কেমন জানি শেষ হইয়াও হইল না শেষ মনে হল, শেষ করে দিন, অতৃপ্ত এক চাওয়া থেকেই যাচ্ছে, যদিও এই বৈশিষ্টই ছোট গল্পের প্রধান আকর্ষণ।  :cloud9:

সেরকম ভাল একটি কবিতা, চালিয়ে যান!  :applause:    :applause:    :applause:

আপনার কী উপরের ছবিটির দিকে তাকিয়ে তিন্নি কে বিষাদময় মনে হচ্ছে !  :crackup:   :crackup:   :crackup:

আইসক্রীম এর টা আপাতত জানা নাই, তবে রসুনের আইসক্রীম এর উপকারিতা বলতে পারি॥  :jaw-dropping:    :jaw-dropping:

করতে তো আমার ও ইচ্ছা করে, কিন্তু মেডিকেল এ যেখানে পাশ ফেল সবই স্যার দের হাতে, এখানে কেই বা তার সুনাম বা দুর্ণাম করবে! স্যার র জানতে পারলে, ছেলের সাথে মেডিকেল পাশ করা লাগবে॥   :rotfl:     :crackup: 

তবে খুব শীঘ্রই হলের ভিতর নিয়ে প্রতিবেদন আসছে, শিক্ষকদের লিস্ট জোগাড় করার চেষ্টা চলছে, প্রিন্সিপ্যাল এর পিএ এর সাথে কনট্যাক্ট করে নিয়মিত সব বিজ্ঞপ্তি গুলো সংগ্রহ করে পসটান হবে, মেডিকেল এ কম্পিউটার ব্যাবহার করে 100 জনে 20 জন। তার মধ্যে আবার নেট চালায় 2 জন , বুঝুন ঠেলা, তাদের এগিয়ে নিতেই আমাদের এই ফোরাম। দোয়া রেখেন,

মেডিকেল স্টুডেন্ট রা যেন আতেল না হয়, তার জন্য    :crackup:

আমরা প্রতিদিন অনেক প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট এ যাই, তার মধ্যে কিছু আমাদের ভাল লাগে, কিছু আবার পেজ লোড হবার আগেই ক্যান্সেল করে দেই। এরই মধ্যে কিছু ওয়েবসাইট থাকে, যেগুলো পরে আবার কাজে লাগতে পারে। এ জন্য সব ব্রাউসার এই bookmark অপ্শন টি থাকে।
1)    যে কোনও ওয়েব সাইট লোড হবার পর ফায়ারফক্স থেকে নিচের মত খুব সহজেই বূকমার্ক করে রাখতে পারেন। http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100426-jdwn-21kb.jpg 
2)    Done এ ক্লিক করুন
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100426-vbeu-15kb.jpg
3)    লোড করার জন্য ফায়ারফক্স ওপেন করে bookmark থেকে যে নামে done করেছেন ওপেন করুন।
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100426-58mo-23kb.jpg
4)    অনেক গুলো সাইট বুকমার্ক করা হয়ে গেলে আপনি বক্ক্মার্ক গুলোর ব্যাকাপ রেখে দিতে পারেন, কেননা উইনডোজ সেটাপ দিলে বুকমার্ক গুলো চলে যাবে। দেখুন
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100426-wadf-13kb.jpg

ছবির মত ক্লিক করুন বা (কন্ট্রোল + শিফ্ট + B) চাপুন
5)    এরপর নিচের ছবির মত ইমপোর্ট & ব্যাকাপ এ ক্লিক করে ব্যাকাপ দিন
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100426-4kdg-19kb.jpg
6)    ফাইল টি সি ড্রাইভ ছাড়া অন্য কোনও ড্রাইভ এ সেভ করুন, লক্ষ করুন ফাইল ফর্ম্যাট টি কিন্তু json
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100426-nwdd-30kb.jpg
উইনডোজ সেটাপ দিলে ফায়ারফক্স ইন্সটল করুন , এবং http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100426-wadf-13kb.jpg

ছবির মত ক্লিক করুন বা (কন্ট্রোল + শিফ্ট + B) চাপুন
7)    ইমপোর্ট এণ্ড ব্যাকাপ থেকে Restore দিন
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100426-ssjc-29kb.jpg
8)    ফাইল টি দেখিয়ে দিন
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100426-qcrr-26kb.jpg
9)    ওকে দিন
http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100426-8l2a-11kb.jpg
10)    ফাইল টি কোথায় সেভ করেছেন ভুলে গেলে ভিস্টা বা সেভেন এ json দিয়ে সার্চ দিন, এক্সপি হলে সার্চ হোল কম্পিউটার দিয়ে *.json দিয়ে সার্চ দিন, পেয়ে যাবেন।

আপনি অনলাইন এও ব্যাকাপ টি রাখতে পারেন, এ জন্য আপনাকে এড ওন হিসেবে এক্সমার্কস ব্যবহার করতে পারেন। পাওয়া যাবে এখানে:
এখানে

কিন্তু এতদিনে তো তিন্নি তো এক বাচ্চার মা হয়ে গেছে, তোর লাভ হইল কেমনে?  :jaw-dropping:   :jaw-dropping:

আসলেই আপনি আপনার নামের মতই অচেনাই রয়েছেন, এখনো আমাদের কাছে , ভাল থাকবেন। আশা করি পুরো পরিচয় পেয়ে যাব।

১২৮৪

(৫ replies, posted in তথ্য বটিকা)

এ রকম হলে হইত পার্ক এর বইটা এর কয়েক লাইন অন্তত পর হবে। চালিয়ে যাও, মোবাইল থেকেও তুমি যে ফোরামের প্রতি dedicate থেকে কাজ করছো বেশ ভাল লাগছে, এরকম তারুণ্য ই আমরা আশা করি যারা জ্ঞান বিতরণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে।  :cloud9:

ও হচ্ছে ইয়াসীন, আমার স্কুলের জিগরী দোস্ত!  :cloud9:

http://www.chobimohol.com/image-2D88_4BD43EF2.jpg

বিশ্বজুড়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ আজকের বিজ্ঞান গবেষণার পুরোভাগে রয়েছে। সেটি হলো আমাদের বিভিন্ন বংশগত বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্য, বিশেষ করে এ রকম অসুখের জন্য, দায়ী জিনগুলোকে চিহ্নিত ও উদ্‌ঘাটিত করতে পারা। এই প্রক্রিয়ার প্রাথমিক অপরিহার্য পদক্ষেপ হলো বাবা-মা থেকে সন্তানের মধ্যে যাওয়ার বংশগতিতে জিনটিকে অনুসরণ করে যাওয়া। শেষ পর্যন্ত এ জন্য গড়ে তুলতে হচ্ছে একটি বিস্তারিত জিনম্যাপ। শহরের ম্যাপকে যেভাবে আমরা একটি বাড়ি চিনে নেয়ার কাজে ব্যবহার করি, এই জিনম্যাপ থেকেও অনেকটা সেভাবে একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জিনকে খুঁজে নিতে পারি। এ কথাগুলো বলেন, ‘উদ্‌ঘাটিত ডিএনএ, উৎসারিত সম্ভাবনা’ বিষয়ক বিজ্ঞান বক্তৃতায় ড. মুহাম্মদ ইব্রাহীম। গত ২০ এপ্রিল ব্রিটিশ কাউন্সিল মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
বংশের মধ্যে জিনকে অনুসরণের জন্য অসুখের ঝুঁকি নির্ণয়ে এবং জিনম্যাপে এর জিনকে স্থাপন করার কাজে সহজতর পদক্ষেপ হলো জিনটির জন্য একটি জিন-মার্কার খুঁজে নেয়া। মূল জিনকে পুরো জানার আগেও এ রকম মার্কারকে অনুসরণ করা যায়। এ জন্য মার্কারকে ডিএনএতে সব সময় ওই জিনের সাথে থাকতে হয় এবং সাধারণ ডিএনএ ফিঙ্গার প্রিন্টিং-এর মতো পদ্ধতিতে সহজে তাকে উদ্‌ঘাটন করতে পারতে হয়। ফলে বার কোডের মতো পরপর কিছু দাগের প্যাটার্ন থেকেই জিনটির উপস্থিতি বা তার পরিবর্তিত রূপের খবর পাওয়া যায়। এসব দিয়ে তৈরি হতে পারে একটি প্রাথমিক জিনম্যাপ, যা বলে দেয় কোনো ক্রমোজোমের মোটামুটি কোনো অংশে এক একটি জিন রয়েছে। অন্যান্য জিনের সাথে তার কাজকে সম্পর্কিত করে জিনটিকে পুরোপুরি চিনতে হলে অবশ্য প্রয়োজন আরো বিশদ ফিজিক্যাল জিনম্যাপের যেখানে এর বিস্তারিত ভিত্তি পরম্পরায়গুলো জানা দরকার। এ কাজটি এখন অপেক্ষাকৃত দ্রুত ও সহজ হয়ে পড়ায় জিনম্যাপিং সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। ভিত্তি পরম্পরায়ের মধ্যে এক একটি সক্রিয় জিনকে তার প্রারম্ভ ও শেষটুকু দিয়ে চিহ্নিত করা যাচ্ছে। সেই জিনের কাজের সাথে সেটিকে সম্পর্কিতও করা যাচ্ছে। কাছাকাছি অন্যান্য জিনের সাথেও এর সম্পর্ক নির্ণয় করা যাচ্ছে। এটি এত ব্যাপক কর্মযজ্ঞ এবং তাতে এত বিপুল পরিমাণ তথ্যকে প্রসেস করতে হয় যে এতে আমাদের সাফল্যের অনেকখানি জুড়ে রয়েছে কম্পিউটারের অবদান। এ জন্য একটি নতুন বিজ্ঞানেরই সৃষ্টি হয়েছে বায়ো-ইনফরমেটিকস। তথ্যপ্রযুক্তি ও জেনেটিক জীববিজ্ঞানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সমন্বয়েই কাজ করে এটি। সখ্যাতাত্ত্বিকভাবে নির্ণিত নানা সম্পর্ক নির্ণয়ে উন্নত তথ্য তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না।
বায়ো-ইনফরমেটিকসের তথ্যের ভাণ্ডার গড়ে উঠছে নানা জিনম্যাপে গড়া জিন-লাইব্রেরিগুলোর মাধ্যমে। এতে শুধু আমাদের জেনেটিক তথ্য নয়, অত্যন্ত সরল প্রাণী থেকে শুরু করে নানা প্রাণীর জিনম্যাপের তথ্য ওখানে রয়েছে এবং আরো নিত্য যোগ হচ্ছে। এই জিন-লাইব্রেরির পরস্পর-সম্পর্কিত দু’টি অস্তিত্ব রয়েছে ডিজিটাল তথ্য হিসেবে কম্পিউটারে, আর ল্যাবোরেটরির শীতল ফ্রিজারের মধ্যে জিনগুলোর অসংখ্য ডিএনএ প্রতিলিপি বা ক্লোনের সংরক্ষণ হিসেবে। জেনেটিক স্তরে মানুষসহ সব জীবের মধ্যে যে অদ্ভুত ঐক্য রয়েছে, এখানে সেই বিষয়টিই খুব কাজে দিচ্ছে। মানুষের জিনের সমতুল্য জিন পাওয়া যায় একেবারেই ভিন্ন ধরনের জীবেই। অথচ তাদের তুলনামূলক সারল্যের কারণে সেই জিনগুলো উদ্‌ঘাটন সহজতর। পরে তার সূত্র ধরেই মানুষের জেনোমেও খুঁজে নেয়া যাচ্ছে তুলনীয় কাজের জন্য দায়ী জিনগুলো। সারল্যের কারণে ইঁদুর, মুরগি, ফলের মাছি, নেমাটোড কীট, এমনকি ইস্টের মতো জীবের জিন উদ্‌ঘাটন চমকপ্রদ অবদান রাখছে মানুষের ক্ষেত্রে। ড. ইব্রাহীম এ প্রসঙ্গে অতি সাম্প্রতিক কতগুলো আবিষ্কারের উদাহরণ তুলে ধরেন। যেমন শীতল সমুদ্রগর্ভে থাকা আইস ফিশের রক্ত স্বচ্ছ, কারণ তার লোহিত কণিকার প্রয়োজন খুব কম। ভ্রূণ অবস্থায় যেই জিনের প্রকাশ ব্যাহত করে এই মাছ লোহিত কণিকার ঘাটতি ঘটিয়েছে এ মাছের নানা প্রকারের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করে সেটি নির্ণয় করা হয়েছে। এখন সেই জিনের তুলনীয় জিন মানুষের ডিএনএতে চিহ্নিত করার কাজ চলছে। সফল হলে এ জিনের পরিবর্তনের মধ্যেই হয়তো উদ্‌ঘাটিত হবে মানুষের রক্তশূন্যতা রোগের উৎস। একইভাবে তিনি গুহার ভেতরে প্রবাহিত নদীতে থাকা দৃষ্টিহীন মাছের জিন উদ্‌ঘাটন করে মানুষের ছানি ও অপটিক নার্ভের অবক্ষয়ের, শিম্পাঞ্জির ক্ষেত্রে এইডস সদৃস রোগের জিন থেকে এইচআইভি-এইডসের জেনেটিক প্রক্রিয়া নির্ণয়ের সুযোগের উদাহরণ টানেন। এ রকম নানা জীবের জেনেটিক তথ্যের ক্রমবর্ধমান বিশাল ডাটাবেজ থেকে কাম্য জিন খুঁজে নিতে এবং জীবন্ত ওই জীবের ওপর ল্যাবরেটরি পরীক্ষণ তথ্যের সাথে তার সম্পর্কগুলো নির্ণয় করতে সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে জিন মার্জ, জিন স্ক্যান, জিন বিল্ডার, ব্লাস্ট ইত্যাদি নামের কতগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী সফটওয়্যারের। অন্য দিকে ওই জীবন্ত জীব-মডেলগুলোর ডিএনএ’র বিশেষ বিশেষ জিনে কৃত্রিমভাবে পরিবর্তন সৃষ্টি করে ওই জিনের কাজ ও প্রভাব সম্পর্কেও আরো গভীর অন্তর্দৃষ্টি লাভ করা সম্ভব হচ্ছে।

সূত্র : এখানে

http://www.chobimohol.com/image-8054_4BD43DC4.jpg
অবশেষে সত্যি হলো গুঞ্জন? তিন্নি আর হিল্লোলের সংসার তাহলে ভেঙেই গেল? গত ১৮ এপ্রিল তিন্নি হিল্লোলকে ডিভোর্স নোটিশ পাঠিয়েছেন বলে শোনা গেছে। বিষয়টি নিয়ে তিন্নির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। হিল্লোলকে ডিভোর্স লেটারের বিষয়ে ফোন করলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। যেহেতু তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি সেহেতু তার কাছে ডিভোর্স লেটার পৌঁছে গেছে বলে ধারণা করা যায়। এদিকে তিন্নি হিল্লোলের সংসার ছেড়ে দীর্ঘদিন ধরে গুলশানে যার ফ্ল্যাটে থাকছেন এবং যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন বলে গুঞ্জন রটেছে সেই আদনানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এখনও যা শুনছেন তা পুরোপুরি সত্যি নয়। তিন্নি আমার ফ্ল্যাটে থাকছেন এমন খবর ঠিক নয়। আপনারা কি বিয়ে করতে যাচ্ছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে আদনান বলেন, সময়ই সব বলে দেবে। এখন আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। যে গুঞ্জন আপনাকে আর তিন্নিকে নিয়ে রটেছে তা কি মিথ্যে? এমন প্রশ্নের উত্তরে আদনান বলেন, অপেক্ষা করুন, সময়ই সব বলে দেবে। তবে বিয়ের সম্ভাবনা যে একেবারেই নেই তা নয়।

সূত্র: এখানে

স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন
http://www.chobimohol.com/image-7FF6_4BD43A6E.jpg
ডা. ফারজানা চৌধুরী
চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক বলে পরিচিত হিপোক্রিটাস মানবদেহের ক্যান্সার, ঘা, কুষ্ঠ সারাতে; রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ ও পরিপাকতন্ত্রের হজমজনিত সমস্যা দূর করতে রোগীদের রসুন খাওয়ার পরামর্শ দিতেন। শুধু তা-ই নয়, আধুনিক ভেষজ চিকিৎসকরাও সর্দি, কাশি, জ্বর, ফ্লু, ব্রঙ্কাইটিস, কৃমি, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য পরিপাকের সমস্যাসহ লিভার ও পিত্তথলির নানা উপসর্গ দূর করতে রসুন খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, একটি মাঝারি সাইজের রসুনে এক লাখ ইউনিট পেনিসিলিনের সমান অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়ার মাধ্যমে সৃষ্ট অ্যামিবিক ডিসেনট্রি নির্মূলের ক্ষেত্রে রসুন বেশ কার্যকর। আর তাই শরীরের রোগ সংক্রমণ দূর করার জন্য একসাথে তিন কোয়া রসুন দিনে তিন থেকে চারবার চিবিয়ে খান। রক্তের চাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর জন্য প্রতিদিন তিন থেকে দশ কোয়া রসুন খেতে পারেন। তা ছাড়া রসুনের জল সেবন করতে হলে ছয় কোয়া রসুন পিষে এক কাপ ঠাণ্ডা পানিতে ছয় ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ভালোভাবে ছেঁকে রসুন পানি সেবন করুন।
উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধে রসুনের ভূমিকা অপরিসীম। এটি প্রমাণের জন্য বিজ্ঞানীরা একদল লোকের প্রত্যেককে দৈনিক চার আউন্স পরিমাণ মাখন খেতে দিয়েছিলেন। মাখন খাওয়ার ফলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া স্বাভাবিক। তার পর এ দলের অর্ধেককে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় রসুন খাওয়ানো হলো। রসুন খাওয়ার পর মাখন গ্রহণকারীদের রক্তের কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা হলো। ফলে দেখা গেল, রসুন সেবনকারীদের রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা অন্যদের চেয়ে শতকরা সাত ভাগ কম। পাশাপাশি হৃদরোগ কমানোর জন্য রসুন রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে সাহায্য করে। আর তাই তো গবেষকদের অভিমত, রসুন রক্ত জমাট নিরোধী অ্যাসপিরিনের মতোই শক্তিশালী।

রসুন কিভাবে খাবেন?
রসুন খেতে হলে কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেতে হবে। কারণ চিবিয়ে না খেলে রসুনের রাসায়নিক উপাদান এলিসিন নির্গত হবে না। কারণ এই এলিসিনই হচ্ছে শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক। রসুনের এই অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষমতা কাজে লাগানোর জন্য কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাওয়াই উত্তম।

সাবধানতা
যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপজ্জনক। কারণ রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে। তা ছাড়া অতিরিক্ত রসুন শরীরে অ্যালার্জি ঘটাতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন না খাওয়াই উত্তম। রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন। শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন না খাওয়াই ভালো। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।
লেখিকাঃ মেডিক্যাল অফিসার, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল। ফোনঃ ০১৬৭২২৭৪৪৩০

সূত্র : এখানে

ফিষ্ট এর সময় পরিবর্তন হল: ২৭ তারিখ থেকে ৪ তারিখে!  :optimist:

আমি অলরেডি webmail notifier ব্যবহার করছি, দারুন লাগে!  :cloud9:

১২৯১

(৫ replies, posted in আত্মপরিচয়)

পলাশ ভাই, ভাল লাগল আমদের সাথে যোগ দেবার জন্য, গাজীপুর এর অনেক মেয়েরা আমাদের মেডিকেল এ পড়ে, গাজীপুর এ ঠিক কোথায় থাকেন জানলে, বেশ সুবিধা হত, আপনার পরিচিত কেও কী রাজশাহী মেডিকেল এ পড়ে? ভাল থাকবেন।

ফুটবল তো খেলা হই না , হই ল্যাং মারামারি !  :rotfl:

একটা ছবি ই হতে পারে যুদ্ধের হাতিয়ার॥  ধন্যবাদ ফটোগ্রাফার Nick Ut কে!  :applause:

যদি উইনডোজ 7 থাকে তাহলে মাইক্রোসফ্ট বাংলা তূল ইন্সটল করুন, আমি বেশির ভাগ কাজ এটা দিয়েই করি। বেশ ভালো।
ভিজিট:
http://www.rmcforum.com/viewtopic.php?id=13

১২৯৫

(৩ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

মানুষ না আরশোলা

১ম মাতাল : তুই মানুষ না আরসোলা?
২য় মাতাল : মানুষ।
১ম মাতাল : কী করে বুঝলি?
২য় মাতাল : আরসোলা হলে স্ত্রী ভয় পেত।

বড় বড় বাড়িগুলো ঢুকে গেল

মাতাল : এই রিকশাওয়ালা, থামালে কেন ! চল চল, গলির ভিতর চল।
রিকশাওয়ালা : গলির ভিতর রিকশা ঢুকবে না স্যার।
মাতাল : আলবৎ ঢুকবে। কত বড় বড় বাড়িগুলো ঢুকে গেল আর তোমার এইটুকু রিকশা ঢুকবে না।


একি

বারে হঠাৎ দুই লোকের ধাক্কা লেগে একজনের গ্লাস থেকে খানিকটা পানীয় ছলকে পড়ে গেল।
১ম : ওহ ! আমি দুঃখিত ! এর ক্ষতিপুরণ হিসেবে তোমাকে আমার সঙ্গে এক গ্লাস ভদকা খাওয়ার প্রস্তাব দিতে পারি?
২য় : নিশ্চয়ই।
প্রথম রাউন্ড শেষ হতেই-
১ম : আমি আয়রল্যান্ড থেকে এসেছি আর তুমি?
২য় : আমিও তো সেখান থেকেই এসেছি। চলো সেই উপলক্ষে আরেক রাউন্ড হয়ে যাক।
১ম : আমি ডাবলিন শহরেই থাকতাম, তুমি?
২য় : আরে ! আমিও ডাবলিনের বাসিন্দা ছিলাম।
১ম : দারুণ ! এ উপলক্ষে আরেক রাউন্ড হয়ে যাক তবে।
১ম : আচ্ছা তুমি কোন স্কুলে পড়তে বল তো …
২য় : সেন্ট ম্যারিতে …
১ম : কী আশ্চর্য ! আমিও একই স্কুল থেকে পাস করেছি।
২য় : ওয়াও ! এবার তবে আমার পক্ষ থেকে আরেক রাউন্ড স্কচ !
১ম : আচ্ছা তুমি কোন বছরে পাশ করেছ? আমি ১৯৬২তে …
২য় : তাজ্জব ব্যাপার ! আমিও তো ৬২তো পাস করলাম।
১ম : হ্যাঁ ঈশ্বর ! সেই খুশিতে চলুক তবে আরেক দান হুইস্কি।
এমন সময় পাশের টেবিল থেকে একজনকে প্রচন্ড বিরক্ত হয়ে বলতে শোনা গেল-‘ওফ! প্রতিটা দিন এই মাতাল দুই যমজ ভাইয়ের একই নাটক তো আর সহ্য হয় না।’

যখন সুন্দরী লাগা শুরু

প্রতি পেগ বিয়ার গিলেই এক লোককে বারবার নিজের বুক পকেটে উকি দিতে দেখে আশ্চর্য ওয়েটার জিজ্ঞেস করল,
: স্যার যদি কিছু মনে না করেন, আমি কি জানতে পারি আপনি প্রতি গ্লাস শেষ করেই কেন বারবার পকেটে উকি দিচ্ছেন?
: আসলে ডাক্তার আমাকে মদ খাবার অনুমতি দিয়েছে তবে বলেছে মাতাল হওয়া চলবে না। তাই পকেটে আমার স্ত্রীর একটা ছবি রাখি, যখন তাকে সুন্দরী লাগা শুরু করে তখনই মদ খাওয়া বন্ধ করে বাড়ি ফিরে যাই …।

শেষে একটু অন্যরকম কিছু:

স্যার ছাত্রকে প্রশ্ন করছে।
স্যারঃ মিঠু, বলতো গরু আমাদের কি দেয়?
মিঠু :গরু ? গরু আমাদের গুতো দেয়।।।

শিক্ষক : তোমার এত দেরি হল কেন?
ছাত্র : ঐ রাস্তাতে একজনের একটা পাঁচশো টাকার নোট হারিয়ে গেছিল।
শিক্ষক : আচ্ছা,তুমি তাকে টাকাটা খুঁজতে সাহায্য করছিলে?
ছাত্র : না , আমি টাকাটার ওপর দাঁড়িয়ে ছিলাম।

১২৯৬

(৪ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

এরপর থেকে ছবি পোস্ট করার সময় ডিরেক্ট লিংক না দিয়ে ফোরাম বিবি code 1 দিবেন। তাহলে লিংক এ ক্লিক না করেই ছবি দেখা যাবে।  :cool:  তবে ছবি গুলো দারুন লাগল।

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100424-kg1s-37kb.jpg

:applause:    :applause:    :applause:    :applause:    :applause:    :applause:    :applause:

বাংলা ফোরামিঙ্গ করে অথচ সালেহ ভাই, কে চিনেনা এমন মানুষ হইত কম পাওয়া যাবে। অনেক ধন্যবাদ সালেহ ভাই কে ফোরামের সদস্য হবার জন্য। আর উল্লেখ্য এই ফোরামের পিছনে সালেহ ভাই এর অবদান আমার থেকে কোনও অংশে কম না! তার হোস্টিং অসাধারণ।  :applause:

১২৯৯

(৫ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

শেষ করেন ভাই!  :thumbsup:

১৩০০

(৫ replies, posted in আত্মপরিচয়)

অনেক ধন্যবাদ রাসেল ভাই, ফোরামে আপনাকে স্বাগতম।  :cloud9:  আপনি নিয়মিত হবেন আশা করি। বাংলা লিখতে চাইলে আপনি ফোরামে কিভাবে বাংলা লিখবেন বিভাগ টি ঘুরে দেখতে পারেন , খুব সহজেই কী বোর্ড এর বাংলা ছাড়াই আপনি বাংলা লিখতে পারেন॥
দেখুন : http://www.rmcforum.com/viewforum.php?id=3