আজ আরেকটা পেলাম এটা ফ্রী - TSR Watermark Image Software  মাত্র ৪৭৩ কি: বা :

স্ক্রিন শট দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক মারুন-

http://www.freewarefiles.com/screenshot … amid=53222

বুধবার চ্যাম্পিয়নস লীগের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল বার্সেলোনা এবং রেয়াল মাদ্রিদ৷ ঝগড়া-মারামারিতে ভর্তি, তালগোল পাকানো খেলার শেষ ১৩-১৪ মিনিটে দু’বার ঝলসে ওঠেন বার্সা’র লিওনেল মেসি৷
http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/mkrobin_1303966627_2-card_alves.jpg

এজেন্সিগুলোর রিপোর্টে আবার সেই ‘ম্যাজেস্টিক মেসি', ‘ম্যাগনিফিসেন্ট মেসি'৷ খেলার ১৩ মিনিট বাকি থাকতে মেসির প্রথম গোলটা কাছ থেকে ভলি করে, কিন্তু দ্বিতীয় গোলটা স্বভাবসিদ্ধ বরফের ছুরি: রেয়ালের চার জন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে পেনাল্টি এরিয়ায় ঢুকে হিমশীতল ডান পায়ের ফিনিশ৷

গত ২০ এপ্রিল স্প্যানিশ কাপ ফাইনালের শেষে ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো হেড করে যে গোলটা করে রেয়ালকে জিতিয়ে দেয়, মেসির এই ‘ডাবল'-কে তার জবাব বলা চলতে পারে৷ ডবল জবাব! সেকেন্ড লেগে বার্সেলোনার ন্যু ক্যাম্পে গিয়ে রেয়ালকে অন্তত তিন গোলের ব্যবধানে জিততে হবে৷


ম্যাচে ছিল কার্ডের ছড়াছড়ি

বুধবারের খেলাটা তো শুধু রোনাল্ডো বনাম মেসি নয়, দুই কোচের স্ট্র্যাটেজির সংঘর্ষও বটে৷ হোসে মুরিনহো তাঁর ঐ ডিফেন্ড এ্যান্ড কাউন্টার নীতির জন্য আগেও গালি খেয়েছেন, বিশেষ করে রেয়াল ফ্যানদের কাছ থেকে৷ ওদিকে বার্সার গেম হল ছোট ছোট পাসের মসৃণ খেলা৷ সেই খেলায় বাগড়া দেওয়ার জন্য রেয়াল মাঠের ঘাস কাটেনি, মাঠে জল দেয়নি৷ খেলার আগেই তাই নিয়ে অনুযোগ করেছেন বার্সার কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা৷

কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি৷ বার্সা নিজের কাছে বল রেখেছে শতকরা ৭১ ভাগ৷ রেয়ালের পিছনে থেকে প্রতিরক্ষা, সুযোগ পেলে আক্রমণের নীতির বারোটা বাজে ৬১ মিনিটের মাথায় তাদের মিডফিল্ডার পেপে বার্সার ড্যানি আলভেস'কে ফাউল করে লাল কার্ড দেখার ফলে৷ রেয়াল কোচ মুরিনহো তা'তে খেপে ওঠায় তাঁকেও মাঠ ছাড়তে হয়৷ এর আগেই হাফটাইমে সুড়ঙ্গে খেলোয়াড়দের হাতাহাতি, লাল কার্ড দেখে বার্সার রিজার্ভ গোলকিপার৷ জার্মান রেফারি হলদে কার্ডও দেখিয়েছেন পাঁচবার৷

তবুও মেসি কিংবদন্তীতে আরো একটি অধ্যায় যুক্ত হল৷

খেলার হাইলাইট দেখুন

গত 25/04/11 তারিখে Advanced SystemCare 4 এর ফাইনাল ভার্সন এসেছে । ফ্রী তে এখান থেকে নিয়ে নিন।

বাজারে তরমুজ, শসা পাওয়া যাচ্ছে , এগুলো খাওয়া উচিত্ ?

উপল BD wrote:

আসুন আমরাও কুকুর ধরে তার লেজ কামড়াই আর বিনা খরচে নিজের দাতের যত্ন নিই।  tongue

শুরু কর তুমি আগে ।

চলো পাল্টায় ............।

কি বেপার এটা তো আড্ডা তে দেখেছি।

কি লাভ তাহলে ?   thinking Antivirus এর wholeseller দের লাভ থেকে গেল।   I don't know

http://1.bp.blogspot.com/_HtpbR-NERKA/TQDj7HHVxDI/AAAAAAAAADs/zD7gOyDnjLw/s1600/2010-12-09-11-52-09-060032000-jagoroner-gan.jpg

নির্যাতন, অসাম্য ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বাঙালির দীর্ঘ প্রতিবাদী ইতিহাসের শুরু থেকেই গণসঙ্গীত ও দেশাত্মবোধক গান প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আমাদের জাতীয় জীবনের সব আন্দোলন-সংগ্রামেদেশাত্মবোধক গান সব অপশক্তির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে লড়াইয়ে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনতে সহায়তা করেছে।

গত বছর প্রথমবারের মতো ৭১টি গণসঙ্গীত নিয়ে ‘জাগরণের গান’ নামের অ্যালবাম প্রকাশ করা হয়। সেটি দেশের সঙ্গীতানুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়। গণসঙ্গীতের প্রতি মানুষের এই বিপুল আগ্রহের কারণে দ্বিতীয় অ্যালবামটি প্রকাশ করা হলো। অ্যালবামটি ছয়টি ডিস্কে বিভক্ত করে ১০১টি গান যুক্ত করা হয়েছে।

এখানে ছয়টি ডিস্কের (mp3 -128kbps) আলাদা আলাদা ডাউনলোড লিঙ্ক দেয়া হল।

জাগরণের গান-২: ডিস্ক ০১

জাগরণের গান-২ : ডিস্ক ০২

জাগরণের গান-২ : ডিস্ক ০৩

জাগরণের গান-২ : ডিস্ক ০৪

জাগরণের গান-২ : ডিস্ক ০৫

জাগরণের গান-২ : ডিস্ক ০৬

ঢাকার চেয়ে লোকজন বেশি হয়েছে।

আমার টা ১.৩ জিবি

কুরআনে বর্ণিত আল্লাহর কিছু সৃষ্টি নিদর্শন

ভাষা: বাংলা
লেখক : আলী হাসান তৈয়ব
সম্পাদক : মো: আব্দুল কাদের
প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: কুরআনে বর্ণিত আল্লাহর কিছু সৃষ্টি নিদর্শন: এ নিবন্ধে পবিত্র কুরআনে বর্ণিত আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টির কিছু নিদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। এসব নিয়ে চিন্তা করা এবং এসবের দাবী মেনে প্রকৃত মুমিন হওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
                                                   ডাউনলোড

আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস

ভাষা: বাংলা
সংকলন : আবু যাকারিয়া আন-নাববী
সম্পাদক : আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া - আবু সালমান মুহাম্মাদ মুতিউল ইসলাম ইবন আলী আহমাদ
প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: আন্-নাওয়াবীর চল্লিশ হাদীস: একটি বিখ্যাত মূলভাষ্য, যাতে বিভিন্ন বিষয়ে সনদ ব্যতীত মোট বিয়াল্লিশটি হাদীস রয়েছে। এর প্রতিটি হাদীস-ই দ্বীনের এক-একটি ভিত্তি স্বরূপ। আখেরাত অনুরাগী প্রতেকের উচিৎ এ হাদীসগুলো জানা। কেননা, এগুলোতে রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি ও সকল সৎকাজের ইঙ্গিত।
                                                    ডাউনলোড

ইসলাম সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে প্রত্যাখ্যান করে

ভাষা: বাংলা
লেখক : আলী হাসান তৈয়ব
সম্পাদক : মো: আব্দুল কাদের
প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: যে ধর্মের নামেই রয়েছে শান্তির সুবাস, যে ধর্মের নবীকেই প্রেরণ করা হয়েছে জগতবাসীর জন্য শান্তি ও রহমত স্বরূপ, সে ধর্ম সম্পর্কে সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের অভিযোগ তোলা হয় একান্তই বিদ্বেষপ্রসূতভাবে। ইসলাম বিদ্বেষী ভাইদের অপ্রচারে যাতে সরলমনা মুসলিম ভাই-বোনেরা বিভ্রান্ত না হন, তাই পবিত্র কুরআনে এদু’টি শব্দ কতভাবে এসেছে তা আলোচনা করে এ ব্যাপারে ইসলামের অবস্থান তুলে ধরার প্রয়াস চেষ্টা করা হয়েছে এ নিবন্ধে ।
                                                      ডাউনলোড

কুরআনে বর্ণিত আল্লাহর কিছু সৃষ্টি নিদর্শন

ভাষা: বাংলা
লেখক : আলী হাসান তৈয়ব
সম্পাদক : মো: আব্দুল কাদের
প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: কুরআনে বর্ণিত আল্লাহর কিছু সৃষ্টি নিদর্শন: এ নিবন্ধে পবিত্র কুরআনে বর্ণিত আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টির কিছু নিদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। এসব নিয়ে চিন্তা করা এবং এসবের দাবী মেনে প্রকৃত মুমিন হওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
                                                               ডাউনলোড

নারী: ইসলামের পূর্বে ও পরে

ভাষা: বাংলা
অনুবাদক : জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
সম্পাদক : আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: নারী: ইসলামের পূর্বে ও পরে, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ, যাতে একজন নারীকে ইসলাম কি কি সম্মান দিয়েছে এবং ইসলামের আগমনের পূর্বে নারীদের অবস্থা কি ছিল তা তুলে ধরা হয়েছে। যাতে একজন পাঠক বুঝতে পারবে যে, নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামের ভূমিকা কি?
                                                              ডাউনলোড

মুসলিম বালকের হাতে খ্রিস্টান প্রশিক্ষকের ইসলাম গ্রহণ

ভাষা: বাংলা
অনুবাদক : আলী হাসান তৈয়ব
সম্পাদক : মো: আব্দুল কাদের
প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: মুসলিম বালকের হাতে খ্রিস্টান প্রশিক্ষকের ইসলাম গ্রহণ: এ গল্পে একটি মুসলিম বালকের হাতে তার খ্রিস্টান প্রশিক্ষকের ইসলাম গ্রহণের ঘটনা বিবৃত হয়েছে। স্বয়ং সেই প্রশিক্ষকের ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে তার ইসলাম কবুলের গল্প।
                                                      ডাউনলোড 

ইসলামে নারীর অধিকার

ভাষা: বাংলা
লেখক : আলী হাসান তৈয়ব
সম্পাদক : মো: আব্দুল কাদের
প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: ইসলামে নারীর অধিকার: বক্ষমাণ নিবন্ধটিতে ইসলামে নারীর অধিকারসমূহ বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি কুরআন-হাদীসে দেয়া নারীর অধিকারগুলোকে পশ্চিমা নীতির সঙ্গে তুলনা করেও দেখানো হয়েছে।
                                                       ডাউনলোড

সংগ্রহ

http://kalerkantho.com/admin/news_images/498/image_498_147669.jpg

অমরত্ব

আমার বাবার ফুফুর নাম সাফিয়া বিবি। তিনি অমরত্বের কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। তাঁর স্বামী, পুত্র-কন্যারা মরে গেল, নাতি মরে গেল, তিনি আর মরেন না। চোখে দেখেন না, নড়তে-চড়তে পারেন না। দিন-রাত বিছানায় শুয়ে থাকার কারণে পিঠে বেড সোর [শয্যাকণ্টক] হয়ে গেল। পচা মাংসের গন্ধে কাছে যাওয়া যায় না। রাতে তাঁর ঘরের চারপাশে শিয়াল ঘুরঘুর করে। পচা মাংসের গন্ধে একদিন তাঁর ঘরের টিনের চালে দুটি শকুন এসে বসল। টিন বাজিয়ে, ঢিল ছুড়ে শকুন তাড়ানো হলো। সেই তাড়ানোও সাময়িক, এরা প্রায়ই আসে। কখনো একা, কখনো দলেবলে।
গ্রামের প্রচলিত বিশ্বাস, তওবা পড়ানো হলে রোগীর মৃত্যু ত্বরান্বিত হয়। তওবা পড়ানোর জন্যে মুন্সি আনা হলো। সাফিয়া বিবি বললেন, 'না গো! আমি তওবার মধ্যে নাই। তওবা করতে হইলে অজু করা লাগবে। শইল্যে পানিই ছোঁয়াইতে পারি না, অজু ক্যামনে করব?'
সাফিয়া বিবির মনে হয়তো ভয় ঢুকে গিয়েছিল, তওবা মানেই মৃত্যু। তিনি মৃত্যু চান না, তবে রাত গভীর হলেই আজরাইলকে ডাকাডাকি করেন। এই ডাকাডাকি মধ্যরাতে শুরু হয়, শেষ হয় ফজর ওয়াক্তে। কারণ তখন তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। সাফিয়া বিবির আজরাইলকে ডাকার নমুনা_
'ও আজরাইল! তুই কি অন্ধ হইছস? তুই আমায় দেখস না। সবের জান কবচ করস, আমারটা করস না কেন? আমি কী দোষ করছি?'
সাফিয়া বিবির বিলাপ চলতেই থাকে। আজরাইল তাঁর বিলাপে সায় দেয় না তবে এক রাতে দিল। গম্ভীর গলায় বলল, 'আমারে ডাকস কেন? কী সমস্যা?'
হতভম্ব সাফিয়া বিবি বললেন, 'আপনি কে?'
তুই যারে ডাকস আমি সে।
সাফিয়া বিবি বললেন, 'আসসালামু আলায়কুম।'
গম্ভীর গলায় উত্তর দিল, 'ওয়ালাইকুম আসসালাম!'
[পাঠকরা অবশ্যই বুঝতে পারছেন, দুষ্ট কোনো লোক আজরাইল সেজে সাফিয়া বিবির সঙ্গে মজা করছে। দুষ্টলোকের পরিচয়, তিনি আমার ছোট চাচা এরশাদুর রহমান আহমেদ। প্র্যাকটিক্যাল জোকের অসামান্য প্রতিভা নিয়ে আসা পৃথিবীর অতি অকর্মণ্যদের একজন। তিনি নিশিরাতে মুখে চোঙা ফিট করে বুড়ির সঙ্গে কথা বলছেন।]
সাফিয়া বিবি! বলো কী জন্যে এত ডাকাডাকি?
এমনি ডাকি। আমি ভালো আছি। সুখে আছি। আপনি চলে যান। কষ্ট করে এসেছেন এই জন্যে আসসালাম।
মরতে চাও না?
কী বলেন? কেন মরব? অনেক কাইজ-কাম বাকি আছে।
সাফিয়া বিবি হলেন জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কবিতার দু'টি লাইন-
'গলিত স্থবির ব্যাঙ আরো দুই মুহূর্তের ভিক্ষা মাগে
অনুমেয় উষ্ণ অনুরাগে।'
বঙ্গদেশের হতদরিদ্র সাফিয়া বিবি দুই মুহূর্তের জন্য ভিক্ষা মাগছেন। এই ভিক্ষা তো অতি ক্ষমতাবান নৃপতিরাও মাগেন। বিশ্বজয়ী চেঙ্গিস খাঁ শেষ বয়সে সমরখন্দে এসেছেন। যদি সমরখন্দের আবহাওয়ায় তাঁর শরীর কিছুটা সারে। তিনি চিকিৎসকদের হুকুম দিয়েছেন অমরত্ব পানীয় (Elixir of Life) তৈরির, যে পানীয় তৈরি করতে পারবে সে বেঁচে থাকবে, অন্যদের জন্যে মৃত্যুদণ্ড।
চীনের মিং সম্রাট খবর পেলেন, জিন সেং নামের এক গাছের মূলে আছে যৌবন ধরে রাখার গোপন রস। তিনি ফরমান জারি করলেন, মিং সম্রাট ছাড়া এই গাছের মূল কেউ ব্যবহার করতে পারবে না। শুধুমাত্র রাজকীয় বাগানে এই গাছের চাষ হবে। অবৈধভাবে কাউকে যদি এই গাছ লাগাতে দেখা যায় বা গাছের মূল সেবন করতে দেখা যায়, তার জন্যে চরম শাস্তি। মৃত্যুদণ্ড।
পারস্য সম্রাট দারায়ুস খবর পেলেন, এক গুহার ভেতরে টিপটিপ করে পানির ফোঁটা পড়ে। সেই পানির ফোঁটায় আছে অমরত্ব। সঙ্গে সঙ্গে গুহার চারদিকে কঠিন পাহারা বসল। স্বর্ণভাণ্ডে সংগৃহীত হতে থাকল অমৃত। লাভ হলো না।
Elixir of life-এর সন্ধানে এগিয়ে এলেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা এটার সঙ্গে ওটা মেশান। আগুনে গরম করেন। ঝাঁকাঝাঁকি করেন। অমরত্ব ওষুধ তৈরি হয় না। সবই পণ্ডশ্রম তবে এই পণ্ডশ্রম জন্ম দিল 'আলকেমি'র রসায়নশাস্ত্রের।
অমরত্বের চেষ্টায় মানুষ কখনো থেমে থাকেনি। যে-কোনো মূল্যেই হোক মৃত্যু ঠেকিয়ে রাখতে হবে। তা সম্ভব হলো না। মানুষ ভরসা করল মৃত্যুর পরের অমরত্বের জন্যে। পৃথিবীর সব ধর্মগ্রন্থও (মহাযান, হীনযান ছাড়া) মৃত্যুর পর অমরত্বের কথা বলছে। স্বর্গ-নরকের কথা বলছে। এই পৃথিবীতে যে অমরত্বের সম্ভাবনা নেই, পরকালে তার অনুসন্ধান। বাদ সাধল বিজ্ঞান। বিজ্ঞান বলে, মানুষের ধ্বংস হয়ে যাওয়া শরীরের ইলেকট্রন, প্রোটনের অমরত্ব আছে। কিন্তু ইলেকট্রন, প্রোটন বা নিউট্রন মানুষের স্মৃতি বহন করবে না।
এই যখন অবস্থা তখন Frank J Tipler একটি বই লিখলেন। বইয়ের নাম Physics of Immortality. এই বইয়ে লেখক দেখালেন পদার্থবিদ্যার সূত্র ব্যবহার করে মৃত্যুর পর মানুষের পুনরুত্থান এবং ঈশ্বরের অস্তিত্ব ব্যাখ্যা করা যায়। বইটি সম্পর্কে New York Times বলছে, A thrilling ride to the for edges of modern physics, সায়েন্স পত্রিকা বলছে Tipler একটি মাস্টারপিস লিখেছেন। আমরা যা বিশ্বাস করতে চাই, পদার্থবিদ্যা দিয়ে তা-ই বলছেন।
লেখকের পরিচয় তিনি Tulane বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর অব ম্যাথমেটিক্যাল ফিজিক্স।
সমকালীন পদার্থবিদরা স্বীকার করেছেন যে Tipler-এর বইতে পদার্থবিদ্যার কোনো সূত্রের ভুল ব্যবহার নেই। তবে...। আমি তবের ব্যাখ্যায় গেলাম না। বইটিতে ওমেগা পয়েন্টের কথা বলা হয়েছে, যেখানে ঈশ্বরের উপস্থিতি। আমি নিজে 'ওমেগা পয়েন্ট' নাম দিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লিখছি। ওমেগা পয়েন্টে আমি যা বলতে চেয়েছিলাম তা বলতে পারিনি।
কল্পনা করা যাক আমগাছের মগডালে একটি পাকা আম। বানর আমটি পাড়তে পারছে না কারণ ডাল অত্যন্ত সরু। ডাল ভেঙে পড়ে সে আহত হবে। বানরের হাতে তখন যদি একটি লাঠি দেওয়া হয়, সে লাঠি দিয়ে আম পাড়ার চেষ্টা করবে। তিনবার চেষ্টা চালিয়ে চতুর্থবার সে ডাল ফেলে চলে যাবে। মানুষ সেটা করবে না। আম না পাড়া পর্যন্ত সে লাঠি দিয়ে চেষ্টা করেই যাবে। লাঠির সঙ্গে আরেক লাঠি যুক্ত করবে। মানুষ রণে ভঙ্গ দেবে না।
অমরত্বের সন্ধানে মানুষ কখনোই রণে ভঙ্গ দেয়নি। তাদের প্রধান চেষ্টা ছিল মৃত্যুর রহস্য ভেদ করা। শুরুতে ভাবা হয়েছে, একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে শারীরিক মৃত্যুঘড়ি বেজে ওঠে; তখন মৃত্যু প্রক্রিয়া শুরু হয়। জরা আমাদের গ্রাস করতে থাকে।
এখন বলা হচ্ছে, মৃত্যুঘণ্টা বা মৃত্যুঘড়ি বলে কিছু নেই। মানবদেহ অতি আদর্শ এক যন্ত্র। যন্ত্রের দিকে খেয়াল রাখলেই জরা আমাদের গ্রাস করবে না। বায়োলজিস্টরা এখন বলছেন, জরার মূল কারণ টেলোমারস (Telomeres) কণিকাগুচ্ছ। এরা DNA-র অংশ, থাকে ক্রমোজমের শেষ প্রান্তে। যখনই কোনো জৈব কোষ ভাঙে, টেলোমার কণিকাগুচ্ছ দৈর্ঘ্যে ছোট হতে থাকে। যখন জৈব কোষের আর কোনো টেলোমার থাকে না তখনই শুরু হয় জরা। আমরা ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগোতে থাকি।
বায়োলজিস্টরা পরীক্ষা শুরু করলেন জরাগ্রস্ত ইঁদুর নিয়ে। তাদের দেওয়া হলো টেলমোরজ (Telomerase) এনজাইম। দেখা গেল, তাদের জরা প্রক্রিয়াই শুধু যে বন্ধ হলো তা না, তারা ফিরতে লাগল যৌবনের দিকে।
এই পরীক্ষা মানুষের ওপর করার সময় এসে গেছে। যে-কোনো দিন পত্রিকা খুলে জরা বন্ধ করার খবর পড়া যাবে। গৌতম বুদ্ধ এ সময় থাকলে আনন্দ পেতেন। তিনি জরা এবং মৃত্যু নিয়ে অস্থির ছিলেন। নির্বাণে মানুষ জরা এবং মৃত্যু মুক্ত হবে এটা তাঁর শিক্ষা।
তারপর একি! সত্যি কি মৃত্যুকে ঠেকানো যাচ্ছে? আমার হাতে টাইম পত্রিকার একটি সংখ্যা (ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১১) প্রচ্ছদ কাহিনী ২০৪৫, The year man Becomes Immortal. প্রচ্ছদ কাহিনী পড়ে জানলাম, ২০৪৫ সালে মানুষ অমর হয়ে যাচ্ছে। মানুষের হাতে আসছে নতুন নতুন টেকনোলজি। টেকনোলজির বৃদ্ধি ঘটছে এক্সপোনেনশিয়েলি। ২০৪৫-এর কাছাকাছি মানুষ Singularity-তে পৌঁছাবে। সিঙ্গুলারিটি শব্দটি এসেছে Astro Physics থেকে। এর অর্থ এমন এক বিন্দু, যেখানে পদার্থবিদ্যার সাধারণ সূত্র কাজ করবে না। এর মানেই অমরত্ব। ইচ্ছামৃত্যু ছাড়া মৃত্যু নেই। ছোট্ট দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। ২০৪৫ সাল পর্যন্ত আমি এমনিতেই টিকছি না। অমরত্ব পাওয়া এই জীবনে আর হলো না। পৃথিবীতে ফিনিক ফোটা জোছনা আসবে। শ্রাবণ মাসে টিনের চালে বৃষ্টির সেতার বাজবে। সেই অপূর্ব অলৌকিক সংগীত শোনার জন্যে আমি থাকব না। কোনো মানে হয়?

চলবে......

সুত্রঃ কালের কন্ঠ

ব্যান্ড উইথ এর দাম কমেছে।

পুরান হয়ে গেছে।

দারুন তো,  supplementary exam এর ডেট আগেই দেয়া !!!

কপাল যারে কই গোপাল !!!!

ইশ, রাজশাহি তে থাকলে চান্স এক্ষান নিতাম।

DU Meter এর বিকল্প software  হচ্ছে NetMeter , NetWorx , NetSpeedMonitor  এগুলো ফ্রী । আর OPEN Source হচ্ছে BitMeter OS , এটা উইন্ডোজ ছাড়া Mac ও  Linux এ চালানো যায়।

এটা ইউজে এক টু সতর্ক তা আছে।
Deep care  এর মদ্ধ্যে vulnarability fix এর টিক উঠিয়ে রাখতে হবে।

http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/nirzonalo/64531/advanced-Systemcare-Pro-22.jpg

sawontheboss4 wrote:

কাজ করেছে! নতুন বেটা 3 আসছে!
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20110419-zeyd-3kb.jpg



1-Advanced System Care 4.0Beta3 

License Code: EABC-EABC-F0FF-E950
ASC 4B3

License Key:

48F0-48F0-F0FF-0CD7

============================

2-Game booster 2.0

License Code icon biggrin আসুন ফ্রি দেখে নেই Advanced System Care 4.0Beta3 নতুন এই ভার্সনে। | Techtunes 4B5F-29CDA-EF33C-56060

শুধু birth day notification পেলে হবে না , shame on you  shame on you  সঠিক সময়ে Wish না করতে পারলে লাভ নেই। at wits' end  hurry up!  আর সঠিক সময়ে wish করতে লাগবে বন্ধু কে ''বূমেড়্যাঙ''  rose  মারতে হবে ।  winking  winking

এবার Thanku.

১। ওই ভারসিটির মেন পেজে লিখা--
Hajee Mohammad Danesh Science & Technology University is the first Science and Technology University in the northern region of Bangladesh. It stands away from the urban din and bustle at a beautiful and scenic location some 13km north of Dinajpur town by the side of the intercity highway that links Dinajpur to Dhaka, the capital of Bangladesh.
২। গুগল ম্যাপ দেখুন-
http://i.imgur.com/atxNB.png 

আমি রিং ভাই কে বলব হেডলাইন বদলান হোক।

তাহলে দেখা যাবে দিনাজপুরের মানুষ বুঝবে রংপুরে হচ্ছে। আর রংপুরের মানুষ কি বুঝবে জানিনা।

http://i.imgur.com/EJpmj.png

সৈয়দ মুজতবা আলী (সেপ্টেম্বর ১৩, ১৯০৪ - ফেব্রুয়ারি ১১ , ১৯৭৪) একজন বাঙালি সাহিত্যিক। তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম রম্যরচয়িতা।

জন্ম
সৈয়দ মুজতবা আলী জন্মগ্রহণ করেন ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সিলেটের করিমগঞ্জে। তাঁর পিতা সৈয়দ সিকান্দার আলী। তাঁর পৈতৃক ভিটা হবিগঞ্জে।

শিক্ষাজীবন
পিতার বদলীর চাকরি হওয়ায় মুজতবা আলীর প্রাথমিক শিক্ষাজীবন কাটে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। ১৯২১ সালে তিনি শান্তিনিকেতনে ভর্তি হন। তিনি ছিলেন বিশ্বভারতীর প্রথম দিকের ছাত্র। এখানে তিনি সংস্কৃত, ইংরেজি, আরবী, ফার্সি, হিন্দী, গুজরাটি, ফ্রেঞ্চ, জার্মান ও ইটালিয়ান ভাষাশিক্ষা লাভ করেন। ১৯২৬ সালে এখান থেকে বি.এ. ডিগ্রী অর্জন করেন। এরপর তিনি আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। দর্শনশাস্ত্র পড়ার জন্য বৃত্তি নিয়ে জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বে গবেষণার জন্য তিনি ডি.ফিল লাভ করেন ১৯৩২ সালে। ১৯৩৪-১৯৩৫ সালে তিনি মিশরে কায়রোর আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।

কর্মজীবন
আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শেষ করে ১৯২৭ থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত মুজতবা আলী কাবুলের একটি কলেজে অধ্যাপনা করেন। সেখানে তিনি ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ ভাষার শিক্ষক ছিলেন। ১৯৩৫ সালে বরোদার মহারাজার আমন্ত্রণে তিনি বরোদা কলেজে তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এখানে তিনি আট বছর কাটান। এরপর দিল্লীর শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানের বগুড়ার আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের খন্ডকালীন প্রভাষকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পঞ্চাশের দশকে কিছুদিন আকাশবাণীর স্টেশন ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন পাটনা, কটক, কলকাতা এবং দিল্লীতে। ১৯৬১ সালে তিনি শান্তিনিকেতনে ফিরে যান। বিশ্বভারতীর ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের রিডার হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৫ সালে তিনি অবসরগ্রহণ করেন।

লেখালেখি
শান্তিনিকেতনে পড়ার সময় সেখানের বিশ্বভারতী নামের হস্তলিখিত ম্যাগাজিনে মুজতবা আলী লিখতেন। পরবর্তীতে তিনি ‘সত্যপীর’, ‘ওমর খৈয়াম’, ‘টেকচাঁদ’, ‘প্রিয়দর্শী’ প্রভৃতি ছদ্মনামে বিভিন্ন পত্রিকায়, যেমনঃ দেশ, আনন্দবাজার, বসুমতী, সত্যযুগ, মোহাম্মদী প্রভৃতিতে কলাম লিখেন। তাঁর বহু দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন ভ্রমনকাহিনী। এছাড়াও লিখেছেন ছোটগল্প, উপন্যাস, রম্যরচনা। বিবিধ ভাষা থেকে শ্লোক ও রূপকের যথার্থ ব্যবহার, হাস্যরস সৃষ্টিতে পারদর্শিতা এবং এর মধ্য দিয়ে গভীর জীবনবোধ ফুটিয়ে তোলার ক্ষমতা তাঁকে বাংলা সাহিত্যে এক বিশেষ মর্যাদার আসনে বসিয়েছে। তাঁর রচিত বইয়ের সংখ্যা ৩০।

গ্রন্থ

ভ্রমনকাহিনী
    দেশে বিদেশে (১৯৪৯)
    জলে ডাঙ্গায় (১৯৬০)

উপন্যাস
    অবিশ্বাস্য (১৯৫৪)
    শবনম (১৯৬০)
    শহরইয়ার (১৯৬৯)

ছোটগল্প
    চাচা কাহিনী (১৯৫২)
    টুনি মেম (১৯৬৪)

রম্যরচনা
    পঞ্চতন্ত্র (১৯৫২)
    ময়ূরকন্ঠী (১৯৫২)

এছাড়া
   রাজা উজির
   ধূপছায়া
   চাচা কাহিনী
   বেচে থাক সর্দি-কাশি
   পুনশ্চ
   পাদটীকা
   তীর্থহীনা
   কর্ণেল
   রাক্ষসী
   বিধবা বিবাহ
   ক্যাফে-দে-জেনি
   মা জননী
    বেল তুলে দু-দু'বার
   স্বয়ংবরা

  রস-গোল্লা (ইংরেজি)


মৃত্যু

১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সৈয়দ মুজতবা আলী মৃত্যুবরণ করেন।

সুত্রঃ উইকিপেডিয়া ও নিজের  সংগ্রহ