রিজিউম সাপোর্টেড?
You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by উপল BD
রিজিউম সাপোর্টেড?
আমি কাগুর মত এরকম স্বার্থবাদী ছ্যাচ্চড় মানুষ আর একটিও দেখিনি। এই চিড়িয়াকে ধরে চিড়িয়াখানায় পাঠানো উচিত।

আহা! পুরুষ্কার,ভাই তা পুরুষ্কার হিসেবে টিভি,ফ্রিজ আর কি কি পাওয়া যাবে যদি বলতেন।

দেখছি কয়েকটা,কিন্তু প্রিন্ট কেমন?যাইহোক শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। (y) (y)
ওহ দারুন একটা মুভি।এখনই ডাউনলোড করবো। :ইয়াহু: :ইয়াহু: :ইয়াহু:
বুক মার্ক করে রাখলাম,ভবিষ্যতে কাজে লাগতে পারে,অনেক ধন্যবাদ। (y)
dvdrip আসুক,তখন ডলো দিব।dvdscr এর সাউন্ড খুব খারাপ আসে।
খাইছে রে....সবাই দেখছি পাল্লা দিয়ে সুখী-আর খুশি হতে চায়। ;q ;q
বাহ খুব ভালো একটা জিনিস শেয়ার করলা। (y) (y) (y) রেপু দিতেই হয়।
একটা গানে আছে, চুল পাকিলে লোকে হয় না বুড়ো, কথাটা কিন্তু সত্য। তবে এও সত্য যে চুল পাকা বৃদ্ধ হওয়ার লক্ষণ। চুল পাকলে বন্ধু-বান্ধব চাচা বলে খেপায়। পাত্রী দেখতে গিয়ে বোকা বনতে হয়। তাই অল্প বয়সে যাদের চুল পাকে তারা হতাশায় ভোগেন। অনেক কারণে অল্প বয়সে চুল পাকতে পারে।
শ্বেতী রোগে একগুচ্ছ চুল সাদা হয়ে যেতে পারে। আবার সীমিত এলাকাজুড়ে যখন মাথায় চুল থাকে না এবং পরবর্তী সময়ে যখন সেখানে চুল গজাতে শুরু করে তখন প্রথম দিকে চুল পাকা দেখা যেতে পারে। উভয় ক্ষেত্রেই কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে না। রোগ ভালো হলে চুল তার হারানো রং ফিরে পাবে। জন্মগত ধবল রোগে আক্রান্ত বা আংশিক ধবল রোগে আক্রান্ত রোগীদের সাদা চামড়ায় পাকা চুল দেখা যায় এবং এই চুলগুলো কিন্তু সাদা সাদা অবস্থায়ই থেকে যায়।চিকিৎসা
চিকিৎসকের সঙ্গে বসে আগে চুল পাকার কারণ খুঁজতে হবে, তারপর চিকিৎসা। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ক্যালসিয়াম প্যানথেনেট ট্যাবলেট কারো কারো ক্ষেত্রে ব্যবহারের ফলে সাদা চুল কালো চুলে পরিবর্তিত হয়েছে। চিকিৎসার ফলে সাদা চুলে পরিবর্তন এসেছে, অর্থাৎ চুলের গোড়া কালো হচ্ছে। এর অর্থ হচ্ছে, চুলের সে ফলিকলগুলো আগে সাদা চুল তৈরি করে, এখন এগুলো কালো চুল তৈরি করছে। যেহেতু সব সাদা ও পাকা চুল একসঙ্গে পরিবর্তিত হয় না এবং চুল ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়_তাই ওষুধ ব্যবহারের পর প্রতি মাসেই চুল পর্যবেক্ষণ করা উচিত। অবশ্য চুলের সাদা অংশ কেটেও ফেলা যায়, তাহলে শুধু গোড়ার অংশ কালো দেখাবে। যদি ওষুধ ব্যবহারের ছয় মাসের মধ্যে পরিবর্তন না দেখা যায়, তাহলে চিকিৎসা ব্যর্থ হয়েছে বলা যায়। যদি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চুল পরিবর্তিত হওয়া শুরু করে, তাহলে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া উচিত। উল্লেখ করার মতো চুলে পরিবর্তন দেখতে হলে অনেক ক্ষেত্রে কয়েক বছর পর্যন্ত চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয়। অন্য কোনো আলাদা সাবধানতার প্রয়োজন নেই। চুল নিয়মিত ধোয়া বা শ্যাম্পু করা উচিত। স্থানীয়ভাবে লাগানোর জন্য কোনো ওষুধ বা তেল ব্যবহার দরকার পড়ে না এবং খাদ্যের ব্যাপারে কোনো বাছ-বিচার নেই। এই ওষুধের ব্যবহার এ পর্যন্ত নিরাপদ হিসেবেই প্রমাণিত হয়েছে। তবে গর্ভাবস্থায় বর্জন করা ভালো। কারণ এ অবস্থায় এর ব্যবহার নিরাপদ কি না এর সঠিক প্রমাণ নেই।
প্রধানত ২৫ বছরের নিচের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ প্রযোজ্য। অন্যদের বেলায় কতটুকু কার্যকর বলা মুশকিল। তবে কাজ না করার আশঙ্কাই বেশি। যদি চিকিৎসার পরও চুলের স্বাভাবিক রং ফেরানো না যায়, তাহলে কৃত্রিম রং ব্যবহার করে চুল কালো করা ছাড়া আর উপায় থাকে না।
কৃত্রিম রং ব্যবহারের অসুবিধা হচ্ছে_একবার ডাই করা শুরু করলে তা নিয়মিত ব্যবহার করতে হয়।
ডা. এম ফেরদৌস
সহকারী অধ্যাপক
কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ
সুত্র- কালের কণ্ঠ
Dziobas Rar Player দিয়ে মুভি ওপেন করেন,ঠিক মতই দেখতে পাবেন,কোন সমস্যা হবে না।
ডাউনলোড লিংক:- এখান থেকে
এনার্জি এর জন্য আবার ড্রিংক্স খাওয়া লাগে নাকি?
যারা মানসিকভাবে দুর্বল তারাই খায়। 
তাহলে নিচে দেখেন keep broken files এটাতে টিক দিয়ে সবে করে আবার করেন,আমার তো ঠিক মতই কাজ করেছিলো।
http://www.rmcforum.com/topic36.html
ফোরামের বিনোদন জগতে প্রায় ১২ টি মুভি ডাউনলোডের সাইট দেওয়া আছে।সবগুলোই ফ্রি এবং কম সাইজের ভালো কোয়ালিটির। :কোলাকুলি:
ইদানীং তরুণ বয়সের ভোক্তাদের মধ্যে এনার্জি ড্রিংক বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। চতুর বিপণন ও বিজ্ঞাপন এসবের মূলে। পানীয় শিল্পের একটি দ্রুত প্রসারমাণ অংশের প্রতিনিধি হয়ে দাঁড়াচ্ছে এনার্জি ড্রিংক। ১৪০টি দেশে ২০০ ব্র্যান্ডের এনার্জি ড্রিংক তৈরি হচ্ছে এবং বিশ্বের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী তরুণের ৩১ শতাংশ নিয়মিত এনার্জি ড্রিংক গ্রহণ করে বলে জানা যায় (সূত্র: সাইমন এম মেশার জে: অ্যালকোহল, এনার্জি ড্রিংকস অ্যান্ড ইয়ুথ: এ ডেঞ্জারাস মিক্স: ক্যালিফোর্নিয়া; মেন ইনস্টিটিউট ২০০৭)।
অন্যান্য কোমল পানীয় ও স্পোর্টস ড্রিংকস থেকে এনার্জি ড্রিংকসের একটি তফাত হলো, এতে আছে উঁচু মাত্রায় ক্যাফেইন। ক্লান্তি দূর করার জন্য ও পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য এর প্রচার করা হয় (সূত্র: মিলার ই: জার্নাল এডল হেলথ: ২০০৮)।
বেশির ভাগ এনার্জি ড্রিংকে প্রতি ২৫০ মিলিলিটার ক্যানে আছে ৮০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন, কোনো কোনো ড্রিংকে আছে ৩০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত।
ক্যাফেইন একটি আসক্তি তৈরি করার মতো ওষুধ, যা সাধারণত নিরাপদ মনে করা হয়। এটি কেন্দ্রীয় ও প্রান্তিক স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপিত করে। মাঝারি মাত্রায় পারফরম্যান্স, ধৈর্য ও মনোযোগ বাড়াতে পারলেও বেশি মাত্রায় গ্রহণে ক্যাফেইন ঘটাতে পারে উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা, পেটের অসুখ ও হার্টের ছন্দে অনিয়ম। (সূত্র: নাওরাট পি ও অন্যান্য: ফুড এডিট কনটাম ২০০৩)।
বেশি ক্যাফেইন গ্রহণের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে উৎকণ্ঠার জন্যই ডেনমার্ক ও ফ্রান্সে এনার্জি ড্রিংক সরাসরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিশুদের কাছে এ রকম পানীয় বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নরওয়ে ও আর্জেন্টিনায় এর বিক্রি সীমিত করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যে স্টিমুল্যান্ট ড্রিংকস কমিটি প্রস্তাব করেছে, এনার্জি ড্রিংকের লেবেলে এই পানীয়টি যে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু, গর্ভবতী ও দুগ্ধবতী নারীদের জন্য বিপজ্জনক, তা লেখা থাকা উচিত।
গবেষকেরা দেখছেন, যেসব শিশু ও তরুণ নিয়মিত এনার্জি ড্রিংক পান করে, তারা এতে আসক্ত হয়ে পড়ে। ক্রমে ক্রমে বেশি মাত্রায় পানীয় গ্রহণ অভ্যাসে পরিণত হয় এবং তখন তা স্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। এমনকি মাঝারি মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণও কোনো কোনো বয়সে বিপদ ডেকে আনতে পারে। ক্যাফেইন কাজ করে মগজের এমন এক অংশের ওপর, যা আসক্তির কেন্দ্র বলে বিবেচিত। তাই ক্রমে ক্রমে ভবিষ্যতে ক্যাফেইন পানীয়র ওপর অনুরাগ ঘটে, যেমন চিনিবহুল কোমল পানীয় যা পরে দেহের স্থূলতাও টাইপ২ ডায়াবেটিসের পথে নিয়ে যেতে পারে। শৈশব ও বয়ঃসন্ধিকাল পর্যন্ত বয়স হলো দ্রুত বাড়ন ও মগজের বিকাশের অন্তিম স্তরের কাল। এ বয়সে পর্যাপ্ত নিদ্রা ও সুষম পুষ্টি বড় প্রয়োজন। এনার্জি ড্রিংকের ক্যাফেইন ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় এবং পানীয়র চিনি (প্রতি ক্যানে ৮-৯ চামচ চিনি) অনেক পুষ্টিকর খাবারের বিকল্প হয়ে ওঠে।
এনার্জি ড্রিংক অনেক শিশুর মধ্যে বিশৃঙ্খলা ও অতি চঞ্চলতা সৃষ্টি করে।
ক্যাফেইনের কোনো পুষ্টিগুণ নেই, তাই একে উৎসাহিত করারও তেমন কোনো কারণ নেই।ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকেরা সবার জন্য পানীয় হিসেবে ‘কেবল জল’কে প্রণোদিত ও উৎসাহিত করলে সবার মঙ্গল হবে।অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস, বারডেম হাসপাতাল,ঢাকা।
সুত্র:- প্রথম আলো
হে হে আমি জীবনে মাত্র ২ ঢোক খেয়েছি,আর না ........ পোলাপাইনদের সাবধান করতে হয় তাহলে।
দেখেছি,তবে রাজশাহীতে জিপির স্পীড তুলনামূলক ভালো। 
.exe ফাইলই তো নেই। 
খুবই সুন্দর একটি সফটওয়ার,ধন্যবাদ। (y)
ধন্যবাদ ভাই,মাগার এইসব হাই পাবলিকের যায়গায় যেতে আমি আবার ভয় পাই,সরকারী সাইটগুলোতে ভাইরাসের আড্ডা খানা। (n) (n)
শামীম ভাই জটিল একটা জিনিস শেয়ার করলেন,সেজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। (y)
শামীম ভাই,গেমটার সেটিংস আর খেলার বিষয়ে তো ডিটেইলস দিলেন না।
কেনো জানি হিমুর প্রতিটি গল্পই ভালো লাগে,হয়তো ও লজিক মনে না তাই,যাই হোক শামীম ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
ডাউনলোড লিংক:- EASEUS Partition Recovery 5.0.1
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by উপল BD
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.০৬ seconds (৫৭.৫৫% PHP - ৪২.৪৫% DB) with ৬ queries