভারতের কল্যাণে পদ্মায় এখন আর পানি নেই। ফারাক্কা বাঁধের দয়া ও মহীমায়, মাশায়াল্লাহ পদ্মায় এখন ক্রিকেট খেলা যায়, গরুগাড়ী চলে, ঠেলাগাড়ী আসে!

যাক, ইলিশ এখন কল্পনার বস্তুতে পরিণত হয়েছে। দেশের ধনীর দুলাল-দুলালীরা (তির্যক মন্তব্যকারীদের ভাষায় গরীবের প্রতি বছরের প্রথম তামাশা) পহেলা বৈশাখের আনন্দে, বাসি পান্থাভাতে পোড়া মরিচ পিষে যে ইলিশ চূর্ন খেতেন! সেটার কল্যাণে ইলিশের কদর আকাশ চুম্বি হয়েছে। চলতি সপ্তাহে সে ইলিশের হালি প্রতি দাম দশ হাজার টাকা! বৈশাখের শুরুতে নাকি দাম হালি প্রতি ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পৌঁছতে পারে! তার মানে একটি ব্লাক বেঙ্গল ছাগল বিক্রি করেও একটি ইলিশ কেনা দুঃষ্কর হয়ে যাবে! তাছাড়া শোনা যাচ্ছে, এ বছর ইলিশের বাজারে ক্রেতা শিকারে এন, বি, আর ও দূদকের নজরদারী থাকবে। তাই ইলিশের অকালের দিনে আপনাদের সবাইকে ডিজিটাল ইলিশ খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

কয়েক দিন ধরে আমার ছেলে টা যেখানে মাছ দেখে সেটা কে ইলিশ বলছে। আপনাদের ভাবিসাব বলেছে পচা ইলিশ খাবনা । কারন ভাল ইলিশ রাজশাহি তে পাওয়া যাই না। বগুড়া তে মোটামুটি ভাল ।
তো আসুন আগে খাওয়া দাওয়া পরব সেরে নিই।

http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20%20Vhazi.jpg
ইলিশ ভাজি:
তাজা ইলিশকে কেটে দুই ঘন্টা মেরিনেট করে হালকা আঁচে ভাজা হয়েছে, মোটা মরিচ ও বেগুনের হালকা টুকরা যোগে তৈরী করা হয়েছে এই ডিশ। একবার খেলে বারবার খেতে এখানে ঢুঁ মারতে ইচ্ছে করবে। দেশ গ্রামে এই ডিশের মেলা কদর।


http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20Fry.jpg
ইলিশ ফ্রাই:
মরিচ-হলুদ গুড়োর হালকা ঝালে প্রস্তুত, খুবই স্বুসাদু এই ডিশ। যে খায়নি তার জীবনই বৃথা। পুদিনা ও ধনে পাতার মিশ্রণে এর ঘ্রাণ একবার নাকে ঢুকলে টয়লেটে যাবার আগ পর্যন্ত ইলিশের ঘ্রাণ নাকে বহাল থাকবেই। এই ফ্রাই ইলিশের কাঁটাগুলিও চনাচুরের মত মচমচে, দারুন উপাদেয়।


http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20Kabab.jpg
ইলিশ কাবাব:
বেয়াড়া প্রকৃতির শাশুড় কে যে পুত্রবধু এই ইলিশ কাবাব একবার খাইয়েছেন, বাকী জীবনে যৌতুক চাওয়ার কথা ভূলে যাবেন। জায়ফল, যত্রিক, মিঠা জিরার মিশ্রনের এই ইলিশ ফ্রাই দশ বাড়ী সুগন্ধময় করে তুলবে।


http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20Barger.jpg
ইলিশ বার্গার:
ক্রন পাউডার, অল পারপোস গুড়া এবং আমেরীকান বার্গার চসের মাধ্যমে তৈরী এটি। যেমনি ফাষ্ট ফুডের গন্ধ, তেমনি মজাদার! একবার খেলেন তো সারাজীবনে স্বাধ ভূলবেন না। চিকন বাচ্চাদের মোটা করার উপযোগী মায়োনাইজ এতে সুন্দরভাবে ব্যবহার করা হয়েছে একবার গিলাতে পারলেই ব্যস!


http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20Polao.jpg
ইলিশ পোলাও:
আ-হা-হা...। বাদাম, পোস্ত দানা, কিসমিসের গুড়ার সাহায্যে রান্না করা ডিশ। বিয়ে-শাদীতে স্পেশাল হিসেবে দারুন ব্যবহৃত হয়। একবার খেলে বহুদিন পর্যন্ত মনে থাকবে এর স্বাদের কথা! টম্যাটো সচ ও সয়া সচ যোগে খেলে মজার ঢেঁকুর উঠবে, যেমনি ঘ্রাণ তেমনি অপূ্র্ব স্বাদ!


http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20Pitha.jpg
পিটা ইলিশ:
আগের যুগের চাষা-কৃষকদের মজাদার ডিস। বর্তমানে পাঁচ তারা হোটেলের অভিজাত শ্রেনীর খুবই পছন্দনীয় এটি। কালিজিরা, মিঠাজিরা, পুদিনার ঘ্রাণের সাথে রসালো ইলিশের পাগল করা গন্ধ যে কোন, রসহীন ব্যক্তিকেও ভোজন রসিক বানিয়ে ছাড়বে। আজ না খেলেও কোন এক শীতের দূপুরে বেড়াতে আসুন, আজীবন মনে থাকবে দারুন অনুভূতির কথা।


http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20Anarash.jpg
ফ্রুট ইলিশ:
এটি খ্যাতিমান হোটেলের খাবার! আলুর ভর্তা, ছাঁটা পিঁয়াজ মিশিয়ে ইলিশের রসা রসা টুকরা দিয়ে বানানো এই ডিশ। ইলিশের পাগল করা ঘ্রাণ, পাকা আনারসের মাতাল করা মৌ গন্ধে পরিবেশটাই আলাদা হয়ে যাবে। মুখে নির্ঘাত লোল আসবে, জীবনে একবার হলেও খেয়ে দেখবেন। নতুন জামাইকে বরন করতে এটি একটি দারুন খাবার হিসেবে বিবেচিত।


http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20%20Biriani.jpg
ইলিশ বিরানী:
মোগল আমল থেকেই প্রসিদ্ধ, আবহমান বাংলার ঘরে ঘরে প্রসিদ্ধ এই বিরানী। নুতন জামাই, বেয়াই, বধুকে বরণ করতে এই ডিশের জুড়ি নেই। কমলা লেবু, কিংবা পাতি লেবুর সামান্য টক মিশ্রণে এর স্বাদ এতটুকু বাড়ে, ঘ্রাণেই অর্ধভোজন হয়ে যায়। কখনও সুযোগ হারানো চলবেনা।


http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20Dal.jpg
খিচুরী ইলিশ:
বৃষ্টির দিনে কিংবা নৌ ভ্রমনে এই ইলিশ ডিশের তুলনা নাই। বনভোজনে এই ডিশ রাজকীয় হালতে উপভোগ করা যায়। প্রতিটি ঢেঁকুড়েই বেরিয়ে আসবে ইলিশ মাছ খাবার মহা প্রশান্তি! খেলেনতো হজম হল এভাবে বারবার খেলেও বিরক্তি আসবেনা, মনের স্বাদও অপূর্ন থাকে!


http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20Sharshe.jpg
সরষে ইলিশ:
এটার সাথে নতুন করে পরিচয় করে দেবার দরকার নেই। তাজা পাকনা সরষের সাথে হালকা মসল্লা লাগিয়ে এটি তৈরী করতে হয়। সরষে ইলিশ সর্ম্পকে বেশী না বলে দিল্লীর লাড্ডুর সাথে তুলনা করা যায়: “দিল্লাকা লাড্ডু যো খায়া ও’বি পস্থায়া। যো নেহি খায়া ও’বি পস্থায়া”। সেভাবে এই ডিশ খেয়ে কিভাবে পস্থাবেন সেটা আপনারাই ঠিক করুন।


http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20%20Presentation.jpg
প্রেজেন্টেশন ইলিশ:
এটি মূলত পরিবেশনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এখানে মাছের স্বাদের চেয়ে পরিবেশনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় বেশী। তবে ইলিশ মাছ আপনিতেই স্বাদের মাছ। লবন দিয়ে সিদ্ধ করলেও তার স্বাদের কমতি হয়না। ক্যাপসিকাম, লেটুস, লেবু, টম্যাটো, শসা মিলিয়ে যত সুন্দরভাবে পরিবেশন করা যায়, সেটাই এই ডিশের মূল উদ্দেশ্য। নামী-দামী হোটেল স্যূটে এই সৌন্দর্য উপস্থাপনা লাগবেই।


http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20Ranna.jpg
ভূনা ইলিশ:
হোটেল রেস্তোরার অতি পরিচিত একটি ডিশ। এটি বাংলার ঘরে ঘরে প্রচলিত, প্রসিদ্ধ একটি প্রানালী। হলুদ, মরিচ, জিরা, ধনিয়া যোগে রান্না করা। আঁচ তাপে রান্না করলে মাছের কাঁটা পর্যন্ত চুষে খেতে ইচ্ছে করে। এই ডিশ একবার খেলে হাতের আঙ্গুলেই ঘ্রাণ লেগে থাকে পুরো একদিন। যেমনি মন কাড়া ঘ্রাণ তেমনি সুস্বাদু!


http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20Khadu%20Patha.jpg
কদুপাতা ইলিশ:
এটি একটি আদি পদ্ধতি। তেল, লবন, মরিচ মিশিয়ে কদু পাতায় পেঁচিয়ে কড়াইয়ে ছেড়ে দিলেই চলে। পুরো মহল্লার মানুষ বুঝতে পারে, কদু-ইলিশের রাজকীয় রান্না চলছে। এটি এতই মজা, ফাঁসির রসিতে ঝূলবার আগে, শেষ খানা হিসেবে, আসামী এটা খেতে চায়। ইলিশের এই ডিশ যারা খাননি, তারা জানবেই না ইলিশ কি জন্য দুনিয়াতে বিখ্যাত। এই ডিশে মাছের চেয়ে পাতার মজা বহুগুনে বেড়ে যায়। কদুপাতার অভাবে কচু পাতায়ও এটা মজার রাজা।


http://sonarbangladesh.com/blog/uploads/tipu1900201104121302593952_Elish%20Pantha.jpg
পান্থা ইলিশ:
এটাই সেই ঐতিহাসিক পান্থা-ভর্তা-ইলিশ। এখানে ইলিশ মাছ কি ধরনের হতে হবে সেটা কোন শর্ত নয়। শর্ত হল ভাত পঁচা-বাসী হতে হবে। ভাত ভাল করে বাসি করতে পারলে সেটাতে এলকোহল ফর্ম করবে। ভোজন রসীকেরা বৈশাখের প্রথম দিনে পোড়া কিংবা কাঁচা মরিচ, লবন, পিঁয়াজ, ভর্তাযোগে বেশী দাম দিয়ে কিনে খায়! শরীরে দারুন মাদকানুভূতি তৈরী হবে। খেয়ে ঝিমুতে থাকুন, নিজেকে নিজে বাহবা দিন এবং ভাগ্যবান ভাবুন।

নদী মাতৃক বাংলাদেশ এখন বালি মাতৃক বাংলাদেশে পরিনত হয়েছে। আল্লাহ আমাদের ছো্ট্ট ভূখন্ডে বরকত আর রহমত দিয়ে ভরে দিয়েছিলেন, শুধু আমাদের গাফেলতির কারনেই আমরা অন্যের দ্ধারা সৃষ্ট বৈষম্যের শিকার। আমরা বেশী সভ্য হয়ে অসভ্যদের বৈষম্যের দেয়াল ভাঙ্গতে পারছিনা! এটা আমাদের ব্যর্থতা।

১. ক্রোমে RSS feed
২. রিয়েল লাইভ সার্চ --------------------- গুগল ক্রোম বিষয়ক by বোরহান

ওহ হো, আমার একদম খেয়াল নেই।

গুগল ক্রোমে ইন্সটল করা যাচ্ছে না।

স্বাধীনতা
তুমি অরুনোদয়
তুমি আগামীর সূর্য
তুমি পবিত্র ভোর
নতুনের সূচনা
তুমি বঙ্গ ললনার মুখের হাসি
তুমি আছো তাই পথ চলি
তুমি আছো তাই কথা বলি
তুমি পথ চলায় গভীর স্বস্তি
তুমি আছো তাই নিতে পারি গভীর নিশ্বাস
তুমি বীরাঙ্গনার বুক ফাটা আর্তনাদ, চোখের পানি
তুমি পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধার চাপা ক্ষোভ,কষ্টে বুকে পাথর
তুমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পবিত্র ঘুম
তুমি কৃষকের স্বপ্নের সোনালি সুখের হাতছানি
তুমি বিজয়ের আলিঙ্গন
তোমার জন্য আজ মোরা বিশ্বের বুকে
তুমি আছো তাই বলি ভালোবাসি
তোমার জন্য বলতে পারি ভালোবাসি
আমি তোমায় ভালোবাসি
আমরা তোমায় ভালোবাসি

কিন্তু পান্ডা ক্লউড কেমন ? ইউজ করিনি ।
ফ্রী তো সবসময় থাকেনা ।

আর ও আছে ।
1। www.mechoportal.com   থেকে movies, games, music, softwares পাওয়া যাবে  Hotfile, Fileserve ও rapidshare এর লিংক ।

2। http://www.hugereleases.com/ থেকে latest games, movies, applications and more পাওয়া যাবে।            rapidshare, hotfile and megaupload এর লিংক।

3।  http://megarapid.net/  সবগুলো Hosting এর সব কিছু পাওয়া যাবে। কিন্তু .rar ফাইল ডাউনলোড করা যাবে না ।  shame on you কারণ password পাওয়া যাবে না।
4। http://searchizz.com/ এ কী পাওয়া যাই  না !!! এক mediafire থেকে অপরিচিত হোস্টিং এর ফাইলও  পাওয়া যাই। তবে rar ফাইল ডাউনলোড করা যাবে না।  shame on you

Norton চালায়, কী শান্তি।

http://i.imgur.com/PGrRD.jpg


আর এম সি ফরামের পক্ষ থেকে আমিও অংশ গ্রহন করেছিলাম । তার কিছু ছবি ফেসবুকে আপলোড করলাম ।

লিঙ্ক তো ঠিক আছে।

গুগল ক্রোমের এক্সটেনশন দ্বারা মিডিয়াফায়ার এবং মেগাআপলোড সাইটে আপলোডকৃত ফাইল থেকে সহজেই ফাইল খুজে পাবেন ।
মিডিয়া ফায়ার সাইটে ফাইল খোজার জন্য
মেগাআপলোড সাইটে ফাইল খোজার জন্য

ক্লিক করে এক্সটেনশন’টি আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজারে ইন্সটল করে নিন।

অমল চক্রবর্তী

http://www.dailykalerkantho.com/admin/news_images/483/image_483_143794.jpg


কেতকী কুশারী ডাইসন নীরদ চৌধুরীকে তাঁর অক্সসফোর্ডের বাড়িতে দেখতে গেয়েছিলেন। সফেদ ধুতি-পাঞ্জাবি পরিহিত নীরদ বাবু স্কচ হুইস্কি খাচ্ছেন ঠোঁট না ভিজিয়ে, নেপথ্যে রবীন্দ্রনাথের গান ভেসে আসছে; ফাঁকে ফাঁকে বারবার 'দেশ' 'দেশ' বলছেন। নীরদ বাবু যত দেশি ইংরেজি বই লিখেছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সে, তাঁর চেয়ে বেশি লিখেছেন বাংলা ভাষায় অশীতিপর বয়সে। তাঁর মতো অভিবাসী ভারতীয়দের মধ্যেও আপাতদৃষ্টিতে দুটি প্রবল টান দৃশ্যমান। বিদেশ-বিভুঁইয়ে দেশ থেকে অনেক দূরে স্বতন্ত্র এক দেশ তাঁরা নির্মাণ করেন। স্বদেশিদের চেয়েও শুদ্ধতায় দেশের কথা বলেন ও ভাবেন; কিন্তু না স্বদেশি-না বিদেশি, কেউ তাঁদের গুরুত্বের সঙ্গে নেয় না। দুই সংস্কৃতি, দুই জীবনের মাঝখানে, পুরো জীবন কাটিয়ে দেন এই ত্রিশঙ্কু মানুষরা যেন স্বর্গ থেকে বহিষ্কৃত আদম। সাম্প্রতিক ভারতীয় অভিবাসী ইংরেজি সাহিত্য সেই জীবন আর অন্যসব জীবনের কাহিনী আমাদের সামনে অত্যন্ত সততার সঙ্গে মেলে ধরছে।
ভারতীয় অভিবাসী বা 'ডায়াসপোরা' এখন সাতটি মহাদেশের সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই অভিবাসীদের অনেকেই অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে স্বদেশ থেকে বহু দূরে। নাইপলের শিকড় যেমন ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের অনেক দূরে কয়েক প্রজন্ম আগের এক ইনডেন্চারড শ্রমিকের মধ্যে তেমনি মনিকা আলীর শিকড় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বাবা, যিনি আর্থিক সচ্ছলতার প্রত্যাশায় লন্ডনে স্থায়ী_তাঁর মধ্যে। ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে আসার কারণে এঁদের সবার চিন্তাচেতনার মধ্যে কিছু মিল আবিষ্কার করা যায়। নির্বাসনের কালো দাগ তাঁদের হৃদয়ে ও কলমে ক্রমাগত ক্ষরণ ঘটায়। দক্ষিণ এশীয় অভিবাসী ইংরেজি ভাষার লেখকদের লেখায় তাই 'Exile' একটি বড় বিষয়। এডওয়ার্ড সাঈদ যেমন বলেছেন - 'Exile is the unhealable rift forced between a human and a native place, between the self and its true none.' তাই সত্যিকারের 'হোম' সন্ধান করাটাই এই সাহিত্যের মূল বিষয়।
অভিবাসী ভারতীয়দের ইংরেজিচর্চাকে অনেকেই খুব একটা যে ভালো চোখে দেখেন তা কিন্তু বলা যাবে না। মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম জীবনে ইংরেজিতে কাব্য সাধনার ব্যর্থ প্রচেষ্টা ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'Rajmohon's wife'-এর বিস্তৃত অধ্যায় বাঙালি পাঠককে এই নাক সিটকানো ভাব এনে দেয়। বিদেশি ভাষায় সৃজনশীলতা অসম্ভব বলে দৃঢ়মত দৃঢ়তর হয়। কিন্তু উত্তর-ঔপনিবেশিক এই সময়ে ভাষার প্রতিবন্ধকতা দূর করে অনাবাসী ভারতীয়রা (পড়ুন অভিবাসী দক্ষিণ এশীয়রা) যে সাহিত্যসম্পদ সৃষ্টি করে চলেছেন, তা শুধু বিশ্বসাহিত্যের বিশাল প্রাপ্তিই নয়, প্রাক্তন উপনিবেশের হতশ্রী মানুষগুলোর জন্যও বেশ আশা জাগানিয়া বিষয়। প্রাক্তন উপনিবেশের মানুষের এই কথাকে 'পোস্ট-কলোনিয়াল' সংস্কৃতির উন্মেষ ধরা যায়। বিল অ্যাসক্রফট তাঁর 'Empire Write back'-এ যেমন লিখেছেন- 'Post colonial culture is ineritably a hybrid phenomenon involving a dialectical relationship between the grafted European cultural systems and indigenous on to logy...;' এই ক্রমাগত আত্মপ্রকাশের কারণেই উত্তর-ঔপনিবেশিক লেখকরা বৃত্ত ভাঙছেন ক্রমাগত ইউরোপীয় সাংস্কৃতিক 'হেজিমনি'কে প্রান্তিক Subversion দিয়ে। এঁদের মধ্যে নাইপাল, রূপাদি, বিক্রম শেঠ, অমিতাভ ঘোষদের মতো দিকপাল যেমন আছেন তেমনি আছেন মনিকা আলী, ঝুম্পা লাহিড়ী, ভারতী মুখার্জি বা অরবিন্দ আদিগাওদের মতো তরুণ প্রজন্ম; যাঁরা বই পড়ে নয়, বরং প্রাত্যহিক যাপিত জীবনের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে অভিবাসী জীবনের নিয়ত নির্দিষ্ট আর্তনাদ ও অবশ্যম্ভাবী সাংস্কৃতিক মিথস্ক্রিয়াকে মূর্ত করে তুলেছেন।
Tempest নাটকে ৫০০ বছর আগেই শেক্সপিয়ার ঔপনিবেশিক 'হেজিমনি'র এই ভাষাগত সূত্রটি দৃশ্যমান করেছিলেন। যখন 'মূর্খ' ও 'দানবীয়' ক্যালিবান ঔপনিবেশিক প্রভু প্রসপারোকে বলে 'You taught me language; and my profit on't/Is, I know now to curse.' 'তুমি আমাকে ভাষা শিখিয়েছ; আর আমার লাভ এই যে আমি তোমাকে বেশ কষে তালি দেওয়াটা রপ্ত করেছি।' সেই ১৮৩৩ সালে ম্যাকলে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে স্বপ্ন দেখেছিলেন ইংরেজি শেখাবেন ভারতীয় কালো চামড়ার মানুষগুলো যেন মানসিকভাবে সাদা ইংরেজদের পদানত থাকে_এই উদ্দেশ্যে। এটি সত্য, ইংরেজি শিখে অনেক ভারতীয় কেরানির চেয়ে বেশি আর কিছু হতে পারেনি। ভাষা যদি নিতান্তই গুটিকয়েক শব্দ মুখস্থ ও দরখাস্ত লেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত তাহলে তো কোনো সমস্যা ছিল না। কিন্তু ভাষা তো বৃহৎ অর্থে ক্ষমতায়ন_চিন্তার প্রাদেশিকতা থেকে বৃহৎ জীবনে পেঁৗছানোর অবলম্বন। Frantz Fanon যেমন বলেছেন_'To Speak a language is to take on a world, a culture.'_ইংরেজির মতো অভিবাসী লেখকরা শুধু ইংরেজি নয়, অসংখ্য সংস্কৃতিতে পেঁৗছতে ও একের পর এক গণ্ডি ভাঙতে পারছেন। তাই অবাক হই না যখন দেখি ইংরেজিকে অবলম্বন করেই জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও সাহিত্য আন্দোলন দুটোই শুরু হয়। সেই ১৮৩০ সালে ডিরোজিও কবিতায় স্বদেশ বন্দনা করেছিলেন যে গাঢ় অনুভূতিতে, তার মাধ্যম ছিল 'অভারতীয়' ইংরেজি। তাঁর শানিত উচ্চারণ_'Harp of my country, Let me strike...’ অনুপ্রাণিত করেছিল ইয়ং বেঙ্গলের অনুসারীদের এবং পরবর্তী সময়ে অভিবাসী ভারতীয় ইংরেজি লেখকদের লেখায়ও অন্তর্লীন সেই স্রোত।
ইংরেজিতে কিভাবে ভারতীয়রা চিন্তা করবে আর কিভাবেই বা তা সাহিত্য পদবাচ্য হবে? প্রথম অনাবাসী ভারতীয় শেখ দীন মোহাম্মদ ১৭৯৩-তে লিখেছেন ভ্রমণকাহিনী Travels of Deen Mahomet আর তারপর প্রায় ২১১ বছর পার হয়ে গেছে। এর মধ্যেই এ ভাষায় লিখে দুজন ভারতীয় বা ভারতীয় বংশোদ্ভূত নোবেল প্রাইজ আর প্রায় গোটা সাতেক বুকার প্রাইজ পেয়ে গেছেন। কিন্তু বিতর্ক এখনো চলছে। সেই ১৯৩৮-এ রাজা রাও লিখেছেন_'The telling has not been easy. One has to convey in a language that is not one's own the spirit that is one's own.... It (English) is the language of our intellectual makeup, ... but not of our emotional makeup. কিন্তু ক্যালিবানের সন্তানরা স্মৃতি, কিংবদন্তি, ন্যারেটিভের জাদু আর জাদুবাস্তবতার ন্যারেটিভ দিয়ে যা লিখছেন, তাকে কিভাবে বলি যে এই ইংরেজি 'Not of our emotional makeup'?
কী লিখছেন অনাবাসী ভারতীয়রা? খুব সহজ করে বলতে গেলে তাঁরা লিখছেন বর্তমান সময়কে, গৃহকাতরতাকে ধারণ করে উদ্বাস্তু জীবনের হতাশাকে অতীত আর বর্তমানের দুই সংস্কৃতির সংঘর্ষ ও মিথস্ক্রিয়াকে তথা পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় অসহায় মানবাত্মার ফাঁকা জীবন সব_সব কিছুকে। নাইপলের কথাই ধরা যাক। কত কিছুই তিনি লিখলেন 'এ হাউস ফর মিস্টার বিশ্বাস'-এর পর থেকে। কিন্তু গৃহ অনুসন্ধানের সেই মোটিভ থেকে তিনি আর বের হতে পারেননি।
তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল সুর অবশ্যই বিচ্ছিন্নতাবোধ। যেমনটা প্রফেসর নিয়াজ জামান বলেছেন_'Alienation and displacement are recurrent themes in the writings of V. S. Naipaul’s. তাঁর 'Enigma of Arrival' অথবা ভ্রমণকাহিনী 'An Area of Darkness'-এর বিচ্ছিন্নতাবোধ প্রতিভাত।
রুশদী সব অনাবাসী ভারতীয়র মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত, প্রসিদ্ধ ও সবচেয়ে প্রতিভাবান। রূপকের ভঙ্গিতে লেখা মিডনাইটস চিলড্রেনে সালিম সানাইয়ের বাণীতে তিনি ডিকনস্ট্রাবট স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতের রাজনীতি, সংস্কৃতি ও জীবনকে '৪৭-এর ১৫ আগস্টে জন্মানো বিশেষ ক্ষমতার অধিকারী প্রতিটি শিশুর মতো সালিম সিনাইয়ের নাটকীয় জীবন জাদুবাস্তবতার বর্ণনায় প্রাণবন্তু। ইন্দিরা গান্ধীর শাসনামলের জরুরি আইনের সঙ্গে সঙ্গে সেই বিশেষ ক্ষমতা লুপ্ত হয়। ব্যক্তির জীবন, রাজনৈতিক জীবন মিলেমিশে একাকার। 'অ্যারাবিয়ান নাইটস'-এর শাহেরজাদীর গল্প বলার প্রকরণ এই উপন্যাসের প্রতিটি পরতে পরতে সালিম একা যেমন ভাবে_'একদা ছিল রাধা-কৃষ্ণ, রাম-সীতা, লাইলী-মজনু এবং রোমিও-জুলিয়েট, স্পেন্সার-ট্রেসি ও ক্যাথরিন হেপবার্ন'। এভাবে আলেকজান্ডার পোপের মতো 'ব্যথেটিক' প্রতিক্রিয়া তাঁর বর্ণনাশৈলীর প্রাণ। Hybridity-কে ধারণ করে জাদুবাস্তবতার চোখে দেখার এই রীতি পরবর্তী রচনাগুলোতে দেখি। তাঁর বাগান নষ্ট হয়। তাঁর বাড়ির নতুন মালিক বিনষ্ট বাগানের ওপর কংক্রিটের নির্মাণসামগ্রী ফেলে রেখে উচ্ছেদ ঘটান। পরিবর্তনের আঁতুড় গন্ধ সর্বত্র ছড়ায়। অমিতাভ ঘোষের স্বাতন্ত্র্য তাঁর জীবনঘনিষ্ঠ, সমাজতাত্তি্বক দৃষ্টিকোণে এবং পোস্ট কলোনিয়াল জীবনকে ব্যাখ্যা করার প্রচেষ্টায়। তাঁর সবচেয়ে মহৎ সৃষ্টি 'The shadow lines' উপন্যাসে তিনি বাংলাদেশের হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক সংঘাতের প্রসঙ্গ এনেছেন। এর পটভূমি তিন শহর_কলকাতা, ঢাকা ও লন্ডন। আর তিনটি প্রজন্ম আলোচিত এই বর্ণনায়_ঠাকুরমা, মায়াদেবীর প্রজন্ম, ত্রিদিব ও মে প্রাইসের প্রজন্ম এবং বিভাগ-পরবর্তী প্রজন্ম; যেখানে বর্ণনাকারী নিজে, ইলা, রবি এবং নিক প্রাইস আছেন। স্মৃতির ভার এসে উপন্যাসের সময় বহুমাত্রিক করে তুলেছে। ঢাকায় জন্মানো, বড় হওয়া ঠাকুরমার মতো দেশভাগের জ্বালা নিয়ে কত পরিবার দুই পারে আছে! এই উপন্যাসে একটি ক্রমবর্ধমান দেয়াল ও রেখার মোটিফ বার বার মূর্ত হয়ে ওঠে। বুড়ো ঠাকুরদার মতো 'Once you start moving you never stops.' তাঁর মতে ইন্ডিয়া, সিন্ধিয়া, এসব সীমারেখা কিছুই না।
১৯৮৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে এবং ১৯৯২ সালে প্রকাশিত In An Antique Land-এ ঘোষ, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির সৃষ্ট কাল্পনিক সীমারেখার যৌক্তিকতাকে প্রশ্ন করেছেন। ২০০২-এ প্রকাশিত The Imam and the Indian প্রবন্ধ সংগ্রহে Indian Diaspora নামে প্রবন্ধে ঘোষ লিখেছেন_It is the mirror in which modern India seeks to know itself. অনাবাসী ভারতীয়র লেখার মধ্য দিয়ে যে জীবন ফুটে উঠেছে, তা ভারতীয় ও বিশ্বজনীন। যেখানে অনাবাসী লেখকরা কল্পনা ও জাদুবাস্তবতার হাত প্রসার করেছেন। অনাবাসী লেখিকারা সেখানে বাস্তবতা ও পটভূমিকে পুঙ্খানুপুঙ্খ করে তুলেছেন। যেমন ঝুম্পা লাহিড়ীর ২০০০ সালে পুলিৎজার পাওয়া গল্পগ্রন্থ 'ইন্টারপ্রিটার অব ম্যালডিজ'-এর কথা ধরা যাক। এর তিনটি গল্পের পটভূমি দক্ষিণ এশীয় মেয়েদের মার্কিন সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে খাপ খাইয়ে চলার সংগ্রাম।
লেখিকা নিজে অনাবাসী মা-বাবার সন্তান হয়ে জন্মেছেন লন্ডনে এবং বেড়ে উঠেছেন আমেরিকায় ও বিয়ে করেছেন হিস্পানি আমেরিকান সাংবাদিককে, যদিও বিয়ের অনুষ্ঠান করেছেন কলকাতায় ঘটা করে বাঙালি কেতায়। তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলোও দুই সমতলে বাস করে_মার্কিন বাস্তবতা ও ভারতীয় ঐতিহ্যে। বিচ্ছিন্নতাবোধ মূর্ত হয়ে উঠেছে চরিত্রগুলোর মধ্যে। যেমন 'ইন্টারপ্রিটার অব ম্যালভিজ' নামের গল্পে যে উড়িয়া গাইড বাঙালি দম্পতিদের গুজরাটি ভ্রমণসঙ্গী হয় সেই মি. কাপাসি অবাক হয় স্ত্রী ও স্বামীর সম্পর্কের শীতলতা দেখে এবং মিসেস দাস স্বীকার করেন তাঁর আত্মধ্বংসী বিচ্ছিন্নতাকে। 'মি. কাপাসি আমার তীব্র ইচ্ছা এসব কিছু_টেলিভিশন, আমার বাচ্চা, সব কিছুকে জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলে দিই। আর 'মিসেস সেন' গল্পের সেনজায়ন তো পরিষ্কার করে তাঁর বিচ্ছিন্নতাকে যখন বলেন_'Here in the place where Mr. Sen has brought me, I cannot sleep so much in silence'. এই গল্পগ্রন্থের প্রতিটি চরিত্র এক ধরনের রোগে ভোগে, যার কারণ এই অভিবাসী জীবন। তাঁর উপন্যাস দ্য নেমসেক-এর অসীমা যেমন বোঝেন_'For being a foreigner, Ashima is beginning to realise is a sort of lifelong pregnancy... a perpetual wait. ... a continuous felling out of sorts.'
ভারতী মুখার্জির উপন্যাস 'জেসমিনে' দেখি এই সাংস্কৃতিক সংঘর্ষ ও তৎপরবর্তী সংমিশ্রণ। এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র জেসমিন বেশ কিছু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায় তার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী জীবনে। কয়েক বছরের মধ্যে সে জ্যোতি থেকে জেসমিন এবং জেসমিন থেকে জেন রিপল মেয়ারে রূপান্তর হয়। তার এ রূপান্তর তৈরি করে ‘American Mind’এই রূপান্তরকে ভারতী আশাবাদী দৃষ্টিতে দেখেছেন। দুই সংস্কৃতির যুদ্ধে জেসমিন সব সময় ভ্রাম্যমাণ এক শক্ত, সুদৃঢ় আত্মপরিচয় নির্মাণে। উপন্যাস শেষ হয়েছে এই প্রবহমানতার বাস্তবতায় অভিবাসী জীবনে 'I am out of the door and in the potholed and rutted driveway.’
অপেক্ষাকৃত তরুণী মনিকা আলীর লেখায়ও দেখি অভিবাসী জীবনের নানা সংকট, অনিশ্চয়তা ও এক ধরনের থিতু হওয়ার চেষ্টা। ২০০৩ সালে প্রকাশিত তাঁর 'ব্রিকলেন' উপন্যাসে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনকে অতি বিশ্বস্ততার সঙ্গে তুলে ধরেছেন। এই ডিটেইল্ড ন্যারেটিভের ক্ষমতাই তাঁর উপন্যাসকে ম্যান বুকার প্রাইজ এনে দিয়েছে। পূর্ব লন্ডনের বাঙালি অধ্যুষিত অংশে 'নাইন-ইলেভেন'-পরবর্তী জঙ্গিবাদ, জাতিগত রেষারেষি, আধুনিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক ইসলামী চরমপন্থা ও বাংলাদেশি প্রবাসীদের দাম্পত্য সম্পর্ক_সব কিছুই তুলে ধরেছেন মনিকা আলী।
১৮ বছর বয়সে বাংলাদেশ থেকে লন্ডন প্রবাসী চানুর সঙ্গে 'অ্যারেঞ্জড' বিবাহের মাধ্যমে অভিবাসী নাজনীন অসুখী দাম্পত্য জীবনে এক সর্বগ্রাসী শূন্যতায় ভুগে হতাশায় ভেঙে পড়ে।
এই সময় পরকীয়া প্রেমের হাত ধরে করিম নামের চরম ইসলামপন্থী যুবক আসে তার জীবনে। এই উপন্যাসের বিভিন্ন পৃষ্ঠায় প্রামাণিক দলিল হিসেবে ফুটে ওঠে ইংরেজ ও এশীয়দের মধ্যে বর্ণগত ধর্মীয় বিভেদ, একদিকে বর্ণবিদ্বেষী শ্বেতাঙ্গরা লিফলেটের ভয় দেখাচ্ছে এশীয়দের বদ মতলব সম্পর্কে। অন্যদিকে বিভিন্ন গোপন সংগঠনে বিভক্ত ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা প্রভাবিত করছে। 'লায়ন হার্ট্স' আর 'বেঙ্গল টাইগারস'দের মধ্যে সংঘাত চলছে এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা আরো বেশি করে ধর্মীয় গোঁড়ামির মধ্যেই যেন আত্মপরিচয় খুঁজে পায়।
অভিবাসী ভারতীয় সাহিত্যের এই গাথা নির্মাণ ক্রমপ্রসারণশীল। সম্প্রতি অরবিন্দ আদিগাওর 'দ্য হোয়াইট টাইগার'-এর বুকার পুরস্কার লাভ সেই সম্ভাবনাকেই ইঙ্গিত করে। রুডিয়ার্ড কিপলিং বিংশ শতাব্দীর গোড়ায় লিখেছিলেন 'East is East, West is west,/and ne'er the twin shall meet'.
কিন্তু অভিবাসী-সাহিত্যিকরা এই বিভাজনের সব বাস্তবতাকে মেনে নিয়েও মিথস্ক্রিয়া ও ক্রমশ বিকাশমান মানবিক ভূগোলকেও তুলে ধরছেন। একসময়কার ভারতীয় ইংরেজি লেখক, যেমন আর কে নারায়ণ, মূলকরাজ আনন্দ বা রাজা রাওয়ের চেয়ে ভিন্ন বর্তমান অভিবাসী ভারতীয় ইংরেজি সাহিত্যে, যেখানে ‘Exiled' হওয়ার বিষাদ যেমন দৃশ্যমান, তেমনি বিশ্বনাগরিক হওয়ার সম্ভাবনার ক্ষীণ স্বপ্নও উঁকি দেয়। ইংরেজদের কাছ থেকে ভারতীয়রা দুটি জিনিস উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে_ক্রিকেট ও ইংরেজি। দুটোতেই শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করছে ক্যালিবানের বর্তমান প্রজন্ম, যে অভিজ্ঞতা এখানে বর্ণিত, তা নীরদ বাবুর মতো ইংরেজি সাহিত্যের মাধ্যমে অনেকটা কাল্পনিক নয়। ঝুম্পা লাহিড়ী বা মনিকা আলীদের লেখায় যে সত্য ফুটে উঠছে, তা যাপিত জীবনের কালিতে লেখা। কয়েক শতকের ঔপনিবেশিক সত্তাকে নতুন আলোয় দেখছেন এই লেখক-লেখিকারা, প্রভুর ভাষা স্তুতি করার জন্য নয়, নিজের কথা বলার জন্য। কাকের বাসায় কোকিলের ডিম পাড়ার মতো নয় এই অভিবাসী সাহিত্য, আগের চেয়ে অনেক জোরে, অনেক প্রত্যয়ের সঙ্গে, ভঙ্গিতে অনেক বৈচিত্র্য এনে বিশ্বসাহিত্যের ক্যানভাসে নতুন মাত্রা আনছে এই গোষ্ঠী।

http://www.dailykalerkantho.com/admin/news_images/483/image_483_143793.jpg


নির্বাসনের পথ খোঁজা

নির্বাসন দেখে নেয় সে কোন পথে যাবে
আর শব্দ-স্মৃতিরা তাকে ধরা দেয় না
সম্মুখ তার সম্মুখে নয়
পেছন নয় তো পেছন
ডানে আলোকিত সংকেত
বামে আর একটা
সে নিজেকে শুধোয় :
জীবনের শুরু কোথায়?
আমার প্রয়োজন এক নার্সিসাস
যাতে আমি হতে পারি আমারই নিজের ইমেজের প্রভু!
আর সে বলে : 'স্বাধীন সে ব্যক্তি যে তার নির্বাসন বেছে নেয়
এ কারণে না হয় সে কারণে'
আমি স্বাধীন তাই
হাঁটব, হাঁটতে হাঁটতেই পথ দেখা দেবে।


নির্বাসন ছাড়া আমার কি কোনো পরিচয় আছে

নদীর মতই অচেনা, নদীতীরে অচেনা এক মানুষ।
তোমার নামের সঙ্গে আমাকে একাত্ম করে দেয় জল। কোনো কিছুই
আর পারে না আমাকে ফিরিয়ে নিতে এই দূর বিভুঁই থেকে
আমার প্রিয় তালগাছটির কাছে : না শান্তি, না যুদ্ধ।
কোনো কিছুই আর পারে না আমাকে ফিরিয়ে নিতে আচরিত নীতির কাছে; না, কোনো কিছুই না।
ইউফ্রেতিস আর নীল নদের মধ্যবর্তী তীরভূমিতে আর কোনো আলো-শিখা জ্বলে ওঠে না।
ফেরাউনের অহংবোধ থেকে কোনো কিছুই আর পারে না আমাকে নামিয়ে আনতে।
আর কোনো আদর্শে তাড়িত হই না আমি; আমি কোনো আদর্শের ধারকবাহকও নই আর :
না কোনো বাসনা, না কোনো প্রতিজ্ঞা। আমার করণীয় কী?
নির্বাসন ছাড়া আর জলের পানে তাকিয়ে থাকা এই দীর্ঘ রজনী ছাড়া
আমি আর কী-ই বা করতে পারি?

জল
আমাকে একাত্ম করে দেয়
তোমার নামের সঙ্গে।
আমার স্বপ্নের প্রজাপতিগুলোর কাছ থেকে কোনো কিছুই আর পারে না
আমাকে ফিরিয়ে নিতে আমার বাস্তবতার কাছে : না ধূলিকণা, না অগি্ন।
আমি আর কী করতে পারি সমরখন্দের গোলাপবিহীন?
যে নাট্যশালার সৌর-শিলায় গায়কদের চটক বাড়ে, সেখানে
আমার করণীয় আর আছেটা কী? দূর বায়ুভূমে আমাদের ঘরগুলোর
মত আমাদের শরীরের ওজনও এসেছে হালকা হয়ে।
মেঘের ভেতরে অদ্ভুত আদলের জীবদের দুই বন্ধুতে পরিণত হয়েছি আমরা।
পরিচয়ের মাতৃভূমির মাধ্যাকর্ষণ থেকে আমরা হয়ে গেছি বিচ্যুত। আমাদের আর
করণীয় আছেটা কী? নির্বাসন ছাড়া আর জলের পানে তাকিয়ে থাকা
এই দীর্ঘ রজনী ছাড়া আমাদের আর করণীয় আছেই বা কী?

জল
আমাকে একাত্ম করে দেয় তোমার নামের সঙ্গে।
আমার আর কিছুই নেই শুধু তুমি ছাড়া; তোমারও আর কিছু নেই শুধু আমি ছাড়া।
একজন অচেনা মানুষ আরেক অচেনাজনের ঊরু সংবাহন করে;
হে অচেনা, দুই পুরানের মাঝে পড়ে থাকা স্বল্প ঘুম আর প্রশান্ত প্রহরের যেটুকু আছে বাকি
তাতে আমাদের করণীয় আছে আর কী?
কোনো কিছুতেই আর টানে না : না রাস্তা, না ঘর।
শুরু থেকে এই রাস্তা কি এ রকমই ছিল;
নাকি আমাদের স্বপ্নেরা পাহাড়ের ওপর মঙ্গলদের ঘোড়ার দলে
পেয়ে গেছে একটি ঘোটকী_আর বিনিময় করেছে ঘোটকীর সঙ্গে আমাদেরকে?
তাহলে আমাদের আর করণীয় আছে কি কিছু?
নির্বাসন ছাড়া আর কী
করব আমরা?

(সাংবাদিক, কবি, নির্বাসনের ব্যাখ্যাকারী এবং ফিলিস্তিনিদের আশার প্রতীক মাহমুদ দারবিশ জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪২ সালে। তাঁর কবিতার বিষয়বস্তু হিসেবে বারবার উঠে এসেছে জন্মভূমির ভাগ্য। সহজ-সরল ভাষা এবং বিশেষ কিছু চিত্রকল্প দারবিশের কবিতদাকে দিয়েছে স্বাতন্ত্র্য। ইসলাইল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে বিরাজিত দ্বন্দ্বকে তিনি বর্ণনা করেছেন 'দুটো স্মৃতিসত্তার মধ্যকার বিরোধ' বলে। তাঁর অনেক কবিতায় সুরারোপ করার পর শ্রোতাদের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়েছে। কারণ তাঁর গান জন্মভূমির প্রতি টান এবং মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা আর বিরহের প্রকাশ ঘটিয়েছে লক্ষ প্রাণে।
আসাফির বিলা আজনিহা, আওরাক আল জায়তুন, আখির আল-লায়াল, আশিক মিন ফিলাস্তিন, আথার আল ফারাশাসহ আরো কাব্যগন্থের রচয়িতা মাহমুদ দারবিশ। আফ্রো-এশীয় লেখক সমিতির লোটাস পুরস্কারসহ আরো অনেক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন মাহমুদ দারবিশ ।
২০০৮ সালের ৯ আগস্টে ওপেন হার্ট সার্জারি-পরবর্তী চিকিৎসাধীন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের হিউসটনের মেমোরিয়াল হারমান হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন মাহমুদ দারবিশ।)

৫১৭

(২ replies, posted in ৫০ তম ব্যাচ)

সব -ই বুঝলাম , কিন্তু ইংরেজি তে কেন ?  thinking

http://media.somewhereinblog.net/images/hellboytonmoy7031_1302093267_1-Indian-Premier-League-IPL-4-Schedule.jpg

ডাউনলোড

http://i.imgur.com/C9i8U.png


অনেকে ব্রাওজার হিসেবে ওপেরা ইউজ করে ।তবে সেটা Firefox , IE ও Google chrome এর চেয়ে অনেক কম। বিশেষ করে বাংলাদেশে। কারন হিসেবে এর বাংলা সাপরট করে না । তবে এর Customized Opera ব্যবহার করে দেখুন সব কিছুই বাংলাতে।

http://screenshots.en.softonic.com/en/scrn/79000/79124/3_k1.jpg


কম্পিউটারের বিভিন্ন তথ্যের নিরাপত্তায় অনেকেই কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় কি-বোর্ড ও মাউস লক ব্যবহার করেন। আপনার মাউস ও কি-বোর্ড লক করার জন্য জনপ্রিয় সফটওয়্যার Kid-key-lock। http://kid-key-lock.en.softonic.com/ থেকে বিনা মূল্যে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে।

এবার বাবুদের কি -প্যাডে ক্লিকান বন্ধ ।হে হেহ......।।  thumbs up

অনেক সময় কাজের প্রয়োজনে আমাদের পিডিএফ ফাইল সম্পাদনা করার প্রয়োজন হয়ে থাকে। পিডিএফ ফরমেটে তৈরি ফাইলগুলো সম্পাদনা করার জন্য জনপ্রিয় একটি সফটওয়্যার হচ্ছে 'রেসট্রিকশন রিমুভার'। এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে সহজেই পিডিএফ ফাইল সম্পাদনা করা সম্ভব। সফটওয়্যারটি http://goo.gl/ZLGwe ঠিকানা থেকে বিনামুল্যে ও কিজেন সহ ডাউনলোড করা যাবে। পিডিএফ পাসোয়ারড রেমভার-ও দিলাম । Pass- shamim

জানালাতে ডাউনলোডের সময় এন্টি-ভাইরাস disable রাখতে হবে।

যাক ভাল লাগল।

দেড় দিন পর ফোরামে এলাম । নতুন চমক । ১৭২কিঃবাঃ এর এই টুল্বার ভালই লাগল।  rock on!  thumbs up

টুল্বারের ডান দিকের । Gmail, facebook এর বাটনে ক্লিক করলে কাজ করছে না।  thinking  ইয়াহু কোথাই?  search ইঞ্জিন টা একেবারে ডান দিকে দিলে ভাল হবে। আর ক্যাডেট কলেজ বাটন কি খুব প্রয়জন ?  thinking সবসশেষে টেক্টিউন্স কে ADD করা যাই কিনা!
তৌফিক কে অনেক ধনেপাতা  good luck সাথে ফেসবুক লাগানর জইন্নে ।

IMDB TOP 250 Movies

RANK RATING MOVIE NAME
1. 9.1 The Shawshank Redemption (1994)
2. 9.1 The Godfather (1972)
3. 9.0 The Godfather: Part II (1974)
4. 8.9 Il buono, il brutto, il cattivo. (1966)
5. 8.9 Pulp Fiction (1994)
6. 8.9 Schindler's List (1993)
7. 8.8 12 Angry Men (1957)
8. 8.8 One Flew Over the Cuckoo's Nest (1975)
9. 8.8 The Dark Knight (2008)
10. 8.8 Star Wars: Episode V - The Empire Strikes Back (1980)
11. 8.8 Casablanca (1942)
12. 8.8 Star Wars (1977)
13. 8.8 The Lord of the Rings: The Return of the King (2003)
14. 8.8 Shichinin no samurai (1954)
15. 8.7 Goodfellas (1990)
16. 8.7 Rear Window (1954)
17. 8.7 Cidade de Deus (2002)
18. 8.7 Raiders of the Lost Ark (1981)
19. 8.7 Fight Club (1999)
20. 8.7 The Lord of the Rings: The Fellowship of the Ring (2001)
21. 8.7 C'era una volta il West (1968)
22. 8.7 The Usual Suspects (1995)
23. 8.7 Psycho (1960)
24. 8.6 The Silence of the Lambs (1991)
25. 8.6 Sunset Blvd. (1950)
26. 8.6 The Matrix (1999)
27. 8.6 Memento (2000)
28. 8.6 Dr. Strangelove or: How I Learned to Stop Worrying and Love the Bomb (1964)
29. 8.6 North by Northwest (1959)
30. 8.6 It's a Wonderful Life (1946)
31. 8.6 Se7en (1995)
32. 8.6 The Lord of the Rings: The Two Towers (2002)
33. 8.6 Citizen Kane (1941)
34. 8.6 Léon (1994)
35. 8.6 Apocalypse Now (1979)
36. 8.6 American Beauty (1999)
37. 8.5 Taxi Driver (1976)
38. 8.5 American History X (1998)
39. 8.5 Up (2009)
40. 8.5 Vertigo (1958)
41. 8.5 Forrest Gump (1994)
42. 8.5 Lawrence of Arabia (1962)
43. 8.5 Inglourious Basterds (2009)
44. 8.5 WALL·E (2008)
45. 8.5 Paths of Glory (1957)
46. 8.5 Double Indemnity (1944)
47. 8.5 Le fabuleux destin d'Amélie Poulain (2001)
48. 8.5 M (1931)
49. 8.5 Alien (1979)
50. 8.5 To Kill a Mockingbird (1962)
51. 8.5 The Treasure of the Sierra Madre (1948)
52. 8.5 Terminator 2: Judgment Day (1991)
53. 8.5 A Clockwork Orange (1971)
54. 8.5 Saving Private Ryan (1998)
55. 8.5 The Shining (1980)
56. 8.5 The Third Man (1949)
57. 8.5 The Departed (2006)
58. 8.5 Das Leben der Anderen (2006)
59. 8.5 The Pianist (2002)
60. 8.4 Chinatown (1974)
61. 8.4 City Lights (1931)
62. 8.4 Sen to Chihiro no kamikakushi (2001)
63. 8.4 Aliens (1986)
64. 8.4 Eternal Sunshine of the Spotless Mind (2004)
65. 8.4 District 9 (2009)
66. 8.4 L.A. Confidential (1997)
67. 8.4 Das Boot (1981)
68. 8.4 Requiem for a Dream (2000)
69. 8.4 The Bridge on the River Kwai (1957)
70. 8.4 Reservoir Dogs (1992)
71. 8.4 Monty Python and the Holy Grail (1975)
72. 8.4 El laberinto del fauno (2006)
73. 8.4 All About Eve (1950)
74. 8.4 Raging Bull (1980)
75. 8.4 Slumdog Millionaire (2008)
76. 8.4 The Maltese Falcon (1941)
77. 8.4 Rashômon (1950)
78. 8.4 Singin' in the Rain (1952)
79. 8.4 Modern Times (1936)
80. 8.4 Some Like It Hot (1959)
81. 8.3 Rebecca (1940)
82. 8.3 The Prestige (2006)
83. 8.3 Der Untergang (2004)
84. 8.3 Gran Torino (2008)
85. 8.3 The Apartment (1960)
86. 8.3 Nuovo cinema Paradiso (1988)
87. 8.3 Metropolis (1927)
88. 8.3 Amadeus (1984)
89. 8.3 The Elephant Man (1980)
90. 8.3 The Great Dictator (1940)
91. 8.3 2001: A Space Odyssey (1968)
92. 8.3 La vita è bella (1997)
93. 8.3 Once Upon a Time in America (1984)
94. 8.3 Ladri di biciclette (1948)
95. 8.3 Back to the Future (1985)
96. 8.3 Mr. Smith Goes to Washington (1939)
97. 8.3 Full Metal Jacket (1987)
98. 8.3 The Sting (1973)
99. 8.3 The Great Escape (1963)
100. 8.3 Braveheart (1995)
101. 8.3 Sin City (2005)
102. 8.3 Touch of Evil (1958)
103. 8.3 On the Waterfront (1954)
104. 8.3 Det sjunde inseglet (1957)
105. 8.3 The Green Mile (1999)
106. 8.3 Indiana Jones and the Last Crusade (1989)
107. 8.3 Batman Begins (2005)
108. 8.3 Jaws (1975)
109. 8.3 Hotel Rwanda (2004)
110. 8.3 Unforgiven (1992)
111. 8.3 Strangers on a Train (1951)
112. 8.3 Star Wars: Episode VI - Return of the Jedi (1983)
113. 8.3 No Country for Old Men (2007)
114. 8.3 Blade Runner (1982)
115. 8.3 Gladiator (2000)
116. 8.2 Star Trek (2009)
117. 8.2 Notorious (1946)
118. 8.2 Die Hard (1988)
119. 8.2 Oldboy (2003)
120. 8.2 The Manchurian Candidate (1962)
121. 8.2 The Wrestler (2008)
122. 8.2 High Noon (1952)
123. 8.2 Per qualche dollaro in più (1965)
124. 8.2 The Big Sleep (1946)
125. 8.2 The General (1926)
126. 8.2 Cool Hand Luke (1967)
127. 8.2 Fargo (1996)
128. 8.2 Witness for the Prosecution (1957)
129. 8.2 The Wizard of Oz (1939)
130. 8.2 Mononoke-hime (1997)
131. 8.2 Smultronstället (1957)
132. 8.2 It Happened One Night (1934)
133. 8.2 Heat (1995)
134. 8.2 Donnie Darko (2001)
135. 8.2 There Will Be Blood (2007)
136. 8.2 Kind Hearts and Coronets (1949)
137. 8.2 Annie Hall (1977)
138. 8.2 Yojimbo (1961)
139. 8.2 Ran (1985)
140. 8.2 Les diaboliques (1955)
141. 8.2 The Deer Hunter (1978)
142. 8.2 Ben-Hur (1959)
143. 8.2 The Sixth Sense (1999)
144. 8.2 Judgment at Nuremberg (1961)
145. 8.2 Platoon (1986)
146. 8.2 Kill Bill: Vol. 1 (2003)
147. 8.2 Into the Wild (2007)
148. 8.2 Le salaire de la peur (1953)
149. 8.2 Le notti di Cabiria (1957)
150. 8.2 Million Dollar Baby (2004)
151. 8.2 The Grapes of Wrath (1940)
152. 8.2 Butch Cassidy and the Sundance Kid (1969)
153. 8.1 The Bourne Ultimatum (2007)
154. 8.1 8½ (1963)
155. 8.1 Life of Brian (1979)
156. 8.1 Snatch. (2000)
157. 8.1 The Gold Rush (1925)
158. 8.1 The Big Lebowski (1998)
159. 8.1 Sherlock Jr. (1924)
160. 8.1 The Night of the Hunter (1955)
161. 8.1 The Graduate (1967)
162. 8.1 Stand by Me (1986)
163. 8.1 Finding Nemo (2003)
164. 8.1 Sunrise: A Song of Two Humans (1927)
165. 8.1 Gandhi (1982)
166. 8.1 The Lion King (1994)
167. 8.1 Brief Encounter (1945)
168. 8.1 The Killing (1956)
169. 8.1 Gone with the Wind (1939)
170. 8.1 Ratatouille (2007)
171. 8.1 Dog Day Afternoon (1975)
172. 8.1 Amores perros (2000)
173. 8.1 Trainspotting (1996)
174. 8.1 Scarface (1983)
175. 8.1 The Kid (1921)
176. 8.1 The Thing (1982)
177. 8.1 Groundhog Day (1993)
178. 8.1 The Terminator (1984)
179. 8.1 The Best Years of Our Lives (1946)
180. 8.1 Sleuth (1972)
181. 8.1 Harvey (1950)
182. 8.1 Toy Story (1995)
183. 8.1 The Wild Bunch (1969)
184. 8.1 The Hustler (1961)
185. 8.1 V for Vendetta (2005)
186. 8.1 (500) Days of Summer (2009)
187. 8.1 Umberto D. (1952)
188. 8.1 Shadow of a Doubt (1943)
189. 8.1 The Princess Bride (1987)
190. 8.1 Twelve Monkeys (1995)
191. 8.1 The Incredibles (2004)
192. 8.1 Lock, Stock and Two Smoking Barrels (1998)
193. 8.1 Stalag 17 (1953)
194. 8.1 Casino (1995)
195. 8.1 Hotaru no haka (1988)
196. 8.1 Children of Men (2006)
197. 8.0 Dial M for Murder (1954)
198. 8.0 The Lady Vanishes (1938)
199. 8.0 Duck Soup (1933)
200. 8.0 Anatomy of a Murder (1959)
201. 8.0 The African Queen (1951)
202. 8.0 La battaglia di Algeri (1966)
203. 8.0 In Bruges (2008)
204. 8.0 A Streetcar Named Desire (1951)
205. 8.0 La strada (1954)
206. 8.0 Who's Afraid of Virginia Woolf? (1966)
207. 8.0 King Kong (1933) 34,183
208. 8.0 The Adventures of Robin Hood (1938)
209. 8.0 The Ox-Bow Incident (1943)
210. 8.0 Safety Last! (1923)
211. 8.0 The Lost Weekend (1945)
212. 8.0 The Exorcist (1973)
213. 8.0 His Girl Friday (1940)
214. 8.0 Letters from Iwo Jima (2006)
215. 8.0 The Curious Case of Benjamin Button (2008)
216. 8.0 Rope (1948)
217. 8.0 The Conversation (1974)
218. 8.0 Ed Wood (1994)
219. 8.0 Bonnie and Clyde (1967)
220. 8.0 Rosemary's Baby (1968)
221. 8.0 Le scaphandre et le papillon (2007)
222. 8.0 Låt den rätte komma in (2008)
223. 8.0 Manhattan (1979)
224. 8.0 Sweet Smell of Success (1957)
225. 8.0 Network (1976)
226. 8.0 All Quiet on the Western Front (1930)
227. 8.0 The Philadelphia Story (1940)
228. 8.0 Frankenstein (1931)
229. 8.0 Great Expectations (1946)
230. 8.0 Laura (1944)
231. 8.0 Changeling (2008)
232. 8.0 Patton (1970)
233. 8.0 Crash (2004/I)
234. 8.0 Arsenic and Old Lace (1944)
235. 8.0 Big Fish (2003)
236. 8.0 The Hangover (2009)
237. 8.0 Good Will Hunting (1997)
238. 8.0 Kill Bill: Vol. 2 (2004)
239. 8.0 Magnolia (1999)
240. 8.0 Rocky (1976)
241. 8.0 Mystic River (2003)
242. 8.0 Bringing Up Baby (1938)
243. 8.0 The Day the Earth Stood Still (1951)
244. 8.0 Roman Holiday (1953)
245. 8.0 My Man Godfrey (1936)
246. 8.0 Wo hu cang long (2000)
247. 8.0 The Red Shoes (1948)
248. 8.0 Harold and Maude (1971)
249. 8.0 Glory (1989)
250. 8.0 Little Miss Sunshine (2006)
251. 8.5 The Lives of Others (2006)

ডালো লিঙ্ক এক্ পেজ -এ আলাদা ভাবে।

আমার কাছে এই মুভির রেট ৯/১০