হুমম,বুঝলাম। এই টার্মের ৪টি মুভি দেখেছি।
You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by উপল BD
হুমম,বুঝলাম। এই টার্মের ৪টি মুভি দেখেছি।
মোস্তফা জব্বার ওপেন সোর্স বুঝে?আর আমাদের ডিজি টাল সরকার আবার উনকেই এইসব দায়িত্ব দেন কিনা? 
ফায়ার ফক্স কম্প্যাটেবল?
এটাই তো চাই। 
মাঝে মাঝে মনে হয় মেডিকেলে না পড়াই কি শ্রেয় নয়? 
বিশ্বের প্রায় ১৬০ কোটি মানুষ আজ ইসলাম ধর্মের অধিকারী যাদের প্অধিকাংশই জন্মগতভাবে।সাথে সাথে চলছে ইসলামের প্রসার বিশেষ করে ইউরোপ আমেরিকার মানুষ আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি ইসলামের দিকে ঝুকে পড়েছে।এমনই কিছু বিখ্যাত নও-মুসলিমদের কথা বলবো যারা জন্মেছিলেন অন্য ধর্মে কিন্তু আল্লাহর রহমতে অবশেষে ইসলামের ছায়াতলে এসেছেন।
১। মোহাম্মদ আলি:
পূর্বের নাম- কেসিয়াস মার্সেলাস ক্লে।
এই ব্যক্তি সম্পর্কে আশা করি আপনাদের নতুন করে বলার কিছু নেই যাকে বিশ্বের সর্বকালের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ বক্সারদের একজন বলা হয়।
জন্ম-১৭ জানুয়ারি,১৯৪২
ক্যারিয়ার- ৩ বার ওয়ার্ল্ড হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ান।
১৯৬০ সালের রোম অলিম্পিকে জিতেছেন "সোনা" ।
ফাইট-৬১টি,জিতেছেন-৫৬টিতে,পরাজয়-৫টিতে, নকআউট করেছেন-৩৭ বার।
ইসলাম গ্রহণ- মার্চ ৬,১৯৬৪।
বিয়ে- ৪ বার, সন্তান- সাত মেয়ে এবং ২ ছেলে। 

আলীর বিখ্যাত বক্সিং গ্লোব- ![]()
২। ম্যালকম এক্স(Malcolm X)
মুসলিম নাম- মালিক শাহবাজ
জন্ম- মে ১৯,১৯২৫
মৃত্যু- ফেব্রুয়ারি ২১,১৯৬৫
এই মানুষটিও অনেক বিখ্যাত,বিশেষ করে আফ্রিকান আমেরিকানদের মাঝে,ইনি ছিলেন মার্টিন লুথার কিং এর কাছের মানুষ।
ইসলাম গ্রহণ- ১৯৫০ সালে।
বায়োগ্রাফি- ম্যালকম এক্স ছোট বেলা থেকেই ছোট খাটো ক্রাইমের সাথে জড়িয়ে পড়েন,এর জন্য তার ৮ বছরের জেলও হয়।জেলে থাকার সময় একদিন তার ভাই তাকে চিঠি লিখে Nation of Islam সংগঠনের কথা বলেন,যারা সাদা-কালো ভেদাভেদে বিশ্বাসী নয়,এই অবস্থায় তিনি একদিন Nation of Islam এর পরিচালক এলিজাহ মুহাম্মদ এর চিঠি পান,যেখানে এলিজাহ তাকে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে বলেন এবং তার অতীত কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে নতুন এক জীবন শুরু করতে বলেন।আর এভাবেই তিনি ১৯৫০ সালে জেলে থাকা অবস্থায় ইসলাম গ্রহণ করেন।তিনি সারা জীবন ইসলমের জন্য এবং বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন।ফেব্রুয়ারি ২১,১৯৬৫ বিপথগামী কিছু Nation of Islam এর কর্মীদের গুলিতে নিহত হন। তিনি তার জীবদ্দশায় তিনটি মসজিদ নির্মাণ করেছেন।

![]()
ম্যালকম এক্স মসজিদ,নিউ ইয়র্ক।
৩। ক্রিস ইউবাঙ্ক(Chris Eubank)
পুরো নাম- ক্রিস্টোফার লিভিংস্টোন ইউবাঙ্ক
জন্ম- আগস্ট ৮,১৯৬৬
ইসলাম গ্রহণ- ২০০৬ সালে
বায়োগ্রাফি- ক্রিস ইউবাঙ্ক একজন ব্রিটিশ বক্সার যিনি ৫ বার অপরাজিত মিডলওয়েট বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ছিলেন। সর্বমোট ৫২টি ফাইটের মধ্যে ৪৫টিতে জিতেছেন,৫টিতে হেরেছেন এবং ২টিতে ড্র করেছেন।
তিনি ইরাক যুদ্ধের প্রতিবাদে ২০০৩ সালে তার গাড়িতে TONY BLAIR! MILITARY OCCUPATION CAUSES TERRORISM" ব্যানার টাঙিয়ে পার্লামেন্ট হাউসের সামনে বিক্ষোভ করেন।
মুসলমান হওয়ার প্রয়ে তার উক্তি-
When I realised I had sense, I was on my mother's knee in church, so I was brought up with God being the cornerstone of my life, and my understanding of Islam is that if you are a good Christian then you are a Muslim. This view some would not agree with, however this is my view. So long as you believe in doing good and not promoting badness then you are God's man or woman.—Chris Eubank, 21 June 2006
.
![]()
৪। দাউদ হার্ন্সবাই আলী (Dawud Wharnsby Ali)
পূর্বের নাম- David Howard Wharnsby
জন্ম- ২৭ জুন ,১৯৭২
ইসলাম গ্রহণ- ১৯৯৩ সালে
বায়োগ্রাফি- দাউদ হার্ন্সবাই একজন কানাডিয়ান গায়ক ও গীতিকার। ১৯৯১ সালে Three O'Clock Tea গানের মধ্যমে তিনি গানের জগতে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০০৭ সালে তার Out Seeing The Fields এলবামে তিনি ফিলিস্তিনিদের পক্ষে আন্দোলনকারী মানবাধিকার কর্মী "Rachel"ইসরাইলীদের দ্বারানিহত হওয়ার স্মরণে "Rachel" নামে একটি গান গান যা সেই সময় অনেক জনপ্রিয়তা পায়।
এখন পর্যন্ত তিনি ৯টি গানের এলবাম রিলিজ করেছেন। 
Dawud Wharnsby - Rachel Corrie
এছাড়াও আছেন-
Alexander Litvinenko
সাবেক কেজিবি অফিসার,যিনি কেজিবির বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরোধীতা করেছিলেন। যার ফলে ২০০৬সালে তাকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়। বিষ খাওয়ানোর ১০ দিন আগে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। 
Ahmad Thomson
ব্রিটিশ ব্যারিষ্টার এবং ব্রিটিশ বার এসোসিয়েশন এর সদস্য। 
সামনের পর্বে আরও কিছু ধর্মান্তরিত মুসলমানদের বিষয়ে লেখার ইচ্ছা আছে।
মীরাক্কেল ফেল হল বুঝি, যা দিলে

হুমম,প্রত্যেক রাজাই চায় তাদের খারাপ দিক গুলো যেনো দেশের বাইরের মানুষ না জানতে পারে।
শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। 
আগামী ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ববিখ্যাত ফুটবল দল আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়ার প্রীতি ম্যাচ। এ ম্যাচকে ঘিরে সারাদেশের ফুটবল অনুরাগীদের উত্সাহের সীমা-পরিসীমা নেই। বাফুফে এরই মধ্যে এ ম্যাচের প্রচার-প্রচারণা ও টিকেট বিক্রির কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। গতকালও এ ম্যাচকে ঘিরে বাফুফে ও আপন কমিউনিকেশনের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর হয়। উদ্দেশ্য আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়া ম্যাচের প্রচার-প্রচারণা। এ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার এক মাসেরও কম সময় বাকি। অথচ মাঠ প্রস্তুতির কার্যক্রম এখনও শুরু করেনি বাফুফে।
দু’দিন আগে সুপার কাপে আবাহনী-মোহামেডান এমন জঘন্য মাঠেই ফাইনাল খেলেছিল। কোটি টাকার ফুটবল ম্যাচের আগেও বাফুফে যথাযথ মাঠের পরিচর্যা করেনি। তাই আবাহনী-মোহামেডানের ফুটবলাররা জল-কাদায় মাখামাখি হওয়া মাঠে যে ফুটবল খেলেছে, তা যেন ‘জাম্বুরা’ ফুটবল। রীতিমতো চষা খেতেই যেন তারা ফুটবল খেলেছিল। কাদায় মাখামাখি হতে হতে শেষ পর্যন্ত বেশিরভাগ ফুটবলারের জার্সি নাম্বার খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে বেতার-টিভির ধারা ভাষ্যকাররাও ফুটবলারদের জার্সি-নাম্বার চিনতে না পেরে বারবার ভুল তথ্য দিয়েছেন।
![]()
![]()
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ৬ সেপ্টেম্বর আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়া ম্যাচের আগেও যদি বাফুফে দায়সারাভাবে মাঠ পরিচর্যা করে এবং বৃষ্টির ওপর দায় চাপানোর অপচেষ্টা করে, তাহলে বাংলাদেশের মাটিতে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও বড় ম্যাচের আয়োজনটা একেবারেই নিরর্থক হবে।
ঢাকায় ৬ সেপ্টেম্বর যখন আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়া ম্যাচ হবে বাংলা পঞ্জিকার হিসেবে তখন ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি থাকবে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এ সময় সারাদেশে বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা প্রবল এবং স্বাভাবিক।![]()
![]()
তাই বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের মাঠে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে, আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়াকে এমন জঘন্য মাঠেই খেলতে হবে। এতে দেশের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ব্যাহত হবে। ফজলুর রহমান বাবুলের নেতৃত্বে বাফুফের যে মাঠ পরিচর্যা কমিটি আছে, তাদের দ্বারা যে কোনো কাজ হবে না ৬ আগস্ট বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম সুপার কাপে আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচে মাঠের জঘন্য দশাই তার প্রমাণ। পেশাদার লীগ শেষে সুপার কাপের প্রথম পর্ব হওয়ার পর ১৪ দিন বিরতি ছিল। এ সময় মাত্র একদিন ২৮ জুলাই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে লেবানন-বাংলাদেশ বিশ্বকাপ প্রাক-বাছাই ফিরতি পর্বের ম্যাচ হয়েছে। পরে দুটি সেমিফাইনাল আর ফাইনাল ম্যাচ আয়োজনেই এ মাঠের দফারফা। সুপার কাপ ফাইনালের আগের দিন ও ফাইনালের দিন মোটামুটি বৃষ্টি হলেও তার আগের এক সপ্তাহ ছিল প্রচণ্ড খরা। পুরো এক সপ্তাহ জুলাই মাসের গনগনে রোদে মাঠ শুকালেও মাত্র একদিনের টানা বৃষ্টিতে মাঠের যদি এমন হাল হয়, তাহলে বাফুফের গ্রাউন্ডস কমিটির কাজটা কী?![]()
আবাহনী-মোহামেডান সুপার কাপের ফাইনালে খেলা আবাহনীর স্ট্রাইকার আলফাজ আহমেদ বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মাঠের জঘন্য দশা সম্পর্কে বলেন, ‘আমি পৃথিবীর অনেক দেশেই খেলেছি। বৃষ্টি হলেও সেসব দেশের মাঠে কোনো সমস্যা হয় না। জল নিষ্কাশনের চমত্কার ব্যবস্থা আছে। আমাদের মাঠ একটাই। এ মাঠে অনেক খেলা হয়। তাই মাঠের এ দশা। আর বাফুফের গ্রাউন্ডস কমিটি ঠিকমতো মাঠের পরিচর্যা করে না। পরিচর্যা করলে মাঠের এমন হতশ্রীদশা হতো না।’সুপার কাপে মাঠের হতশ্রীদশা নিয়ে ক্ষোভ ঝেড়েছেন আবাহনীর তিন ঘানাইয়ান ফুটবলার— সামাদ ইউসুফ, আইডু ইব্রাহিম ও থুয়াম ফ্রাঙ্ক। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মাঠ প্রসঙ্গে মোহামেডানের কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক বলেন, ‘এমন মাঠে আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়ার ম্যাচের আয়োজন করা হলে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে। সে সময় বৃষ্টি হওয়ার ভালো সম্ভাবনা আছে। বাইরের দেশেও এমন ব্যবস্থা আছে। বৃষ্টি হলেও মাঠের তেমন ক্ষতি হয় না। খুব শিগগির যদি ড্রেনেজ সিস্টেমের উন্নতি করা না যায় তাহলে অন্তত পুরো মাঠটা ক্রিকেটের কাভারের মতো ঢেকে দেয়া উচিত। তাহলে মানসম্মত মাঠেই আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়া ম্যাচটা হতে পারবে।
বাফুফের গ্রাউন্ডস কমিটির কাজ সন্তোষজনক নয়। তাদের আরও উন্নত প্রযুক্তিতে মাঠের পরিচর্যা করা উচিত। বাফুফের গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান বাবুল দায়সারাভাবে উত্তর দেন, ‘বৃষ্টি হলে মাঠের সমস্যা হবেই। রোদ হলে মাঠের সমস্যা থাকে না। এ মাঠে প্রচুর খেলা হওয়াতে মাঠের এমন জঘন্য দশা হয়েছে।’
সুত্র
রোদ থাকলেও মাঠের যে মারথাবা অবস্থা(!),বৃষ্টি হলে তো প্রায় সাতার কাটার মত অবস্থা হয়ে যায়।
আসুন আমরা ফুটবল খেলা না দেখে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সাতার প্রতিযোগিতা দেখি। 
চরম হইছে। এই রকম ছন্দ কবিতা আমার খুবই প্রিয়। 
বসরে স্যালুট। 
ক্যাপচা এন্ট্রির কাজ করতে চাইলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, কোন বিড লাগবে না, ১০০০=৪০ টাকা,.........চাইলে টেস্টিং আইডি দিতে পারি.....
আপনার মোবাইল নংটা কি গোপন বার্তার মধ্যমে দেওয়া যাবে?
প্রজন্ম ফোরামে অবশেষে প্রজন্মগুরু হলাম। 
আমি নিবন্ধন করেছি,বিডও করেছি কিন্তু কাজ পাইনি।
ভাবছি ডিজিটেক ভ্যালিতে একদিন যাবো।আচ্ছা অফিস কখন থেকে কখন পর্যন্ত খোলা থাকে?
অনেক অনেক ধন্যবাদ সাইটগুলোর সাথে পরিচয় করে দেবার জন্য.........।।
হ্যাপি ডাউনলোডিং। 
পেচা দেখতে আমার খুবই ভালো লাগে,আর চোখের পাশের অংশগুলোও খুব সুন্দর। 
Pay check আমার কাছে আছে। আমার কালেকশনে এখন প্রায় ১৪০০ মুভি আছে।

নর্টনরে দিছে ৯ নম্বরে,অথচ পিসি ওয়ার্ল্ডের তালিকায় নর্টন এখন ১ নম্বরে,ক্যাসপারস্কাই ২,বিটডিফেণ্ডার ৩ নম্বরে।
পুরা ফালতু রেটিং করেছে এরা। 
এরেই কই ফেসবুক ম্যানিয়া।
400mb আমি নামাইছি,৩ নং ফাইল করাপ্টেড,মাথা পুরা হট হয়ে আছে। 
হে হে,আমি যে কবে থেকে মোবাইলের মধ্যমে ফেসবুকে যাই না।
তবে বেশিরভাগ মানুষের জন্য সুজন ভাইয়ের দেওয়া তথ্যটি কাজে দিবে। 
২০১১-১২ সেশনে অভিন্ন প্রশ্নে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর।
এই বছর অনলাইন থেকেও ফরম পূরণ করা যাবে।

এগিয়ে যাক লিনাক্স। 
খুবই কাজের জিনিস। 
তেলবাজি
আমাদের ক্লাশে এক ছেলে পড়ে,নাম মুন্না।কথা বার্তায় খুবই ধীর স্থির ও ভদ্র(!) ছেলে,তবে মেয়ে দেখলে নজর একটু এদিক সেদিক হয়ে যায় আর কি,কি আর করবে বয়সের দোষ। 
গল্পের আরেক চরিত্র আমাদের সবার প্রিয় চর্ম ও যৌন বিভাগের অধ্যাপক ডাক্তার+কবি বি.জামান স্যার(বিশাল ভুরি,এতোই বড় যে কোট পড়লে আর বোতাম লাগাতে পারেন না+মাথা ভর্তি পরচুলা
)। তো স্যারের সাহিত্য প্রেম এমনই যে তিনি প্রতি বছর যেসব অখাদ্য কবিতা লিখবেন তা আবার উনি বিশাল এক অনুষ্ঠান করে সবাইকে ফ্রি চাইনিজ খাবার খাইয়ে তার প্রকাশ ঘটাবেন। (হে হে ফ্রি দিলে ছাড়ি কেমনে কন?
)
তো এইসব অনুষ্ঠান আয়োজনে স্যারের ডান হাত হলো আমাদের মুন্না ভাই MBBS.
একদিন একটি অনুষ্ঠানের আগে স্যার মুন্নাকে ডাক দিলেন-
স্যার: মুন্না,এই সিডিটা রুমে নিয়ে যাও,এখানে আমার লেখা+সুর করা একটি গান একজন শিল্পীকে দিয়ে গাইয়েছিলাম,শুনে আমাকে জানাও তো কেমন হয়েছে।
মুন্না: স্যার,আমি না শুনেই বলে দিতে পারি এই গান রেডিও,টেলিভিশনে দিলে নং 1 হবে।তারপরেও আপনার কথায় রুমে গিয়ে আরও ভালো মত শুনবো।
তো মুন্না স্যারকে কিঞ্চিত পাম তেল দিয়ে নিজের রিক্সা ভাড়াটা আদায় করে নিলো।(পোলা এক পিস
)
পরেরদিন-----
স্যার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সবাইকে নিজের চেম্বারে ডেকেছেন,মুন্নাও হাজির।
মুন্না:স্যার,আপনাকে যে কি বলবো,আমি এতো সুন্দর গান আমার জীবনেও শুনি নাই।(তেলকূপ থেকে তেল নির্গমন শুরু হলো
)
বর্তমানে যারা গান গায় এদের উচিত আপনার লেখা ও সুর করা গান গাওয়া।আপনি বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না স্যার,আমি রাত্রি ১২ টা থেকে শুরু করে ভোর পর্যন্ত বার বার আপনার এই শুনেছি,পড়ে গান শুনতে শুনতেই ঘুমিয়ে পড়লাম।
মুন্নার মত স্বল্পভাষী,ভালো (!) ছেলের মুখে এহেন প্রশংসামূলক বক্তব্য শুনে স্যারের শার্টের বোতামগুলো ও মারে,বাবারে করা শুরু করে দিয়েছিলো,আর স্যারের ভুরিও রুমের ছাদ ছুই ছুই করছিলো। ;D
স্যার: তাহলে তো মুন্না,আমার এই গানটি উপস্থিত সবাইকেই শুনাতে হয়।
মুন্না: মুখ একটু কাচু-মাচু করে,অবশ্যই স্যার। 
তো স্যার সিডিটি নিয়ে উনার ল্যাপটপে ঢুকালেন কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও গান বাজাতে সক্ষম হলেন না।
(সবার ধারনা সিডিতে মনে স্ক্রাচ সংক্রান্ত ঝামেলা হয়েছে
)
অবশেষে বিরক্ত হয়ে স্যার সিডিটি ল্যাপি থেকে বের করে ভালোমত চেক করে দেখলেন।তারপর মুন্নার দিকে তাকিয়ে বললেন-মুন্না,আমি তোমাকে ভুলে ব্ল্যাংক সিডি দিয়েছিলাম।
এই কথা শুনে উপস্থিত সবাই- 
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by উপল BD
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.০৭ seconds (৫৯.০৭% PHP - ৪০.৯৩% DB) with ৬ queries