অভ্র রে পাইরেট কয়, বেটা ফাজিল !   :highfive:

তুমি কী ব্যবহার করেছ?  :optimist:

অবশেষে বাংলাদেশ সাইবার যুদ্ধে জড়িত হয়ে পড়েছে। রাইফেল-বন্দুক আর গোলাবারুদের যুদ্ধের সঙ্গে একুশ শতকের ডিজিটাল যুগের লড়াইতে আক্রান্ত হয়েছে বাংলাদেশ_আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে বাংলাদেশ সরকার। প্রাথমিক মূল্যায়ন থেকে একবাক্যে বলা যায়, সরকার সাইবার যুদ্ধের যুগে ব্যর্থতার সঙ্গে প্রথম পা ফেলল। আরও বলা যেতে পারে, আক্রমণের শুরুতেই একেবারে পুরো কুপোকাত হয়েছে সরকার। বোঝা যায় যে, এই যুদ্ধে লড়াই করার কোন প্রস্তুতিই ছিল না সরকারের। কাকতালীয়ভাবে এই হামলাটি হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের একটি প্রকল্পে। শুধু তাই নয়, এই প্রকল্পে বিশেষজ্ঞ সেবা দিচ্ছে জাতিসংঘ উন্নয়ন তহবিল নামক বিশ্ব সংস্থা। অথচ ওখানকার বিশেষজ্ঞরা কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাদের ওয়েব পেজ হ্যাক হয়েছে। অপরাধ দমনকারী এলিট ফোর্স র্যাবের ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়াটা মোটেই সুখকর কিছু নয়।
২০১০ সালের ২১ মার্চের সব জাতীয় দৈনিক পত্রিকার একটি খবর ছিল যে, প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত দেশের ৬৪টি জেলার তথ্য বাতায়নগুলোর মাঝে ১৯টি ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছে। যারা এসব ওয়েবসাইটের হ্যাকিং অবস্থাটি দেখেছেন তাদের চোখের সামনে ভাসছে_মূল পৃষ্ঠায় ইংরেজীতে লেখা আছে জয় হিন্দ। এর সঙ্গে আরও আছে কিছু আক্রমণাত্মক বক্তব্য ও হুঁশিয়ারি।
দৈনিক আমাদের সময় ওইদিনের সংখ্যায় খবর প্রকাশ করেছে যে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাপোর্ট টু ডিজিটাল বাংলাদেশের (একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রাম) পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে তেজগাঁও থানায় জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। ইএমআইএল ইন্ডিয়ান হ্যাকার নামের একটি সংগঠনের নামে 'জয় হিন্দ'কে প্রাধান্য দিয়ে একটি বার্তা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
ওই দিনের খবর অনুসারে, গত ৬ জানুয়ারি ২০১০ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধন করা ৬৪ জেলা বাতায়নের হ্যাক করা ১৯টি সাইটের মাঝে রংপুর ব্যতীত ১৮টি সাইটের পুনরুদ্ধার সম্পন্ন করা হয়। দৈনিক আমাদের সময় জানিয়েছে যে, রংপুরের সাইটটির বার্তা তদন্তের জন্য রাখা হয়েছে। ওইদিন যুগান্তর জানিয়েছিল যে, রাবের কমিউনিকেশন শাখার পরিচালকের মতে ওয়েবসাইটগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে হ্যাক করা হয়েছে। সেই দেশের একটি নাম্বার (সম্ভবত আইপি ঠিকানা) ব্যবহার করে বাংলাদেশের একটি সংগঠন হ্যাকিংয়ের এই কাজটি করেছে। তবে এর পরদিন ২২ মার্চ ২০১০ প্রকাশিত খবর অনুসারে সাইটগুলো হ্যাক করা হয়েছে ভিএসএনএল নামক ভারতীয় একটি প্রতিষ্ঠানের আইপি ঠিকানা থেকে। ভিএসএনএল একটি আইএসপি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। সুতরাং তাদের সেবাগ্রহণকারী কোন প্রতিষ্ঠানই এই কাজটি করেছে এতে কোন সন্দেহ নেই। প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের পক্ষ থেকে প্রদত্ত এই তথ্য থেকে এটি স্পষ্ট যে কার্যত ভারত ভূখণ্ড থেকেই এই কাজটি হয়েছে। ফলে এটি নিশ্চিত যে সরকারের ওয়েবসাইটগুলোতে ভারত থেকেই হামলা করা হয়েছে। ভারতের পত্রিকাগুলোর মতে, ভারতের ভেতরেই বিগত আট বছরে তিন হাজারের বেশি ওয়েবসাইটে এমন বা এর চায়েও তীব্র হামলা হয়েছে।
ওয়েব সাইটে হ্যাকিং করা, মেইল ঠিকানা হ্যাকিং করা, ইন্টারনেটের অপব্যবহার করা, ভাইরাস ও স্প্যাম ছড়ানো এসব সাধারণ সাইবার ক্রাইমকে অনেক ক্ষেত্রেই নিরীহ ধরনের মনে করা হলেও এসব ক্ষেত্রেও অপরাধের সীমানা অর্থ-সংক্রান্ত বা জাতীয় নিরাপত্তা পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। ইংরেজীতে হ্যাকিং লিখে গুগলে অনুসন্ধান করলে এই বিষয়ে মজার মজার সব তথ্য পাওয়া যায়। হ্যাকিংয়ের বিপদ ও বেঁচে থাকার উপায়গুলো ছাড়াও এতে হ্যাকিং করার কৌশল। এমনকি হ্যাকিং বিষয়ে বইয়ের আকাল নেই। কেউ কেউ মনে করেন যে হ্যাকিং করার জন্য কেবল অসৎ উদ্দেশ্য থাকলেই হয় না_ভাল প্রোগ্রামারও হতে হয়। ইন্টারনেটে হাতে কলমে এসব কাজ করার উপায় বর্ণিত হয়ে থাকে।
এইসব তথ্য ও উপায় সহজলভ্য হওয়ার ফলে আজকের দুনিয়ায় বিশ্বের সব ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বা দেশই হ্যাকিং কবলিত। আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে সাইবার নিরাপত্তা এখন প্রতিটি মানুষের জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এই অপরাধের কোন ভৌগোলিক সীমানা নেই সেহেতু বন্দুক দিয়ে যুদ্ধ করা যায় না বা সীমান্ত পাহারা দিয়ে এর হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। বরং মেধাজাত অপরাধকে মেধা দিয়েই মোকাবেলা করতে হয়।
১৯৬৪ সালে কম্পিউটার এবং ১৯৯৬ সালে অনলাইন ইন্টারনেট আসার পর বাংলাদেশে এর প্রসার খুব একটা হয়নি। মাত্র লাখ দশেক গ্রাহক নিয়েই আমরা অন্তত ১০ বছর অতিক্রম করেছি। তবে মোবাইলে ইন্টারনেট চালু হওয়ার পর থেকে এই সংখ্যা অন্তত ষাট লাখের কাছাকাচি পৌঁছেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ স্লোগান এই সংখ্যাকে আরও অনকে দূর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। বরং বলা যেতে পারে আগামীতে কোটি কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে অবশ্যই যুক্ত হবে। তবে এখন পর্যন্ত তেমন গ্রাহক সংখ্যা না থাকায় বা দেশে হ্যাকারদের আধিপত্য তেমনভাবে বিস্তৃত না হওয়ায়, বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত অপেক্ষাকৃত কম বিপদের মাঝেই অবস্থান করছে। এদেশে অনলাইন বা মোবাইল লেনদেনের পরিমাণ ব্যাপক হওয়া সত্ত্বেও এই খাতে আর্থিক অপরাধের পরিমাণ তেমন নয়। তবে ইন্টারনেটের অধিবাসী হিসেবে ভাইরাস স্প্যাম ও মেইল-ওয়েব হ্যাকিং এখানে ঘটেছে। সাধারণ মানুষের অনেককেই এজন্য ভোগান্তিও পোহাতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, মোবাইলে মিস কল দেয়া বা উত্ত্যক্ত করা, ইন্টারনেটে পর্নো ছবি বা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা নিয়মিতই ঘটে।
তবে সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে নিরাপত্তা। আমাদের জীবনের প্রায় সব তথ্যই ডিজিটাল হওয়ার ফলে ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় তথ্যের নিরাপত্তা বিধান করা দিনে দিনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেছে। এসব প্রেক্ষিতকে বিবেচনায় রেখে চারদলীয় জোট সরকার আইসিটি এ্যাক্ট ২০০৬ তৈরি করে। আইনটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল ডিজিটাল সিগনেচার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। কিন্তু সেই সরকার বা তার পরের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইনটির অধীনে ডিজিটাল সিগনেচার কর্তৃপক্ষ স্থাপন করতে পারেনি। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর আইনটি সংশোধন করা হয় এবং ডিজিটাল সিগনেচার কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হয়। আইনটির হয়ত আরও আপডেট দরকার। কিন্তু তার চেয়েও বড় বিষয় হচ্ছে আইনটির কোন প্রয়োগ নেই। দেশে তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত কোন আইনেরই কার্যত কোন প্রয়োগ নেই। মেধাস্বত্ব সংক্রান্ত অনেকগুলো আইন শুধু প্রয়োগের অভাবে অকার্যকর রয়েছে।
এজন্য বিশেষ আদালত, বিশেষ তদন্ত দল ও কার্যকর টাস্কফোর্স থাকা উচিত। তবে সরকারী ওয়েবসাইট হ্যাক করার মতো অপরাধীর পেছনে কেবল আইনী কার্যক্রম যথেষ্ট নয়_বরং এজন্য অন্য কিছু পদক্ষেপ নেয়া উচিত।
আমরা যতটা জানি, যে ওয়েবসাইটগুলো হ্যাক করা হয়েছে সেগুলো ইউএনডিপির সহায়তাপ্রাপ্ত একসেস টু ইনফরমেশন প্রকল্পের মাধ্যমে করা হয়েছে। ওখানে ইউএনডিপির টাকায় বিশেষায়িত পরামর্শকরা রয়েছেন। তারা উচ্চ হারে বেতন পেয়ে থাকেন। জ্ঞান-বুদ্ধিতে তাদের তুলনা থাকার কথা নয়। সেইসব পরামর্শকরা রাষ্ট্রের এত গুরুত্বপূর্ণ কাজকে কি অবহেলা করে তৈরি করেছিলেন_যার জন্য হ্যাকাররা খুব সহজেই হামলা করতে সক্ষম হয়। সংশ্লিষ্ট এক বিশেষজ্ঞের মতে, হ্যাকিংয়ের কাজটি তেমন উচ্চমার্গের ছিল না। বরং ওয়েবসাইটগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। এমনকি তার মতে হ্যাকিং হওয়ার পরও ওয়েবসাইটগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি হয়নি।
আমরা জানি, এর আগে র্যাবের ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছিল। র্যাব সেই হ্যাকারদের পাকড়াও করতে সক্ষম হয়। কিন্তু দুদিন পরই হ্যাকাররা জামিনে বের হয় এবং আমাদের জানামতে হ্যাকিংয়ের জন্য কোন শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়নি। আমাদের নিজের দেশের হ্যাকাররা ধরা পড়ার পর যদি তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়া যায় তবে ভারতের হ্যাকারদের ধরা এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার কথা ভাবাই যায় না। আমাদের দেশের হ্যাকাররাও কম বিপজ্জনক নয়। আমার বিজয় সফটওয়্যারের পাইরেটেড সংস্করণ ইন্টারনেটে প্রদান করার ক্ষেত্রে এই হ্যাকাররা চরম পারদর্শিতা প্রদর্শন করেছে। এই হ্যাকার ও পাইরেটদের সহায়তা করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির নামও যুক্ত আছে। অভ্র নামক একটি পাইরেটেড বাংলা সফটওয়্যারকে নির্বাচন কমিশনে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির অবদান সবচেয়ে বেশি। ফলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন সেলের ওয়েবসাইট হ্যাক হলে তার দায় থেকেও ইউএনডিপিকে ছাড় দেয়া যায় না।
এটি অবশ্য শুনতে ভাল লেগেছে যে র্যাবের হাতে হ্যাকারদের ধরা পড়ার মতোই এবারও সরকারের পক্ষ থেকে ওয়েবসাইটগুলো পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু খারাপ খবর হচ্ছে যে, হ্যাকার কবলিত হওয়ার পর পুনরুদ্ধারের চেয়ে হ্যাকারের হাত থেকে বেঁচে থাকাটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। যে সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কথা বলে সেই সরকারের ওয়েবসাইট যদি নিরাপদ না থাকে তবে সরকারের ইমেজ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এর আগে আমরা সরকারের বিভিন্ন ওয়েব ঠিকানায় পর্নো তথ্যাদিসহ বিরক্তিকর উপাত্তসমূহ দেখেছি। সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বহীনতার উৎকট প্রকাশ ঘটেছে এইসব ঘটনায়। এজন্যই আমরা কামনা করব সরকারের যেসব ব্যক্তি এসব কাজের সঙ্গে জড়িত তারা যেন দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করেন। আমি বিশেষ করে উপদেষ্টাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করব_তার যেন তাদের দক্ষতার প্রমাণ রাখেন এবং তাদের অনুরোধ করব, তারা যেন মুক্ত সফটওয়্যারের নামে এমন কোন সফটওয়্যার দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি না করেন যাতে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা যায় না।
এটি অবশ্যই আনন্দের যে, গত ২৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের এক্সেস টু ইনফরমেশন সেল সাইবার নিরাপত্তা বিষয়টি নিয়ে একটি সভা করেছে এবং সভায় দুটি কমিটি করে বিষয়টির প্রতি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ৩ মার্চ ২০১০ সকালে ঢাকা শেরাটন হোটেলে অনুষ্ঠিত বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো ২০১০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দানকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কামনা করি, বিষয়টি এমন হবে যে, আমাদের ভবিষ্যতে সাইবার অপরাধ বা হ্যাকিং নিয়ে কোন সঙ্কটের মুখোমুখি পড়তে হবে না।

লেখক : তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, কলামিস্ট, দেশের প্রথম ডিজিটাল নিউজ সার্ভিস আবাস-এর চেয়ারম্যান-সাংবাদিক, বিজয় কীবোর্ড ও সফটওয়্যার এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রণেতা ই-মেইল: [email protected], ওয়েবপেজ: www.bijoyekushe.net
ঢাকা, ৩ এপ্রিল ২০১০

সূত্র : এখানে

Screen শট দাও, যেখানে হচ্ছে না তার !

Link: এখানে

Lyrics:

DON'T CRY JONI
(Conway Twitty)

Conway Twitty & Joni Lee - 1975
Margo & Daniel O'Donnell - 2006



Joni was the girl who lived next door
I've known her, I guess, ten years or more
Joni wrote me a note one day
And this is what she had to say

(JONIhappy
(Jimmy, please say you'll wait for me)
(I'll grow up someday you'll see)
(Saving all my kisses just for you)
(Signed with love forever true)

Slowly I read her note once more
I went over to the house next door
Her teardrops fell like rain that day
When I told Joni what I had to say

Joni, Joni please don't cry
You'll forget me by and by
You're just fifteen, I'm twenty-two
And Joni, I just can't wait for you

Soon I left our little home town
Got me a job and tried to settle down
But those words kept haunting my memory
The words that Joni wrote to me

(JONIhappy
(Jimmy, please say you'll wait for me)
(I'll grow up someday you'll see)
(Saving all my kisses just for you)
(Signed with love forever true)

I packed my clothes and I caught a plane
I had to see Joni, I had to explain
How my heart was filled with her memory
And ask my Joni if she'd marry me

I ran all the way to the house next door
But things weren't like they were before
My teardrops fell like rain that day
When I heard what Joni had to say

(JONIhappy
(Jimmy, Jimmy please don't cry)
(You'll forget me by and by)
(It's been five years since you've been gone)
(And Jimmy, I married your best friend John)

১৩৩১

(১ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

http://rongmohol.com/uploads/185_new_abc.jpg

কেও কোনটা না বুঝে থাকলে বলবেন!

আমরা সবাই হাতে লেখা ডকুমেন্ট গুলো যদি digitalized করতে চাই, তবে আমাদের এমন একটা সফ্টওয়্যার প্রয়োজন যেটা স্ক্যান করা যে কোনও format এর ছবি থেকে টেক্সট এ কনভার্ট করতে পারে. এমন একটি বিশ্বনন্দিত Software হল: Omnipage Pro.
দারুন এ কাজের সফ্টওয়্যার টি আমি ব্যবহার করে বেশ উপকৃত হয়েছি এবং প্রায় 400 পেজ স্ক্যান করে ডকুমেন্ট এ কনভার্ট করেছি. এর Proofing Power বেশ হাই কোয়ালিটির.
তবে এখন Omnipage Professional 17 পাওয়া যাচ্ছে.

স্ক্রীন শট:
http://rongmohol.com/uploads/185_omnipage.png


ডাউনলোড করুন: All are mediafire link
পার্ট 1
পার্ট 2
পার্ট 3

১৩৩৩

(২ replies, posted in ভিন্ন জগত)

ভিন্ন জগত সম্পর্কে আরেকটু বিস্তারিত বললে আরেকটু ভাল হত ? যদিও আমি সেখানে মাত্র একবার গিয়েছি ! :yummy:

ডাউনলোড দিলাম, দেখি কেমন লাগে?

অ্যাডভাণ্স্ড় সিস্টেম করে আগে অফ করে তারপর সার্ভার patch করতে হবে, কোনও প্রোগ্রাম রানিং অবস্থায় থাকাকালে টা কখনো patch করা যাই না, তাই আগে কনফার্ম কর যে সেটা টাস্ক ম্যানেজার থেকে অফ আছে, তারপর patch কর।

১৩৩৬

(৩ replies, posted in ধর্মীয় আলোচনা)

খাওয়ার আদব জানানোর জন্য ধন্যবাদ।  :applause:

১৩৩৭

(৪ replies, posted in তথ্য বটিকা)

http://img535.imageshack.us/img535/1948/barefeet.jpg

বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, জুতো পায়ে দৌড়ানোর ফলে পায়ের গোড়ালিতে চাপ পড়ে, যা স্বাস্থ্যসম্মত নয়৷গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, জুতো পায়ে যারা দৌড়ান তাদের মধ্যে তিন-চতুর্থাংশই পায়ের গোড়ালির উপর চাপ ফেলেন৷ গবেষকদের মতে, প্রতি মাইল দৌড়ে প্রায় এক হাজার বার গোড়ালির উপর চাপ পড়ে৷ এমনকি যেসব জুতোতে নরম গদি জাতীয় জিনিস দিয়ে পায়ের আরামের ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেগুলো পড়ে দৌড়ালেও এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যাবেনা বলে বলছেন গবেষকরা৷ তাদের মতে, প্রতি বছর ৩০ থেকে ৭৫ শতাংশ দৌড়বিদ যারা জুতো পায়ে দৌড়ান তারা চাপজনিত সমস্যায় ভোগেন৷ অন্যদিকে খালি পায়ে যারা দৌড়ান, তাদের মধ্যে জরিপ করে দেখা গেছে যে, তাদের অধিকাংশেরই গোড়ালির উপর চাপ পড়ে না৷ চাপ পড়ে পায়ের চারিদিকে বা পায়ের পাতার উপর৷ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেনিয়েল লিবারম্যানের নেতৃত্বে গবেষণাটি চালানো হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কেনিয়ার মানুষের উপর৷ উল্লেখ্য, পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর মানুষেরা সাধারনত খালি পায়ে দৌড়ে থাকেন৷ এছাড়া দূরপাল্লার দৌড়ের জন্য সেসব দেশের বিশেষ খ্যাতি রয়েছে৷ যেমন, ১৯৬০ সালের অলিম্পিকে ইথিওপিয়ার দৌড়বিদ আবেবে বিকিলা ম্যারাথনে খালি পায়ে দৌড়ে রেকর্ড সময়ে স্বর্ণপদক জিতেছিলেন৷ তাই বলে বর্তমানে যারা জুতো পড়ে দৌড়চ্ছেন তারা যদি হুট করে খালি পায়ে দৌড় শুরুর চিন্তা করেন তাহলে তা ঠিক হবেনা বলে গবেষকরা সতর্ক করে দিয়েছেন৷ তারা ধীরে ধীরে অভ্যাস পরিবর্তন করে তারপর খালি পায়ে দৌড় শুরু করার পরামর্শ দিয়েছেন৷

সূত্র : এখানে

রিয়াদ সাহেবের কান দুটি কাটা পড়েছে বহু আগে। টিভিতে খবরের জন্যে একজন রিপোর্টার খুঁজছেন তিনি।

ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রথম প্রার্থীকে জিজ্ঞেস করলেন তিনি, ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’

প্রার্থী একগাল হেসে বললো, ‘নিশ্চয়ই স্যার। আপনার তো দুটা কানই কাটা!’

রিয়াদ সাহেব গর্জে উঠলেন, ‘বেরো এখান থেকে, ব্যাটা নচ্ছাড়!’

দ্বিতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি। ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। তা, আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’

দ্বিতীয় প্রার্থী খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে বললো, ‘জ্বি স্যার। আপনার তো দুটা কানই কাটা!’

রিয়াদ সাহেব গর্জে উঠলেন, ‘বেরো এখান থেকে, ব্যাটা ফাজিল!’

তৃতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি। ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’

এবার প্রার্থী বললো, ‘জ্বি স্যার। আপনি কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে আছেন।’

রিয়াদ সাহেব খুশি হয়ে বললেন, ‘বাহ, আপনি তো বেশ --- তা কিভাবে বুঝলেন?’

‘সোজা। আপনি চশমা পরবেন কিভাবে, আপনার তো দুটা কানই কাটা!’

নেটে ঘেটে পাওয়া

http://j.imagehost.org/0819/fist1_355_x_475.png

প্রতি বছরের মত এবার ও কাজী নুরন্নবী ছাত্রাবাসে এর দুই ডাইনিং এ ঐতিহ্যবাহী ফিষ্ট এর আয়োজন করা হয়েছে।  এ জন্য ২৫ তারিখ এর মধ্যে পাওনা টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। কত দিন পর এক একটা ফিষ্ট হয়, আর আমরা সবাই তীর্থের কাকের মত বসে থাকি।  :cloud9:

উল্লেখ্য:
ডাইনিং এর ফিষ্ট এর তারিখ পিছিয়ে আগামী মাসের ৪ তারিখ করা হয়েছে।

উপল BD wrote:

নাহ.... বিয়ে করেও দেখছি শান্তি নেই।

উপল বিয়ে করে শান্তি খুজে॥  :jaw-dropping:   :jaw-dropping:   :jaw-dropping:

সাকিব খানের উপ এত রাগ কেন? পরিচালক দের উপর রাগ করা উচিত॥  tongue

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100414-jorh-37kb.jpg

প্রথম স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকীকে তালাক দিয়েছেন শোয়েব মালিক। এর পরপরই ঘরে তুলেছেন নতুন বউ সানিয়া মির্জাকে। এতে তুষের আগুনের মতো যন্ত্রণায় জ্বলছেন আয়েশা। এমন অবস্থায় মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে এসেছেন শিরাজ শিরিন খান। ইউনাইটেড উইমেন ফ্রন্টের সভানেত্রী তিনি। তালাকের পর শোয়েব মালিক আয়েশাকে ভরণপোষণ ও অন্যান্য বাবদ যে অর্থ দিয়েছেন বা দেয়ার প্রতিশ্রম্নতি দিয়েছেন শিরিন সেখান থেকে ভাগ চাইছেন। ভাগের অংশ দাবি করে ইতিমধ্যে কান ঝালাপালা করে তুলেছেন আয়েশার।
সানিয়া-শোয়েবের বিয়ের খবরের পেছনে দৌড়াতে যেয়ে মিডিয়া এদিকে আর নজর দেয়নি। কিন্তু ভারতের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ এ খবর প্রকাশ করে দিয়েছে। বলা হয়েছে, ইতিমধ্যে খবর রটে গেছে আয়েশাকে শোয়েব মালিক ভরণপোষণ ও অন্যান্য খাতে ১৫ কোটি রুপি দিয়েছেন। এই অর্থ শোয়েব মালিক সহজে ছাড়েননি। এজন্য স্টেট হিউম্যান রাইটস কমিশনে আয়েশার পড়্গে মামলা করেছিলেন শিরাজ শিরিন খান। ফলে শোয়েব মালিক ওই ১৫ কোটি রুপি আয়েশাকে দিতে রাজি হয়েছেন শিরিন খানের মধ্যস্থতায়- এমন দাবি শিরাজ শিরিন খানের। এরই প্রতিদান হিসেবে শিরিন খান ওই ১৫ কোটি রুপি থেকে ভাগ চাইছেন। বলছেন, সমস্যার সমাধান করিয়ে দিতে তারা গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ফলে তাদেরকে মোট অর্থের শতকরা ১০ ভাগ দিতে হবে। এ বিষয়ে শিরিন খান বলেছেন, আমি তো ওই অর্থের ভাগ চাই আমার জন্য নয়। আমি এটা চাই এ সংগঠনের জন্য দান হিসেবে। আমাদের এ সংগঠন আয়েশার মতো বিপদগ্রসত্ম মেয়েদের অধিকারের জন্য লড়াই করছে। তিনি আরও বলেছেন, আমি শুনেছি শোয়েব মালিক তালাকে সই করার আগেই আয়েশাকে ১৫ কোটি রুপি দিয়েছেন। যদি এ কথা সত্যি হয় তাহলে ওই অর্থের শতকরা ১০ ভাগ আমাদের সংগঠনকে দিতে হবে। আয়েশার ঘনিষ্ঠ বন্ধু শামস বাবর। তিনি রয়েছেন বানজারা পাহাড় এলাকায় তার হাসপাতালে। তিনি বলেছেন, মানুষ যখন এ রকম দাবি করে তখন লজ্জিত হতে হয়। এ রকম সংগঠনের উচিত তার নিজস্ব সামর্থ্য নিয়ে মানুষের উপকারে এগিয়ে আসা। আমরা যদি তাদের কাছে সাহায্য চাইতে যাই তাতেও কি তাদের আমাদের কাছে অর্থ দাবি করা ঠিক? তিনি বলেছেন, অর্থের জন্য আয়েশাকে বার বার ফোনে বিরক্ত করছেন শিরিন খান। এতে ভীষণ কষ্ট পেয়েছেন আয়েশা। আয়েশা বলেছেন, এজন্য তিনি সাহায্য চেয়ে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর কাছে চিঠি লেখার পরিকল্পনা করছেন। শোয়েবের কাছ থেকে আয়েশা যে অর্থ পেয়েছেন বলে প্রচারিত হয়েছে আসলে তা ততটা নয়। ওদিকে মধ্যস্থতায় আরও জড়িত হয়েছিলেন আবিদ রাসুল খান নামে এক ব্যক্তি। তিনি বলেছেন, ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী আয়েশাকে শোয়েব ১৫ হাজার রুপি দিয়েছেন। আমার জানা মতে আয়েশা তা দান করে দিয়েছে। তারপরও কি করে ১৫ কোটি রুপি কাহিনী ছড়ানো হচ্ছে তার ভিত্তি খুঁজে পাই না।

সূত্র: এখানে

স্টাফ রিপোর্টার: নতুন ছবির সঙ্কটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে রাজশাহীর বর্ণালী সিনেমা। কর্তৃপড়্গ শুক্রবার থেকে সিনেমা হলটি বন্ধ করে দিয়েছেন। বর্ণালী সিনেমার ঢাকা প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম জানান, নতুন ছবির সঙ্কট, পুরনো ছবির ব্যবসা না হওয়ার কারণে সিনেমা হলটি চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। শাকিব খান অভিনীত নতুন ছবি যে টাকায় ভাড়া নিতে হয় এক সপ্তাহে সেই টাকা না ওঠার কারণে সিনেমা হল মালিককে নিয়মিত ড়্গতির সম্মুখীন হতে হয়েছে।
ফলে অব্যাহত ড়্গতি সামলাতে না পেরে বর্ণালী সিনেমা হলটি বন্ধ করা ছাড়া মালিকের কোন উপায় ছিল না। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র বুকিং এজেন্টস এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, সিনেমা ব্যবসায় চরম দুর্দিন চলছে। দর্শক সিনেমা হলে আসছেন না। যদিও কোন কোন ছবিতে প্রথম দিন দর্শক আসে, কিন্তু পরের দিন থেকে তাদের আর কোন খবর থাকে না। নতুন পুরাতন সব ছবির ড়্গেত্রেই এমনটি হচ্ছে। অভিজ্ঞ চলচ্চিত্র ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম আরও বলেন, বর্তমানে যেভাবে সিনেমা নির্মাণ হচ্ছে তাতে দর্শকরা নতুন কিছু পাচ্ছে না। একই গল্প, একই শিল্পী, গেটআপ মেকআপ একরকম হওয়ার কারণে দর্শকদের মধ্যে বিরক্তি চলে এসেছে। প্রতিটি ছবিতেই একঘেয়েমি বিষয়গুলো প্রাধান্য পাওয়ায় দর্শক সিনেমা হল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। তিনি বলেন, আজ সিনেমা হল বন্ধ হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে সিনেমা শিল্প বন্ধ হয়ে যাবে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।

সূত্র : এখানে

অনেকেই আমাদের বাংলা ফোরাম টা মোবাইল এ দেখতে পাইনা, এর সমাধান এর জন্য, একটি রেপু।  :applause:

সাইফ দি বস ৭ wrote:

নতুন ফোরাম হিসেবে আমি মনে করি www.Chobimohol.com  কে প্রাধান্য দেওয়া উচিৎ...বাংলাদেশী মানুষ বাংলাদেশী জিনিস ইউজ করাটায় শ্রেয় !

কিন্তু সমিউল ভাই, ফোরামের জন্য extension না দিলে তো সাইট এ যেয়ে আপলোড দিতে হবে। ঝামেলা। 

নাবালক wrote:

এতা তে রেজিস্টার ছারাই ছবি আপলোড করা যায় ...  ../../extensions/happysmilies/happyimg/veryhappy
ধন্যবাদ এটা এড করার জন্য

রেজিস্টার ছাড়া আপলোড করলে ছবি মুছে দিতে পারে, ভয় লাগে!  :cheerful:

কপার স্টাইল এর ফোল্ডার এ bg_brd_head_right.png ছবিটি সেম পিক্সেল (হাইট *উইথ) এর কোনও png ছবি দিয়ে রিপ্লেস করুন। এফটিপি দিয়ে রিপ্লেস করুন ॥

১৩৪৭

(১৭ replies, posted in মেয়েদের হোষ্টেল)

আসবে আসবে!  :jaw-dropping:

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100413-fotl-16kb.jpg

রেজিস্টার করুন :

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100413-8vi8-4kb.jpg

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20100413-rpwc-6kb.jpg

তারপর মেল চেক করে কনফার্ম করুন:

login name আর পাসওয়ার্ড দিন ।  ব্যাস!! আরামসে ছবি আপলোড করুন :

http://s1.postimage.org/CdLpr.gif

হাঙ্গরী কোডার ভাই, আমার বড় ভাই এর মত, তিনি যখন নাখালপাড়া তে থাকতেন, তিনি আমি তখন ল্যান করে গেম্স খেলতাম। তিনি ল্যান এর তার নিয়ে গিয়েছিলেন তার এক প্রোজেক্ট এর কাজে। সামিউল ভাই বহুত চেষ্টা করেছেন, বাংলা করতে, আমিও এক্সটেন্শন টি দেখেছিলাম কিন্তু ইন্সটল করার সময় পাই নাই। অনেক ধন্যবাদ।  :thumbsup:

ছবি আপলোড আর সহজ করে দেওয়া হবে !  :thumbsup:  চালিয়ে যাও রনি। দারুন পোস্ট!