বাঁচতে হলে জানতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে এই জাতীয় স্লোগান ও টপিকটি দেখেই আশা রাখি আপনারা বুঝতে পারছেন বিষয়টা কি হতে যাচ্ছে।জি হ্যা এইডস-ঘাতক ব্যাধি। AIDS সম্পর্কে আমরা কমবেশি সবাই জানি,কিন্তু এই বিষয়ে যাতে সবারই কিছুটা স্বচ্ছ ধারনা থাকে সে জন্যই আমার এই পোস্টটি।
http://j.imagehost.org/0719/401px-Red_Ribbon_svg_350_x_523.jpg
AIDS কি :- Acquired immune deficiency syndrome কে সংক্ষেপে AIDS বলে যা আমাদের শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে(immune system) ধ্বংস করে দেয়।এটি একটি ভাইরাস ঘটিত অসুখ।ভাইরাসটির নাম-HIV(Human immunodeficiency virus)।HIV ভাইরাস নিজে নিজে বেড়ে উঠতে পারে না,এর জন্য তার দরকার হয় পোষক দেহের।
HIV ও AIDS এর মধ্যে কানেকশন:-HIV ভাইরাস যখন মানুষের শরীরের রোগ-প্রতিরোধকারী কোষগুলো(T-lymphocyte cell) ধ্বংস করে দেয় তখন যে রোগের দেখা দেয় তাকেই AIDS বলে।সাধারণত একজন মানুষের দেহে HIV ভাইরাস আক্রমণ করার প্রায় ১০ বছর পর এটাকে AIDS রোগ বলা যায়।কিন্তু কেউ যদি অপুষ্টিজনিত রোগে ভুগে তবে তার শরীরে আর দ্রুত AIDS ডেভেলপ করবে।রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে যার শরীরে HIV ভাইরাসটি তাকে "HIV-Positive" ব্যক্তি বলা হয়।
http://j.imagehost.org/0775/Hiv.jpg
                                          HIV ভাইরাস
কিভাবে HIV ভাইরাস ছড়ায়:- HIV ভাইরাস মিউকাস মেমব্রেন(মুখ,ঠোঠ ,নাক,পায়ুপথ,গ্লান্স পেনিস,যোনির বাইরের অবরন) ,রক্ত,সিমেন,যোনিরস অথবা মায়ের দুধের মাধ্যমে মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বিশ্বে HIV-Positive/AIDS রোগীর সংখ্যা:-২০০৯ সালে UNAIDS কতৃক প্রকাশিত তথ্য মতে জানা যায়,বিশ্বে HIV-Positive/AIDS রোগীর সংখ্যা ৩১.১-৩৫.৮ মিলিয়ন(প্রায়) যার মধ্যে প্রায় ২.১ মিলিয়ন শিশু।
১৯৮১ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত AIDS রোগে মৃত ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ২৫ মিলিয়ন।
শুধু আফ্রিকাতেই বর্তমানে ১৪ মিলিয়ন AIDS এর কারণে এতিম শিশু রয়েছে। ২০০৮ সালের শেষে দেখা যায় প্রায় ১৫.৭ মিলিয়ন মহিলা(প্রায়৫০%)HIV-Positive/AIDS রোগে আক্রান্ত।
নীচে এই বিষয়ে UNAIDS এর জরিপ(২০০৮ সালের) সংক্ষিপ্ত আকারে দেওয়া হল:-
HIV-Positive/AIDS রোগী     সংখ্যা                                              গড়
People living with HIV/AIDS        33.4 million                                     31.1-35.8 million
Adults living with HIV/AIDS         31.3 million                                     29.2-33.7 million
Women living with HIV/AIDS       15.7 million                                     14.2-17.2 million
Children living with HIV/AIDS       2.1 million                                      1.2-2.9 million
People newly infected with HIV    2.7 million                                       2.4-3.0 million
Children newly infected with HIV   0.43 million                                    0.24-0.61 million
AIDS deaths                                2.0 million                                      1.7-2.4 million
Child AIDS deaths                        0.28 million                                    0.15-0.41 million
আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে এই সংখ্যা ২.৩ মিলিয়ন যা দিন দিন উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েই চলেছে।
UNICEF এর জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশে এই সংখ্যা ১১-১৯ হাজার,২০০৮ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৫০০ এর উপরে।
উপসর্গ:-
১। Palmonary infections(ফুসফুসে ইনফেকশন)
    a. Pneumocystis pneumonia(a lung infection)(লাল চিহ্নিত সমস্যাগুলো কমন)
    b. Tuberculosis
    c. Tumors
২। Gastrointestinal infections(অন্ত্রে ইনফেকশন)
     a.Esophagitis
     b.Chronic diarrhea 
৩। Neurological and psychiatric involvement(স্নায়ুজনিত সমস্যা)   
      a. Toxoplasmosis
      b. Cryptococcal meningitis
      c.Cervical cancer
৪।a.Kaposi's sarcoma (a skin cancer)
   http://j.imagehost.org/0384/Kaposi_s_Sarcoma_350_x_233.jpg
                                     Kaposi's sarcoma
     b.CMV (Cytomegalovirus)-(an infection that usually affects the eyes)
     c.Nausea
     d.Vomitting
     e.Weakness
     f.Lymphoma
টেস্ট:-
১। HIV antibody test
২। P24 antigen test
৩। Polymerase Chain Reaction(PCR) test
৪। CD4 test
৫। Viral load test

প্রতিরোধ:- এখন পর্যন্ত AIDS রোগ থেকে সম্পূর্ণভাবে নিরাময়ের কোনও ব্যবস্থা আবিষ্কার হয়নি। প্রতিরোধই এই রোগ থেকে বাঁচার সর্বোত্তম উপায়।
১। কারও কাছ থেকে রক্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই পরীক্ষা করে নিতে হবে। বিশেষ করে সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনাপরীক্ষায় প্রফেশনাল রক্তদাতাদের কাছ থেকে রক্ত নেওয়া হয় য খুবই বিপদজনক। তাই যেকোনো কারণেই হোক আত্মীয়দের কাছ থেকে রক্ত নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ ও ভালো।
২। অবৈধ যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকতে হবে।
৩। যৌন সম্পর্কের সময় কন্ডোম ব্যবহার করতে হবে+থুথুর মাধ্যমেও যেহেতু AIDS ছড়াতে পারে তাই সেদিকেও লক্ষ্য রাখা উচিত। 
৪। সর্বোপরি ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার কোনই বিকল্প নেই যার প্রমাণ মুসলিম দেশগুলো যেখানে AIDS রোগীর সংখ্যা খুবই কম।
চিকিৎসা:-AIDS সম্পূর্ণ সরানো না গেলেও বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহার করে HIV ভাইরাসের বৃদ্ধি রোধ করা যায়(HIV ভাইরাসের রেপ্লিকেশন ক্ষমতা বন্ধ করে দেয়) । যেমন-
    * antiretrovirals অথবা
    * anti-HIV or anti-AIDS drugs
১। Multi-class Combination Products:-Atripla               
২। Nucleoside Reverse Transcriptase Inhibitors (NRTIs):-
a.Combivir
b. Emtriva
c. Retrovir
d. Trizivir
৩। Nonnucleoside Reverse Transcriptase Inhibitors (NNRTIs):-
a.Intelence
b.Rescriptor
৪।Protease Inhibitors (PIs):-
  a.Agenerase
  b.Aptivus
৫।Entry Inhibitors - CCR5 co-receptor antagonist:- Selzentry
৬।HIV integrase strand transfer inhibitors:- Isentress
লেখাটি অনেক বড় হয়ে গেলো। কষ্ট করে যারা পড়বেন তাদেরকে ধন্যবাদ।

দোস্ত তোর জুতা কই?যাইহোক ফোরামে স্বাগতম।  :applause:   :applause:

বাস্তবতা সম্পন্ন কবিতা,খুবই ভালো লাগলো। :thumbsup:
কিন্তু ১,২,৩ এভাবে উল্লেখ করার কারন ঠিক বুঝলাম না।

৭৫৪

(১৩ replies, posted in আত্মপরিচয়)

যাযাবর wrote:

জিয়া চৌধুরী আবার কে? আমি জিয়া চৌধুরী নই যাযাবর।


বুঝছি ভাই,আর বলতে হবে না...আপনিই জিয়া চৌধুরী। ভাই আপনাকে পেয়ে অনেক ভালো লাগলো। :cloud9:   :cloud9:

৭৫৫

(৭ replies, posted in আত্মপরিচয়)

সুস্বাগতম মনির ভাই। কেডি স্কুলে গেছি। আচ্ছা আপনি ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অংকুর,সৌরভ,পাপ্পু,রাজু কাউকে চিনতেন?

আরে জানুয়ারি-জুন মাসের বেতন মে মাসে দিব কেন?এত ঘন ঘন বেতন দেওয়া যাবে না। বছরে একবার বেতন সিস্টেম করতে হবে-সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা।

পচা রাধুনী।   (n)

মেসি প্রত্যেক ম্যাচে ২-১ টা গোল দিলেও আমাদের রনি ভাই সারা মাসে একটা গোল দেয়। বেশি না এই একটা ছোট পার্থক্য।   :jump:

নো ওয়াইম্যাক্স,এখন শুধুই 3g।

সাকির আহমেদ রনি wrote:

যেই যন্ত্র চালাতে কোনো তেল, গ্যাস, বিদ্যুত্ লাগে না = ষড়যন্ত্র।


:crackup:   :crackup: জটিল,তার মধ্যে এইটা বস।  :crackup:  :crackup:

শেষেরটায় আমি। ওজন মাত্র ৭২ কেজি।  tongue   tongue

যাযাবর wrote:

যে চোখে হিংসা নেই,
আছে মায়াভরা হরিনীর কৌতুহল,
যে বর্ষায় মাঠ ভিজেনা
ভিজে রমনীর হৃদয়।


শেষের চারটা লাইন খুবই ভালো লাগলো। আশা করি আপনার কাছ থেকে এরকম আরও সুন্দর সুন্দর কবিতা পাবো।

৭৬৩

(১৩ replies, posted in আত্মপরিচয়)

যাযাবর ভাইকে ফোরামে স্বাগতম। তা ভাই আপনার সম্পর্কে আর একটু বিস্তারিত বলা যায় না। আশা করি নিয়মিত হবেন এবং আপনার জ্ঞান আমাদের সাথে শেয়ার করবেন।

কাজের পোস্ট।  :thumbsup:

ফায়ারফক্সই ভালো,আম-জনতার ব্রাউজার।  :jump:

ডেল বস।ভাবছি ইনসপাইরন 1564 এর উপর একটা রিভিউ দিব।

অচেনাকেউ wrote:

আরেকজন সুন্দরী আছে এই টাইপের নওশীন ।


আরে এরও তো একটা মেয়ে আছে.....এগো সমস্যা কি? :rotfl:

আসুন সবার আগে জানার চেষ্টা করি কর্টিসল কি?
কর্টিসল হচ্ছে একধরনের গ্লুকোকর্টিকয়েড হরমোন যা শরীরের আড্রেনাল করটেক্স থেকে ক্ষরিত হয় মানসিক ও শারীরিক চাপের সময় অথবা রক্তে গ্লুকোকর্টিকয়েডের পরিমাণ কমে গেলে।কর্টিসলের প্রধান কাজ রক্তে গ্লূকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা ( মানসিক ও শারীরিক চাপের সময় রক্তে গ্লূকোজের পরিমাণ কমে গেলে তা বৃদ্ধি করা)।
এর আরও অনেক প্রয়োজনীয় কাজ আছে-
১। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা।
২। ইনসুলিন নিসরণ করা।
৩। শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করা।
৪। শরীরের কোথাও প্রদাহ হলে সেখানে দ্রুত রেসপন্স করা।
কর্টিসলের পরিমাণ সকল বেলায় (ভোরের দিকে)বৃদ্ধি পায় এবং রাতের বেলায় কমে যায়।
কর্টিসলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রিতভাবে বৃদ্ধি পেলে -
১। শরীরে এনার্জি লেভেল বৃদ্ধি পায়।
২। ব্রেন দ্রুত কাজ করতে পারে।
৩। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
৪। কোন কারণে আঘাত পেলে কম ব্যথা অনুভূত হয়।
মানসিক ও শারীরিক চাপ বৃদ্ধি পেলে শরীরকে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আনার জন্য কর্টিসলের অবদান সবচেয়ে বেশি।
কিন্তু যদি রক্তে কর্টিসলের পরিমাণ অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায় তখন এর অপকরিতা এর উপকারিতাকেও হার মানায়।
আসুন দেখাযাক অতিরিক্ত কর্টিসল আমাদের জন্য কি কি ক্ষতির কারণ হতে পারে-
১। উচ্চরক্তচাপ দেখা দেয় ।
২। বংশগত সমস্যার সৃষ্টি করে।
৩। রক্তে গ্লূকোজের পরিমাণ অতিরিক্ত বৃদ্ধি করে (ডায়বেটিস হওয়ার সম্বাবনা বৃদ্ধি পায়)
৪। হাড়ের ঘনত্ব কমিয়ে দেয়(ফলে দৌড়াদৌড়ি ও ভারী কাজ করতে অসুবিধা হয় )
৫।  থাইরয়েডের কাজ কমিয়ে দেয়। ( থাইরয়েড হরমোনের অভাবে গলগন্ড রোগ হয় )
৬। পেটের অংশে চর্বি জমতে পারে।
৭। পাকস্থলীতে চর্বি জমতে পারে যার ফলে হার্ট-অ্যাটাক,স্ট্রোক পর্যন্ত হতে পারে।
৮। শরীরের কোন স্থানে কেটে গেলে তা ভালো হতে অনেক সময় লাগে।
তাই আমাদের উচিত কোন কিছুতেই বেশি উত্তেজিত না হওয়া।তাহলেই কর্টিসল আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ সঠিকভাবে করতে পারবে ।
তাই সুন্দরী মেয়েদের সংস্পর্শে আসলে সমস্যা নেই,সমস্যা তাদের নিয়ে দীর্ঘক্ষণ চিন্তা করলে।  tongue  tongue  tongue
এরকম কারণেই আল্লাহ মেয়েদের জন্য পর্দা প্রথার নির্দেশ দিয়েছেন। এর মাধ্যমে একটি কথা আবারও প্রমাণিত হলো,আর তা হচ্ছে "বিজ্ঞানময় কুরআন"

ওহ,আমি যা একখান খাওয়া দিয়েছি না...  :jump:  :jump:

৭৭০

(৫ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

finding গালিব......

খেক খেক খেক....  :jaw-dropping:   :jaw-dropping: এখন থেকে আমাদের বান্ধবীদের কেউ ডিসটার্ব করলে পলাশ ভাই তো আছেনই।ভালো একটা সমাধান পাওয়া গেলো।

সামনে আলবাম-৩ আসছে ......

অচেনাকেউ wrote:

কোন কথা না বলে আগে একটা +


ধন্যবাদ মাসুদ ভাই। সামনে আর আসছে.... কালকে পরীক্ষাটা আগে দিয়ে নেই।

আমি খেলতে ইচ্ছুক,কিন্তু পরীক্ষা সামনে,দুই-দুইবার প ভাঙার অভিজ্ঞতা আছে,এইবার যদি ভাঙ্গে আমার বাপ লাত্থি মাইরা আমার আর একটা পা ও ভেঙ্গে ফেলবে.....  sad   sad

৭৭৫

(৪ replies, posted in আত্মপরিচয়)

স্বাগতম মাহবুব ভাই।

দক্ষিণের মাহবুব wrote:

প্রথমদিন বহু কথা বলে ফেললাম।


কোনও সমস্যা নেই ভাই,আমরা বেশি কথা বলা মানুষই পছন্দ করি। (আসলে নিজেও বলি কিনা? :jump: )