এখানে ক্লিক করুন।

যে পেজ আসবে, সেখানে আপনার রোল নাম্বার দিন। (কলেজ কোড রোল নাম্বারের আগে যুক্ত করতে হবে। যেমনঃ 160001। এখানে 16=রাজশাহী মেডিকেল কলেজের কোড, 0001=রোল নাম্বার)

এবার VIEW SEAT PLAN এ ক্লিক করুন আর জেনে নিন, কোথায় পড়েছে আপনার সিট!

পরীক্ষার্থীদের জন্য রইল শুভকামনা

http://i.imgur.com/90Xls.jpg


হ্যাঁ, ছবিতে আপনি ঠিকই দেখেছেন। আইডিএম টা আমার নামে রেজিস্টার্ড !!
আপনার নামেও আপনি করে নিতে পারবেন নিচের পদ্ধতিতেঃ

যা যা লাগবেঃ
* IDM 6.07 BUILD 11
* IDM CRACKER TOOL

কার্যপ্রণালীঃ
*আগের কোন ভার্শন পিসিতে ইন্সটল করা থাকলে তা আনইন্সটল করে পিসি রিস্টার্ট দিয়ে নিন।
*এবার  আপডেটেড ভার্শনটি নরমাল নিয়মে ইন্সটল করুন।
*এবার IDM CRACKER TOOL টি চালু করুন। এরকম আসবে…

http://i.imgur.com/xu9CK.jpg


এখানে তীর চিহ্নিত বক্সে আমার নাম দেখাচ্ছে। আপনার ক্ষেত্রে আপনার নাম দেখাবে। যদি না দেখায়, তবে ওই বক্সের পাশে AUTO এর টিক টা উঠিয়ে দিন আর তারপর আপনার নিজের নাম লিখুন REGISTRATION NAME বক্সে।
এরপর START এ ক্লিক করুন। ডান পাশের বার টা পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ব্যস, কাজ শেষ!
ABOUT IDM এ গিয়ে দেখুন, আপনার আইডিএম আপনার নামে রেজিস্টার্ড ! !
এই টুলের মাধ্যমে আপনি আপনার আইডিএম আপডেটও করতে পারবেন।
তাহলে আর কিসের অপেক্ষা? আপনার নামে করে নিন আপনার আই ডি এম !!

http://www.kalerkantho.com/admin/news_images/651/thumbnails/image_651_190321.jpg


ভারতের ব্যাঙ্গালুরুর নারাসাম্মা নামের ৯২ বছর বয়সী বৃদ্ধার দাবি, তিনি পানি পান না করেই কাটিয়ে দিয়েছেন জীবনের ৭৮টি বছর! সেই ১৪ বছর বয়স থেকে নাকি তিনি পান করেননি এক ফোঁটা পানিও! তাঁর এ দাবি আজগুবি বলে মনে হলেও তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা এ ব্যাপারটির সত্যতা স্বীকার করেন। নারাসাম্মা জানান, ১৪ বছর বয়সে একবার হঠাৎ তাঁর গলা ভীষণ শুকিয়ে গেলে তিনি একবারে প্রায় ১০ লিটার পানি পান করে ফেলেন। এরপর তাঁর শরীর ভীষণভাবে ফুলে উঠতে থাকে। একটা সময় পর নিজের পেশির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর তাঁকে আয়ুর্বেদিক ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসার পর সুস্থ হলে এর পর থেকে আর কখনোই পানি পান করেননি তিনি। এমনকি পানি না খেয়েই দিব্যি সুস্থ বোধ করেন তিনি।
প্রায় একই রকম কাহিনী ভারতীয় যোগী প্রহ্লাদ জেনির। ৮২ বছরের এ মুনির দাবি, তিনি ৭০ বছর ধরে কোনো রকম খাবার ছাড়াই বেঁচে আছেন। এমনকি তিনি পান করেননি পানিও। আর এ দাবি যে মিথ্যে নয়, তার প্রমাণও দিয়েছেন হাতেনাতে। ভারতীয় কিছু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে তাঁকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। অনেক দিন পানিসহ কোনো কিছু না খেয়েই সে পরীক্ষায় তিনি পাস করেন শতভাগ নম্বর নিয়ে!

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ

ফরেনসিক এর জ্ঞান তো হার মানল...

শিমূল এর দেয়া সিরিয়াল কী কাজ করে না!
এখান থেকে ডাউনলোড করে নিচের সিরিয়াল কী দিলে কাজ করে।

Registration name: Erik McBride
Registration code: LKHEC-FJHFA-NEGLF-PKCMF

http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-09-20-17-35-46-078593300-2.jpg


আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর অভিষেকটা ছিল খুব নাটকীয়। অধিনায়কের মুকুটটাও মাথায় উঠল তেমনি নাটকীয়ভাবে।
কাল বিকেলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের সভার মাঝখানে নতুন অধিনায়ক হিসেবে যখন ঘোষিত হলো মুশফিকুর রহিমের নাম, সেটিতে অবশ্য কোনো নাটকীয়তা ছিল না। প্রায় সবারই জানা ছিল, শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা, এই যা! সহ-অধিনায়ক হিসেবে মাহমুদউল্লাহর নামটাও তা-ই।
আপাতত অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ডিসেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই সিরিজের জন্য অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক করা হয়েছে মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহকে। মুশফিকের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াটাও খুব অনুমিত, ‘যেকোনো ক্রিকেটারের জন্য এটা সর্বোচ্চ সম্মান। আমাকে এই দায়িত্ব দেওয়ায় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পুরো জাতির প্রত্যাশা সম্পর্কে আমি সচেতন। লক্ষ মানুষের স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করব।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের প্রস্তুতি টুর্নামেন্ট বিসিবি কাপে মুশফিকুর রহিমকে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নির্বাচন করেই বার্তাটা দিয়ে দিয়েছিল ক্রিকেট বোর্ড। অভিজ্ঞতা এবং দলে অপরিহার্যতা বিবেচনায় আর কোনো বিকল্পও ছিল না। তার পরও মুশফিকের অধিনায়কত্ব পাওয়াটাকে নাটকীয় বলার কারণ গত কিছুদিনের ঘটনাপ্রবাহ।
জিম্বাবুয়ে সফরে ব্যর্থতার পর অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ককে একসঙ্গে সরিয়ে দেওয়ার অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটেছে। সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালকে বরখাস্ত করার চরম বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে ঝড় উঠেছে চায়ের পেয়ালায়। এই ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময়ে অধিনায়কের কঠিন দায়িত্ব পেলেন মুশফিকুর রহিম। অধিনায়ক হিসেবে তাঁর মনোনয়ন হয়তো নাটকীয় নয়, তবে প্রেক্ষাপটটা তো অবশ্যই।
এমন নাটকীয়তার সঙ্গে মুশফিকুরের পরিচয় অবশ্য ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ড সফরের জন্য ঘোষিত ২০ জনের প্রাথমিক দলেও ছিলেন না। শেষ মুহূর্তে দলে ঢুকে গেলেও সেই সফরে তাঁর ‘পর্যটক’ হয়েই থাকার কথা ছিল। উইকেটরক্ষক হিসেবে তখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী খালেদ মাসুদ। তাঁর বিকল্প হিসেবে দলে আসা মুশফিকের খেলার সুযোগ কোথায়?
সুযোগ এল নাটকীয়ভাবে। সা****ের বিপক্ষে ট্যুর ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি করলেন, নর্দাম্পটনশায়ারের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। লর্ডস টেস্টে স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবেই অভিষেক হয়ে গেল মুশফিকের। তা নিয়ে আলোড়িত ইংল্যান্ডের ক্রিকেট-মহলও। লর্ডসে তাঁর চেয়ে কম বয়সে যে আর কেউ টেস্ট খেলেনি। সাড়ে নয় মাস পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বগুড়ায় দ্বিতীয় টেস্টটিও খেললেন স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে। উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট অভিষেক ২০০৭ সালের জুলাইয়ে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেই টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৮০ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংসে ঘোষিত হলো ‘খালেদ মাসুদ যুগ’-এর অবসানবার্তাও।
মাসুদের দীর্ঘ ছায়ায় ঢাকা পড়ে থেকেই গিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপে। সেখানে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করে দলকে জিতিয়ে ফিরেছেন। বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ আর উইকেটরক্ষক হিসেবে প্রথম টেস্ট—খালেদ মাসুদকে বাদ দেওয়া ঠিক হয়েছে কি হয়নি বিতর্কের কারণে দুটিতেই তাঁর ওপর ছিল প্রচণ্ড চাপ। সেই চাপকে যেভাবে জয় করেছেন, তা থেকেই মুশফিকের মানসিক শক্তির প্রমাণ মেলে।
নেতৃত্বগুণও অনেক আগেই চিহ্নিত। অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। নেতৃত্ব দিয়েছেন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও। জাতীয় দলের সহ-অধিনায়কও ছিলেন অনেক দিন। গত ডিসেম্বরে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই মুশফিককে সরিয়ে তামিম ইকবালকে সহ-অধিনায়ক করা হয়। মুশফিকুর রহিমকে অধিনায়ক করাটাকে তাই বলতে পারেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বিলম্বিত ভুল স্বীকার।
সহ-অধিনায়কের মতো অধিনায়ক নির্বাচনে বিসিবির ভুল বা অধৈর্যের প্রমাণ মিলবে আরেকটি তথ্য থেকেও। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ১১ বছরও হয়নি, অথচ মুশফিকুর রহিম এই দলের অষ্টম অধিনায়ক! সংখ্যাটা শুধু টেস্ট অধিনায়ক ধরে। ২০০৪ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে রাজিন সালেহর নেতৃত্ব দেওয়ার কথা মনে রাখলে সেটি হয়ে যায় নয়!
হাবিবুল বাশার প্রায় তিন বছর অধিনায়ক ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের আর কোনো অধিনায়কই থিতু হওয়ার সময় পাননি। বগুড়ার মাটিডালির ক্রিকেট-অন্তঃপ্রাণ মাহবুব হামিদের ২৩ বছর বয়সী ছেলে কি পারবেন ব্যতিক্রম হতে?
এই প্রশ্নের উত্তর সময়ই দেবে। আপাতত স্বাগত জানানো যাক নতুন অধিনায়ককে। মুশফিকুর রহিম, অধিনায়কের কণ্টক-সিংহাসনে আপনাকে স্বাগত!

সূত্রঃ প্রথম আলো

কারিনা ভালো অভিনয় করছে ইদানীং। মিসেস বচ্চনের দিন শেষ...

মেডিকেল প্রেম
- সুজন পাল


কলেজ জীবনে প্রবেশ করেই পাই আমি তার দেখা,
হৃদয়ের মাঝে একে নেই আমি প্রেমের সরলরেখা।

ঘুম থেকে উঠে টয়লেটে গিয়ে তার কথা আমি ভাবি,
ঘন্টাখানেক পরে মনে পড়ে, নিইনি রুমের চাবি।

তাড়াতাড়ি করে এসে দেখি নেই রুমের দরজা খোলা,
দরজায় তার ঝুলছে একটা বিশাল আকার তালা।

রুমমেটগণ চলে গেছে সব আগেভাগে ক্লাসরুমে,
আমি পড়ে যাই অথৈ সাগরে – ঢুকবো কীভাবে রুমে?

পাশের রুমের এক বড়ভাই (নামটা গোপন থাক!)
ঘুমায় সকাল ৯টা অবধি – জোরে জোরে ডাকে নাক!

তার এপ্রন ধার চেয়ে এনে দৌঁড়ে কলেজে যাই,
ঘড়িতে তখন নয়টা পনের, অবশেষে পৌঁছাই।

এনাটমী এর টিচার বলেন, “এত তাড়াতাড়ি এলে!
ঘন্টাখানেক পরে এলেও তো চলতো, বাঁদর ছেলে!”

ব্যাচের সকল ছাত্রছাত্রী মোর পানে চেয়ে হাসে,
কেউ কেউ বলে, “কয়দিন হলো এরকম এই মাসে?”

বুঝিনা তো আমি, মোর এই হাল কেন হয় প্রতিদিন?
টয়লেটে গেলে প্রেমিকা আমার হৃদয়ে বাজায় বীণ!

লেকচার ক্লাসে সামনে বসে সে শোনে পুরো লেকচার,
মোর সে সময় ঘুম ধরে, তাই লেকচার করা ভার!

পেছন বেঞ্চে বসে বসে আমি ঘুমাই মনের সুখে,
স্বপ্নে আমার প্রেমিকা আমায় চুমু দেয় মোর মুখে।

ঘুমের ঘোরেই চুমু দিই আমি প্রিয়ার নরম গালে,
খোঁচা খোঁচা দাড়ি অনুভব করি – জড়ালাম কোন জালে!?

জেগে দেখি রেগে দোস্ত আমার মুখটা সরিয়ে বলে,
“আর কতবার পড়বি আমার গালের উপর ঢলে?”

লেকচার শেষে ঢুলু ঢুলু চোখে ক্যান্টিনে খেতে যাই,
সে যখন আসে, তার পাণে আমি এক চোখ খুলে চাই।

বোঝেনা তো প্রিয়া চোখের এ ভাষা – কতখানি চাই তারে,
তারে ছাড়া মোর জীবন কাটবে একাকী অন্ধকারে।

ঝিমুতে ঝিমুতে এরপর আমি টিউটোরিয়ালে যাই,
স্যার কী পড়ায় – আল্লা মালুম, আমি পেছনে ঘুমাই!

স্বপ্নে আমার প্রেমিকা দৌঁড়ে দুহাত বাড়িয়ে আসে,
আমাকে জড়িয়ে বলে, সে কেবল আমাকেই ভালোবাসে।

আনন্দে আমি আটখানা হয়ে চিত্কার করে উঠি,
উঠে দেখি মোর সামনে টিচার, হাতে তার এক লাঠি।

বাকীটা সময় টুলের উপর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাবি,
কেন যে আমাকে এত জ্বালা দেয় রুপসী সেই মানবী?

বিকালে যখন মর্কেটে যাই, খুঁজে ফিরি শুধু তারে,
লেখাপড়া মোর হয়না কিছুই তার পিছে পিছে ঘুরে।

সন্ধ্যাবেলায় বই নিয়ে বসে হাই তুলি বার বার,
বইয়ের পাতায় লেখার বদলে ছবি দেখি প্রেমিকার।

অবশেষে রাত ১০টা হলেই ঘুমের রাজ্যে ঢুকি,
যেথা সে রমণী আমার মনের জানালায় দেয় উঁকি।

মেডিকেলে পড়ে হব ডাক্তার – ছিল বাবা-মা’র আশা,
নেশা-রাজনীতি করি না কিন্তু ছাড়েনিকো ভালোবাসা।

ভালোবেসে আমি ফতুর আজকে তবু ভালোবেসে যাই,
তবু আশা করি – যদি কোনদিন তার ভালোবাসা পাই।

প্রেম একবার করেছি যখন, কভু মানবো না হার,
করবো তারেই জীবনসঙ্গী – লক্ষ্য এই আমার!!!!!!!

[কবিতাটি ফার্স্ট ইয়ারে লেখা!]

ব্রিটেনে ঘটে গেলো এক আজব ঘটনা।
হারমিওয়ান ওয়ে নামের ২৪ বছর বয়সী এক তরুণী তার ল্যাপটপ অ্যালেক্স এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে।
প্রায় ২০ মাস হবে তারা একে অপরকে বিয়ে করেছে।
ঘটনাটি জানাজানির পর তার আশেপাশের প্রতিবেশীরা তাকে পাগল ও বিকৃত মস্তিস্কের হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
এতো কিছুর পরও হারমিওয়ান সারা বিশ্বকে দেখাতে চায় গত ২ বছর ধরে কিভাবে প্রতিটি মিনিট,প্রতিটি ঘণ্টা সে তার ল্যাপটপ অ্যালেক্সের সাথে কাটিয়েছে।
কিন্তু একজন মানুষ ল্যাপটপকে বিয়ে করতে পারবে প্রচলিত এমন আইন এখনো গড়ে উঠেনি।
তবে হারমিওয়ান বিশ্বাস করে এ চিন্তা ধারনার পরিবর্তন হবে।
একজন মানুষ ল্যাপটপকে বিয়ে করতে পারবে।
তারা গত ৩১ জানুয়ারি ২০১০ থেকে একে অপরের সাথে সময় কাটাচ্ছে।

সূত্রঃ হ্যালো-টুডে

কি দিনকাল আসলো ভাই, কবে না জানি শুনবো, অমুক একটা ডেল ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ প্রসব করেছে !! laughing

http://barta24.net/admin/news_images/image_10659.jpg
মায়ের মৃত্যুর দশ সপ্তাহ পর পৃথিবীর আলো দেখলো এক নবজাতক। জন্মেও পর মাকে দাফন করলেও হাসপাতালের ইনকিউবেটে ডাক্তারের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

শুক্রবার গালফ নিউজ এই বিস্ময়কর খবরটি প্রকাশ করেছে।
পত্রিকাটির অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদ মতে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাওয়াম হাসপাতালের একদল ডাক্তার সার্জারির মাধ্যমে ওই নবজাতককে জীবিত অবস্থায় তার মায়ের গর্ভ থেকে বের করেছেন। ২৮ সপ্তাহ বয়সী ওই নবজাতককে এখন হাসপাতালে ইনকিউবেটরে ডাক্তারদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বরাত দিয়ে পত্রিকাটি আরো জানিয়েছে, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে আমিরাতের নাগরিক অন্তঃসত্ত্বা ওই মহিলাকে ক্লিনিক্যাল ডেড (মৃত্যু) ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এ সময় পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ডাক্তাররা দেখতে পান তার জরায়ুতে থাকা ভ্রুণটি জীবিত রয়েছে।

এ অবস্থায় শিশুটির ভূমিষ্ঠ হওয়ার অপেক্ষা করতে থাকেন। গর্ভের ভ্রুণকে বাঁচিয়ে রাখতে মহিলাটিকে লাইফ সাপোর্টে রাখেন। কৃত্রিমভাবে সরবরাহ করা হয় রক্ত এবং অক্সিজেন। ভ্রুণটির বয়স ২৮ সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার পর ডাক্তাররা সার্জারীর মাধ্যমে তাকে মায়ের গর্ভ থেকে বের করেন।

মায়ের মৃত্যুর দশ সপ্তাহ পর শিশু জন্ম সম্পর্কে তাওয়াম হাসপাতালের এক কর্মকর্তা জানান, এ ধরণের ঘটনা সংযুক্ত আরব আমিরাতে এই প্রথম। বিশ্বেও এ ধরনের ঘটনা বিরল।
ঘটনাটি দেশটির স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তির উন্নতির পরিচয় বহন করছে উল্লেখ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নবজাতকের মাকে গত সপ্তাহে দাফন করা হয়েছে।

এদিকে নবজাতকের মায়ের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে গালফ নিউজ। তবে তার পরিবারের কারো সঙ্গেই যোগাযোগ করা যায়নি।

সূত্রঃ বার্তা২৪.নেট

৮৫

(০ replies, posted in ভিন্ন জগত)

সত্যিই বিস্ময়কর! একটি গ্রহ আবর্তন করছে একটি নয়, দুটি সূর্যকে। কেপলার টেলিস্কোপের মাধ্যমে এই প্রথম দেখা গেছে একটি গ্রহ একই কক্ষপথে দুটি সূর্যকে আবর্তন করছে। আজ শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এ কথা জানায়। খবর বিবিসির।
বিষয়টি যেন কাকতালীয়ভাবে স্টার ওয়ারস সিনেমার টেটুন গ্রহের সঙ্গে মিলে গেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, সিনেমার কাল্পনিক চরিত্র লুক স্কাইওয়াকারের মতো কেউ হয়তো গ্রহটিতে নাও থাকতে পারেন।
পৃথিবী থেকে ২০০ আলোকবর্ষ দূরে এই গ্রহটিতে দুটি সূর্য থাকায় সেখানে সূর্যাস্তও হয় দুবার। তবে কেপলার-১৬বি নামের এ গ্রহটির দুটি সূর্যই আমাদের সূর্যের চেয়ে ছোট। আমাদের সূর্যের তুলনায় একটির আয়তন ৬৯ শতাংশ ও অপরটি ২০ শতাংশ ছোট। সেখানে উপরিভাগের তাপমাত্রা মাইনাস ৭৩ থেকে মাইনাস ১০১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রহটি একই কক্ষপথে প্রতি ২২৯ দিনে একবার সূর্যদ্বয়কে প্রদক্ষিণ করে।
গবেষণা দলের সহযোগী অ্যালান বস বলেন, ‘কেপলারের মাধ্যমে এটি সত্যিই একটি অবিশ্বাস্য পর্যবেক্ষণ।’
এ গ্রহটিতে শনি গ্রহের মতো বসবাসের অনুপযোগী ঠান্ডা গ্যাস থাকতে পারে। আগে ধারণা করা হতো, কোনো গ্রহের হয়তো দুটি সূর্য থাকতে পারে। কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে এটাই প্রথম নিশ্চিত করা হয়েছে।

সূত্রঃ প্রথম আলো

তুমিই পারবে

- সুজন পাল


তুমিই পারবে
এক অন্ধকে তার পথ চলায় সহায়তা করতে
যে তোমাকে প্রাণ ভরে দোয়া করবে,

তুমিই পারবে
এক শ্রমিকের কপালের ঘাম মুছে দিতে
যে অবিশ্রান্ত পরিশ্রম করবে।

তুমিই পারবে
এক নিরক্ষর ব্যক্তিকে শিক্ষার আলো দেখাতে
যার মধ্যে আছে প্রতিভার ভাণ্ডার,

তুমিই পারবে
এক দুঃখিনী বিধবার মুখে অন্ন তুলে দিতে
ছিল না যার কাছে ক্ষুধার খাবার।

তুমিই পারবে
শোষকের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ জানাতে
যে কেড়েছে অনেক গরীবের অর্থ,

তুমিই পারবে
এক দরিদ্র ছাত্রকে আর্থিক সহায়তা করতে
লেখাপড়া ছাড়া যার জীবন ব্যর্থ।

তুমিই পারবে
এক ভিক্ষুকের থালায় দুইটা টাকা রাখতে
যা তার কাছে মূল্যবান সম্পদ,

তুমিই পারবে
এক পিপাসুকে একটু ঠাণ্ডা পানি দিতে
তপ্ত রোদ্রে পুড়েছে যার পদ।

তুমিই পারবে
এক কঙ্কালসার কৃষকের মাথায় ছাতা ধরতে
রোদ-বৃষ্টি যার মাথার উপর,

তুমিই পারবে
বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে পরিচিত করাতে
যদি থাকে একটু ইচ্ছা - করার।

শিক্ষার ফল
- সুজন পাল


শিক্ষার শেকড় তেতো হলেও মিষ্টি যে তার ফল,
এই কথাটা বলে গেছেন জ্ঞানী এরিস্টটল।

পড়তে হবে সকল প্রকার জ্ঞানযুক্ত বই,
তবেই পাবি শিক্ষার গাছে ওঠার একটা মই।

শিক্ষার ফল পাবার জন্য করবি কঠোর সাধনা,
নইলে বাকি জীবন কাটবে সাথে নিয়ে বেদনা।

প্রয়োগ করবি শিক্ষার ফল জীবনের প্রতি কাজে,
জীবন তাহলে সজ্জিত হবে অপরূপ এক সাজে।

কাজে লাগালে শিক্ষার ফল জনগনের কল্যাণে,
সকল দিকেই উন্নতি হবে - উন্নতি হবে জীবনে।

এই কথাটা তোরা সবাই মনে রাখিস ভাই,
শিক্ষার চেয়ে বড় পাওয়া জীবনে আর নাই।

স্বদেশ শ্রেষ্ঠ
- সুজন পাল


তুমিই সজীব, তুমিই সবল, তুমিই জাতির নেতা,
স্বদেশের তরে কাজ করে যাও, তুমিই শান্তিক্রেতা।

তুমিই সঠিক, তুমিই সত্য, তুমিই দেশের প্রাণ,
স্বদেশের তরে হাসিমুখে তাই জীবনটা করো দান।

স্বদেশের তরে জীবন দানে তো নাই জীবনের ক্ষয়,
স্বদেশের কাজে এগিয়ে আসতে কেন তবে পাও ভয়?

যে দেশ তোমায় এতটা দিয়েছে, দিয়েছে থাকার ঠাই,
সে দেশ কে তুমি কতটা দিয়েছ, এইবার বলো, ভাই।

দেহে যতদিন প্রাণখানি আছে, গড়িয়া তাহাকে তোল,
স্বদেশ শ্রেষ্ঠ, স্বদেশ শ্রেষ্ঠ - সর্বদা তাই বলো।

সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ও বিডিএস প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষা এক সপ্তাহের জন্য পিছিয়ে দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৩ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৩০ সেপ্টেম্বর। প্রশ্নপত্র ফাঁসের আশঙ্কায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সরকার এ সিদ্ধান্ত নেয়। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক শাহ আবদুল লতিফ প্রথম আলোকে বলেন, স্বাস্থ্যশিক্ষা ব্যুরোর সরকারি প্রেস থেকে শাহেনশাহ ঠাকুর নামের এক শ্রমিক পোশাকের ভেতরে লুকিয়ে প্রশ্নপত্র বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন। মূলত এ কারণেই পরীক্ষা পেছানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত শাহেনশাহ বর্তমানে গুলশান থানা পুলিশের জিম্মায় আছেন।

গুলশান থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, শাহেনশাহ ঠাকুরকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। তাঁর সঙ্গে কেউ জড়িত আছে কি না, এখন পর্যন্ত সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। তবে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে, শাহেনশাহর অক্ষরজ্ঞান নেই।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গুলশান থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছে। ওই এজাহারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২০১১-১২ সালের এমবিবিএস/বিডিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষার মুদ্রণকাজ ১০ সেপ্টেম্বর থেকে স্বাস্থ্যশিক্ষা ব্যুরোর সরকারি প্রেসে শুরু হয়। ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে দৈনিক ভিত্তিতে নিযুক্ত শ্রমিক শাহেনশাহ ঠাকুর কারখানা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় প্রেসম্যান মো. সালাম তাঁর পোশাকের ভেতর থেকে প্রশ্নপত্রের একটি অনুলিপি উদ্ধার করেন। সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বিষয়টি র্যাব ও পুলিশকে জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ধারণা করছে, প্রশ্নপত্র পাচারকারী ওই ব্যক্তির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে। এ বিষয়ে র্যাবের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত এক চিঠিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (শিক্ষা) শাহ আবদুল লতিফ বলেন, কুচক্রী মহল, প্রতারক ও দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিরা কোচিং সেন্টারের নামে বা ব্যক্তিগতভাবে ছাত্র ভর্তি করিয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে মোটা অঙ্কের টাকার লেনদেন করছে। তাই গোয়েন্দা নজরদারি ও নিরাপত্তা টহল বাড়াতে র্যাবের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সূত্রঃ প্রথম আলো

ধন্যবাদ ভাই। ভালো লাগলো জেনে...

imran hassan wrote:

pl  tell how to  unlock after locking in xp

ভালো প্রশ্ন তো !! সব যদি লক করে দিই, তাহলে লক খুলবো কীভাবে? আমারও প্রশ্ন রইল...

আপনার মত গুণী ডাক্তার কে পেয়ে ভালো লাগছে।
ফোরামে স্বাগতম
আশা করছি, প্রতিদিন একবার হলেও এখানে আসবেন আর নতুন কিছু শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ।

http://i.imgur.com/qakSG.jpg


রূপ দেখে তুই ভুলিস না ভাই, করিস না তুই প্রেম,
রূপ নারীদের প্রধান অস্ত্র – এই আমি বললেম।

রূপের কদর আজকে করবি, কালকে করবি না রে,
পরশু দিনকে আমার নিষেধ টের পাবি হারে হারে।



“রূপের চাইতে মন বড়” – এই প্রবাদে আস্থা রাখ,
রূপের মূল্য এক আনা আর মনের একশো লাখ।

সুন্দর মন যেসব নারীর, তাদের সঙ্গে চল,
জীবন যুদ্ধে এগিয়ে যাবার তারাই প্রধান বল।

http://sujonhera.files.wordpress.com/2011/09/view-cgicopy.jpg?w=300&h=350

নদী বয়ে চলেছে আপন গতিতে। গাছে গাছে ফুল ফোটে। আকাশে পাখি উড়ে- আপন মনে গান গায়। হাজার বছর ধরে যেই জীবনধারা বয়ে চলেছে, তাতে আশা-নিরাশা, প্রেম-ভালবাসা, চাওয়া-পাওয়ার খেলা চললেও তা সহজে চোখে পড়ে না, অন্ধকারে ঢাকা থাকে।

কঠিন অচলায়তন সমাজে আর যাই থাকুক, নারীর কোন অধিকার নাই। নারী হাতের পুতুল মাত্র। পুরুষ তাকে যেমন নাচায় তেমন নাচে। নিজের ইচ্ছেতে কাউকে বিয়ে করাটা এমন সমাজে অপরাধ, গুরুতর অপরাধ। অন্ধকার এই সমাজে আনাচে কানাচে বাস করে কুসংস্কার, বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, নারী নির্যাতন।

পরীর দীঘির পাড়ের একটি গ্রামকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে কাহিনী। কখন এই গ্রামের গোড়াপত্তন হয়েছিল কেউ বলতে পারে না। এক বন্যায় “কাষেম শিকদার” আর তার বউ বানের পানিতে ভেলায় ভাসতে ভাসতে এসে ঠাই নিয়েছিল এই জায়গায়। সেই থেকে এখানে পত্তনহয়েছিল শিকদার বাড়ির। শিকদার বাড়ীতে বাস করে বৃদ্ধ “মকবুল” ও তার তিন স্ত্রী সহ “আবুল” “রশিদ”, “ফকিরের মা” “মন্তু” এবং আরো অনেকে।

বৃদ্ধ মকবুলের অষ্টাদশি বউ টুনির মনটা মকবুলের শাসন মানতে চায় না । সে চায় খোলা আকাশের নিচে বেড়াতে, হাসতে, খেলতে । তাই সঙ্গী হিসেবে বেছে নেয় অল্প বয়সী সঠামদেহী মন্তুকে । মন্তু বাবা-মা হারা অনাথ। বিভিন্ন কাজ করে বেড়ায় । টুনি আর মন্তু সকলের অগোচরে রাতের বেলায় বেরিয়ে পড়ে মাছ ধরতে । বর্ষায় যায় শাপলা তুলতে। এমনি করে দুজন দুজনার কাছে এসে যায়। অব্যক্ত ভালবাসার জোয়ারে ভাসে ওরা দু’জন। কিন্ত কেউ মুখ ফুঁটে বলতে পারেনা মনের কথা, লোক লজ্জার ভয়ে । সমাজের রক্ত চক্ষু ওদের দুরে রাখে।

গাঁও গেরামে যা হয়, কলেরা বসন্তের মড়ক লাগলে উজাড় হয়ে যায় কয়েক ঘর মানুষ। ডাক্তার না দেখিয়ে টুকটাক তাবিজ করে, এভাবেই দিন চলে। মকবুলের আকস্মিক মৃত্যর পর মন্তু যখন মনের কথা টুনিকে খুলে বলে তখন অনেক দেরী হয়ে গেছে। গুন মোল্লা, আবুল, রশিদ, ফকিরের মা, সালেহা কেই নেই। টুনির সঙ্গে মন্তুর অনেকদিন দেখা হয়নি। টুনি হারিয়ে গেছে ওর জীবন থেকে। তবুও টুনিকে মাঝে মাঝে মনে পড়ে মন্তুর।

এমনি করে অনেকটা সময় পার হয়েছে। রাতের বেলা সুরত আলীর ছেলে ওর বাপের মতোই পুঁথি করে- “শোন শোন বন্ধুগনে শোন দিয়া মন, ভেলুয়ার কথা কিছু শোন সর্বজন।” ভেলুয়া সুন্দরীর কথা সবাই শানে। একই তালে, একই সুরে হাজার বছরের অন্ধকার এক ইতিহাস নিয়ে এগিয়ে চলে সবাই। হাজার বছরের পুরনো জ্যোৎস্না ভরা রাতে একই পুঁথির সুর ভেসে বেড়ায় বাতাসে। কালের আবর্তে সময় গড়ায়। প্রকৃতিতেও পরিবর্তন আসে। শুধু পরিবর্তন আসেনা অন্ধকার, কুসংস্কারাছন্ন গ্রাম বাংলার আচলায়াতন সমাজে।

এই কালজয়ী উপন্যাসটি আমাদের দেশে মাধ্যমিক স্তরে সহজপাঠ্য হিসেবে পড়ানো হয়। এর PDF ভার্শন ডাউনলোড করুন এখান থেকে।

http://i.imgur.com/KU3NH.jpg

বিজয়ীরা ভিন্ন কিছু করে না ।
তারা একই কাজ ভিন্নভাবে করে ।

এটা শিব খেরার অন্যতম একটা উক্তি।

আমার কাছে বইটি অনেক ভালো লাগে। কারণ, একজন মানুষের সাফল্যের পথে যত বাধা আসে, সেগুলোকে কীভাবে পার করে বিজয়ী হওয়া যায়, তা লেখা আছে এই বইয়ে।

এর মূল ইংরেজি ভার্শনটি মিডিয়াফায়ারে আপলোড করে দিলাম।

একবার পড়ে দেখুন।

নিশ্চয়ই কিছু পরিবর্তন আসবে আপনার দৃষ্টিভঙ্গিতে…

সুমন পাল wrote:

তবে এখন গরীব অনেক ভাল আছে মধ্যবিত্তের চাইতে।

কথা সত্য। মধ্যবিত্তের অবস্থা এখন সবচেয়ে খারাপ। কারণ, তাদের অনেক, সাধ্য কম। সাধ ও সাধ্যের মধ্যে বিস্তর ফারাক। ধনীদের এই ফারাকটা নাই। আর গরীবের তো সাধ বলতে কিছুই নাই, সাধ্য ও নাই।

Deb Jyoty Roy wrote:

কবিতা পড়ে কেন জানি না মনে হল নরম গদিতে ঘুমানোটা আমার অপরাধ।

এটা তোমার অপরাধ না। আমাদের সমাজ ব্যবস্থার অপরাধ...

সকল ফোরামিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি
কেক আনছি, কেক !
http://i.imgur.com/ZUknp.gif
বলেন তো, কেন???
কারণ, আজ হ্যাপি বার্থডে !!
http://i.imgur.com/V6f2l.gif
কার বার্থডে, জানেন???
আমাদের আরএমসি ফোরাম এর এডমিন...
তৌফিক হাসান শাওন
অর্থাৎ...
sawontheboss4
এর বার্থডে আজ !!
http://i.imgur.com/unQ4B.jpg
শুভ জন্মদিন তৌফিক
http://i.imgur.com/dDxqI.gif
RMCFORUM কে এগিয়ে নিয়ে যাও অনেক দূরে, এই কামনা করি...
জীবনে অনেক বড় কিছু হবে-এই প্রত্যাশা রইল...

Deb Jyoty Roy wrote:

ভালো লাগে নি কবিতাটা

মতামতের জন্য ধন্যবাদ। খারাপ লাগার কারণটা বললে উপকৃত হতাম...

sawontheboss4 wrote:

অসাধারণ লাগলো
রেপু প্রাপ্য, দিয়ে দিলাম।

ধন্যবাদ রেপুর জন্য।
কিছু নির্মম সত্য কথা লিখলাম কবিতাটিতে...