বেশি কিছুই ভালো নয়। জেনে না জেনে প্রতিদিনই আমরা খাদ্যে নানাভাবে চিনি গ্রহণ করছি। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শরীরে। আলোচনা করেছেন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যাপক ডা. এ আর এম সাইফুদ্দীন একরাম

জনপ্রিয় একটি কনডেন্সড মিল্কের বিজ্ঞাপনে একসময় বলা হতো, 'বাড়তি চিনি কী দরকার?' অর্থাৎ ওই দুধে যে পরিমাণ চিনি আছে তাতে আর বাড়তি চিনি দেওয়ার দরকার নেই। ক্রেতা হয়তো ভাবতো, আরে এখানেই তো লাভ! বাস্তবে কিন্তু বিস্তর ক্ষতি।
দৈনন্দিন খাবার ও পানীয়ের অনেকগুলোতেই অতিরিক্ত চিনি কিংবা বাড়তি কৃত্রিম শর্করা যোগ করা থাকে। নিয়মিত এসব বাড়তি চিনিযুক্ত খাদ্য-পানীয় গ্রহণ করায় স্থূলতাসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়ছে। তাই বলে কি এসব শর্করা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে? বাদ দিতে হবে খাদ্য তালিকা থেকে? নিশ্চয়ই নয়। কারণ শরীরের জন্যই শর্করা দরকার। কিন্তু তার মাত্রা যাতে বেশি না হয় খেয়াল রাখতে হবে সেটাই।
স্বাস্থ্যকর অধিকাংশ খাদ্যদ্রব্যেই কিছু না কিছু শর্করা থাকে। কারণ সুষম খাদ্যের অন্যতম উপাদান এই শর্করা। সমস্যা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুড এবং পানীয়তে থাকা বাড়তি চিনি এবং শর্করা। এটা শুধু খাবারে ক্যালরির মাত্রা বাড়ানো ছাড়া আর কোনো কাজে লাগে না। তা ছাড়া ফাস্টফুড এবং নানা রকম পানীয়, ক্যান্ডি, চুইংগাম, চকোলেট, জ্যাম, জেলি এসব বাড়তি চিনিযুক্ত খাবারে প্রকৃত পুষ্টিগুণ সামান্যই থাকে। তাই বলা যায় জনস্বাস্থ্যের জন্য এসব খাবার এক ধরনের হুমকি।
মনে প্রশ্ন আসতে পারে, শর্করা কি শরীরে কোনো কাজে লাগে?
প্রাকৃতিক কিংবা প্রক্রিয়াজাত সব শর্করাই শরীরে শক্তি উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রাকৃতিক খাবার যেমন চাল, গম, ভুট্টা, ফলমূল, সবজি, দুধ ইত্যাদির শর্করা দেহে শক্তির প্রধান উৎস।
কিন্তু প্রক্রিয়াজাত বিভিন্ন ফাস্টফুড এবং পানীয়ের সঙ্গে বাড়তি চিনি যোগ করা হয় কেন?
বেশ কয়েকটি কারণে তা করা হয়_
ফাস্টফুড ও পানীয়কে সুস্বাদু করে।
* বেকারির খাবারে বিশেষ রং ও গঠন দেয়।
* জ্যাম, জেলি প্রভৃতি সংরক্ষণে সাহায্য করে।
* গাজন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, ফলে রুটি জাতীয় খাবার ফুলে ওঠে।
* ভিনেগার ও টমেটো সমৃদ্ধ খাবারের অম্লত্ব প্রশমন করে।
অতিরিক্ত চিনি যোগ করায় বাড়তি কিছু উপকারিতা আছে সন্দেহ নেই। কিন্তু এর সঙ্গে প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার্থে কিছু চর্বিও যোগ করা হয়। চর্বি এবং বাড়তি চিনিকে একসঙ্গে সোফাস বলে। কোনো কোনো খাবারের মোট ক্যালরির এক-তৃতীয়াংশ আসছে সোফাস থেকে। যখন কারো দৈনিক ক্যালরি চাহিদার এত বেশি অংশ চর্বি এবং চিনি থেকে আসে, তখন বুঝতে হবে ওই খাবার কোনোভাবেই স্বাস্থ্যপ্রদ নয়।
বেশি চিনি যেসব স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করে_
* বেশি চিনি মানেই অতিরিক্ত ক্যালরি। এসব খেয়ে পরিমাণের তুলনায় বাড়তি ক্যালরি গ্রহণ করা হয়। ফলে ওজন বাড়ে।
* চিনি দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে লেগে থেকে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঘটায়। ফলে দাঁত ক্ষয় হয়। বিশেষত চকোলেট, ক্যান্ডি, চুইংগাম, কেক-পেস্ট্রি জাতীয় খাবার ঘন ঘন গ্রহণ করলে এ ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়। এ জন্য দেখা যায় বহু শিশু-কিশোরের দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো নয়।
* ফাস্টফুড ক্যালরি চাহিদা পূরণ করে, কিন্তু অন্যান্য পুষ্টি উপাদান যেমন প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ উপাদান ইত্যাদির আনুপাতিক ঘাটতি খাদ্যে রয়েই যায়। ফলে শরীর অপুষ্টি বা অপপুষ্টির শিকার হয়।
* বাড়তি চিনি রক্তে ট্রাইগি্লসারাইডের
পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, যা রক্তনালিতে জমে গিয়ে হার্ট অ্যাটাকসহ বহু রোগের কারণ হয়ে
দাঁড়ায়।
তাহলে দৈনিক খাবারে কতটুকু চিনি নিরাপদ?
এর কোনো সঠিক পরিমাণ নির্দেশ করা যায় না। তবে বলা যায়, খাবারে চিনি যতটা সম্ভব কমানোটাই ভালো। সার্বিকভাবে যে কারো দিনে পাঁচ থেকে ১৫ শতাংশের বেশি ক্যালরি সোফাস থেকে আসা উচিত নয়।
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, কোনো মহিলার দৈনিক খাদ্য তালিকায় ১০০ ক্যালরি, আর পুরুষের জন্য এটা ১৫০ ক্যালরির বেশি হওয়া উচিত নয়। অর্থাৎ সারা দিনের খাবারের তালিকায় ছয় চা চামচ (মহিলাদের জন্য) থেকে নয় চা চামচ (পুরুষদের জন্য) বেশি বাড়তি চিনি থাকা উচিত নয়। অধিকাংশ পশ্চিমা নাগরিক দিনে ২২ চা চামচ অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ করে থাকে। দেশেও এর হার খুব একটা নগণ্য নয়। এখানে সরাসরি চিনি গ্রহণের কথা কিন্তু বলা হচ্ছে না। আলাদাভাবে চিনি ও খাদ্যদ্রব্যে থাকা মোট চিনির পরিমাণকে বোঝানো হচ্ছে।
তাহলে কিভাবে খাবারে চিনির প্রভাব কমাবেন? নিচের উপায়গুলো বিবেচনা করতে পারেন।
* সরাসরি চিনিযুক্ত খাদ্য (মিষ্টি, পায়েস ইত্যাদি) যতটা সম্ভব বাদ দিন।
* ক্যান্ডি, চুইংগাম, চকোলেট, আইসক্রিম, কেক পেস্ট্রি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।
* কেক, কুকি এবং অন্যান্য মিষ্টি স্ন্যাকসের পরিবর্তে তাজা ফলমূল খান।
* মিষ্টি ফলের পরিবর্তে কম মিষ্টি কিংবা টক ফলকে প্রাধান্য দিন।
* মিষ্টি সিরাপে সংরক্ষিত কৌটাজাত খাদ্য এড়িয়ে চলুন।
* ফলের রস এবং কোমল পানীয়ের পরিবর্তে দুধ, ডাবের পানি কিংবা সাধারণ পানি পান করুন।
* চা-কফিতে চিনি ব্যবহার না করাই ভালো কিংবা কম করতে পারেন।
অনেক সময় বাজারে কোন খাদ্যে চিনি আছে তা বোঝা যায় না। খাবারে চিনির পরিমাণ জানার জন্য মোড়কের গায়ে লেখা উপাদানের তালিকা দেখতে পারেন। নিজের সাধারণ জ্ঞানও কাজে লাগাতে পারেন।
নিচের খাবারগুলোর ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে পারেন।
* বাদামি চিনি বা ব্রাউন সুগার_মোলাসেসযুক্ত দানাদার সাদা চিনি বেকিংয়ের জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়।
* আখের রস এবং আখের সিরাপ_এটাকে পরিশোধন করলেই সাদা চিনি পাওয়া যায়।
* ডেঙ্ট্রোজ_গ্লুকোজের আরেক নাম।
* ফ্রুক্টোজ_ফল, মধু এবং সবজি থেকে পাওয়া চিনি, যা শরীরে গিয়ে গ্লুকোজে রূপান্তরিত হতে পারে।
* মধু_এতে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রোজের মিশ্রণ যুক্ত চিনি থাকে।
* ম্যাল্টোজ_বিয়ার, রুটি এবং শিশু খাদ্যে ব্যবহৃত চিনি।
* মল্ট সিরাপ_শস্যবাটা এবং সদ্য অঙ্কুরিত বার্লি থেকে প্রস্তুত করা মিষ্টি রস।
* মোলাসেস_আরেক নাম চিটাগুড়।
এবার নিজেই হিসাব করুন সারা দিনে যে খাবার খাচ্ছেন তাতে কতটা বাড়তি চিনি শরীরে ঢুকছে! যদি মনে হয়, চিনির পরিমাণ বেশি হচ্ছে, আজই কমানো শুরু করুন।

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ

ঢাকা গ্লাডিয়েটরসঃ

(১) মোহাম্মাদ আশরাফুল
(২) শহীদ আফ্রিদি
(৩) কিয়েরন পোলারড
(৪) ইমরান নাজির
(৫) রানা নাভেদ
(৬) ম্যাক গিল
(৭) কারভেজি
(৮) নাজিমুদ্দিন
(৯) মাশরাফি মূর্তজা
(১০) ইলিয়াস সানি
(১১) নাজমুল হুসাইন
(১২) আফতাব আহমেদ
(১৩) মোশারফ হোসেন
(১৪) ধীমান ঘোষ
(১৫) আনামুল হক
(১৬) তানভীর হায়দার
(১৭) স্টিভেন

চিটাগাং কিংসঃ

(১) তামিম ইকবাল
(২) শোয়েব মালিক
(৩) কাইল কদযা
(৪) ব্রাভো
(৫) মুত্তিয়া মুরালিথরন
(৬) নাসির জামসেদ
(৭) লেন্ডল সিমন্স
(৮) কুপার
(৯) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
(১০) ফরহাদ রেজা
(১১) জহুরুল ইসলাম
(১২) ফয়সাল হোসেন
(১৩) আরাফাত সানি
(১৪) এনামুল হক জুনিয়র
(১৫) জিয়াউর রহমান
(১৬) শামসুর রাহমান
(১৭) শাঞ্জামুল ইসলাম
(১৮) জেরম টেলর

বরিশাল বারনারসঃ

(১) শাহরিয়ার নাফিস
(২) ক্রিস গেইল
(৩) ইয়াসির আরাফাত
(৪) ব্র্যাড হজ
(৫) আহমেদ শেহজাদ
(৬) হামিদ হাসান
(৭) রমিজ রাজা
(৮) সোহরাওয়ার্দী শুভ
(৯) মিঠুন আলী
(১০) কামরুল ইসলাম রাব্বি
(১১) আলাউদ্দিন বাবু
(১২) আল আমিন
(১৩) নাজমুল হোসেন অপু
(১৪) সোহাগ গাজী
(১৫) মমিনুল হক
(১৬) ফরহাদ হোসেন

দুরন্ত রাজশাহীঃ

(১) মুশফিকুর রহিম
(২) আব্দুল রাজ্জাক
(৩) মারলন সামুয়েলস
(৪) শন ইরভাইন
(৫) ইমরান তাহির
(৬) রিজওয়ান চিমা
(৭) মোহাম্মাদ সামি
(৮)কায়সার আববাস
(৯) ফাওয়াদ আলম
(১০) জুনায়েদ সিদ্দিক
(১১) সাব্বির রহমান
(১২) মুক্তার আলী
(১৩) সৈয়দ রাসেল
(১৪) সৌম্য সরকার
(১৫) সাকলাইন সজীব
(১৬) আরিফুল হক
(১৭) মিজানুর রহমান
(১৮) আসিফ আহমেদ রাতুল

সিলেট রয়্যালসঃ

(১) অলক কাপালি
(২) ব্রাড হগ
(৩) সোহেল তানভীর
(৪) ড্যারেন স্যামি
(৫) কামরান আকমল
(৬) গ্যারি কিডি
(৭) পিটার ট্রেগ
(৮) নাইম ইসলাম
(৯) ইমরুল কায়েস
(১০) ফয়সাল ইকবাল
(১১) রুবেল হোসেন
(১২) নাদিফ চৌধুরী
(১৩) নুর হোসেন
(১৪) আরাফাত সালাউদ্দিন
(১৫) শুভাগত হোম
(১৬) তালহা জুবায়ের
(১৭) নাবিল সামাদ

খুলনা রয়েল বেঙ্গলসঃ

(১) সাকিব আল হাসান
(২) হারশেল গিবস
(৩) আন্দ্রে রাসেল
(৪) সানাথ জয়সুরিয়া
(৫) নীল ওব্রায়েন
(৬) স্মিথ
(৭) জেমস বাটলার (Eng)
(৮) শিব নারায়ন চন্দরপাল
(৯) নাসির হোসেন
(১০) আব্দুর রাজ্জাক
(১১) শাফিউল ইসলাম
(১২) ডলার মাহমুদ
(১৩) মার্শাল আইয়ুব
(১৪) মাইশুকুর রহমান
(১৫) সগির হোসেন
(১৬) শাহাদাত হোসেন
(১৭) নাজমুল হোসেন মিলন
(১৮) ফিদেল এডওয়ার্ডস

http://i.imgur.com/iwWsT.jpg

আপনি কি আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হবার ভয়ে শংকিত?
আর ভয় নাই! এবার সবাইকে বলে দিন আপনার ফেসবুকের ইমেইল আর পাসওয়ার্ড! কেউ ঢুকতে পারবে না আপনার আইডিতে!
কীভাবে?
এইভাবে...

১/ প্রথমে একটা পিসি ব্রাউজারে আপনার ফেসবুক আইডি লগ ইন করুন।এবার এখানে যান।  [যদি আগে থেকেই আপনার FACEBOOK MOBILE চালু থাকে, তবে এই স্টেপ আপনার জন্য বাদ।] স্টেপ বাই স্টেপ ফলো করুন। ADD MOBILE NUMBER এ ক্লিক করে আপনার মোবাইল থেকে চিত্রে বর্ণিত উপায়ে এসএমএস পাঠান। ফিরতি এসএমএস এ প্রাপ্ত কোডটি বসিয়ে NEXT চাপুন।

http://i.imgur.com/vYQM5.jpg

http://i.imgur.com/DcUwp.jpg

২/  এবার এখানে যান। বাকিটা ছবি দেখলেই বুঝতে পারবেন। কোনটার পর কোনটা ক্লিক করতে হবে, তা ছবিতে নাম্বার দিয়ে দেখানো আছে। আপনার মোবাইলে ৬ ডিজিটের একটা কোড আসবে। সেটা বসিয়ে SUBMIT CODE এ ক্লিক করুন।

http://i.imgur.com/0EmwG.jpg

http://i.imgur.com/Uygeb.jpg

http://i.imgur.com/v7tnc.jpg

http://i.imgur.com/rTV3g.jpg

http://i.imgur.com/IIH9C.jpg

এখন থেকে কোন নতুন মোবাইল/কম্পিউটারে আপনার ফেসবুক আইডি লগইন করতে গেলে আপনার মোবাইলে ৬ ডিজিটের একটা কোড আসবে। সেটা বসালে তবেই আপনি লগইন করতে পারবেন, নইলে নয়! আর সেই মোবাইল/কম্পিউটারটা RECOGNIZED DEVICE হিসেবে সেভ হয়ে থাকবে। অর্থাৎ, পরেরবার আর এরকম কোড দিয়ে লগইন করতে হবে না।

তাহলে আর কিসের ভয়? কেউ আপনার ইমেইল আর পাসওয়ার্ড জানলেও এই কোডটি না জানলে আপনার আইডিতে ঢুকতে পারবে না। আর এই কোডটি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আসে। বিভিন্ন ডিভাইস থেকে বিভিন্ন আসে। এখন শুধু এটুকু নিশ্চিত করুন, আপনার মোবাইল টা যেন বেহাত না হয়। আর মোবাইল হারালেও ভয় নেই। যেকোনো RECOGNIZED DEVICE থেকে আপনি আপনার ফেসবুক আইডি তে ঢুকতে পারবেন। ঢুকে মোবাইল নাম্বারটা চেঞ্জ করে দিবেন। আর সাথে নতুন সিম কার্ড তুলে নিবেন CUSTOMER CARE এ গিয়ে! তাহলেই হল।

18th edition এর জন্য অনেক ধন্যবাদ।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে (ডিএমসিএইচ) মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করার বিরোধিতায় নেমেছেন প্রতিষ্ঠানটির নার্স ও কর্মচারীরা। এ ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগেই প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে তাঁরা কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন।
জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, হাসপাতাল বিশ্ববিদ্যালয় হবে, এমন কোনো নির্দেশনা তিনি পাননি। তার পরও কর্মচারীরা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, দাবি আদায়ের নামে চিকিৎসায় ব্যাঘাত ঘটাতে দেওয়া হবে না।
হাসপাতালের সাধারণ কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা মনে করছেন, ডিএমসিএইচকে বিশ্ববিদ্যালয় করা হলে গরিব রোগী ভর্তির সুবিধা কমে যাবে। তাঁরা বিনা মূল্যে ওষুধও পাবেন না। এ কারণে তাঁরা চান না ঢাকা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হোক। এর আগে গত বৃহস্পতিবার এসব দাবি আদায়ের নামে কর্মচারীরা বহির্বিভাগ অচল করে দেন। ওই দিন চিকিৎসা না পেয়ে অনেক নারী ও শিশু ফিরে যান।
কর্মচারীরা জানান, ডিএমসিএইচকে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করার প্রস্তাব রোববারের মধ্যে প্রত্যাহার করা না হলে ১৬ থেকে ১৯ জানুয়ারি কালো ব্যাজ ধারণ, ২১ থেকে ২৪ জানুয়ারি বেলা ১১টা থেকে এক ঘণ্টা করে বিক্ষোভ করবেন নার্স ও কর্মচারীরা।
কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক সাবিনা শারমীন প্রথম আলোকে বলেন, এক হাজার ৭০০ শয্যার এ হাসপাতালে এখন গড়ে প্রতিদিন তিন হাজার রোগী থাকেন। ডিএমসিএইচকে বিশ্ববিদ্যালয় করা হলে নির্ধারিত শয্যার বেশি রোগী ভর্তি করা হবে না। আবার রোগীকে ১০ টাকার বদলে ৩০ টাকায় টিকিট কিনতে হবে।
সংগ্রাম পরিষদের সদস্যসচিব আবদুল খালেক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর হলেই প্রতিষ্ঠানটি স্বায়ত্তশাসিত হবে। কথায় কথায় কর্মচারীদের চাকরি হারাতে হবে। সরকারি কর্মচারী বলে তাঁদের এখানে থাকতেও দেবে না কর্তৃপক্ষ। তিনি বলেন, দাবি পূরণ না হলে সারা দেশে স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মচারীদের বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ অ্যালামনাই ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মো. ফজলুল হক প্রথম আলোকে বলেন, এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় হলেও প্রতিষ্ঠানটি সরকারের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে। পিজি হাসপাতালকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করার আগে কর্মচারীরা এভাবে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তাঁরা ভুল বুঝতে পারেন। তিনি বলেন, এতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়ন হবে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কর্মচারীকে বদলিও হতে হবে না। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির পর ঢাকা মেডিকেলকে বিশ্ববিদ্যালয় করার প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।
সূত্র জানায়, গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক বায়েজীদ খুরশীদ রিয়াজের সই করা চিঠিতে বলা হয়, গত ১২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ অ্যালামনাই ট্রাস্ট ও কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে ঢাকা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় করার প্রস্তাব করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এ প্রস্তাবে সম্মতি দেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

সূত্রঃ প্রথম আলো

যাঁরা সাম্প্রতিক বিষয় সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন, তাঁরা অনেক বেশি স্বাস্থ্য সচেতন হন। এ কারণে তাঁরা বেশিদিন বাঁচেন—এমনই দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।
সম্প্রতি ইতালিতে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মানুষ বেশি বেশি সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও ইন্টারনেটের সংস্পর্শে থাকেন, তাঁরা বেশি স্বাস্থ্যকর খাবার খান। অন্যদিকে গণমাধ্যম থেকে দূরে থাকা মানুষ স্বাস্থ্যকর খাবারের সন্ধান কম পান।
‘ক্যাথোলিক ইউনিভার্সিটি অব রোমে’র চিকিত্সক অ্যামেরিকো বোনানি ওই গবেষণায় নেতৃত্ব দেন। এতে দেখা যায়, গণমাধ্যমের সংস্পর্শে থাকলে মানুষ বেশি বেশি স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক তথ্য পায়। এতে তারা বেশি স্বাস্থ্যসচেতন হয়ে ওঠে। গবেষকেরা এক হাজার প্রাপ্ত বয়ষ্ক মানুষের ওপর জরিপ করে দেখেন, বেশি তথ্য পাওয়ার সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের সম্পর্ক রয়েছে।
‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব পাবলিক হেলথ’ সাময়িকীতে প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, গণমাধ্যমের নিবিড় সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিরা বেশি পরিমাণ স্বাস্থ্যকর খাবার, তাজা মাছ, ফলমূল, শাকসবজি খান। এ ধরনের খাবার হূদরোগ ও ক্যানসার ছাড়াও মুটিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও কমায়।
এর আগে পরিচালিত আরেকটি গবেষণায় দেখা যায়, মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর গণমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। সে সময় বলা হয়েছিল, ঘরে শুয়ে-বসে টেলিভিশন দেখতে দেখতে মানুষের শরীর অচল হয়ে পড়ে। টেলিভিশন দেখে মানুষ ফাস্ট ফুড খাবার গ্রহণে উত্সাহী হয়ে ওঠে, যা হূদরোগ বা স্থূলকায় হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। কিন্তু সাম্প্রতিক এই গবেষণায় দেখা গেছে, টেলিভিশনে প্রদর্শিত স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান দেখে মানুষ স্বাস্থ্যবিষয়ক নানা টিপস ও তথ্য পাচ্ছে। এতে দিন দিন তারা স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠছে।
জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের কাছে টেলিভিশন দেখা, সংবাদপত্র ও সাময়িকী পড়া এবং ইন্টারনেটে সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট ব্যবহারবিষয়ক প্রশ্নের পাশাপাশি তাদের জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, চিকিত্সা-সম্পর্কিত তথ্য জানতে চাওয়া হয়। গবেষণায় দেখা যায়, যারা সাম্প্রতিক ইস্যুতে বেশি কৌতূহলী তাঁরা বেশি ভালো খাবার খান।
গবেষণায় আরও দেখা যায়, গণমাধ্যমে প্রতিনিয়ত এইচআইভি/এইডস, অ্যালকোহল, ধূমপান, মাদকের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযান চালানোর ফলে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে ইন্টারনেটভিত্তিক সংবাদপত্রগুলোতে আজকাল প্রায়ই স্বাস্থ্যবিষয়ক নানা টিপস, তথ্য সরবরাহ করছে, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের স্বাস্থ্য বিষয়ে আর সচেতন করছে।

সূত্রঃ প্রথম আলো

http://http.cdnlayer.com/prothomalo1998/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2012/01/16/2012-01-16-08-58-00-4f13e6987c3d6-enamul-haque-moni.jpg

খবরটি খুশির। এতে কোনো সন্দেহ নেই। বাংলাদেশের ক্রিকেটের ক্রমোন্নতির পথে একেও অন্যতম সাফল্য হিসেবে ধরে নিতে পারেন আপনি। এই প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের অভিজাত ফরম্যাট টেস্ট ক্রিকেট আম্পায়ারের গুরুদায়িত্ব কাঁধে তুলতে যাচ্ছেন একজন বাংলাদেশি। তিনি আর কেউ নন, জাতীয় দলের সাবেক অলরাউন্ডার ও বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আম্পায়ার এনামুল হক। আগামী ২৬ জানুয়ারি নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার অনুষ্ঠেয় টেস্ট ম্যাচটিতে ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে এসেছে সাবেক এই বাঁ-হাতি স্পিনারের নাম।
২০০৩ সাল থেকে আম্পায়ারিংকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন তিনি। ধাপে ধাপে আম্পায়ারিং সংশ্লিষ্ট সব ধরনের পেশাদারি প্রশিক্ষণই তিনি নিজের ঝুলিতে পুড়েছেন। মাঠে দাঁড়িয়ে পরিচালনা করেছেন ৩৬টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। পাশাপাশি তিনটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে আম্পায়ারিং তো করছেন অনেক দিন থেকেই। বাকি ছিল কেবল টেস্ট ম্যাচটি। সেই স্বপ্নও পূরণ করে ফেলতে চলেছেন তিনি।
২৬ জানুয়ারি থেকে নিউজিল্যান্ডের নেপিয়ারে শুরু হওয়া নিউজিল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার টেস্ট ম্যাচটিতে এনামুল হকের সহযোগী হিসেবে মাঠে নামবেন অসি আম্পায়ার রড টাকার। টিভি আম্পায়ার হবেন নাইজেল লং। টেস্টটিতে ম্যাচ রেফারির দায়িত্বে থাকবেন সাবেক অসি ব্যাটসম্যান ডেভিড বুন।
এনামুল হক গোটা নব্বইয়ের দশকে ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। একসময় দলের বোলিং বিভাগের নেতৃত্বই ছিল এনামুল হকের হাতে। এ দেশের ক্রিকেটে আজ যে বাঁ-হাতি স্পিনারদের রমরমা, সেটির পথ প্রদর্শকও বলা যেতে পারে তাঁকে।
এনামুল যখন ক্রিকেট ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সময়টা কাটিয়েছেন, তখন টেস্ট জগতে বাংলাদেশের অভিষেক হয়নি। তবে যে প্রতিযোগিতা জিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিশ্বকাপে সুযোগ করে নিয়েছিল সেই ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। এনামুল বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম স্কোয়াডেরও সদস্য ছিলেন। ক্যারিয়ারের একেবারে শেষদিকে এসে দেশের হয়ে কয়েকটি টেস্ট খেলারও সুযোগ হয়েছে তাঁর।

সূত্র

গণমাধ্যমে ভেসে বেড়ানো গুঞ্জনটাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো। গত বছর অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো ওয়ানডে দলে ফিরেছেন লিটল মাস্টার শচীন টেন্ডুলকার।
অস্ট্রেলিয়ায় আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের জন্য আজ রোববার ঘোষিত দলে আছেন টেন্ডুলকার।
১৭ সদস্যের দলে ফিরেছেন প্রাভিন কুমারও। ইনজুরির কারণে টেস্ট সিরিজের দলে ছিলেন না এই ফাস্ট বোলার। অসুস্থতা থেকে এখনো সেরে না ওঠায় দলের বাইরে আছেন অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং। ওয়েবসাইট।
স্কোয়াড: মহেন্দ্র সিং ধোনি (অধিনায়ক), বীরেন্দর শেবাগ, গৌতম গম্ভীর, শচীন টেন্ডুলকার, সুরেশ রায়না, বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, রবীন্দ্র জাদেজা, মনোজ তিওয়ারি, পার্থিব প্যাটেল, জহির খান, উমেশ যাদব, ইরফান পাঠান, বিনয় কুমার, প্রাভিন কুমার, রাহুল শর্মা ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

সূত্র

৫৯

(০ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

অঞ্জন দত্তের বিখ্যাত গান, ‘এটা কি ২৪৪১১৩৯?’ গানটি শুনে আমরা জানতে পেরেছি ফোনের ওপাশে থাকা বেলা বোসকে অঞ্জন দত্ত কী বলেছিলেন। কিন্তু বেলা বোস উত্তরে কী বলেছিলেন, সেটা কি কেউ জানে? এত দিন জানত না কেউ। এবার বেলা বোসের অপ্রকাশিত উত্তরগুলো ফাঁস করে দিচ্ছেন আলিম আল রাজি।

বেলা বোস বলেছিলেন
চাকরিটা ওগো পেতেই পারো তুমি
তবুও তোমায় বানাব না যে স্বামী
সম্বন্ধটা ভাঙব কেন, কিসের এত ঠ্যাকা?
চাকরি পেলেও তোমার বাপের আছেই বা কয় ট্যাকা?
স্টার্টিংয়ে ওরা ১১০০ দিক, আমার কী হলো তাতে?
চাইনিজে যেতে ২২০০ লাগে, মরতে চাই না ভাতে।
চুপ কর গাধা মাফ কর মোরে
দে ছেড়ে দে লাইন।
হ্যাঁ, এটাই ২৪৪১১৩৯
বেলা বোস আমি, শুনতে পাচ্ছি ফাইন।
মিটার বাড়ুক তোমার পাবলিক টেলিফোনে
মোবাইল তো আর পারবে না দিতে কিনে।
স্বপ্নের আমি গুষ্টি কিলাই শুনো।
এত দিন ধরে আমি মরি মরি।
রাস্তার কোনো সস্তা হোটেলে
বদ্ধ কেবিনে বন্দী দুজনে
তুমি শুধু টানতে কেবল বিড়ি।
প্রতিদিন আমি বিল দিয়েছি পারব না দিতে আর।
জঞ্জাল ভরা মিথ্যা শহরে হবে না
তোমার আমার টানাটানির সংসার।
চুপ করে তুমি কাঁদছ ফুঁপিয়ে।
ভালো একটা মেয়ে দেখে করে ফেলো এবার বিয়ে।
মরে গেলেও তোমার কাবিনে করব না আমি সাইন।
হ্যাঁ, এটাই ২৪৪১১৩৯।

অঞ্জন দত্ত বলেছিলেন
চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি বেলা শুনছ
এখন আর কেউ আটকাতে পারবে না
সম্বন্ধটা এবার তুমি ভেস্তে দিতে পারো
মা-কে বলে দাও বিয়ে তুমি করছ না
চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি বেলা সত্যি
আর মাত্র কয়েকটা মাস ব্যস
স্টার্টিংয়েই ওরা ১১০০ দেবে তিন মাস পরে কনফার্ম
চুপ করে কেন বেলা কিছু বলছ না
এটা কি ২৪৪১১৩৯
বেলা বোস তুমি পারছ কি শুনতে
১০-১২ বার রং নাম্বার পেরিয়ে তোমাকে
পেয়েছি দেব না কিছুতেই আর হারাতে
হ্যালো ২৪৪১১৩৯ দিন না ডেকে বেলাকে
একটিবার মিটারে যাচ্ছে বেড়ে পাবলিক
টেলিফোনে জরুরি খুব জরুরি দরকার
স্বপ্ন এবার হয়ে যাবে বেলা সত্যি
এত দিন ধরে এত অপেক্ষা
রাস্তার কত সস্তা হোটেলে বদ্ধ্ত কেবিনে বন্দী
দুজনে রুদ্ধশ্বাস কত প্রতীক্ষা
আর কিছুদিন তারপর বেলা মুক্তি
কসবার ওই নীল দেয়ালের ঘর
সাদা-কালো এই জঞ্জালে ভরা মিথ্যে কথার শহরে
তোমার আমার লাল-নীল সংসার
চুপ করে কেন একি বেলা তুমি কাঁদছ
চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি সত্যি
কান্নাকাটির হল্লাহাটির সময় গেছে পেরিয়ে
হ্যালো তুমি শুনতে পাচ্ছ কি
হ্যালো ধুর ছাই হ্যালো
এটা কি ২৪৪১১৩৯?

সূত্র

৬০

(৫ replies, posted in ই-বুক এলাকা)

এখানে দেখুন।

উপল BD wrote:

ফোরামকে আবার জাগিয়ে তুলতে হবে।

সহমত। কিন্তু এডমিন নিজেই পরীক্ষার কারণে অনুপস্থিত!

আপনাকে পুনরায় সুস্বাগতম!

ধন্যবাদ শিমুল।

এডিটিং করে বানিয়ে ফেললাম আমার নতুন মুভির পোস্টার! tongue
মুভির নামঃ SUJ.ONE !!  rock on!
কেমন লাগলো, জানাবেন...
http://i.imgur.com/GVSwL.jpg

সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক...
ঈদে আমরা সবাইকে এসএমএস পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানাই। কেমন হয়, যদি এই এসএমএস গুলো পাঠানো যায় বিনামূল্যে? আর আনলিমিটেড?
নিশ্চয়ই ভালো!

তাহলে এখানে আসুন...

http://i.imgur.com/Mhwvf.jpg

1. country সিলেক্ট করুন।
2. যাকে এসএমএস পাঠাবেন। তার mobile number দিন। [বাংলাদেশ হলে +880 পর্যন্ত দেয়া থাকবে। বাকি টা বসাতে হবে।]
3. আপনার ম্যাসেজ লিখুন।
4. captcha দিন। [ছবিতে দেখা যাচ্ছে, captcha=941, এটা প্রতিবার ভিন্ন ভিন্ন আসবে]
সবকিছু ঠিক থাকলে এরকম আসবে।

http://i.imgur.com/7VYiD.jpg

5. SEND SMS বাটনে ক্লিক করুন।
এরকম আসবে...

http://i.imgur.com/OUf9Z.jpg

আর যাকে পাঠাবেন, তার মোবাইলে আসবে এরকম...

http://i.imgur.com/U2okn.png http://i.imgur.com/BqSEH.png

[আপনার নাম অবশ্যই ম্যাসেজের নিচে লিখে দিবেন, নইলে এটা যে আপনি পাঠিয়েছেন, তা বোঝার কোন উপায় থাকবে না!]

কি? মজা না? তাহলে এবার শুরু করুন ম্যাসেজ চালাচালি!

আপনাকে সহ ফোরামের সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক।  big grin

লিরিক্স তো ভালোই লাগলো, গানগুলো ডাউনলোড করে দেখতে হবে, কেমন লাগে...

বরতা মানে কি? বুঝলাম না...  sad

৬৯

(৩ replies, posted in ই-বুক এলাকা)

dr.shamim wrote:

এখানে দেখ

হাহাহাহা! গুগল মামার ঠিকানা দিলেন! কোনটা ভালো, বুঝব কীভাবে?

খবরটা পড়েই পেট ভরে গেলো!  laughing

উচিৎ তো, কিন্তু এদেশে অনুচিৎ কাজই বেশি হয়!

ছবিগুলো খুব সুন্দর।  happy

একই সমস্যা আমারও কিছুদিন হয়েছিল। এখন ঠিক হয়ে গেছে। কিভাবে এটা হল, আর কিভাবেই বা ঠিক হল, জানিনা!

ভালো জিনিস শিখলাম। ধন্যবাদ শিমূল।

shemul49rmc wrote:

এটি বাজারে আসতে আরও প্রায় 1 বছর লাগবে

হায় রে কপাল!! পাওয়া হইয়াও হইল না পাওয়া!