৬০১

(৩ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

sawontheboss4 wrote:

গাধার বাচ্চা! কানে শুনিস না? এইমাত্রই তো বললাম তোকে!

ছি!ছি! ডাক্তারকে গাধার বাচ্চা বলে,সাহস কত? chatterbox   chatterbox

godhuli wrote:

এই জীবনুটি পশুর শরীরে প্রবেশ করলে পশুরটির কি ধরনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে?

মানুষের মতই,তবে দেখার বিষয় হচ্ছে পেট অনেক ফুলে যায়।

অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে কিছু তথ্য:-
অ্যানথ্রাক্স কী
ব্যাকটেরিয়াঘটিত একটি রোগ। ব্যাকটেরিয়াটির নাম ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিস। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় রোগজীবাণুটি এক ধরনের গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া। ব্যাকটেরিয়াটি যে রোগের কারণ, তা প্রথম বের করেন জার্মান বিজ্ঞানী ড. রবার্ট কো।
সাধারণত যেসব প্রাণী ঘাস খায় যেমন_ছাগল, ভেড়া, গরু, ঘোড়া এ রোগে আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত প্রাণীর সংস্পর্শে এলে মানুষও আক্রান্ত হতে পারে। তবে মানুষ থেকে মানুষে এ রোগ ছড়ায় না।
জীবাণুটির বৈশিষ্ট্য হলো এটি স্পোর তৈরি করে প্রতিকূল পরিবেশে বছরের পর বছর (৪৮ বছর পর্যন্ত) বেঁচে থাকতে পারে এবং বারবার রোগের প্রকাশ ঘটাতে পারে। গৃহপালিত পশু থেকে এ রোগ দ্রুত মানুষে বিস্তার লাভ করে।
Bacillus anthracis এর ছবি;-
http://i.imagehost.org/0605/230px-Bacillus_anthracis_Gram.jpg
http://i.imagehost.org/0451/anthrax_2.jpg
ব্যাক্টেরিয়ার স্পোর

Anthrax Cycle:-
http://j.imagehost.org/0335/anthrax1.gif

রোগের ধরন
আক্রান্ত স্থান অনুযায়ী তিন ধরনের অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত করা হয়েছে। খাদ্যনালি অর্থাৎ মুখগহ্বর থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অংশ আক্রান্তকারী অ্যানথ্রাক্স, শ্বাসতন্ত্রে আক্রান্তকারী অ্যানথ্রাক্স এবং ত্বক আক্রান্তকারী অ্যানথ্রাক্স। এর মধ্যে ত্বকে বা স্কিনে যে অ্যানথ্রাক্স হয়, তা তুলনামূলক নিরাপদ। ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসায় এ ধরনের অ্যানথ্রাক্স ভালো হয়ে যায়। খাদ্যনালির অ্যানথ্রাক্স তুলনামূলক জীবনঘাতী। চিকিৎসার পরও প্রায় ৪০ শতাংশ রোগীর মৃত্যু হতে পারে। তবে সবচেয়ে ভয়ানক হলো শ্বাসনালীর অ্যানথ্রাক্স। সঠিক সময়ে চিকিৎসা করালেও প্রায় ৫০ ভাগ ক্ষেত্রে রোগী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। আশার কথা, আমাদের দেশে যে অ্যানথ্রাক্সের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে, তা ত্বক বা স্কিনেই এ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।
কাদের হয়
গৃহপালিত পশু যেমন_গরু, ছাগল, ভেড়া, ঘোড়া ইত্যাদি এ রোগে প্রথম আক্রান্ত হয়। যারা পশুপালনের সঙ্গে যুক্ত তাদের এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া যাঁরা ট্যানারি শিল্পে কাজ করছেন, তাঁদেরও এ রোগ হতে পারে। আমাদের দেশে মানুষ বা গৃহপালিত পশু কারোরই এ রোগের প্রতিষেধক বা টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় আমরা ঝুঁকির মধ্যে আছি।
কিভাবে ছড়ায়
গৃহপালিত পশু ঘাস খাওয়ার সময় জীবাণুর স্পোর খেয়ে ফেলে। এ স্পোর তখন পশুর দেহে অ্যানথ্রাক্স রোগের সৃষ্টি করে। পশুটি তখন নিজেই রোগের উৎস হিসেবে কাজ করে। মূলত গৃহপালিত পশুর সংস্পর্শে এলে বা স্কিন কন্টাক্ট হলে এ রোগ এক দেহ থেকে অন্য দেহে ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া অ্যানথ্রাক্স রোগের জীবাণুর স্পোর নিঃশ্বাসের সঙ্গে প্রবেশ করতে পারে। আক্রান্ত প্রাণীর গোশত খেলেও অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। আক্রান্ত পশু মারা গেলে খোলা পরিবেশে ফেলে রাখলে তা দ্রুত পরিবেশদূষণ করে অ্যানথ্রাক্স জীবাণুর বিস্তার ঘটায়।
উপসর্গ
জীবাণু শরীরে প্রবেশের দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে নানা উপসর্গ দেখা দেয়। ত্বকের অ্যানথ্রাক্সে শুরুতে শরীরে ছোট ছোট ঘা দেখা দেয়। ঘা বা আলসারগুলোয় কোনো ব্যথা থাকে না, একসময় শুকিয়ে কালো হয়ে যায়। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে জীবাণু রক্তে মিশে যেতে পারে। ফলে সেপসিস হয়ে রোগী মারা যেতে পারে। ফুসফুসীয় অ্যানথ্রাক্স রোগে সাধারণ সর্দি-কাশির মতো সমস্যা দেখা দেয়। শ্বাসকষ্ট হয়, বুকে ব্যথা হয়। একসময় রেসপিরেটরি ডিসট্রেস সিনড্রোম দেখা দিতে পারে, যার পরিণতি নিশ্চিত মৃত্যু। খাদ্যনালির অ্যানথ্রাক্সে মুখে আলসার হতে পারে, ডায়রিয়া হতে পারে, রক্তবমি ও পায়খানার সঙ্গে রক্ত বের হতে পারে।
http://i.imagehost.org/0730/2010-09-03_01-11_bacillus-anthracis-picture_jpg.jpg
http://i.imagehost.org/0251/2010-09-03_01-10_anthrax_8_jpg.jpg
http://j.imagehost.org/0237/anthrax_6.jpg
http://j.imagehost.org/0200/anthrax_4.jpg
http://j.imagehost.org/0850/anthrax_5.jpg
http://i.imagehost.org/0669/anthrax_3.jpg
http://i.imagehost.org/0576/anthrax_7.jpg
পরীক্ষা-নিরীক্ষা
মূলত উপসর্গ দেখে রোগের ধরণ বোঝা যায়। পরীক্ষাগারে গ্রাম স্টেইনিং নামের বিশেষ একটি পরীক্ষা, রক্তের কালচার পরীক্ষা, এলাইজা পরীক্ষা, অ্যাগলুটিনেশন টেস্ট ইত্যাদি বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে রোগজীবাণুর অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়।
চিকিৎসা
এ রোগের চিকিৎসায় সিপ্রোফ্লক্সাসিন, ডক্সিসাইক্লিন, ইরাইথ্রোমাইসিন, পেনিসিলিন ইত্যাদি ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। তবে সাধারণ সময়ের চেয়ে অনেক বেশি দিন অর্থাৎ প্রায় দুই মাস পর্যন্ত এসব ওষুধ গ্রহণের প্রয়োজন পড়তে পারে। আতঙ্কের বিষয়, শ্বাসতন্ত্র বা খাদ্যনালির অ্যানথ্রাক্স রোগে এসব শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকও ঠিকমতো কাজ না করতে পারে।
প্রতিরোধ
সুখবর হলো, এ রোগ প্রতিরোধী টিকা বা ভ্যাকসিন পাওয়া যায়। ছয়টি টিকা দিতে হয়। প্রথম দিন একটি, দ্বিতীয় সপ্তাহে একটি, চতুর্থ সপ্তাহে একটি, পরবর্তী সময়ে ছয় মাস, ১২ মাস এবং ১৮ মাসে গিয়ে একটি করে টিকা নিতে হবে। এভাবে ছয়টি নেওয়ার পর প্রতিবছর একটি করে বুস্টার ডোজ নিতে হবে।
এ রোগ সফলভাবে প্রতিরোধ করতে চাইলে আক্রান্ত এলাকায় গৃহপালিত পশুর সঙ্গে সংস্পর্শের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কেউ আক্রান্ত পশুর সংস্পর্শে এলে তাকে ভালোভাবে সাবান দিয়ে অথবা অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে ওয়াশ করে নিতে হবে। আক্রান্ত পশুর কাছে যাওয়ার আগে নাক ও মুখ রুমাল দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। আক্রান্ত গরু-ছাগল বা রোগের ঝুঁকিতে থাকা পশুর গোশত গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। মৃত পশুকে গভীর গর্ত করে পুঁতে ফেলতে হবে অথবা পুড়িয়ে ফেলতে হবে। কোনো অবস্থাতেই মৃত পশু খোলা পরিবেশে রাখা যাবে না।
অ্যানথ্রাক্স রোগে আতঙ্ক নয়, চাই সচেতনতা।
অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন
রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

সুত্র:- কালের-কণ্ঠ+নিজের কিছু জ্ঞান ও ছবি।

এতে বাংলাদেশের লাভ কতখানি? :চিন্তা:   :চিন্তা:

mukul0071989 wrote:

তবে লাইন ড্রপ হয় মাঝে মধ্য।


আসলেই বিরক্তিকর,তোমার এই লাইন ড্রপ এর কারণে তো সেদিন ব্যবহারই করতে পারলাম না।  ~X   ~X

হূৎপিণ্ড বুকের মাঝখানে ও বাঁ পাশের কিছু অংশজুড়ে থাকে। সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালনের কাজ করে থাকে। হার্ট একমাত্র অঙ্গ, যা সারাক্ষণ কাজ করে, কখনোই বিশ্রাম নেয় না।

হার্টের রক্তনালির কাজ
সারাক্ষণ হার্টের কাজ করার জন্য প্রয়োজন হয় অক্সিজেন ও পুষ্টি। এই অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহের জন্য রয়েছে হার্টের নিজস্ব রক্তনালি। মূলত তিনটি রক্তনালি তাদের শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে রক্ত সরবরাহ করে থাকে হার্টের মাংসপেশিতে। পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু এই তিনটি রক্তনালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণেই হয়।

হার্ট অ্যাটাক কীভাবে হয়?
তিনটি রক্তনালির যেকোনো একটি যদি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাক হয়। রক্তনালি যদি আস্তে আস্তে অনেক দিন ধরে বন্ধ হয়, তাহলে হার্ট অ্যাটাক নাও হতে পারে, কিন্তু হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেলে অবশ্যই হার্ট অ্যাটাক হবে।
অনেকের শরীরে বিভিন্ন রক্তনালিতে চর্বি জমে এবং রক্তনালি সরু হতে থাকে। ফলে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ কমতে থাকে। হঠাৎ করে রক্তনালি বন্ধ হয়ে যাবে কি না, তা নির্ভর করে রক্তনালির মধ্যে জমে থাকা চর্বির ভেতরের দিকের যে আবরণ থাকে, তার ধরনের ওপর। ভেতরের দিকের আবরণ ফেটে গেলে সেখানে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তনালির সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়। ফলে হার্টের মাংসপেশি নষ্ট হতে থাকে এবং এটাকেই হার্ট অ্যাটাক বলা হয়। তবে আট ঘণ্টার মধ্যে যদি রক্তনালি খুলে দেওয়া যায়, তাহলে হার্টের মাংসপেশিকে রক্ষা করা সম্ভব। গবেষণায় বিভিন্ন ফ্যাক্টরকে রক্তনালির ওপরের আবরণ ফেটে যাওয়ার জন্য দায়ী করা হয়ে থাকে, যেমন—
 অতিরিক্ত পরিশ্রম করা, যে পরিশ্রমে শরীর অভ্যস্ত নয়।
 অতিরিক্ত খাওয়া ও খাওয়ার পরপর শারীরিক পরিশ্রম করা।
 একসঙ্গে অতিরিক্ত ধূমপান করা।
 নিদ্রাহীনতা।
 অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা।
 হঠাৎ উত্তেজিত হওয়া বা রেগে যাওয়া।
 শরীরে যেকোনো ধরনের ইনফেকশন।

হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ কী?
সাধারণত বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়। কখনো কখনো বুক চেপে আসা, বুক ভারী লাগা, বুক জ্বলে যাওয়া এ রকম উপসর্গ হতে পারে। বসা, শোয়া অবস্থায়ও ব্যথা হয়, ব্যথাটা বাঁ হাতে, গলায়, পেছনে ছড়িয়ে যেতে পারে। ব্যথার সঙ্গে ঘাম, বমি হওয়া ও শ্বাস বন্ধ হয়ে আসতে পারে।
হার্ট অ্যাটাক কীভাবে এড়িয়ে চলা যায়?
 যেসব কারণে রক্তনালির আবরণ ফেটে যায়, সেগুলোকে এড়িয়ে চলা।
 নিয়মিত হাঁটা। হাঁটলে হার্টে নতুন নতুন রক্তনালি তৈরি হয়।
 যাঁদের বয়স ৪০ বছর পার হয়ে গেছে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি, তাঁরা নিয়মিত অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ খেতে থাকলে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা কমে যায়।
 কোলস্টেরল কমানোর ওষুধগুলো রক্তে কোলস্টেরলের মাত্রা কমানো ছাড়াও রক্তনালির ওপর জমে থাকা চর্বির আবরণ শক্ত করে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।
আসুন, আমরা সবাই সচেতন হই এবং হার্ট অ্যাটাক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি।

সুত্র:- প্রথম-আলো

খুবই উপকারী কিছু তথ্য দিয়েছেন ডা. ফাতেমা বেগম। সবারই জানা অত্যন্ত প্রয়োজন।

ভিডিও দেখার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইউটিউবের মুঠোফোনের নতুন সংস্করণ চালু হয়েছে। সম্প্রতি ইউটিউবের মালিক গুগল এ সংস্করণ চালু করেছে। মুঠোফোনের এ সংস্করণে উন্নত ভিডিও দেখা ছাড়াও থাকছে দ্রুত দেখার সুবিধা।
এইচটিএমএল ৫ প্রোগ্রাম চলে এমন মুঠোফোনে ইউটিউবের সাইটটি সহজে দেখা যাবে। পাশাপাশি নতুন এ সংস্করণে (m.youtube.com) খুব সহজে সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেসবুক, টুইটার এবং গুগল বাজে ভিডিও ঠিকানা (লিংক) দেওয়া-নেওয়ার (শেয়ার) সুবিধাও থাকছে। গুগলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মুঠোফোন-উপযোগী ইউটিউব সংস্করণটি ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে।
গত বছরেও যেখানে ভিডিওর সংখ্যা কম ছিল, সেখানে বর্তমানে মোবাইল সংস্করণ ইউটিউবে গড়ে ১০ কোটি ভিডিও চালানো হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, মুঠোফোনের এ সংস্করণে প্রতি মিনিটে ভিডিও ফুটেজ আপলোড হচ্ছে। শুরুতে ২০০৭ সালে প্রথম চালু হওয়া ইউটিউবের মুঠোফোন সংস্করণে ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে নানা ধরনের সমস্যা ছিল। তবে এখন এসব সমস্যা দূর করে এমন উন্নত ব্যবস্থা করা হয়েছে, যে কেউ নিজের মুঠোফোনের মাধ্যমে যেকোনো জায়গা থেকে সহজে নিজের প্রিয় ভিডিও দেখতে পারবেন।
গুগলের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, সারা বিশ্বে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা মুঠোফোন গ্রাহকদের কথা চিন্তা করে ইউটিউবের মুঠোফোন নতুন এ সংস্করণে উন্নত সব বৈশিষ্ট্য যুক্ত হয়েছে। অ্যাপলের স্পর্শকাতর সুবিধাসংবলিত মুঠোফোন আইফোন এবং মুঠোফোনের মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম চালিত স্পর্শকাতর ফোনগুলোতে ইউটিউবের নতুন সংস্করণটিতে পাওয়া যাবে বিশেষ সুবিধা। বর্তমানে ইউটিউবের সবচেয়ে বেশি গ্রাহক রয়েছে ইউরোপে। এর পরই রয়েছে ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ড এবং সুইজারল্যান্ডের স্থান।

সুত্র:-প্রথম-আলো
এখন আসলে মোবাইলেরই দুনিয়া।

খুবই ভালো তথ্য,কিন্তু আমার এখন তেমন প্রয়োজন নেই।  big grin

৬০৯

(২ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

আসলেই মজার,অমর কাছে অবশ্য অফিসের এক কর্মকর্তা কৌতুকটিই বেশি ভালো লেগেছে।  :lol:   :lol:

বস পাবলিক,উনার অভিনয় মারাত্মক লাগে।

বিরক্তিকর এক মেয়ে।  chatterbox   chatterbox

আজকে দেখলাম Prince of Persia: The Sands of Time
একশনধর্মী মুভি+কমেডিও আছে। ভালোই লাগলো।
ব্যক্তিগত রেটিং-8.5/10

কাজের জিনিস,কাজে দিবে(অন্যদের সাহায্য করার জন্য) (y)

Salt দেখলাম,আঞ্জেলিনা জোলি জাস্ট অসাধারন। একশন মুভিতে কোন ছেলে হিরোর চেয়ে কোনো অংশেই কম না। দেখার মত একটা ছবি।
http://a.imagehost.org/0754/angelina-jolie-salt-movie.jpg

ছেলেটার জন্য খারাপ লাগছে,কেনো যে নিজের আর পরিবারের কথা একবারও চিন্তা করে না?
সাইফ,সাবধান তুমি আবার কোনো মেয়ের পাল্লায় পড়ে হাত-পা কেটে এসএমএস  লিখতে যেয়ো না,হাজার হোক বয়সের দোষ তো।  ;q   ;q

সুন্দর পোস্ট,অনেকেরই কাজে দিবে।

সুন্দর পোস্ট,অনেকেরই কাজে দিবে।

monnaf wrote:

ভাই খুব বড় ধন্যবাদ দিতে পারছিনা।খুব বেশি কাজে লাগলো না


হা হা হা ......কমেন্ট অফ দ্য ডে। সাইফ মাইন্ড খেও না আবার।  rolling on the floor   rolling on the floor

প্রচেষ্টা ভাইকে অনেক ধন্যবাদ,সাথে আমি আরও একটু যোগ করতে চাই,
রোজাদারদের জন্য সারা মাস ধরে ফেরেশতার মাগফেরাতের দোয়া করতে থাকে এবং শেষ রোজার দিন আল্লাহ রাব্বুল আ'লামিন রোজাদারদের সকল গুনাহ মাফ করে দেন।

ফোরামে আপনাকে সুস্বাগতম। নিয়মিত থাকার আশা ব্যক্ত করি। আর আপনার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানালে আমরা আপনার সম্পর্কে আরও কিছু জানতে পারতাম। ধন্যবাদ।

প্রেম ও বিচ্ছেদ—দুটোতেই মোটামুটি বেশ সিদ্ধহস্ত সালমান খান। পুরোনো প্রেমের ইতি টানতে না-টানতেই নয়া প্রেম। এমন ধারাতে সেই শুরু থেকেই চলছেন সালমান। ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে সবকিছু চুকেবুকে যাওয়ার পর সালমানের প্রেমিকা হিসেবে শোনা যাচ্ছিল ক্যাটরিনা কাইফের নাম। অবশ্য ক্যাটরিনার সঙ্গেও যে সম্পর্কটা তাঁর খুব ভালো যাচ্ছিল, তা নয়। এবার ক্যাটরিনার সঙ্গেও ছাড়াছাড়ির পালা। সম্প্রতি এক টিভি অনুষ্ঠানে সালমান নিজেই জানিয়েছেন ক্যাটরিনার সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদের খবর।
‘ক্যাটরিনার সঙ্গে আমার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। আমরা আগেও ভালো বন্ধু ছিলাম, এখনো ভালো বন্ধুই আছি। আমার মনে হয় সবকিছু ভুলে শেষ পর্যন্ত বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখতে পারাটাই দারুণ একটা ব্যাপার।’ বলেছেন সালমান।
এদিকে অবশ্য সমানে কানাঘুষা চলছে, পুরোনো প্রেমিকা সংগীতা বিজলানির সঙ্গে আবার মেলামেশা শুরু করেছেন সালমান।

সুত্র:- প্রথম-আলো

হে হে সালমান আসলেই বিশ্বপ্রেমিক,স্যালুট বস।  (y)   (y)

সাইফ দি বস ৭ wrote:

আমাদের সিআরটির বদলে এলসিডি দিয়ে দেবে?  :দিবাস্বপ্ন:

ওই মিয়া,পুরান জিনিস ভাতে বাড়ে কথাটি শোনো নাই?রেখে দাও রেখে দাও,পরে কাজে দিবে।  ;q

sawontheboss4 wrote:

২১৫ কোটি ওয়াইম্যাক্সের লাইসেন্স প্রদান সম্পর্কে প্রাক্তন বিটিআরসি

সুন্দর টপিক,কিন্তু ভাই বাকি অংশ গেলো কই?

Ocean's Eleven দেখলাম,জটিল মজা পাইলাম,এখন Ocean's Twleve এবং Ocean's Thirteen ডাউনলোড করে দেখবো।
জর্জ ক্লুনি সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই,আর ব্র্যাড পিট আমার ফেভারিট হিরো।
ব্যক্তিগত রেটিং:- 8.5/10

আমার ১৯ ইঞ্চি ফিলিপস এলসিডি,আমাকে চেঞ্জ করে দিবে না?