আশা করি পরবর্তী রাউন্ডেও যেনো টাইগারদের জয় হয়।
You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by godhuli
আশা করি পরবর্তী রাউন্ডেও যেনো টাইগারদের জয় হয়।
বিষয়টি ভাল।
হায়রে প্রেমের তো শেষ নেই। 
কি মর্মান্ন্তিক কাহিনী। নারীরা কেন এতো নির্যাতিত?
আমরা জিতবই, জিততেই হবে। 
সুন্দর হাসির সঙ্গে জড়িয়ে থাকে দাঁত। শুধু কি সৌন্দর্য, মুখের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও দাঁতের দেখভাল জরুরি। শুধু দুবেলা দাঁত মাজলেই তো দাঁতের যত্ন শেষ হয়ে যায় না। জানতে হবে আরও কিছু।
কোমল পানীয় কোমল নয়
কোমল পানীয় দাঁতে দাগ ফেলে সৌন্দর্য তো নষ্ট করেই। দাঁতকে সুরক্ষা দেয় যে এনামেল তারও ব্যাপক ক্ষতি করে। কোমল পানীয় খেলে তাই মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। আর সুযোগ থাকলে করে ফেলুন ব্রাশ ।
আপেল আর গাজরে
আপেলকে বলা হয় প্রাকৃতিক টুথ ব্রাশ। খাবার শেষে দাঁত ব্রাশ সম্ভব না হলে বিকল্প হিসেবে আপেল খেতে পারেন। আপেলের মতো গাজরেরও আছে দাঁত পরিষ্কারের প্রাকৃতিক ক্ষমতা। এগুলো খাবার অভ্যাস গড়ুন। দাঁত যেমন পরিষ্কার থাকবে, পুষ্টি চাহিদাও মিটবে।
সবুজ চায়ে
সবুজ চায়ে থাকে পলিফেনল, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। উপাদান দুটি দাঁতের গায়ে প্লাক জমতে বাধা দেয়। ফলে দাঁত বেঁচে যায় আরও সব অনাবশ্যক ক্ষতি থেকে।
সাঁতারুদের জন্য
সুইমিংপুলের ক্লোরিন দাঁতে অনাবশ্যক দাগ যেমন ফেলে, দাঁত ক্ষয়েও ওস্তাদ ক্লোরিন। নিয়মিত সাঁতারুদের তাই সাঁতার শেষে করতে হবে দাঁত ব্রাশ। আর পুলের জল মুখে না নেওয়ারও অভ্যাস গড়তে হবে।
স্ট্র ব্যবহার
কোমল পানীয়, এনার্জি ড্রিংক, কিংবা জুস। এগুলোতে থাকে সাইট্রিক আর ফসফরিক এসিডের মিশেল। এগুলো দ্রুত ক্ষয় করে দাঁতের এনামেল। মুখরোচক এ পানীয় খাবার বেলায় ব্যবহার করুন স্ট্র।
কমলার রসে
ভিটামিন সি এ সমৃদ্ধ কমলা। তৃষ্ণা মেটাতে বেছে নিন সি সমৃদ্ধ ফলগুলো। ভালো থাকবে মাড়ি। সুস্থ্য থাকবে দাঁত। সূত্র:এখানে
এই বিষয়টি পড়ে বেশ উপকৃত হলাম। কারণ এই রোগটি আমার আছে। তিনবছর ইঞ্জেকসন নেয়া সত্তেও মাঝে মাঝে সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষকরে শীতকালে। বুঝতে পারছি না এখন কী করা উচিত।
অনেক দিন পর অনেকক্ষণ হাসলাম। উপল তোমাকে ধন্যবাদ।
কি অদ্ভুত নিয়ম হায়রে। 
পরীক্ষার চাপে অনেকদিন ফোরামে ঢোকা হয়নি কিন্তু সবসময় অনেক মিস করেছি।॰॰যাইহোক, কিছুদিন আগে পড়ন্ত এক বিকেলের একটি ঘটনা বলি, মতিঝিলে ছোট্ট একটি রাস্তাই মা-ছেলে নিয়ে একটি পরিবার। ছেলেটির বয়স ছয় বছর হবে। তাদের ঘর বলতে কিছু নেই। সকাল থেকে রাত অবধি প্রতিনিয়ত তাদের জীবন একিই নিয়মে চলে। কোনদিন এক মুঠো খাবার পাই কোন দিন পাই না। সেদিন বিকেলে ছেলেটিকে খুজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কারণ সে নাকি তার মাএর কাছে বিরিয়ানী খাওয়ার আবদার করেছে তাই তার মা ভাগ্য কে দোষী করে তাকে অনেক মারধর করেছে। সারাদিন পর যখন ছেলেটি মাএর কাছে ফিরলো তখন অনেক কষ্টে কেনা বিরিয়ানীর পেকেটটি মা ছেলেটির সামনে দিল। ছেলেটি মনে হয় জীবনে এমন খুশি আর কোনদিন হয়নি। মা-এর চোখে তখন অঝোরে পানি ঝরছে!!!! এই ছোট্ট ঘটনাটি আমার জীবনে একটি নতুন শিক্ষার জন্ম দিল। মনে হলো আমাদের সমাজের মানুষ গুলো কত বিচিত্রভাবে অবহেলিত। আর আমরা উপরতলার মানুষরা কখনো নিচে তাকানোর প্রয়োজন ও মনে করি না। বাহ!! কত সুন্দর আমাদের সমাজ ব্যবস্থা।
বেশ ভাল লাগলো।
ভালো কিছু করতে হলে একটু বাধা আসবেই, সাইফ তুমি পারবে ইনশাল্লাহ।
হায়রে দুজনকেই তো মেয়ে মনে হচ্ছে। ;q
এমনিতেই চোখে ঘুমের অভাব নাই, আর এসব অনুসরণ করলে তো দিনের আলো খুজেই পাবো না। তবে খবরটি পড়ে ভাল লাগল।
অফিসে যাচ্ছে ক্যাবলা। হাতে খাবারের প্যাকেট। যাওয়ার পথে ক্যাবলা ব্যাগ থেকে খাবারের প্যাকেটটা বের করে কিছুক্ষণ ভালো করে দেখে ব্যাগটা আবার জায়গামতো রেখে দিল। তারপর হনহন করে সামনের দিকে হাঁটা ধরল। ক্যাবলার অফিসের এক সহকর্মী এটা দেখে ক্যাবলাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী ভাই, রাস্তার মাঝে এভাবে খাবারের বাটি খুলে দেখে আবার রেখে দিলেন কেন? খিদে পেয়েছিল বুঝি?’ ‘আমি কি আপনার মতো বোকা নাকি যে রাস্তাঘাটে খিদে পাবে!
আমি অফিসে যাচ্ছি না অফিস থেকে বাসায় ফিরছি—এ বিষয়টি পরখ করতেই খাবারের বাটি দেখছিলাম!’ ক্যাবলার জবাব।
হাবলু আর বিল্টুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
হাবলু: জানিস, আজ আমার মোবাইল ফোনে অদ্ভুত একটি মেসেজ এসেছে। আর সঙ্গে সঙ্গেই মোবাইলটি বন্ধ হয়ে গেছে।
বিল্টু: বলিস কী রে! মেসেজে কী লেখা ছিল?
হাবলু: ব্যাটারি লো।
বিল্টু: বলিস কী? মেসেজটা তাড়াতাড়ি আমাকে পাঠিয়ে দে। আমি ওই মেসেজ সবাইকে পাঠিয়ে সবার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেব।
সঞ্জু তার চেকবই হারিয়ে হন্তদন্ত হয়ে ব্যাংকের ম্যানেজারের কাছে গেছে—
ম্যানেজার: আপনি একটু সচেতন থাকবেন না! এখন কেউ যদি আপনার স্বাক্ষর নকল করে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেয়, তখন কী করবেন?
সঞ্জু: অন্যজন কীভাবে আমার স্বাক্ষর নকল করবে? আমি কি বোকা নাকি!
ম্যানেজার: কেন?
সঞ্জু: আরে আমি তো চেকবইয়ের সব পৃষ্ঠাতেই স্বাক্ষর করে রেখেছি। অন্য কারও স্বাক্ষর নকল করার আর কোনো সুযোগই নেই।
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
প্রথম বন্ধু: জানিস, আমার আর তমার বিয়ে হয়ে গেছে।
দ্বিতীয় বন্ধু: তাই নাকি রে! আগে তো বলিসনি। এত দিন প্রেম করলি। তা কবে তোদের বিয়ে হলো?
প্রথম বন্ধু: আমার বিয়েটা হয়েছে এ মাসের ১৬ তারিখ। আর তমার ২৫ তারিখ।
সড়ক দুর্ঘটনা ঘটানোর অভিযোগে সঞ্জুকে আদালতে হাজির করা হয়েছে—
বিচারক: কীভাবে ঘটালেন দুর্ঘটনাটা?
সঞ্জু: কোন দুর্ঘটনা?
বিচারক: কেন, যে দুর্ঘটনাটির জন্য আপনি আদালতে?
সঞ্জু: ওই সময় আমি জেগে থাকলে না হয় বলতে পারতাম। কিন্তু হুজুর, আমি তো ওই দুর্ঘটনার সময় ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলাম।
হাবলুকে স্নানঘরের দরজা খুলে গোসল করতে দেখে পল্টু বেশ লজ্জা পেয়ে চেঁচামেচি করছে। স্নানঘরের ভেতর থেকে হাবলু বলছে, ‘কী রে পল্টু, এভাবে চিৎকার করছিস কেন?’ পল্টু বলল, ‘তোর কি কোনো লজ্জা-শরমের বালাই নেই। বাসায় দরজা খুলে কেউ গোসল করে নাকি?’
‘দরজা খুলে গোসল করব না তো কী! ব্যাটা তুই যে বজ্জাত। লুকিয়ে লুকিয়ে তালার ফুটো দিয়ে আমার গোসল করা যাতে দেখতে না পারিস সে জন্যই তো দরজা খোলা রেখে গোসল করছি।’ হাবলুর জবাব।
মন্টু ও চিকিৎসকের মধ্যে কথা হচ্ছে—
মন্টু: স্যার, আমি বাসার চাবি গিলে ফেলেছি।
ডাক্তার: বলেন কী! কখন এ ঘটনা ঘটালেন?
মন্টু: তা প্রায় মাস দুয়েক হবে।
ডাক্তার: এত দিন আসেননি কেন?
মন্টু: স্যার, তখন একটি নকল চাবি বানিয়ে নিয়েছিলাম। আজকে সেটাও হারিয়ে গেছে, তাই বাধ্য হয়ে আপনার শরণাপন্ন হয়েছি।
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
প্রথম বন্ধু: জানিস, কাল রাতে কী হয়েছিল?
দ্বিতীয় বন্ধু: কেন, কী হয়েছে?
প্রথম বন্ধু: দুই ছিনতাইকারী আমাকে ধরে মারধর করে সবকিছু নিয়ে গেছে।
দ্বিতীয় বন্ধু: তুই না সঙ্গে লাইসেন্স করা পিস্তল রাখিস। ছিনতাইকারীদের ওটা দেখালে তো পারতি!
প্রথম বন্ধু: বোকার মতো কথা বলিস কেন? আমি তো ওটা পেছনে বেল্টের সঙ্গে লুকিয়ে রেখেছিলাম। ভাগ্যিস, ছিনতাইকারীরা টের পায়নি। টের পেলে তো পিস্তলটাও নিয়ে যেত।
প্রথমবারের মতো হাবলু গেছে রেস্তোরাঁয় খেতে। কিছুক্ষণ পর ওয়েটার একটা মেন্যুবই নিয়ে হাবলুর সামনে এসে বলল, ‘স্যার, কোনটা খাবেন?’ হাবলু মেন্যুবইয়ে খাবারের নামগুলো ভালো করে দেখে একদম শেষেরটাতে আঙুল রেখে বলল, ‘এটা দিয়ে দিন।’
ওয়েটার বলল, ‘স্যার, এটা তো আপনি খেতে পারবেন না।’ হাবলু বলল, ‘মেন্যুতে লিখে রেখেছেন অথচ এখন বলছেন, এটা খেতে পারব না। এটা কেমন ফাজলামো।’ ‘স্যার, আপনি শেষেরটা দেখিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু শেষেরটা হচ্ছে এই রেস্টুরেন্টের মালিকের নাম। ওটা কী করে খাবেন, স্যার।’ ওয়েটারের জবাব।
আসলে ছবি গুলা অসাধারণ
পারিবারিকভাবেই দুই মাস হলো আশিক আর সুরাইয়ার বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর নির্ঝঞ্ঝাটভাবেই সংসার শুরু করেছেন এই দম্পতি। সংসার বলতে তাঁরা দুজনই। সুখেই আছেন। তার পরও মাঝেমধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে ঝামেলা বেধে যায় দুজনের মধ্যে। দুজনই কর্মজীবী হওয়ায় ঘরের বাইরে থাকেন বেশির ভাগ সময়। সারা দিন পর ঘরে ফিরে কে কোন কাজটা করবেন, তা নিয়েই সমস্যা। যেমন বাজারটা কে করবেন, বাসায় অতিথি এলে কে সময় দেবেন। কখনো বা রান্নার বিষয়টাই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়।
অন্যদিকে, দীর্ঘ পাঁচ বছর প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে করেছেন অনয় আর নিলা। যেহেতু দুজনই কর্মজীবী, তাই সংসার সামলানো নিয়ে পরিকল্পনা ছিল আগে থেকে। রান্না থেকে শুরু করে তাঁরা সংসারের খুঁটিনাটি সব কাজ ভাগাভাগি করে করেন। এ ছাড়া দাম্পত্য জীবনে যেকোনো সিদ্ধান্ত তাঁরা দুজনেই নেবেন। কখনো কারও ওপর কোনো বিষয় চাপিয়ে দেওয়া হবে না। আজকাল নিলা বলেন, এখন মাকে খুব মিস করি। মনে হয় আগের জীবনটা বোধ হয় ভালো ছিল।
আর দাম্পত্য জীবনের শুরুতে এমন ঘটনায় অনেক ক্ষেত্রে ভেঙে পড়েন মেয়েরা। এক জায়গা থেকে নতুন জায়গায় খাপ খাইয়ে নেওয়ায় বেশ কিছু সমস্যা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যক্ষ মাহ্বুবা নাসরীন বলেন, বিয়ে হলো একটা সামাজিক সম্পর্ক। আর সামাজিকভাবেই প্রতিটা মানুষের বেড়ে ওঠার পরিবেশটা কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে। ফলে বিয়ের পরে নতুন পরিবেশে খাপ খাওয়াতে একটু সময় লাগে। বিয়ের পর সংসারের নতুন দায়িত্ব যাঁর সঙ্গে থাকবেন তাঁকে বুঝে চলতে হয়। এ ক্ষেত্রে অনেকেই মনে করে, মানিয়ে নেওয়ার দায়িত্বটা যেন কেবল মেয়ের একার। বিষয়টা কিন্তু একদমই তেমন নয়। বরং এটা দুজনেই সমঝোতার ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন। সেটা হতে পারে পারিবারিক বা অন্য কোনো বিষয়ে।
গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের গৃহব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক ফারহানা শরিফ বলেন, ‘স্বামী-স্ত্রী দুজনকে আলোচনা করে কাজ করতে হবে। ঘরের যেকোনো কাজ দুজনে মিলে করবেন। কেননা, সংসারটা কিন্তু নারীর একার নয়। মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে একজন রেগে গেলে অন্যজন যেন সঙ্গে সঙ্গে প্রতি-উত্তর না দেন। একজন অন্যজনের প্রতি সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ করবেন। একজন অন্যজনের পছন্দকে গুরুত্ব দেবেন। সর্বোপরি একজন হবেন অন্যজনের বন্ধু। তিনি বলেন, সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। এই সত্যের চেয়ে বড় সত্য হলো, সংসার সুখের হয় সমঝোতার গুণে।’
আসলেই ফালতু। আমি বুঝতেসি ;q
এই ইনফর্মেশন টি কষ্ট করে আপনাকে দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। এটা জেনে অনেকে উপকৃত হবে।
কোমল পানীয় তো এখন সবার নিততো সঙ্গী হয়ে গেছে।

দুবার গ্র্যামি পুরস্কারজয়ী কলম্বিয়ার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী শাকিরা নাকি এবার হিন্দি ছবিতে অভিনয় করবেন। ছবির নাম কালী—দ্য ওয়ারিয়র গডেস। শোনা যাচ্ছে, ছবিতে মা কালীর চরিত্রে অভিনয় করার সম্ভাবনা আছে তাঁর। আর এ খবরটি জানিয়েছেন ছবির প্রযোজক করণ অরোরা।
করণ জানিয়েছেন, শাকিরার সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা হয়েছে। শাকিরা সম্মতি দিয়েছেন। কিন্তু পারিশ্রমিক নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হয়নি। আর কোনো চুক্তিও হয়নি।
ছবিটি হবে ত্রিমাত্রিক। দৈর্ঘ্য হবে দুই ঘণ্টা। ছবির পুরো শুটিং হবে লন্ডনে।
বলিউডে এত নায়িকা থাকতে শাকিরাকে এই ছবিতে নেওয়া প্রসঙ্গে করণ বলেন, ‘ছবিটি হবে আন্তর্জাতিক মানের। তাই আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তারকাকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
দূর থেকেই মোবাইল ফোনসহ বহনযোগ্য ইলেকট্রনিক যন্ত্র চার্জ করতে সক্ষম চার্জার তৈরি করেছেন ফুজিতসু ল্যাবরেটরির। কোনো তারের সাহায্য ছাড়াই নতুন এ প্রযুক্তির সহায়তায় চার্জ দেওয়া সম্ভব হবে বলে দাবি করছেন এ ল্যাবের গবেষকরা। এ সপ্তাহেই জাপানে কারিগরি সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন এই প্রযুক্তির বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছে ফুজিতসু। প্রাথমিকভাবে নতুন এ প্রযুক্তি চুম্বকীয় পদ্ধতির সাহায্যে কোনো মাধ্যম ছাড়াই দূর থেকে মোবাইল ফোনসহ বহনযোগ্য ইলেকট্রনিক যন্ত্র চার্জ করবে। বর্তমানে গবেষকরা ১৫ সেন্টিমিটার দূরত্বে থাকা মোবাইল চার্জ করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁরা আশা করছেন ২০১২ সালের মধ্যেই এ প্রযুক্তি সবাই ব্যবহার করতে পারবেন।
সূত্র : ইন্টারনেট
চেষ্টা করি দেখি কাজ হয় কিনা 
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by godhuli
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.০৬ seconds (৬২.১% PHP - ৩৭.৯% DB) with ৬ queries