তাও অন্তত কেও বলতে পারলো যে কী লিখেছে! অন্তত স্পামিং এর একটা sample থাকুক। অনেকে তো জানেই না এখনো স্পামিং কী, কেন করে, কিভাবে করে! তবে এই একটাই আর কোনটা বরদাস্ত করা হবে না। :cool:
You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by sawontheboss4
তাও অন্তত কেও বলতে পারলো যে কী লিখেছে! অন্তত স্পামিং এর একটা sample থাকুক। অনেকে তো জানেই না এখনো স্পামিং কী, কেন করে, কিভাবে করে! তবে এই একটাই আর কোনটা বরদাস্ত করা হবে না। :cool:
দারুন লেখা, পড়ে একটা জোস পেলাম। কিন্তু বিজয় 2000 না থাকায় verify করতে পারলাম না। এরকম খবর নিয়মিত চাই।
আসলেই কী তাই?
এই একটা খেলা খুবই কষ্টকর, তারপর আবার আত রোদের মধ্যে! খেলতাম না ! :cool:
দারুন সময়ে দারুন টপিক! পড়ে ভাল লাগল।
নিশানা
এক শৌখিন জ্যোতির্বিদ গ্রামে বেড়াতে গেছেন। রাতে ধানখেতের ধারে তেপায়ার ওপর টেলিস্কোপটা বসিয়ে আকাশ পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কয়েকজন উৎসুক গ্রামবাসী।
তিনি টেলিস্কোপে চোখ রেখে দেখছেন, এমন সময় একটা তারা খসে পড়ল। সঙ্গে সঙ্গে বিপুল করতালি গ্রামবাসীর, ‘নিশানাটা দেখছ, কেমনে গুল্লিটা করল?’
নয়া প্লেট
জাদুঘরের কিউরেটর: আপনি জানেন, যে চিনামাটির পাত্রটি ভেঙেছেন, সেটি দুই হাজার বছরের পুরোনো?
দর্শক: যাক, বাঁচা গেল, আমি তো ভাবছিলাম, নয়া প্লেট ভাইঙ্গা ফালাইছি।
বোমা
প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য দুই সৈনিক দুটি বোমা নিয়ে গাড়িতে করে যাচ্ছিল। একটি বোমা ছিল একজনের কোলে। সে চালক সৈনিককে বলল, ‘আস্তে চালাও, যেকোনো মুহূর্তে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।’
চালক সৈনিক আশ্বস্ত করল, ‘চিন্তা কোরো না, গাড়ির পেছনে আরেকটা বোমা তো আছেই।’
পাখির কথা
টিনা রাস্তা দিয়ে হাঁটছে।
পাখির দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় একটা খাঁচার তোতাপাখি তাকে দেখে বললো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!'
টিনা চটে গেলেও কিছু বললো না, পাখির কথায় কী আসে যায়?
পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও একই ঘটনা ঘটলো, পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!'
টিনা দাঁতে দাঁত চেপে হজম করে গেলো।
তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!'
এবার টিনা মহা চটে দোকানের ম্যানেজারকে হুমকি দিলো, সে মাস্তান লেলিয়ে এই দোকানের বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে। ম্যানেজার মাপ চেয়ে বললো, সে এর বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, পাখিটা আর এমন করবে না।
তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু!'
টিনা থমকে দাঁড়িয়ে পাখির মুখোমুখি হলো, 'কী?'
পাখিটা বললো, 'বুঝতেই তো পারছেন।'
স্ট্যাচু
স্বামীর অবর্তমানে স্ত্রী তার বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সময় কাটাচ্ছিল। স্বামীর অপ্রত্যাশিত আগমন টের পেয়ে সবকিছু দ্রুত সামলে নিল সে। বয়ফ্রেন্ডের গায়ে লোশন মেখে পাউডার ছিটিয়ে দিয়ে ঘরের এক কোণে দাঁড় করিয়ে বলল – তুমি এখন একটা স্ট্যাচু, একটুও নড়বে না, বুঝতে পেরেছ?
বয়ফ্রেন্ড স্ট্যাচু হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। ঘরে ঢুকে স্বামী নতুন স্ট্যাচু দেখে খুব খুশি হলো। স্ত্রী এত সস্তায় এত সুন্দর একটা স্ট্যাচু কিনে এনেছে বলে ধন্যবাদ দিল।
গভীর রাতে স্ত্রী ঘুমিয়ে পড়লে স্বামী বিছানা ছেড়ে নামল। ফ্রিজ খুলে এক পিস কেক নিয়ে স্ট্যাচুর সামনে গিয়ে দাঁড়াল। বলল, কেকটুকু খেয়ে নাও। আমিও আমার গার্লফ্রেন্ডের বাসায় এভাবে তিনদিন দাঁড়িয়ে ছিলাম, কেউ কিছু খেতে দেয় নি।
শেষের কৌতুক টি আহসান হাবীব এর
ডাক্তারী জোক
মানসিক রোগীর রোরশাখ ইঙ্কব্লট টেস্ট নিচ্ছেন মনোচিকিৎসক। হিজিবিজি কিছু কালির ছোপ রোগীকে দেখানো হয় এ টেস্টে।
প্রথম কার্ডটা এগিয়ে দিলেন তিনি। 'বলুন তো এটা কিসের ছবি?'
'একটা ছেলে একটা মেয়েকে জাপটে ধরে চুমু খাচ্ছে।'
দ্বিতীয় ছবিটা এগিয়ে দিলেন ডাক্তার। 'এটা কিসের ছবি বলুন তো?'
'ঐ ছেলেটা এবার মেয়েটার জামাকাপড় খুলে ফেলছে, আর মেয়েটা চেঁচাচ্ছে হাঁ করে।'
আরেকটা ছবি এগিয়ে দিলেন ডাক্তার। 'এটা কিসের ছবি বলুন তো?'
'ছেলেটা মেয়েটার চুল টেনে ধরে ঘাড়ে কামড় দিচ্ছে, আর মেয়েটা খিখি করে হাসছে।'
ডাক্তার আর পারলেন না। 'দেখুন, রিয়াদ সাহেব, আপনার রোগ খুব জটিল পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আপনার মনটা খুবই নোঙরা, আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি।'
রিয়াদ সাহেব চটে আগুন। 'নিজে যত রাজ্যের নোঙরা ছবি এগিয়ে দিচ্ছেন আমাকে, আর বলছেন আমার মন নোঙরা?'
[list=1]
[*]Shahid Shuhrawardhy Medical College, Dhaka(Seat-126)[/*]
[*]Chittagong Medical College,Chittagong (S:178)[/*]
[*]Comilla Medical College, Comilla (Seat:107)[/*]
[*]Dhaka Medical College, Dhaka (Seat:178)[/*]
[*]Dinajpur Medical College,Dinajpur (Seat:132)[/*]
[*]Faridpur Medical College,Faridpur (Seat:107)[/*]
[*]Khulna Medical College, Khulna (Seat:132)[/*]
[*]M. A. G. Osmani Medical College,Sylhet (Seat:178)[/*]
[*]Mymensingh Medical College,Mymensingh (Seat:178)[/*]
[*]Pabna Medical College,Pabna (Seat:50)[/*]
[*]Rajshahi Medical College,Rajshahi (Seat:178)[/*]
[*]Rangpur Medical College,Rangpur (Seat:178)[/*]
[*]Shahid Ziaur Rahman MedicalCollege, Bogra Seat:132[/*]
[*]Sher-e-Bangla Medical College,Barisal (Seat:178)[/*]
[*]Sir Salimullah Medical College,Dhaka (Seat:178)[/*]
[*]Noakhali Medical College, Noakhali (seat:50)[/*]
[*]Cox’s Bazar Medical College, Cox’s Bazar (seat:50)[/*]
[*]Armed Forces Medical College, Dhaka (Seat:100)[/*]
[/list]

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্রাউজিং-এ এতদিন জনপ্রিয় ছিল অপেরা মিনি। এবার এর সঙ্গে যুক্ত হলো জনপ্রিয় মুক্ত সোর্স ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্স। নোকিয়া ট্যাবলেট অথবা অন্য যে কোনো ব্রান্ডের Maemo অপারেটিং সিস্টেমে চালিত মোবাইলে ৩০টি ভাষাতে এই ব্রাউজার চলবে। খুব শিগগিরই অন্য ডিভাইসগুলোর জন্য আসবে এই ব্রাউজার। ফায়ারফক্স মোবাইল বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন মোজিলার www.mozilla.com/en-US/m ওয়েবসাইট থেকে।
সূত্র : এখানে
একে বলে স্পামিং! এই বিভাগে লিখতে কোনও সদস্যতা লাগে না! এই ফাকে স্পামিং চালাল। দেখানোর জন্য মুছলাম না 
রাজশাহী মেডিকেল এর একমাত্র ক্যান্টিন টি বেশ কিছুদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। সম্ভবত টেন্ডার জনিত জটিলতার প্যাচ এ পড়ে ভুক্তভুগী এখানকার ছাত্ররা। এর ফলে সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে সমস্ত খাওয়া দাওয়া ছাত্র দের জন্য এক চরম ভোগান্তির বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। বিশেষ করে যারা ক্যান্টিন এ খেত তারা ডাইনিং এ মিল চালু করাই, ওয়ার্ড করে এসে রাতের খাবার পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে দাড়িয়েছে। বিকল্প উপায় হিসেবে তারা বন্ধ গেটের বাইরের মামা বা আপার দোকান থেকে খাবার পেলেও টা যতেষ্ঠ স্বাস্থ্য সম্মত নয়। এর ফলে এই খাবার খেয়ে ছাত্ররা বিভিন্ন রোগের শিকার হচ্ছে। কলেজ কতৃপক্ষ ও ক্যান্টিন কবে খুলবে টা জানাতে পারে নি। ছাত্রদের দাবি, অবিলম্বে ছাত্রদের ক্যান্টিন চালু করা হোক।
"prochesta" আশা করি আপনি আপনার পরিচয় নিচের বিভাগে দিবেন....
নিজে তো সনি এরিক্স্সন ব্যবহার কর। ধরা ও খাইছ ! :number1: নোকিয়া ইস দি বেস্ট!
কাজের একটা সফ্টওয়্যার পেলাম, ফাইল বেশ ছোট হয় কিন্তু কোয়ালিটি বেশ ভাল। আশা করি নিয়মিত এরকম টপিক পাবো। :applause: :veryhappy:
বিশ্বে প্রতি বছর দেড় কোটিরও বেশি মানুষ হৃদরোগে মৃত্যুবরণ করে। আর পাশ্চাত্যে মোট মৃত্যুর শতকরা ৪৫ ভাগই ঘটে হৃদরোগে। গবেষণায় দেখা গেছে, আমেরিকায় প্রতি ৫ জনে ১ জনের মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ। পাশ্চাত্যের অন্ধ-অনুকরণ আর ভ্রান্ত জীবনাচরণের কারণে বাংলাদেশসহ প্রাচ্যের দেশগুলোতেও এ রোগের প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশগুলোয় হৃদরোগ মহামারি আকারে দেখা দেবে।
হৃদরোগের কারণ
এ রোগ একদিনে হুট করে হয় না। দীর্ঘদিন ধরে একটু একটু করে ধমনীতে কোলেস্টেরল জমে মূলত এ রোগের সূত্রপাত ঘটে। উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা, আবেগের আগ্রাসন, কাজের বাড়তি চাপ প্রভৃতি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। জীবনে ক্রমাগত আশঙ্কা বেড়ে যাওয়া, কাজকর্মে তাড়াহুড়ো, আধুনিক জীবনযাত্রায় নিত্যদিনের দুর্ভাবনা সরাসরি আমাদের শরীরের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ও হৃিপণ্ডের ওপর প্রভাব ফেলে। হৃদযন্ত্রের নানারকম প্রাণঘাতী অসুখের মধ্যে করোনারি আর্টারি ডিজিজ অন্যতম। এতে হৃিপণ্ডের ধমনীতে কোলেস্টেরল বা চর্বি জমে স্বাভাবিক রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে হৃিপণ্ডে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায় এবং বুকে ব্যথাসহ নানা উপসর্গ দেখা দেয়। অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ, ধূমপান, মেদস্থূলতা এবং টেনশন বা স্ট্রেস ইত্যাদিকে হৃদরোগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কারণ মনে করা হয়।
হৃদরোগের প্রচলিত চিকিত্সা
প্রচলিত চিকিত্সা ব্যবস্থায় ধমনীতে জমে থাকা এ চর্বির স্তর পরিষ্কার করে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করার জন্য ব্লকেজের পরিমাণ অনুসারে ওষুধ, এনজিওপাস্টি কিংবা বাইপাস সার্জারির পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু এসব করে পুনঃব্লকেজ প্রতিরোধ সম্ভব হয় না। গবেষণায় দেখা গেছে, ব্লকেজের চিকিত্সা করা হলেও ব্লকেজের কারণ ও পুনঃব্লকেজ প্রতিরোধের ব্যাপারে রোগীকে খুব ভালোভাবে সচেতন করা হয় না। ফলে চিকিত্সা গ্রহণের পরও অনেক রোগী আবার নতুন ব্লক নিয়ে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হন। যেমন—ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তের উচ্চ কোলেস্টেরল, হৃদরোগের পারিবারিক ইতিহাস ও ধূমপানের পাশাপাশি হৃদরোগের ক্ষেত্রে অত্যধিক মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা একটি অন্যতম প্রধান অনুঘটক, যার কোনো চিকিত্সা হৃদরোগের প্রচলিত চিকিত্সা ব্যবস্থায় অনুপস্থিত। অপারেশনের পর রোগী যখন পুরনো জীবন অভ্যাসে ফিরে যায়, সে আবারও আক্রান্ত হয় ব্লকেজসহ হৃদযন্ত্রের নানা জটিলতায়। দেখা গেছে, অপারেশনের পর প্রতি ২০ জনে ১ জন রোগীর আবার হার্ট অ্যাটাক হয় এবং স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় প্রতি ৪০ জনে ১ জন রোগী। আর দ্বিতীয়বার বাইপাস করানো মানে ঝুঁকির পরিমাণ ১০ ভাগ থেকে ২০ ভাগ বেড়ে যাওয়া। অপারেশনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং বিপুল ব্যয়ভারের কথা তো বলাই বাহুল্য।
হৃদরোগ নিরাময় ও প্রতিরোধে মেডিটেশন
নানা গবেষণার মাধ্যমে এটি এখন প্রমাণিত সত্য, মেডিটেশন হৃদরোগের প্রতিরোধ ও নিরাময়— দু’ক্ষেত্রেই খুব কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কোলেস্টেরল হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম প্রাথমিক কারণ। মেডিটেশন অস্বাভাবিক বেশি কোলেস্টেরল মাত্রাকে কমিয়ে আনতে পারে। ১৯৭৯ সালে দু’জন গবেষক এমজে কুপার এবং এমএম আইজেন ২৩ জন উচ্চ কোলেস্টেরল রোগীর মধ্যে ১২ জনকে মেডিটেশন করান। ১১ মাস পর দেখা যায়, মেডিটেশনকারী গ্রুপের কোলেস্টেরল ২৫৫ থেকে ২২৫-এ নেমে এসেছে। উল্লেখ্য, আমেরিকায় ২২০ মাত্রাকে স্বাভাবিক গড় মাত্রা ধরা হয়। মেডিকেল কলেজ অব জর্জিয়ার ফিজিওলজিস্ট ডা. বার্নেস ১১১ জন তরুণ স্বেচ্ছাসেবীর ওপর এক গবেষণা চালান। এদের মধ্যে ৫৭ জনকে মেডিটেশন করানো হয়, বাকিদের শুধু স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্যাদি শেখানো হয়। ৮ মাস পর দেখা যায়, ১ম গ্রুপের সদস্যদের রক্তবাহী নালীর সংকোচন-সম্প্রসারণ ক্ষমতা বেড়েছে ২১ শতাংশ, যা হৃিপণ্ডের সুস্থতার একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। কারণ এনডোথিলিয়াম নামের রক্তনালীর আবরণের এ অসুবিধা থেকেই অল্পবয়সে একজন মানুষের শরীরে শুরু হয় হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রক্রিয়া। অন্যদিকে ২য় গ্রুপের এ ক্ষমতা কমেছে ৪ শতাংশ। বয়স বাড়লে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও ১ম গ্রুপের ক্ষেত্রে কমেছে। ডা. বার্নেস বলেন, লিপিড কমানোর ওষুধ ব্যবহার করে আগে যে ফল পাওয়া যেত তা-ই পাওয়া যাচ্ছে মেডিটেশনে। ২০০৭ সালে আমেরিকান সাইকসোমাটিক সোসাইটির বার্ষিক কনফারেন্সে এ রিপোর্টটি পেশ করা হয়।
কিছু গবেষণা ও পরিসংখ্যান
মার্কিন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ক্রিচটন দীর্ঘ গবেষণার পর দেখিয়েছেন, হৃদরোগের কারণ প্রধানত মানসিক। তিনি বলেছেন, কোলেস্টেরল বা চর্বিজাতীয় পদার্থ জমে করোনারি আর্টারিকে ব্লক করে ফেললেই যে হার্ট অ্যাটাক হবে এমন কোনো কথা নেই। কোরিয়া যুদ্ধের সময় রণক্ষেত্রে নিহত সৈনিকদের অটোপসি করা হতো। ডাক্তাররা সবিস্ময়ে লক্ষ্য করেন, নিহত তরুণ সৈনিকদের শতকরা ৭০ জনেরই আর্টারি চর্বি জমে প্রায় বন্ধ হয়ে এসেছে (অ্যাডভান্সড স্টেজ অব অ্যাথেরোসক্লেরোসিস) এবং হার্ট অ্যাটাকের পথে এগোচ্ছে। এদের মধ্যে ১৯ বছর বয়স্ক তরুণ সৈনিকও ছিল। ডা. ক্রিচটন প্রশ্ন তোলেন, যদি শুধু করোনারি আর্টারিতে চর্বি জমাটাই হৃদরোগের কারণ হতো তাহলে তো এই তরুণ সৈনিকদের মৃত্যু গুলির আঘাতে নয়, হৃদরোগেই হতো। করোনারি আর্টারির ৮৫ শতাংশ বন্ধ অবস্থা নিয়েও একজন ম্যারাথন দৌড়ে অংশ নিয়েছেন; আবার দেখা গেছে, একেবারে পরিষ্কার আর্টারি নিয়ে অপর একজন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। ষাটের দশকে যুক্তরাষ্ট্রে সানফ্রান্সিসকোর ডা. মেয়ার ফ্রেডম্যান এবং ডা. রে রোজেনম্যান দীর্ঘ গবেষণার পর দেখান যে, হৃদরোগের সঙ্গে অস্থিরচিত্ততা, বিদ্বেষ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি বা নেতিবাচক জীবন পদ্ধতির সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। আর রোগ ও অসুস্থতা থেকে মুক্তির জন্য প্রথম প্রয়োজন এই দৃষ্টিভঙ্গি বা জীবনদৃষ্টির পরিবর্তন। আর দৃষ্টিভঙ্গি বা জীবনদৃষ্টি পরিবর্তনের সবচেয়ে সহজ পথ হলো মেডিটেশন।
নিজের দায়িত্ব নিতে হবে নিজেকেই
ইংরেজিতে একটি কথা আছে, patient cure themselves, Doctors show the way। নব্য চিকিত্সা ধারার প্রবর্তক ডা. ডিন অরনিশ, ডা. দীপক চোপড়া, ডা. ল্যারি ডসি, ডা. জন রবিন্স, ডা. কার্ল সিমনটন, ডা. বার্নি সিজেল, ডা. ক্রিশ্চিয়ানে নর্থট্রপ, ডা. হার্বার্ট বেনসন, ডা. জোয়ান বরিসেঙ্কো, ডা. এন্ড্রুু ওয়েলস, ডা. এডওয়ার্ড টাওব, ডা. মিখাইল স্যামুয়েলস প্রমুখ ‘বডি, মাইন্ড, স্পিরিট’ সাময়িকীর ১৯৯৭ সালের বিশেষ সংখ্যায় ‘একবিংশ শতকের স্বাস্থ্য’ প্রচ্ছদ কাহিনীতে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে মত প্রকাশ করেছেন, সুস্থ থাকতে হলে নিজের স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নিজেকেই গ্রহণ করতে হবে। নিজেকে নিরাময় করার ক্ষমতা প্রতিটি মানুষের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত। আর এ সহজাত ক্ষমতার সঙ্গে নিজের বিশ্বাসকে সম্পৃক্ত করতে পারলে প্রচলিত চিকিত্সা ব্যবস্থার শতকরা ৯০ ভাগ খরচই অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়বে। কারণ বাইপাস সার্জারি, এনজিওপাস্টি বা সারাজীবন কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রক ওষুধ সেবনের চেয়ে সঠিক জীবনদৃষ্টি গ্রহণ করে জীবনধারা পরিবর্তনের খরচ অনেক কম। ডা. হার্বার্ট বেনসন বলেন, একজন মানুষ নিজেই রিলাক্সেশন বা শিথিলায়ন, মেডিটেশন, ব্যায়াম ও পুষ্টি সংক্রান্ত জ্ঞান লাভ করে তা অনুসরণ এবং নিজের জীবনে প্রয়োগ করতে পারে। বর্তমানে যেখানে রোগীরা ওষুধ বা সার্জারির ওপর নির্ভর করছে, সেখানে তাদের নিজেদের ওপর নির্ভর করতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আর সুস্থ জীবনের জন্য নতুন এ চিকিত্সা ধারার অনুসারী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। আপনার স্বাস্থ্য ও নিরাময়ের দায়িত্ব নিতে হবে আপনাকেই। ডাক্তার, ওষুধ, সার্জারি সবই হবে আপনার সহযোগী শক্তি।
সূত্র : এখানে
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে গত ১৩ এপ্রিল এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে পূর্ণমাত্রার যোগাযোগ ও বিনোদন ডিভাইসসমৃদ্ধ নকিয়ার ২৬৯০, ১৮০০ এবং ৭২৩০ নতুন হ্যান্ডসেটের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে নকিয়া ইমার্জিং এশিয়ার জেনারেল ম্যানেজার প্রেম চাঁদ বিনামূল্যে ইন্সট্যান্ট মেসেজিং (আইএম) সুবিধার অভি চ্যাটও আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
কী এই অভি চ্যাট : ইন্টারনেটে কম্পিউটারে চ্যাটিংয়ের মতোই মুঠোফোনে চ্যাটিংয়ের সুবিধা দিচ্ছে অভি চ্যাট। অভি চ্যাটে একজন গ্রাহক যদি নিবন্ধন করেন তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার অভি মেইলের ঠিকানাগুলো মুঠোফোনে আপলোড হয়ে যাবে। মুঠোফোন ইন্সট্যান্ট মেসেজিং, দ্রুত স্ট্যাটাস সেটিং, প্রাইভেসি সেটিং প্রভৃতি সুবিধা প্রদান করবে অভি চ্যাট। নকিয়া সিরিজ ৪০ ও সিরিজ ৬০ হ্যান্ডসেটে বিনামূল্যে অভি চ্যাট সুবিধা পাওয়া যাবে।
নকিয়া ২৬৯০ : বক্রাকৃতির কালো রঙের নকিয়া ২৬৯০ হ্যান্ডসেটটি আধুনিক এবং সহজে ব্যবহার উপযোগী। এতে রয়েছে সমন্বিত মিউজিক প্লেয়ার, ৮ জিবি পর্যন্ত সম্প্রসারণশীল মেমোরি, অভি মেইলের সুবিধা প্রভৃতি। গত ১ এপ্রিল থেকে এ হ্যান্ডসেটটি উজ্জ্বল গোলাপি, কৃষ্ণবর্ণ, নীল ও সাদা সিলভার রঙ্গে ৪৯৯৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
নকিয়া ১৮০০ : ১.৮ টিএফটি ডিসপ্লে সুবিধা সংবলিত নকিয়া ১৮০০ হ্যান্ডসেটটি ধাতু নির্মিত একটি ঘনবিন্যস্ত ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের হ্যান্ডসেট। এতে রয়েছে দীর্ঘ ক্ষমতাসমৃদ্ধ ব্যাটারি এবং ঠিকানা ও বার্তা প্রেরণের জন্য বৃহত্ মেমোরি। কালো, ধূসর, নীল ও অর্কিড রংয়ের এ হ্যান্ডসেটটি পাওয়া যাবে ২৫০০ টাকায় ।
নকিয়া ৭২৩০ : নকিয়া ৭২৩০ হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে সহজে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইট ব্যবহার করা যায়। ৩.২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাসমৃদ্ধ এই হ্যান্ডসেটটির মাধ্যমে আকর্ষণীয় মুহূর্ত ফ্রেমবন্দি করে তাত্ক্ষণিকভাবে তা ফটো-শেয়ারিং সাইটে শেয়ার করা সম্ভব। স্লাইড কি প্যাডের কারণে এটি খুব সুবিন্যস্ত ও সহজে বহনযোগ্য। থ্রিজি সংযোগের মাধ্যমে এই হ্যান্ডসেটে ডাউনলোড করা সম্ভব এবং অভি স্টোরেও যোগাযোগ সুবিধা আছে। বর্তমানে ৯৯০০ টাকায় নকিয়া ৭২৩০ হ্যান্ডসেটটি পাওয়া যাচ্ছে।
সূত্র : এখানে
Idm দিয়ে খুব সহজেই একটির পর একটি ফাইল পর পর ডাউনলোড করা যায়, এ জন্য আইডিএম এর synchronization que অপ্শন টি ব্যবহার করতে হবে। নিচের স্টেপ গুলো ফলো করুন
১) প্রথমে আইডিএম এর scheduler অপ্শন টি ক্লিক করুন
২) এরপর synchronization que > files in the que > select 1 > Apply > ok
3) কোনও ফাইল ডাউনলোড এর সময় ডাউনলোড later দিন
তারপর synchronization que সিলেক্ট করুন
4) পুরনো ফাইল গুলো synchronization que তে নিতে চাইলে!প্রথমে ফাইল গুলো সিলেক্ট করে রাইট মাউস ক্লিক করুন , তারপর move to synchronization que সিলেক্ট করুন. 
5) Synchronization que চালু করতে চাইলে, প্রথমে সব ডাউনলোড বন্ধ করে স্টার্ট Synchronization que সিলেক্ট করুন
আসার খবর, আসলে বাংলাদেশে অনেক প্রতিভাবান রয়েছে কিন্তু তাদের কদর করে না বলেই দেশ আগাচ্ছে না, যারা অন্তরে দেশ কে রেখে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে তাদের সালাম জানাই। :applause:
কসাই ডাক্তার জামাল কাহিনী
গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার অচিমত্মপুর ইউনিয়নের চড়াকোনা গ্রামের জনৈক এমবিবিএস ডাক্তারের বাবুর্চি, নামধারী পলস্নী চিকিৎসক জামালের ভুল চিকিৎসায় আবারো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এবার অকালে প্রাণ হারালেন কৃষক আবুল মুনসুর (৪৫)। জানা গেছে, মুনসুর পায়ে টিউমার নিয়ে চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন সর্বরোগের বিশেষজ্ঞ পলস্নী চিকিৎসক জামালের কাছে। মাত্র তিনশ টাকার চুক্তিতে বেস্নড দিয়ে কেটে ও কাঁথা সেলাইয়ের সুই দিয়ে সেলাই কাজ সেরে মুনসুরের পায়ের টিউমার অপসারণ করেন কথিত কসাই ডাক্তার জামাল। এরপর থেকেই মুনসুরের চলাফেরা, খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। বেঁচে থেকেও মূর্তিতে পরিণত হয়ে পড়েন মুনসুর । তাকে ময়মনসিংহের ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রায় ১৯ দিন চিকিৎসার পরও মুনসুরকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ১৩ এপ্রিল সকালে তিনি মারা যান। জামাল ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিতে এসে এ রকম প্রাণ হারানোর সংখ্যা দিন দিনই বাড়ছে। মানুষ থেকে শুরম্ন করে গরম্ন-ছাগল, হাঁস-মুরগির চিকিৎসক জামালের বিরম্নদ্ধে ১৯৯১ সাল থেকে এ যাবত শিশু, প্রসূতি, বৃদ্ধ মিলিয়ে প্রায় ৩০ জন মানুষ ও শত শত হাস-মুরগি, ছাগল, গরম্নসহ গৃহপালিত প্রাণীকে চিকিৎসার নামে হত্যা করার অভিযোগ রয়েছে। এ ত্রে কসাই জামালের শিকার বেশির ভাগ লোক হতদরিদ্র হওয়ায় জামাল ডাক্তার টাকার জোরে এসব মৃত্যুর ঘটনা ধামাচাপায় বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি চিকিৎসার নামে এলাকার গরিব মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে ডাক্তারের বাবুর্চি থেকে বর্তমানে সে এক ধনাঢ্য ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লোকজনের অভিযোগ, জামাল ডাক্তারের কাছে যে কোনো রোগী এলে বা যে কোনো রোগীর বাড়িতে গেলে কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই প্রথমে সেই রোগীর শরীরে পুরনো স্যালাইনের ব্যাগে পানি ভরে নিজের তৈরি করা পুশিং স্যালাইন ও একটি ডিসটিল ওয়াটারের ইনজেকশন নামক ওষুধ পুশ করে থাকে। পরে সে এর মূল্যবাবদ রোগীর লোকজনের কাছ থেকে এক থেকে দুই হাজার টাকা বা আরো বেশি টাকা বাধ্যতামূলক আদায় করে থাকেন। তাছাড়া জবর বা ব্যথানাশের জন্য প্যারাসিটামল বড়ির গুঁড়ো দিয়ে তৈরি করা একটি পুরিয়া সে বিক্রি করে ২০ থেকে ত্রিশ টাকায়। এ ছাড়া অন্য গোপন রোগের ওষুধ দিয়ে গ্রামের সহজ-সরল মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা তার নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সার্জারির ক্ষেত্রে তার কাছে কোনো বাছ-বিছার নেই। বড় বড় সার্জন যে অপারেশন করতে ভয় পায় টাকা পেলে সে সব অপারেশন সে সাধারণ বেস্নড-কাঁচি আর লেপ-কাঁথার সুই দিয়ে অনায়াসে করে ফেলে। এ অপারেশনে রোগী বাঁচলো বা মরলো তার ধার সে ধারে না। ফলে এলাকায় জামালের নাম হয়েছে কসাই ডাক্তার। তার চিকিৎসা বিভ্রাটে মানুষ বা পশু মারা গেলেই সে বাসা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরিস্থিতি ঠা-া হলে আবার সে ফিরে আসে। এভাবেই মানুষ মেরে ও প্রতারিত করে বছরের পর বছর চলছে স্বঘোষিত পলস্নী সার্জন জামাল ডাক্তারের চিকিৎসা ব্যবসা। এলাকার লোকজন সম্মিলিতভাবে জামালের অপচিকিৎসা বন্ধ করতে চেষ্টা চালিযেও ব্যর্থ হয়েছেন।
সূত্র: এখানে
আলোকিত মানুষ
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদের সময় কাটে শিক্ষকতা ও লেখালেখি করে
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে। এরইমধ্যে পার করলেন অবসর জীবনের এক বছর। অবসর কীভাবে কাটছে তা জানার জন্য ৯ এপ্রিল কথা হয় সাবেক এ গভর্নরের সঙ্গে।
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ জানান, অবসর বলতে হাত-পা গুটিয়ে তিনি বসে নেই। কর্মোদ্যম এখনো আছে। প্রফেশনাল কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চলছেন, নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটিতে সামষ্টিক অর্থনীতি বিষয়ে পড়াচ্ছেন। নিজের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন। তাছাড়া লেখালিখির কাজটা চালিয়ে যাচ্ছেন। সামষ্টিক অর্থনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আর্টিকেল লিখছেন। বিভিন্ন সভা-সেমিনারে বক্তব্য দিচ্ছেন।
ড. সালেহ উদ্দিন বলেন, মূলত তিনি চেষ্টা করছেন ইয়াং জেনারেশনকে বাসত্মবসম্মত জ্ঞান দেয়ার। পাঠ্যবই কিংবা আর্টিকেলে সবকিছু থাকে না। সে বিষয়গুলোই জানানোর চেষ্টা করছেন। তাছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সামষ্টিক ও উন্নয়ন অর্থনীতির বিষয়ে ক্লাস নিয়ে থাকেন। তবে যা করছেন সবই পার্টটাইম। ফুলটাইম কাজ করা তার পক্ষে সম্ভব নয়।
তিনি আরো বলেন, গভর্নর হওয়ার আগে যেসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সেসব প্রতিষ্ঠান ও এর বাইরে যেসব প্রতিষ্ঠান অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়ে কাজ করছে তাদের উপদেষ্টা বা বোর্ড সদস্য হওয়ার অনুরোধ আসে। সেগুলোর কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনি যুক্ত হচ্ছেন।
ড. সালেহ উদ্দিন বলেন, অবসর নেয়ার পর থেকে আরেকটি কাজ করছেন, সেটি হলো বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করছেন। এরইমধ্যে এ যোগাযোগ অনেকটাই বেড়েছে। চাকরিকালে বন্ধুদের কোনো খোঁজ নিতে পারেননি। এখন সেই অভাব পূরণ হয়েছে। সাংবাদিকরাও অনেক সময় কথা বলতে আসেন। তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। এক কথায় প্রফেশনাল বিষয়ে যারা কথা বলতে চান তাদের সঙ্গে বেশি কথা বলেন। সব মিলিয়ে বলা যায় অবসর সময়টা বেশ কাজের মধ্য দিয়েই কাটছে।
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ ২০০৫ সালের ২ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের দায়িত্ব নেন এবং ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৪ সালে কানাডার ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স এবং ১৯৭৮ সালে একই ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচ.ডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
ড. আহমেদ ১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের লেকচারার হিসেবে কর্মজীবন শুরূ করেন। এরপর তিনি পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে (সিএসপি) যোগ দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন।
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রম্নরাল ডেভলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিকেও ( সিরডাপ) কাজ করেন। এটি একটি আঞ্চলিক আমত্মঃসরকারি সংস্থা যার সদর দপ্তর ঢাকায়। তিনি কুমিল্লায় অবস্থিত বাংলাদেশ একাডেমী ফর রুরাল ডেভলপমেন্টের (বার্ড) মহাপরিচালক ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ পলস্নী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। এ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমে সর্বোচ্চ অর্থ সহায়তা দিয়ে থাকে। দেশ এবং বিদেশে তার প্রায় ৬০টি বই, রিপোর্ট এবং জার্নাল আর্টিকেলস প্রকাশিত হয়েছে। তার উলেস্নখযোগ্য কাজগুলো হচ্ছে, এটাকিং পভার্টি উইথ মাইক্রোক্রেডিড, বাংলাদেশি বুকস ইন্টারন্যাশনাল ১৯৮০। মেন অ্যান্ড ম্যাটারস, বাংলাদেশি বুকস ইন্টারন্যাশনাল ১৯৮০। রম্নরাল ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড এমপস্নয়মেন্ট এক্সপানশন ইন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ বুকস ইন্টারন্যাশনাল ১৯৮২। বাংলাদেশ : আনআইল্ডিং এফোর্ট, এক্সটার্নাল পাবলিসিটি উইং ১৯৮৭।
কর্মজীবনে ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই সমত্মানের জনক।
লিখেছেন: এইচ মামুন
সূত্র : এখানে
টেস্ট ক্রিকেট কিভাবে শুরু হলো এ নিয়ে অনেক গল্প বা কাহিনী আছে। শতবর্ষ পেরিয়ে যাওয়া ক্রিকেটের এই সনাতনী ধারা নিয়ে আজো চলছে মজার সব কাহিনী। সে রকম এক কল্পকাহিনী নতুন করে উদ্ভাবিত হয়েছে। এটা সম্পূর্ণই কাল্পনিক। প্রকৃত সত্য জানার বাস্তবিক অর্থে কোনো পথ নেই। মজার কল্পকাহিনীটি এরকম :
আজ থেকে ২১৩ বছর আগে আটলান্টিক মহাসাগরের ঠিক উপকূলে কিছু শেতাঙ্গ মানুষ বাস করত। তাদের বসতবাড়ি চার দিকে বরফে আবৃত ছিল। তারা সময় কাটাত মাছ ধরে ও ছোট্ট ছোট্ট নৌকায় মাঝ সাগরে চলে যেত। মৃত্যুর পরোয়া করত না।
এক দিন এক ছোট্ট শিশু তার প্রিয় দাদীকে বলল, আমাকে একটা গল্প বল। দাদী তাকে আদর করে কোলে তুলে নিলেন। বললেন, কী গল্প শুনতে চাও? বহু চিন্তা করে তিনি বললেন, শোন তাহলে তোমাকে একটি সুন্দর গল্প বলি। যে গল্প খুবই দুঃখের কিন্তু এর শেষটা আনন্দের। অনেক বছর আগে আটলান্টিকের উপকূলে ক্রিকি নামে একটি হাঁস ছিল। প্রতি পাঁচ দিন পরপর উপকূলে এসে একটা করে ডিম পাড়ত। সেই ডিম স্থানীয় মানুষ ভেজে খেয়ে ফেলত। এভাবে বেশ ক’বছর চলল। এসব দেখে স্থানীয় এক ব্যক্তি দুষ্টবুদ্ধি আঁটল। হাঁসটিকে ধরে দু’পাশ থেকে এর কিছু পালক কেটে ফেলল। তাতে রঙ লাগিয়ে দিলো। তার ধারণা হাঁসটি আরো বেশি ডিম দেবে। এই অবোধ প্রাণীকে মহৎ করে তোলার নতুন চেষ্টা শুরু হলো। একটা ক্ষুদ্র ঘর তৈরি করল। তার ধারণা প্রতি সাত ঘণ্টা পর ডিম দেবে হাঁসটি। প্রচণ্ড আলোর মধ্যে বসে ডিম পাড়ার কৌশল রপ্ত হলো। মানুষ লোভী হয়ে উঠল। অর্থের লোভে অনেকেই ক্রিকি নামক হাঁসটিকে অপহরণের চেষ্টা চালাল। ক্রিকির দায়িত্ব নিলো কাক্কু। তার মাধ্যমেই ব্যবসায় বাণিজ্য পরিচালিত হতে থাকে। কিন্তু একটা পর্যায়ে এসে তার মধ্যেও লোভ দেখা দেয়। তিনিও শেষ পর্যন্ত হাঁসটিকে হত্যা করেন। হাঁসের ডিম পাড়ার গল্প এখানেই শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু এখান থেকেই নতুন তত্ত্বের জন্ম নিলো। যে হাঁস পাঁচ দিনে একটি করে ডিম পাড়ত সেই তত্ত্বের ভিত্তিতেই টেস্ট ক্রিকেট পাঁচ দিনের চালু হয়েছে। দ্বিতীয়ত, হাঁসটি সাত ঘণ্টা বিশ্রাম নিতো। টেস্ট ক্রিকেট দিনের সময় সাত ঘণ্টা। বিষয়টি বেশ আজব হলেও আকর্ষণীয় বটে। তাহলে এ প্রশ্ন এসে যায়, ক্রিকেট চালু হয়েছে কবে? নাতির এই প্রশ্নের জবাব দিতে পারেনি দাদী। তার মতো করে বলতে হয় আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূল থেকেই ক্রিকেটের সূচনা। সূত্র : ইন্টারনেট
ব্যবহার করছি, বেশি কিছু পাই নাই, AVG মনে হই বেশ ভালোই কাজ করছে! :bouncy:
অ্যান্টিভাইরাস এর সাথে কী ইউজ করতে হবে ? নাকি ছাড়া?
১৯৯৬ সালের ৪ জুন থেকে বাংলাদেশে ইন্টারনেট সরকারী অনুমোদন পাওয়ার পর থেকে ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক (আইএসএন) নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রথম ইন্টারনেট সেবা দেয়া শুরম্ন করে। মাত্র দেড় মাসের মাথায় জার্মান সাইবারনেট ১৫ জুলাই থেকে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। প্রায় একই সময় আরও দু'টি কোম্পানী অনলাইন সেবা শুরু করে। তবে তখন ইন্টারনেট সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের (আইএসপি) সংখ্যা কম হওয়ায় দেশের বেশিরভাগ মানুষই ইন্টারনেট সংযোগ পায়নি। সবগুলো আইএসপি রাজধানী ঢাকা কেন্দ্রিক এবং কেউই তাদের নেটওয়ার্ক ঢাকার বাইরে বর্ধিত করতে উৎসাহ না দেখানোয় দেশব্যাপী ইন্টারনেট সংযোগ অধরাই থেকে যায়। আবার গ্রাহকরাও তখন ইন্টারনেট সংযোগে ই-মেইল করা ছাড়া আর তেমন কিছুই করতো না। মেইল করা ছাড়া অল্প কিছু সময় ওয়েব ব্রাউজিং কিংবা চ্যাটিং-এ ব্যয় করতো।
প্রথমদিকের ডায়াল আপের পর ২০০০ সাল থেকেই দেশে ব্রডব্যান্ড সংযোগের বিসতৃতি ঘটে। কিন্তু এসব ব্রডব্যান্ড সংযোগের গতিও তেমন ছিল না। ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলে সংযোগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানভেদে গতি বিভিন্ন রকম। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো রাজধানী ঢাকার বাইরে ব্রডব্যান্ড সংযোগ এখনও পর্যাপ্ত নয়। গ্রাহকের স্বল্পতা, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা প্রভৃতি বিভিন্ন কারণে ব্রডব্যান্ড সেবা এখনও জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি।
তারবিহীন ইন্টারনেট
তবে বাংলাদেশে বেসরকারীভাবে টেলিকম প্রযুক্তির অগ্রগতি টেলিকমিউনিকেশনের সঙ্গে ইন্টারনেট সেবার মানও বৃদ্ধি করেছে। বিভিন্ন টেলিকম কোম্পানি যেমন গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি, ওয়ারিদ, সিটিসেল প্রভৃতি কোম্পানি মোবাইল যোগাযোগের পাশাপাশি ইন্টারনেট সেবাও দেয়া শুরু করলে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। এসব কোম্পানীর মাধ্যমেই বাংলাদেশে তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে একটি বিশাল অংশই এখন এই তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করছে। তারবিহীন বা ওয়্যারলেস ইন্টারনেটের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি যেকোন স্থানে বহনযোগ্য এবং ছোট একটি 'এজ' বা 'জিপিআরএস' মডেম দিয়ে যেকোন কম্পিউটারেই এটি ব্যবহার করা যায়। টেলিকম কোম্পানিগুলোর নেটওয়ার্ক কভারেজ সারাদেশেই বিস্তৃত হওয়ায় যেকোন স্থানেই ইন্টারনেটের সুবিধা পাওয়া সম্ভব। কিন্তু বড় সমস্যা হলো তারবিহীন ইন্টারনেটের গতি এখনও খুবই কম।
ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা দেয়া শুরু করেছে। বিশ্বব্যাপী ওয়্যারলেস ইন্টারনেটের জনপ্রিয়তায় বাংলাদেশেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট সেবা দেয়া শুরু করেছে। কিন্তু এই সেবাও ঢাকাকেন্দ্রিক হওয়ায় দেশের বেশিরভাগ মানুষই ইন্টারনেট সেবা থেকে বঞ্চিত। এমনকি রাজধানীরও অনেক এলাকায় এখনও সংযোগ সেবা পৌছায়নি। এজন্য গ্রাহকরা দাবী করেছেন যেন ওয়াইম্যাক্স সেবা যেন সব অঞ্চলে পৌছে দেয়া হয়।
অনিরুদ্ধ কর
সূত্র : এখানে
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by sawontheboss4
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.১১ seconds (৫৭.৫৬% PHP - ৪২.৪৪% DB) with ৬ queries