সুন্দর কবিতা। ভালো লাগলো পড়ে। happy

অবশেষে আজ ১৬ আগস্ট, ২০১১ তে মজিলা'র ৬ষ্ঠ ভার্শন রিলিজ হল।
(এতদিন এটা বিটা ভার্শন ছিল)

sawontheboss4 wrote:

AVAST আসলেই বস! সন্দেহ নাই! তবে মাইক্রোসফ্ট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল মাত্র 7 এমবি! Faster!!!

অ্যাভাস্ট ও পিসি স্লো করে না। বরং এর স্ক্যানিং পাওয়ার ভালো হওয়ায় ভাইরাসযুক্ত পিসি থেকে অনেক বেশি ভাইরাস ডিলিট করে পিসিকে আরও ফাস্ট করে। কিছুদিন আগে হোস্টেলে এক ভাইয়ের পিসিতে ভাইরাসের আখড়া হয়েছিল। অ্যাভাস্ট দেয়ার পর পিসি স্পিড ৫ গুণ বেড়ে গেছে। ভাই তো আমার উপর ম্যালা খুশি !! big grin

অ্যাভাস্ট একটি অত্যন্ত ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাস। যারা এটি ব্যবহার করেছেন, তারা তো জানেনই। মায়ের কাছে মাসির গল্প করতে চাই না !! big grin

আর যারা এটি এখনও ব্যবহার করেন নাই, আমার সাজেশন থাকবে, একবার ব্যবহার করে দেখুন। প্রেমে পড়ে যাবেন !!  love struck

আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি সব রকমের অ্যাভাস্ট অ্যান্টিভাইরাস (লাইসেন্স সহ) !! thumbs up
অ্যাভাস্ট ৪ রকমের আছে। যথাঃ
১। ফ্রি/হোম
২। প্রফেশনাল
৩। বিজনেস এডিশন
৪। ইন্টারনেট সিকিউরিটি

আমি ব্যবহার করছি ইন্টারনেট সিকিউরিটি। BOSS জিনিস !! dancing

অ্যাভাস্ট এর সাইট থেকে ট্রায়াল ভার্শন ডাউনলোড করে নিন। 
এবার লাইসেন্স এর পালা !!

অ্যাভাস্ট এর ফ্রি এডিশনে ১ বছরের ফ্রি লাইসেন্স পাওয়া যায়। অ্যাভাস্ট এর সাইটে গেলেই বুঝবেন। আর যদি আপনি এক্কেবারে আজীবন লাইসেন্স চান (২০৩৮ সাল পর্যন্ত, আজীবন বললাম, কারণ ততদিন বাঁচব কিনা, সন্দেহ !!), তাহলে এখানে আসুন !!

এবার প্রফেশনাল আর বিজনেস এডিশনের পালা। এদের জন্য আজীবন লাইসেন্স দিতে পারলাম না বলে দুঃখিত !! তবে ৩০ আগস্ট, ২০১২ পর্যন্ত দিলাম। ১ বছর তো চালান, পরে আবার দিবো !! লাইসেন্স পেতে এদিকে আসুন !!

আর সবশেষে আছে BOSS এর লাইসেন্স ফাইল !! এটাও আজীবন না। তবে ১ বছরের চেয়ে একটু বেশি !! মাত্র দেড় বছর (১৬ ডিসেম্বর, ২০১২ পর্যন্ত) !! নিতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন !!

অ্যান্টিভাইরাস সেটআপ দেয়ার এক পর্যায়ে লাইসেন্স ফাইল চাইবে। তখন ব্রাউজ করে এখানে দেয়া লাইসেন্স ফাইল দেখিয়ে দিবেন। আর যদি তা না করতে চান, তবে সেটআপ শেষ হবার পর লাইসেন্স ফাইলে ডাবল ক্লিক করে YES টিপলেই কাজ হয়ে যাবে। SUBSCRIPTION এ  গিয়ে দেখুন, কাজ হয়েছে কিনা। তাও না হলে SUBSCRIPTION থেকে ব্রাউজ করে লাইসেন্স ফাইলটি দেখিয়ে দিন।

তাহলে এখন ডাউনলোড করুন আর ভাইরাস কে টা টা বাই বাই বলুন !!  wave

অনেক নতুন ট্রিক্স জানলাম। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।  big grin

এই ডিজিটাল যুগেও আগেকার মত চিঠি লিখেছে??? rolling on the floor
তাহলেই হয়েছে !! sad

উপল BD wrote:

ফায়ার ফক্স কম্প্যাটেবল?

হ্যাঁ। আমি মজিলা ৬ (বিটা) ভার্শনেও এটা দিয়ে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করছি। ৬ এর নিচের ভার্শনগুলোতেও চলবে।

IDM প্রতিনিয়তই আপডেট হচ্ছে।
এই পোস্টে দিয়েছিলাম IDM 6.07 BUILD 3.
আজ নিন এর সবচাইতে আপডেটেড ভার্শন IDM 6.07 BUILD 8.

ফাইলটি মিডিয়াফায়ারে আপলোড করে দিলাম। ডাউনলোড করে নিন।

আর হ্যাঁ, এই ভার্শনটিও সাইলেন্ট ইন্সটলার। তবে এটি ইন্সটল করার আগে আগেরটি আনইন্সটল করে নিয়ে পিসি একবার রিস্টার্ট দিয়ে নিবেন। তাহলেই আর কোন সমস্যা হবে না।

গুগল ক্রোমের অনেক সুন্দর সুন্দর THEME আছে।

আপনি কি DEFAULT THEME ব্যবহার করেন, নাকি কোন স্পেশাল THEME ব্যবহার করেন?

কে কোনটা ব্যবহার করেন, জানান।

আমি বর্তমানে BLACK ANDROID THEME ব্যবহার করছি।

সুন্দর সুন্দর THEME এর কথা জানা থাকলে লিংকসহ শেয়ার করুন।  big hug

মজিলা ফায়ারফক্সের অনেক সুন্দর সুন্দর THEME আছে।

আপনি কি DEFAULT THEME ব্যবহার করেন, নাকি কোন স্পেশাল THEME ব্যবহার করেন?

কে কোনটা ব্যবহার করেন, জানান।

আমি বর্তমানে BLOODY RED THEME ব্যবহার করছি।

সুন্দর সুন্দর THEME এর কথা জানা থাকলে লিংকসহ শেয়ার করুন।  big hug

অবিশ্বাস্য  surprise

১৩৭

(৩ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

কয়েকটা বাদে অনেকগুলোই আগে পড়েছিলাম। ভালো লাগলো। big grin

৩২ মেগাবাইট মেমোরি?? নাকি গিগাবাইট?? surprise

১৩৯

(৩ replies, posted in কবিতা, গল্পসল্প, উপন্যাস)

আজকের পৃথিবীর সবচেয়ে দামী জিনিসটা বই,
শিক্ষার গাছে ওঠার জন্য দরকার এই মই।

বই মানুষকে জ্ঞান দান করে ঘুচায় অজ্ঞানতা,
বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু, করেনা সে শত্রুতা।

হাসাতেও পারে, কাঁদাতেও পারে – এটাই বইয়ের গুণ,
শিক্ষিত জাতি নির্মিত হয় বই পড়ার দরুন।

বই মানুষের আচার-বিচার পরিবর্তন করে,
বই মানুষকে কত কিছু বলে দেয় নির্বাক স্বরে।

তার কারণেই পিপাসু মানুষ জ্ঞানের রাজ্যে ঢোকে,
নিজের মনকে বোঝার জন্য বই পড়ে জ্ঞানী লোকে।

তার পৃষ্ঠায় লেখা থাকে কত রকম অজানা কথা,
মানুষের যত চাওয়া-পাওয়া-সুখ-স্বপ্ন-দুঃখ-ব্যাথা।

তার ছোঁয়ায় এ দেহে প্রাণ আসে, পড়লে প্রাণ জুড়ায়,
“বই পড়া” তাই অবসর শখ হিসেবেও নেয়া যায়।

বই কিনে কিনে জমা করলেই হয়ে যাবে নাকো জ্ঞানী,
ধার করে বই পড়লেও পাবে গুপ্তধনের খনি।

বই তো রয়েছে নানান বিষয়ে, বিভিন্ন তার নাম,
টাকার মূল্যে যায় না তো মাপা বইয়ের প্রকৃত দাম।

“যে বই পড়ে, সে কখনো ঠকে না” – ইহা প্রমানিত সত্য,
আসুন তাহলে বই পড়া হোক মোদের জীবন ব্রত।।

মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি আমার সমবয়সী ২০০০ জন বোকা মানুষের মধ্যে একজন, যে কি না এই সাবজেক্ট পড়তে এসেছে!! laughing

ব্যবহারকারীর কিবোর্ড ব্যবহারের ধরন অনুসারে নিজেই প্রয়োজনীয় কি গুলো যথাস্থানে বসিয়ে নেবে।

এটা করলে তো অনেক প্রবলেম !! আরেকজনের পিসি টে টাইপ করতে বসলে মহা গ্যাঞ্জাম লাগবে!!

অনেক সুন্দর কৌতুক। অনেক tricks শিখলাম।

১৪৩

(৩ replies, posted in কবিতা, গল্পসল্প, উপন্যাস)

অনেক ধন্যবাদ উপল ভাই ও শামীম ভাই কে।  happy

১৪৪

(৩ replies, posted in কবিতা, গল্পসল্প, উপন্যাস)

কলুষতাময় এই পৃথিবীতে সৎ থাকা বড় দায়,
সকলেই হেথা যেকোনো উপায়ে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা চায়।

সৎ লোক আজ ডুমুরের ফুল – কোটিতে একটি মেলে,
অসৎ সৎকে করছে অসৎ ছলে-বলে-কৌশলে।

তবুও সততা ধ্বংস হয়নি আজকের পৃথিবীতে,
“সততাই বল” – কেউ কেউ আজও বিশ্বাসী এই মতে।

সত্য বলতে দরকার হয় নির্ভীক এক মন,
প্রাণ যায় যাক, সত্য বলব – এরূপ সাহসী পণ।

সৎ মানুষেরা সবার বন্ধু – সবাইকে ভালবাসে,
অসৎরা শুধু নিজের স্বার্থ রক্ষা হলেই হাসে।

সৎ লোক সদা নির্ভয়ে থাকে, অসৎরা থাকে ভয়ে,
অসৎ লোকেরা পরাজিত হয়, সৎ লোক হাসে জয়ে।

মিথ্যা তো মোরা সকলেই বলি - কেউ বেশি কেউ কম,
সকলেই মোরা গরমের দাস আর নরমের যম।

একদিনও যদি মিথ্যাকে ভুলে আমরা সত্য বলি,
একদিনও যদি নিজের স্বার্থ হাসিমুখে দিই বলি;

তাহলেই এই পৃথিবী সেদিন রবে কলুষতাহীন,
জন্ম মোদের সার্থক হবে, জগৎ হবে রঙিন।

এটাই মোদের লক্ষ্য আজকে – এসো সৎ পথে চলি,
জীবনে মাত্র একখানি দিন হলেও সত্য বলি।।

১৪৫

(০ replies, posted in ৪৯ তম ব্যাচ)

49TH MBBS, RMC

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে চান্স পাওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের পদবী এটাই।

এই মেডিক্যাল কলেজে আসার আগে আমরা অনেকেই অনেককে চিনতাম না। প্রায় ২০০ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে আমাদের ব্যাচের পথচলা শুরু হয়েছিল ২০০৮ সালের ১০ জানুয়ারি।

প্রথম প্রথম আমাদের সবারই এই মেডিক্যাল এর পরিবেশ ভালো লাগত না, পরিবার কে সবাই খুব মিস করতাম। ২ দিনের ছুটি পেলেই সবাই বাড়ি যাওয়ার টিকিট কেনার জন্য লাইন দিতাম। বাংলা মিডিয়ামের আরামের পড়াশোনাকে খুব মিস করতাম। মেডিক্যালের বোরিং বইগুলো পড়তাম আর ভাবতাম, কেন এলাম এই পঁচা সাবজেক্ট পড়তে??

মেডিক্যাল হোস্টেলে আমাদের অধিকাংশ ব্যাচমেট থাকতাম। তখনও সবার সাথে বন্ধুত্ব হয় নি। অনেকের নামই জানতাম না। চেহারাও চিনতাম না। জীবনটাকে অনেক কঠিন মনে হত। ভাবতাম, এই RMC কারাগারে আমি এক বন্দী। কোন এক অজানা গুরুতর অপরাধের শাস্তি হিসেবে আমার এখানে আগমন। প্রতিদিন ঘুমানোর আগে ভাবতাম, কবে কাটবে ৬ বছর??? কবে মিলবে মুক্তি???

পরীক্ষাকে সারাজীবনই ভয় পেতাম। এখানে আসার পর সেই ভয় যেন দ্বিগুণ হল। মনে পড়ে, জীবনের প্রথম আইটেম যখন দিতে বসি, আমার মনে হচ্ছিল, আমি কোন চাকরীর ইন্টারভিউ দিতে বসেছি!! আস্তে আস্তে অবশ্য সেই ভয় কমে গিয়েছিল। পরে বুঝতে পেরেছিলাম, আইটেম একটা প্রহসনের নাম!! না পড়েও যা পাস করা যায়!!

এতক্ষণ তো বললাম কষ্টের কথা। মেঘের কোলে যেমন সূর্য থাকে, তেমনি এই কষ্টের পরেই আমাদের জীবনে এমন কিছুর আবির্ভাব হল, যা স্থায়ী ও অপরিবর্তনশীল। আর সেটাই হল বন্ধুত্ব। এ এক জাদুকরী সম্পর্ক, যা আমাদের সব দুঃখ-কষ্টকে ভুলে নতুনভাবে বাঁচার পথ দেখাল। ৪৯ তম ব্যাচের সবার সাথে ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব হয়ে গেল। সবার সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নিয়ে আমরা “৪৯তম এমবিবিএস, আরএমসি” নামক একটা পরিবারের অংশ হয়ে গেলাম। আস্তে আস্তে এমন অবস্থা হল, ছুটি হলে আর বাড়ি যেতে মন চাইত না। মন চাইত বন্ধুদের সাথে হোস্টেলে বসে আড্ডা দিতে, মুভি দেখতে, বিকালবেলা বাইরে কোথাও দল বেঁধে বেড়াতে যেতে। জীবনে এক নতুন রঙের আবির্ভাব, জীবনটাই বদলে গেল আমাদের।

প্রথম বর্ষে আমাদের যেখানে চিন্তা হত, কবে কাটবে ৬ বছর; এখন চিন্তা হয়, কেন এত তাড়াতাড়ি সময় কেটে যাচ্ছে??? আর মাত্র কয়েক বছর পরে আমাদের এই RMC ছেড়ে চলে যেতে হবে, ভাবতেই মনটা কেঁদে ওঠে। তখন আর আমাদের এই প্রিয় বন্ধুগুলোকে প্রতিদিন দেখতে পাব না। কেউ বলবে না, “দোস্ত, চল, সবাই দল বেঁধে পদ্মার ধারে বেড়াতে যাই”, অথবা, “দোস্ত, কাল অমুক স্যারের ক্লাস আছে, ক্লাসে আসিস...”

কয়েক বছরের দেখায়, কথা বলায়, আমরা এমন এক বাঁধনে বন্দী হয়ে যাব, যে বাকিটা জীবনের প্রতিটা দিন আমাদের মনে পড়বে আজকের এই দিনের কথা।

জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়টা আমরা এখন পার করছি। এই যৌবনকাল একবার চলে গেলে আর ফিরে আসবে না। এই সময় আমরা যে বন্ধুগুলো পেয়েছি, আমরা ইচ্ছা করলেও তাদের কোনদিন ভুলতে পারব না।

এখন ডিজিটাল যুগ। আগেকার মত এখন আর কেউ কষ্ট করে চিঠি লিখে লিখে কারোর খোঁজখবর নেয় না। মোবাইল আর ফেসবুকের কল্যাণে যে যেখানেই থাকুক না কেন, সবাই থাকে একসাথে। তাই এখান থেকে চলে গেলেও আমাদের যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে।

আমাদের ব্যাচের সবাই সবার বন্ধু। সব বিভেদের উপরে উঠে আমাদের পরিচয়, আমরা 49TH MBBS, RMC. হয়ত আজ থেকে ২০ বছর পরে, কোন এক রাস্তায়, আমাদের ব্যাচের কারোর সাথে দেখা হবে। প্রথম দেখায় হয়ত চিনতেও কষ্ট হবে। কিন্তু সেইদিনও আমাদের এই বন্ধুগুলোর প্রতি ভালবাসা এক বিন্দু কমবে না। চিনতে পারলেই আবার ফিরে আসব আজকের এই দিনগুলোতে। কত কথা হবে, কত গল্প হবে, কত স্মৃতিচারণ হবে। আবার আমরা যৌবনকালে ফিরে যাব। এভাবেই আমাদের ব্যাচের গল্প এগিয়ে যাবে......

আমরা চিৎকার করে বলব,
49TH MBBS, RMC IS THE BEST…
AS WE ARE HERE…

আমিও একই সমস্যার সম্মুখীন । গত ২ সপ্তাহ ধরে।  at wits' end

forum_search wrote:

এই সিস্টেমে লুকানো ফোল্ডার খুব সহজেই দেখা যাবে! ফোল্ডার অপশন থেকে
hide protected operating system files(recommanded) এইটার টিক তুলে দেয়া এবং শো হিডেন ফাইল দিলেই সব গোমর ফাস হয়ে যাবে।  সাবধান!!!

হ্যাঁ ভাই, আপনি ঠিকই বলেছেন। আমিও তাড়াতাড়ির সময় এভাবেই হাইড আর আনহাইড করি। তবে অধিকাংশ লোক এটা জানে না, তাই রিস্ক থাকলেও এটা কাজে লাগে...

@তৌফিকঃ PP=প্রোফাইল পিকচার
এটা ‘এডিট প্রোফাইল’ অপশনে গিয়ে চেঞ্জ করা যায়।
আর কোন ফ্রেন্ড কে স্ট্যাটাস / কমেন্ট এ মেনশন করতে আগে “@” লিখে তারপর তার নাম লিখলেই হয়। তাহলে তার নাম টা লিংক হিসেবে স্ট্যাটাস / কমেন্ট এ দেখা যায়। একেই মেনশন করা বলে।
আমার ধারণা, তুমি এগুলো আগেই জানতে। প্রশ্ন বুঝতে একটু প্রবলেম হয়েছে আর কি !! laughing

*স্ট্যাটাস কি? উদাহরণ দাও। এটা সর্বোচ্চ  কত ডিজিটের মধ্যে দেয়া যায়? কোন নির্দিষ্ট ফ্রেন্ড থেকে নিজের স্ট্যাটাস হাইড করবে কীভাবে?
*ফ্রেন্ড কাকে বলে? কীভাবে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে হয়? কীভাবে কাউকে ব্লক করতে হয়?
*ফেসবুকে সর্বোচ্চ কত সাইজের ছবি আপলোড করা যায়? কীভাবে ফটো এলবাম বানাতে হয়? কীভাবে ফ্রেন্ডদের থেকে এলবাম হাইড করতে হয়?
*চ্যাট কাকে বলে? পূর্ণ রূপ লিখঃ c8, cu, lol, tnx, wb, gf, 143, brb, f9, g8. কীভাবে ব্রাউজার কে ভিডিও চ্যাটের উপযোগী করা যায়?
*PP কি? এটা কীভাবে পরিবর্তন করা যায়? কীভাবে কোন ফ্রেন্ড কে স্ট্যাটাস/কমেন্ট এ মেনশন করা যায়।
*ট্যাগ কি? কীভাবে ফ্রেন্ড কে ফটো ট্যাগ করতে হয়? কীভাবে ট্যাগ রিমুভ করতে হয়?
*কীভাবে ফেসবুক পেজ বানাতে হয়? ফেসবুক পেজ এর লাইক সংখ্যা বাড়াতে তুমি কি কি পদক্ষেপ নিবে?
*কীভাবে নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়া যায়? ৩ টি ফেসবুক গেম এর নাম লিখ।
*ফেসবুকের জনক কে? ম্যাসেজ কীভাবে পাঠাতে হয়? ম্যাসেজ এ কীভাবে ছবি যুক্ত করতে হয়?
*কীভাবে ফেসবুকে ইমেইল ও মোবাইল নাম্বার চেঞ্জ করতে হয়? কীভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিএকটিভেট করতে হয়?

ইমেজগুলো তো এক্সপায়ার হয়ে গেছে। এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট। পুনরায় এডিট করা উচিত বলে মনে করি।