http://www.dailykalerkantho.com/admin/news_images/503/thumbnails/image_503_149236.jpg                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                      রিয়া সেন অধ্যায় শেষ হয়েছে অনেক দিন। একেবারে বিবৃতি দিয়েই রিয়া দুজনের সম্পর্ক চুকে যাওয়ার ঘোষণা দেন। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটার, তাও আবার শ্রীশান্তের মতো সুদর্শন, তিনি তো আর একা থাকতে পারেন না। এবার শ্রীশান্তের জীবনে ক্যাটওয়াক করছেন শাজান পদ্মশ্রী। দুজনের ছোটিসি প্রেম কাহানি এখন মুম্বাইয়ের বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে। আইপিএলের ম্যাচে উপস্থিত হচ্ছেন শাজান। ম্যাচের পর দুজন লং ড্রাইভে হারিয়েও যাচ্ছেন। আবার ডিস্কো ক্লাবের আলো-আঁধারিতে ঘনিষ্ঠ হয়ে একে-অপরকে আবিষ্কারে মত্ত হতেও দেখা যাচ্ছে দুজনকে। তবে বরাবরের মতো শাজানের বক্তব্য, 'আমি এখন ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত। তা ছাড়া আমরা দুজন ভালো বন্ধু। আর যথারীতি শ্রীশান্ত মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছেন।
     
            সূত্র

মনে হচ্ছে, এবার সবই পালটে যাবে।
ঠিক সময়ে সূর্য উঠবে, পাটে যাবে।
আনাজপাতি, মাছ-মাংস জোগাড় হবে, রান্না হবে,
খাওয়া হবে_বাইরে যাওয়া, ঘরেফেরা স্বাস্থ্যপ্রদ।
মনে হচ্ছে, মনে অনেক শান্তি আসবে
অফিসে আর হুজ্জতি নেই, বাচাল মুখে তালা দেবে
করবে না কেউ ষড়যন্ত্র, কমবে অনেক হন্তদন্ত ভাব।
দিনগুলো খুব শান্ত হবে, বর্ষা এলেই বৃষ্টি ঝরবে,
শীতকালে শীত হাড় কাঁপাবে, মাঘের ডরে বাঘ পালাবে
পিঠা-পুলি, হাঁসের মাংস খেয়ে হব পরমহংস।
সমুদ্দুরে নাইতে যাব, পহাড়চূড়ায় হাড় জুড়াব
সমতলে ফিরে আসব, জানালাগুলো খুলে দেব
রাতে ঘরে জোছনা ঢুকবে, বইবে বাতাস মৃদুমন্দ।
অগি্নদগ্ধ কেউ হবে না বাঁচতে গিয়ে
মিছিল থেকে পুলিশভ্যানে, ভ্যান থেকে গরঠিকানায়
কেউ যাবে না। গুপ্তহত্যা, ক্রসফায়ার বন্ধ হবে।
মনে হচ্ছে, বদলে যাবে দিনের ধরন, রাতের স্বভাব।

এই সময়ে শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পানি ও লবণ বেরিয়ে গিয়ে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন হয়। মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হতে পারে এ থেকে। লিখেছেন ডা. সাবরিনা হুসাইন। পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নেফ্রলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. কে বি এম হাদিউজ্জামান

http://www.dailykalerkantho.com/admin/news_images/500/thumbnails/image_500_148219.jpg

পানিশূন্যতার ইংরেজিটাই আমাদের কাছে বেশি পরিচিত- ডিহাইড্রেশন। মূলত গ্রিক শব্দ ডিহাইড্রেশনের শাব্দিক অর্থ অতিরিক্ত পরিমাণ পানি বের হয়ে যাওয়া। কোষ তথা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পানির পরিমাণ কোনো কারণে রক্ষিত না হলে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। এটি দুভাবে তৈরি হয়_
* পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি গ্রহণ না করলে।
* অতিরিক্ত পানি শরীর থেকে বেরিয়ে গেলে।

পানিশূন্যতা সাধারণত তিন ধরনের হয়
১. পানি বের হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের জন্য অপরিহার্য লবণ (বিশেষ করে সোডিয়াম) অতিরিক্ত পরিমাণ বেরিয়ে যায়, ফলে লবণের ঘাটতি প্রকট হয়ে যায়। এটি হাইপোটনিক ডিহাইড্রেশন নামে পরিচিত। এ ক্ষেত্রে কোষের ভেতরে ও বাইরের পানি ও লবণের সমতা রক্ষার জন্য কোষের ভেতরের পানিও কোষের বাইরে চলে আসে। ফলে পানিশূন্যতা মারাত্মক ধরনের হতে পারে।
২. অন্য ধরনটি হাইপারটনিক ডিহাইড্রেশন নামে পরিচিত। এতে লবণের তুলনায় অনেক বেশি পানি বের হয়ে যায়। ফলে পানিশূন্যতার পাশাপাশি লবণ ও পানির ভারসাম্যও বিঘি্নত হয়।
৩. সচরাচর আমরা তীব্র গরমে বা ঘামের কারণে যে ধরনের পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হই, তা আইসোটনিক ডিহাইড্রেশন নামে পরিচিত। এ ক্ষেত্রে লবণ ও পানি একই সঙ্গে বের হয়।
কেন শরীরে পানির ঘাটতি হয়?
* শরীর থেকে প্রস্রাব, মলত্যাগ, ঘাম, এমনকি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমেও পানি ও লবণ বের হয়ে যায়। বাংলাদেশে চৈত্র, বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসে অতিরিক্ত গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায় পানি বের হয়ে যাওয়ার মাত্রা অনেক বেশি হয়। সেই তুলনায় পানি পান না করা হলে ও দীর্ঘক্ষণ বাইরে থাকা হলে (ঢ়ৎড়ষড়হমবফ যবধঃ বীঢ়ড়ংঁৎব) শরীরে ধীরে ধীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয়।
* শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা যদি পানির কথা বলতে না পারে ও পানি খাওয়ানো না হয়, তবে তাদের ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা হতে পারে।
* সংজ্ঞাহীন রোগী ও কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে বেঁচে রয়েছে এরূপ রোগী এবং অপারেশনের পর রোগীদের প্রয়োজনীয় তরলের পরিমাণ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না হলে পানি ও লবণশূন্যতা হতে পারে।
* মানসিক সমস্যায় ভুগছেন এমন রোগীরা পানি পান করার কথা ভুলে যান বা ইচ্ছা করেই পান করেন না। তাঁদের ক্ষেত্রে তাই পানিশূন্যতা খুব বেশি দেখা যায়।
* মুখের ভেতর, গলা পুড়ে গেলে, ঘা বা ব্যথাযুক্ত ফোঁড়া বা ফুসকুরি হলে_এমনকি ইনফেকশন হলেও পানি খাওয়া কমে যায়। এ ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে পানি নিঃসরণ বেশি হয়। ফলে তৈরি হয় পানিশূন্যতা।
* বেড়াতে গেলে বা প্রস্রাব আটকে রাখলে বা প্রস্রাব করার ভয়ে পানি কম পান করলে, খাওয়ার পানি না পাওয়া গেলে পানিশূন্যতা হতে পারে।
* যাদের গিলতে সমস্যা_যেমন ইসোফেগাসে ক্যান্সার থাকলে পানিশূন্যতা হয়।

আরো যে কারণে পানিশূন্যতা হতে পারে
* জ্বর হলে পানিশূন্যতা তৈরি হয়, বিশেষ করে তাপমাত্রা ১০২০ঋ-এর বেশি হলেই শরীর পানি হারানো শুরু করে।
* প্রচণ্ড কায়িক পরিশ্রম হলে।
* অতিরিক্ত বমি হলে।
* ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরা হলে।
* ইনফেকশনের কারণে ঘন ঘন প্রস্রাব হলে।
* শরীরের কোথাও পুড়ে গেলে।
* ক্ষুদ্রান্ত্র বা বৃহদন্ত্রের কোনো অপারেশন হলে বা ফিস্টুলা হলে।
* বিশেষ কোনো অসুখে যেমন ডায়াবেটিস কিটোএসিডেসিস হলে।
* অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে।

সাবধানে থাকুন যদি_
* দীর্ঘসময় বাইরে একনাগাড়ে কাজ করার সময়ে
* জ্বর থাকলে
* দুই দিনের বেশি ডায়রিয়া থাকলে (শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে এক দিনের ডায়রিয়াও মারাত্মক হতে পারে)
* এক দিনের বেশি ঘন ঘন ও প্রচুর পরিমাণে বমি হলে।
* ডায়াবেটিস থাকলে।
* কিছু ওষুধ সেবন করার ক্ষেত্রে।
* দুর্বল শরীরে রোজা রাখলে বা উপবাস করলে।

পানিশূন্যতা প্রতিরোধে যা করতে পারেন
স্বাভাবিক দিনে একজন প্রাপ্তবয়স্কের অন্তত দুই লিটার পানি পান করা প্রয়োজন। যদি গরমে বাইরে বেশিক্ষণ থাকেন তবে পানি পানের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। বাইরে যাওয়ার সময় সঙ্গে বোতলে পানি নিন।
* বাচ্চারা স্কুলে খেলাধুলা ও অন্যান্য কাজ করে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাদের ফ্লাস্কে বা বোতলে পানি দিয়ে দিন ও প্রতিদিন দেখুন বাচ্চা পানি পান করেছে কি না। অনেক বাচ্চার পানি পান করারও অভ্যাস গড়ে ওঠে না। এটি অনেক সময় বিপজ্জনক হতে পারে। বিশেষ করে শিশুরা কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়।
* যাঁরা খেলাধুলা করেন বা ব্যায়াম করেন, তাঁরা ইনস্ট্রাক্টর, কোচ বা ডায়েট্রেশিয়ানের মাধ্যমে শরীরে প্রয়োজনীয় পানির পরিমাণ জেনে নিন ও সেই অনুযায়ী পানি পান করুন।
* যদি ৪-৫ ঘণ্টা পর পর প্রস্রাবের বেগ হয় ও প্রস্রাব হয় এবং প্রস্রাবের রং যদি স্বাভাবিক থাকে (হালকা হলুদ) তবে বুঝতে হবে, শরীরে পানির পরিমাণ স্বাভাবিক আছে। কিন্তু যদি ৮-১০ ঘণ্টা প্রস্রাবের বেগ না হয় ও প্রস্রাবের রং গাঢ় হলুদ হয়, তবে বুঝতে হবে শরীরে পানি কমে গেছে।
* পানি খেলেই যে পানিশূন্যতা রোধ হবে এমন কোনো কথা নেই। তাজা সবজি, ফল যেমন_তরমুজ, শসা ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে, তাই অফিসে বা বাড়িতে কাজের ফাঁকে ফাঁকে ফলের রস, সালাদ ইত্যাদি খান।
* বাচ্চাদের বা বৃদ্ধদের ডায়রিয়া এক দিনেও মারাত্মক লবণ ও পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে। তাই দুইবারের বেশি পাতলা পায়খানা হলেই স্যালাইন খাওয়ানো শুরু করুন। ডাবের পানিও অত্যন্ত উপকারী। মনে রাখবেন, স্বাভাবিক খাবার খাওয়ানো বন্ধ করবেন না_কারণ খাদ্যের মাধ্যমেও প্রচুর পানি ও লবণ শরীরে প্রবেশ করে।
* স্বাভাবিক মানুষের ক্ষেত্রে যখন তৃষ্ণা পায়, তখন পানি পান করাই যথেষ্ট; কিন্তু যাঁরা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, বিশেষ কোনো ওষুধ খান তাঁরা খানিকটা সময় পর পরই পানি পান করুন।

চিকিৎসা
* পানিশূন্যতা যদি সামান্য পরিমাণে হয়, তবে বারবার পানি পান করলেই পানির পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যায়।
* অতিরিক্ত ঘাম হলে রোগীকে ঠাণ্ডা স্থানে নিয়ে বাতাস করতে হবে ও পানি পান করাতে হবে।
* শিশুকে বারবার বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। ছয় মাসের বেশি বয়স হলে দুধের পাশাপাশি স্যালাইন খাওয়াতে হবে ।
* পানিশূন্যতা বেশি হলে রিহাইড্রেশন করতে হবে মুখে খাবার স্যালাইন ড়ৎধষ ৎবযুফৎধঃরড়হ ংধষঃ ঃযবৎধঢ়ু দিয়ে। এ ক্ষেত্রে যত ইচ্ছা স্যালাইন খাওয়া যেতে পারে।
* পানিশূন্যতা অতিরিক্ত হলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করে শিরায় স্যালাইন দিতে হবে।

মনে রাখবেন পানিশূন্যতা শনাক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ পানিশূন্যতায় মৃত্যুর হারও অনেক।


সূত্র

আসলে অটিজম কোনো রোগ নয়। এটা একটা আচরণগত সমস্যা। বর্তমানে এই বিষয়ে অনেক স্কুল চালু হয়েছে। তবে অটিস্টিক শিশুর মধ্যেও অনেক প্রতিভা লুকিয়ে থাকে। সেগুলোর বিকাশ ঘটানোই জরুরী বিষয়। আইনিষ্টইন তো অটিস্টিক ছিলেন। তিনি তো পেরেছেন অনেক দূর যেতে।

অবশেষে অভি-অ্যাশের স্বপ্নটা পূরণ হতে যাচ্ছে। বলিউডের এ হার্টথ্রব দম্পতির বহুদিনের সাধ একটি রোমান্টিক কমেডি ছবিতে জুটি বাঁধার। এর আগে মোট আধ ডজন ছবিতে তাঁরা অভিনয় করেছেন জুটি বেঁধে। কিন্তু সেগুলোর কোনোটাই কমেডি ধাঁচের ছিল না। এবারই প্রথম রাজকুমার সন্তোষির 'লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান' নামের একটি রোমান্টিক ছবিতে তাঁরা কাজ করবেন একসঙ্গে। শিগগিরই শুরু হবে ছবিটির কাজ। এ ছবির কাজ নিয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত অভিষেক বচ্চন আর ঐশ্বরিয়া রাই। অনুভূতি জানাতে গিয়ে অভিষেক বচ্চন বললেন, 'এর আগে আমরা আরো অনেক ছবিতে কাজ করেছি, কিন্তু রোমান্টিক কমেডি ঘরানার ছবিতে এই প্রথম। আমাদের ইচ্ছা ছিল এমন একটা কাজ করার। শেষ পর্যন্ত কাজটা দর্শকদের কতটা ভালো লাগবে তা ভাবছি।' ছোট বচ্চন আরো বললেন, 'অ্যাশ সব সময় খুব ভালো সহ-অভিনেত্রী। বিয়ের আগে কিংবা পরে_সব সময়ই ওর সঙ্গে কাজ করাটা উপভোগ করেছি। কারণ ঐশ্বরিয়া একজন পেশাদার শিল্পী।' দেখা যাক, বাস্তব জীবনের সফল জুটি পর্দায় আরো একবার বাজিমাত করতে পারেন কি না

সূত্র

tazkianur wrote:
sawontheboss4 wrote:
tazkianur wrote:

...''ঠিক জানি না পারস্পরিক খেলাধূলায়
কখন কে যে কাকে খেলায়।''...
sad  sad

কারও খেলার পুতুল হতে নেই!   no talking

ঠিক,কারও খেলার পুতুল হতে নেই,কিন্তু অন্যদের নিজের হাতের পুতুল বানাতে আছে।

      কিন্তু কারো খেলার ইচ্ছা থাকলে তো খেলার পুতুল হতে হয়।  batting eyelashes

ডাউনলোড করলাম দেখি কেমন কাজ হয়।

জটিল অভিজ্ঞতা। ভাগগীশ কামাল স্যার ছিলো।

এতো কষ্টের স্বাধীনতা, তবে মাঝে মাঝে খুব পরাধীন মনে হয়।

এমন বাস্তবধর্মী কবিতা লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।  applause

আমাদের মাঝে আসার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আশাকরি নিয়মিত হবেন।  applause

৩৭

(৫ replies, posted in আত্মপরিচয়)

আপনাকে গ্রহণ করা হলো।  coffee

তথ্য গুলো জেনে অনেক উপকৃত হলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

আসলে বর্তমানে এই রোগগুলো জটিলাকার ধারণ করেছে। তাই আগে থেকে সচেতন হওয়া উচিত।

দেখা যাক শাকিরা কি চমক দেখায়।

অনিন্দ : (শহর- বাংলাব্যান্ড)

পাশের রুম থেকে হঠাত্ গানটির সুর ভেসে এলো। আনমনেই গানটি ভাল লেগে গেল। কিন্তু এটা সংগ্রহ করতে পারছিলাম না। অনেক কষ্টে আজ গানটির লিংক খুজে বের করলাম। তাই আপনাদের মাঝেও শেয়ার করলাম। জানিনা কেমন লাগবে।  confused   গানটির কথা এমন: যখন নীরবে দূরে দাড়াও এসে যেখানে পথ বেকেছে, তোমার ছুতে চওয়ার মুহর্তরা। কে জানে কি আবেশে দিশাহারা।.....................

sad

ফোরামে আপনাকে স্বাগতম। আপনার সুদূরপ্রসারি চিন্তা দিয়ে আপনিও রাখতে পারেন এখানে অনেক অবদান।

applause

সিএডিপিআর ওয়েল এ রান্নার প্রচলন শুরু করলে শুধু হৃদরোগ নয়, আরও অনেক রোগ  নিরাময় করা সম্ভব হতো। একিই সাথে তেলের উচ্চমূল্যও রোধ করা যেত।

এটা কি সত্যি ঘটনা?

গতকালের খেলা দেখে এই বিষয়ে মন্তব্য করার কোনও ভাষা খুজে পাচ্ছি না।  surprise

আমি তোমার জন্য তপ্ত লোহায় দেব গভীর চুম
আমি তোমার জন্য বাকি জীবন থাকব গো নির্ঘুম
আমি তোমার জন্য চাঁদের দেশে উড়াল দেব ঠিকই
আমি তোমার কথা রোজ সকালে দূর আকাশে লিখি...

সূত্র
এখানে

আমরা সবকিছু জেনেও তো সচেতন হতে পারছি না।