দোস্ত স্বাগতম। কততদিন তোর বাড়ি গেছি। সেদিনকার ঘটনার জন্য সত্যি খারাপ লাগছে। পরে তোর ছবি দেখে চিনছি।যাইহোক ফোরামে তোকে নিয়মিত আশা করছি। ভালো থাকিস। :applause: :applause: :applause:
You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by উপল BD
দোস্ত স্বাগতম। কততদিন তোর বাড়ি গেছি। সেদিনকার ঘটনার জন্য সত্যি খারাপ লাগছে। পরে তোর ছবি দেখে চিনছি।যাইহোক ফোরামে তোকে নিয়মিত আশা করছি। ভালো থাকিস। :applause: :applause: :applause:
ধন্যবাদ জুবায়ের ভাই। খুব উপকারী একটা জিনিস জানালেন।
আমার মতো........আকাইম্মা হইয়া যাইতেন
ছি কি যে বলেন ভাই। আপনিতো মহাজনপ্রিয় ব্যক্তি। :jump:
জুবায়ের ভাইকে ফোরামে স্বাগতম। :applause: :applause:
আশা রাখি ফোরামে নিয়মিত হবেন সাথে সাথে আপনার জ্ঞান আমাদের সাথে শেয়ার করবেন। জুবায়ের ভাই কোন কলেজে পড়েন?
দেখি সময় পাইলে দিমুনি। মেডিকেলে যদি না পড়তাম ......... তাইলে........ অনেক কিছুই করা যেত..... :innocent: :innocent:
মাইক্রোসফট ডেভেলপার্স নেটওয়ার্ক ‘একাডেমিক অ্যালায়েন্স’ এবং ‘ড্রিমস্পার্ক’ নামের দুটি কর্মসূচির মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের বিনা মূল্যে সফটওয়্যার দিচ্ছে। মাইক্রোসফটের প্রায় ৪০০টির মতো সফটওয়্যার বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।
বিনা মূল্যে মাইক্রোসফটের সফটওয়্যার পাওয়া যাবে বাংলা ব্লগ সাইট সামহোয়্যারইন ব্লগে। এ ব্যাপারে ১৯ এপ্রিল মাইক্রোসফট বাংলাদেশ লি. এবং সামহোয়্যারইন লিমিটেডের মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে সামহোয়্যারইন ব্লগ ব্যবহারকারী ছাত্রছাত্রীরা ড্রিমস্পার্ক কর্মসূচিতে যুক্ত হয়ে বিনা মূল্যে মাইক্রোসফটের সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন।
শিগগিরই সামহোয়্যারইন ব্লগে এ জন্য সংযুক্তি লিংক চালু করা হবে।
আবেদন গ্রহণ হলে আবেদনকারীর কাছে ড্রিমস্পার্ক ব্যবহারের নিয়ম ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হবে এবং সেই সঙ্গে ছাত্রছাত্রীরা ড্রিমস্পার্ক ওয়েবসাইট থেকে মাইক্রোসফটের সফটওয়্যার সংগ্রহ করে ব্যবহার করতে পারবেন।
:cloud9: :cloud9: :cloud9: আমি আছি। আপনারা ???
সূত্র:- এখানে
ভাই এইটা আসলে ফ্রেমওয়ার্ক। এটা ইনস্টল করার পর আসল সেটআপ নিজে থেকেই ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিবে(শুধু নেট কানেকশন দরকার)।আমার কাছে অবশ্য মাইক্রোসফটের বাংলা টুলই ভালো লাগে।তবে গুগলও খারাপ না। এর আউটলুকটা ভালো।
খাইছেরে পলাশ ভাই ,এততগুলা মেয়ে দিয়ে আপনি কী করবেন????
গ্রীষ্ম এলেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি, বহুতল ভবন, শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ বাসাবাড়িতে ঘটে থাকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। আগুনে মারা যাচ্ছে বহু মানুষ। কোটি কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। আমাদের দেশে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। দেখা গেছে, দূরে কোথাও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায়। বাংলাদেশে প্রতি বছর আগুনে পুড়ে কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে গার্মেন্ট ব্যবসায়ী সংগঠন বিজিএমইএ’র দাবি।
বাংলাদেশের এ ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সুদূর মালয়েশিয়ায় বসে চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর গ্রামের রুহুল আমিন তৈরি করেছেন অটোমেটিক অগ্নিনির্বাপণ সিস্টেম। রুহুল আমিনের দাবি, তার এ সিস্টেম ব্যবহার করে মালয়েশিয়ার বড় বড় ৮টি কোম্পানি সফলতা পেয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদরের বেগমপুর গ্রামের আবুল ফজলের ছেলে দেশে চাকরি না পেয়ে ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে প্রায় ১৮ বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। সেখানে প্রথমে একটি কোম্পানিতে চাকরির পাশাপাশি মেকানিক্যাল ডিপ্লোমা কোর্স করেন। এরপর ’৯৩ সালে মালয়েশিয়ার ওয়াইটেল নামে বিখ্যাত একটি কোম্পানিতে প্রজেক্ট ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে যোগ দেন। সেখানেই তিনি ১৫ বছরের গবেষণা শেষে তৈরি করেন আগুন নেভানো এ স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম ব্যবস্থা।
সমস্যা হচ্ছে আমরা তো আবার ভালো জিনিস দেরিতে বুঝি। তবে সরকারের উচিত এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া। :thumbsup: :thumbsup:
সূত্র:-এখানে
আগামী ৫-০৫-২০১০ ইং তারিখ হতে অনুষ্ঠিত হতে ৫০ তম এমবিবিএস এর Brain-eyeball কার্ড ফাইনাল পরীক্ষা। নীচে কার্ড ফাইনালের সিডিউল উল্লেখ করা হলো।
বি.দ্র. ০৪-০৫-২০১০ ইং তারিখের মধ্যে সকল আইটেম সম্পন্ন করতে হবে।
লিখিত :- ০৫-০৫-২০১০ সময়:- ১২.০০-১.৩০ টা
মৌখিক:- সময়:- ১১.৩০ টা থেকে শুরু।
হার্ডপার্ট সফ্টপার্ট
০৮-০৫-২০১০ ব্যাচ A C
০৯-০৫-২০১০ ব্যাচ B D
১০-০৫-২০১০ ব্যাচ C A
১১-০৫-২০১০ ব্যাচ D B
মনে হচ্ছে আপনার জন্য ডাক্তারী ছেড়ে ঘটকালী পেশায় নামতে হবে। :highfive:
তা ভাই কেমন মেয়ে পছন্দ?
দেখে ভালো লাগলো।
তবে রসুনের আইসক্রীম এর উপকারিতা বলতে পারি॥
:crackup: :crackup: :crackup: পলাশ ভাই আপনের জন্য এটা পার্ফেক্ট।
পলাশ ভাই,আপনার বউ-বাচ্চা কই?আছে নাকি? :highfive:
আরে অচেনা ভাই (আঙকেলও বলা যায়!!!)তো আমাদের সকলের চেনা হয়ে গেলেন। তবে আপনার বাচ্চা ২ টা খুবই সুইট। ভাই স্ব্পরিবারে রাজশাহীতে বেড়াতে এসেন।
তোমাদের কাছে অনুরোধ-
দু’হাত তুলে দু’মিনিটের জন্য
করো আমার গুনাহ মাফের জন্য মোনাজাত
তোমাদের ত্বরে আর কিছুই চাইনা
সকল দোষ-ত্রুটি মাফ করে দিয়ে
করিও কোরআন শরিফ এর একটি পাতা পাঠ।
এটা আমারও কামনা। অনেক সুন্দর ও আবেগঘন একটি কবিতা। খুবই ভালো লাগলো।আপনাকে সম্মননা না দিলে নিজেরই খারাপ লাগবে।
ভালোই লাগলো,আমরা অবশ্য জানি পলাশ ভাইয়ের গল্পের ভান্ডার ইনফিনিটিভের কাছাকাছি। সুতরাং আরও সুন্দর সুন্দর ছোট গল্পের আশায় থাকলাম। :applause:
হে হে হে.... পলাশ ভাই আপনি ধন্যবাদ দিবেন আর আমি তা গ্রহন না করে পারি। :jaw-dropping: :jaw-dropping:
অমি আজাদ: আসলেই, আমাদের দেশের বিজ্ঞাপনের এই দশা (!) এখন। এক মোবাইল কোম্পানি বলে “কাছে থাকুন” আবার ঐ কোম্পানিই আরেকটি বিজ্ঞাপনে বলে “হারিয়ে যাও।” তাহলে কি বলা ভুল হলো “পাগলে কি-না বলে, ছাগলে কি-না খায়!”
ঘটনার শুরু লন্ডনে। সেখানকার এক টেলিভিশন চ্যানেল ভুল করে একটা বিজ্ঞাপন প্রচার করে হরলিকস্ নামের একটি পণ্যের। সেখানে দেখানো হয় যে হরলিকস্ খেলে আপনার বাচ্চারা হয়ে উঠবে আরও লম্বা, আরও কঠিন এবং আরও ধুর্ত। ওরে বাবা! আর বাকি থাকলো কি!!!
এই বিজ্ঞাপন প্রচারের সাথে সাথে ওখানে একটা হাঙ্গামা হয়ে গেলো, সাধারণ জনগনের একটাই প্রশ্ন যে এরকম কিভাবে হয়। এবং এই প্রশ্নের জবাবে হরলিকস নির্মাতা জানায় যে ঐ বিজ্ঞাপনটি বাংলাদেশের জন্য তৈরী করা হয়েছে এবং ভুল করে ওখানে প্রচারিত হয়ে গিয়েছে।
আমি সেদিন উইকিপিডিয়াতে গিয়ে হরলিকস্ সম্পর্কে পড়ে তো অবাক হলাম এবং সত্যই তো, আমি যখন ছোট ছিলাম, হরলিকসের বিজ্ঞাপনে তাই বলা হতো, যে এটা ঘুমের সময় পান করলে ভালো ঘুম হয় এবং শরীরকে রাখে চাঙ্গা। ভারতে যখন হরলিক উৎপাদন শুরু হলো, তখন বলা হতো পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটায় হরলিকস্। আমি একটা জিনিসই বুঝলাম না, মল্ট যা কি-না গমের মতই একটা দানা এবং সাধারণত বিয়ার তৈরীতে ব্যবহৃত হয়, এটা দিয়ে তৈরী পানীয় আবার পরিবারের কি পুষ্টি যোগাবে!!!
যাই হোক, এর পরে যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রক সংস্থা – অ্যাডভারটাইজিং স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি (এএসএ) সেদেশে স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ব্যাপারে ‘প্রমাণিত নয়’ এমন দাবি করায় হরলিকসের বিজ্ঞাপনে প্রচার বন্ধ করেছে। আজকেও টেলিভিশনে দেখলাম যে আমাদের দেশে ঐ স্লোগান নিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার হচ্ছে এবং বিজ্ঞাপনেই দেখাচ্ছে একই স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীদের উপর গবেষণা করে না-কি ঐ ফল পাওয়া গিয়েছে। তাহলে কি হরলিকস্ ইয়াবা’র মতই একটা ড্রাগ! যেটা তৈরী কারা হয়েছে আমাদের বাচ্চাদের মোটা তাজা করার জন্য!!
মোটা তাজার কথা বলতে গিয়ে মনে পড়ে গেলো যে আমাদের গ্রামে বেশ কয়েকটি Beef Fattening (গরু মোটাতাজা করণ) প্রকল্প রয়েছে। সেখানে ছয় থেকে সাত মাস বয়সের বাচ্চা গরু কেনা হয় এবং এক থেকে দেড় বছর ধরে যত্ন নেয়া হয়, ভালো ভালো খাবার দেয়া হয় এবং খাবারে মেশানো হয় ইউরিয়া সার। যারা ইউরিয়া সার সম্পর্কে জানেননা, তাদের একটু সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেই। এটি একটি খুব শক্তিশালী সার। আমি যতদুর জানি, মাটিতে এই সারের প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ/ফসল দ্রুত বেড়ে উঠে আর তাই এই সার ব্যপকহারে এই উপমহাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। একটা বাঁধাকপি বা একটা টমেটো গাছের জীবনে ৩/৪টা ইউরিয়া সারের দানাই যথেষ্ট। তো ঐ গরু মোটাতাজা করণ প্রকল্পের খাবারে একটি গরুকে সপ্তাহে ২টি দানা খাওয়ানো হয়, এবং সেটাই না-কি ভীষণ কাজ করে গরুর বেড়ে এবং শক্তিশালী হয়ে ওঠায়!
উপরের বিশ্লেষণটি দেবার কারণ এই যে, যদি হরলিকস্ খাইয়েই বাচ্চাকে লম্বা, কঠিন এবং ধুর্ত করতে হবে, তাহলে এত টাকা দিয়ে হরলিকস কেনার দরকার কি, ইউরিয়া সার খাওয়াই।
আমাদের বিজ্ঞাপণে কি দেখায় আর কি বলে, ৯৯% মানুষ লক্ষ্য করেনা। এক সময় বলা হতো, “লেমন ডিউ সাবানে রয়েছে প্রকৃতিক উপাদান অয়েল-অফ-কেট।” যার বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় Oil-of-Cat, তার মানে লেমন ডিউ সাবানে বিড়ালের চর্বি রয়েছে এবং সেটা প্রাকৃতিক। হাঃ হাঃ হাঃ
যাই হোক, আমরা অনেকে বুঝলেও কিন্তু প্রকাশ করতে পারি না। আমি বুঝেছি, আমার এই লেখার পাঠকেরা বুঝেছে, কিন্তু বলবে কাকে? আমাদের কথা শুনবে কে। এই লেখাও পেছনের পাতায় হারিয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতের নতুন পাঠকেরা জানবেও না যে এরকম একটা লেখা ছিলো। আমরা কোনোদিন কিছুই করতে পারবো না এরকম বিষয়গুলি নিয়ে।
তাহলে একটা গল্প বলে শেষ করি। বাসের এক সিটে দুই জন যাত্রী বসে আছেন। একজন এমনি বসে আছেন এবং আরেকজন সিগারেট টানছেন। অপর যাত্রী সিগারেটখোরকে বাসের ভেতরের একটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, “ভাই দেখেন না, লেখা আছে, ধূমপান নিষেধ?” সেটা শুনে সিগারেটখোর আরেকটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, “আপনার কোনো অভিযোগ থাকলে চালককে বলুন।” সেটা দেখে অপর যাত্রী চালকের কাছে গিয়ে বলছে, “চালক ভাই, আমার পাশের সিটের ঐ ভদ্রলোক ধূমপান করছেন এবং আমার সমস্যা হচ্ছে, আপনি একটু বিষয়টা দেখবেন।” তাই শুনে চালক বাসের ভেতরের আরেকটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, “চলন্ত গাড়ীতে চালকের সাথে কথা বলবেন না।”
সূত্র:-এখানে
গুগল বাংলা কি-বোর্ড দিয়ে খুব সহজেই আপনি ফোরামে লিখতে পারবেন। গুগল এর নিজস্ব বাংলা ফোনেটিক কিবোর্ড যা গুগল অক্ষরীকরণ ব্যবস্থা বা Google Transliteration System নামেও পরিচিত. আসুন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই-
সুবিধা:
১. এর কিবোর্ড ম্যাপিং আরো বেশি ব্যবহারবান্ধব. আপনি যেই শব্দ যেভাবে উচ্চারণ করেন ঠিক সেভাবেই লিখলে গুগল তাকে আপনার কাঙ্খিত শব্দে পরিণত করে দিবে. তাতে আপনার লেখার গতি বেড়ে যাবে কয়েক গুন.
উদাহরণ: s+w+a+v+a+b+i+k = স্বাভাবিক (অভ্র)
s+h+a+v+a+b+i+k = স্বাভাবিক (গুগল)
২. উন্নত সাজেশন ব্যবস্থা. আপনার প্রতিটি অক্ষর লিখার সাথে সাথে গুগল তাদের ডাটাবেস থেকে সম্ভাব্য শব্দে লিস্ট দিবে. এতে করে আপনার বানান ভুলের সম্ভাবনা একেবারে কমে যাবে.
উদাহরণ: u+d+a+h+o+r+o+N = উদাহরণ (অভ্র)
u+d+a+h+o+r+o+n = উদাহরণ (গুগল, এখানে ‘উদাহরন‘ => ‘উদাহরণ‘ হয়ে গেছে)
৩. গুগল ঘন ঘন ব্যবহৃত শব্দগুলোকে বেশি প্রধান্য দেয়. এতে লেখা আরো সহজ হয়ে যায়.
উদাহরণ: আমি যদি একবার udarohon = উদাহরন লিখি তাহলে সে পরবর্তীবার udarohon = উদাহরণ সাজেস্ট না করে ‘উদাহরন‘ সাজেস্ট করবে।
ডাউনলোড করুন:-এখান থেকে
এই ওয়েব পেজে গিয়ে choose your IME language থেকে Bengali সিলেক্ট করুন।তারপর 32/64 bit সিলেক্ট করে ডাউনলোড দিন। 
Uploaded with ImageShack.us
সূত্র:-এখানে
স্ব-নামে হাজির হলাম। তখনও অনেকের সন্দেহ যায় না ! আসলেই কি আমি..
হা হা হা :jump: ।আমরা কিন্তু এখনও আপনার ডিটেইলস জানি না। তবে আপনাকে পেয়ে অনেক ভালো লাগল। :applause: :applause:
পৃথিবীর ঘৃণ্য কাজগুলোর একটা বিশাল অংশ জুরেই রয়েছে আমেরিকার নাম। :rotfl: :rotfl:
ধন্যবাদ শিমুল ভাইকে ।
জিন সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধি পেলো।
তিন্নিকে দেখেই তো শয়তানের নানী মনে হয়।ওর কাছ থেকে এছাড়া আর কি বা আশা করা যায়???
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by উপল BD
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.০৬ seconds (৬৬.০২% PHP - ৩৩.৯৮% DB) with ৬ queries