৪২৬

(৩৬ replies, posted in ই-বুক এলাকা)

এই টপিকে মেডিসিন, সার্জ়ারী সহ বিভিন্ন টপিকের পিডিএফ বই, জার্ণাল এর ডাউনলোড লিঙ্ক দেয়া হবে। পুরো টপিক ইংরেজি তে।

Bronchiectasis - Non Cystic Fibrosis - Guideline

AUTHOR :
        Britsih Thoracic Society

How has the guideline been designed?

    The guideline is divided into sections covering different aspects of the management of the condition. Guidance for children and adults is dove- tailed together throughout to avoid repetition while acknowledging differ- ences between these groups. Areas of particular or sole relevance to one or other of these groups are indicated. Sections 2 and 3 cover the back- ground, clinical assessment and investigation of patients (including appropriate radiological and laboratory investigations). The principles and broad approach to management are discussed in Section 4 including rec- ommendations for physiotherapy and non-antibiotic drug treatment. The use of antibiotics is covered in Section 5 and surgery and the manage- ment of advanced disease is covered in Section 6.

Definition

    This guideline refers to the investigation and management of patients with symptoms of persistent or recurrent bronchial sepsis related to irre- versibly damaged and dilated bronchi, namely, clinical bronchiectasis. It does not cover the management of cystic fibrosis (CF) and, for the pur- poses of the guideline, ‘bronchiectasis’ is synonymous with the term ‘non- CF bronchiectasis’. Likewise, it does not focus on traction bronchiectasis secondary to other lung pathologies, particularly the interstitial lung diseases, which is commonly asymptomatic.

What are the pathology and underlying causes?

    Bronchiectasis is a persistent or progressive condition characterised by dilated thick-walled bronchi. The symptoms vary from intermittent episodes of expectoration and infection localised to the region of the lung that is affected to persistent daily expectoration often of large volumes of purulent sputum. Bronchiectasis may be associated with other non-spe- cific respiratory symptoms including dyspnoea, chest pain and haemop- tysis, and may progress to respiratory failure and cor pulmonale.
    The underlying pathological process is damage to the airways which results from an event or series of events where inflammation is central to the process. This is easy to understand as part of the ‘vicious circle’ hypothesis which has been applied to bronchiectasis and has been the major factor influencing current disease management.
    The lung is continuously exposed to inhaled pathogens and (in many countries) environmental pollutants. The lung has a sophisticated primary and secondary defence system that maintains sterility of the normal lung. If this defence system is breached as in disorders of mucociliary clear- ance or specific antibody deficiencies, the lung becomes susceptible to infection, colonisation (the persistence of bacteria in the lower respira- tory tract) occurs and the subsequent inflammation that causes airway damage further impairing host defences. Thus, once established, the defective defences can lead to a self-perpetuating cycle of events that facilitate bacterial colonisation and airway sterility becomes unlikely.
    Primary defects in the lung defences are uncommon in patients investigated as adults, suggesting they are either subtle or do not influence the primary event. However, immunodeficiency may be more common when bronchiectasis presents in childhood.232 Episodes causing clear lung dam- age such as previous pneumonias, gastric aspiration or viral illnesses in childhood would represent such initiating events, although recent evidence suggests these may be less common. The damage to the airway by such episodes would particularly impair the normal mucociliary function and hence clearance of inhaled pathogens initiating the inflammatory cycle.
    However, despite many studies over the years using modern immuno- logical techniques, not only have few primary deficiencies of host defences been found but up to 40% of patients do not even have a clear defining event that appears to initiate the process.

What is the outlook for these patients?

    Most of the information on long term outcome is from historical data and suggests that antibiotic therapy has had an effect. For instance, in the 1940s most patients diagnosed with bronchiectasis died before the age of 40 years but, by the 1960s, the average age of death had risen to 55 years. Nevertheless, this still indicates a significant reduction in life expectancy in patients with bronchiectasis. More recent data suggest a better prognosis,373 although it is recognised that the general health of patients with bronchiectasis can be poor251 and certain subsets (particu- larly those colonised with Pseudomonas aeruginosa ) are particularly affected, with continued ill health and progressive deterioration.

                                                       Download
or
                                                      6ybh-upload

http://www.dailykalerkantho.com/admin/news_images/512/image_512_151276.jpg

জুকারবার্গের দুনিয়া

আমার এক শিশুশিল্পীর নাম রুদ্র। এখন সে শিশুশিল্পী থেকে বালক-শিল্পী হয়েছে। বয়স বেড়ে এগারো হয়েছে। একদিন সে আমাকে টেলিফোন করে বলল, 'স্যার আংকেল (শিশুশিল্পীরা অন্যদের মতো আমাকে স্যার ডাকে না। স্যার আংকেল ডাকে), আপনি কি ফেসবুকে আছেন?'
থতমত খেয়ে আমি কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললাম, না। তুমি কি আছ?
রুদ্র উৎসাহের সঙ্গে বলল, 'হ্যাঁ।' আপনি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালেই আপনাকে ফ্রেন্ড বানাব।
রুদ্রকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানো হয়নি। ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর প্রথম শর্ত ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট থাকা, তা আমার নেই। তবে সুখের ব্যাপার, আমার নামে সাতটি অ্যাকাউন্ট আছে। এই অ্যাকাউন্টগুলো আমার হয়ে সামাজিক সৌহার্দ্যবিষয়ক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সৌহার্দ্যবিষয়ক কর্মকাণ্ড হলো, মিথ্যা হুমায়ূন আহমেদ তরুণী মেয়েদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সাহিত্য আলোচনা করছেন। তাদের সঙ্গে নিয়ে বৃষ্টিস্নান এবং জ্যোৎস্নাস্নানের আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন।
এক তরুণী সেই হুমায়ূন আহমেদকে স্যার সম্বোধন করায় তিনি রাগ করে লিখলেন, 'আমার মনের বয়স বাড়েনি। আমি চিরতরুণ। তুমি আমাকে ভাইয়া ডাকবে, কেমন?'
ফেসবুকের নামে আমরা কি ধীরে ধীরে এক অলীক জগতের বাসিন্দা হয়ে যাচ্ছি না? মিথ্যাকেই সত্য ভাবছি। এক ধরনের ডিজিটাল রোগের শিকার হচ্ছি। রোগটির নাম ডিলিউসন।
জীবনীগ্রন্থ সাহিত্যের একটি ধারা। জীবনীগ্রন্থকে বলা হয়_'অতি উত্তমরূপে ধোলাইকৃত আত্মকাহিনী।' ফেসবুককে তাহলে কী বলা হবে? ভানের কথামালা?
অন্যদিন পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশক মাজহারের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তাঁর একটি ছবি আছে। ছবিতে মাথাভর্তি ঝাঁকড়া চুলের এক যুবা পুরুষ। চুলের স্তূপ দেখলে যেকোনো নাপিত উল্লসিত হবে। সমস্যা হচ্ছে, মাজহারের মাথায় এখন অল্প কয়েকগাছি চুল। আধা ঘণ্টার মধ্যে চুলগুলো গুনে ফেলা যাবে।
আমার পরিচিত একজনের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পড়ে জানলাম, সে অবিবাহিত। তার শখ দেশভ্রমণ। পৃথিবীর নানা দেশ সে ভ্রমণ করেছে। চমৎকার একটি গাড়িতে হেলান দিয়ে সে একটি ছবি আপলোড করেছে। নিচে লেখা_আমার নতুন গাড়ি। যার কথা বলা হচ্ছে সে দুই সন্তানের জনক। তার বিদেশভ্রমণ আগরতলা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। তার কোনো গাড়ি নেই।
এসব ফেসবুকের মূল উদ্দেশ্য কী? আমার কাছে পরিষ্কার না। স্বামী ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলবেন, স্ত্রী খুলবেন। দুজন দুজনের বন্ধু হবেন এবং ফেসবুকের মাধ্যমে গল্পগুজব করবেন?
আমরা শহরবাসী পাশের ফ্ল্যাটের মানুষজনকে চিনি না এবং তাদের চেনার বিন্দুমাত্র আগ্রহ বোধ করি না। আমাদের আগ্রহ ফেসবুকের বন্ধু সংগ্রহে। আজব অবস্থা না? নতুন নতুন বন্ধু হচ্ছে, বাতিল হয়ে যাচ্ছে, আবার হচ্ছে।
তরুণ ছেলেরা মেয়েদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চাইবে_ফ্রয়েড সাহেবের তাই অভিমত। বাস্তবে বান্ধবী খোঁজার চেয়ে ফেসবুকে বান্ধবী খোঁজা ভালো। বিপদের আশঙ্কা কম। মেয়েরা আবার অপরিচিত ছেলেদের বন্ধু তালিকায় আনার চেয়ে মেয়েদের এই তালিকায় আনতে আগ্রহী। এখন উপায়?
উপায় আছে। ছেলেরা মেয়ে সেজে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলবে। এতেও যদি কিছু হয়।
উদাহরণ দেই_মেহের আফরোজ শাওনের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আছে। একটি মেয়ে তার বন্ধু হওয়ার জন্য আবেদন করল, মেয়েটির চেহারা অপূর্ব সুন্দর। মায়াময় চোখ। মেয়েটিকে বন্ধু তালিকায় নেওয়ার পর শাওন আবিষ্কার করল ছবিটি এক বিখ্যাত তামিল অভিনেত্রীর। বলাই বাহুল্য, তামিল অভিনেত্রীর পেছনে লুকিয়ে আছে তরুণী সঙ্গলিপ্সু বিকারগ্রস্ত কোনো পুরুষ।
ওয়েবসাইট (ফেসবুকও ওয়েবসাইট) যে নোংরামি ছড়ানোর ডিজিটাল উপায়_তা এখন সবাই নিশ্চয়ই জেনে গেছেন। সেলিব্রেটিদের নোংরা ছবি ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বময়। সমকাল পত্রিকায় পড়লাম অ্যামেজিং ডটকম নামের ওয়েবসাইটের অ্যামেজিং আড্ডা বাংলাদেশের সেলিব্রেটির নোংরা ছবির আখড়া। যৌনকর্মকাণ্ড অতি নিজস্ব একটি ব্যাপার। যেহেতু এই পত্রিকায় নতুন প্রাণের সৃষ্টি হয় কাজেই প্রক্রিয়াটি পবিত্রও বটে। পবিত্র হলেও অবশ্যই গোপন। এমন একটি বিষয়ের ভিডিও কিভাবে হচ্ছে, কে জানে! তবে যেভাবে হচ্ছে, তাতে মনে হয় এক সময় নোংরা ভিডিও আপলোড করা একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়াবে। একজন আরেকজনকে বলবে, আমার নতুন একটা ভিডিও ক্লিপিং ওয়েবসাইটে এসেছে। দেখেছিস? না দেখলে আমার কাছে মাস্টার কপি আছে।
শাওনকে বললাম, ফেসবুকের ভালো বিষয় কোনটা বলে তোমার ধারণা?
সে বলল, ছোটবেলার বন্ধুদের আমি ফেসবুকে খুঁজে পাই। ওদের ছবি দেখি, ওদের ছেলেমেয়েদের ছবি দেখি। এত ভালো লাগে!
আমি বললাম, তোমার বন্ধুর তালিকায় কতজন আছে?
শাওন বলল, খুব কম।
খুব কম কত?
ছোটবেলার বন্ধু আর নতুন মিলিয়ে চার হাজার সাত শ।
আমি 'খাইছে রে' বলে আর্তচিৎকার করলাম।
শাওন বিরক্ত গলায় বলল, এমন করলে কেন? বন্ধুর সংখ্যা যত বেশি হবে তত ভালো। তুমি তোমার কোনো একটা চিন্তা বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারবে।
ভুল চিন্তা যদি হয়?
ভুল চিন্তা ছড়াবে। তবে ভুল চিন্তা ধরা পড়বে। বন্ধুরাই ধরিয়ে দেবে। শুদ্ধ চিন্তা প্রবাহিত হবে। ফেসবুকের মাধ্যমে অতি দ্রুত সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা যায়।
কথাটা আমাকে মানতে হলো। গত ইলেকশনের সময় ফেসবুকের কারণে রব উঠেছিল_'যুদ্ধাপরাধীদের ভোট দেবেন না।' ঘটনা সে রকম ঘটেছে। বর্তমান আরব বিশ্বের দিকে তাকালে ফেসবুকের ক্ষমতা টের পাওয়া যায়।
ফেসবুকের মতো নিরীহ একটি সফটওয়ারে অ্যাটম বোমা লুকিয়ে আছে। পৃথিবীর সব রাজনীতিবিদের সতর্ক হওযার সময় এসে গেছে।
ফেসবুকের জনক জুকারবার্গকে অভিনন্দন।

পাদটিকা
আমাকে নিয়ে একটি মজার ওয়েবসাইট আছে। নাম_হুমায়ূন আহমেদকে না বলুন (ঝধু হড় ঃড় ঐঁসধুঁহ অযসবফ). একদিন শাওন ওয়েবসাইট খুলে আমাকে দেখাল। আমি প্রভূত আনন্দ পেলাম। মনের আনন্দে সবাই আমাকে গালাগাল করে যাচ্ছে। ওয়েবসাইট দেখে জানলাম, আমার মৃত্যু বাংলাদেশের জন্য একটি শুভ ঘটনা বলে বিবেচিত হবে।
মৃত্যুতেও দেশের জন্য কিছু করতে পারব এটাও তো মন্দ না। কয়জনের সে সৌভাগ্য হয়?

                                                                                                           হুমায়ূন আহমেদ

সুত্রঃ কালের কণ্ঠ

এস এম এস পাঠানোর জন্য http://www.extremebd.com/freesms/  প্রবেশ করুন।
সাইন আপ করার কোন দরকার নেই।
আপনি যে নম্বরে এস এম এস পাঠাতে চান, সে নম্বর লিখুন।
এর পর আপনার এস এম এস লিখে সেন্ড করুন।

Deb Jyoty Roy wrote:

Imdb er top 250 movie er moddhe 190 collected.
Lagbe
1. American beauty
2.The X file
3.Silance of the lamb

@Deb jyoti Roy,
৩টাই আমার কাছে আছে। নিতে পারো ।
তোমার IMDB এর কালেকসন এর মধ্যে ভালো প্রিন্টের মুভিগুলো  আমি নিবো । দেয়া যাবে।

তুমি Digsby ব্যাবহার কর তাহলে। প্রতি মুহুর্তে আপডেট।

sawontheboss4 wrote:

অ্যানিমেশন দুটো দিয়েন, লাগবে!

অবশ্যই

নামাব
Surf's up (2007)   ডাউনলোড
Gnomeo & Juliet (2011)
Shakespear in love (1988)  ডাউনলোড
Training Day (2001) BRRip  - ডাউনলোড

আমি ফায়ারফক্স এর addons   ''FireStatus''  ব্যবহার করি। পুরাটাই আপডেট দেখাই।

http://i.imgur.com/Hn1Ig.png

লিঙ্ক টা ঠিক করতে পারছি না।

তাহলে তো ডাক্তার হয়ে বিভিন্ন রুগি দেখেই চিকিতসা দিতে Confused হয়ে যাবা , তখন কি অন্য বন্ধু কে ফোন করে জেনে নিবা!!??

তুমি যা দেখছ সেটা থেকে রোগ নির্ণয় কর ।

নিচের দেয়া ছবিতে দেখুন , রুগিটার Multiple Myeloma আছে। তার বগলের ছবি।


http://i.imgur.com/jPr49.png

এবার বলুন আপনার ডায়াগ্নসিস কি? যুক্তি সহ।
                   A. Acanthosis nigricans
                   B. Crusted scabies
                   C. Erysipelas
                   D. Malacoplakia
                   E. Psoriasis

এটা দেখুন :


এবার উত্তর দিন।

খাইছে রে !! এরকম চিকন মানুষ তো দেখিনি। খেতে পারে কিন্তু খাইনা ।
যাই হোক, এরকম রুগি ৩-৪ টা দেখেছি। তার মদ্ধে আমার এক কাজিন ছিল কিন্তু তার বিয়ের পর সব এখন থামাই কে। মেয়ে বলে কথা। চিরাচরিত নিয়ম।
এই রকম রুগির চিকিতসা হচ্ছে (আমার মনে হয়) বিয়ে দিয়ে দেয়া + Psychotherapy.

http://i.imgur.com/Rxg8n.png

১। Acute pancreatitis
২। Colonic volvulus
৩। Colonic carcinoma
৪। Mesenteric ischemia
৫। Pneumoperitoneum

এক্স-রে দেখে উত্তর দিন ?

Letters to juliet (2010)
The boy in Striped Pajamas 2008
Coraline (animation)
Thor TS(দেখেই delete করব)

নামাচ্ছি।

আরো দিলাম
http://i.imgur.com/00Xls.png

ক্রুগো

http://imgur.com/YEqtO

দানব
http://i.imgur.com/Gpc7m.png

একটি ম্রিত্যু দন্ড
http://i.imgur.com/lO76s.png

কাজলের দিন রাত্রি
http://i.imgur.com/TA78Z.png

নিতু ও তার বন্ধুরা
http://i.imgur.com/dmzNF.png

অবনীল

http://i.imgur.com/tJY9S.png

অন্ধকারের গ্রহ
http://i.imgur.com/WaGap.png

ফিনিক্স
http://i.imgur.com/pef4m.png

স্বপ্ন(ছোট গল্প)
http://i.imgur.com/CKAEV.png

ছয়টি মজার ঘটনা
http://i.imgur.com/7qKKI.png

সুহানের স্বপ্ন
http://i.imgur.com/2cznU.png

তিন্নি ও বন্যা
http://i.imgur.com/BXaN1.png

ত্রাতুলের জগত
http://i.imgur.com/f1nv6.png

টুকুঞ্জিল
http://i.imgur.com/RHM21.png

আইনস্টাইন ও ইন্দুবালা

বঙ্গদেশের রানাঘাটে আইনস্টাইন বক্তৃতা দিতে গিয়েছিলেন। বিষয়বস্তু 'On the unity and University of Forces.' দুর্ভাগ্যক্রমে সেদিন রানাঘাটে গিয়েছেন বাংলা সিনেমার নায়িকা, নৃত্যগীতে পটু, অসামান্য রূপবতী ইন্দুবালা দেবী। তিনি স্থানীয় বাণী সিনেমা হলে নৃত্য পরিবেশন করবেন। আইনস্টাইনের বক্তৃতার জায়গা মিউনিসিপ্যালটি হল। যা হওয়ার তা-ই হলো। বাণী সিনেমা হল দর্শকে পরিপূর্ণ। মিউনিসিপ্যালটি হলে আইনস্টাইন এবং গণিতের অধ্যাপক রায়বাহাদুর নীলাম্বর চট্টোপাধ্যায় ছাড়া কেউ নেই। হতাশ নীলাম্বর বাবু আইনস্টাইনকে বাণী সিনেমা হলে ইন্দুবালার নাচ দেখাতে নিয়ে গেলেন। পরদিন পত্রিকায় ছাপা হলো, 'বিখ্যাত জার্মান বৈজ্ঞানিক আইনস্টাইন গতকল্য দার্জিলিং যাওয়ার পথে রানাঘাট মিউনিসিপ্যাল হলে বক্তৃতা দিতে নামিয়াছিলেন। তাঁহাকেও সেদিন বাণী সিনেমা গৃহে ইন্দুবালার নৃত্যের সময় উপস্থিত থাকিতে দেখা গিয়াছিল।'
এমন ঘটনা বাস্তবে ঘটেনি। মহান কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি গল্পের সারাংশ বলা হলো। গল্পটি 'উপলখণ্ড' গল্প সংকলনে আছে। পৃথিবীর কোনো দেশের লেখকরাই বিজ্ঞানীদের বিষয়ে উৎসাহিত বোধ করেননি। একমাত্র আইনস্টাইনের পক্ষেই সম্ভব হয়েছিল সবার কৌতূহলে নাড়া জাগানোর।
সেদিন তেজগাঁও থেকে মালিবাগে যাচ্ছি। চোখে পড়ল বিশাল বিলবোর্ড। সেখানে রিয়েলএস্টেটের বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনে আইনস্টাইনের ছবি। ছবির নিচে লেখা 'জমি কিনতে বুদ্ধিমান হোন' জাতীয় কথা। বুদ্ধিমান হিসেবে আইনস্টাইনের ছবি ছাপা হয়েছে।
আমার শৈশবে আইনস্টাইনকে নিয়ে একটি লেখা পাঠ্য তালিকাভুক্ত ছিল। সচিত্র লেখা। আইনস্টাইন বেহালার বাঙ্ নিয়ে ট্রেন থেকে নেমেছেন এমন ছবি। কাহিনীর বিষয়বস্তু ছিল বেলজিয়ামের রানির আমন্ত্রণে তিনি ট্রেনে করে বেলজিয়াম গিয়েছেন। ট্রেন থেকে নেমে দেখেন তাঁকে নিতে কেউ আসেনি। তিনি একাই হেঁটে হেঁটে রওনা হলেন। বেলজিয়ামের রানি আইনস্টাইনকে নিতে দলবল পাঠিয়েছিলেন ঠিকই। তারা প্রথম শ্রেণীর কামরা খুঁজেছে। তারা কেউ ভাবেনি আইনস্টাইন সাধারণ শ্রেণীতে চলে আসবেন।
আমাদের শৈশবে নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের নিয়ম ছিল দেয়ালে মহাপুরুষদের ছবি টানানো। বালক-বালিকারা যেন অল্প বয়সেই মহাপুরুষদের সঙ্গে পরিচিত হয়। তাঁদের মতো হওয়ার চেষ্টা করে। আমাদের সিলেটের মীরাবাজারের বাসায় মহাপুরুষদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ছাড়া আর যে দুজন ছিলেন তাঁদের একজন আইনস্টাইন অন্যজন জর্জ বার্নড শ। আইনস্টাইনের ছবি আমাকে আকর্ষণ করেনি তবে জর্জ বার্নড শ'র ছবিটি মুগ্ধ করেছিল। ছবিতে বৃদ্ধ এক বুড়োকে লাঠি হাতে তেড়ে আসতে দেখা যাচ্ছিল।
আইনস্টাইনের প্রথম পরিচয় পাই আমার বয়স যখন আঠারো, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন শাস্ত্রের ছাত্র। অধ্যাপক আলি নওয়াব ক্লাসে পড়াচ্ছেন ভিসকোসিটি। একপর্যায়ে ভিসকোসিটির ইকোয়েশন বোর্ডে লিখে বললেন, এটা আইনস্টাইন ইকোয়েশন। উনি বের করেছেন। আমি অবাক! যে মহা বিজ্ঞানী রিলেটিভিটি বের করেছেন তিনি সামান্য ভিসকোসিটি সমীকরণও বের করেছেন।
পরের বছর পড়লাম আইনস্টাইনের ফটো ইলেকট্রিক অ্যাফেক্ট। এই আবিষ্কারের জন্য তাঁকে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।
ফটো ইলেকট্রিক অ্যাফেক্ট বুঝতে আমাদের কোনো সমস্যা হলো না। সূত্রটি জটিল অঙ্কে মোড়ানো না। আলোর কণিকা ধর্ম কিছুটা এলোমেলো ঠেকলেও ছাত্র হিসেবে আমরা আলোর দ্বৈত সত্তার বিষয়টা ততদিনে জানি।
আমার প্রধান আগ্রহ তখন আইনস্টাইনের ভুবন কাঁপানো থিওরি অব রিলেটিভিটি বিষয়ে জানা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যার কোনো শিক্ষক কি বিষয়টি বোঝাতে পারবেন? একজন নিশ্চিতভাবে পারতেন, অধ্যাপক সত্যেন বসু। তিনি তো বেঁচে নেই। পদার্থবিদ্যার ছাত্র আমার অতি ঘনিষ্ঠজন আনিস সাবেত আমাকে জানালেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্তি্বক পদার্থবিদ্যার মাত্র একজন শিক্ষক থিওরি অব রিলেটিভিটি বোঝেন তাঁর নাম এ এম হারুন-অর-রশিদ। আনিস ভাই আমাকে তাঁর কাছে নিয়ে গেলেন। স্যার আমার দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে বললেন, থিওরি অব রিলেটিভিটি বুঝতে চাও কেন?
আমি মাথা চুলকালাম। আসলেই তো কেন বুঝতে চাই? থিওরি অব রিলেটিভিটি বুঝে আমি কি করব?
স্যার বললেন, খুব সাধারণভাবে বিষয়টা বোঝানো যায়। মনে কর তুমি তোমার বান্ধবীর সঙ্গে দুই ঘণ্টা কাটিয়েছ। তোমার কাছে মনে হবে মাত্র দুই মিনিট কাটিয়েছ। আবার অতি বিরক্তির এক বৃদ্ধের সঙ্গে দুই মিনিট কাটালে তোমার কাছে মনে হবে দুই ঘণ্টা কাটিয়েছে। তবে এইসব ব্যাখ্যা কোনো কাজের ব্যাখ্যা না। এইসব হচ্ছে মানসিক ঘটনা। থিওরি অব রিলেটিভিটি কোনো মানসিক ব্যাপার না। প্রকৃত বিজ্ঞান। তুমি পরে এসো আমার কাছে আমি চেষ্টা করব তোমাকে বিষয়টা বোঝাতে। তোমার আগ্রহ দেখে আমি নিজেও আগ্রহ বোধ করছি এই বিষয়ে বাংলায় একটা বই লেখার জন্যে।
তাঁর কাছে পরে আমার আর যাওয়া হয়নি। আমি তাঁকে আমার লেখা একটা সায়েন্স ফিকশন উৎসর্গ করে (ফিহা সমীকরণ) আমেরিকার নর্থ ডাকোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে গেলাম।
পড়াশোনার প্রচণ্ড চাপে আমি তখন দিশাহারা। মাথা থেকে আইনস্টাইনের ভূত নেমে গেছে। সহজ বাংলায়, 'কেঁথা পুড়ি থিওরি অব রিলেটিভিটির, আগে কোর্স ওয়ার্ক সামলাই। এমন অবস্থায় নোটিশ বোর্ডে দেখি পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পাওয়া এক বিজ্ঞানী আসছেন নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে। তিনি এক ঘণ্টা বক্তৃতা দেবেন। বিষয়বস্তু মহান আইনস্টাইনের মহান ভুল (Great Einestines Great Mistake)। আমি বক্তৃতা শুনতে অডিটরিয়ামে উপস্থিত হলাম। (দুঃখিত আমি অধ্যাপকের নাম ভুলে গেছি। আলজেমিয়ার্স মনে হয় হয়েই যাচ্ছে।)
অতীত অভিজ্ঞতায় দেখেছি বেশি জ্ঞানী মানুষদের বক্তৃতা ভালো হয় না। তাঁরা শ্রোতাদের তাঁদের মতোই ধীমান মনে করেন। এমন বক্তৃতা দেন যা শ্রোতাদের মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। শুধু চুল স্পর্শ করে। মস্তিষ্কে ঢুকতে পারে না।
এই অধ্যাপক গল্প বলার মতো করে বক্তৃতা শুরু করলেন। প্রথমেই প্রজেক্টরে পৃথিবী নামক গ্রহের ছবি দেখানো হলো। সেখানে একটি সাইনবোর্ড। সাইনবোর্ডে লেখা_এই গ্রহে আইনস্টাইন জন্মেছিলেন।
অধ্যাপক হাসিমুখে বললেন, যদিও বলা হয় আইনস্টাইন পৃথিবী নামক গ্রহে জন্মেছেন আমার তা মনে হয় না। আমার মনে হয় আইনস্টাইন একজন এলিয়েন কারণ তাঁর চিন্তার ধারাটাই এলিয়েনদের মতো। আলোর গতি এক লাখ ছিয়াশি হাজার মাইল প্রতি সেকেন্ডে। আইনস্টাইন চিন্তা করলেন তিনি নিজেও আলোর গতিতে আলোর পাশাপাশি ছুটে যাচ্ছেন। তখন তিনি কি দেখবেন? এখন আপনারাই বলুন চিন্তার ধারা এলিয়েন নয়?
আমরা প্রবল হাততালি দিলাম। এক ঘণ্টার বক্তৃতা এক ঘণ্টা কুড়ি মিনিটে শেষ হলো। আমি মন্ত্রমুগ্ধ। বক্তৃতায় আইনস্টাইনের মহান ভুল নিয়ে একটি কথাও বলা হলো না। শ্রোতাদের একজন এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই অধ্যাপক বললেন, আইনস্টাইনের মহান ভুল হচ্ছে তিনি অনেক আগে থিওরি অব রিলেটিভিটি এবং স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি আবিষ্কার করে ফেলেছেন। সব পদার্থবিদের মুক্তচিন্তা আটকে দিয়েছেন। আইনস্টাইন পৃথিবীতে না এলে পদার্থবিদরা নানা দিকে অন্ধের মতো হাতড়াতে থাকতেন। এতে অনেক কিছু বের হয়ে আসতো। তাড়াহুড়া করে থিওরি অব রিলেটিভিটি বের করে ফেলাই হলো আইনস্টাইনের মহান ভুল।
আইনস্টাইন তাঁর সারা জীবনে অনেক অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে গেছেন। একটি উল্লেখ করি।
"সময় মানুষ তার নিজের সুবিধার জন্য কল্পনা করেছে কারণ মানুষ কখনোই চায়নি তার জীবনের সব ঘটনা একসঙ্গে ঘটে যাক।"
কথাগুলো অস্পষ্ট হেয়ালির মতো লাগছে না? আইনস্টাইন অনেক হেয়ালি কথা বলে গেছেন যদিও তিনি বিশ্বাস করেছেন বিজ্ঞান সমস্ত হেয়ালির ঊর্ধ্বে। তাঁর বিখ্যাত উক্তি_ঈশ্বর পাশা খেলেন না। (God does not play dice.)

পাদটিকা

আইনস্টাইনকে নিয়ে পৃথিবীজুড়েই নানা গল্পগাথা প্রচলিত। এর মধ্যে একটি উল্লেখ করছি।
বালক আইনস্টাইন ছিলেন হাবাগোবা। চার বছর বয়স পর্যন্ত তিনি কোনো কথা বলেননি। তাঁর বাবা-মা ধরে নিলেন আইনস্টাইন বাকপ্রতিবন্ধী। এক দুপুরে লাঞ্চ খেতে বসে আইনস্টাইন প্রথম কথা বললেন। স্যুপের বাটি সরিয়ে তিনি বললেন, স্যুপটি ঠাণ্ডা।
আইনস্টাইনের মা হতভম্ব গলায় বললেন, তুমি কথা বলতে পার?
আইনস্টাইন হ্যাঁ-সূচক মাথা নাড়লেন। তার মা বললেন, এতদিন কথা বলনি কেন?
আইনস্টাইন বলেন, এতদিন স্যুপ ঠাণ্ডা ছিল না। কথা বলার প্রয়োজন হয়নি।
সুত্রঃ কালেরকন্ঠ

ম্যাসেজ টা অতি শিঘ্রই delete করুন।

সকল ফায়ার ফক্স ও ক্রোম ব্যবহারকারীদের জন্য দারুন একটি এড-অন্স যার নাম আপলোড স্ক্রীন শট

Only one can alive
An Epic conclusion

শেষে যদি Harry Potter মরেই তবে এত কাহিনী বাড়ায়ে ওকে ক্লাস সেভেন পর্্যন্ত নিয়ে যাওয়ার কোন মানে হয়। আর বাপ-মায়ের প্রতিশোধ না নিয়ে .....................।।  I don't know

আমার কোন unfriends list নাই। মজা.....................।।

আমি তো লিনাক্সে আছি। Opera কত তে বাংলা সাপর্ট করে।

CINR 23-25 ar moddhe এই লাইন বুঝিনি?

আমি কিছু মুভির নাম দিলাম- নামাতে যাচ্ছি-
Seven years in Tibet
The Exorcist
The name of the rose(1986)
The hangover
Of Gods men 2011

৩ এ যত মজা ছিল আপগ্রেড এ মজা পাচ্ছি না। Opera বাংলা সাপর্ট করে না। তা না হলে ওইটাতে যেতাম।