হা হা হা ....একটি বিশেষ সম্প্রদায় কিন্তু আপনার লেখায় যার পর নাই বীতশ্রদ্ধ হতে পারে।  tongue

forum_search wrote:

ভাই এটা কি কোন জটিল রোগ? ঢাকায় যেয়ে চিকিৎসা করার সামর্থ্য নাই। রাজশাহীতে কি সম্ভব না? আপনারা কি কোন পরামর্শ দিতে পারেন কি করে এই রোগ থেকে মুক্তি পাব? আপনার আত্মীয়ের ট্রিটমেন্ট কি শেয়ার করা যাবে?


এই রোগের মূল সমস্যা এর বিস্তৃতি,এটা আপনার মুখমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। আপনি রাজশাহীর কোথায় থাকেন?
আসলে অবস্থা না দেখে ট্রিটমেন্ট করা যায় না।

আমার এক আত্মীয়ের আপনার মত সমস্যা হয়েছিলো। দু:খের বিষয় হলো রাজশাহীর কোন ডাক্তারই তার সঠিক চিকিত্সা করতে পারেনি এমনকি DMC এর হেড কবীর স্যারও না। তো অবশেষে Prof. Md. Samiul Haque স্কয়ার হাসপাতাল,দেখানোর পর এখন আশাতীত উন্নতি হয়েছে। সামিউল স্যার হেয়ার ট্রান্স্প্ল্যান্ট বিশেষজ্ঞও। সো রাজশাহীতে যদি উন্নতি না হয় তবে আমার পরামর্শ আপনি সামিউল স্যারকে দেখাতে পারেন।

১। বাবা: স্কুলে তোমার কেমন চলছে, খোকা? লেখাপড়া কেমন হচ্ছে?
   ছেলে: আচ্ছা বাবা, মাঝেমধ্যেই তুমি এ কথা জিজ্ঞেস করো কেন? আমি কি কখনো জিজ্ঞেস করি, অফিস তোমার কেমন   হচ্ছে?
(পোলাপানরা টেকনিক শিখে রাখো  big grin )
২। —কিছু পান করবেন?
—না, ধন্যবাদ।
—চা?
—না, চা খাই না।
—কফি?
—কফিও খাই না।
—সোডাসহ হুইস্কি?
—সোডা খাই না।
(হালায় দেখি বহুত ধান্দাবাজ    devil  )

৩। পিচ্চি বিল্লু  খুবই ফাঁকিবাজ। প্রায়ই দেরি করে স্কুলে যায় আর এজন্য নিত্যনতুন অজুহাতও তার তৈরিই থাকে! তো, একদিন দেরি করে ক্লাসে যাওয়ার পরে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন, বিল্লু , এতো দেরি হলো কেনো?
পিচ্চি বিল্লু  : আর বলবেন না স্যার! রাস্তা আজকে এতো পিচ্ছিল ছিলো যে, এক পা এগুলে ২ পা পিছিয়ে যাই এমন অবস্থা তো এ অবস্থায় পড়লে দেরি তো একটু হবেই।
স্যার: এই অবস্থা হলে তো তোমার আজকে স্কুলেই পৌঁছানোর কথা না! স্কুলে আসলে কিভাবে?
পিচ্চি বিল্লু  : কেনো স্যার! স্কুলের দিকে পিছন ফিরে হেঁটে হেঁটে এলাম যে!
(পুরা ডিজুস পোলা  cool  )

৪। ২ মাতাল মদ খেয়ে গল্প করছে,এই সময় উপর দিয়ে একটি প্লেন উড়ে গেলো-
১ম মাতাল- দোস্ত বলতো এত্ত বড় বিমান রঙ করে কেমনে?
২য় মাতাল-কিছুক্ষণ চিন্তা করে,আরে গাধা এটাও বুঝলি না,বিমান যখন আকাশে উঠে ছোট হয়ে যায় তখন রঙ করে।
(খাইছে রে এতো দেখি বুদ্ধির ঢেকি !!  silly )

৫।শিক্ষক : তোমার বাম চোখে কি হয়েছে?
ছাত্র : কিছু হয়নি স্যার।
শিক্ষক : তবে খামাখা বেঁধে রেখেছ কেন?
ছাত্র : স্যার, আপনি না বলেছেন, ছোট-বড় সবাইকে এক চোখে দেখতে। তাই...
(টাশকিত হইলাম !! surprise)

৫৫

(১৫ replies, posted in ই-বুক এলাকা)

এই মূহুর্তে আমার একটাও কাজে লাগবে না।

অনেক কষ্টে এক চিট এর কাছ থেকে ৮,০০০ টাকা আদায় করলাম।  devil

আগে ৫ টাই ভালো মত চালিয়ে নিই।

আমারও আছে।আর ভালো পোস্টের জন্য সেজান ভাইকে ফোরাম +  ।  big grin

আশিকুর_নূর wrote:

ফেসবুক, ভোট দিব কেমনে? আমার তো একাউন্টই নাই।

rolling on the floor  rolling on the floor  কেনো যেনো ব্যাপক মজা পাইলাম।

জরিপে অংশ নিলাম।

ইন্টারনেটে প্রতিনিয়ত আজাইরা কৌতুক বা রম্য গল্পের আমদানি ঘটছে আর আমরা ম্যাংগো পাবলিক অত্যন্ত মজার সাথে তা গিলছি।  big grin কিন্তু আমাদের সবার জীবনেই এমন অনেক ঘটনা আছে যা এই সকল গল্পের চেয়েও হাজারগুণ মজার।তাই আসুন এই টপিকে নিজেদের জীবনের বা আসে-পাশে দেখা বা বন্ধুদের জীবনের সেই কাহিনীগুলোই সবার সাথে শেয়ার করি আর মানুষকে আনন্দ দেওয়ার মহত্ দায়িত্ব পালন করি(ডায়লগবাজি করলাম  hee hee

গল্প-১: খাড়া,আইতাছি।

আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর নাম হনুমান হক থুক্কু তন্ময় হক। তো আমাদের বন্ধু তন্ময় একদিন তার গার্লফ্রেণ্ডকে(মিমো) নিয়ে পদ্মার ধারে ঘুরতে গেছে। সেখানে সারি সারি ফুচকা আর চটপটির দোকান(খাইবেন তো টয়লেটে যাইবেন  big grin),যেখানে আবার কিছু না খাইলে বসা সম্পুর্ন বেআইনি ও ঘোরতর অন্যায়।  shame on you তো মিমোর সাথে ঐদিন আবার তন্ময়ের দুর্দান্ত ঝগড়া চলছিলো(রোজই গড়ে ২০-২২ বার এরকম চলে  nerd),তো মাথা ঠান্ডা করতে(খাওয়ার উদ্দেশ্যে নয়  winking ) ভুলে তারা ঐ ফুচকাওয়ালার পাতানো চেয়ারে বসে পড়েছে।এই সময় নতুন কাস্টমার ভেবে ফুচকাওয়ালা ওদের খাবারের অর্ডার দেওয়ার অর্ডার করে।  :lol:
তন্ময়: ঐ মিয়া যান ভাগেন তো,মাথা পুরা হট হয়ে আছে আর আপনি কিনা খাওয়ার কথা বলেন।
ফুচকাওয়ালা: ভাই না খাইলে উঠেন।
তন্ময়: উঠবো মানে,আমার ইচ্ছা হইছে আমি বসছি তোর কিরে?
ফুচকাওয়ালা: চেয়ার কিন্তু আপনার না।
একে তো মিমোর প্যাদানি তারউপর ফুচকাওয়ালার এই ব্যবহারে সে আর মাথা ঠান্ডা রাখতে পারলো না,তার রক্ত হার্ট থেকে সোজা মাথায় উঠে গেলো।  tongue
টাস করে হটাত্ এক থাপ্পড় দিয়ে ফুচকাওয়ালারে সবক শিখিয়ে দিলো।

এইবার শুরু হলো কাহিনী। big grin

ফুচকাওয়ালা:ভাই,কাজটা ভালো করলেন না,এখনিই আমি আমার বন্ধুদের ডাকছি,আপনারে ছিল্লা কাইট্যা চটপটি লগায়ে দিমু।
তন্ময়: মিমো তুমি বাসায় যাও,আমি এখন আমার বডি ফিল্ডার বন্ধুদের ডেকে এদের এমন ধুলা তুলবো যে তুমি স্ট্রোক করতে পারো।
মিমো চলে গেলে তন্ময় তার আরও ৩ বন্ধুকে ডাকে।
এদিকে ফুচকাওয়ালা ডাকে তার ৭ বন্ধুকে।
সুতরাং অনুপাত হলো- তন্ময়: ফুচকাওয়ালা= ৪:৮

অবস্থা বেগতিক দেখে তন্ময় ফোন দেয় এলাকার শীর্ষ ক্যাডার,কলেজের ত্রাস,মেয়েদের যম ন্যাংটা সোহেলকে। :cool:
তন্ময়: দোস্ত,চিপায় পড়ছি,সাথে কিছু পোলাপান নিয়ে পদ্মার পাড়ে আয়।
সোহেল: কোন চিন্তা করিস না,খাড়া, আইতাছি। তোরা মারামারি শুরু করে দে,আমি মোটরসাইকেল স্টার্ট দিচ্ছি।  waiting
এইদিকে সোহেলের সাহস পেয়ে তন্ময় তার আরও তিন বন্ধুদের নিয়ে ৬ ফুট লম্বা ৮জন পালোয়ানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলো।ফলাফল বুঝতেই পারছেন।
এইদিকে অবস্থা বেগতিক দেখে তন্ময় আবার সোহেলকে ফোন দেয়।
তন্ময়: দোস্ত তুই কই,মাইর খাইয়া পোলাপানের তো ওজন বাইড়া গেলো।
সোহেল: তুই খাড়া,আইতাছি। মোটরসাইকেল স্টার্ট দিয়া ফেলছি।তোরা বীরদর্পে মারামারি চালা,হাল ছাড়িস না।   waiting
ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ মিনিট অতিবাহিত হলো। এবার সোহেল তন্ময়কে ফোন দিলো-
সোহেল: দোস্ত,তোরা কই?
তন্ময়: হাসপাতালে।  sad
সোহেল: খাড়া,আইতাছি।   cool

Deb Jyoty Roy wrote:

eta ki youtube er sathe integrate hoi idm er moto.

হুমম।

Deb Jyoty Roy wrote:

এই লাপি কেনার চেয়ে মোবাইল কেনা ভালো। কিছুই তো নাই।

ipad 2 চাই....  day dreaming

Deb Jyoty Roy wrote:

Shamim vai Sobai bole Norton naki khub valo. Sotti ki tai.Apnar motamot jante chai

নরটনের ভাইরাস ডিটেকশন ক্ষমতা বাজারের সব  অ্যান্টভাইরাস এর মধ্যে সবচেয়ে বেস্ট- পিসি ওয়ার্ল্ড।
সো বুঝতেই পারছো নরটন আসলেই বস।  thumbs up

৬৫

(৩ replies, posted in মোবাইল)

শামীম ভাই ট্রাই করে দেখেছেন?

IDM=বস। তবে শেয়ারিং চমত্কার

বসরে স্যালুট।

http://i1116.photobucket.com/albums/k566/upolbd/21877_1265545052933_1658987646_632520_7719992_n.jpg

এই কাজটা মনে হয় প্রত্যেক স্বামীই তার জীবনে একবার না একবার করতে চাই।   kiss

http://i1116.photobucket.com/albums/k566/upolbd/Funny7.jpg

ভাই,আমি কুতি !!!! tongue

http://i1116.photobucket.com/albums/k566/upolbd/Funny8.jpg

আজ অফিসে কোন কাজ নেই,আহ! কি শান্তি।ও বউ গামছাটা দাও দেখি......
winking

http://i1116.photobucket.com/albums/k566/upolbd/Funny9.jpg

ইনি মনে হয় বাসর রাতের কাজ বিয়ের আগের দিনই করে ফেলেছেন
tongue

http://i1116.photobucket.com/albums/k566/upolbd/Funny10.jpg

ওহ! চরি.....
big grin

আমি রেজিস্ট্রেশন করেছি,ধন্যবাদ মাসুদ ভাই।

ভালো কপি-পেস্ট। আমার কাছে Advanced System Clear ই ভালো লাগে।

গলাব্যথার অন্যতম কারণ টনসিলের ইনফেকশন। যদিও টনসিলের সমস্যা সব বয়সেই হয়ে থাকে তারপরও শিশুদের ক্ষেত্রে টনসিলের ইনফেকশন একটু বেশি। টনসিলের এ ইনফেকশনকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় টনসিলাইটিস বা টনসিলের প্রদাহ।

টনসিলের ইনফেকশন :
সাধারণত ভাইরাসের সংক্রমণে টনসিলের প্রদাহ হয়ে থাকে। বিশেষ করে সর্দি-কাশির জন্য দায়ী ভাইরাসগুলোই এই কাজটি করে থাকে। এছাড়া ব্যাকটেরিয়ার কারণে বিশেষ করে স্ট্রেপটোক্কাস গোত্রের ব্যাকটেরিয়া টনসিলের প্রদাহ সৃষ্টি করে থাকে। যে কোনো বয়সেই টনসিলের ইনফেকশন বা টনসিলাইটিস হতে পারে। শৈশবে এটা বেশি দেখা যায় তবে বয়স্কদের বেলায়ও এটি হয়ে থাকে।

উপসর্গ :
টনসিলের ইনফেকশন হলে মূলত গলাব্যথা হয়, গিলতে অসুবিধা হয়।
শরীরে সামান্য জ্বর থাকে।
অনেক সময় গলার স্বর পরিবর্তিত হয়, নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ থাকে।
সঙ্গে শিশুর খাবার গ্রহণে অনীহা কিংবা নাক দিয়ে পানি ঝরা ইত্যাদি থাকতে পারে।
অনেকের ক্ষেত্রে গলার বাইরে গ্রন্থি ফুলে যেতেও দেখা যায়।
ভাইরাসজনিত টনসিলাইটিসে টনসিলের প্রদাহ ধীরে ধীরে বাড়ে। ফলে উপসর্গগুলোও ধীরে ধীরে আবির্ভূত হয়। অন্যদিকে ব্যাকটেরিয়াজনিত টনসিলাইটিস হঠাৎ তীব্রভাবে আক্রমণ করে। ফলে গলাব্যথা হঠাৎ করেই দেখা দেয়।

চিকিৎসা :
টনসিলের চিকিৎসা নির্ভর করে বিভিন্ন কারণের ওপর। যদি ব্যাকটেরিয়াজনিত কারণে হয়ে থাকে তাহলে রোগীকে যথাযথ এন্টিবায়োটিক দিতে হয়। ভাইরাসের জন্য হলে ৫-৭ দিনের মধ্যে এমনিতেই সেরে যায়, সেক্ষেত্রে উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়। চিকিৎসার পর উপসর্গ চলে গেলেও টনসিলের আকৃতি ছোট হতে কিছুটা সময় নেয়। কয়েক মাস পর্যন্ত টনসিল বাড়তি আকৃতিতে থাকতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ওষুধে না সারলে সে ক্ষেত্রে রোগের তীব্রতা ও আক্রমণের হার বিবেচনা করে অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অপারেশন কখন করতে হয়?

বর্তমানে যে অবস্থায় টনসিল অপারেশনের কথা বলা হয়ে থাকে সেগুলো হলো:
টনসিল বড় হওয়ার জন্য ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্ট হলে বা নাক ডাকলে।
ঢোক গিলতে বা খেতে বেশি অসুবিধা হলে।
এছাড়া এক বছরের মধ্যে ৫-৭ বার করে একাধারে দুই বছর কিংবা প্রতিবছর বা একাধারে দুই বছরে ৩ বার করে পর পর  তিন বছর টনসিলের ইনফেকশন হলে অপারেশনের কথা বলা হয়।

টনসিলে একবার ফোঁড়া বা পুঁজ হলে ৬ মাস যথাযথ চিকিৎসার পরও রোগ না সারলে:

অনেকেই শিশুদের টনসিল অপারেশনের কথা বললে ভয় পান। আসলে টনসিল অপারেশনে ভয়ের কিছুই নেই। অনেকেই প্রশ্ন করেন অপারেশন করলে ভবিষ্যতে কোনো অসুবিধা হবে কি না? এর উত্তর হচ্ছে_টনসিলের অসুবিধা দূর করার জন্যই অপারেশন, আর ভবিষ্যতে যাতে টনসিলের ইনফেকশন থেকে জটিলতা না হয় তা রক্ষার জন্যই অপারেশন করা হয়। কাজেই টনসিল ফেলে দেওয়ার জন্য ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা দেখা দেয় না।

লেখক:
ডা. সজল আশফাক
সহযোগী অধ্যাপক, নাক কান গলা বিভাগ
হলি ফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

টনসিলাইটিস শিশুদের একটি কমন রোগ,অনেকে গুরুত্ব দেন না আবার অনেকেই ভয় পান। তবে এর চিকিত্সা তেমন কঠিন না,আর টনসিল সম্পর্কে এরকম পূর্ণাঙ্গ তথ্য আশা করি সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন করবে।

জনপ্রিয় অভিনেত্রী(!!!বলে কি?) শাবনূরকে নিয়ে রহস্য শেষ হচ্ছে না। চীনা বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক চ্যাং লিকে বিয়ে করার রহস্য শেষ হতে না হতে নতুন রহস্যের জন্ম দিয়েছেন শাবনূর। তিনি অস্ট্রেলিয়াতেই স্থায়ী হতে যাচ্ছেন। অস্ট্রেলিয়াতে তার স্থায়ী হওয়ার খবর বলে বেড়াচ্ছেন তার কাছের মানুষরাই। আর এ খবরে চ্যাং লিকে বিয়ে করার কথা আরও জোরালো হলো।
http://www.bangladesh-pratidin.com/admin/news_images/420/image_420_71526.jpg

বেশ কয়েক মাস আগে শাবনূর অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব চেয়ে আবেদন করেছিলেন। এরই মধ্যে অষ্ট্রেলিয়ার সরকার শাবনূরের এই আবেদন মঞ্জুর করেছে। ইতোমধ্যে শাবনূর অষ্ট্রেলিয়ায় বাড়িও কিনেছেন।
শাবনূরের এ সিদ্ধান্তে অনেকে হতাশ হয়েছেন। তাদের মতে, শাবনূর সারাজীবন যে টাকা উপার্জন করেছেন তা বাংলাদেশের টাকা। ওই টাকা এখন সে অস্ট্রেলিয়া নিয়ে যাচ্ছেন। এটা থেকে তার দেশপ্রেমের বিষয়টি প্রশ্নের মুখে পড়ে। দেশের টাকা দিয়ে বিদেশে বাড়ি কিনেছেন, ব্যবসা করছেন। এখন আবার সেখানে স্থায়ী হচ্ছেন। শাবনূর আগামী মাসে দেশে আসবেন। দেশে ফিরে তিনি নিজের ঝুলিয়ে রাখা দুটি ছবির শুটিং শেষ করবেন। জানা গেছে, তারপর চিরতরে অস্ট্রেলিয়ায় উড়াল দেবেন।
সুত্র

মোটকী যত তাড়াতাড়ি দেশ থেকে ভাগবে,দেশের উপর বোঝা তত কমবে,দু"খ একটাই সাথে করে দেশের টাকা নিয়ে যাচ্ছে।  at wits' end

৭৩

(৩ replies, posted in বিনোদন পাতা)

গতকাল পড়া বাদ দিয়ে দেখলাম,চরম মুভি,জনি ডেপের পাইরেটস অব দি ক্যারবিয়ান এর মত ডায়লগ আর সাথে ওয়েস্টার্ন ধাচ,এক কথায় দুর্দান্ত।  thumbs up  thumbs up
ব্যক্তিগত রেটিং:- 8.5/10।

যদি একশটা ল্যাপি বানায় তবে নেতাদের কাছেই সৌজন্যে কপি যাবে ৯০টা,আর আমরা ঢেউটিনের মত চাহিয়া চাহিয়া দেখিতে থাকিবো।  tongue

সুজন পাল wrote:

লিংকে ক্লিক করলে ফেসবুকের হেল্প পেজ আসছে !! এখন কি উপায়???

চিন্তার বিষয়,ওদের এই পেজ নতুন,আগে দেখিনি।গুগলিং করতে হবে।