Topic: বাংলাদেশে ইন্টারনেট এর ইতিহাস

১৯৯৬ সালের ৪ জুন থেকে বাংলাদেশে ইন্টারনেট সরকারী অনুমোদন পাওয়ার পর থেকে ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক (আইএসএন) নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রথম ইন্টারনেট সেবা দেয়া শুরম্ন করে। মাত্র দেড় মাসের মাথায় জার্মান সাইবারনেট ১৫ জুলাই থেকে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। প্রায় একই সময় আরও দু'টি কোম্পানী অনলাইন সেবা শুরু করে। তবে তখন ইন্টারনেট সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের (আইএসপি) সংখ্যা কম হওয়ায় দেশের বেশিরভাগ মানুষই ইন্টারনেট সংযোগ পায়নি। সবগুলো আইএসপি রাজধানী ঢাকা কেন্দ্রিক এবং কেউই তাদের নেটওয়ার্ক ঢাকার বাইরে বর্ধিত করতে উৎসাহ না দেখানোয় দেশব্যাপী ইন্টারনেট সংযোগ অধরাই থেকে যায়। আবার গ্রাহকরাও তখন ইন্টারনেট সংযোগে ই-মেইল করা ছাড়া আর তেমন কিছুই করতো না। মেইল করা ছাড়া অল্প কিছু সময় ওয়েব ব্রাউজিং কিংবা চ্যাটিং-এ ব্যয় করতো।

প্রথমদিকের ডায়াল আপের পর ২০০০ সাল থেকেই দেশে ব্রডব্যান্ড সংযোগের বিসতৃতি ঘটে। কিন্তু এসব ব্রডব্যান্ড সংযোগের গতিও তেমন ছিল না। ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলে সংযোগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানভেদে গতি বিভিন্ন রকম। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো রাজধানী ঢাকার বাইরে ব্রডব্যান্ড সংযোগ এখনও পর্যাপ্ত নয়। গ্রাহকের স্বল্পতা, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা প্রভৃতি বিভিন্ন কারণে ব্রডব্যান্ড সেবা এখনও জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি।

তারবিহীন ইন্টারনেট
তবে বাংলাদেশে বেসরকারীভাবে টেলিকম প্রযুক্তির অগ্রগতি টেলিকমিউনিকেশনের সঙ্গে ইন্টারনেট সেবার মানও বৃদ্ধি করেছে। বিভিন্ন টেলিকম কোম্পানি যেমন গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি, ওয়ারিদ, সিটিসেল প্রভৃতি কোম্পানি মোবাইল যোগাযোগের পাশাপাশি ইন্টারনেট সেবাও দেয়া শুরু করলে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। এসব কোম্পানীর মাধ্যমেই বাংলাদেশে তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে একটি বিশাল অংশই এখন এই তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করছে। তারবিহীন বা ওয়্যারলেস ইন্টারনেটের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি যেকোন স্থানে বহনযোগ্য এবং ছোট একটি 'এজ' বা 'জিপিআরএস' মডেম দিয়ে যেকোন কম্পিউটারেই এটি ব্যবহার করা যায়। টেলিকম কোম্পানিগুলোর নেটওয়ার্ক কভারেজ সারাদেশেই বিস্তৃত হওয়ায় যেকোন স্থানেই ইন্টারনেটের সুবিধা পাওয়া সম্ভব। কিন্তু বড় সমস্যা হলো তারবিহীন ইন্টারনেটের গতি এখনও খুবই কম।
ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা দেয়া শুরু করেছে। বিশ্বব্যাপী ওয়্যারলেস ইন্টারনেটের জনপ্রিয়তায় বাংলাদেশেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট সেবা দেয়া শুরু করেছে। কিন্তু এই সেবাও ঢাকাকেন্দ্রিক হওয়ায় দেশের বেশিরভাগ মানুষই ইন্টারনেট সেবা থেকে বঞ্চিত। এমনকি রাজধানীরও অনেক এলাকায় এখনও সংযোগ সেবা পৌছায়নি। এজন্য গ্রাহকরা দাবী করেছেন যেন ওয়াইম্যাক্স সেবা যেন সব অঞ্চলে পৌছে দেয়া হয়।

অনিরুদ্ধ কর

সূত্র : এখানে



(edited by fahim49 2010-04-17 18:51:37)

Re: বাংলাদেশে ইন্টারনেট এর ইতিহাস

বাংলাদেশের ইন্টারনেট এর ইতিহাস জানানোর জন্য ধন্যবাদ। :whistling:  :whistling:

চল সবাই,
জীবনের আহ্বানে সামনে এগিয়ে যাই।


Re: বাংলাদেশে ইন্টারনেট এর ইতিহাস

বাংলাদেশের ইন্টারনেট এর ইতিহাস জানানোর জন্য অনেক অ-নে-ক ধন্যবাদ।
এত বিস্তারিত ভাবে জানতাম না।

একজন মানুষের জীবন হচ্ছে~ক্ষুদ্র আনন্দের সঞ্চয়,একেকজন মানুষের আনন্দ একেক রকম...http://www.rongmohol.com/uploads/1805_adda_logo_4.gif

গনযোগাযোগ সচিবঃ ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ, নীতি নির্ধারকঃ মুক্ত প্রযুক্তি।


Re: বাংলাদেশে ইন্টারনেট এর ইতিহাস

সকল বিভাগীয় শহরে আগামী জুলাই এর মধ্যে ওয়াইম্যাক্স এর সেবা পৌছে দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন করা হক!!!

সালাম সালাম হাজার সালাম, সকল শহীদ স্বরণে
আমার হৃদয় রেখে যেতে চাই, তাদের সৃতির চরণে


Re: বাংলাদেশে ইন্টারনেট এর ইতিহাস

কোনো লাভ নেই, ওয়াইম্যাক্স আসলেও দাম এত বেশি দেবে, যে তাতে আমাদের মত ভুক্তভোগীদের দের কোনও উপকার ই হবে না!  :rotfl:



Re: বাংলাদেশে ইন্টারনেট এর ইতিহাস

নো ওয়াইম্যাক্স,এখন শুধুই 3g।

মোঃ সাঈদুজ্জামান উপল
http://img684.imageshack.us/img684/3410/fb1d.jpg