You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by উপল BD
মনে-প্রাণে ঘৃণা করি,সুন্দর একটি পোস্টের জন্য মেজবাহ ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। (y)
অশোক ভাইকে ফোরামে স্বাগতম,আশা করি আপনার জ্ঞান আমাদের সাথে শেয়ার করে ফোরামকে আরও সমৃদ্ধ করবেন। (y)
ডায়াবেটিস সম্পর্কে ডা: আহসানুল হক আমিন,ডায়াবেটেলিজিস্ট ও হরমোন বিশেষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক, বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বেশ কিছু আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।আশা করি লেখাটি সবার উপকারে আসবে।
বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিসের ক্রমবর্ধমান প্রাদুর্ভাব এবং এর ক্ষতিকারক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বেড়েছে। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস হূদরোগ, স্ট্রোক, কিডনিবৈকল্য, অন্ধত্বসহ নানা মারাত্মক পরিণতির প্রধানতম কারণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে Pandemic হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং আমাদের দেশে প্রায় আট শতাংশ মানুষ এতে আক্রান্ত। ডায়াবেটিস-সম্পর্কিত বিবরণ তিন হাজার বছর আগে মিসরীয় সভ্যতায় পাওয়া গেলেও ১৯২১ সালে ইনসুলিন আবিষ্কারের পরই মূলত এর কার্যকর চিকিৎসা সম্ভব হয়। বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত গবেষণার মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসাপদ্ধতি আবিষ্কার করছেন, যার অল্প কয়েকটি নিয়েই আজকের আলোচনা।
আধুনিক ইনসুলিন
বর্তমানে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ইনসুলিন গঠনের পরিবর্তন করে ‘ইনসুলিন এনালগ’ তৈরি করা হয়েছে। যাঁরা সুগার নিয়ন্ত্রণে আরও অধিক দক্ষ, বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত ইনসুলিনের মতো তাঁরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ করতে সক্ষম। আমাদের শরীরে দুই পর্যায়ে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়—অভুক্ত অবস্থায় এবং খাদ্য গ্রহণের সঙ্গে।
দীর্ঘস্থায়ী ইনসুলিন এনালগ গ্লারজিন ও ডেটেমির। এ ছাড়া স্বল্পমেয়াদি এসপার্ট ও গ্লুলাইসিন অভুক্ত ও খাদ্য গ্রহণের অব্যবহিত পরের শর্করা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে অধিক উপযোগী। খাদ্য গ্রহণের নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রচলিত ইনসুলিন গ্রহণের যে বাধ্যবাধকতা, আধুনিক ইনসুলিন এনালগ তা থেকে মুক্ত এবং রক্তে সুগারকে অতিমাত্রায় কমিয়ে দেওয়ার আশঙ্কা এদের ক্ষেত্রে কম।ইনসুলিন পেন
সব টাইপ ওয়ান ও টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর একটি বড় অংশকে দিনে একাধিকবার ইনসুলিন গ্রহণ করতে হয়। আশির দশক থেকে যে ‘পেন’ ও অতি সূক্ষ্ম সুচ ব্যবহার করা হয়, তা এই ইনজেকশনের জটিলতাকে অনেক কমিয়ে দিয়েছে। এগুলো সহজে গ্রহণযোগ্য। ভায়াল থেকে প্রতিবার সিরিঞ্জে ইনসুলিন তোলার ঝামেলা থেকে মুক্ত এবং ব্যথার পরিমাণও নগণ্য। এর মাধ্যমে সঠিক মাত্রার ওষুধ প্রয়োগও নিশ্চিত হয়। আমাদের দেশে এগুলো বর্তমানে সহজলভ্য।
মুখে খাওয়ার কার্যকর ওষুধ
বিজ্ঞানীরা সম্প্র্রতি ইনক্রেটিন নামক বিশেষ আন্ত্রিক হরমোন আবিষ্কার করেছেন, যা ক্ষুধার অনুভূতি কমিয়ে দেয়, ওজন বৃদ্ধি প্রতিহত করে, খাদ্যকে পাকস্থলী ও অন্ত্রে অধিক সময় অবস্থান করায়, ইনসুলিনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয় এবং লিভার থেকে গ্লুকোজের নিঃসরণ প্রতিহত করে। এমনকি পরীক্ষায় দেখা গেছে, অগ্ন্যাশয়ের বিটা সেলকে ক্রমান্বিত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে এদের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। ইনক্রেটিনের কার্যক্রম বৃদ্ধিকারী মুখে খাওয়ার ওষুধের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভিলডাগ্লিপাটিন ও সিটগ্লিপাটিন আমাদের দেশে বর্তমানে সহজলভ্য। লিরাগ্লুটাইড নামের ইনক্রেটিন-জাতীয় হরমোন ইনজেকশনের মাধ্যমে গ্রহণ করা যায়।
রক্তের অতিরিক্ত সুগারকে কিডনি মারফত শরীর থেকে বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখছেন। কিডনির যে রিসিপ্টর গ্লুকোজকে শরীরে পুনরায় প্রবেশ করায়, ডাপাগ্লিফলোজিন ও রেনিগ্লিফলোজিন নামক দুটো ওষুধের মাধ্যমে তাদের নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব। বিষয়টি গবেষণার শেষ পর্যায়ে রয়েছে।ইনসুলিন পাম্প
এটি একটি সহজে বহনযোগ্য, সাধারণ মুঠোফোন আকৃতির যন্ত্র, যেটা একটি সূক্ষ্ম পাইপ ও সুচের মাধ্যমে সার্বক্ষণিকভাবে শরীরে ইনসুলিন সরবরাহ করে থাকে। শরীরের চাহিদা, সুগারের মাত্রা ও খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ অনুযায়ী অভুক্ত অবস্থা ও খাদ্য গ্রহণের পরবর্তী প্রয়োজনীয় ইনসুলিন সহজে এই পাম্পের মাধ্যমে সরবরাহ করা যায়।
মুখে খাওয়ার উপযোগী ইনসুলিন
ইনসুলিন প্রোটিন-জাতীয় হরমোন হওয়ায় পাকস্থলী ও অন্ত্রের উৎসেচকের মাধ্যমে এরা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। অন্ত্রে এদের শোষণের হারও নগণ্য এবং খাদ্যের উপস্থিতিতে তা ব্যবহূত হয়। এ কারণে ইনসুলিন মুখে গ্রহণ করা যায় না। কিছু ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে অনেক অগ্রসর হয়েছে বলে ঘোষণা করেছে। যেমন—বায়োকন ফার্মাসিউটিক্যালের ‘ইনসুলিন পিল (IN 105) ও নভোনরডিস্কের NN1952। বস্তুত, এ বিষয়ে আমাদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।অন্যান্য বিকল্প পথে ইনসুলিন গ্রহণ
ইনহেলারের মাধ্যমে ইনসুলিনকে বাষ্পীয় আকারে শ্বাসতন্ত্রে প্রয়োগ করে ইনজেকশনের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
মুখগহ্বরের আবরণে স্প্রের মাধ্যমে ইনসুলিন প্রয়োগ করে রক্তে শোষণের উপযোগী করা যায়। ইনসুলিন স্প্রে ২০০৯ সাল থেকে সীমিত আকারে কিছু দেশে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।বিটাসেল প্রতিস্থাপন
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর ধ্বংসপ্রাপ্ত বিটাকোষগুলোকে সুস্থ কোষের মাধ্যমে প্রতিস্থাপনের চেষ্টা চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বেশ কিছুদিন যাবৎ করছেন। ষাটের দশকে শুরু হলেও নব্বইয়ের দশকে এ বিষয়ে সফলতা পাওয়া যায়। এই পদ্ধতিতে রোগী অনেক ক্ষেত্রে ইনসুলিন ছাড়াই জীবন যাপন করতে পারে। উচ্চপ্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা ডোনারের স্বল্পতা এবং প্রতিস্থাপনকৃত কোষকে শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিবেশে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবহারের কারণে এই পদ্ধতি পৃথিবীর উন্নত কয়েকটি কেন্দ্রে সীমাবদ্ধ রয়েছে। STEM CELL-এর বৈশিষ্ট্য হলো, এগুলো পরিবর্তিত ও পরিণত হয়ে যেকোনো অঙ্গের কার্যকর কোষে পরিণত হতে পারে। STEM CELL থেকে নতুন বিটা সেল তৈরি করার সম্ভাবনা পরীক্ষাগারে
ইঁদুর ও অন্যান্য প্রাণীর ওপর প্রয়োগ করা হচ্ছে।
ডায়াবেটিস সম্পূর্ণভাবে নিরাময় না হলেও একে নিয়ন্ত্রণ করে জটিলতাগুলো এড়িয়ে চলা সম্ভব। খাদ্যনিয়ন্ত্রণ ও পরিমিত শারীরিক পরিশ্রমের পাশাপাশি বিজ্ঞানের এসব অবদান ভবিষ্যতে ডায়াবেটিসের চিকিৎসাকে আরও কার্যকর ও সহজ করে তুলবে।
হায়রে আমি একটু আগে ক্লিক করছি,তবে তরপরেই এপ্লিকেশনটা বন্ধ করে দিয়েছি।এজন্যই বলি নারী জ্বালাতনময়ী। ~X
রাজশাহী স্টেডিয়াম এ কোনও খেলা হবে নাকি?
নাহ,লিটন মামা কিচ্ছু করতে পারলো না।

হুমম ,আসলেই কাজের জিনিস,ধন্যবাদ।
৫০ তম এমবিবিএস এর ৩য় বর্ষের ওয়ার্ড শুরু ৩০ তারিখ থেকে। (y)
ময়মনসিংহ ঘুরতেছি,সারাদিন প্রায় ৩০ টা পুজা মন্ডপ ঘুরলাম,ছবিও তুলছি প্রচুর,রাজশাহী এসে আপলোড করবো। :ইয়াহু: :ইয়াহু:
সিরিজ জিততেই মাঠে নামব আমরা—আগেভাগেই জানিয়ে রেখেছিলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক। আজ মঙ্গলবার স্বপ্নের পথে এক ধাপ এগিয়েও গেছেন মাশরাফিরা। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে সফরকারী নিউজিল্যান্ডকে ৯ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
ওয়ানডেতে এর আগে ১৭ বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। এর মধ্যে নিউজিল্যান্ড জিতেছে ১৬ বার আর বাংলাদেশ মাত্র একবার। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে কি আর এসব পরিসংখ্যান চলে! আর চলে না বলেই, সব সমীকরণ পাল্টে দিয়ে বুক চিতিয়ে জয় তুলে নিয়েছেন টাইগাররা।
কিউই বধের মিশনের শুরুটা করেছিলেন সাকিব আল হাসান, শেষটাও করেছেন এই অলরাউন্ডার। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.৩ ওভারে ২২৮ রান তুলে অলআউট হয় বাংলাদেশ। আর এর পেছনে মূল কারিগর ছিলেন সাকিব। নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকারি মিলসের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে এই ব্যাটসম্যান দলীয় সংগ্রহে যোগ করেন ৫৮ রান। শাহরিয়ার নাফিস, জুনায়েদ সিদ্দিকীও সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন। এ দুজনের সংগ্রহ যথাক্রমে ৩৫ ও ৩০।
২২৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। ইনিংসের মাঝে বৃষ্টি বাগড়া দিলে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে সফরকারীদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩৭ ওভারে ২১০। কিন্তু সাকিব আল হাসানের বোলিং তোপে এ লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি ডেনিয়েল ভেট্টোরির দল। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন ম্যাককুলামের ৬১ রানের ইনিংসও কাজে লাগেনি। নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২০০ রান তুলতে সক্ষম হয় কিউইরা। ব্যাট হাতে হাফ সেঞ্চুরি করার পর ৪ উইকেট শিকার করে প্রতিপক্ষ দলের ব্যাটিং অর্ডারে ধস নামানোর কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন সাকিব আল হাসান।
সুত্র:-প্রথম আলো
ওয়াও,সুপার,ডুপার,ফ্যাণ্টাস্টিক,ফ্যাণটাবুলাস,জটিল,জোশ,মারথাবা...... সাথে সম্মাননা কস্ট করে নোট করার জন্য। (y) (y) (y) :তালি: :তালি:
নো প্রবলেম,সাপলি আছে না। 
নো প্রবলেম,সাপলি আছে না। 
দোয়া থাকলো তোমার জন্য,আর তুমি তো বডি বিল্ডার,কাহিল হলে হবে? :n_n
ডেস্কটপ কম্পিউটারের একটি পুরোনো সফটওয়্যার পরিবর্তন করা হচ্ছে। আর এর ফলে এখন যেকোনো কম্পিউার চালু হবে এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে। বায়োস নামের ওই সফটওয়্যারটি ৩১ বছরের পুরোনো। কম্পিউটার চালু করতে সাহায্য করে এটি।বায়োসের পরিবর্তে এখন থেকে ব্যবহার করা হবে ইউনিফায়েড এক্সটেনসিবল ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস—সংক্ষেপে ইউইএফআই নামের একটি সফটওয়্যার। ২০১১ সালের মধ্যে সব কম্পিউটারে এই নতুন সফটওয়্যার সংযোজন করা হবে।
ইউইএফআই ফোরামের প্রধান মার্ক ডোরান বলেন, ‘১৯৭৯ সাল থেকে বায়োস ব্যবহূত হয়ে আসছে। এখন সময় এসেছে পরিবর্তন করার। আর কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য পরিবর্তনটা খুবই জরুরি। নতুন সব প্রযুক্তি বাজারে চলে এসেছে। এ ক্ষেত্রেই বা আমরা কেন পিছিয়ে থাকব?’ এএমআই নামের একটি প্রতিষ্ঠান বায়োস সফটওয়্যার তৈরি করেছিল।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা ব্রায়ান রিচার্ডসন বলেন, ‘আমাদের তৈরি এই সফটওয়্যারটির অবদান কোনোভাবেই ভোলার নয়। এই সফটওয়ারই বলে দেয় কম্পিউটারে কী কী ইনস্টল করতে হবে। এ ছাড়া আরও অনেক কাজ করে সফটওয়্যারটি। তবে ইউইএফআইয়ের নির্মাতারা জানান, নতুন এই সফটওয়্যারটি অনেক বেশি সহজ এবং এটি সংযোজনের ফলে বাড়তি কোনো পয়সাও গুণতে হবে না গ্রাহকদের।
ওয়াও জটিল জিনিস। আমার পিসি চালু হতে এখন প্রায় ১ মিনিট লাগে,আর ১ সেকেন্ডে তা চালু করার মজাই আলাদা। সাথে নাকি আরও অনেক সুবিধা আছে,দেখি খুজে বের করব।
জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামের স্ক্রিনে ভেসে উঠছে 'ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া'র গল্প। পরিশ্রম-বুদ্ধি দিয়ে ভারতের মানুষের এগিয়ে যাওয়ার কাহিনী। এমন গল্প শেষে প্রত্যয়ী কণ্ঠে ভেসে আসে 'ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া', শুনে শিহরিত হয় ভারতীয়রা। নতুনভাবে প্রতিজ্ঞা অনুভব করে। আর প্রতিবেশীরা সেসব অবাক বিস্ময়ে শুনে যায়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, 'আপনারা সবাই ইনক্রেডিবল ভারতকে উপভোগ করুন।'
এটাই বুঝি ভারতের নতুন স্লোগান। আর তা আরো পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিতেই যেন তারা আয়োজন করেছে ১৯তম কমনওয়েলথ গেমস। বুঝিয়েছেও দুইবার উদ্বোধনের ঘোষণা দিয়ে! হ্যাঁ, দুইবারই! প্রথমে প্রিন্স চার্লস রানির বাণী পড়ে শুনিয়ে গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন। ঠিক পরই রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিল দর্শকদের উদ্দেশে বক্তৃতা দেন এবং গেমস উদ্বোধনের দ্বিতীয় ঘোষণা দিয়ে বসেন, 'এবার গেমস শুরু হলো।' সঙ্গে সঙ্গে স্টেডিয়ামের আলোর ঝলকানিতেও মাধুর্য বেড়ে গেল, হর্ষে মেতে উঠল মানুষ। মানে কমনওয়েলথ গেমসের চিরায়ত উদ্বোধনের প্রথা ভেঙে ভারত নতুন করে দেখাল। সত্যি ইনক্রিডিবল ইন্ডিয়া।
ভারতের আনন্দিত হওয়ারই কথা। ১৯৮২ সালে এশিয়ান গেমসের পর এত বড় আয়োজন যে এটিই প্রথম। তাই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে বলতে শোনা যায়, ‘এটি আমাদের জন্য গর্বের এক মুহূর্ত। গোটা ভারতবাসীই এই গর্বের অংশীদার।’
গর্ব তো গোটা কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর জন্যই। এই প্রথম কমনওয়েলথভুক্ত ৭১টি দেশই খেলছে ১২ দিনের আসরে। অংশ নেওয়া অ্যাথলেটের সংখ্যার বিচারেও এটি এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় কমনওয়েলথ গেমস। আজ থেকে ১৭টি খেলায় শুরু হয়ে যাচ্ছে মাঠের লড়াই।
কমনওয়েলথ গেমস শুধুই একটা গেমস নয়, এটি কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোকে চার বছর পর এক ছাতার নিচে নিয়ে আসার উপলক্ষও, কুইন্স ব্যাটন রিলে দিয়ে যার শুরু হয়। এবার এক লাখ ৯০ হাজার কিলোমিটার পরিভ্রমণ করে কুইন্স ব্যাটন এসেছে দিল্লি। কাল সন্ধ্যায় ওই কুইন্স ব্যাটনের পাশে দাঁড়িয়ে মা রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের পক্ষে শুভেচ্ছাবাণী পড়লেন যুবরাজ চার্লস। রানি শুভকামনা জানিয়েছেন সব অ্যাথলেটের জন্য। সবশেষে যুবরাজ বললেন, ‘গেমসের উদ্বোধন করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি।’ ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিল বক্তব্য শেষ করলেন গেমসের শুরু ঘোষণা করে।
উসাইন বোল্ট, আসাফা পাওয়েলের মতো তারকারা আসেননি বলে শুরুর আগেই সমালোচনার গুঞ্জন। কিন্তু তারকারা না আসায় কী হয়েছে! এসেছে পাকিস্তান। মার্চপাস্টে সেই নামটি উচ্চারিত হতেই করতালে মুখর হয়ে উঠল জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম। কারণ তারা এসেছে অনেক দিন পর, সেই মুম্বাই আক্রমণের পর প্রথম কোনো পাকিস্তানি দলের ভারত সফর। আর এ সফর সম্ভব হয়েছে কমনওয়েলথ গেমসের জন্য। ক্রীড়ার আলোয় গেমস উদ্ভাসিত হবে, সেটা উপলক্ষ করে মানুষে মানুষে, জাতিতে জাতিতে রচিত হবে নতুন সেতুবন্ধন।
জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামের দর্শক এরপর দেখল বিখ্যাত সুরকার এ আর রহমানের থিম সং। সাড়ে পাঁচ কোটি রুপি খরচ করে তৈরি এই থিম সং আর তাঁর পরিবেশনায় ছড়িয়ে দেওয়া হলো বন্ধুত্বের আহ্বান। ছিল আতশবাজির খেলাও। তবে সেটা খুব বেশি ছিল না।
এর আগে যতটুকু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে, সবই ছিল ভারতের নানা বর্ণ, ভাষা আর সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তোলার প্রয়াস। দৃষ্টি কেড়েছে ‘রিদম অব ইন্ডিয়া’ নৃত্যগীত পরিবেশনায় ১০ বছরের শিশু কেশবের তবলা বাজানো। যতটা ছন্দের তালে তবলা বাজিয়ে গেল শিশুটি, ততটাই ছন্দ নিয়ে গেমসটা আয়োজনে মরিয়া ভারত।
অনুষ্ঠানে সে রকম কোনো চমক নেই, তার পরও মানুষের ছিল তুমুল আগ্রহ, কিন্তু তাতে জল ঢেলে দিয়েছে নিরাপত্তার বাড়াবাড়ি। অনেকে টিকিট হাতে নিয়ে ঢুকতে পারেনি স্টেডিয়ামে। দেখেনি তাদের ইনক্রিডিবল ইন্ডিয়ার নতুন সংস্করণ।সুত্র:- কালের কণ্ঠ
প্রথম-আলো
১৯তম কমনওয়েলথ গেমস সফল হোক,এই কামনা রইলো।সাথে সাথে আশা থাকবে বাংলাদেশ দলও আমাদের জন্য সফলতা বয়ে আনবে।বাংলাদেশ দলকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।
উসাইন বোল্ট, আসাফা পাওয়েলের মতো তারকারা আসেননি বলে শুরুর আগেই সমালোচনার গুঞ্জন। কিন্তু তারকারা না আসায় কী হয়েছে! এসেছে পাকিস্তান। মার্চপাস্টে সেই নামটি উচ্চারিত হতেই করতালে মুখর হয়ে উঠল জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম। কারণ তারা এসেছে অনেক দিন পর, সেই মুম্বাই আক্রমণের পর প্রথম কোনো পাকিস্তানি দলের ভারত সফর। আর এ সফর সম্ভব হয়েছে কমনওয়েলথ গেমসের জন্য। ক্রীড়ার আলোয় গেমস উদ্ভাসিত হবে, সেটা উপলক্ষ করে মানুষে মানুষে, জাতিতে জাতিতে রচিত হবে নতুন সেতুবন্ধন।
আমিও সেতুবন্ধন রচনা করলাম,কালের কণ্ঠ আর প্রথম আলোর মধ্যে। ;q ;q
ধন্যবাদ ফাহিম ভাই।কিন্তু revo uninstaller আমার কাছে ভালো লাগে। (y)
আচ্ছা ইউএসবি ডোংগল দেওয়া কিছুদিন বন্ধ ছিলো,সাপ্লায়ার কোম্পানী নাকি চেঞ্জ হইছে?আর দাম কত নিলো?
ফাইব্রো এডেনমা একটা benign কন্ডিশন। অনেকেই বেশি ভয় পেয়ে যায়, জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
অবশ্য ভয় পাওয়ার কারণও আছে,স্তন ক্যান্সারে সম্পুর্ন স্তনই সার্জারী করা হয় অনেক সময়।
স্তন ফুলে যাওয়া সমস্যাক্রান্ত রোগিণীদের প্রথম জিজ্ঞাসাই থাকে, এটি স্তন ক্যান্সার কি না? স্তন ফুলে যাওয়াকে অনেকেই স্তন ক্যান্সারের সঙ্গে তুলনা করে থাকে। সব টিউমারই ক্যান্সার নয়। প্রকৃতপক্ষে মাত্র ২০ ভাগ স্তন টিউমার পরবর্তী সময়ে স্তন ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে।
সাধারণত স্তন টিউমারের মধ্যে অল্প ঝুঁকিপূর্ণ চাকা বা পিণ্ডকে ফাইব্রোএডিনোমা বলে, যা কম বয়সী তরুণীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। এটি সাধারণত মসৃণ, গোলাকার এবং ব্যথাহীন হয়ে থাকে। ত্বকের সঙ্গে আটকে থাকে না বিধায় এটি ত্বকের নিচে নাড়াচাড়া করানো যায়। অনেক সময় স্তনে চাকা বা পিণ্ডের উপস্থিতি একাধিকও হতে পারে। ধীরে ধীরে এর আকার বাড়ে এবং পূর্ণাঙ্গ হতে থাকে। গর্ভকালে ফাইব্রোএডিনোমার আকৃতি বাড়তে পারে, তবে সন্তান প্রসবের পর আগের আকৃতিতে ফিরে আসে। সাধারণত সার্জারি বা শল্যচিকিৎসার মাধ্যমে ফাইব্রোএডিনোমার চিকিৎসা করা হয়।
কম মাত্রার জেনারেল অ্যানেসথেসিয়া ব্যবহার করে লঘু এই অপারেশনে স্তনে সৃষ্ট চাকা বা পিণ্ড এমনভাবে কেটে ফেলা হয়, যাতে পরবর্তী সময়ে আগেকার ক্ষতচিহ্ন একেবারেই বোঝা না যায়।
ফাইব্রোএডিনোমার ক্ষেত্রে অনেক সময় একাধিক অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই রোগীর মধ্যে নিয়মিত ব্যবধানে এটি বারবার সংঘটিত হওয়ার দুশ্চিন্তা কাজ করতে পারে, তাই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা উচিত।
অনেক সময় মেয়েদের হরমোন মাত্রার অস্বাভাবিকতার কারণেও ব্রেস্ট লাম্প বা স্তনে ক্ষুদ্র পিণ্ড দেখা দিতে পারে, যাকে ফাইব্রোএডিনোসিস বলে। এসব ক্ষেত্রে পিণ্ডের সংখ্যা সাধারণত একাধিক হয়ে থাকে এবং আকৃতিও বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে উভয় স্তন আক্রান্ত হয়। পিণ্ডের আকার কোনো কোনো ক্ষেত্রে তিন-চার সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ সময় স্তনে একটুতেই ব্যথা অনুভূত হয়। ব্যথা বেশি অনুভূত হয় ঋতুস্রাবকালীন বা তার কাছাকাছি সময়। ব্যথা ধীরে ধীরে বাহু বা পশ্চাদভাগে ছড়িয়ে পড়ে।
এ ক্ষেত্রে বেশির ভাগ রোগীই সার্জনের শরণাপন্ন হন ব্যথার কারণে। এ সময় স্তনের নিপল দিয়ে আঠালো ফ্লুইড বা রসও বের হতে পারে।
ফাইব্রোএডিনোসিস রোগ সাধারণত প্রজনন বয়সে হয়ে থাকে। এটি নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়, প্রথমবার গর্ভধারণ ও সন্তান প্রসবের পর এ রোগ সাধারণত আর দেখা যায় না। এ রোগে আক্রান্ত রোগীরা স্বল্পমাত্রার ব্যথানাশক সেবনের মাধ্যমে উপশম পেতে পারেন।
রোগের মাত্রা তীব্র হলে হরমোন থেরাপির মাধ্যমে এর চিকিৎসা করা হয় এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে সার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। সাধারণত জেনারেল অ্যানেসথেসিয়া ব্যবহার করে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট ব্যথাময় সিস্ট বা পিণ্ড অপারেশন করা হয়।
স্তনে লাম্প বা চাকা সৃষ্টি হওয়ার কারণ ও ঝুঁকিগুলো সম্পর্কে নারীদের সচেতন থাকা উচিত। কারণগুলোর মধ্যে বয়স, সময়ের আগে বা পরে ঋতুস্রাব, বিলম্বিত গর্ভধারণ, অস্বাভাবিক মোটা শরীর, হরমোন প্রতিস্থাপন থেরাপি উল্লেখযোগ্য।
৬৬ ভাগ স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীর বয়স ৫০ বছরের ঊধর্ে্ব এবং প্রায় ৮০ ভাগের বয়স কমপক্ষে ৪০ বছর। কোনো নারীর নিকটাত্মীয়, যেমন মা বা বোন যদি স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়, তবে তার ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি দুই থেকে চার গুণ বেড়ে যায়।
দ্রুত শনাক্ত হলে স্তন ক্যান্সারের কার্যকর চিকিৎসা সহজ হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগিণী নিজেই স্তন ক্যান্সার শনাক্ত করতে পারে। তাই স্তন ক্যান্সার শনাক্তকরণে রোগিণী কর্তৃক নিজের স্তনের পরীক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।লেখক:- অধ্যাপক ডা. আনিসুর রহমান
কো-অর্ডিনেটর ও সিনিয়র কনসালটেন্ট
জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জারি বিভাগ
অ্যাপোলো হসপিটালস, ঢাকা।
আজ অনেকদিন পর অভ্র দিয়ে ফোরামে লিখলাম,খুব একটা দ্রুত লিখতে পারলাম না,আসলে Microsoft Bengali Tools দিয়েই লেখার অভ্যাস হয়ে গেছে তো। :কোলাকুলি: :কোলাকুলি:
ই টা দিয়ে কী যেকোনো ফাইল জোড়া দেয়া যায়? যেমন একটা dvd movie এর 2 পার্ট জোড়া দেয়া যায় কী?
নাহ,যায় না।এর জন্য যে সফটওয়্যারটি প্রয়োজন তা হলো-Join Vob Files,এটা দিয়ে ৭-৮ টা ফাইলও জোড়া দেওয়া যায়।
ডাউনলোড লিঙ্কঃ- এখান থেকে
স্টেপমম ছবির সাথে উই আর ফ্যামিলি ছবির মিল থাকার কথা কাজল স্বীকার করলেও গান এবং অভিনয়ে অনেক বৈচিত্র্য আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে,তবে বাংলাদেশের মত তো আর গানের সুর পর্যন্ত নকল করে না। ;q
আপডেটঃ-রাজশাহীর চারঘাটেও ৪ জন অ্যানথ্রাক্স রোগী পাওয়া গেছে। 
ফোরামে আরও একটিভ মেম্বার প্রয়োজন।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by উপল BD
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.০৯ seconds (৪৭.৪৭% PHP - ৫২.৫৩% DB) with ৭ queries